এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  নাটক

  • হীরকের রানী ভগবান (৪)

    s
    নাটক | ২৩ মে ২০১৬ | ১৩১৭১৭ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • sm | ০৭ এপ্রিল ২০১৭ ১৮:২৯711795
  • রিসেন্ট খবর ;এয়ার ইন্ডিয়া ব্যান তুলে নিয়েছে।
    কেন তুললো?
  • Ekak | ০৭ এপ্রিল ২০১৭ ২২:০৯711797
  • এই কদিন ধরে দেকচি কিছু লোক বোলেই চোলেচে রামনবমি চিরকাল হতো। আরে সে মিশনেও রামনবমি হোয়।হনুমান চল্লিশা, চরিতমানস পাঠ হয়। কিন্তু ঘরোয়া পুজো আর রাস্তায় মিছিল এক নাকি ? কাল জদি শেতোলা পুজোর মিছিল বেরোয় তবে ইম্প্লায়েড জে রোগভোগ বেড়েচে। এগুলো মার্কার।রামনবমির মিছিল বেরোনো ও মার্কার।
  • Atoz | ০৮ এপ্রিল ২০১৭ ০৩:৩৭711798
  • নৈরাজ্যদা, নৈরাজ্যদা গো, তুমি কোথায়?
    আজ ফেবুতে গিয়ে দেখি তোমাদের সেই বিতর্কিত লেখিকা কোথায় নাকি কয়েছেন যে পবয়ের বাঙালি লেখকরা ধান্দাবাজ!!!!!!
  • T | ০৮ এপ্রিল ২০১৭ ০৪:০৪711799
  • রামনবমী তো অজুহাত মাত্র, বেসিক্যালি বিজেপির মিছিল বেরিয়েছিল। চাট্টি সমাজবিরোধী, বাইকবাহিনী এবং লুম্পেন ইত্যাদি। টার্গেট যেটা সেটা হচ্ছে হিন্দু ভোট কনসলিডেট করা। এ করে বাল হবে, সে আলাদা কথা। কিন্তু আরেসেস প্রচুর টাকা ঢেলেচে দেখাই যাচ্চে।

    তবে রামনবমীর মিছিলের ভিডিও, যা কিনা ২০১৫ এবং ২০১৬ সালের, তাও রয়েছে। এই যেমন, এইটে, রাম অথবা হনুমান পুজো।


    লক্ষ্য করুন একই রকম তরোয়াল ইত্যাদি নিয়ে মিছিল এবং ভাঙচুর। বর্ধমানের আসানসোল জামুরিয়া রাণীগঞ্জ বেল্টে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের -প্রবল উপস্থিতি আছে, যার জেরে তৃণমূল ভাবছিল ওটা হাত থেকে বেরিয়ে যেতে পারে গত ইলেকশনে। ২০১৫ সালের উদাহরণ,


    বীরভূমে বিজেপির সংগঠন আছে, ফলে সিরামগণ রাস্তায় বেরিয়েছিলেন।

    আমাদের দেশগাঁ মানে পশ্চিম মেদিনীপুরের প্রত্যন্ত এলাকাতেও রামনবমীর মিছিল হয়েচে। লোকালাইট নয়, লোকজন এসেছিল ঘাটশিলা জামসেদপুর থেকে। বাইকবাহিনী এসেছে, নাচতে নাচতে, যথারীতি সিরাম সিরাম করে চলেও গেছে। রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে লোকে প্রচুর আমোদ পেয়েচে। ধানবাদ থেকেও গুছিয়ে লোক ঢুকিয়েছিল আদ্রা ডিভিশনে। শোনা খবর, লিঙ্ক দিতে পারব না :)

    তো ব্যাপারটা শেষ পর্যন্ত মহরম গোত্রের কিছু একটাতে দাঁড়ালে খুশিই হব। ওতে এলিয়েনেশন বাড়বে বই কমবে না। অনুব্রতর মাথায় অক্সিজেন কম গেলে কি হবে, ঘরে ঘরে হনুমানপুজোর নির্দেশটা বুদ্ধিমানের মতো ছিল। তবে তৃণমূলকে এইবার মারধরের রাস্তায় নামতেই হবে, কেননা এই ধরণের লুম্পেন কাজকর্ম, যেমন উপরের ভিডিওতে রয়েচে, যেকোনো সময় একটা সাংঘাতিক রায়টের জন্ম দিতে পারে। দিলীপ ঘোষ জাতীয় বর্বরগুলোর বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারায় এফয়াইয়ার খুব ভালো উদ্যোগ।
  • dc | ০৮ এপ্রিল ২০১৭ ০৬:৪৬711801
  • রাম নবমী টাম নবমীর হিড়িক বোধায় কলকাতাতেও বাড়ছে। ফেব্রুয়ারিতে যখন কলকাতায় গেছিলাম তখন একটা কাজে গড়িয়ার দিকে যেতে হয়েছিল, বিকেলবেলা দেখি রাস্তার ধারে দুয়েকটা ছোটছোট মন্দিরে বিকট জায়সিয়ারাম চিৎকার চলছে। এসব আগে কখনো দেখিনি। এমন হতে পারে বাঙালি চিরকালের হুজুগে জাতি, আগে ছিল তোমার নাম ভিয়েতনাম আর এখন হয়েছে আমার নাম সিয়ারাম। দেখা যাক।
  • T | ০৮ এপ্রিল ২০১৭ ০৬:৫৮711802
  • একমাত্র ডিসিই পারেন ভিয়েতনাম আর সিয়ারামকে এক করতে।
  • cb | ০৮ এপ্রিল ২০১৭ ০৭:০৪711803
  • ডিসরাপশন আর লং টার্ম গেন টা কিন্তু একটা বিশাল ফ্যাক্টর - ভুললে চলবে না
  • T | ০৮ এপ্রিল ২০১৭ ০৭:১৪711805
  • খিকজ। 'রামনবমী আসলে ডিসরাপশন। লংটার্মে ভালোই হবে বলে আমার বিশ্বাস।' -- এইরম তাই না?
  • dc | ০৮ এপ্রিল ২০১৭ ০৭:১৯711806
  • লংটার্মে তো মরেই যাবো।
  • PT | ০৮ এপ্রিল ২০১৭ ০৯:৫৪711807
  • পরশুদিন মেদিনীপুরে রাস্তার ধারে ধারে গুচ্ছের গেরুয়া পতাকা দেখা গেল। অল্পবয়সী গাড়ি-চালকের তা নিয়ে বিস্তর উৎসাহ। "জুলুস" বের করা হবে এবং তাতে নাকি হেব্বি ভীড় হবে বলে জানাল। তারপর নিজের থেকেই জানাল যে "ওরা" অস্ত্র নিয়ে রাস্তায় ধর্মীয় মিছিল করলে যদি কোন দোষের না হয় তাহলে "আমরা" অস্ত্র নিয়ে বেরোলে দোষ কোথায়?
    তবে কে কার লক্ষীপ্যাঁচা? খড়্গপুরে চাচাকে হারিয়ে দিলীপকে জেতানোর পেছনে তিনোরা কি ভূমিকা নিয়েছিল সেটা সকলেই জানে। এবার তাহলে ফেরত দেওয়ার সময়?
    "দলের ওই নেতার কথায়, আসলে বিজেপি যা শুরু করেছে, তাতে সংখ্যালঘু ভোট নিয়ে তৃণমূলের আর চিন্তা নেই। ...... এর পর ‘ভাল’ ও উদার হিন্দুদের বড় অংশকে পাশে ধরে রাখতে পারলেই কোনও দুশ্চিন্তা থাকার কথা নয়।"http://www.anandabazar.com/state/police-filed-arms-act-against-bjp-state-president-dilip-ghosh-1.593561#
  • কল্লোল | ০৮ এপ্রিল ২০১৭ ১০:৪২711808
  • আতোজ।
    তসলিমা এমনটা বলতেই পারেন। ওনাকে যখন ইসলামী মৌলবাদীদের খুশী করতে পব থেকে তাড়ানো হলো তখন কয়েকটা মানবাধিকার সংগঠন ছাড়া আর কেউ পাশে থাকে নি। দ্বিখন্ডিত "নিষিদ্ধ" করার সময় লেখককূলের প্রায় হগ্গলেই হয় চুপ করেছিলেন অথবা নিষিদ্ধ করাকে সমর্থন করেছেন। নিষিদ্ধ করার বিরুদ্ধে মামলা করেছিলো এপিডিআর।
    রামনবমীকে রামনবমী দিয়ে বা হনুমানজয়ন্তীকে হনুমানজয়ন্তী দিয়ে বিরোধীতা করাটা একটা রাস্তা হতেই পারে। আমি একমত নই। আমার মনে হয় বাংলা নববর্ষ বড় করে পালন করাটা এই বিজেপি বাঁদরামীগুলোর যোগ্য উত্তর। এবার পুরো সপ্তাহ জুড়ে নববর্ষ পালিত হোক। আবার রাখীবন্ধন হোক।
  • dc | ০৮ এপ্রিল ২০১৭ ১১:১৭711809
  • কিন্তু তাহলে PT দা ঠিক না T ঠিক? বিজেপির প্রভাব পবতে আগের মতো একইরকম আছে, নাকি আস্তে আস্তে বেড়ে চলেছে?

    "রামনবমীকে রামনবমী দিয়ে বা হনুমানজয়ন্তীকে হনুমানজয়ন্তী দিয়ে বিরোধীতা করাটা একটা রাস্তা হতেই পারে। আমি একমত নই। আমার মনে হয় বাংলা নববর্ষ বড় করে পালন করাটা এই বিজেপি বাঁদরামীগুলোর যোগ্য উত্তর"

    ভীষনভাবে একমত। কং এর ঐতিহাসিক ভুল হলো হার্ড হিন্দুত্বকে সফট হিন্দুত্ব দিয়ে কাউন্টার করতে যাওয়া। অনেকগুলো রাজ্যে সফট হিন্দুত্বর তাস খেলতে গিয়ে ডুবেছে। পবতেও মনে হয় নববর্ষ বা অন্য কিছু অনুষ্ঠান, যেগুলোর সাথে সেভাবে ধর্মের কোন সম্পর্কই নেই, সেগুলোকে বড়ো করে তুলে ধরা উচিত। পাবলিক লাইফে ধর্মকে যতো বেশী সামনে আনা হবে ততো বেশী লং টার্মে ক্ষতি হবে।
  • j | ০৮ এপ্রিল ২০১৭ ১১:৫৮711810
  • ও হো ...

    সেই কবে থেকেই তো উত্তরাধুনিকরা তেনোমুলের সাদা স্নিকার পরে পুজো -ইফতার - সংকেত্তন জুলুমবাজিকে লোকয়ত চমোছকিতি বলে কত থিওরি নামালেন

    আর এ বছর কয়েকটা গেরুয়া লুম্পেনের মিছিলেই "অহো বাংলা কহো বাংলা " হয়ে গেল ?

    তা ভাল, পুলুশের ছিপি থেকে মহিলা কমিশনের মানবাধিকারী লালবাতিওয়ালা সভাপতি সবই তো হাওয়াই চটি ঠাকরণের সেবা লাগি - চাড্ডিত্ব ফুটে একাকার
  • T | ০৮ এপ্রিল ২০১৭ ১২:০৮711811
  • দ্যাখেন প্রভাব বলতে কি ভোট বাক্স অবধি গড়াবে কিনা বলছেন? আমার মনে হয় সেই ক্রিটিক্যাল মাস এখনো অবধি বিজেপি জোগাড় করে উঠতে পারেনি। গ্রামবাংলায় দিদি সলিড ইনিংস খেলছেন। দুহাজার আটের পঞ্চায়েতে রেশন দূর্নীতি সিপিয়েমকে ধ্বসিয়ে দিয়েছিল। যদ্দিন সুব্রতবাবু আছেন তদ্দিন দিদির চিন্তা নেই। যতটুকু ফাঁক পড়বে সেটা মুকুল আর অনুব্রত ম্যানেজ করে দেবে। কিন্তু পরে কি হবে জানি না। এ বাদে প্রভাব বলতে যদি এই ফেসবুক হোয়াটস্যাপে ইসলামোফোবিয়া এবং হিন্দু এক হও এই সব বেড়েছে বুঝিয়ে থাকেন তো বলব অবশ্যই বেড়েছে, এক্সপোনেনশিয়াল রেটে বেড়েছে।

    পশ্চিমবঙ্গে চিরকালই সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ ছিল, খাতায় কলমে শিক্ষিত অথচ হীন মানসিকতার লোক সম্ভবতঃ আমাদের রাজ্যেই সবচেয়ে বেশী। এতগুলো দাঙ্গা হাঙ্গামা, বিদ্বেষ, জাতপাত, ব্রাহ্মণ্যবাদী সংস্কৃতি, মৌলবাদ এসব তো এখানেই ঘটেছে। সেজন্য এই যা ঘটছে তাতে অবাক হওয়ার কিছু নেই। না ঘটলেই বরং অবাক হতাম।

    কিন্তু পাশাপাশি এও বলতে পারি অর্গানাইজড ভাবে এই বাঁদরামীর মোকাবিলা করা সম্ভব। অর্গানাইজড ভাবে কথাটাতে জোর দিচ্ছি কারণ, শুধুমাত্র মিছিলে চাট্টি লোক জড়ো করে শহরের এপ্রান্ত থেকে ও প্রান্ত হেঁটে গেলাম, এ দিয়ে হবে না। এইতো শুনলাম উলুবেড়িয়াতে তৃণমূল সম্প্রীতির মিছিলের ডাক দিয়েছে। তাতে ঘন্টা হবে। জমিয়ে নববর্ষ পালন করা হোক। পঁচিশে বৈশাখ। এই চৈত্র বৈশাখ মাসে সন্ধ্যেবেলা কত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হত। গত দশ বছরে সেই সংখ্যা দ্রুত হ্রাস পেয়েছে। এইগুলো করে পাবলিককে সাংস্কৃতিক চেতনাযুক্ত করা যায় না, কিন্তু এই অনুষ্ঠানগুলো একধরণের বাফারের কাজ করে। লোককে ক্রমাগত তাদের আইডেন্টিটির টোটেম দেখিয়ে যেতে হবে। সাম্প্রতিক বাংলা সিরিয়াল এবং সিনেমাগুলো দেখুন। অন্ধ অনুকরণ। অরূপ বিশ্বাসের ডাকে টালিগঞ্জে বাঘে গরুতে একঘাটে জল খায়, রঞ্জিত মল্লিক মহাকরণে আসেন বাংলা সিনেমা বাঁচাতে, ভেঙ্কটেশ ফিল্মস দিদির রামভক্ত বানরঃ হয়ে বসে আছে অথচ বাঙালীর নিজস্ব সংস্কৃতিকে প্রমোট করতে পারে না! এই গুলো অর্গানাইজড ভাবে না করলে কি করে হবে।

    একটা কলেজস্ট্রীটে মিছিল করে কিচ্ছু হবে না। পাড়ায় পাড়ায় না ছড়ালে বিজেপির ক্রিমিনালগুলোকে কোণঠাসা করবেন কি করে।

    আর কল্লোলদা, মাইরি, তুমি এই এপিডিয়ার নিয়েই থাকো।
  • dc | ০৮ এপ্রিল ২০১৭ ১২:৪৭711812
  • হ্যাঁ, ভোট বাক্সের প্রভাবের কথাই বলছি। হতে পারে, এই রামনবমী টবমীগুলো স্রেফ ওপর ওপর বাঁদরামো, ভোটে সেরকম প্রভাব পড়বে না। তবে অন্যদিকে চিন্তা হচ্ছে এইজন্য যে আরেসেস বেশ কিছুদিন ধরে গ্রাসরুট সংগঠন বাড়িয়ে চলেছে।

    "অর্গানাইজড ভাবে এই বাঁদরামীর মোকাবিলা করা সম্ভব"

    এটা আমিও মনে করি। ইন ফ্যাক্ট অর্গানাইজড বিরোধিতার অভাবে শুধু পব না, প্রায় গোটা ভারতেই আরেসেসের এরকম বাড়াবাড়ি হয়েছে সেটাও মনে করি। কেরলেও আরেসেস জোর চেষ্টা চালাচ্ছে, কিন্তু ওখানে সিপিএমের বিরোধিতার ফলে সেভাবে বাড়তে পারছে না। তামিল নাড়ুতেও শুনতাম আম্মা কখনো আরেসেসকে জমি ছাড়তো না, এআইডিএমকের ক্যাডাররা ওদের অ্যাক্টিভলি বিরোধিতা করতো। আম্মা নিজের সুবিধা দেখে দরকার হলেও বিজেপিকে সাপোর্ট দিতো, কিন্তু গ্রাসরুট লেভেলে বিরোধিতা করতো। পবতেও অর্গানাইজড ভাবে অন্য পার্টিগুলোকে বিরোধিতা করতে হবে। "এইগুলো করে পাবলিককে সাংস্কৃতিক চেতনাযুক্ত করা যায় না, কিন্তু এই অনুষ্ঠানগুলো একধরণের বাফারের কাজ করে" - একদম একমত। এগুলো এক ধরনের হাওয়া তৈরি করে রাখে। সিপিএম আর অন্য বাম পার্টিগুলো যদি এখনও এইসব অনুষ্ঠান ইত্যাদি অর্গানাইজ করতে থাকে তাহলে এই রামনবমী টাইপের বাঁদরামোগুলো কাউন্টার করা যাবে।
  • Arpan | ০৮ এপ্রিল ২০১৭ ১২:৫৭711813
  • টি-এর ১২ঃ০৮ এর পোস্টটাকে সুপাল্লাইক করলাম।
  • PT | ০৮ এপ্রিল ২০১৭ ১৩:২৭711814
  • "ওদের" রামনবমী "আমাদের" রামনবমী দিয়ে ঠেকানোর চেষ্টা হলে "তাদের" ধর্মীয় মিছিলে অস্ত্র প্রদর্শনের রমরমা আরো বাড়বে। ছ্ট পুজোর জন্য ব্যানার শোভিত সহাস্য শুভেচ্ছা জানিয়ে বা কুম্ভ মেলায় সুলভ শৌচালয়ের ব্যবস্থা করেও পাবলিকের সিয়ারামমুখো হওয়া ঠেকানো যাচ্ছে না। গত কয়েক বছরে তিনোদের স্নেহচ্ছায়ায় পূজোর রমরমা বারহছে অসম্ভ্বব রকমের আর কল্লোলদা কথিত "বিজেপি বাঁদরামীগুলোর " আগেই ভাসানের মিছিলে বাঁদরামি বহুগুণেই বেড়েছে। অবিশ্যি তা নিয়ে কল্লোলদার মাথাব্যথা নেই-ওগুলো তিনোর বাঁদরামি কিনা!!

    এর জন্যে শাসক দলকে একটা পরিষ্কার রাজনৈতিক অবস্থান নিতে হবেঃ রাষ্ট্র আর ধর্ম আলাদা; এবং ধর্মের স্থান বাড়ির চৌকাঠের ভেতরে। এসব না বলে পাবলিক মিটিনে চন্ডীপাঠ করলে আরেসেসের ইচ্ছেপূরণের পথেই হাঁটা হবে। বেলাশেষে তিনোরা সেটাই করবে।
  • dc | ০৮ এপ্রিল ২০১৭ ১৩:৩৩711817
  • "এর জন্যে শাসক দলকে একটা পরিষ্কার রাজনৈতিক অবস্থান নিতে হবেঃ রাষ্ট্র আর ধর্ম আলাদা; এবং ধর্মের স্থান বাড়ির চৌকাঠের ভেতরে"

    সে তো অতি অবশ্যই, ডেমোক্রেসির প্রাথমিক শর্তই তো স্টেট আর রিলিজিয়নের সেপারেশান। কিন্তু সেসব আর আমাদের দেশে হচ্ছে কোথায় ঃ(
  • PM | ০৮ এপ্রিল ২০১৭ ১৩:৫৩711818
  • ( নেই রাজ্যে) --- নৈরাজ্য এসে গেছে এ এ এ এ ( বসন্ত এসে গেছের মতো এক ঘেয়ে সুরে গাইতে হবে)
  • | ০৮ এপ্রিল ২০১৭ ১৩:৫৬711819
  • তিতাসের সাথে অক্ষরে অক্ষরে একমত
  • কল্লোল | ০৮ এপ্রিল ২০১৭ ১৪:০৪711820
  • ১০ এপ্রিল বিকল ৪টায় একডেমীর সামনে চলে আসুন। https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=1389765997773741&id=100002210615251
    টি। অমিও তো নববর্ষ পালন করার কথা বল্লাম। এটা চোখে পড়লো না বুঝি? তা বেশ। এপিডিআর বাম ও তিনোদের বিরুদ্ধে একইভাবে সরব। তাই এপিডিআর নিয়ে থাকি।
    পিটি। ভাসানের সময় কুরুচিকর নাচ আর অস্ত্র হাতে ধর্মীয় মিছিল, দুটোর তফাত করতে শেখো, তারপর কথা হবে।
  • T | ০৮ এপ্রিল ২০১৭ ১৪:০৭711821
  • ডিসি, তৃণমূলস্তরে সংগঠন তৈরী করতে গেলে সর্বাগ্রে দরকার একটা ক্ষমতার পিরামিড তৈরী করা। এটা দুটো অল্টারনেট রাস্তার মধ্যে একটা। ম্যাথমেটিকাল। সুনির্দিষ্ট সেন্ট্রালাইজড চেন অব কমান্ড। সিপিয়েমের যেরকম ছিল বা কিছু জায়গায় এখনো আছে। পঞ্চাশ শতাংশের কাছাকাছি মানুষকে খুশি করতে গেলে প্রথমে বুঝতে হবে যে তাদেরকে একই লেয়ারে সমানভাবে খুশি করা যাবে না। আপনি কোন দরকারে কার কাছে যাবেন সেইটা খুব পষ্টাপষ্টি না তৈরী হ'লে পাবলিক গোটা সংগঠনের উপরেই আস্থা রাখবে না। গ্রামাঞ্চলে তৃণমূল বহু জায়গায় এটা করার চেষ্টা করেছে, কিন্তু বহু ক্ষেত্রে পারেনি, ফলে ক্ষমতার আর্লি স্টেজ থেকেই গোষ্টীদ্বন্দ্ব শুরু হয়েছে। উপায়ান্তর না পেয়ে নেত্রী অন্য রাস্তা অর্থাৎ নর্মালাইজেশনের রাস্তায় হেঁটেছেন। মোক্ষম চাল। আমার চেন অব কমান্ড লাগবে না। একটা জনসভা, একটা জেলা সফরে হুড়ুদ্দুম সিদ্ধান্ত নেব যাতে লোকে বোঝে যে এই বটম লেয়ারের নেতাগুলো এবং অ্যাডমিনিস্ট্রেশন সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক। ঢালাও দান ব্যবস্থার আয়োজন। ফলে কি হয়েছে পঞ্চায়েত সহ বিভিন্ন লেয়ারে গোষ্টীদ্বন্দ্ব থাকলেও এই ব্যবস্থায় সুফল পাওয়াতে লোকে খুশি। আপনি গ্রামের দিকে গিয়ে রেশনিং এ চাল গম নিয়ে লোককে জিজ্ঞাসা করে দেখুন। ঢেলে আশীর্ব্বাদ করছে। শহরের দিকে এই টোটকা চলেনি, কারণ টু মাচ কমপ্লেক্সটি। শহরের দাবীদাওয়া অনেক জটিল। চাকরী দিতে হবে, শুধু সিভিক ভলান্টিয়ার দিয়ে হবে না, টেট, প্রোমোটার রাজ কন্ট্রোল করতে হবে, ঘুষ ব্যবস্থা সামলাতে হবে, জমি-জট কাটাতে হবে, সর্বোপরি পার্টিকে দূর্নীতিমুক্তো রাখতে হবে, আবার পার্টি ফান্ডও বাড়াতে হবে। একটা আরেকটার সাথে অনেকক্ষেত্রেই কন্ট্রাডিক্টরি। এই সুবৃহৎ হিংস্র্ব মাল্টি অবজেক্টিভ অপটিমাইজেশন সামলাবার মতো ক্ষমতা কোনো সেন্ট্রাল কমান্ডের পক্ষে সম্ভব নয়। ফলে লাস্ট ইলেকশন দেখুন, শহরাঞ্চলে প্রচুর জায়গায় তৃণমূলের ভোট কমেছে। লেফট ফ্রন্টের প্রবাদপ্রতিম জনসংগঠন ছিল এই জায়গাতেই। কিন্তু গেমের নিয়ম অনুযায়ীই সেটা ছিল স্ট্যাগনেন্ট। যে মূহূর্তে সংগঠনের লোকই অন্যদিকে ঘুরেছে, ধ্বসে গেছে পার্টি। এই জায়গা থেকে ঘুরে দাঁড়াতে সময় লাগবে। নতুন ছেলেমেয়েরা আসবে, আসছে। তারা হাল ধরবে। তদ্দিন আপনি মনের সুখে ভিয়েতনাম নিয়ে খিল্লি করবেন, কিছু করার নেই।

    তো যেটা বলছিলাম, পূর্ব মেদিনীপুরে যান। দেখুন লোকে সিপিয়েমকে কী পরিমাণ গাল দেয়। এরা কি বোঝে বামপন্থা! বাল। এদের কাছে রিপ্রেজেন্টেটিভ ফিগার গুলোই আসল। তৃণমূলের ক্ষেত্রে এরা জানে যে আমাকে সাইকেলের জন্য বা রেশনে চাল গমের জন্য জটিল কোনো অ্যাডমিনিস্ট্রেশন, পঞ্চায়েতি ঢ্যামনামো পোয়াতে হবে না। ফলে রাস্তার টেন্ডার মারফত কে টাকা খেল আর কে চিটফান্ডের পয়সায় ফুর্তি ফার্তা করল, তাতে কিছু এসে যায় না। এরা জানে যে নেতাগুলো আসলে দুদিনের। যে কোনদিন নেত্রীর নজরে পড়লে নেতা আর চাকরের রোল রিভার্সাল হয়ে যাবে। অফুরন্ত সম্ভাবনা, ফলে নিশ্চিন্তি। এ জন্য দক্ষিণবঙ্গের বিস্তীর্ণ অঞ্চল চিটফান্ডে লুটে গেলেও ঠিক ভোট দিয়ে যায়। নেত্রী খুব বুঝে শুনেই সুপ্রিমোর রোল প্লে করে চলেছেন। এবং নেত্রীর অবর্তমানে পুরো পার্টিটাই উঠে যাবে।

    বিজেপি ও আরেসেস হাঁটছে ঐ তথাকথিত লোকাল জোনাল ইত্যাদি ক্ষমতার চেন অব কমান্ড তৈরীর রাস্তায়। এখন যেহেতু পার্টিটার সদস্য, সমর্থক, এবং নেতা প্রত্যেকেই লুম্পেন বা ক্রিমিনাল মাইন্ডের ফলে ঐ কে কাকে মানবে তাই নিয়ে বিস্তর ঝামেলা আছে। মোষবাবুকেই দলের অনেকে পছন্দ করে না। তো দখল করতে সময় লাগবে, যদি না তৃণমূল মেরে না দেয়।
  • PT | ০৮ এপ্রিল ২০১৭ ১৪:২৬711822
  • "ভাসানের সময় কুরুচিকর নাচ আর অস্ত্র হাতে ধর্মীয় মিছিল, দুটোর তফাত করতে শেখো, "
    আমার বোধবুদ্ধির প্রতি অনাস্থা জ্ঞাপনের জন্যে ধন্যবাদ।
    কিন্তু অস্ত্র হাতে মহরমের মিছিল সম্পর্কে কিছু বলবে নাকি সে ব্যপারে তিনোরা চুপ বলে তুমিও চুপ থাকবে? নাকি রামনবমীতে অস্ত্র দেখে হঠাৎ ঘুম ভাঙল?
    এটা তোমার কাছে গ্রহনযোগ্য তো ?

    ওদিককে নাকি মদনদার অস্ত্র হাতে সংখ্যালঘু মিছিলে থাকার ছবি প্রকাশ করবে বলেছে বিজেপি?
  • কল্লোল | ০৮ এপ্রিল ২০১৭ ১৪:৪৩711823
  • পিটি। খুব করুণা হচ্ছে। তুমি বলোতো কবে থেকে মহরমের মিছিলে অস্ত্র দেখছো? কিন্তু দুই ঈদের কোনটতেই কি অস্ত্র হাতে কউকে দেখেছো? শুধু মররম দেখলে বিজেপির মতো, গুরু নানকের জন্মজয়ন্তীর মিছিলে খোলা তলোয়ার হাতে শিখেদের দ্যাখো নি? নাকি সিপুএমে শিখ নিয়ে কথা বারন। কতো শতো ভাসানের মিছিল দেখেছো সারা জীবনে। কোনদিন অস্ত্রহাতে দূর্গা, কালী, সরস্বতী, ঘেটু, মনসা,
  • কল্লোল | ০৮ এপ্রিল ২০১৭ ১৪:৫০711824
  • কোন পুজোতে অস্ত্রহাতে মিছিল দেখেছো এমনকি ৭২ থেকে ৭৭রেও?
    মহরম আর গুরু নানকের ব্যাপরটা জানো কি? কেন অস্ত্র হাতে মিছিল করে ওরা? না জানলে বোলো। জানিয়ে দেবো।
  • PT | ০৮ এপ্রিল ২০১৭ ১৪:৫৫711825
  • কল্লোলদাঃ তুমি তোমার ফেবারিট লাইন ধরেছ যেটা আগেও করেছ। পিটি বিজেপি সমর্থক সেটা প্রমাণ করার চেষ্টা।
    মুসলমানদের ধর্মীয় মিছিলে অস্ত্র দেখেনি লোকে-এই রাজনৈতিক ধান্দাবাজীর বক্তব্য রেখে কাদের টুপি পড়ানোর চেষ্টা করছ? শিখেদের ছবি আমিই ওপরে দিয়েছি-কাজেই শব্দ নিয়ে খেলে অন্যদের বোকা বানানোর চেষ্টা করে লাভ নেই।
    কথা হচ্ছে যে এতদিন এসব নিয়ে তুমিই বা চুপ ছিলে কেন?
    তবে ধান্দাবাজী কোথাও নিশচয়ই আছে। যার ডাকে সারা দিয়ে এই টইতে জমায়েতের আহ্বান জানিয়েছ, তিনি জানাচ্ছেন .....finally KABIR SUMAN my philosophical GURU. সুমনের রাজনৈতিক অবস্থান ও তৎসংক্রান্ত সাম্প্রতিক ধান্দাবাজী ও নন্দীগ্রাম ইত্যাদি প্রসঙ্গে সুমনের মিথ্যাচার সকলের জানা আছে।
    এই জমায়েত তাহলে আসলে কার স্বার্থ রক্ষার জন্য?
  • একক | ০৮ এপ্রিল ২০১৭ ১৫:০৯711826
  • "কেন করে " সেত ধর্মের দেওয়া ইন্টারপ্রিটেশন। ওরকম ইন্তার্প্রিতেষণ রামঅনুগামীরাও বানিয়ে দিতে পারে। প্রশ্ন হলো ভারতীয় সংবিধান যে নাগরিক কে অস্ত্র রাখার অধিকার দেয়না, সে কেন ধর্মের অজুহাতে মুসলিম বা শিখ দের দেবে।

    "কেন করে " আবার কী ? এপলোজিস্ট অজুহাত যত।

    দেশে পাবলিক নুডিটি করলে সরকার ইম্মরাল একট এ জেলে পূর্বে এদিকে তরুণ সাগর বানডু দুলিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে !! তাহলে ওর দিগম্বর ফিলোসফি দিয়ে এপ্রপ্রিইট করে বসে থাকি আর কী !! "কেন করে " !!!!

    ধর্মের প্রিমাইস এ কোনরকম আলাদা অধিকার থাকবে না। হয় সবার আর্মস ওপেন ক্যারি করার অধিকার থাকবে নইলে কোনো সিভিলিয়ান এরই থাকবে না। যুগের পর যুগ শুধু এপলোজিস্ট বাতেলার বন্যা বয়ে চলেছে।
  • কল্লোল | ০৮ এপ্রিল ২০১৭ ১৫:১২711828
  • আমি জিগ্গেস করেছি তুমি কবে থেকে মহরমের মিছিলে অস্ত্র দেখছো? আমি তো শুনেছি আমার ঠাকুর্দাও দেখেছে। একটা রীতি আর একটা বদমায়েশীর তফত করতে পারছো না। ক্ষী ক্ষান্ডো। সুমন যে কারনেই ডাকুক, আমার মনে হয়ছে, বিজেপির বাদরামোর বিরুদ্ধে দাড়াতে হবে।ঠিক যেরকম ইন্দিরার বিরুদ্ধে অটলের হাত ধরেছিলো বামেরা।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। পড়তে পড়তে প্রতিক্রিয়া দিন