এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • তুঘলকি শাসন

    mila
    অন্যান্য | ০৮ নভেম্বর ২০১৬ | ১১৭০৫৯ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Rit | ০৯ নভেম্বর ২০১৬ ১৭:৪৯724502
  • খিল্লিঃ

    "2000 note features :
    - gps
    - iris Scanner
    - Fingerprint Scanner
    - HD led display
    - Water resistance
    - siren
    - Inbuilt Primary Camera
    - Inbuilt Selfie Camera
    - If you offer bribe, Gandhiji will slap you.
  • সিকি | ০৯ নভেম্বর ২০১৬ ১৮:৩১724513
  • মিউজিক প্লেয়ার আর এফেম রেডিওটা বাদ গেছে।

    এদিকে দীপাংশু অনমিত্র শ্রীপর্ণারা নতুন জিনিস নামাতে চলেছে Late66 সিরিজে।
  • PT | ০৯ নভেম্বর ২০১৬ ২০:৫০724535
  • ৫০০ আর ১০০০-এর নোট ছাড়া গোটা কলকাতা দিব্ব চলছে। বাসে ট্রেনে একরকমই অসভ্য ভীড়। হাওড়ায় বোধহয় জগদ্ধাত্রী পূজো উপলক্ষে থিক থিক করছে মানুষ। শুধু টিকিটের লাইনে একটা ১৬-১৮ বছরের ছেলে ৫০০ টাকার নোট দিয়ে হাওড়া-সাঁতরাগাছীর টিকিট চাইতে তাকে নোটশুদ্ধু স্টেশন মাস্টারের ঘরে চালান করে দিল!!
    তাছাড়া সবই নর্মাল!!

    কিন্তু কেউ দুশ্চিন্তা কইরেন না। মোদী ভাইয়ের অনেক আগে মোররজি ভাই ১৯৭৮-এ ১০০০, ৫০০০ ও ১০০০০-এর বিস্তর কারেন্সি বাতিল করেছিলেন। তো তার পরে কি আর কালোবাজারীর জন্ম হয়নি? যত্ত সব!!
  • de | ০৯ নভেম্বর ২০১৬ ২১:১৬724546
  • কাল রাত চারটে অব্দি কল্যাণ জুয়েলার্স, জয়ালুক্কা, মানে সাউথের যেসব জুয়েলার্সরা থান ই'ন্ট দিয়ে গয়না বানায় তারা দোকান খোলা রেখেছিলো আর লোকজন হামলে পড়ে কিনেছে। এক রাতে কল্যান জুয়েলার্সের সেল হয়েছে ৯৬ কোটি। পুরো ফ্যামিলি নিয়ে লিকে গয়না কিনতে এসেছিলো। এক এক জনের নামে দু লাখ মতো বিল করেছে। তাতে কোন পরিচয়পত্র লাগবে না!
  • Wah Modi | ০৯ নভেম্বর ২০১৬ ২১:৫০724557
  • Government to get report of cash deposited in bank accounts above limit of Rs 2.5 lakh during 50-day window ending Dec 30: Revenue Secretary
    09:31 PM (IST)
    Tax plus penalty of 200% will be levied on cash deposited in bank accounts but not matching with income declared: Revenue Secretary
  • Ranjan Roy | ০৯ নভেম্বর ২০১৬ ২৩:৩৩724579
  • চাটুজ্জেমশায়কে প্রভাত পটনায়েকের লেখার লিং এর জন্যে ধন্যবাদ।
  • Du | ১০ নভেম্বর ২০১৬ ০১:৩৯724591
  • দুবছর আগেও তো পুরোনো পাঁচশোর নোট বাতিল হয়েছে এই উদ্দেশ্যেই। তবে প্রচারটা এদের আর্ট
  • Mmu | ১০ নভেম্বর ২০১৬ ০৪:৩০724613
  • কি মানে আছে ঐ সব লেখার। মোদিভাই তো ঠিকই করেছে তাই না !
  • de | ১০ নভেম্বর ২০১৬ ১০:৫৫724624
  • সব ব্যাংক গুলোর সামনে উপচে পড়া ভিড় - চেঁচামেচি-ঠেলাঠেলি-হইহট্টগোল - কেয়সের চুড়ান্ত-

    আসার পথে যেকটা ব্যাংক দেখলাম, একই অবস্থা সবজায়গায় - আজ টাকা এক্সচেঞ্জ করতে যাওয়ার কোন প্রশ্নই নেই - লোকজন এতো বেশী পরিমাণে প্যানিকড হয়েছে, ভাবা যায়্না!

    অটোরিক্সাআলা, বাইয়ের কাজ করা মহিলারা এবং খেটে খাওয়া অন্যান্য মানুষদেরই বেশী আতঙ্কিত লাগছে - এঁরা ব্যাপারটা নিয়ে পুরো কনফিউজড - কেউ বোঝানোরও নেই এঁদের। এনাদের তো আর কালো টাকার ভয় নেই!

    কাল আমার এক সহকর্মী, সাউথ বম্বেতে থাকেন, বলছিলেন যে ঐ পাঁচশোতে তিনশো, হাজারে সাতশোতে অনেক ওয়ার্কিং ক্লাসের সাধারণ মানুষও টাকা বেচেছে। এঁরা মোটেও কালো টাকার ভয়ে এসব করেন্নি!
  • pi | ১০ নভেম্বর ২০১৬ ১১:০৪724646
  • অনেককেই এই মর্মে পোস্ট করতে দেখছি, যে যারাই এই ৫০০ ১০০০ ফরমানের বিরোধিতা করছে, তারা আসলে কালোটাকার কারবারী। তাই তাদের ফাটছে। গরীব সাধারণ মানুষের দুর্দশার কথা বলা আসলে নিজেদের কান্নার ক্যামোফ্লাজ ইত্যাদি। নিজেদের টাকার চিন্তায় এসবের ভান করছে। এই বাজারে নাকি কালোবাজারিদের চিনে নেওয়া যাচ্ছে এইসব পোস্ট দিয়ে।
    অন্য সব কথা বলার আগে এইটা বলে নি, এগুলো কিন্তু একেবারে পাতি এবং ভোঁতা ব্যক্তিগত আক্রমণ। অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক.. সবরকম দ্বিমতই প্রকাশ করতে পারেন। করলে সেগুলো যুক্তি দিয়ে করুন, অন্যদের দেওয়া তথ্য ও যুক্তির কাউণ্টার করে করুন।

    এরপর আসি পরের কথায়। হ্যাঁ, কারা যেন লিখে রেখেছেন দেখলাম, গরীব লোকেরা কেউ ৫০০ ১০০০ এর নোট রাখেন না, তাঁদের কোন অসুবিধে নেই।
    এঁরা এও বলছেন এঁরা নাকি নিজেরা লোকজনের সাথে কথা বলে গ্রামে গঞ্জে ঘুরে ঘারে দেখেছেন। যদিও কোথাইয় কী দেখেছেন, স্পেসিফিকালি জানতে চাইলেই হিরণ্ময় নীরবতা নেমে আসছে :)
    সে যাহোক, আগে জানলে ভিডিও রেকর্ড করে রাখতাম। এ দোকান সে দোকান ঘুরে কাল এক মুদির দোকানে গেছি যখন, আমার আগেই একজন বেরিয়ে গেলেন। খালি হাতে। মানে কোন জিনিস নেই। খালি না, হাতে ৫০০ টাকার নোট। গরীব লোক বলে শুধু না, সারাদিনের কাজ করে আসার ছাপ জামাকাপড়ে। দোকানি বললেন, উনি দিনমজুর। আজ দুদিনের মজুরি পেয়েছেন। মালিক ৫০০ টাকা ধরিয়েছেন। সব মজুরকেই। বলেছেন, নইলে এখন টাকা পাবেন না। ওনার দরকার ছিল ১০০ টাকার চাল। দোকানি দিতে পারেননি। বেশিরভাগ দোকানে ৫০০ নিচ্ছেই না, উনি নিচ্ছিলেন, কিন্তু সকাল থেকে খুচরো দিয়ে দিয়ে শেষ। জোরজার করে দুটো প্রয়োজনীয় জিনিসের সাথে আটটা অপ্রয়োজনীয় জিনিস কিনে পাঁচশোর কাছাকাছি বিল করিয়ে টাকা ব্যবাহার করা কি খুচরো করার সামর্থ্য বেশিরভাগেরই নেই। যাঁদের নেই, তাঁরা কী করছেন ? এই আজ এসে আমার কাজের দিদি জানিয়ে গেলেন। পাঁচশো টাকার খুচরো করিয়েছেন, ৬০ টাকা গচ্চা দিয়ে। ৬০ টাকা ওনাদের জন্য কতটা, আশা করি বোঝাতে হবেনা। ওনাদের ট্রাইবাল গ্রামে সবারই প্রায় সেই দশা। এনারা সবাই মাইনে কি মজুরি পেয়েছেন ৫০০ টাকার নোটে। এছাড়াও যাঁর যেটুকু সঞ্চয়, অনেকেই ঘরে কিছু টাকা তুলে রাখেন। ব্যাঙ্ক সবার নেই, থাকলেও ওই জিরো ব্যালান্সের। এই ব্যাঙ্ক নেই কেন,ব্যাঙ্ক ব্যবহার করে না কেন, কার্ড ব্যবহার করে না কেন, এই প্রশ্নগুলো শুনলে সত্যি অবাক হয়ে ভাবতে হয়, মানুষ কতটা বাস্তব থেকে বিচ্ছিন্ন। মেট্রোশহর কি বড় শহরের বাইরে একটু বেরিয়ে দেখুন না, কতটা দূরত্বে কীরকম ফ্রিকোয়েন্সিতে ক'টা ব্যাঙ্ক আছে। দিন আনা দিন খাওয়া মানুষদের কতটা কী সুবিধা আছে সেখানে যাতায়াতের জন্য, সময় দেবার জন্য ? পড়াশুনা না জানার প্রতিবন্ধকতা নাহয় বাদই দিলাম। রোজ দেখি সরকারি হাস্পাতালে রোগির সাথে আসা লোকজন এই ওই সেই ফর্ম নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন, নিয়ে আসছেন, যদি একটু ভর্তি করে দিতে সাহায্য পাওয়া যায় ! লোকের কাছে এখনো এসব কাজকর্ম আতঙ্কের, নেহাত দরকার না পড়লে করেন না। এগুলো নিয়ে তো অনেক বেশি কাজের দরকার। জনধন যোজনার রিপোর্ট দেখছিলাম। এখনো কত লোক এসবের আওতায় বা নিয়মিত পরিষেবা নিতে পারছেন না, সেসবও পড়ছিলাম। কেন পারছেন না সেটা না পড়লেও চলে, একটু ঘুরে দেখলে, কথা বললেই বোঝা যায় ! এত এত গর্ভবতী, প্রসূতি মায়েদের হাসপাতালে ডেলিভারি, জননী সুরক্ষা যোজনার ইভ্যালুয়েশন করতে হয় কাজের সূত্রে, দেখি বেশিরভাগ ( বোল্ড এবং আণ্ডারলাইন) মায়েরাই নিজেদের প্রাপ্য টাকা পাননি বা নেন নি, মানে নিতে পারেননি। মূলতঃ ব্যাঙ্কের সমস্যার জন্য। আকাউণ্ট নেই, কাগজ নেই। এসব বাইরে থেকে বলে দেওয়া খুব সোজা, কেন কাগজ নেই, কেন করেনি। ওনাদের অবস্থায় এসে একটা দুটো দিন কাটালেই বুঝে যাবেন, কেন। মানে নিজেরাই কেন কেন ক'রে অনেক বেশি চেঁচাবেন, ওনাদের মত করে এক দুদিন জীবন কাটাতে হলে, ওনাদের জায়গায়।
    গরীব লোকেও কেন ক্যাশ রাখে ? কারণ সেটা তাঁদের পুঁজি হয়। যখন তখন সেটা প্রয়োজন হলে তোলার কোন সু্যোগ থাকেনা বলে। না, এসব অঞ্চলে পা বাড়ালেই এটিএম নেই। চার পাঁচ ঘণ্টা হেঁটে বা দু তিন ঘণ্টা গাড়িতে করে এসে ( অবশ্যই একটা বিশাল অঙ্ক খরচ করে), একটা এটিএম এর সন্ধান পাওয়া যায়, এমন কতগুলো জায়গায় যেতে চান বলুন, সঙ্গে করে নিয়ে যাবো। ও, বলা হয়নি, তারপর সেই এ টি এম এ মাসে এক কি দুবার টাকা ঢোকে। এবং ঢোকার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সে টাকা শেষ হয়ে যায়, কারণ কিছু 'মহাজন' মার্কা ব্যক্তি পনের ষোলখানা এটিএম কার্ড নিয়ে ঢোকেন। এগুলো তাঁদের বাজেয়াপ্ত করা কার্ড। ওদের কাছ থেকে যাঁরা ক্যাশে টাকা ধার নেন ( নিতেই হয়। একটা অসুখ বিসুখ হলে কি চাষে সমস্যা হলেই বা বিয়ে শাদি থাকলে), তাঁদের কাছ থেকে এঁরা ওই গ্রামীণ কি কো অপারেটিভ ব্যাঙ্কের এটিএম কার্ড নিয়ে নেন।ব্যাংকে টাকা ঢুকলে ওই কার্ড দিয়ে নিজেদের প্রাপ্য টাকা সুদসহ তুলে নেন। এ নিজের চোখে দেখা। কেউ দেখতে চাইলে সেও সঙ্গে করে এনে দেখিয়ে দিতে পারি। এই জায়গায় আজ অব্দি এটিএম থেকে আমরা কোন টাকা পাইনি। এখন ঠেকে শিখে কাজে গেলে ক্যাশে অন্ততঃ হাজার পনের নিয়ে যেতে হয়। নইলে কাজ হবে কীকরে ? এরকম গিয়ে থাকলে পুরোই ফেঁসে যেতাম। জানিনা, পরের হপ্তায় কীকরে কত টাকা নিয়ে যেতে পারব আর কীকরেই বা কাজ করব। কারণ গাড়ি ও ক্যাজুয়াল লোকজনকে ডেইলি পেমেণ্ট করে দিতে হয়। এরকম সমস্যায় নিশ্চয় বহু গবেষকই ফেঁসে, যাঁরা প্রত্যন্ত এলাকায় কাজ করেন। কিন্তু কথা হল, এইসব জায়গায় ৫০০ ১০০০ এর নোট লেগেই যায়। আর গরীব মানুষেরাই ব্যবহার করেন। হপ্তায় একদিন ঘণ্টা দুই তিন চারের দূরত্ব উজিয়ে হাটে আসেন। প্রত্যন্ত গ্রাম কি জঙ্গলের ঘর থেকে। হাটে বেচা টাকা দিয়ে সারা হপ্তার জিনিস কিনে ফেরত যান। বেশিরভাগই যেখানে থাকেন, কোন বিদ্যুৎ ই নেই। টিভি তে এসব খবর অব্দি পাননি। চলে এসেছেন হাটে। কী অবস্থা হয়েছে তাঁদের, খোঁজ রেখেছেন ? গরীব লোকজনের তুমুল হয়রানি হচ্ছে বললেই কুম্ভীরাশ্রু বিসর্জন হচ্ছে বলে যাঁরা ব্যংগ বিদ্রূপ করে চলেছেন, একটু বরং পথে নেমে দূরে দূরে ঘুরে ঘুরে দেখুন।
    যাঁরা টাকা রেখেছেন, আসলে তাঁরাই কালো টাকার কারবারি বলার আগে বাস্তবটা আরেকটু জানুন প্লিজ। আমার আপিসে তিনিজনের বিয়ে, হপ্তা তিন বাদে। এদের মধ্যে দুজন পরশুই টাকা তুলেছিল, কেনাকাটার জন্য। নিজেদের সমস্ত সঞ্চয় প্রায়। এরা কেউ বড়লোক না। এখানকার বেশিরভাগ দোকানেই বা যে দোকানে এঁরা কেনাকাটা করেন, কার্ড চলেনা। কী করবেন বলুনতো ?
    ব্যাংক এখন বলছে দুহাজারের বেশি একবারে দেবেনা। কী করবে লোকে ?
    হাসপাতালে টেস্ট করাতে পারেননি, ওষুধ কিনতে পারেননি, কারণ হাসপাতালে আর খুচরো নেই। এটা বাস্তব। পেট্রোলপাম্পে খুচ্রো নেই বলে ফেরত দিচ্ছে, যারা দিতে পারছে, ঘণ্টা দেড় দুইয়ের লাইন।
    নিজের চোখেদেখা বাস্তবকে তো নির্দেশনামা দিয়ে অস্বীকার করতে পারিনা।
    বেসরকারি হাসপাতাল, প্যাথলাবে তো আরো খারাপ দশা। সাড়ে তিনশো টাকা দিতে না পারায় ডিসচার্জ আটকে, এ ছবি টিভি খুলে অনেকেই দেখেছেন। আমার চোখে দেখা, প্যাথ ল্যাবে লোকে দরকারি সব ব্লাড টেস্ট না করিয়ে ফেরত যাচ্ছেন। ফেরত আর যাবেন কই। দূরদূরান্তের গ্রাম থেকে এত কষ্ট করে রোগী নিয়ে এসেছেন, এখন আরো দৌড় ঝাঁপ করে চলেছেন, অসুস্থ লোককে সঙ্গে নিয়ে। বেশিরভাগই ব্যর্থ দৌড়াদৌড়ি। আর নইলে, ওই একশো দুশো টাকা গচ্চা দিয়ে খুচরো করাচ্ছেন। এমনিতেই চিকিৎসা করাতে ফতুর হওইয়ার উপর এগুলো শাকের আঁটি বা খাঁড়ার ঘা ভেবে অবশ্য নিশ্চিত থাকতেই পারেন।
    কত বলব ? আরো অনেক উদাঃ দিতে পারি, অত সময় নেই লেখার।
    বাড়িতে মিস্তিরির কাজ চলছে, ডেইলি পেমেণ্টএর টাকা তুলে রেখেছেন লোকজন। বৃদ্ধ লোকজন। দূরে ব্যাঙ্কে যাওয়ার অসুবিধে বলে তুলে রেখেছেন। বুহু পেনশনার তুলে রেখেছেন। বৃদ্ধদের যাতায়াতে, লাইন দেবার সমস্যা থাকে বলে। বলি, বাকি নাহয় নাই বা জানলেন, দেখলেন, এগুলোও কি জানেন না, দেখেন না ? নাকি জেগে ঘুমোচ্ছেন ?

    অনেক কিছুই যা হইয়ে আসছে, তা ঠিক না। কিন্তু তার বেশিরভাগের দায় ইন্ডিভিজ্যুয়ালের নয়। সিস্সটেমের। আর সেগুলো ঠিক করার দায়ুও বর্তায় সিসেটেমের উপর। সেসব বহু কিছু ঠিক না করে বা ঠিক হবার জন্য যথেষ্ট সময় না দিয়ে এইসব ঘোষণা ( যদি তর্কের খাতিরে ধরেও নিয়ে সদুদ্দেশ্য আছে, প্রভাত পটনায়ক এবং আরো অনেকের লেখা পড়ে যদিও কনভিন্সড হচ্ছি, নেই। কি ঘোড়ার আগে গাড়ি জুতে দেওয়া নয়?
  • avi | ১০ নভেম্বর ২০১৬ ১১:০৬724657
  • এনাদের অনেকেই ভেবেছেন ওই হায়ার কারেন্সি নোট গুলো সত্যিই ঠোঙা হয়ে গেছে কাল থেকে। তাই যা পাওয়া গেল। আমার এক জুনিয়র ছিল, তার ভাই মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজে পড়ে। সেমিস্টার ফী জমা দেওয়ার ছিল। তো তার বাবা ঘোষণা শুনেই প্যানিকড হয়ে আগে তুলে রাখা প্রতি হাজার পিছু আটশো করে খুচরো করে এনেছেন কোথাও একটা থেকে। অথচ হাসপাতালে নেবে যখন জানাই আছে, মেডিক্যাল কলেজে তো নেবে প্রত্যাশিত।
  • ট্রিডিঙ্গিপিডি | ১০ নভেম্বর ২০১৬ ১১:১৩724679
  • অনেক লোকই শুনেছি মজুরি ইত্যাদি দিতে গিয়ে ইচ্ছে করেই ৫০০-এর নোট গছিয়েছেন। এইটা যাতে না করা হয় সেই মর্মে হোয়াটস-অ্যাপে একটা মেসেজ ঘুরছিলো যদিও।
  • avi | ১০ নভেম্বর ২০১৬ ১১:১৩724668
  • পাইদির লেখাটা ভালো।
  • pi | ১০ নভেম্বর ২০১৬ ১১:১৫724690
  • হ্যাঁ, এখানে তো দিয়েইছে দেখলাম। বহু মজুরদের ৫০০ টাকার নোট ধরিয়েছে কাল। আর যাদের টাকা উদ্ধার করা নিয়ে এত কাণ্ড, তাদের অনেকেই এইভাবেই টাকা সরাবে।
  • sm | ১০ নভেম্বর ২০১৬ ১২:৩৯724702
  • এই মাত্র ব্যাংক থেকে দশ হাজার তুলে আনলাম।সব পুরোনো একশো আর দশ টাকার নোট।লতুন ৫০০/১০০০ এর নোট আসে নাইকো। সপ্তাহে বিশ হাজার লিমিট। পরশু আরো দশ তুলবো।
  • sch | ১০ নভেম্বর ২০১৬ ১৩:২১724713
  • ফেবুতে লিখেছিলাম বলে অজস্র ট্রোল হচ্ছে যে গ্রামের লোকেরা কি ৫০০ আর ১০০০ পকেটে করে নিয়ে ঘুরে বেড়ায়। ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতায় জানি sunderban অঞ্চলে এমন অনেক গ্রাম আছে যেখান থেকে কাছের গ্রাম যেতে হলে সাড়ে তিন চার ঘন্টা সময় লাগে। ব্যাঙ্কে যাওয়া মানে সারা দিন শেষ। সপ্তাহে চেকে টাকা তোলার লিমিট বেঁধে দেওয়া হয়েছে ২০০০০। আমার ব্যাঙ্ক কেন ঠিক করে দেবে যে আমি কতো টাকা ক্যাশে তুলব ? আর যারা এই ক্যাশ লেশ ট্রান্সাকশান প্রমোট করছেন আমার ডেবিট কার্ড ফিজিং, নেট ব্যাঙ্কিং ফ্রড হলে টাকাটা তারাই সাথে সাথে ফেরানোর ব্যবস্থা করবেন তো?

    নিজে ভুক্তভোগী বলে জানি ATM ফ্রডে টাকা গেলে (একবার ৪৮০০০ একবার ৬৩০০০) ফেরত পেতে অন্ততঃ মাস দুই সময় লাগে।

    পাইয়ের লেখাটা কি তথ্য সূত্র দিয়ে ব্যবহার করতে পারি?
  • সিকি | ১০ নভেম্বর ২০১৬ ১৩:২৫724724
  • পাই, লেখাটা একটু ঘষেমেজে ফেবু-তে দাও। শেয়ার করি। একদম আমার মনের কথা।

    সামান্য কিছু ব্যাঙ্ক দেখে এলাম। রাস্তার ওপরে দেড় কিমি লম্বা লাইন। ক্রমশ বাড়ছে। বেশির ভাগ এটিএম বন্ধ।
  • naak | ১০ নভেম্বর ২০১৬ ১৩:৩৪724735
  • আমার বাড়ীর হেল্পিং হ্যান্ডদের জিজ্ঞেস করলাম, কারোর কোন অসুবিধা নেই, বলল খুচরো টাকা না থাকলেও পাড়ার দোকানী সব্জিওয়ালা মাল দিয়ে দেবে তবে তিনি চারদিনের মধ্যে ধার নেওয়ার ও দরকার পড়বে না, আমাদের দুজনের মিলিয়ে ১০০০ টাকা মত ১০০/৫০/১০ টাকার নোটে আছে। গতকাল অবধি কোন খরচ হয়নি, আশা করছি শনিবার অবধি কোন অসুবিধা হবে না, সবাই এত প্যানিক করছে কেন বুঝতে পারছিনা। ঘোষণা চলাকালীন আমরা বাজারে ছিলাম, সেখানেই প্রথম শুনলাম, কিন্তু কোন প্যানিক ঠিক তক্ষুণি দেখিনি।
    তবে ক্যাওস ইনএভিটেবল, কড়া ডোজের অ্যান্টিবায়োটিকে মানুষ একটু নিস্তেজ হবেই। এখন ওষুধ কাজ করলেই হল।
  • sch | ১০ নভেম্বর ২০১৬ ১৩:৪৪724746
  • শহরে বসে ঠিক বোঝা সম্বব না যে লোকের কি ধরণের অসুবিধা হওয়া সম্ভব যেগুলো পাই লিখেছেন। আমি একদম নিজের এক্সপিরিয়েনশ থেকে বলছি, লোকে জরুরি এক্স রে করাতে গিইয়ে করাতে পারছে না - তারা টাকা নিচ্ছে না। আমাকে ওষুধের দোকার ৫০০ র নোট রিফিউজ করেছে। সার্কুলার আছে - কিন্তু না মানলে কি করবেন? পেটাবেন?
  • একক | ১০ নভেম্বর ২০১৬ ১৩:৫২724757
  • গ্রাম গঞ্জের লোকের যথেষ্ট অসুবিধে হচ্ছে। এন্টিবায়োটিক ট্রিটমেন্টের এটাই মুশকিল। রুগীর একেবারে ভেদবমি ঘটিয়ে দুব্বল করে ছেড়ে দেয় :|

    উল্টোদিকে, প্রচুর মিডল লেয়ার টাকা জাস্ট পুড়িয়ে ফেলার খবর আসছে কারন পরিমানে এত বেশি যে কনভার্ট করানোও সম্ভব না। দিল্লিতে একজন আত্মহত্যা করেছে। দেড়শ কোটি ছিলো। মাঝারি লেভেলের হুন্ডি চালাত।
  • de | ১০ নভেম্বর ২০১৬ ১৩:৫৯724768
  • এখানেও টাকা পোড়ানোর খবর শুনলাম -

    আমি এই দুঘন্টা লাইনে দাঁড়িয়ে পাপমুক্ত হয়ে এলাম! এখানে নতুন ২০০০ এসে গেছে। গোলাপী রঙের ছোট নোট।
  • PT | ১০ নভেম্বর ২০১৬ ১৪:০৯724779
  • গতকাল গড়িয়ার মোড়ে বেশ নামজাদা ওষুধের দোকান ৪৫০ টাকার ওষুধের জন্যেও ৫০০ টাকার নোট নেয়নি।
  • একক | ১০ নভেম্বর ২০১৬ ১৪:১২724801
  • যেসব বড় দোকান নোট্ নিচ্ছেনা এরা কিন্তু কালো কারবার করে বলেই নিচ্ছেনা। দুসরা খাতায় কমিয়ে দেখায়। এবার এই নোট্ নিলে ডিক্লিয়ার করতে হবে, কদিন বাদেই ইনকাম ট্যাক্স এসে জিগাবে একদিনে এত রোজগার হলে মাসের রোজগার এত কম কেন ? এইটা ওপেন হয়ে যাবে বলে নিচ্ছেনা। যাদের খাতা পরিষ্কার তারা অনেকেই নিচ্ছে। ওষুধের দোকান না হলেও।
  • pi | ১০ নভেম্বর ২০১৬ ১৪:১২724790
  • দেওয়ালে দিলাম, তবে ঘষামাজার সময় নেই এখন। এমনিই খুব হুড়মুড়িয়ে লেখা, এই ধরণের পোস্ট দেখে দেখে হেজে গিয়ে।

    হ্যাঁ, যেকেউ শেয়ার করতে পারেন।
  • pi | ১০ নভেম্বর ২০১৬ ১৪:১৫724813
  • আচ্ছা, একটা জিনিস বুঝছিনা। আড়াইলাখের উপর যাদের আছে, তাদের জন্য নাকি ২০০% পেনাল্টি। আজ শুনলাম, এরকম লোকজন নাকি এই টাকাটা জমাই করবেনা। কারণ পেনাল্টিতে অনেক বেশি টাকা দিতে হবে। তো এতে সরকারের বা দেশের লাভটা কী হবে ? টাকাগুলো তো কিছুই ফিরবেনা। মানে, এটার ইকনমিক্সটা কেউ বোঝান।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। চটপট প্রতিক্রিয়া দিন