এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • pi | ০৫ মে ২০১৪ ০৯:৪৬231628
  • হ্যাঁ, খুব সুন্দর দেখতে। আমি তো ফুলদানি কিনলে এবার থেকে তাতে ঢেঁকিশাক সাজিয়ে রাখবো ঠিক করেছি। ঘরের টবে বাহারী গাছের বদলেও রাখা যায়। অবশ্য, সেখান ঢেঁকিশাকেরা বাঁচবে কিনা জানিনা।
    এখনো ঐ গ্লাস থেকে তুলে কাটতে ইচ্ছে করছেনা।
  • ঢেঁকিশাক কি বিষাক্ত? | ০৫ মে ২০১৪ ০৯:৪৬231629
  • আমাদের প্রিয় ঢেঁকিশাক কি বিষাক্ত?

    ফসিল রেকর্ড থেকে জানা যায় ফার্ণ ৩৫ কোটি বছরের পুরনো উদ্ভিদ। তবে আমরা যে ঢেঁকিশাক খাই তা অত পুরনো নয়, বিবর্তিত হয়ে এ পর্যায়ে আসতে অনেক সময় লেগেছে এর। ঢেঁকিশাক জন্মে না এমন জায়গা দুনিয়াতে খুঁজে পাওয়া ভার। পাহাড়ে সমতলে পানিতে, গাছের ওপর, পাথরের ফাটলে সর্বত্রই ফার্ণ জন্মে শুধু তপ্ত বালুতে ঢাকা মরু আর শীতল বরফে ঢাকা তুন্দ্রা অঞ্চলে এদের দেখা পাওয়া যায় না। একসময় আমাদের দেশে প্রচুর ঢেঁকিশাক দেখা যেত জলার ধারে, বনে-জঙ্গলে। এখন আবাদি জমি বেড়েছে, বসতবাড়ির ভিটে বেড়েছে, পরিবেশ দূষিত হয়েছে। তাই ফার্ণেরা তাদের দেহ থেকে অনাত্মীয় গাছ ধ্বংসকারী অ্যালিলো-রসায়ন ছড়িয়েও বংশ বিস্তার করতে পারছে না। ঢাকা নগরীর নামকরণের সঙ্গে ঢেঁকিশাকের একটি প্রস্তাবিত সম্পর্ক পাওয়া যায়। প্রায়ই ঐতিহাসিক নামকরনের পেছনে অনেক কাহিনী-কিংবদন্তী থাকে। এখানে একটি সূত্র হল, ঢাকেশ্বরী মন্দিরের নামানুসারে ঢাকা হয়েছে। আরেকটি হল, মোগল আমলের সুবেদার ইসলাম খাঁর ঢাক পিটিয়ে যতদূর পর্যন্ত ঢাকের শব্দ যায় ততদূর পর্যন্ত নতুন রাজধানীর এলাকা নির্ধারণ করার জন্যে ঢাকা। কিন্তু স্বাভাবিকভাবে সকলের নজরে পড়া, ঢেঁকি শাকে ঢেকে থাকা বিস্তীর্ণ অঞ্চলও ঢাকা নামকরণের জন্যে কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। বৈজ্ঞানিক গবেষণায় জানা গেছে, দেশে বিদেশে বেশ কিছু ঢেঁকিশাক রয়েছে যা বিষাক্ত, যার মধ্যে ব্র্যাকেন ফার্ণই সবচে বেশি আলোচিত। মানুষ ছাড়াও এগুলোর বিষাক্ত পাতা খেয়ে গৃহপালিত প্রাণীরা অসুস্থ হয়েছে, বিশেষ করে ঘোড়া।



    ঘোড়ার এক ধরনের আসক্তিও আছে এই গাছের প্রতি, নির্বিষ ভাল খাবার মুখের কাছে পেলেও সে এটা খাবেই খাবে। খেয়ে পস্তাবে, এমন কি জীবনও দেবে। এই বিষে অবশ্য জাবর কাটা প্রাণীদের তেমন ক্ষতি হয় না, কারণ তাদের পাকস্থলিতে এটা অনেকখানি নষ্ট হয়ে যায়। এই বিষের নাম টেকিলোসাইড (Ptequiloside), সংক্ষেপে যা PTQ। আশির দশকে ড্যানিশ বিজ্ঞানী রাস্‌মুসেন তার একটি আবিষ্কার দিয়ে মানুষকে এই বিষ সম্পর্কে ভীষণভাবে সচকিত করে তোলেন। তিনি লক্ষ্য করলেন, যুক্তরাজ্যের ওয়েল্‌সের গাইনেড জনপদে বৃষ্টির পানিতে ফার্ণের পাতা থেকে ধুয়ে এই বিষ জলাধারে চলে যায়, আর পাইপ লাইনে লিকেজের কারণে মিশে যায় সাপ্লাইয়ের পানিতেও। রোজ রোজ সেই পানি খেয়ে মানুষের ক্যান্সার হবার সম্ভাবনা প্রবল হয়ে ওঠে। গবাদি পশু ক্ষুধা নিবারণের জন্যে ঘাস-বিচালি না থাকলে অনেক সময় ফার্ণের পাতা খায়। বসন্ত কালের কচি ফার্ণের ডগা, হয়তো বা এমনিতেই রুচি করে খায়। পাতা খাবার পরে এই বিষ নষ্ট না হয়ে গবাদি পশুর দুধের ভেতর চলে আসে। পশুখামারের কর্মচারীরা দুধ থেকে মাখন তোলার পর উপাদেয় ঘোলটুকু রেখে দেন নিজেদের ও পরিবারের জন্যে। কিন্তু দুর্ভাগ্যক্রমে এই ঘোলেই থাকে দ্রবীভূত এবং ঘণীভূত টেকিলোসাইড। আমরা সাধারণত ঢেঁকিশাকের কচি ডাঁটাসহ ডগাটা খাই যেটা দেখতে বেহালার মাথার মতো গোল হয়ে থাকে। বাঙালিদের একটি ভাল অভ্যাস হল, কোনো জংলি জিনিস পারতপক্ষে তারা কাঁচা খায় না। এই অভ্যাস না থাকলে তারা বহুল পরিমাণে ক্যান্সার রোগের শিকার হতে পারতো। পৃথিবীতে সবচে বেশি পাকস্থলির ক্যান্সার হয় জাপান আর কোরিয়াতে কারণ এই দুটো দেশেই সালাদের সঙ্গে কাঁচা ঢেঁকিশাকের ডগা খাওয়া হয়। ঢেঁকিশাকের ভেতর শুধু যে টেকিলোসাইড থাকে তা নয়, এতে থাকে আরো দুটো মারাত্মক বিষ যার একটি হল থায়ামিনেজ। এটা খেলে শরীরে ভিটামিন বি-১ এর প্রচণ্ড ঘাটতি হয়ে বেরিবেরি রোগ দেখা দেয়, সিনহালিজ ভাষায় যার অর্থ ‘আমি পারি না, আমি পারি না’ এমন অদ্ভুত নামের কারণ হয়ত, এই রোগে পায়ে অসাড়তা আসে বলে মানুষ ঠিকমতো দাঁড়াতে পারে না। পোল্যান্ডের রসায়নবিদ ক্যাসিমির ফাঙ্ক ভিটামিন সমৃদ্ধ লালচালের ফ্যান খাইয়ে এই রোগ দূর করেন এবং বলেন, এটা হচ্ছে ইতল আমিনে, যেখান থেকে ইতমিনে শব্দের উৎপত্তি হয়েছে। অনেক সময় ফার্ণের কচি পাতা বা ফ্রন্ড ভাংলে একটু বাদামের মতো গন্ধ আসে। এমন গন্ধ নাকে এলে বুঝতে হবে এর ভেতর হাইড্রোজেন সায়ানাইড আছে যা এক ধরনের তীব্র বিষ। এই বিষ যে মানুষের জন্যে কেমন ক্ষতিকর তা বলাই বাহুল্য। এটা ব্যবহার করা হয় তিমি শিকারের হার্পুনে এবং কীটনাশক হিশেবে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জার্মানিতে এটা ব্যবহার হয়েছে গ্যাস চেম্বারে গণহত্যার জন্যে এবং রাসায়নিক যুদ্ধাস্ত্র হিশেবে। কোনো কোনো সময় এমনও দেখা যায় একই জাতীয় ফার্ণের এক গাছে বিষ আছে আবার আরেক গাছে নেই। আমাদের দেশের ছাগল যখন আমপাতা কাঁঠাল পাতা কিছু পায় না তখন ফার্ণের কচি পাতা খায়, কিন্তু মরে না, অসুস্থও হয় না। এর কারণ, ছাগল গন্ধ শুঁকে বুঝতে পারে কোন পাতায় সায়ানাইড আছে আর কোন পাতায় নাই। জাবর কাটা প্রাণীদের পাকস্থলিতে বিষ নষ্ট করার ক্ষমতাও বেশি থাকে। আমাদের দেশের মানুষ এই ফার্ণ বিষাক্ত হলেও খেয়ে অভ্যস্ত। রান্নায় তাপের কারণে কিছু নষ্ট হয় বিষ, আর এমন তো নয় যে কেউ দিনের পর দিন এগুলো খেতে থাকে খেশারির ডালের মতো যেটা খেলে ল্যাথিরিজম হতে পারে। ফার্ণের পুষ্ট পাতা যার নিচের দিকে স্পোর থাকে তা কখনো খাওয়া ঠিক নয়, কারণ স্পোর অেনোগেনি, যা খেলে ক্যান্সার হতে পারে। আলোচ্য বিষয়গুলো খেয়াল রাখা ভাল, বিতর্কিত কোনো ভেষজই না জেনে খাওয়া ঠিক নয়। ব্র্যাকেন ফার্ণ, অস্ট্রিচ ফার্ণ, লেডি ফার্ণ, দারুচিনি ফার্ণ প্রভৃতি ছাড়াও ভারতীয় বিজ্ঞানীরা আরো প্রায় ৪০ ধরনের এদেশীয় ফার্ণ পরীক্ষা করে দেখেছেন যার ভেতরে আছে টেকিলোসাইড অথবা ঐ জাতীয় কোনো বিষাক্ত রসায়ন। কোন ফার্ণ খাওয়া যাবে, বা যাবে না, তা নির্ধারণের জন্যে আমাদের দেশে ফার্ণ বিশেষজ্ঞ বা টেরিডোলজিস্টও নেই, কাজেও ঢেঁকিশাক খাওয়ার দায়ীত্ব আমাদেরই নিতে হবে। শুধু একটু খেয়াল রাখা প্রয়োজন, কটূগন্ধ কোনো ফার্ণ এড়িয়ে যেতে হবে, স্পোর এবং পুষ্ট পাতা বাদ দিয়ে কচি ফ্রন্ড খেতে হবে এবং একনাগারে অনেকদিন ধরে খাওয়া যাবে না, এমন কি এক সপ্তাহ ধরেও।

    =====

    না না, এটা আমি লিখি নি, লিখেছেন জায়েদ ফরিদ। এই দেখুন
    http://environmentmove.com/?p=9072
  • jhiki | ০৫ মে ২০১৪ ০৯:৪৬231630
  • বাপরে কী তেজ!!
  • pi | ০৫ মে ২০১৪ ০৯:৪২231627
  • ওহে হুতো, সুতো কি একটু ঢেঁকিশাকের রেসিপি টা দেবে ?
  • rabaahuta | ০৫ মে ২০১৪ ০৯:৪১231626
  • না না একেবারেই পুঁইশাকের মত নয়।
    আমি খুবই চিন্তিত, উদ্বিগ্ন, কে যে কিসের লোক, মানবজাতি কোথা হইতে আসিয়াছে আর কোথায় যাইতেছে এইসব ফিগার আউট করার চেষ্টায় খুবই ব্যাস্ত। কিন্তু তাই বলে ঢেকির শাক বিষয়ে কোনরকম মানহানি হলে আমি আদালতে যাবো এই কথা জানিয়ে দিলাম।

    নমস্কার, গুডনাইট, জয়হিন্দ।
  • pi | ০৫ মে ২০১৪ ০৯:৪০231625
  • আজ বিকেলে অ্যালকোহল দিয়ে ট্রাই মারবো, আর তো এখানে কিছু পাবার উপায় নেই।
    আর ফোন মনে হয় দোকানে নিয়ে যেতে হবে ঃ(
  • jhiki | ০৫ মে ২০১৪ ০৯:৩৩231624
  • তবে ছবি দেখে মনে হচ্ছে এটা পুঁইশাকের মত খেতে হবে।
  • jhiki | ০৫ মে ২০১৪ ০৯:৩২231623
  • ঢেঁকি শাক দারুণ দেখতে তো!

    কালকে ছোটাই এর কথানুযায়ী fiddlehead সার্চ করে দেখেছিলাম। গুগলে ফিডলহেড দিয়ে অনেক চাইনীজ রেসিপির ছবি দেখলাম।এর পর বাজার গেলে খুঁজে দেখব পাওয়া যায় কিনা।
  • Abhyu | ০৫ মে ২০১৪ ০৯:২৩231622
  • রসের কি ব্যবস্থা হল পাই?
  • pi | ০৫ মে ২০১৪ ০৯:২০231621
  • ঝিকিদি, ঢেঁকিশাকঃ)


  • Abhyu | ০৫ মে ২০১৪ ০৯:১১231620
  • এইত্তো হানুদা উঠে পড়েছে। শোভন তোমাকে গুড মর্ণিং বলছে। আমাদের কল্যাণীতে খুব মেঘ করেছে, একটু পরেই বৃষ্টি হবে।
  • jhiki | ০৫ মে ২০১৪ ০৮:৫৮231619
  • কমরেড মোদীবাবু ঃ)))

    নির্মল আনন্দ!
  • h | ০৫ মে ২০১৪ ০৮:৫২231618
  • আকা আপাতত খরাজের কোর গ্রুপে।
  • pi | ০৫ মে ২০১৪ ০৬:২৩231617
  • কিছু পোস্ট পড়ে এমন হাসি পেয়ে গেল,যাগ্গে। অলীক সুখ কে বাজে সিনেমার টৈ তে টাঙ্গিয়ে দিয়ে আসা উচিত।
  • | ০৫ মে ২০১৪ ০১:৫৯231616
  • স্নেহের তাপস,
    ক্ষমতার অলিন্দে থাকার জন্যে এই করুণ আকুতি দেখে বাকস্তব্ধ হয়ে গেলাম। বয়েসের সঙ্গে সঙ্গে একি অধঃপতন!!!
    অবশ্য খুব ঘাবড়েও গেলাম।গুরুর অন্যতম রূপকার কে? অনেক রূপকার ছিলো নাকি? গুরু তো টিনটিনের সহোদর বলেই এতদিন জানতাম!

    স্নেহ জেনো।
    আং
  • Abhyu | ০৫ মে ২০১৪ ০১:৫৬231614
  • মায়াবতী মেঘে এলো তন্দ্রা বোধহয়।
    মেঘ আর বন্যার মধ্যে কল্পনার অবকাশ নেই, ঘোর বাস্তব :)
  • ঈশান | ০৫ মে ২০১৪ ০১:৫৬231615
  • তিমিরা কি ডিসকভারি দেখে নাকি? :-)
  • Abhyu | ০৫ মে ২০১৪ ০১:৫৪231613
  • সিনেমার নাম "শুধু তিমির জন্যে"? ডিসকভারি চ্যানেলে দেখানো হবে?
  • ঈশান | ০৫ মে ২০১৪ ০১:৫৩231612
  • এই তো আমি একটা ফিলিম করব। কোনো সেট নেই, কোনো আঁতলামো নেই। শুধু তিমির জন্য। আর দুটো উপন্যাস লিখে নিয়েই। :-)
  • | ০৫ মে ২০১৪ ০১:৫০231611
  • অভ্যু, এই মাত্র দাবার পোস্টটা দেখলাম। শত্তুরের মুখে ছাই দিয়ে দাবাতেও তিনি প্রাইজ পেয়েছেন। সপ্তাহে একদিন স্কুলের পরে একঘন্টা করে তিনি স্কুলে দাবাও খেলেনঃ))
  • Ekak | ০৫ মে ২০১৪ ০১:৩৪231610
  • মোদী আসুক।
  • Atoz | ০৫ মে ২০১৪ ০১:২৮231609
  • সেই কী একটা গান ছিল না, "মায়াবতী মেঘে এলো বন্যা"? ঃ-)
  • Abhyu | ০৫ মে ২০১৪ ০১:২৭231608
  • একেবারে বকুলগন্ধে বন্যা আসার মতো
  • Atoz | ০৫ মে ২০১৪ ০১:১৯231607
  • মুশকিল হয়ে যায় এইসব সময়ে, যেসব সময়ে লেখাটেখা সিনেমা নাটক গান কাব্যি সবই রিসাইকল হতে থাকে, সে এক মহা ঝামেলার সময়। একটা দুটো নতুন না, নতুনের একটা বিপুল বন্যা না এলে ঐ বদ্ধ জল যাবে না।
  • Ekak | ০৫ মে ২০১৪ ০১:০৫231605
  • আরে সব শালা ত্রিবিউতায়তিস এ ভুগছে। সিনেমায় ট্রিবিউট, লেখায় ট্রিবিউট। অসহ্য
  • Tim | ০৫ মে ২০১৪ ০১:০৪231604
  • একককে ক (অঃসুঃ সম্পর্কে)।

    মামী আর মামুকে ঃ-)

    অন্য ভাষার সহজ, জীবন থেকে নেওয়া, ভবিয়ে তোলা অথচ নকল আঁতলামিবিহীন সিনেমা দেখতে দেখতে এইসব জাতিস্মর টরের জন্য খারাপ লাগে। ভালো সিনেমা বানাতে না লাগে পয়সা, না লাগে বিশাল অভিনেতা। ইচ্ছে লাগে। সেই ইচ্ছেটাই হয়ত কম।
    এবার ঘুমোবো। দেড়টা বেজে গেল।
  • Atoz | ০৫ মে ২০১৪ ০১:০০231602
  • এই নতুন সিনেমাগুলো কেন যেন সব রিমেক মনে হয়! একটা দুটো লাইন যেতে না যেতে পুরানো সিনেমার কোনো রেফারেন্স। সেই পুরানো আমলে কোন সিনেমায় কী হয়েছিল এইসব।
    সেইজন্যেই মাঝে মাঝেই কমললতা দেখি, একেবারে ওরিজিনাল সাদা কালো সিনেমায় উত্তম-সুচিত্রা। ঃ-)
  • aka | ০৫ মে ২০১৪ ০১:০০231603
  • খরাজ ভয়ংকর মোটা হয়েছে। কন্ট্রোল না করলে মারা যাবে।
  • aka | ০৫ মে ২০১৪ ০০:৫৯231601
  • বাপ তোলা জান্তাম, কোর্ট তোলা আজ শিখেছি।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত