এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • | ২১ এপ্রিল ২০১৪ ০০:৩৩226469
  • আমার অনলাইন -অফলাইনের অভিজ্ঞতা বলে অনেক মানুষই নেট জগতে যে আরোপিত বাংলা টা পা টিপে টিপে লেখেন সেই ভাষায় কথা কন না। বক্তব্য জরুরি সেটা ইংলিশে হলেও। বাচ্চাদের জোর করে একটা আরোপিত বাংলা শিখিয়ে কী লাভ হয় বুঝিনা বাপ মায়ের সমস্কিতি সখ মেটা ছাড়া। যুগ পাল্টাচ্ছে, ওই যাদের কথা বললেন "চাপে পরে " ওরা আসলে বাংলা টাই "চাপে পরে " লেখে। একটা সময় জাস্ট বিরক্ত হয়ে বাংলা চর্চা ছেড়ে দেয়। বাংলা র "লেবেল " টা নিয়ে এই কৃত্রিম মাতামাতি না করে বাঙালির চিন্তার "লেভেল " নিয়ে বেশি ভাবলে বধায় আখেরে লাভ হত।

    আবারও তোমাকেই কোট করলাম। প্রশ্নের উত্তর পেলাম না যদিও। উপরের স্তরের চর্চা থেকেই নীচে সুবিধে পৌঁছবে- এই যুক্তিতে উপরের স্তরে চর্চা র ধারাটিকে জ্যান্ত রাখতে হবে।সেটা কিভাবে হবে?ম
  • kc | ২১ এপ্রিল ২০১৪ ০০:৩৩226470
  • ইন্দোকে দুয়ো। আমারতো এই ইবই আর ট্যাব আর প্যাডের জমানায় এসে পড়া আরও বেশী আনন্দদায়ক হয়েছে। কত কত বই, ইবই না থাকলে পেতামই না।
  • Arpan | ২১ এপ্রিল ২০১৪ ০০:৩২226468
  • ডাক্তার, ব্যস্ত জীবন হলে ইবুকের বিক্ল্প নেই।
  • kk | ২১ এপ্রিল ২০১৪ ০০:২৮226466
  • তোমার কঠিন লাগবেনা, নিশ্চিত বোধহয়। তোমার ঠিকানা দাও, পাঠিয়ে দিচ্ছি।

    আমিও একজন ফকনারের বই পড়েছি। কিন্তু সে আপনারা পড়েননা। এলিজাবেথ ফকনার।
  • Arpan | ২১ এপ্রিল ২০১৪ ০০:২৮226467
  • আমি স্যাংচুয়ারি নামালাম। কোথায় পড়লাম এটা দিয়ে শুরু করলে শিশিবোতল কম লাগবে। হার্ডবয়েলড পড়তে এমনিতেই ভালো লাগে।

    http://www.goodreads.com/book/show/18789.Sanctuary
  • I | ২১ এপ্রিল ২০১৪ ০০:২৭226465
  • ইবই পড়া আমাদ্দারা হবে না।
  • I | ২১ এপ্রিল ২০১৪ ০০:২৫226463
  • খুব কঠিন বুঝি? শূন্যবাদ ইত্যেদি নেই তো? বুঝতে পারলে পড়বো।
  • Arpan | ২১ এপ্রিল ২০১৪ ০০:২৫226464
  • আমি খালি ইপাব খুঁজে জমাই, মলাট দিই, নিয়মিত ঝাড়াই-পোঁছাই করি আর ভাবি একদিন আসিবে সেই অনন্ত অবসরের দিন যেদিন সব বই পড়ে ফাটিয়ে দেব।

    এদিকে সময় কত কম। চিরস্থির কবে নীর হায়!
  • kc | ২১ এপ্রিল ২০১৪ ০০:২৪226461
  • ফকনারের ছোট গল্পগুলো দিয়ে শুরু করতে পার। তারপর অ্যাজ আই লে ডাইং। মাঝে মাঝে তরকা হিসেবে ফুয়েন্তেসকে রাখতে পার।
  • I | ২১ এপ্রিল ২০১৪ ০০:২৪226462
  • দাঁড়ান, আমার লাইব্রেরিটা একবার হতে দিন। তারপর সবার সব প্রশ্নের উত্তর দিয়ে দেবো। কোনো অভাব রাখবো না।
  • kk | ২১ এপ্রিল ২০১৪ ০০:২২226460
  • মার্ক সাইডরিট্‌স এর, বুদ্ধিজম অ্যাজ ফিলোসফি। পড়বে?
  • sinfaut | ২১ এপ্রিল ২০১৪ ০০:২১226459
  • আরে পাজ তো কবি, কবিদের লাতিন ফাতিন হয় না। বাকি সবাই শ্যাওলা।
  • I | ২১ এপ্রিল ২০১৪ ০০:২০226458
  • আমি ফকনার পড়ি নি।
  • I | ২১ এপ্রিল ২০১৪ ০০:১৯226457
  • আমি এই ঘন্টাখানেক হল গ্রীষ্মকালীন ল্যাদ-বিরক্তি কাটিয়ে প্রচুর চনমনে হয়ে উঠেছি এবং অনেক কিছু করবো ঠিক করেছি। তার মধ্যে বই পড়া টপ প্রায়োরিটি।এত কাজ, এত অল্প সময়। গুরুতেই ঢুকতে পারি না, লেখা তো দূরস্থান। আপনারা সামলান কেং কয়ে?
  • bratin | ২১ এপ্রিল ২০১৪ ০০:১৭226454
  • আমি পড়লাম "আমার আমি"।

    উত্তমের বাংলা হিন্দী মিলে করা ২০৯ টা সিনেমার মাত্র ৬৯ টা দেখেছি জেনে বড় দুঃখ পেয়েছি।

    আমি আজকে শুরু করলাম টম বাতোমারের " মার্ক্সীয় দর্শণ"। ভালো ই লাগছে।
  • Arpan | ২১ এপ্রিল ২০১৪ ০০:১৭226455
  • এইত্তো কেসি আর ইন্দো আছে। ফকনার কী দিয়ে শুরু করা উচিত বলত? সৈকত-২ কোথাও লিখেছিল, সে খুঁজে পাওয়া মুশকিল।
  • I | ২১ এপ্রিল ২০১৪ ০০:১৭226456
  • কী বই রে খুকী? আমাকেও দিস !
  • kk | ২১ এপ্রিল ২০১৪ ০০:০৯226453
  • হ্যাঁ, সেদিন বললাম না, আমি এখন বৌদ্ধ দর্শন পড়ছি।
  • bratin | ২১ এপ্রিল ২০১৪ ০০:০৬226452
  • কেকে তা এখন কিছু পড়ছো নাকি?
  • bratin | ২১ এপ্রিল ২০১৪ ০০:০৫226451
  • ভুতের সামনে গাজর ঝোলালে?

    বেশ বেশ। ঃ))
  • Ekak | ২০ এপ্রিল ২০১৪ ২৩:৫৩226449
  • কন্ত্রাদিক্ত না, যারা নীচের ওই কথার বিরোধিতা করেন তাঁরা কেন যন্ত্রের সঙ্গে বাংলা কে আরও জড়িয়ে ফেলার বিরোধিতা করে বোঝার চেষ্টা করছি :))))। তাঁরা তো ছড়িয়ে দেওয়ার প্রয়োজনে বিশ্বাস করেন তাই না ? এদিকে মেশিন এক্সেপ্টেন্স ছাড়া একটা ভাষা কে ছড়িয়ে দেওয়ার রাস্তাও নেই। সেখানেও তাঁরা বিরোধিতা করেন মেশিন কতজন ইউস করবে বলে। "প্রথমদিকে তো এলিট লেখায় বেশি আসবে বা এলিট দের চোখ দিয়ে দেখা দেশ। " একইভাবে ব্যবহার ও ওপর দিক থেকেই ছড়াবে। এক্সেপ্টেন্স ও। এই আলোচনায় যেটা প্রথমেই মুশকিল আমরা ধরে নি খেত মজুর কে কম্পিউটার বগলে ছুটতে হবে। আদৌ তা নয়। এখনো গ্রামে বহু লোক অন্যকে দিয়ে চিঠি লিখিয়ে পোস্ট করে। ডাক ব্যবস্থা তার কাছে ততদূর উপকারী। যন্ত্রের কেস টাও তাই। এক জায়গায় বার্স্ট করালে টুল বাই টুল এফেক্ট করতে থাকে। এগুলো না করে বাংলায় সাহিত্য কেন হচ্ছেনা বা বাচ্চারা কেন ভালো বাংলা শিখছেনা এসব খুব সেকেন্ডারী ব্যাপার মনে হয়।
  • kk | ২০ এপ্রিল ২০১৪ ২৩:৫৩226450
  • ভুতোবাবুর জন্মদিনে একটা ক্যারটকেক দিয়ে গেলাম।
  • | ২০ এপ্রিল ২০১৪ ২৩:৪২226448
  • name: Ekak mail: country:

    IP Address : 24.99.32.214 (*) Date:19 Apr 2014 -- 04:54 AM

    "আমার শ্বশুরের অনেক টাকা, আমি একদিন টাকা পাতিয়া শুইব" .....কোন ক্লাস ?
    প্রথমদিকে তো এলিট লেখায় বেশি আসবে বা এলিট দের চোখ দিয়ে দেখা দেশ। খোঁজ নিয়ে দেখুন অনেক বাঙালি ছেলে মেয়ে যারা পড়াশোনা করছে তারা ইংলিশে ব্লগ লেখে। কার কারো লেখা ভালো কার পাতে দেওয়া যায়না। প্রবণতা টা বাড়ছে, ছড়াচ্ছে এইটুকুই বলছিলুম। আর ভাষা মরে যাওয়া ইত্যাদি নিয়ে আমার কুনো কুমিরের কান্না নাই। শহুরে কয়েকটা লোক বাংলায় না লিকলে বাংলা মরে যাবে এমন আদৌ না। এরা তো ভাষা টা বানায় নি। যেখান থেকে এসেছিল সেখানে বীজ রয়েই যাবে। রূপ পাল্টাতে থাকবে।

    নিজের এই শেষ কথাগুলোকে কি কন্ট্রাডিক্ট করছো? করলে অবশ্য আমি খুশিই হবোঃ)
  • T | ২০ এপ্রিল ২০১৪ ২৩:৩৭226447
  • একক আরো একটু বিশদে লিখুক। গোটা কর্মকান্ডের স্ট্রাকচার। প্রাথমিক চিন্তাভাবনা ইত্যাদি। টই খুলে লিখলে আরো ভালো।
  • Ekak | ২০ এপ্রিল ২০১৪ ২৩:৩০226446
  • কিকরে অর্থহীন হয় ? দিনমজুর কে তার অধিকারগুলো আর রাষ্ট্রের মাঝে দুরত্ব কমাতে গেলে তার ভাষা কে এক্সেপ্ট করতে হবে তো। ঐখানে কাঁটা তার দিয়ে রাখলে ওই বেঁচে থাকা ভাষা নিয়ে সে করবে কি। তার কাছে স্টেট মেশিনারি এক্সেসেব্ল করতেও তো তার ভাষায় কথা বলা দরকার যেটা আবার যন্ত্র বোঝেনা বলে হচ্ছেনা।
  • Ekak | ২০ এপ্রিল ২০১৪ ২৩:২৭226445
  • আমরা সবাই বাংলা পড়ি লিখি বুঝি। কে কটা বানান ভুল লেখে বা কে কারক বা অব্যয় এর ব্যবহার জানেনা ওসব দিয়ে যোগ্যতা নির্ধারণ করলে প্রাথমিক স্তরে এগোনই যাবেনা। একজন চাষী তার তিন হাজার টাকা দামের মোবাইলে বাংলায় "আবহাওয়া " "বৃষ্টি " এসব বললে যদি বাংলায় কেও তাকে পুরোটা শুনিয়ে দেয় তাহলে যথেষ্ট লাভ আছে। "কাজের জায়গায় বাংলা " এই কথাটা নিয়ে আমাদের সময়ে সিনিয়ার রা খুব কপ্চাতেন। প্রথমদিনেই আইন কানুন বা মিটিং এর মিনিটস কেও বাংলায় লিখবেনা। আমার মায়ক্রআভেন টা যদি বাংলায় বলে "ধোয়া বেরুচ্ছে, বেশি গরম হয়ে গেছে " তখন বাংলা কাজের জায়গায় ঢোকে। বা সমস্ত মোবাইল এপস। যদি স্পিচ সফটওয়ার গুলো বাংলা বললে বুঝতে পারে। যে রাজ্যে একটা লজঝরে মারুতি অবধি নিরীহ ম্যাঙ্গো পাবলিকের পিলে চমকে "এটেনশন প্লিস " বলে ব্যাক করে সেখানে লোকাল ভাষার তৈরী হওয়া মুশকিল। যন্ত্রের ওপর ওপরতলার মানুষের বিশাল ভরসা। আজ যন্ত্র বাংলা বুঝলে কাল কিছু অফিস বাবুও বাংলায় দরখাস্ত নেবে। আর "পড়ে লেখে " সমস্যা হবে কেন ? রাশি রাশি বাংলা অনার্স বা এমে থেকে কিছু লোক যদি বাংলা কন্টেন্ট ডেভেলপার এর কাজ পায় আর বাকি বেশ কিছু তার আশেপাশের ফিল্ডে তাহলে মন্দ কী ? যন্ত্র এক্সেপ্ট করে নিলে বাকি গল্পগুলো পর পর ঘটতে থাকে। পথ মাখন দিয়ে তৈরী তা নয় কিন্তু পথ।
  • | ২০ এপ্রিল ২০১৪ ২৩:১৭226444
  • আর একজন দিনমজুরই যদি তোমার কথামত বাংলা বাঁচিয়ে রেখেছে হয়- তাহলে এইসব আয়োজন অর্থহীন হয়ে যায় না কি?
  • | ২০ এপ্রিল ২০১৪ ২৩:১৫226443
  • একক, তোমার কথা থেকে মনে হলো, উপরতলায় চাহিদা তৈরি হলে নীচের দিকে কিছু বৈভব চুঁইয়ে পড়বে- তার থেকে কিছু উপকার( বাংলা ভাষার) হবে- যদি বেঠিক না বুঝে থাকি, তাইলে এই উপরতলায় যারা বিরাজ করেন তারা ধরে নিচ্ছি আমরা। এইবার এই আমরার যোগানও তো থাকতে হবে- যারা বাংলা পড়ে-লেখে-বোঝে। সেখানেই যদি কোনো চেষ্টা না থাকে, চাহিদা তৈরি হবে কি করে?
  • Ekak | ২০ এপ্রিল ২০১৪ ২৩:০২226442

  • অবশ্যই আমাদের জন্যে। যে লোকগুলো চাকরি করে বই লেখে মোবাইল ব্যবহার করে যে লোকগুলো দামী গাড়ি চালায় তারা যখন কাজের ভাষা হিসেবে ব্যবহার করতে ভয় পাবেনা তখন স্বীকৃতি পাবে। একজন দিনমজুরের সঙ্গে একজন ঠিকেদার বা ইন্জিনিআর তো বাংলাতেই কথা বলে কিন্তু তারপরেও বাংলা কাজের ভাষা নয় কারণ ছুটির দরখাস্ত তা ইংরিজি বয়ান না হলে অফিস এক্সেপ্ট করেনা। এটা তো অন্য লোকদের পাকানো সমস্যা নয়। আমরা পাকিয়েছি। যে সিকি ল্যাম্প্পস্তের তলায় হারিয়েছে তাকে বট তলায় খুঁজতে গিয়ে লাভ কি। ওপর লেভেল চাহিদা চালু করলেই নীচ থেকে রিসোর্স তৈরী হবে।
  • Blank | ২০ এপ্রিল ২০১৪ ২২:৫৬226441
  • কৈশোরকের সমীর দা এই নিয়ে রিসেন্টলি একটা পোস্ট করেছে। সেটা ছাপিয়ে দিলাম। সমীর দা এটা নিয়ে কিছু মনে করবে না জানি - একটাই প্রশ্ন বার বার আসে যে এই ওয়েবের থ্রু দিয়ে আদৌ কজনের কাছে যাওয়া যাবে !!

    বিষয় ২ঃ
    (এই বিষয়টি নিয়ে আলোচনায় আমার দুর্বলতা আছে, কিন্তু প্রয়োজনীয় বলে আলোচনা করছি। কাউকে আঘাত করা আমার উদ্দেশ্য নয়, আমার বক্তব্যে কোনো ভুল থাকলে, সংশোধন-পরিমার্জন করতে পারেন)
    বেশ কিছুদিন ধরে ইন্টারনেট-এ বাংলা পত্রিকা বনাম কাগুজে পত্রিকা নিয়ে বেশ সরগরম আলোচনা, বিতর্ক চলছে। চলুক। ভবিষ্যতের প্রযুক্তি নির্ভর লেখাপড়ার প্রধান মাধ্যম হবে ইন্টারনেট, এ ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নেই। কিন্তু কয়েকটা বিষয়ে খটকা লাগছে। যাঁরা ওয়েবজিন-এর পক্ষে বলতে গিয়ে সরাসরি কাগুজে পত্রিকার বিপক্ষে বলছেন, নানা যুক্তি দিচ্ছেন। একটি বই = একটি গাছ ইত্যাদি। তাঁরা একবারও তো আইটি বর্জ্যর কথা বলছেন না। তাঁদের ব্যবহৃত খারাপ সিডি, পেন ড্রাইভ, কালির কার্টিজ ও কম্পিউটার-এর নানা বাতিল যন্ত্রাংশ তাঁরা কোথায় ফেলেন, বা কেমন করে পুনর্ব্যবহারকরণ পদ্ধতি প্রয়োগ করেন। আমার জানতে ইচ্ছা করে। আমাদের দেশে যত রকম পদ্ধতিতে (চিরাচরিত/অচিরাচরিত) বিদ্যুত উত্পাদন হোকনা কেন, মূল উত্স যে কয়লা, আশাকরি সে বিষয়ে কোনো দ্বিধা নেই। তাই আরো জানতে ইচ্ছে করে, কতটা শক্তি জ্বালিয়ে, কতটা কয়লা পুড়িয়ে একটি ই-বুক পড়া যায়? বা একটি ওয়েবজিন তৈরী করা যায়? অথবা প্রতিদিন শুধু ফেসবুকেই যে পরিমান সাহিত্য চর্চা হয়ে থাকে, তাতে কতটা কয়লা শক্তি ধ্বংস হয়?
    ভুল বুঝবেন না, এটা কাউকে আক্রমণ নয়, নিতান্ত কৌতূহল।
    বিষয় ৩ঃ
    কৈশোরক-এর মুখপত্র সবুজপাতা নিয়ে গত ১৮ বছর আগেও যেমন চাপ নিয়ে কাজ করতে হত, এখনো তাই হয়, বরং প্রতিকূলতা বেড়েছে কয়েক'শো গুন। অথচ কাজ করার সুবিধা আগের থেকে অনেক বেশি। নিজেদের কেনা সফটওয়্যার, নিজেদের ডিটিপি সেটআপ। ২০/২২ বছরের অভিজ্ঞতা। পুরনো-নবীন কর্মীরা এখন অনেকেই পরিণত। তবু পত্রিকার কাজ কিছুতেই করে ওঠা যাচ্ছেনা সময়মত। কেউ কেউ, যারা আগে ছোট ছিল, নানারকম সহযোগিতা করতো, এখন তারা বড় হয়ে গেছে, আর বাকিদের মত তারাও এই ধারণা নিয়েই আছে হয়তো- এই সব বাচ্চাদের কাজ আবার কাজ নাকি? হয়তো। ।।
    এদিকে সমস্যা হল, সবুজপাতা মুখ্যত যাদের জন্য করা, তারা মোবাইল ফোন ব্যবহার করেনা, বা সামর্থ নেই। তারা এখনো পুজোর সময় ৫ টাকার ঘুগনি ৩ ভাগ করে খায়। এখনো ৪ টাকার সবুজপাতা যাদের ২ টাকাতে বিক্রি করতে হয়, তাদের জন্য। পাকা লেখার থেকে কাঁচা লেখা যে কাগজে বেশি গুরুত্ব পেয়ে এসেছে বরাবর। এখন মুশকিল হচ্ছে, আমরা কিছুতেই সেইসব ছোটদের হাতে এই পত্রিকা পৌঁছে দিতে পারছিনা। যাদের জন্যে ১৮ বছরে পত্রিকার দাম ৩ টাকা থেকে মাত্র ১ টাকা বেড়ে ৪ টাকা হয়েছে। শেষ যে সংখ্যাটি প্রকাশিত হয়েছে, তার এক একটি কপির খরচ পড়েছে ১৭ টাকা। অথচ বিক্রি হচ্ছে ৪ টাকায়। যাঁরা বাড়িতে বসে পোস্ট-এ পত্রিকা পান, তাঁদের খরচ আরো কম, প্রায় ৩ টাকা। আমরা কোনো বিজ্ঞাপন পাইনা, কোনো অনুদানও নয়। সম্পূর্ণটাই সদস্যদের চাঁদা আর পুরনো কর্মসূচীর বাঁচিয়ে রাখা উদ্বৃত্ত থেকে। এত কিছুর পরেও কোনো আক্ষেপ থাকতো না, যদি আমাদের কাঙ্খিত পাঠকদের হাতে বেশি করে পৌঁছে দিতে পারতাম এই কাগজ।
    গত বছরে আমাদের বার্ষিক অনুষ্ঠান করতে পারিনি বলে আমাদের ভাঁড়ার এবারে খালি। শীত-বসন্ত সংখ্যা প্রায় প্রস্তুত হয়ে পড়ে আছে গত দু'মাস ধরে, কিন্তু ছাপাতে পারিনি।
    এর মধ্যে কয়েকজন বন্ধু প্রস্তাব দিয়ে ফেলেছে, এই কাগুজে পত্রিকা বন্ধ করে ওয়েবজিন বানাতে। তাদের জানিয়েছি, ওয়েবজিন সামলানো আমার পক্ষে অন্যদের থেকেও সহজ কাজ। কারণ ওই ব্যাপারটা আমার জানা আছে। কিন্তু, ওই যে আমাদের কাঙ্খিত পাঠক, তারা তো আর এটা পড়তে পারবে না। এখনো বর্ষে বর্ষে দলে দলে নতুন পাঠক আসে, যারা কমলালেবু আইসক্রিম না খেয়ে, সেই পয়সা দিয়ে সবুজপাতা কেনে। আর রইলো বাকিদের কথা, যারা শুকতারা কিনতে পারে, আনন্দমেলা কিনতে পারে, বইমেলায় গিয়ে বাবা-মা-র হাত ধরে ব্যাগ ভর্তি বই কিনে বাড়ি ফেরে- তারাও সবুজপাতার পাঠক, কিন্তু তাদের কত সুযোগ। তাদের জন্য ইন্টারনেট জুড়ে কত ই-বুক, কত ওয়েবজিন, সবুজপাতা নাই-বা থাকলো সেই ভীড়ে। এতো বছরের পরিচিতির জোরে, বাছাই করা লেখকদের লেখা দিয়ে, ভালো লেখার সংকলন নাইবা হল সবুজপাতা, ক্ষতি কি। ।।
    এত দিন ধরে যে বন্ধুরা কোনো না কোনো ভাবে জড়িয়ে আছেন কৈশোরক-সবুজপাতা-র সাথে, অথবা আগ্রহী, তাঁদের কাছে জানতে চাই তাঁদের ভাবনা।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত