এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • তুঘলকি শাসন

    mila
    অন্যান্য | ০৮ নভেম্বর ২০১৬ | ১১৭০১২ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • ranjan roy | ০৬ ডিসেম্বর ২০১৬ ১৫:২৫724516
  • হিটলারের মত দক্ষিণপন্থী শক্তির ক্ষমতায় আসার পৃষ্ঠভূমিতে রয়েছে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পরাজয়ের পর অসম সন্ধিতে জার্মানীর উপর চেপে বসা আর্থিক ভার আর জনগণের নির্বাচিত বামপন্থী-লিবারেলদের ভাইমর রিপাবলিকের ব্যর্থতা।
    জিনিসপত্রের দাম আর বেকারি পাল্লা দিয়ে বাড়ছে, সরকার যুবশক্তির উপযুক্ত দিশা/উন্নয়ন/রোজগার দিতে ব্যর্থ; নিজেদের মধ্যে শরিকী খেয়োখেয়ি। সেই সময় হিটলারের দক্ষিণপন্থী প্যাকেজ-- নন্দঘোষ ইহুদিদের তাড়াও, আহত জাত্যাভিমানে ধূনো দাও, নর্ডিক আর্য্যের শ্রেষ্ঠত্বের প্রচার কর, যুদ্ধের মাধ্যমে এমপ্লয়মেন্ট ও মার্কেট ডিমান্ড বাড়িয়ে হেভি ইন্ডাস্ট্রি ও বাজারকে সচল কর, এবং কমিদের প্যাঁদাও।
    পাব্লিক সেই প্যাকেজে মজল। ফলে বার্নস্টাইন, কার্ল লিবনেখ্ট, রোজা লুক্সেম্বার্গের দেশে ন্যাশনালিস্ট সোস্যালিস্টদের ভূতের নেত্য শুরু হল। পড়শিদের সীমান্তে খোঁচানো শুরু।
    অনেকটা আজকের ভারতের সঙ্গে মিলছে কি?
  • কিক্কড় সিং | ০৬ ডিসেম্বর ২০১৬ ১৫:৩৪724517
  • শুধু ভারত নয়, অন্য অনেক দেশ যেখানে রাইটিস্ট পলিটিক্স উঠে এসেছে - তাদের সাথেও মিলছে। অবিশ্যি তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রেডিকশন নিউ ওয়ার্ল্ড অর্ডার বেশ আগে থেকেই করেছে।
  • সিকি | ০৬ ডিসেম্বর ২০১৬ ১৫:৪৭724518
  • অন্যদিকে ইহুদিরাও ধোয়া তুলসীপাতা ছিল না। মূলত জার্মানির আর্থিক পতনের ফায়দা তোলা শুরু হয়েছিল, ঘরে ও বাইরে। খোলামকুচির পর্যায়ে নেমে আসা ডয়েশমার্ককে এক্সপ্লয়েট করে নিজেদের ধনী করেছিল ব্যবসায়ী কমিউনিটি, যাদের সিংহভাগ ছিল ইহুদি। ফলে হিটলারকে নন্দঘোষ আইডেন্টিফাই করতে এবং তাকে জাতীয় আবেগের সাথে খাপ খাইয়ে নিতে বেশি বেগ পেতে হয় নি।
  • PT | ০৬ ডিসেম্বর ২০১৬ ১৫:৫৮724519
  • "আর জনগণের নির্বাচিত বামপন্থী-লিবারেলদের ভাইমর রিপাবলিকের ব্যর্থতা।"
    মিলছে আবার মিলছেও না। যদিনা দেখানো যায় যে জার্মানিতে একদল বামের বিরুদ্ধে আরেকদল বাম প্রকৃত বাম-বিরোধী শক্তির সঙ্গে হাত মিলিয়েছিল।
  • b | ০৬ ডিসেম্বর ২০১৬ ১৮:০৭724521
  • ভাইমর রিপাব্লিক ছিলো সোশ্যাল ডেমোক্র্যাটদের। লেফ্ট লিবেরল গোছের। এদের বিপক্ষে ছিলো কে পি ডি (জার্মান কমিউনিস্ট পার্টি) আর নাজি-রা। কেপিডি এদের বিপক্ষে ছিলো কারণ এস পি ডি "যথেষ্ট" বামপন্থী নয়। আর নাজিদের (এন এস ডি এ পি) হেতু সহজবোধ্য। কে পি ডি আর এন এস ডি এ পি এক সময়ে হাত মিলিয়ে (১৯২৯-৩২) অনেক জয়েন্ট প্রোগ্রাম করেছিলো, সোশ্যাল ডেমোক্র্যাটদের উৎখাত করার জন্যে। আর নাজি পার্টি ক্ষমতায় এসে কে পি ডি-র কি হাল করেছিলো, সেটা আর বলতে হবে না।

    মিললো, পিটি?
  • ছোটোলোক | ০৬ ডিসেম্বর ২০১৬ ১৮:০৭724520
  • ভুল ইন্টারপ্রিটেশান হচ্ছে।
    "অন্যদিকে ইহুদিরাও ধোয়া তুলসীপাতা ছিল না। মূলত জার্মানির আর্থিক পতনের ফায়দা তোলা শুরু হয়েছিল, ঘরে ও বাইরে। খোলামকুচির পর্যায়ে নেমে আসা ডয়েশমার্ককে এক্সপ্লয়েট করে নিজেদের ধনী করেছিল ব্যবসায়ী কমিউনিটি, যাদের সিংহভাগ ছিল ইহুদি। ফলে হিটলারকে নন্দঘোষ আইডেন্টিফাই করতে এবং তাকে জাতীয় আবেগের সাথে খাপ খাইয়ে নিতে বেশি বেগ পেতে হয় নি।"
    য়িহুদিরা ধোয়া তুলসিপাতা হোক কি আধোয়া সেটা কোনো জেনোসাইডের জাস্টিফিকেশন হতে পারে না, বা তাদের তাড়ানোর জাস্টিফিকেশানও না। এবং য়িহুদিরা বড়লোক ছিলো ধর্মীয় কারনে। এটুকু বুঝতে হলে অল্প ইতিহাস পড়তে হয়। খৃষ্ট্ধর্মে মহাজনি কারবার করা অন্যায় কাজ। যেটার ওপর বেস করে শেক্সপীয়রের কমেডি দ্য মার্চেন্ট অফ ভেনিসে শাইলক নামক য়িহুদি মহাজনকে ভিলেন হিসেবে দেখানো হয়েছে। এগ্জ্যাক্টলি সেই কারনেই য়িহুদিদের ওপরে খৃষ্টধর্মাবলম্বীদের রাগ ঘৃণা ঈর্ষা ছিলো, যেটা এনক্যাশ করতে হিটলারকে বেগ পেতে হয় নি। য়িহুদি ধর্মে মহাজনি কারবার কোনো পাপ নয়, টাকা ধার দিয়ে তার বিনিময়ে সুদ নেয়াও পাপ নয়, তাই তারাই করত এই ব্যবসা। ব্যাঙ্কিং সিস্টেম তখনো সেভাবে বহুল জনপ্রিয়তা পায় নি পৃথিবীতে। ব্যাংকগুলো ফেল পড়ত। লোকে মহাজনের থেকেই টাকা পয়সা ধার করত, আবার শোধ দিতে না পেরে বা সুদ দিতে না পেরে মহাজনের চাপে পড়লে তাদেরই গাল দিত এবং রেগে থাকত। মূল্তঃ প্রায় সমস্ত মহাজনই ছিলো য়িহুদি, তাছাড়া তাদের হাতে নানারকমের ব্যবসাও ছিলো। সেটা অন্য শ্রেণীর ঈর্ষাজনিত রাগ উদ্রেক করবার জন্য যথেষ্ট, যেখানে বাইবেলে বারংবার য়িহুদিদের নীচ অসভ্য ও ভিলেন হিসেবে দেখানো হয়ে এসেছে। য়িহুদিদের তাড়ানো শুধু নয়, তাদের টাকা পয়সা গয়নাগাটি সব কেড়ে নিয়ে তাড়ানোর প্ল্যান। কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্পে পাঠানোর আগে তাদের সর্বস্য যেসব সুটকেসে করে তারা নিয়ে আসত, সেগুলো একজায়গায় জড়ো করে রাখা হতো। লোকদের শুধু ঠেষে তোলা হত রেলের কামরায়। তাদের অস্থাবর ধনসম্পত্তি লুট করত নাৎসি রেজিম। বড়োলোক হওয়া যদি অপরাধ হয়, তাহলে কিছু বলবার নেই। হিটলারকে নন্দ ঘোষ যারা বলে, তাদের ইতিহাস পড়তে অনুরোধ করি।
  • Ekak | ০৬ ডিসেম্বর ২০১৬ ১৮:১২724522
  • বড়োলোক হওয়া তো একশ্রেণীর রাজনীতির চোখে অবস্যই অপরাধ। গোটা সোশালিজম দাঁড়িয়ে আছে বড়লোকদের প্রতি ঈর্ষার আঠা দিয়ে জুড়ে। তারই মধ্যে এক ভাই ন্যাশনালিস্ট। আরেক ভাই কমিউনিস্ট। আসলে ব্লাড ব্রাদার। তাই খুনোখুনিও বেশি। এই গুরুর পাতাতেই তো : ও কেন এতো বড়োলোক হলো ...এমনি করে আইফোন দেখালো, দেখে তো আমি মুচ্ছো গেলুম .......গান শুনতে পাই :)
  • ranjan roy | ০৬ ডিসেম্বর ২০১৬ ২০:১৫724523
  • b,
    নেটের সামনে বল তুলে আশা করছিলাম কেউ না কেউ--!
    ওই কথাগুলো আমি লিখলে অর্ধ/বিকৃত/বালখিল্য ইতিহাসচর্চার দায়ে গাল খেতাম।ঃ)))
    আসলে তখন রোজা ও অন্যদের মতভেদ; কেপিডি/কমিটার্নের দলিল ইত্যাদি বিতর্কগুলো দেখলেই ব্যপারটা বোধগম্য হয়। শাক দিয়ে মাছ ঢাকতে হয় না। ব্রেখ্ট খানিকটা বুঝেছিলেন। প্রাণ নিয়ে পালাতে হল।
    সেই সময়ের সামাজিক/অর্থনৈতিক পরিস্থিতির চমৎকার ছবি ফুটেছে এরিখ মারিয়া রেমার্কের " থ্রি কমরেড্স্‌" উপন্যাসে, ভাল হলিউডি ফিল্মও হয়েছে। আর নাজিরা ক্ষমতায় আসার পরের ছবি"ফায়ার আন্ডারগ্রাউন্ড" ( হাইন্জ্‌ লাইপমান) ও "গণপ্রতিনিধি" নাটক।
    আসলে নিজেদের ভুলগুলো দেখা দরকার। সব বাড়িতেই সুন্দর ড্রয়িংরুম/বেডরুমের সঙ্গে কমোড ও আছে এবং থাকবে।
  • কিক্কড় সিং | ০৬ ডিসেম্বর ২০১৬ ২০:২৪724525
  • Weimer republic এর উচ্চারণ ভাইমর? আমি তো চিরকাল ওয়েইমার বলে এলুমঃ-(
  • ranjan roy | ০৬ ডিসেম্বর ২০১৬ ২০:২৭724526
  • তুমিই ঠিক।
    আমার বাংলা স্কুলের বইয়ে বরাবর ভাইমার লেখা থাকত।
  • PT | ০৬ ডিসেম্বর ২০১৬ ২০:৪১724527
  • b
    এখন জমবে মজাঃ এবার হিসেব কসা যাক!!
    জরুরী অবস্থার সময়ে CPI ইন্দিরাকে সমর্থন করেছিল। আর হালে কিষেনজীর নেতৃত্বে অতিবামেরা তিনোদের হয়ে কসাইখানা চালু করেছিল।
    তাহলে হিসেব নেওয়ার সময় হয়েছে কি, কে কাকে সমর্থন করেছে এই সব ক্রিটিকাল সময়ে?
    (তবে যেভাবে বামেদের ঘাড়ে দোষ চাপানোর পালা শুরু হয়েছে, তত সাদা-কালো ঘটনা ঘটেনি জার্মানিতেঃ Hindenburg was re-elected in a runoff. He was opposed to Hitler and was a major player in the increasing political instability in the Weimar Republic that ended with Hitler's rise to power.)
  • ছোটোলোক | ০৬ ডিসেম্বর ২০১৬ ২০:৪৬724528
  • দুটোই ঠিক। জার্মান ভাষায় উচ্চারণ ভাইমার, ইংরিজিতে ওয়েইমার।
  • cm | ০৬ ডিসেম্বর ২০১৬ ২০:৪৭724529
  • বামপন্থার ফালক্রামে একদিকে অনতিবাম আর একদিকে স্বৈরতন্ত্রী ও অতিবাম। বর্তমান ভারতীয় বা আমাদের সাধের পরিবর্তনের পরিপ্রেক্ষিতে কে কোনটা আর বলার দরকার নেই। সাধে কি আর পিটিদা এদের বালখিল্য বলে চেঁচাচ্ছেন!
  • pj | ০৬ ডিসেম্বর ২০১৬ ২০:৫৯724530
  • ছোটোলোক | ০৬ ডিসেম্বর ২০১৬ ২১:১১724531
  • অতিবাম এবং অতিডানে তফাৎ সেরম থাকে না পিটিদা।
  • PT | ০৬ ডিসেম্বর ২০১৬ ২১:১৫724532
  • তা ঠিক। জঙ্গলমহলের বিপ্লবীরা এখন কোথায় গিয়ে জুটেছে সেটা হিসেব নিলেই বোঝা যায়.......
  • ranjan roy | ০৬ ডিসেম্বর ২০১৬ ২১:১৯724533
  • ঠিক, আমি ছাড়া সবাই বালখিল্য। তিনতুড়িতে উড়িয়ে দিলাম মোগল-পাঠান--ঈশা খাঁ!
    সবাই একে অন্যের হাত ধরেছিল শুধু আমাদের দল বাদে। আমরা কখনও কেরালায় মুসলিম লিগের সঙ্গে হাত মিলিয়ে মিনিস্ট্রি বানাই নি।
    আর জ্যোতিবাবু কখনও বাজপেয়ীজির হাত ধরেন নি।
    আমরা ভাল লক্ষ্মীছেলে তোমরা ভারি বিশ্রী,
    তোমরা খাবে নিমের পাঁচন, আমরা খাবো মিশ্রী।
    অংক কী সোজা রে দাদা!
    একলাইনে হয়ে গেল জার্মান কমিউনিস্টদের ট্র্যাজেডি! তাদের ব্যর্থ অভ্যুত্থানের তেতো অভিজ্ঞতা!
    খালি দোষ চাপানো আর ! অতবড় ট্র্যাজেডিটা আর ভুলগুলো নয়।
    জর্জি ডিমিট্রভের স্ট্র্যাটেজি অনেক দেরিতে গৃহীত হওয়া!!
  • b | ০৬ ডিসেম্বর ২০১৬ ২২:০৫724534
  • এও কি হীরাভ -১০?
  • PT | ০৬ ডিসেম্বর ২০১৬ ২২:৫৬724536
  • যারা RSS-এর বিরুদ্ধে লড়ার জন্য তিনোর পেছনে লাইন দিতে চায় তারা ঝেড়ে কাসুক। তার জন্যে পুনরায় ইতিহাস বিকৃত করার দরকার নেই।
    এই সময়ে বসে জার্মান কমুনিস্টদের নিয়ে আমার বিশেষ উৎসাহ নেই। ও সবের পেছনে বাঙালী বা- ও ধা-বুজীরা সময় দেবে যাতে কোন ঐতিহাসিক তাত্বিক বাহানা বের করে তিনোদের সমর্থন করা যায়!!
  • ছোটোলোক | ০৬ ডিসেম্বর ২০১৬ ২৩:১৭724537
  • খক্ খক্ অ্যাঁহুঃ খক্।
  • ranjan roy | ০৬ ডিসেম্বর ২০১৬ ২৩:৫০724538
  • আমার শুধু হীরাভ নিয়ে উৎসাহ; আপনি যে কোন টই খুলুন আমি ঠিক হীরাভ বানিয়ে ছাড়ব। চুলোয় যাক হিটলার আর মোদি!

    বালখিল্য বয়সের বালখিল্য চুটকি মনে পড়ে গেল।
    এক পাগলের পাগলামি ছিল --গুলতি বানানো। সে যেখানেই এক টুকরো রবার বা ইলাস্টিক দেখে তা নিয়ে আপন মনে গুলতি বানায় আর তাগ্‌ করে। পাগলের হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাবার দিনে ডাক্তারবাবু বললেন--শোন, তোমার বউ তোমায় নিতে এসেছে। সোজা বাড়ি যাবে তো?
    পাগলের চোখ দুটো জ্বলজ্বলে হয়ে উঠল।
    -- বৌ এসেছে? তো বাড়ি যাব না, ওকে নিয়ে ইডেন গার্ডেন যাব।
    --বাঃ, তারপর?
    -- ওকে নিয়ে গাছতলায় বসব।
    -- দারুণ! তুমি তো একদম সেরে গেছ। তারপর?
    -- ওর কাঁধে হাত রাখব।
    ডাক্তারের চোখ বড় বড়।
    --আচ্ছা! তারপর কী করবে?
    -- --দিয়ে গুলতি বানাব।
  • Arpan | ০৬ ডিসেম্বর ২০১৬ ২৩:৫৫724539
  • অনেকগুলো স্টেপ জাম্প হল! ঃ))))
  • দ্রি | ০৬ ডিসেম্বর ২০১৬ ২৩:৫৮724540
  • ঋণদাতাদের সাথে গ্রহীতাদের রিলেশান বোধহয় কোন দেশে, কোনকালেই তেমন ভালো ছিল না। ঋণদাতারা গ্রহীতার ওপর যে পাওয়ার এক্সারসাইজ করে, সেটাও ইউজুয়ালি মানুষের পছন্দ হয় না। ব্রুটাল, রুথলেস কালেকশান অফ ডেট বিভিন্ন গল্পের থীমও বটে। তাছাড়া মানিলেন্ডারদের সাথে ডীলিংএ ব্যাঙ্ক্রাপ্সি লয়ের বালাই ছিল না। ওয়ান্স ইন ডেট, অলয়েজ ইন ডেট। তুমি শোধ করতে না পারলে তোমার ছেলে শোধ করবে, এইরকম ব্যাপার ছিল। মানিলেন্ডারদের সাথে সাধারণ মানুষের সম্পর্ক ভালো ছিল না। ইহুদীরা অ্যাসোসিয়েটেড হত মানিলেন্ডারের সাথে।

    এছাড়াও মানুষের পেট পীভ ছিল ইহুদীরা সব বিজনেস কন্ট্রোল করে, মিডিয়া কন্ট্রোল করে। ইহুদীরা যে মিডিয়া কন্ট্রোল করে (যেটা বায় দা ওয়ে, এখনও করে) এটা মাইন কাম্ফে বেশ কয়েকবার উল্লিখিত হয়েছে। পপুলেশানের পার্সেন্টেজ হিসেবে ইহুদীরা ছিল নগণ্য। কিন্তু ইনফ্লুয়েন্শিয়াল সার্কলে ইহুদীদের পার্সেন্টেজ ছিল ভেরি হাই। হিটলার এটাও মনে করতেন জার্মান পলিটিক্সে ইহুদী ইনফ্লুয়েন্স খুব বেশী। তিনি এও বিশ্বাস করতেন, জার্মানীর প্রথম বিশ্বযুদ্ধে হারার পেছনে ইহুদীদের হাত আছে (বালফুর ডেক্লারেশান, ৎসিমারম্যান টেলিগ্রাম)।

    এই ছিল তৎকালীন অ্যান্টিসেমিটিক সেন্টিমেন্টের কিছু কারন।
  • দ্রি | ০৭ ডিসেম্বর ২০১৬ ০০:১৫724541
  • হিটলার পাওয়ারে আসার পর একটা বোল্ড কান্ড করে বসেছিল। ফার্স্ট ওয়ার্ল্ড ওয়ারের রিপ্যারেশান দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছিল। এই কান্ডের পর যুদ্ধ অবশ্যম্ভাবী ছিল। শুধু সময়ের অপেক্ষা।

    তবে হিটলারের এই পলিসি শর্ট টার্মে কাজ করেছিল। হাইপারইন্ফ্লেশানে বিদ্ধস্ত জার্মানী ইন্ডাস্ট্রিয়াল পাওয়ার হিসেবে ঘুরে দাঁড়িয়েছিল ঐ সময়, যখন আমেরিকায় গ্রেট ডিপ্রেশান চলছে।
  • PT | ০৭ ডিসেম্বর ২০১৬ ০০:১৭724542
  • "the KPD wrongly identified its enemy. Its members were told to focus their efforts on "untiring daily exposure of the shameless, treacherous role of the SPD..."
    .....There has been some debate about why Germany's Communists became so obsessed with castigating other parts of the left. "
    চেনা চেনা লাগছে না? সংশোধনবাদীদের বিরুদ্ধে লড়তে গিয়ে সিদ্ধার্থের কোলে চড়ে বসা? কিংবা গামছায় মুখ ঢেকে জঙ্গলের মধ্যে লুকিয়ে প্রিয় মুখ্যমন্ত্রীর নাম ঘোষ করা?
  • Atoz | ০৭ ডিসেম্বর ২০১৬ ০০:৩২724543
  • ব্যক্তিগত সম্পদের একটা নির্দিষ্ট উর্ধ্বসীমা করে দিয়ে বাকী সম্পদ রাষ্ট্রায়ত্ত করে নিলে তো মানিলেন্ডারদের ওইরকম অবৈধ রমরমা বন্ধ হত, একটা নিয়মের মধ্যে পড়তে হত। ন্যাশনালাইজড ব্যাংক গুলো ছাড়া অন্যদের থেকে ঋণ নিলে রিস্ক বেশি, এইরকম পরিস্থিতি হত, লোকেও মানিলেন্ডারদের থেকে নিত না।
    এতে আখেরে হিটলারের দলেরও লাভ হত তো! এত লোককে মারা তাড়ানো এসব কাজ তো এমনিতেও মন্দ অমনিতেও মন্দ, বরং ওদের থেকে রিক্রুট করে করে নানা কাজে ঢুকিয়ে দিলে বা দরকারে যুদ্ধে পাঠালে সাপ গেল লাঠিও ঠিক থাকল, এরকম একটা সম্ভাবনা হত না কি?
  • Rit | ০৭ ডিসেম্বর ২০১৬ ০০:৩৬724544
  • W তো ভ হয়। ফোক্সভাগেন, ভান দের লুস্ট ইত্যাদি।
  • ranjan roy | ০৭ ডিসেম্বর ২০১৬ ০০:৪৩724545
  • এতোজ,
    আসলে অনেকগুলো ফ্যাক্টর। সিপাহী বিদ্রোহের সময় যেমন এনফিল্ড রাইফেলের দাঁত দিয়ে টোটা ছেঁড়া ( কিসের কিসের চর্বি যেন), তেমনি হিটলারের ইহুদি সাফাই অভিযান। অল্পসময়ে মেজরিটিকে মবিলাইজ করার সহজ মন্ত্র। দেশপ্রেম আর কমিউনিটি বিদ্বেষের ধুয়ো সহজ মাদক।
    দ্রি,
    ঠিক বলেছেন। তাই জোয়ান রবিনসন বলেছিলেন --কিভাবে কেইনসের সরকারী ব্যয়ের ফলে induced demand থেকে ইনকাম ও এফেক্টিভ মার্কেট ডিমান্ড হয়ে ইকনমির চাকা ঘুরে চাঙ্গা হওয়ার থিওরি হিটলার হাতে কলমে ওয়ার ইকনমির মাধ্যমে করে দেখিয়েছিলেন। আর কেইন্সের থিওরি তো অল্পকালীন চাঙ্গা হওয়ার দাওয়াই বটেক।

    পিটি,
    গামছায় মুখ ঢেকে ToIকে দেওয়া ইন্টারভিউয়ের পুরোটা বলুন।
    --আগে সিপিএম এর লক্ষণ শেঠের থেকে আর্মস নিয়ে তিনো ঠেঙিয়েছি, পরে তিনোদের সাথে মিলে সিপিএম।
    আর এমার্জেন্সির আলোচনায় আপনারই দেওয়া সিধুর লিং দেখুন।
    যেখানে উনি বলছেন যে সিপিএম নেতাদের কথা দিয়েছিলেন কোলকাতায় থাকলে অ্যারেস্ট করবেন না; করেনও নি। কিন্তু জ্যোতির্ময় বসু ইন্দিরার উপর বেশি ভরসা করে দিল্লি গিয়ে জেলে গেলেন। আর সেই সময় সমস্ত নকশালদলগুলো ব্যান ছিল।
    কাজেই কে যে কার কোলে চড়ে বসেছিল?
  • ranjan roy | ০৭ ডিসেম্বর ২০১৬ ০১:০১724547
  • অর্পণ,
    মাঝের স্টেপগুলো এখানে সবাই জানে মনে হয়।
    আর না জানলেও বলে দিয়ে এইবয়সে ক্যাল খেতে চাই নে!ঃ))
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা খুশি প্রতিক্রিয়া দিন