এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • h | ০৯ এপ্রিল ২০১৪ ২১:২৮223590
  • মুশকিল হল, টেকনোলোজি তে ভয়ের জায়্গায় বাঙালী এই ক্যাটিগোরি টা র কোন তাত্ত্বিক বা তথ্যপূর্ণ ভিত্তি না থাকা সত্ত্বেও এই ধারণার পুনরাবৃত্তি বিরক্তিকর। এ ফেবিকল কোন দার্শনিক ছাড়াবেন জানা নেই।

    সিম্পল লিভিং আমার অন্তত না। আকার এই গ্লানির মানে কি। নিজের ল্যাদ অকারণে বাঙালীর ল্যাদ কেন হবে।

    টেকনোলোজি সম্পর্কে ভীতি যত তাড়াতাড়ি দূর হচ্ছে, সৃষ্টিশীলতা সম্পর্কে শ্রদ্ধা তত তাড়াতাড়ি বাড়লে উপকার হত। চীনে আর আমেরিকান দের উপরে নির্ভর কম করতে হত।

    দ্বিতীয়ত এককের বক্তব্যের আরেকটি আপত্তিকর জায়গা ছিল, যেটা ক্যাজুয়াল টু পাইসে হয়ে থাকে, তুমি ইন্টারনেটে নেই, সারচেবল নও তো তোমার সত্ত্বা ই নেই। নৈহাটি থেকে বঙ্গ দর্শন বের করেন সত্যজিত চৌধুরী। আই অ্যাম সরি, বংগদর্শন ইন্টারনেটে না থাকলে সত্যজিত বাবু কেউ নন, এটা মানতে পারলাম না। হ্যাঁ দেশে টেকনোলোজি যখন সবার কাছে পৌন্ছবে তখন এটা আসবে ইন্টারনেটে। লাইব্রেরি তে তো যাচ্ছে। বাবু রা ল্যাদ করে লাইব্রেরি যাবেন না, আর দোষ হবে বাঙালীর। লাইব্রেরি যেতে হবে না, একটা দেশী ফেসবুক বানান না, গ্যান দিয়ে কি লাভ?

    এমন একটা ভাব যেন ইন্টারনেটে বাজে মাল নেই।

    নইলে গ্যাটের পয়সা ছাড়ুন, ঊনবিংশ শতকের লাইব্রেরি ডিজিটাইজ করার প্রজেক্ট করুন ও করান। বাঙালী কে ল্যাদের দোষ দিয়ে লাভ কি?

    কিন্তু কথা তো তা না, কথা হল টেড টক। দেশে কি দিয়ে মহান নতুন চিন্তা আসবে না, আমি বাগবাজারের লাইব্রেরি তে একটা বই পড়েছি, এই বিষয়ে একটা সেল্ফি মুভি তুলুন তো তোলান এই করে। রাবিশ আইডিয়া।
  • rabaahuta | ০৯ এপ্রিল ২০১৪ ২১:২২223589
  • কঠিন বাক্যবিন্যাস, কিন্তু ক ছাড়া আর কিই বা আছে।
    লুঙ্গী, হুইস্কি এইসবও আছে, কিন্তু সেগুলো তো আর দেওয়া যায়না।
  • /\ | ০৯ এপ্রিল ২০১৪ ২১:১৭223588
  • আমার বক্তব্য ও খুব সোজা। নিজের কাজ নিজেকেই করে যেতে হবে। নিজের যা পছন্দ ও প্রয়োজন তা দূর্লভ ও অদূরভবিষ্যতে অপ্রাপ্তিসম্ভব হলে নিজেকেই দায়িত্ব নিয়ে যোগাড় করতে হবে। মামু সাক্ষ্য দেবে, উপযুক্ত মিডিয়ার অভাবে তাকে খেটেখুটে গুরু বানিয়ে নিতে হয়েছিল, যে ভলান্টারিজমের ভার যত দুঃসহই হোক ফ্রি ইউজারশিপের গ্লানিসহই বহন করতে হবে। বিভিন্ন সরকারী ও ইন্স্টিটিউশনালাইজ্ড গ্র্যান্ট মারফৎ যা কাজ হচ্ছে, স্বার্থশূন্য সৎ উদ্যোগী মানুষেরা তাদের যে কটির পিছনে নেই সেগুলো অধিকাংশই গার্বেজ প্রোডাকশনে রত। গবেষণার নামে লোকচক্ষুর অন্তরালে বেসিকালি পোকায় খাওয়ানোর জন্যে যে বিপুল দস্তাবেজ পি এইচ ডি ডিগ্রি দান শুরুর সময় থেকে তৈরি করা শুরু হয়েছে তার ইতিহাস সাক্ষী।
    এদিকে চাট্টি হাতে সময় ওয়ালা সানরাইজ ইন্ডাস্ট্রি তে চাকুরিরত, কনভেন্ট শিক্ষিতার জীবনের আর্যপুত্রগণের কাজ হল অপ্রয়োজণীয় দেশোদ্ধারপ্রচেষ্টা কিন্তু আবাপ, আকাশবানী, অন্যান্য মহাফেজখ্জজ্খানা, নিউজরিল আর্কাইভ্স, জেন্ডার স্টাডিজ আর্কাইভ, ন্যাশনাল লাইব্রেরী, সাহিত্য পরিষদ লাইব্রেরী দিনের পর দিন যে অশ্বডিম্ব প্রসব করে চলেছে, যে অসংখ্য দুষ্প্রাপ্য আর্কাইভ একেবারে নষ্ট হয়ে যাওয়ার জন্যে দায়ি, যাবাতীয় আর্কাইভের পাবলিক অ্যাক্সেসিবিলিটির পক্ষে বাধার পাঁচিল হয়ে দাঁড়িয়ে- সেসবই ক্ষমাসুন্দর শুভেচ্ছাসহ দেখে শুধু টেকনোলজির উন্নতির অপেক্ষায় থেকে বুড়ো হতে ও পট করে মরে যেতে হবে, এ মাইরি এমনকি দেশে সমাজতন্ত্র দেখার দাবির চেয়েও কঠিন। শুধুমাত্র সাহিত্য পরিষদের কথাই (সম্ভবতঃ) বলি, অ্যাকসেশন ২০ বছর ল্যাগে চলছে। মানে, ১৯৯৫ সালে যে বই লাইব্রেরি পেয়েছে, এখনো তার অ্যাকসেশন হয়ে পাঠকের হাতে পৌঁছয় নি। নন্দনে সংগৃহীত যাবতীয় দেশ বিদেশের ফিল্ম ফেস্টিভাল সংক্রান্ত কাগজ ম্যাগাজিন শুধু কয়েকটা র‌্যাকের জন্য প্রয়োজণীয় সরকারি নির্দেশের অভাবে দেওয়ালের ধার বরাবর মেঝেতে রাখা ছিল বলে মমতার নির্দেশে, নাকি আগুন লেগে যেতে পারে বলে, কিলো দরে কাবাড়িওয়ালাদের বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে। সেখানে পাঁচ লাখ, আট লাখ টাকার সরকারি আর্কাইভিং মেশিন ব্যবহারকারিদের মধ্যে, মাকড়সা ছাড়া, সরকারী কর্মচারিরা শুধু বাচ্চাদের স্কুলের নোট, হোমটাস্কের খাতা রেজাল্ট আর ভোটার আই কার্ড জেরক্স করে থাকেন। নিজে কিচ্ছু না করলেও একদিন সবই পাওয়া যাবে - একথা খানিক বিপ্লব হোক বা না হোক সমাজতন্ত্র আসবেই গোছেরই শোনায়, এই আর কি।
  • Ekak | ০৯ এপ্রিল ২০১৪ ২১:১৩223587
  • এইচ তারমানে জাতির উদ্ধার হয় এবং কেও ইন্দিভিজুয়ালি সেটা করে ( সে যেকোনো ব্যাকগ্রাউন্দ থেকেই আসুননা কেন ) এটা বিশ্বাস করো। আমি ওটাও করিনে। এই টেড টকের মত অনুষ্টান থেকেও উদ্ধার হয়না। ইনফরমেশন এন্ড ভিউস আধুনিক ফর্মে ছড়ায়। কমিউনিকেশন খোলা থাকলে দেশোদ্ধার টার ভাবতে হয়না। এ বোধায় বলাস্র দরকার নেই।
  • kumu | ০৯ এপ্রিল ২০১৪ ২১:০৯223586
  • হনু মাসীমার লেখা কিভাবে পড়ব?
  • /\ | ০৯ এপ্রিল ২০১৪ ২০:১১223585
  • টেকনোলজি অ্যাভেলেবল ও শস্তা হওয়া পর্যন্ত শুভেচ্ছা সহ অপেক্ষা করলে মাসিমার এই কৃতি ভলান্টারিজমটি দ্বিতীয় কোনো মহান উদ্যোগ, কলির শেষে মহারুদ্র, মানব জাতির উদ্ধারে পুনর্জাত যীশু ব্যতিরেকেই, বুড়ো হয়ে পট করে মরে যাওয়ার আগে পড়ে ফেলতে পারব হয়তো। কিন্তু অন্ততঃ মাসীমা এই মহান উদ্যোগটি না নিলেও টেকনোলজি অ্যাভেলেবল ও শস্তা হওয়া পর্যন্ত শুভেচ্ছা সহ অপেক্ষা করলে শান্তিনিকেতনের সেই অসংখ্য বুড়িদের অভিজ্ঞতা কোনো পরলোকের রেডিও চ্যানেল মাধ্যমে সম্প্রসারিত হয়ে আমাদের মুগ্ধ করত কিনা সে প্রশ্ন থেকেই গেল যদিও।
  • aka | ০৯ এপ্রিল ২০১৪ ১৯:৪৫223584
  • আঃ বক্তব্য রাখার ষোল আনা ইচ্ছে আছে, কিন্তু কি নিয়া যে তক্কো চলতাসে সেইডাই ঠিক বুয়ে উঠতে পারছি না। তবু বাঙালী ফুট তো কাটতেই হবে।

    হানু টেকনলজি তো অ্যাভেইলেবল, অনেক ক্ষেত্রেই অ্যাকসেসবল কিন্তু বাঙালী তো নতুন জিনিষ অ্যাডাপ্ট করতে ভয় পায়। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই সাম্রাজ্যবাদী চক্রান্ত দেখে। এই দ্যাকো না কেনে আমি গুগুলের মধ্যে সাম্রাজ্যবাদী চক্রান্ত দেখি কি করব। আমার বয়সী লোকজনের তুলনায় আমার টেকনলজি অ্যাডাপশান নিতান্তই কম। সিম্পুল লিভিং হাই থিংকিংয়ের ফ্যাস্তাকলে কখন মোহময় বাজার থেকে নিজেকে দুরে রাখছি আর কখন বেসিকালি মহান ল্যাদে ও নতুন জিনিষের ভয়ে ভারাক্রান্ত সেই ফারাক ব্লারড।

    (এই হল আমার গুরুত্বপূর্ণ মতামত)
  • h | ০৯ এপ্রিল ২০১৪ ১৯:২৪223583
  • আমার বকতব্য হল মহান উদ্যোগ, কলির শেষে মহারুদ্র, মানব জাতির উদ্ধারে পুনর্জাত যীশু কোনোটারি দরকার নেই। টেকনোলোজি অ্যাভেলেবল হলে, শস্তা হলে, মানুষ নিজে নিজেই অনেক কিছু করবে। ইউটিউবে যেমন করছে। বা অন্যান্য ডিজিটাল আর্কাইভে যেমন হচ্ছে। চাট্টি হাতে সময় ওয়ালা সানরাইজ ইন্ডাস্ট্রি তে চাকুরিরত, কনভেন্ট শিক্ষিতার জীবনের আর্যপুত্রগণ দেশোদ্ধার না করলে দেশে কিসু হয় না, এই প্রস্তাব বাতুলতা মাত্র।

    যা ডিজিটাইজেশন হচ্ছে, তার পাবলিক অ্যাকসেসিবিলিটি, ক্লাউডে, সারচেবিলিটি, এগুলো ও স্পেশালিস্ট রিকোয়ারমেন্ট, ইন্স্টিটিউশনালাইজ্ড খরচের প্রয়োজন কমলে, এমনি ই এই সব আরো বাড়বে।

    আমার মা, শান্তিনিকেতনের অসংখ্য বুড়িদের প্রথম শান্তিনিকেতনের স্মৃতি ইত্যাদি ইন্টারভিউ নিয়ে একটা পত্রিকায় ছাপিয়েছেন। সেই ইন্টারভিউ পড়ে আমার জীবিত দের মধ্যে বাবা মুগ্ধ হয়েছেন এমতি লোকশ্রুতি। যাদের ইন্টারভিউ নেওয়া হয়েছে, তারা নিয়মিত প্রকাশের আগেই পট করে মরে গেছেন। এখন মা র হাতে যদি ক্লাউড থাকতো, আমাদের মত ব্রাইট দের লেখা প্রোগ্রাম গুলো যদি মানুষের হাতে পৌছতো ওটা পত্রিকা না হয়ে ডকুমেন্টারি হত। হয় নি খারাপ না। উদ্যোগী বাঙালী কাজ পেল।
  • | ০৯ এপ্রিল ২০১৪ ১৯:১৯223582
  • শোভন কি নিতান্তই বাঙালী বলেই আজ আর বাইক নিয়ে বেরোবে না?
  • h | ০৯ এপ্রিল ২০১৪ ১৯:১৩223580
  • এককের এই দাবী সাংঘাতিক। কারণ এই আর্কাইভ গুলো আবাপ তে আছে, আকাশবানী তে আছে, অন্যান্য মহাফেজখ্জজ্খানা তে আছে, নিউজরিল আর্কাইভ্স এ আছে। এবং একক এগুলো সোমনাথ কে দিয়ে ইনটারনেটে তোলাতে চায়। এবং সে উদ্যোগ সফল না হলে আর্জো বলবে যথাক্রমে, আকাশবানী, স্টেট আর্কাইভ্স, নিউজরিল আরকাইভ্স, ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল এরা মার্ক্সবাদী ও বাঙালী। বম্বের ক্ষেত্রে এরা হয়ে যাবে মারাঠী ও মার্ক্সবাদী।
  • h | ০৯ এপ্রিল ২০১৪ ১৯:০৮223579
  • উদ্বাস্তু দের ওরাল রেকর্ড্স নিয়ে সুকান্ত চৌধুরী দের প্রোজেক্ট আছে। ঊনবিংশ শতাব্দীর ফোটোগ্রাফ নিয়ে জেন্ডার স্টাডিজ আর্কাইভ আছে। তবে তাদের একই সংগে সোমনাথের মত চাগরি নেই। এবং তাদের আবার টেড টক নেই বা থাকলেও গোপনে আছে। কারণ মার্ক্সবাদী রা অলস। যদিও এরা কেউ মার্ক্সবাদী না। কিন্তু তবু এদের বাবা কাকাদের জিন আছে। শত্রুর জিন আছে, সারাদিন শত্রুর সংগে থেকে থেকে রিভার্স অসমোসিস হয়েছে। কিন্তু সেগুলো সম্পর্কেও টেড টক নেই।
  • h | ০৯ এপ্রিল ২০১৪ ১৯:০৫223578
  • অ্যাট একক/আর্জো, টোকা কি উদ্যোগী বাঙালী বা মার্ক্সবাদী লক্ষনযুক্ত বাঙালীদের মধ্যে হলেও অ্যালাউড ;-)
  • /\ | ০৯ এপ্রিল ২০১৪ ১৮:৪১223577
  • আদৌ কেউ ভিডিও ডকুমেন্ট করেছে কিনা জানিনা। এটা পেলাম, http://tibetoralhistory.org/interviews_invasion.html

    আমি আমার কাজের জিনিস এখান থেকে নামিয়ে নিয়েছি। ভারতের চীন চর্চা ও চীন-ভারত বৈদেশিক সম্পর্কের ডকুমেন্টেশন ইন্টারভিউগুলো এখানে আছে। ক্রিপ্টেড। সবার জন্যে নয় ঃ-) http://raec.igd.tw/act/
  • Ekak | ০৯ এপ্রিল ২০১৪ ১৮:১৩223576
  • এটার উদ্দেশ্য আলাদা তবে ওরাল হিস্ট্রি প্রজেক্ট খুব ভালো উদ্যোগ। কিন্তু এর মেটাদেটা ট্যাগ কিভাবে মেইন্তেইন হচ্ছে জানেন ? আমি জানিনা বলেই জিগাই। ধরুন এই মিডিয়া ফাইল গুলোকে যদি " ১৯৮৭ " " রাজভবন বিক্ষোভ " " মিছিল " এইভাবে ট্যাগ করে ফেলা হয় সঙ্গেসঙ্গে তাহলে আমরা ক্লাউডে একটা বিশাল সার্চ চালাতে পারব। মানুষ তো এমনি এমনি খুঁজে কিছু পড়বেনা। জিওগ্রাফি, টাইম স্ট্যাম্প দিয়ে সব ট্যাগ করে ফেলতে হবে যেন যে কোনো লেভেলে গিয়ে কমন ট্যাগ ধরে আপনি ইনফরমেশন উঠে আসে। ইউতিউব এটা পুরোপুরি সাপোর্ট করেনা। নিজেদের সাইট বানিয়ে করতে হবে। যাঁরা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি আছেন নিশ্চই এই ব্যাপারগুলো জানেন। কাজ চলার সময় পাশাপাশি না করলে পরে খুঁজে পেতে আর হয়না।
  • /\ | ০৯ এপ্রিল ২০১৪ ১৭:৫৯223575
  • টেদ টক জানিনা। আপিস থেকে ইউটিউব খোলা সম্ভব নয়। তবে ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা নিয়ে কিছু কাজ হয়েছে, হয়, হওয়ার পরিকল্পনা আছে।
    ওরাল হিস্ট্রি প্রজেক্ট (archiving of spoken memories and personal commentaries of historical significance through recorded interviews) কোনো সাবজেক্টে স্পেসিফিক লোকজনের ইন্টারবিউ রেকর্ড করে, ডকুমেন্ট করা হয়। সেটা যেমন সিরিজ অফ ইন্টারভিউ পেপার হিসেবে রিলিজ করা হয়, তেমনি ইউটিউবেও রাখা যেতে পারে। কেউ রেখেছে কিনা জানিনা। রাখলেও কজন দেখবে জানিনা, যেখানে লোকে পড়তেও ততটা উৎসাহী নয়। ভাবরতের চীনা ভাষার চর্চা নিয়ে এই কাজটা হয়েছে। ইন্ডিয়ান লেবার মুভমেন্ট নিয়ে হয়েছে। আমার চেনা জনতা দেশভাগের স্মৃতি নিয়ে এই করতে চায়। মূলতঃ খুব কম ইনস্টুমেন্ট লাগে। একটা ভালো ক্যামেরাই যথেষ্ট। এখন তো ভালো মোবাইলেই হাই ডেফিনিশন রেকর্ড হচ্ছে। দরকার কিছু সমালোচনাসহিষ্ণু ভলান্টারিজম। ইন্টারভিউ যিনি নেবেন তার প্রিপেয়ার্ডনেস আর হোমওয়ার্ক। যার কথা রেকর্ড করা হচ্ছে তিনি সাবলীলভাবেই সাধারণত বলে যান, যেহেতু কথোপকথনটি তাঁর অভিজ্ঞতা মূলত।

    একক অবশ্য মনে হল ঠিক উল্টো জিনিসটা বলতে চায়, বক্তাই তৈরি হয়ে এসে ১-২ ঘন্টা লেকচার দেবেন। ভলান্টিয়ার শুধু রেকর্ড করবে। তা সেটা নিজেই রেকর্ড করে ইউটিউব ভরে দিলেই চলে। তবে কোনো স্পেসিফিক টপিক নিয়ে কাজ করলে, ধরা যাক বাংলা কমিকসের ইতিবৃত্ত, এবার যাঁরা এই কমিকস নিয়ে কাজ করেছেন,
    অভিজিত
    অমর মজুমদার
    অলয় ঘোষাল
    ইন্দ্রনীল ঘোষ
    ওংকার নাথ
    কাফি খাঁ
    গৌতম কর্মকার
    চন্ডী লাহিড়ী
    জুরান নাথ
    তুষার চট্টোপাধ্যায়
    দিলীপ দাস
    ধ্রুব রায়
    নারায়ন দেবনাথ
    পান্নালাল
    পোলারিস
    প্রতুল বন্দোপাধ্যায়
    ময়ুখ চৌধুরী
    রঞ্জন
    শুভ্র চক্রবর্তী
    সিদ্ধার্থ
    সুফি
    সোহাগ লিনোর্দানি
    সৌরভ মুখোপাধ্যায় ইত্যাদি (লিস্টটা টুকলাম)
    এঁদের মধ্যে জীবিতদের সাথে কথা বলা হল। প্রশ্নোত্তর করেই হল। শেষতক সেগুলো ডকুমেন্ট করা হল রিটেন ফর্মে এবং ভিডিও ফর্মে।

    শুধু কাজটা করার মতো লোকের আর সময়ের অভাব। নইলে আমি এতদিন বাংলাভাষায় রাশিয়ান অনুবাদের ইতিহাসের হিউজ ডকুমেন্টেশন নামিয়ে দিতাম। তখন বিদেশী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মিষ্টিমধুর হুঁহুঁবাবা গ্রান্ট ও জুটতো, আর আনইন্টারেস্টেড জনতার জুকারবার্গ প্রোফাইল ট্যাগ করে বেরানোর উঞ্ছবৃত্তিও করতে হত না।

    ভিডিও ক্যামেরা নিয়ে অন আ স্পেসিফিক টপিক, ধরুন দেশভাগের স্মৃতি ও অভিজ্ঞাতা, সে অ্যানেকডোটাল হলেও, হিউজ বৃদ্ধ মানুষদের থেকে কালেক্ট করতে পারলে একটা গণস্মৃতির ইতিহাস ডকুমেন্ট হয়। এমন এমন সব ঘটনা জানা যায়, যা শুনে শুধু কেঁপে যেতে হবে। সে জিনিস এডিট করে ১৪ এপিসোডের আধঘন্টার টিভি সম্প্রচারের মেটেরিয়াল দাঁড়িয়ে যায়।

    তারপর ধরা যাক এক একজন স্পেসিফিক সাহিত্যিককে নিয়ে বক্তৃতা সিরিজ। ভলান্টারিজমের কাজ হবে কোন ব্যক্তি সম্পর্কে কে কে সবচেয়ে ভালো বলতে পারবে তাদের আইডেন্টিফাই করা। তারপর এক একজন লোকের উপর ৪-৫ জনকে দিয়ে বলিয়ে নাও, আর সেটা রেকর্ড করো। ক্যাজুয়ালি বলা হলে সেটাকেও ইন্টার্ভিউ ফর্মে খেই ধরিয়ে দেওয়া যেতে পারে। সাবজেক্ট ধরুনঃ
    • সাহিত্যিক
    o ধুর্জটিপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়
    o জগদীশ গুপ্ত
    o মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    o তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    o সতীনাথ ভাদুড়ি
    o বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    o প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    o অমরেন্দ্র ঘোষ
    o কমলকুমার মজুমদার
    o অমিয়ভূষণ মজুমদার
    o দীপেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    o সুবোধ ঘোষ
    o উদয়ন ঘোষ
    o সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    o দীপক মজুমদার
    o অরূপরতন বসু
    o অসীম রায়
    o কৃষ্ঞগোপাল মল্লিক
    o দেবর্ষি সারগী
    o নবারুণ ভট্টাচার্য
    o বাসুদেব দাশগুপ্ত
    o রবি সেন
    o সুবিমল মিশ্র
    o জ্যোৎস্নাময় ঘোষ
    o রতন ভট্টাচার্য
    o সাদাত হাসান মান্টো
    o ইসমত চুঘতাই
    o কৃষণ চন্দর
    o মুন্সী প্রেমচাঁদ
    o ফণীশ্বরনাথ রেণু
    o কর্তার সিং দুগগল
    o ইন্দিরা মামন গোস্বামী
    o দস্তয়েভস্কি
    o টলস্টয়
    o হাওয়ার্ড ফাস্ট
    o আলবেয়ার কামু
    o এরিক মারিয়া রেমার্ক
    o জ্যাক লণ্ডন
    o টমাস হার্ডি
    o টমাস মান
    o এইচ রাইডার হ্যাগার্ড
    • নাট্যকার
    o অজিতেশ বন্দ্যোপাধ্যায়
    o বিজন ভট্টাচার্য
    • চলচ্চিত্রকার
    o প্রমথেশ বড়ুয়া
    o ঋত্বিক কুমার ঘটক
    o পার্থপ্রতিম চৌধুরি
    o ঋষিকেশ মুখার্জি
    o বারীন সাহা
    o পিযুষ বসু
    o নীতিন বোস
    o দেবকী বোস
    o মধু বোস
    o গুরু দত্ত
    o গুলজার
    o আদুর গোপালকৃষ্ণন
    o জন আব্রাহাম
    o জি অরবিন্দন
    o মনি কাউল
    o কুমার সাহনি
    o গিরিশ কাসারাভাল্লি
    • সঙ্গীতশিল্পী
    o হেমাঙ্গ বিশ্বাস
    o দেবব্রত বিশ্বাস
    o প্রতিমা বড়ুয়া
    o গীতা ঘটক
    o রণেন রায়চৌধুরি
    • মহাপণ্ডিত
    o গোপীনাথ কবিরাজ
    o রাহুল সাংকৃত্যায়ন
    • চিত্রকর
    o রামকিঙ্কর বেইজ
    o চিত্তপ্রসাদ
    o পৃথ্বীশ গাঙ্গুলী
    o রমেশচন্দ্র সেন
    • কবি
    o বীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    o বিনয় মজুমদার
    o মণিভূষণ ভট্টাচার্য
    o শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    • প্রাবন্ধিক
    o শিবনারায়ণ রায়
    o সৌমেন্দ্রনাথ ঠাকুর
    • রাজনীতিবিদ
    o এম এন রায়
    o পি সি যোশী
    o কল্পনা যোশী
    (এটাও টুকলাম)

    ধরা যাক দীপেন্দ্রনাথ কে নিয়ে বললেন তরুণ সান্যাল, মহাশ্বেতা দেবী, ইত্যাদি। এই জিনিসগুলো মাসে একটা করে অনুষ্ঠানকক্ষ ভাড়া নিয়ে অ্যারেঞ্জ করা যায়, যেটা রেকর্ডেড হবে। আর অন্যথায়, একেবারে পার্সোনাল লেভেলে জনতার বাড়ি গিয়ে তাঁদের বক্তব্য এই ক্যামেরায় রেকর্ড করা হল। ইউটিউবে রাখতে পারেন, একটা ডেডিকেটেড সাইট বানিয়ে সেই ওয়েবপেজ এও রাখতে পারেন, তখন আবার তার প্রচার করতে জুকারবার্গকে লাগবে।
  • হুল্লোড় | ০৯ এপ্রিল ২০১৪ ১৭:৪৮223574
  • কোন কথার কোন মানে নেই
  • h | ০৯ এপ্রিল ২০১৪ ১৭:২৩223573
  • বেশ তাইলে মার্ক্স বাদ আমার আর ফেবিকল তোর ঃ-)
  • aka | ০৯ এপ্রিল ২০১৪ ১৭:০২223572
  • নতুন কোন উপসর্গ দেখলেই বলে ফেলব। ঃ)
  • h | ০৯ এপ্রিল ২০১৪ ১৬:৩৯223571
  • আর পরিশ্রমী রা সকলেই অন্যের আলস্য খুঁজে বের করতে ব্যস্ত। আর্জো রাবিশ আইডিয়া দিস না। নতুন কিসু থাকলে বল।
  • aka | ০৯ এপ্রিল ২০১৪ ১৬:৩১223570
  • বাঙালী অলস আর ইসে মানে মার্ক্সবাবুতে এমন ফেভিকলের মতন আটকেছে যে ব্যাস। এতদ্ভিন্ন আর বিশেষ কোন দোষ নেই।
  • sosen | ০৯ এপ্রিল ২০১৪ ১৬:২৫223569
  • উফ কিছুতেই একটা সেকশন লিখে উঠতে পারছিনা, এদিকে এরা টেডি টক, দুহাজার আটচল্লিশ, লোককে প্রলোভন দেখানোর জন্য এদের কেউ জেলে পুরে দেয়না ক্যানো?
  • Ekak | ০৯ এপ্রিল ২০১৪ ১৬:১৪223568
  • কম ভাট দেবে ক্যানো ? কনফিডেন্ট হয়ে গেলে বরং বেশি ভাটাবে।
    কিন্তু একটা পার্থক্য হলো ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার ফোকাসে দাঁড়িয়ে ভাট টা দিলে প্রচুর খিস্তিও খাবে। অন্য কেও উঠে এসে নিজের ভাট দেবে। এই সংঘর্ষ টাই চাই। বাকি পৃথিবীর সঙ্গে তুলনা করছিনা তার কারণ আমরা ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া কে কাজে লাগানো তে পিছিয়ে আছি। যদি এমন হত তুমি মিডিয়া তে ভাট দিলে আমিও বিনা প্রিপারেশনে পরের দিন দিতে পারি তাহলে কিন্তু ব্যাপারটার জোর কমে যেত। যেটা বাইরে হচ্ছে আসতে আসতে। ওরা তো স্টেজ টক কালচার থেকেও বেরিয়ে এসে ইন্ডিভিজুয়াল মন্তব্য সরাসরি ইউটিউবে রাখছে। আমরা সে জায়গায় এক্ষুনি নেই। একটা স্টেজে আলোর তলায় বলতে গেলে এখনো বাঙালি গুছিয়ে বলার চেষ্টাই করে। সেই আগের দিনের স্যুট পরে প্লেনে চড়ার মত। এই সময়ে দাঁড়িয়ে এই পিছিয়ে থাকাটাকে কাজেলাগানো যায়। নতুন মুখ তুলে আনা যায়। বক্তব্য ও। আর সবার ওপরে বিশাল সংখ্যক মাসের কাছে পৌছনটা একটা ব্যাপার যেটাকে এড়িয়ে যাওয়া যায়না।

    ফেসবুকে কেও লিখল " মেয়েদের পোশাক পরার অভ্যেসের সঙ্গে রেপের কোনো সম্পর্ক নেই "। একদল হুলিয়ে সমর্থন করলো। একদল তেরে আওআজ দিল। পলিটিকাল কারেক্ত্নেস মারাচ্ছে বলে গাল দিল। এখন এই যে লোকটি সমর্থন করলো তার বউ হয়ত বলবে "মিনসের ছোট জামা পরা মেয়ে দেকার সাধ জেগেছে বার বয়েসে "। যে লোকটি গাল দিল তার বউ হয়ত জানতে পারলে প্রিমিটিভ -মিসগায়নিস্ট -এমসিপি বলে তেরে খিস্তবে। কিন্তু এই সংঘর্ষ গুলো হয়না বা আমরা এড়িয়ে যাই। ছোট ছোট খোপ বানিয়ে নিয়েছি। যে পতাকাই বহন করিনা কেন ৮০% ক্ষেত্রে চাপে পরে করি। যতবেশী এই কনভার্সেশন মড ওপেন হয়ে যায়, যত বেশি রেকর্দেদ হতে থাকে, যত বেশি মানুষের কাছে ছড়াতে থাকে আমরা তত বেশি বাধ্য হই ভেবে চিন্তে কাজ করতে। কথা বলতে। প্রথমদিকে এটা খারাপ কারণ মানুষ আরও বেশি কারেকশনের মুখোস পরার চেষ্টা করে। কিন্তু লংটার্মে পারেনা। এবং তখন এই সাদা কালোর ঠিক ভুলের বাইরেও যে কিছু সমস্যা আছে সেই নিয়ে বাধ্য হয়ে আলোচনা শুরু হয়। এটা দরকার। বারবার ঘুরে ঘুরে ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া কে কাজে লাগানোর কথা এইজন্যেই বলছি। ওই " ক্যামেরায় মুখ দেখানো মানে আলাদা কিছু " এই ফিলিং টা থাকতে থাকতে। এটা প্রথম স্টেপ।
  • h | ০৯ এপ্রিল ২০১৪ ১৫:৫০223567
  • তোমার থিয়োরী টা মানতে পারছি না, ভাট বকার যা ঐতিহ্য সারা পৃথিবী তে আছে, তাতে একটা লোক কে স্রেফ ফোকাসে ফেললে সে কম ভাট দেবে, এটা মানা যায় না। এটা হলে সেলিব্রিটি কালচার তৈরি হয় না।
  • Ekak | ০৯ এপ্রিল ২০১৪ ১৫:৪৪223566
  • :):) :)
  • h | ০৯ এপ্রিল ২০১৪ ১৫:৪১223565
  • আমি মাডি ভূমিকায় অনেকক্ষন থেকেই যাওয়ার চেষ্টা করছি, নেহত ই বাঙালী বলে ভালো পারছি না, হে নবীন।
  • Ekak | ০৯ এপ্রিল ২০১৪ ১৫:৩৩223564
  • ধুর। আগের পোস্ট তা দাঁড়ালো না। কেমন ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে বিরক্তি প্রকাশের মত কয়াসিকানেক্তেদ :/ ইগনোর মাডি।
  • Ekak | ০৯ এপ্রিল ২০১৪ ১৫:৩১223563
  • এই ক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গের বাঙালি ক্যানো মুখ ফিরিয়ে আছে আমার কাছে স্পষ্ট নয়। কাজেই থিওরি রেডি আছে এমন দাবি করবনা। একটা জিনিস সর্বদাই মনে হয় যে পশ্চিমবঙ্গ বাসী আসলে তর্কপ্রিয় নয়। এটা আমাদের ভান। উই আর ফন্ড অফ ইনারশিয়া। বড় দ্রুত তর্ক থেকে দল্ভাগ এবং মেরুকরণ হয় যার ফলে বাইরে থেকে দেখে মনেহয় কি নাজানি তর্ক চলছে আসলে একটা বিগার ইনার্শিয়ার এনট্রপি মেইতেইন হচ্ছে শুধু। কেও ফোকাসে আসেনা। আলোকে ভয় পায়। লাইট ইস দ্য মোস্ট ভাওলেন্ট থিং। সবচে সেফ হলো আলোতে একটা ডাম্ব এভিল কে বসিয়ে নিজেরা সেফ দিস্ত্যানস এ নিজেদের মধ্যে তর্ক করা। আমি জানি আমার কোন কথার কে বিরোধিতা করবে। কি বিরোধিতা কর্বেতাও জানি। আমরা সবাই জানি কে কোন দলের। মোদ্দা কথা সবাই সবার লজিকের বিরোধিতা করছি খুব সেফলি। কোনো ভায়োলেন্স নেই। এই ম্যাদামারা সিস্টেম তায় খানিক ভায়োলেন্স ইনজেক্ট করতে হলে নট সো অপিনীয়নেতেদ (মানে যার জামার রং সবাই জেনে বুঝেবসে নেই ) ইন্ডিভিজুয়াল দের আলোর মধ্যে এনে ফেলা দরকার। এরা কিছু ঠিক কথা বলবে। কিছু ভুলভাল বকবে। আলটিমেটলি যেহেতু ইন্ডিভিজুয়াল আলোর তলায় দাঁড়ালে আক্রমন এপারেন্ত্লি সোজা কারণ তার দল দেখতে পাচ্ছিনা তাই ওই দল বেঁধে তর্কের নাম ইনার্শিআ মেইন্তেইন করা লোকগুলো নড়েচড়ে বসবে। গালাগাল দেবে। বুজি বলবে। আবার ও আর এমন কি বলেছে বলে সাহস্ করে নিজেই আলোর তলায় এসে দাঁড়াবে। দাঁড়িয়েই বুঝবে গেম ইস ডিফারেন্ট। যা ফেসবুকে বলছে, গুরুতে বলছে বা পাড়ার মোড়ে তার সঙ্গে কতটা দায়ীত্ব জড়িয়ে থাকে বুঝবে। মোদ্দা কথা পার্সনা নন গ্রাটা কে এগিয়ে দিয়ে এই সেফলি আমিও ভালো তুমিও ভালো জায়গাটা ঘাঁট তে চাইছি। যেটা আমাদের সর্বনাশের মূল বলে মনে করি। টেড হয়ে সমাধান্হয়ে যাবে সব তা একেবারেইনয়। ওটা একটা মাধ্যম যা ওয়ান টু ওয়ান হিট করে এবং বিগার মাসের কাছে। আমি জাবল্লুম সেটা খুব বড় থিওরি তাও না। এক্সেসিবিলিটি নোড গুলো নাড়িয়ে নাড়িয়ে দেখতে চাই ক্রিটিকাল পাথ কোনটা। এই "ফ্রেন্ডলি ক্রিকেট ম্যাচ " আর পোষায় না বাপু।
  • h | ০৯ এপ্রিল ২০১৪ ১৫:২৫223562
  • এককের এই বিষয়ের শেষের আগের পোস্ট টা পড়লাম। নিজেদের কনভিকশনের বিষয় নিয়ে মানুষ বলছেন। সুভাষ দত্তের নাটক যেরকম আছে, ওটাই ওঁর টক, তেমনি পরিবেশ সচেতনতা আগের থেকে বেড়েছে, কিন্তু ডেভেলপমেন্ট মডেল এ উন্নততর চিন্তা ভাবনার ছাপ নাই, তার কারণ টেড টক না।
  • h | ০৯ এপ্রিল ২০১৪ ১৪:৫৮223561
  • কিন্তু সেটা টেড টক হিসেবে চলবে কিনা দেখো।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত