এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • san | ১৮ জানুয়ারি ২০১৪ ১৫:০০200790
  • ম্যামিদি সে পুরনো দিন দেখেন্নি যখন বিয়ে আর শ্রাদ্ধের রিচুয়াল নিয়ে ভাটে টইতে পাতার পর পাতা চলত !
  • ম্যামি | ১৮ জানুয়ারি ২০১৪ ১৪:৫৮200788
  • বিষয় পছন্দ হওয়ায় দুপুরের খাওয়া বাদ দিয়ে বসে আছি। যাই।
  • san | ১৮ জানুয়ারি ২০১৪ ১৪:৫৮200789
  • কিন্তু আমি কি আজ জাতিস্মর দেখতে যাব, না যাবনা ?
    গুরগাঁও এমজিএফে ওমদরবদর এসেছে। সেটাও দেখলে হয়। এদিকে বাইরে ক্ষি ঠান্ডা !
    আর আপনারা ধর্ম, প্রেম, বিয়ে এসব নিয়ে পড়ে রইলেন, কাশ্মীর নিয়ে কেউ কিচ্ছুটি হেল্পালেন না। ভাবা যায়না।
  • sosen | ১৮ জানুয়ারি ২০১৪ ১৪:৫৭200787
  • না না, মানে আমি আমার অভিজ্ঞতা থেকে বলছি। রিচুয়াল হীন নয়, সুবিধে মাফিক রিচুয়াল। স্কিপ করতে না চাওয়ার কারণ অনেকটাই ওই মজ্জায় ঢুকে যাওয়া সুন্দর ছবিগুলো। আর কিছুটা, যে বিয়ের আনন্দের ব্যাপারটা কনে ও বর -ও ছাড়তে চায়না, অন্যে পরে কা কথা। না করলে কি হবে, তার আগে তো না করতে চাইতে হবে। সেটা কাউকে চাইতে দেখিনি। ওই তিনজনকে ছাড়া। একজনের বেলায় আদর্শগত ব্যাপার ছিল। একজনের বেলায় দুই ধর্মের কোন রিচুয়াল নেওয়া হবে ঠিক করতে না পেরে বাদ দেওয়া হয়। আর একজনের বেলায় মেয়েটি সন্তানসম্ভবা ছিল, বাধ্য হয়ে অনিচ্ছাসত্বেও সই সাবুদ করতে হয় দুজনকে, ঐটা বাড়ির চাপে। বাড়ির লোকেরা অনুষ্ঠানের কথা তোলেনি মোটেই।
    কিন্তু ধর্মাচরণের কথা বললে একেবারেই ধর্মের বালাই নেই, বা পুজো আচ্চার, কিন্তু তারা বেশ হিন্দু-ই এরকম বাড়ি তো খুব কাছ থেকে দেখেছি। দেখি। তারা এসব নিয়ে ভাবেই না, আমার-ই মত।
  • hu | ১৮ জানুয়ারি ২০১৪ ১৪:৫৬200786
  • আরে বিয়ে করার উপকারীতা কি তা নিয়ে তো কালকেই আলোচনা হয়ে গেছে ঃ-)) পালানো সহজ হবে না জেনেই না নিশ্চিন্তে ঝগড়া করা যায়! বিয়েটা উপকারী রিচুয়াল।

    সত্যি বলতে কি মালা আর আংটি নিয়ে আমার আপত্তি অতটা তীব্র নয়। সলিটেয়ারের চেয়ে কি মূল্যবোধ বড় হল! ;-) আর আরো একটা কথা হল ঐ দুটো জিনিস দুজনেই দুজনকে দিতে পরে।

    কিন্তু সিঁদুরটা নিয়ে সিরিয়াস প্রবলেম ঃ-(
  • ম্যামি | ১৮ জানুয়ারি ২০১৪ ১৪:৫৫200785
  • হুচি
    বলব 'খনে। মজা হয়েছিল বেশ।

    সোসেন
    বিয়েতে বন্ধুদের খাওয়ানো রিচুয়াল কেন?
  • sosen | ১৮ জানুয়ারি ২০১৪ ১৪:৪৯200782
  • সেইভাবে রিচুয়ালবিরুদ্ধ বিয়ে আমি তিনটে দেখেছি। কিন্তু সেখানে আমার শুধু এটাই মনে হচ্ছিল, যে বিয়েটাও ইটসেলফ একটা রিচুয়াল-ই তো। আর যাই কিছু ছেঁটে বাদ দি, এটাই যদি ধরে রাখি, তো লাভ কি হলো?
  • hu | ১৮ জানুয়ারি ২০১৪ ১৪:৪৯200783
  • কিছুই না, গল্প শুনবো ঃ-)
    তবে ইচ্ছে না হলে চাপ নেই
  • san | ১৮ জানুয়ারি ২০১৪ ১৪:৪৯200784
  • তর্কের কি আছে, একেক জনের দেখা একেক রকম।
    প্রতিবাদ টাদ নয়, আমাদের বন্ধুবান্ধবরা পুজোফুজোয় পার্ট নিতনা, খিল্লিই করত, তাদের বাড়িতে হয়তবা কেউকেউ করতও কিন্তু কেউ জোর টোর করছে বলে শুনিনি, সেটাই বললাম।
    ইন ফ্যাক্ট এটা যে কোনো 'প্রতিবাদ' তাই জানতাম না। কেউ করে, কেউ করেনা, কুলকাল, দেখে আসছি।
  • hu | ১৮ জানুয়ারি ২০১৪ ১৪:৪৮200780
  • স্কিপ করতে না চাইলে আর চাপ নেই এমনটা বুঝলে কি করে?
  • ম্যামি | ১৮ জানুয়ারি ২০১৪ ১৪:৪৮200781
  • হুচির গল্প ভালো লাগল। এগুলো প্রত্যেকের আলাদা। রিচুয়ালবিরুদ্ধটি নিয়ে লিখব বলছ? লিখে কী হবে, কী আর হবে।
  • hu | ১৮ জানুয়ারি ২০১৪ ১৪:৪৭200779
  • রিচুয়ালহীন বিয়ে মানে মালাবদল/আংটিবদল/সিঁদুর পরানো কিছুই না হওয়া। সেরকম বিয়ে একটাই দেখেছি। নিজের বিয়েও তেমনটি হয়নি।
  • sosen | ১৮ জানুয়ারি ২০১৪ ১৪:৪৫200778
  • সিঁদুর হয়। সাখা পলা বেনারসি এইসব হয়। যজ্ঞ টজ্ঞ স্কিপ করে অনেকে, কিন্তু সাজগোজ আর ছবি তোলা কেউ স্কিপ করে না :-)
    কেউ স্কিপ করতে চাইলেও চাপ থাকে না। কিন্তু সে কেউ কোনোদিন চায়নি।
    একবার রিঙ্কুদি বলে এক বন্ধুর দিদির বিয়ে হল, পাশের বাড়ি। সে কিছুতেই কাউকে খাওয়াতেও দিলো না। ভারি কট্টর সি পি এম।
    আমরা খুব চটে গিয়েছিলুম। ছোটোরা। মা রিঙ্কুদির পাশে জামাইয়ের এক ফুট বেটে চেহারা নিয়ে এত চিন্তিত ছিল যে বল্লো ভালোই করেছে বাপু ঃ-))
  • hu | ১৮ জানুয়ারি ২০১৪ ১৪:৪৩200777
  • স্যান, ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা নিয়ে তর্ক করব না। তবে আমার দেখাশোনার মধ্যে বেশিরভাগ মানুষই - এর মধ্যে সব জায়গা - শিক্ষাক্ষেত্র/কর্মক্ষেত্র/আড্ডাক্ষেত্র সব জায়গার চেনা মানুসেরাই আছেন - এই টুকটাক মাথায় হাত ঠেকানো, আচারে-অনুষ্ঠানে সিঁদুর ছোঁয়ানো অভ্যাসবসেই করে থাকে। বেশি প্রতিবাদী হয়না। আর যদি এগুলো অভ্যাসেই চলে আসে তাহলে তো অশান্তির গল্প শোনা যাবে না।
  • sosen | ১৮ জানুয়ারি ২০১৪ ১৪:৩৭200776
  • কিন্তু আমাদের বাড়িতে পুজোতেও এই রকম। প্রসাদ আমি তো এমনই খেয়ে ফেলি। মাথায় ঠেকাই না তো। কেউ তো সে নিয়ে কিছু বলে না ঃ-(
  • san | ১৮ জানুয়ারি ২০১৪ ১৪:৩৬200775
  • আরে ইস্কুল কলেজের বন্ধুবান্ধবদের বাড়ি কতো গেছি। তারাও তো আমার মতই ছিল। কারো বাড়িতে অশান্তি হত বলে শুনিনি ঃ-(
  • ম্যামি | ১৮ জানুয়ারি ২০১৪ ১৪:৩৫200774
  • আমারও ধারণা এই জেনারেশনে সবাই ফুল চাপ নিয়ে বিয়ে করতে চায়। ছেলে মেয়ে গুলোই বেশি চায়। একটা কারণ হয়তো একটা একটা ছেলে মেয়ে। আরেকটা কারণ (হতে পারে) প্রাত্যহিক জীবনে মেলামেশা যাওয়া-আসা কম থাকা।
  • শ্রাবণী | ১৮ জানুয়ারি ২০১৪ ১৪:৩৪200771
  • আজ কতকাল আগে দাদা বিয়ে করার একটাই শর্ত রেখেছিল মেয়ের বাড়ির কাছে, যে শুধু রেজিস্ট্রি হবে এবং মেয়ে শুধু নিজের ব্যবহারের শাড়ি জামা নিয়ে আসবে আর কিছু না। আমাদের বাড়ি এ নিয়ে খুব কুল ছিল, দাদা এমনটা করবে, এমনটাই স্বাভাবিক, এমনকি গ্রামের বাড়ির কেউও কিছুই বলেনি এ নিয়ে। কিন্তু মেয়ের বাড়ি মেনে নিলেও, তারপরে দীর্ঘকাল শুনিয়ে গেছে কত পয়সা রাখা ছিল, আত্মীয়রা কী কী এক্সপেক্ট করছিল, কত গয়না গড়ানো ছিল ইত্যাদি।
    আমি তখন ছোট, একবার এইসব হাঁকের কথায় বিরক্ত হয়ে দাদাকে বলেছিলাম তুমি একটা খুব খুব গরীবের মেয়ে বিয়ে করলেনা কেন, তাদের সত্যি উপকার হত।
    দাদা খুব হেসেছিল আমার কথায়!:)
  • san | ১৮ জানুয়ারি ২০১৪ ১৪:৩৪200772
  • ছোটোবেলায় একসময় এক ক্রিশ্চান বন্ধুর দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে প্রায়ই গির্জায় যাওয়ার বায়না ধরছিলাম। তখন মা বাবা খিল্লি করে আমাকে বলত 'যিশু বাবার ছোট্ট মেষ' ! হঠাৎ মনে পড়ল। সে আমায় একটা বাইবেল দিয়েছিল। এখনও আছে সেটা।
  • hu | ১৮ জানুয়ারি ২০১৪ ১৪:৩৪200773
  • ম্যামিদি, রিচুয়ালবিরুদ্ধ বিয়ের গল্প লেখো
  • hu | ১৮ জানুয়ারি ২০১৪ ১৪:৩৩200770
  • আর সিঁদুর? মালাবদল, আংটিবদলের সাথে সিঁদুর পরানো হয় না? মালাবদল/আংটিবদলও অবশ্য রিচুয়ালই।
  • sosen | ১৮ জানুয়ারি ২০১৪ ১৪:৩২200769
  • আরে আমার মা-ও হনুমান পুজো করে। বড় মাসিও। এটা কি সিরেল থেকে এয়েচে? নতুন ফ্যাসন?

    মাকে কত বল্লাম, ওরম ভক্তিভরে হনুমান পুজো করলে লেজ গজাবে মা। তাতে পাত্তাই দিলো না। আবার বল্লো, এই তুই সায়েন্টিস?
    ঃ-)))
  • সিকি | ১৮ জানুয়ারি ২০১৪ ১৪:৩১200768
  • হয় তো বাংলার বাইরে থাকি বলেই কিনা, জানি না, জন্মের পর থেকে আজ পর্যন্ত আমি নিজের ছাড়া আর কোনও রিচুয়ালবিহীন বিয়ে দেখি নি। একটিও না।
  • hu | ১৮ জানুয়ারি ২০১৪ ১৪:৩০200767
  • স্যান, তুই মনে হয় একটু ব্যতিক্রমী পরিবেশেই বড় হয়েছিস। আমার বাড়ি আলাদা করে বেশি ধার্মিক এটা কিন্তু আজও আমার মনে হয়না। আমি তো ভাটেও আগে লিখেছি পুজোর ছুটি পড়লেই আমরা বেড়াতে চলে যেতাম। কোনদিন দুর্গাপুজোয় অঞ্জলী দিয়েছি বলে মনে পড়ে না। বাড়িতে পুজো বলতে ছিল নবান্নের পুজো আর তার পর দিয়েই একটা লক্ষ্মীপুজো হয় সেই পুজোটা। সরস্বতীপুজোতেও যে যার স্কুলে চলে যাওয়া হত। বাড়ির সরস্বতীপুজো অনেক পরে শুরু হয়। কিন্তু যেটুকু ধর্মাচরন হত বাড়িতে তাতে পুজোতে অঞ্জলী দেওয়া হবে, প্রসাদ নেওয়ার সময় মাথায় হাত ঠেকানো হবে এটা ছিল খুব স্বাভাবিক। এর ব্যাতিক্রম শুধু আত্মীয়মহলে নয়, বন্ধুমহলেও দেখিনি। বাবা শুধু সূর্যপ্রণাম করতেন, আর কোন পুজোতে পার্টিসিপেট করতেন না। কিন্তু অন্য পুজো বাড়িতে হলে বাধাও দেননি। আর সেখানে এসব না মানা নিয়ে আমার সাথে যখন যা সমস্যা হয়েছে তাতে নীরব থেকেছেন। হয়ত নিজের জোরে কোনদিন আমি দাঁড়াব এমনটা চেয়েছিলেন। গত দুবছর ধরে দেখছি সেই বাবা এখন স্নানের পর প্রার্থনাজাতীয় কিছু একটা করেন। হয়তো বয়স হলে সত্যিই এমন হয়!
  • sosen | ১৮ জানুয়ারি ২০১৪ ১৪:২৯200765
  • না না খারাপ কোথায় বল্লাম। মানে টাকা পয়সা ও শ্রম বাচানোর জন্যই ওরকম করা হয়। সেটাই বলি।
  • সিকি | ১৮ জানুয়ারি ২০১৪ ১৪:২৯200766
  • আসছি তোওওও।

    ক্লাস ফোর ফাইভে যখন পড়তাম, মা আমাদের দুজনকে ঘাড় ধরে প্রতিদিন সন্ধ্যেবেলা ঠাকুর সিংহাসনের সামনে হাঁটু গেড়ে বসে হাত জোড় করে শিবস্তোত্র বলতে বাধ্য করত। বছর দেড়েক এই বাধ্যতামূলক প্রার্থনা চলেছিল, তারপরে মা হাল ছেড়ে দেয়।

    হুগলিতে আমাদের যখন নতুন বাড়ি হল, স্পেসিয়াস ঠাকুরঘর বানানো হল তাতে। শেষবারে গিয়ে দেখে এলাম মা আরও ভক্তিমতী হয়ে গেছে। ঠাকুরঘরে এসেছে হনুমানের মূর্তি আর সাঁইবাবার বড় ফটো। সকালে পুজোর সময়ের পরিমাণটাও বাড়ছে।
  • ম্যামি | ১৮ জানুয়ারি ২০১৪ ১৪:২৮200764
  • স্পেসিফিক্যালি একটা প্রশ্ন -- মেয়ের অনাবশ্যক বেশি সোনা দেওয়া এবং জামাইকে এমনকি সোনার বোতামও দেওয়া কজন অ্যাভয়েড করে?
  • sosen | ১৮ জানুয়ারি ২০১৪ ১৪:২৬200761
  • তবে এই জেনারেশনে একটা একটা ছেলে মেয়ে বলে সবাই ফুল চাপ নিয়ে বিয়ে করতে চায়। ছেলে মেয়ে গুলোই বেশি চায়।
  • শ্রাবণী | ১৮ জানুয়ারি ২০১৪ ১৪:২৬200762
  • আমার না খাওয়া হয়ে গেছে, ভাবছি প্রেম বিয়ে ইত্যাদি নিয়েও কথা বলে ফেলব কিন। আপাতত এই আচার পুজো ইত্যাদি নিয়ে বলি। আমার মা নিজে সব করত, গ্রামের বাড়ির নিয়ম সব অক্ষরে মেনে, সেখানে তখন মানুষদের থেকে ঠাকুরদের বাড়ির মানে মন্দিরের সংখ্যা বেশী ছিল। কিন্তু ছোট থেকে আমাদের খুব কড়া ভাবে কোনো পুজো ব্রত উপোস ইত্যাদি করতে দিত না। এর ওর দেখাদেখি দিদি শিবরাত্রি করবে বললে মা একদম বারণ করে দিত। পুজোতে অঞ্জলি দলে পড়ে দিতাম একদিন কিন্তু মা সেটাও পারলে বন্ধ করে, সকালে খাইয়ে দিত।
    এর সঠিক কারণ জানিনা তবে একবার বলেছিল মা চায়না তার মেয়েরা এইসব বাজে অভ্যেসের চক্করে পড়ুক। নিজে কেন করত তাও জানিনা!
  • san | ১৮ জানুয়ারি ২০১৪ ১৪:২৬200763
  • আর এই জেনারেশনে তো রিচুয়ালহীন বিয়ে বেশ কমন দেখেছি, মানে আমার চারপাশে। সংখ্যাগুরু না হলেও। প্রাণপাত করে বাড়ির লোককে রাজি করাচ্ছে এরম কেস না ঃ-) ইন ফ্যাক্ট রাজি 'করানোর' চেষ্টাই কেউ করেছে বলে জানিনা।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত