এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • ধর্ষণের শাস্তি কি মৃত্যুদন্ড?

    s
    অন্যান্য | ১৮ ডিসেম্বর ২০১২ | ৬৯৫৮২ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Ekak | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৩:৪২580159
  • যে কোনো জিনিস বেচতে গেলে প্রথমেই সেলার'স ইন্টারেস্ট, বায়ার্স ইন্টারেস্ট, প্রাইস ফিক্সিং এগুলো করতে হয়। সেটা কখনো রাষ্ট্র করে। কখনো ব্যক্তি। কখনো শুধুই বাজার।
    শরীর বিক্কিরি (যা বুঝলুম এখানে শরীর বিক্কিরি বলতে এক্সপ্লিসিট অর ইম্প্লিসিত্লি সেক্সুয়াল একটিভিটি কেই শুধু ধরা হচ্ছে, কাইন্দ অফ সার্ভিস ) এমন একটা গোলানো ব্যাপার (র্যাদার গুলিয়ে রেখে দেওয়া হয়েছে ) যে সেখানে এই একটা প্যারামিটার নিয়েও কোনো নিয়ম-নীতি নেই। ইউস কোনটা তাই নির্দিষ্ট নয় তাই এবিউস এর ও সংজ্ঞা নাই। অস্ট্রেলিয়া এবং বেশ কিছু দেশের কথা পড়েছি যে সেক্সুয়াল সার্ভিস কে কিছু গৈদ্লাইন এ বাঁধার চেষ্টা হয়েছে। কিন্তু সেটাও যেটুকু ডকুমেন্টেশন হাতে এসছে তা বড়ই গোলা গোলা। ইন্ডিয়ান সাবকন্টিনেন্ট এ সেটা কীভাবে করা সম্ভব তাই নিয়ে বেজায় সন্দেহ আছে। হুট করে আইনি বা বেআইনি ঘোষণা দুটোকেই স্টেট এর হাত ধুয়ে ফেলা মনোবৃত্তি বলে মনে হয়। আর সেক্সুয়াল সার্ভিস স্টেট এর কাছে নতুন কিছু নয় যে "আগে ইন্টারনেট ছিলনা, তাই সাইবার সিকীয়ৃতি রুল ছিলনা " এরকম আবোদা যুক্তি দিলে মেনে নোব। যথেষ্ট আঁত ঘাঁট বেঁধেই লীগালায়স কত্তে হবে। মুশকিল এই যে যাঁরা স্বপক্ষে গোলা ফাটান তাঁরা ওই প্যারামিটার গুলো নিয়ে এক্কেরে কথা কন না। অধিকাংশের কাছেই অর্থকরী বা ক্রীত যৌনক্রিয়া ব্যাপার টি খিল তোলো খাটে ফ্যালো গোত্রের অতিসরলীকৃত। সেইখানেই গোলমাল।
  • সে | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৩:৪৭580160
  • শরীর বেচা তো বেআইনী নয়। কেনা বেআইনী বলে জানতাম।
  • :-) | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৩:৫৭580161
  • আইন আর সচেতনতাকে হাতে হাত ধরে চালাবার একটা দাবি আছে। থিওরি ইমপ্লিমেন্টেশনের ক্ষেত্রে। সেটা একেবারে অসম্ভব নয়। হয়েওছে। ধরুন পোলিওর ওষুধ খাওয়ানো, গর্ভনিরোধক পিল, কন্ডোম ও দুয়ের বেশি সন্তান নয় ইত্যাদি। পোষাকের ক্ষেত্রে সচেতনতা বৃদ্ধি কর্মসূচীর অঙ্গ হিসেবে নেওয়ার দাবি আছে, থিয়োরিতে। ধরুন পাই যখন যৌনকর্মীদের মধ্যে সমাজসেবামূলক কাজে গেছেন, তখন কি তিনি টু-পীস পরে গেছেন না নাইটি পরে গেছেন? অর্থাৎ ড্রেস সেন্সের শ্লীলতা সম্পর্কে ধারণা সকলের মধ্যেই আছে। আইন করে কভার্ড এরিয়ার মাপ কষে দেওয়া বা কন্টুর দেখানোর সাজেস্টিভ হওয়ার অসম্ভবতা নিয়ে কথা বলার সময় আমরা ভুলে যাই এই ড্রেস সেন্স সচেতনতা বৃদ্ধির মধ্যে দিয়েও প্রোমোট করা যায়। শরীরের স্বাধীনতা মানে যদি খালি গায়ে থাকা থেকে সিন্দুক অবধি দেখি, তাহলে আপনি যখন সিন্দুকে পুরে রাখার বিরোধ করছেন তার মানেই আপনি ন্যাংটো হয়ে পথ চলার কথা বলছেন না, এটা বোঝা দরকার। তদুপরি অবসিনিটির জন্যে দেশে আইন রয়েছে, অর্থাৎ একটা কালেক্টিভ কনসেন্সাস রয়েছে। তো, রাশটানা এই ব্যক্তিগত সচেতনতা বৃদ্ধির মধ্যে দিয়েও আনা যায়। কোনো রুরাল ভিলেজে সেখানের বাসিন্দাদের সাথে ইন্টার‌্যাকশনের কাজ করতে গেলে সেখানের কালচার ও ভ্যালুসিস্টেম জেনে যেতে হয়, মেনে যেতে হয়। অন্য দেশে যেতে হলেও তাই। মিডল ইস্টে গেলে সেখানে কি কি পোশাক পরা উচিত আর কি কি উচিত নয়, ছেলে আর মেয়েদের - সমস্ত আলাদা আলাদা করে বলা/লেখা থাকে। দেশের আইনবিরোধী কিছু করছিনা মানেই আমি একটা ভ্যালুসিস্টেমের জন্য শক থেরাপি চালানোর দায়িত্ব নিতে পারিনা।

    যৌনশ্রম ও যৌনতা (সাজেস্টিভ ইনক্লুডেড) বেচা বন্ধ করার ক্ষেত্রে পণ্যের ভ্যালু সম্পর্কে সচেতনতার কথা বললে আপনাকে ঘুষ নেওয়া ও সব রকম কোরাপশনের বিরুদ্ধে স্বর তোলা বন্ধ করে দিতে হবে। মরালিটি জিনিসটাকে একেবারে বাদ দিয়ে অ্যাবসলিউট বাজারতত্ত্ব ঠিক দাঁড়াবে না। ভেবে দেখুন।
  • sosen | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৩:৫৯580162
  • বেআইনি কে বলল? আইনটা এই রকম।
    উইকি দেওয়ার জন্য দু:খিত, কিন্তু এখানে একদম ঠিকমতই আছে।

    The Immoral Traffic (Prevention) Act or PITA is a 1986 amendment of legislation passed in 1956 as a result of the signing by India of the United Nations' declaration in 1950 in New York on the suppression of trafficking.[27] The act, then called the All India Suppression of Immoral Traffic Act (SITA), was amended to the current law. The laws were intended as a means of limiting and eventually abolishing prostitution in India by gradually criminalising various aspects of sex work. The main points of the PITA are as follows:

    Sex Workers: A prostitute who seduces or solicits shall be prosecuted. Similarly, call girls can not publish phone numbers to the public. (imprisonment up to 6 months with fine, point 8)

    Sex worker also punished for prostitution near any public place or notified area. (Imprisonment of up to 3 months with fine, point 7)

    Clients: A client is guilty of consorting with prostitutes and can be charged if he engages in sex acts with a sex worker within 200 yards of a public place or "notified area". (Imprisonment of up to 3 months, point 7) The client may also be punished if the sex worker is below 18 years of age. (From 7 to 10 years of imprisonment, whether with a child or a minor, point 7)

    Pimps and Babus: Babus or pimps or live-in lovers who live off a prostitute's earnings are guilty of a crime. Any adult male living with a prostitute is assumed to be guilty unless he can prove otherwise. (Imprisonment of up to 2 years with fine, point 4)

    Brothel: Landlords and brothel-keepers can be prosecuted, maintaining a brothel is illegal. (From 1 to 3 years imprisonment with fine for first offence, point 3) Detaining someone at a brothel for the purpose of sexual exploitation can lead to prosecution. (Imprisonment of more than 7 years, point 6)

    Procuring and trafficking: A person procures or attempts to procure anybody is liable to be punished. Also a person who moves a person from one place to another, (human trafficking), can be prosecuted similarly. (From 3 to 7 years imprisonment with fine, point 5)

    Rescued Women: The government is legally obligated to provide rescue and rehabilitation in a "protective home" for any sex worker requesting assistance. (Point 21)

    Public place in context of this law includes places of public religious worship, educational institutions, hostels, hospitals etc. A "notified area" is a place which is declared to be "prostitution-free" by the state government under the PITA. Brothel in context of this law, is a place which has two or more sex workers (2a). Prostitution itself is not an offence under this law, but soliciting, brothels, madams and pimps are illegal.

    ২০০ ইয়ার্ড ঠিক কতটা?
    ব্রথেল না চললে কি ভাবে পেশা টা চলছে?
    এই পয়েন্ট গুলো সব ঠিকঠাক মানা হলে কি আদৌ যৌন পেশা থাকা সম্ভব?

    সেই কেস টার কথা কেউ বলুক, যেখানে বলা হয়েছিল গণিকাদের "ডিসেন্সি"র কভারের নিচে কাজ করতে দেওয়ার দায় রাষ্ট্রের হতে পারে না?
  • :-) | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৪:০৭580163
  • The laws were intended as a means of limiting and eventually abolishing prostitution in India এইটে আইনপ্রণেতাদের দৃষ্টিভঙ্গি তথা কালেকটিভ কনসায়েন্স বলে চালালে থিয়োরিতে জোর আসে। জ্জিও সোসেন।
  • sosen | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৪:৩৭580164
  • দাঁড়াও দাঁড়াও। ট্রাফিকিং বন্ধ করার ডি: তে ভারত ছাড়া-ও আরো অনেক দেশ সই করে। তাতে যৌনপেশা সম্পর্কে মোটামুটি তিনটে স্ট্যান্ড ছিল-১। বেআইনি। ২। আইনি, কিন্তু যে কোনো সাহায্যকারী (মানুষ, স্থান, ব্যবসা ) বেআইনি ৩। আইনি, নিয়ন্ত্রিত, সুরক্ষিত। ভারত যথারীতি মাঝের স্ট্যান্ড নেয়। প্রথম ক্যাটেগরিতে সবচেয়ে বেশি দেশ। শেষ ক্যাটেগরিতে সবচেয়ে কম। এশিয়ার কোনো দেশে লিগ্যাল নয়।

    এ দিয়ে কালেকটিভ কন্সেন্সের প্যাটার্ন কি করে বুঝবে? জাপান-এ যৌনপেশা ইল্লিগ্যাল, কিন্তু শাস্তি নেই। আফগানিস্তান ইত্যাদি দেশে ইল্লিগ্যাল। ইউ এস-এও লিগ্যাল, সেনেগাল -এও লিগ্যাল। কালেকটিভ কন্সেনস এখানে কি করে বোঝা সম্ভব, এতগুলো তোমা-কথিত ভ্যালু সিস্টেমের মধ্যে? আদৌ কোনো সেরকম বস্তু আছে কি?

    এককের লেখা একটা কথা খেয়াল কর, কতটা ইউজ এবিউজ। এটা খুব জরুরি কথা। এটা পরিষ্কার হওয়া দরকার। যৌনক্রিয়া একটা পণ্য যার চাহিদা বাজারে অস্বীকার করা কঠিন, যাকে এবলিশ করা বিতর্কযোগ্য; অন্য ফর্মে ইন্ট্রোডিউসড হয়েই চলেছে। এবার মরালিটি র কথা যদি বল, কোন ভ্যালু সিস্টেমের মরালিটিকে মানব? যেখানে স্তরে স্তরে এই সংঘাত, বেজায় গায়ে গায়ে। আমি একটা বস্তির ভিতর দিয়ে ড্রাইভ করে ছোট স্কার্ট পরে একটা আপিসে যাই। আপিসে কেউ তাকায়-ও না, বস্তিতে গাড়ি খারাপ হলে নামলাম, লোকে চোখ দিয়ে চাটতে লাগলো। এদিকে হাত পা ঢেকে আপিসে গেলে তোমারি কথা মত লোকে আমায় ব্যাহেনজি বলবে। তো, কোন মরালিটিকে বাজার মানে? কার মরালিটি দিয়ে পণ্যসম্ভোগ নিয়ন্ত্রিত হয়?
  • sosen | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৪:৪১580165
  • শরীরের স্বাধীনতা মানে শুধুমাত্র পোশাকের স্বাধীনতা অবশ্যই নয়। বলা বাহুল্য। কিন্তু স্বাধীনতার মানে -ও তোমার ওই ভ্যালুসিস্তেম ওয়াইজ বদলাবে।
  • সে | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৪:৪৫580166
  • এগুলো স্বেচ্ছাগণিকাবৃত্তি। কিন্তু জবরদস্তি করে করালে (বা শিশু যৌনশ্রমিক) সেসব ক্ষেত্রে তো জঘন্য অপরাধ।
    ভারতীয় আইন গোড়াতেই ধরে নিচ্ছে স্বেচ্ছাগণিকাবৃত্তি ইম্মরাল। তাই স্বেচ্ছায় বা জবরদস্তিতে সাজার পরিমানও অদ্ভুত। আবার উদ্ধার করবার পরে তাদের পাঠাচ্ছে হোমে (জেলখানা)। এই আইন অবিলম্বে পরিবর্তন করা দরকার।
  • sosen | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৫:৫৭580167
  • আমি conscience পড়েছিলুম-কনসেনসাস এর বদলে, সরি।
  • sm | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৬:২২580169
  • @ সে, আপনার পোস্ট টা পরে কিছু তা ক্লিয়ার হলো। এখানে আলোচনার সুবিধের জন্য মুসলিম দের না ধরে বলেছি।
    আমার প্রশ্ন হলো, যেখানে বহু বিবাহ আইনত স্বীকৃত নয় , সেখানে একজন কিভাবে উইল করে সম্পত্তি, ৫ জন উপপত্নী ও তার সন্তান দের মধ্যে ভাগ করে দেবেন। আবার উইল করে, কোনো একজন কে কিভাবে পুরোপুরি বঞ্চিত করবেন, অথবা কম দেবেন ? কারণ আইনত সবার সমান অংশ প্রাপ্য।
  • :-) | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৭:০১580170
  • হায় হায়, এই নিয়েই এত ভাটালুম। কষ্ট করে দুটো বেজায় দূরত্বের মরালিটি বা ভ্যালুসিস্টেম দাঁড় করালাম। তারপরে বললাম দেশে যদি সবার জন্য একই আইন বলবৎ থাকে, তবে এই ভ্যালুসিস্টেমের ভ্যারিয়েশনের দোহাই দিয়ে মরালিটির প্রোটোটাইপের দোহাই দিয়ে ভ্যারিড কাজকম্মো করা চলে না। মানে সম্ভাবনা থাকে স্বাধীনতা থাকে ভ্যারিড কাজকম্মের, কিন্তু সেটা একটা কালেক্টিভ কনসেন্সাসের মাধ্যমে নেগোশিয়েট ও করতে পারে, র‌্যাদার করা উচিত। এবার কনসেন্সাস আর কনসায়েন্স আর বিশেষ আলাদা কি? একটা কারণ, অন্যটা ফল।
  • সে | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৭:০৪580171
  • @sm
    মুসলিমদের না ধরলে কেমন করে চলবে? ভারত পৃথিবীতে দ্বিতীয় মুসলিম জনসংখ্যার ঘনত্বে। ভারতে জনসংখ্যার ক্ষেত্রেও সবচেয়ে বেশি হিন্দু হলেও দ্বিতীয় স্থানেই মুসলমান।
    উইলে যাকে যাখুশি দেওয়া যায়। উইল মানে ইচ্ছে।
    আমি উইল করে আমার যাবতীয় সম্পত্তি থেকে আমার পরিবারকে বঞ্চিত করতে পারি বা প্রিয় বান্ধবীকে সঅঅব দিয়ে যেতে পারি। বারবার উইল করতে পারি। কিন্তু সবচেয়ে নতুন তারিখের উইলই ভ্যালিড। বাকিগুলো ইনভ্যালিড। উইল রেজিস্টার্ড না হেলেও ভ্যালিড। স্বহস্তে লেখা উইলও ভ্যালিড। নীচে সই থাকতে হবে ও দুজন স্বাক্ষীর সই। স্বহস্তে লেখা উইলএ সাক্ষীর সই না থাকলেও চলে। শুধু সজ্ঞানে, সুস্থশরীরে, কারোর দ্বারা প্রভাবিত না হয়ে উইল লিখতে হয় (একথা লিখিতভাবে উইলে লেখা থাকলে ভালো)। কোনো মাদক বা ওষুধের প্রভাব, ভয়, এসবের প্রভাবও নেই সেকথা জানিয়ে দিতে হয়(দিলে ভালো)। উইলের প্রোবেট নিতে হয়। উইল যে করেছে তার মৃত্যুর আগে প্রোবেট নেওয়া যায় না। আগে মরতে হবে, তার পরে তার উইলের প্রোবেট নিতে হয়। মৃত্যু স্বাভাবিক হতে হয় (খুন, অ্যাক্সিডেন্ট হলে সমস্যা আছে)। প্রোবেট নিতে হয় হাইকোর্ট থেকে। তার আগে সংবাদপত্রে নোটিশ দিতে হয়। কেউ কন্‌টেস্ট্‌ করতে চাইলে সে খবর পেয়ে কন্‌টেস্ট্‌ করতে পারে। তখন মামলা হবে। বা আরো নতুনতম তারিখের উইল আবিষ্কৃত হলেও নতুন করে মামলা রুজু হয়। আনকন্‌টেস্টেড উইলের প্রোবেট তাড়াতাড়ি পাওয়া যায়। এরপরে হচ্ছে সম্পত্তির মালিকানা। স্থাবর সম্পত্তির মিউটেশন করতে হয় (মালিকানা হস্তান্তর)। অস্থাবর সম্পত্তিতে (ব্যাংকের টাকা, কোম্পানীর শেয়ার, গয়না, মূল্যবান দুষ্প্রাপ্য শিল্প সামগ্রী, যেমন ধরুন যামিনী রায়ের হাতে আঁকা ছবি, ইঃ) তাড়াতাড়ি এটা হয়। সর্বত্রই মৃত্যুর পরবর্তী ডিউটি (ডেথ ডিউটি, যেক্ষেত্রে যতটা প্রযোজ্য) দেওয়া নিয়ম। এর জন্যে ভ্যালুয়েশন এক্স্‌পার্ট্‌ ও ভারতীয় আয়কর দফতরের লোক লাগে। সঙ্গে প্রচুর ধৈর্য ও সময়।
    আরেকটা জিনিস খুব জরুরী। যিনি উইল করলেন, জিনিসগুলো তাঁরই কিনা সেটা ভ্যালিডেট করা। ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট বা কোম্পানীর কাগজের ক্ষেত্রে সেটার দরকার হচ্ছে না। বা ধরুণ জমি বা বাড়ির দলিলের ক্ষ্ত্রেও ঝামেলা নেই। কিন্তু গয়না, মূল্যবান শিল্পসামগ্রী, এইসবের ক্ষেত্রে ঝামেলা হতে পারে।
    বা যিনি উইল করেছেন তিনি যদি ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালটা কারোকে উইল করে দিতে চান, সেই উইল ভ্যালিড। তার প্রোবেট ও পেয়ে যাবেন। কিন্তু সম্পত্তি হস্তান্তর হবে না।
    ভারতীয় সম্পত্তি আইনে (বিভিন্ন ধর্মে বিভিন্ন নিয়ম, সাকসেশন ল'ও বিভিন্ন) এরকম কোনো বাধ্যবাধকতা নেই যে উইল করলে ধর্মপত্নীকেই (ধর্মপতিকে) দিতে হবে। উইল না করলে অবশ্য লিগ্যাল সাকসেসারদের মধ্যে সম্পত্তি বাঁটোয়ারা হবে। নাবালকরা প্রাপ্তবয়স্ক হবার আগে সম্পত্তির অংশে হাত দিতে পারবে না।
    এখন কে ধর্মপত্নী (ধর্মপতি) সেইটা প্রমাণ করতে লাগে ম্যারেজ সার্টিফিকেট।
    আইনতঃ তখনই সকলের সমান অংশ প্রাপ্য যখন উইল নেই।
    আবার পশ্চিমের দেশে নিয়ম অন্য। স্ত্রী (স্বামী) জীবিত থাকলে শতকরা ৫০% (বা বেশি, ঠিক কনফার্ম করতে পারছি না) স্ত্রী (স্বামী) কে দিতেই হবে, যতই উইল করুন না কেন। বাকি সম্পত্তি উইল করে অন্য কাওকে দেওয়া যেতে পারে।
    ভারতীয় সাকসেশন ল, সব ধর্মের জন্যে সমান নয়। এমনকি হিন্দুদের মধ্যেও প্রদেশভিত্তিক সাকসেশন ল। দক্ষিন ভারতে, মেয়েরা বিয়ের সময়েই পিতার সম্পত্তির ভাগ পেয়ে যায়। পরে দাবি করতে পারে না। কিন্তু মায়ের সম্পত্তির অ`।শ মা পরে মেয়েকে দিতে পারে।
    মেয়ের বিয়ের পরে বাবার সম্পত্তি যদি বেড়ে যায় (বা কমে যায়), তার কোনো প্রোরেটা মেয়ে দাবী করে না। মুসলমানদের মধ্যে, স্বামীর মৃত্যুর পরে স্বামীর ব্যাঙ্কের টাকায় স্ত্রীর (নিঃসন্তান ধরে নিচ্ছি) একার অধিকার নেই। স্বামীর ভাই, বাবা, এরা সবাই অংশ পায়। স্ত্রী সবার শেষে।
    আইনত সবার সমান অংশ প্রাপ্য বলে কিছু হয় না। সেটা পেনশন, ইঃ হতে পারে। বাকিগুলো অনেক জটিল। সবার ওপরে বিবেচিত হয় মৃতের ইচ্ছা (উইল)।
    সবচেয়ে ভালো উপায় মৃত্যুর আগেই সম্পত্তি বন্টন, যদিও তাতে অনেক বিপদের সম্ভাবনা আছে।
  • সে | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৭:২৮580172
  • পশ্চিমের দেশে উইল না থাকলে (থাকলেও) বিবাহ/বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কজাত সবকটি সন্তান এবং দত্তক নেওয়া সব সন্তানের সম্পত্তির একটা অংশে অধিকার থাকে। বাকিটুকু উইল করে দেওয়া যায়। অর্থাৎ বৈধ/অবৈধ/দত্তক সন্তানের সমান অধিকার। জীবদ্দশায় সম্পত্তি হস্তান্তর করে ফেললে সেটা অন্য কথা।
  • sosen | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৭:৩৪580173
  • পরে কই।
  • সে | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৭:৩৭580174
  • যেটা ভুলে গেছি.. উইলের একজন এক্‌জিকিউটার লাগে। উইলের মধ্যে এক্‌জিকিউটারের নাম উল্লেখ করা না থাকলে প্রোবেট নেবার সময় আদালত এক্‌জিকিউটার নিয়োগ করতে পারে। এক্‌জিকিউটার এর বাংলা "অছি"। উইল যেকোনো ভাষায় লেখা যায়।
  • সে | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৭:৪৫580175
  • একটা জিনিস আমরা ভুলে যাই। মৃত্যুপরবর্তী সম্পত্তিতে যেমন অধিকার, তেমনি সমস্ত ধার দেনার দায় ও বর্তায় উত্তরাধিকারদের ওপর। সেটা উইলের বাইরে।
  • :-) | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৮:১৯580176
  • অফ টপিক,
    উইলে কপিরাইটের কথা লেখা থাকলে আর সে উইল প্রোবেট না নেওয়া হয়ে থাকলে, লেখকের দুই মেয়ে ও তজ্জনিত কিছু নাতি নাতনি থাকলে, মেয়েদের কারো একাধিক বিয়ে ও কারো ডিভোর্স হয়ে থাকলে কপিরাইটের টাকা টা কিভাবে ডিস্ট্রিবিউট হবে জানা আছে? মূলত লিটিল ম্যাগে প্রকাশিত লেখা অন্য লিটিল ম্যাগে প্রকাশনার জন্যে বা বই করার জন্যে কপিরাইট বাবদ মৃত লেখকের উত্তরসূরীদের টাকা দিতে হয় কিনা, দিলে কত টাকা- এসব জানা আছে?
    - সর্বোপরি, প্রকাশিত বইয়ের কপিরাইট হোল্ডার লেখকের বৌ, লেখকের আগে মারা গিয়ে থাকলে লেখক সেই সব বইয়ের কপিরাইট উইল করে আদৌ মেয়েদের কাউকে দিয়ে যেতে পারেন কিনা এটাও জানা দরকার। সে'র চেনা ভালো উকিল আছে, যার থেকে এসব জেনে নেওয়া যায়, বা সে কি নিজেই উকিল?
  • সে | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৮:৪৬580177
  • আমার চেনা কোনো উকিল নয়, নিজের আইনের জ্ঞান থেকেই লিখছি।
    এটা খুব সহজ কেস নয়, কিন্তু লিখছি।
    লেখকের বউকে লেখক কপিরাইট দিলেন জীবদ্দশায়। তাহলে কপিরাইট স্ত্রীর। স্ত্রী লেখকের আগেই মারা গেছেন। স্ত্রীর মৃতুর পরে, স্ত্রীর কোনো উইল না থাকলে, অ্যাজ পার সাকসেশন ল, স্ত্রীর সম্পত্তি তিন সমান ভাগে ভাগ হওয়া উচিৎ। ১ ভাগ লেখক, ১ ভাগ বড়োমেয়ে, ১ ভাগ ছোটোমেয়ে। মেয়েরা বিবাহিত কি অবিবাহিত, কতবার ডিভোর্স করেছে কি বিধবা, কি এক এক জনের কতগুলো করে সন্তান ইম্মেটিরিয়াল। (ধরে নিচ্ছি লেখক ও স্ত্রী হিন্দু)।
    লেখক ও মেয়েরা কেন স্ত্রীর (মায়ের) মৃত্যুর পরে সাকসেশান সার্টিফিকেট নেন নি সেটা বোঝা যাচ্ছে না। আন্দাজ করে নিচ্ছি যে কপিরাইট থেকে যে টাকাটা আসত সেটা স্ত্রীর সঙ্গে স্বামীর জয়েন্ট অ্যাকাউন্টে জমা হতো তাই লেখক কোনো কম্প্লিকেশনে যান নি। বা স্ত্রীর মৃতুর অব্যবধিকাল পরেই লেখক ও মৃত্যুবরণ করেন। সময় পান নি।
    এবার স্ত্রীর সম্পত্তি যেহেতু তখন হস্তান্তর হয় নি, এখন হবে জীবিত সন্তানদের মধ্যে। দুই মেয়ে অর্ধেক অর্ধেক পাবে মায়ের সম্পত্তি। লেখকের সম্পত্তিও মেয়েরা অর্ধেক অর্ধেক পাবে লেখক মৃত্যুর সময়ে যা যা রেখে গেছেন (প্রোভাইডেড কোনো উইল নেই)।
    উইল থাকলে উইল অনুসারে বাঁটোয়ারা হবে। কিন্তু, কিন্তু, কিন্তু, উইলে যদি লেখক ঐ "কপিরাইট"এর অংশ কাউকে দিয়ে গিয়ে থাকেন তবে তা ক্যানসেল্‌ড্‌ হবে। উইল বানানোর আগে বা পরে, সেই সম্পত্তি আদপে হস্তান্তর হয়ে গেছল। যে সম্পত্তি লেখকের নয় (যেমন তাজমহল) সেই সম্পত্তি তিনি উইল করে কাউকে দিতে পারেন, উইলের প্রোবেট ও নেওয়া যাবে কিন্তু মালিকানা পাওয়া যাবে না।
  • :-) | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৮:৫৯580178
  • উইলের প্রোবেট নেওয়া হয় নি। হবেও না সম্ভবত, কারণ উইল অনুযায়ী লেখকের মৃতদেহ চিকিৎসার্থে দান না করে, কোনো কারণে উইল না মেনে পুড়িয়ে ফেলা হয়। উইল প্রোবেট নেওয়া না হয়ে থাকলেও যে মেয়ের কাছে তিনি মৃত্যুকালে ছিলেন, তিনি যতটা সম্ভব টাকাপয়সা ব্যাঙ্ক থেকে তুলে নেন। অপর মেয়ে জানতে পেরে কেস করেন ও কোর্ট উইলের প্রোবেট নিতে বলে। এখন আগেই কিছু বেআইনি কাজকম্মো করে ফেলায় বা বে-উইলি কাজকম্মো করে ফেলায় আদৌ প্রোবেট নেওয়া হবে কিনা উইলের, জানা নেই। এই অবস্থায় কেউ যদি সেই লেখা পত্র ছাপিয়ে দেয়, মেয়েরা কপিরাইটের টাকা দাবি করতে পারে, সমান সমান, মিউচুয়াঅলি সম্মত হয়ে, অন্তত শুধু রয়ালটির / কপিরাইটের টাকাটুকুর?
  • সে | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৯:০২580180
  • আরেকটি জিনিস হচ্ছে ম্যারেজ কন্‌ট্র্যাক্ট্‌। পশিমের অনেক দেশে এবং ইসলাম ধর্মের দেশেও ম্যারেজ কন্‌ট্র্যাক্ট্‌ চালু আছে। ভারতেও সম্ভব কিন্তু অধিকাংশ মানুষই সেটা করে না।
    বিয়ের সময়েই চুক্তিতে আসা যে স্বামী পরবর্তী কালে স্ত্রীর সম্পত্তির ওপর কোনো (অথবা আংশিক, অংশটুকু ডিটেলে বোঝানো থাকলে সুবিধা, যেমন ধরুণ বিবাহের পূর্ব্বে অর্জ্জিত সম্পদ, ধারদেনা, বা সম্পত্তির কোনো বিশেষ অংশ, ইঃ-) স্বত্ত্ব থাকবে না এবং/বা স্ত্রীর ও ভাইসি ভার্সা (কিংবা কোনো শর্তই নেই)। এগুলো ডিভোর্সের সময়ে খুব কাজে দেয়। সম্পত্তি অর্ধেক খোয়াবার সম্ভবনা কমে যায়। কিন্তু ম্যারেজ কন্‌ট্র্যাক্ট্‌ এর এই ক্লজ গুলোর ওপরে ভিত্তি করে সাকসেশনের বাঁটোয়ারা খুব জটিল হয়ে যায়।

    নাবালক সন্তানদের সম্পত্তি কোর্টের আদেশানুসারে সাবালক হওয়া অবধি ফ্রিজ করে দেওয়া হয় (তাই বলে ব্যাঙ্কের টাকায় ইন্টারেস্ট দেওয়া বন্ধ থাকে না, টাকা ঠিকই ইন্‌ফ্লেশন রেটের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ইন্টারেস্ট পায়, ভ্যালু সামান্য কমে যায় সেটা ঠিক), কারণ জীবিত স্পাউস (মা বা বাবা) পুনর্বিবাহ করলে নাবালকরা যাতে বিপদে না পড়ে।
  • সে | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৯:১২580181
  • এখন অবধি যেটুকু সম্পত্তি বাবা/মায়ের অবশিষ্ট আছে, তার ফিফ্‌টি-ফিফ্‌টি। কিন্তু মেয়েদের কেউ যদি অপরের নামে কেস করে ফ্যালে তবে অনেক সময় লাগবে। মরদেহ পোড়ানো হয়ে গিয়ে থাকলে সেটার জন্যে উইলের প্রোবেট আটকায় না। কারণ তখন উইলের প্রোবেট নিয়ে মরদেহের সৎকার হবে কি দেহদান হবে ওটা হয়ত কোনো দিদি বা দাদা ভালো বলতে পারবেন ;-)
    কিন্তু যেটুকু রয়েছে সেগুলোকে উইলের মধ্যে আইডেন্টিফাই করে প্রোবেট নেওয়া যেতে পারে। উইল থাকা সত্ত্বেও সাকসেশান সার্টিফিকেট নেওয়া বেআইনী। কারণ ক্লিয়ার জানাতে হয় যে কোনো উইল নেই।
    তার ওপরে যেটা বলছেন ব্যাঙ্কের টাকা মৃত্যুর সময় তুলে নেওয়া (মৃত্যুর পরে হলে কিন্তু ডেঞ্জারাস, পোস্ট ডেটেড চেক কি?), কারণ ডেথ সার্টিফিকেটের যে তারিখ তার পরে ব্যাঙ্ক থেকে কোনো ক্যাশ ট্রানসাকশান হয়ে থাকলে ব্যাঙ্ক সেটা ধরে ফেলবেই। কেলেঙ্কারি কান্ড হয়ে যেতে পারে। যদি কোনো রেকারিং ডিপোসিটে, বা অটোম্যাটিক পেমেন্ট ইন্স্‌ট্রাক্‌শান থেকে থাকে (মনে করুন ইলেক্ট্রিসিটির বিলের পেমেন্ট, ইঃ) সেটা আলাদা, কিন্তু টেলর মেশিন থেকে টাকা উইথ্‌ড্র করা ক্রিমিনাল অফেন্স। ধরে নিচ্ছি সেটা হয় নি।
  • Ishan | ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০২:৫২580182
  • কিন্তু এইটাতে আমার কোচ্চেনগুলোর উত্তর কী হল? পেলাম না তো।
  • aka | ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৫:৫৪580183
  • এইটা আমি ফর ডেফিনিট জানি। কোর্ট বলবে পাই পয়সার হিসেব কোর্টের বাইরে বুঝে নাও, কোর্টের সময় নষ্ট করো না।
  • pi | ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৯:১৭580184
  • আমিও উত্তর পাই নি। যাগ্গে।

    এটা দেখুন।

    দ্বিতীয়ার্ধে যদিও কিছু কথা বিতর্কযোগ্য মনে হল।
  • :-) | ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৯:৩০580185
  • আমার তরফ থেকে উত্তর আর প্রতিপ্রশ্ন দুইই আছে। শুধু পড়তে হবে। যাকগে যৌনকর্মী বা প্রসতিটিউশন নিয়ে কি টই আছে? না খুলতে হবে? না অন্য কোনো টইতে সে আলোচনা হয়ে আছে?
  • Ishan | ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২২:১১580187
  • পড়লাম তো। ওমনাথের অবস্থান ঠিক বুঝেছি কিনা তো জানতে পারলাম না।
  • :-) | ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২২:৩৩580188
  • বোঝেননি।
  • Ishan | ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০১:৪৬580189
  • তাহলে আরেকবার বুঝিয়ে বলা হোক। না বুঝে কমেন করি কিকরে।
  • কল্লোল | ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৬:৪৯580192
  • ফাঁসীর আদেশ ও তারপর। সেই দিল্লীতেই।
    http://www.anandabazar.com/28desh5.html
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ভেবেচিন্তে মতামত দিন