এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • ধর্ষণের শাস্তি কি মৃত্যুদন্ড?

    s
    অন্যান্য | ১৮ ডিসেম্বর ২০১২ | ৬৯৫৮৩ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • san | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৯:৫০580126
  • *সাবজেক্টিভলি পোজিশনড
  • :-) | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১২:০৪580127
  • মৌলিকতা ও অবজেক্টিভিটি এক একটি অলীক প্রকল্প। যেমন নির্মোহ ব ও অ্যাপোলিটিকাল পোজিশন। যেমন কাঁঠালের আমসত্ত্ব ও সোনার পাথরবাটি।
  • sosen | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৩:০০580128
  • প্রস্টিটিউসন ব্যাপারটা সমাধান হলনা।
  • sinfaut | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৩:১৮580129
  • হবে কী করে? সমাধানও একটি অলীক প্রকল্প।
  • সে | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৩:৩৪580130
  • ধর্ষণ থেকে যখন টপিক আমড়াতলার মোড় ঘুরে ডাইনে বাঁয়ে আগে পিছে চলেইছে, তখন একটা টাটকা ঘটনা - এই আজ সকালের দুপুরের - জানিয়েই ফেলি।
    পশ্চিমবঙ্গের একটা ইন্ট্যারনাশানাল স্কুলের উঁচু ক্লাসে এখনো ইউনিফর্ম এসে পোঁছয় নি। যার যার তার তার নিজের নিজের ড্রেস পরে আসছে এখন স্কুলে। কোনো বিধিনিষেধ গাইডলাইন নেই।
    আজ উঁচু ক্লাসের একটি পোলিশ মেয়ে পরেছে স্প্যাগেটি স্ট্র্যাপ টপ ও ছোটো স্কার্ট, বাংলাদেশি মেয়ে পরেছে হাতকাটা ছোটো ব্লাউজ ও প্যান্ট, একটি ভারতীয় মেয়ে পরেছে ফুলপ্যান্ট ও টি শার্ট, এইরকম অন্য মেয়েরা ও ছেলেরা নিজ নিজ পছন্দের পোশাক পরে স্কুলে ক্লাস করছে। তো সহসা একজন টিউটর (ভারতীয়, বাঙালী) ঐ টিশার্ট পরা ভারতীয় মেয়েটিকে সকলের সামনে এসে বলে গেলেন - তোমার ড্রেস ভালো(ডিসেন্ট) নয়, এরকম পরে স্কুলে আসবে না।
    এক্কেবারে টাটকা খবর।
    ব্যাপারটা স্কুল অথরিটি অবধি পৌঁছে গেছে লাঞ্চের আগেই (তখন মিটিং চলছিলো, তাও)।
    মেয়েটির বক্তব্য - সবার সামনে আমায় এমন বলল কেন? আমি তো অভদ্র কিছু পরিনি। গলা থেকে পা অবধি ঢাকা। অন্য মেয়েরা অনেক খোলামেলা পোশাক পরেছিলো তাদের কিছু বলা হলো না কেন? আরো আঁতে লেগেছে, সবার সামনে বলা হলো কেন?
    ঐ টিউটর মহিলাটি (যিনি আবার ফরাসী ভাষার শিক্ষিকাও বটে) তখন কথা ঘুরিয়ে - নানা তোমায় গতকাল খুব সুন্দর দেখাচ্ছিলো সাদা শার্ট পরে, সাদা শার্ট তোমায় খুব মানায়, এইসব বলে কথা ঘুরিয়েছেন। বলেছেন, সবাই বলছিলো তোমায় বাজে দেখাচ্ছে, তুমি ওকে গিয়ে বলো তাই আমি তোমাকে বলেছি।
    ইত্যাদি প্রভৃতি...

    এখন কথাটা হচ্ছে বন্ধুগণ আমার মাথায় প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে ঃ

    মেয়েটি ভারতীয় বলেই কি ফ্রেঞ্চের টিচার (নিজেও ভারতীয়) তাকে পোশাক নিয়ে ফতোয়া দিলো?
    বিদেশীদের ফতোয়া দিতে সাহস পেল না তারা বিদেশী বলে?
    ফ্রেঞ্চের টিচার তার মানে মনে "পোশাক" ভিত্তিক বিভেদের ধারক (মানে যারা মনে করে পোশাক দিয়ে রেপের কারণ ব্যাখ্যা করা যায়)?
  • দেব | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৫:০০580131
  • স্যানের ১ নম্বর কোশ্চেন - ধর্ষণ আর মডেলিং এক হয় কি করে? একটাতে তো কনসেন্ট আছে আরেকটাতে নেই।
  • সে | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৫:৩২580132
  • সেই। ইচ্ছা ও অনিচ্ছার তফাৎ আমাদের সমাজে কতটুকু?
    ভারতীয় বংশোদ্ভূত এক বিদেশিনী বৃদ্ধা বলেছিলেন (অন্য সাইটে) স্বামী ধর্ষণ করা আর বাইরের লোকের ধর্ষণ করা কখনই এক নয়।
  • :-) | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৬:৪৩580133
  • এই টই এর ২৮ পাতা কি হানি সিং এর টই যেখানে শেষ হয়েছিল সেখান থেকে শুরু হয়েছিল!

    হানি সিং ১৪ পাতা, sosen, 15 Jan 2013 -- 02:28 PM

    ভারতীয় সমাজে জেন্ডার ডিসক্রিমিনেসন মেয়েদের বিরুদ্ধে অপরাধে সবচেয়ে বড় ট্রিগার। আর সেই ট্রিগার, আমাদের মানতে অসুবিধে হলেও বেড়ে যাচ্ছে মেয়েদের বাড়তে থাকা স্বাধীনতায়। পিতৃতান্ত্রিক সমাজ মানেই যৌনতা, সম্পত্তি, সামাজিক অধিকারের ক্ষেত্রে ছেলেদের অবাধ শেষ কথা বলার অধিকার। এটা যতই ধাক্কা খেতে থাকবে, ততই এরকম মিনিস্কার্ট, রাত্রে একা ঘুরে বেড়ানো, সিঙ্গল মাদারহুড, একা মেয়ের জীবনযাপন সব কিছুই বড় ট্রিগার হয়ে উঠবে, কিন্তু মূল ট্রিগার সেই জেন্ডার ডিসক্রিমিনেসন ই থাকবে। সেটা সরাতে মানুষ ইচ্ছুক কিনা, জানিনা। আইন না করে, ইমপ্লিমেন্ট না করে সরানো যায়না, এটুকু জানি।

    এই জায়গাটা কি একটু অন্যভাবে এই বাড়তে থাকা দুই ভ্যালুসিস্টেমের ক্ল্যাশ-এর জায়গাটা দিয়ে অ্যাড্রেস করা গেল? "ট্রিগার" না কারণ না জাস্টিফিকেশন - সেটা নাহয় ঈশানই বলবে।

    একইভাবে চিয়ারলিডার টইয়ের শুরুতে ঈশান যে মরালিটিকে ফিট করতে না পেরে থিয়োরি থেকে বাদ দিয়েছিল। সেই মরালিটি এই বর্তমান টইতে এসে পড়েছে। বাকি রয়েছে চিয়ারলিডার টইয়ের r কথিত পুরুষশরীর ও নারীশরীরের আলাদা আলাদা আখ্যান- ঐতিহাসিক ও সামাজিকভাবে। নারীশরীর ব্যবহারিক রাজনীতির পরিপ্রেক্ষিত, পুংতন্ত্রের বহুযুগলালিত সংস্কার ও কন্ডিশনিং - তা সেটা করতে এই মরালিটির প্রোটোটাইপের পাশে প্রস্টিটিউশন ও কর্পোরেট এসকর্ট সার্ভিসকে এনে অনেক কসরত করতে হবে।

    সকলেই বুদ্ধিমান। এটা মনে হয় না বোঝার কোনো কারণ নেই, মরালিটির যে ধারণার জায়গা থেকে প্রস্টিটিউশন একটি ইম্মরাল অ্যাক্ট, বা হাফ গেরস্তপাণা একটা ইম্মরাল অবস্থান - তার পিছনে এই পুরুষও নারীশরীরের আলাদা আলাদা ঐতিহাসিক ও সামাজিক রাজনীতির, বহুযুগলালিত সংস্কার ও কন্ডিশনিং -এর হাত আছে। এখন এই প্রোটোটাইপিং কে চালু প্রস্টিটিউশনের দুটো এক্সট্রীম ফর্ম কোনোভাবে বুস্ট আপ করছে কীনা, মিডিয়া করছে কীনা এই নিয়ে কচলানো।

    আর ক্ষমতার জায়গাটা নিয়েও কথা বলতে হবে। যেখানে ঐতিহাসিকভাবে নারীশরীরের দূর্বলতা ও সামাজিকভাবে সাপ্রেসড, অবদমিত অবস্থান - কোনঠাসা, ২০০০ টাকায় বিক্রি হয়ে যাওয়ার মতো অবস্থানের অস্তিত্ত্ব রিকার্সিভ লুপে আরো বেশি করে নারীদের ডিভ্যালুয়েট করার জন্যে এক্জাম্প্লিফাই করে কিনা, নারীরা অক্ষম ও সহজলভ্য এই প্রোটোটাইপিং কে এস্ট্যাবলিশ করতে ব্যবহৃত হয় কীনা - ভাবার দরকার।

    আইন কানুন শৃঙ্খলা তো দরকারই, অপরাধ দমনে রাষ্ট্রযন্ত্রের ভূমিকা তো থাকবেই। ডেটারেন্ট শাস্তি, জলদি বিচার বা বিচার ব্যবস্থাকে রাজনৈতিক প্রেসারমুক্ত রাখতে হবে ও অর্থমূল্যে কেনা যাবে না ইত্যাদি দাবি তো থাকবেই, এর বাইরে মূলত সামাজিক বিবর্তনের প্রয়োজনীয়তা আর তার জন্য অত্যবশ্যকীয় ধাপগুলো চিনে নিতে গেলে আগে ক্ষতিকর প্র্যাকটিসগুলো চিহ্নিত করতে তো হবেই।
  • Ishan | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২০:২১580134
  • ওমনাথ কি যে বলে। পিতৃতন্ত্রকে ভ্যালু সিস্টেমের ক্ল্যাশ দিয়ে অ্যাড্রেস করা? পণ্যায়ন কি পিতৃতন্ত্র বিরোধী নাকি? হলে কিভাবে? গোড়ায় গলদ তো অন্য জায়গায়। পিতৃতন্ত্র মানে "পুরুষদের কথায় সব চলে" -- এই ফান্ডাটা একটুও চলনসই নয়। দেশে দীর্ঘদিন আমরা মহিলা প্রধানমন্ত্রী পেয়েছি, এখন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মহিলা, তাঁদের কথায়ই দেশ চলে। তাতে পুরুষতন্ত্র ভেঙে গেছে নাকি?

    বাকিটা কী বলছে একেবারেই বোঝা গেলনা।
  • Ishan | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২০:৪২580136
  • "১। আচ্ছা সিস্টেমে ইনভলভড সবার দায় বলছো ! কিন্তু তাহলে ধর্ষণ ঘটলে ধর্ষকের সঙ্গে সঙ্গে ধর্ষিতারও দায় স্বীকার করতে হয়। সেটা করছো কি ?"

    স্যান কিন্তু স্পেসিফিক প্রশ্নগুলো এড়িয়ে যাচ্ছে। অন্যের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন করতে হলে নিজের অবস্থান থেকে উঠে আসা প্রশ্নগুলোরও উত্তর দেওয়া প্রয়োজন। সেটার অপেক্ষায় রইলাম।

    যাই হোক, এটার উত্তর আমি দিয়ে দিই। দায় প্রসঙ্গে। ধর্ষণ হোক বা পণ্যায়ন, আমি, আমারও দায় আছে বলেছি। সাধারণভাবে। কিন্তু যদি স্পেসিফিক ঘটনা ধরিন ধরা যাক, দিল্লী কান্ড, তাতে আমার কী দায়? আমি কি দিল্লীতে থাকি? থাকিনা। আমি কি ধর্ষণের পক্ষে কোনোদিন একটি কথাও বলেছি? বলিনি? তাহলে দিল্লীর ধর্ষণের ঘটনায় আমার কোনো ব্যক্তিগত দায় আছে কি? নেই। কিন্তু তাও আমি বলছি দায় আছে। কোথায় আছে? সমাজের এক বা একাধিক স্তরে আমি অবস্থান করি, তার অংশ হিসেবে দায় আছে। কীভাবে আছে আর নতুন করে ব্যাখ্যা করলাম না।

    সেই একই যুক্তি অনুযায়ী, একটি স্পেসিফিক ধর্ষণের ঘটনায় একটি মেয়ের নির্দিষ্ট করে দায় আছে, একেবারেই না। কিন্তু সমাজের অংশ হিসেবে প্রত্যেকের যদি দায় থাকে, তারও নিশ্চয়ই আছে।

    এবার ধর্ষণ হোক বা খুন, অপরাধের শিকার হবার পর, কাউকে আমরা এই কথাটা বলিনা। কারণ প্রথমতঃ ওটা ইনসেন্সিটিহ্ব। দ্বিতীয়তঃ তাতে বিষয়টা অন্যদিকে ঘুরে যায়। "এই অপরাধের জন্য ওনারও দায় আছে" বললে সেটাকে সেই আইনজীবির মতো অবস্থানধারণকারীরা গোদাভাবে নিয়ে বলবে "হ্যাঁ হ্যাঁ, দায় কেই? ছোটো পোশাক পরে ঘুরবে, রেপ তো হবেই"। সে জন্য "আমাদের দায় আছে" যখন বলি, খুব সচেতনভাবেই ভিকটিমকে বাদ দিই। কিন্তু অ্যানালিটিকালি দেখলে, ধর্ষণ নামক ফেনোমেননটির জন্য আমার যা দায়, বাকিদের সকলেরই সেইটুকু বা একটু বেশি-কম দায় তো আছেই।

    বাকি আবার পরে।
  • pi | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২০:৪৭580137
  • অমর্ত্য সেন।
    http://www.nybooks.com/articles/archives/2013/oct/10/indias-women-mixed-truth/?pagination=false#

    বড় লেখা। কয়েকটা জায়গা থাক।

    '...To some extent, the class barrier preventing information from being collected is a problem even in dealing with rapes, not just sex trafficking. Even though Jyoti came from a family of modest means (her father is a baggage loader at the airport), her family was upwardly mobile. It was easier for the Indian middle classes, including the educated middle classes, to take an immediate interest in the predicament of a young medical student than it would have been in the case of a rape of a poor and socially distant Dalit woman. There is a broad and urgent need to supplement the new provisions of the recently enacted law with ways to obtain and disseminate information about the treatment of women from the poorer classes...

    While that important research must be done, there are many necessary actions that need not await the results of that research. There is a need for better policing and for greater media attention to neglected issues, including sexual trafficking and marital rape. There is an extremely powerful case for paying much more attention to schooling for girls, for more political and social discussion of the peculiarity—and the moral strangeness and inequity—of “boy preference,” and for more commitment by India’s mainstream political parties to address the issues central to gender inequality. There is a lot to do on the basis of what we do know, even as we remain engaged in finding out more about regional cultures and divergent behavior within India....'
  • :-) | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২৩:১৯580138
  • পিতৃতন্ত্র বলতে ঈশান কি বোঝে আগে লিখে ফেললে সুবিধে। নইলে সবই তো কিছুদিন পরে মাই ডেফিনেশন বনাম ইওর ডেফিনেশন।
    সোসেন কথিত পিতৃতন্ত্র যদি জেন্ডার ডিস্ক্রিমিনেশন করে থাকে নারীদেহের পন্যায়ন বা অবজেক্টিফিকেশন ও নারীদের প্রতি অসম্মান বাড়ার জন্যে দায়ি - ভারতের মতো দেশে যেখানে সামাজিক বিভেদ অত্যন্ত বেশি। এই অবজেক্টিফিকেশন একেবারে নির্মূল করার জন্যে সবার আগে মেয়েদেরই উদ্যোগ নিতে হবে। সব স্তরে। স্বভাবতই যে মেয়েরা এর সুবিধে নিচ্ছেন, তারা এই উদ্যোগের বিপক্ষে দাঁড়াবেন। ছেলেরা, যারা সুবিধে নিচ্ছেন তারা তো বটেই। এবার ঈশান বলবে পন্যায়ন বরং মেয়েদের এমপাওয়ার্ড করেছে। নিজের টার্মস এ যৌনতা বেচার এমপাওয়ারমেন্ট। কিন্তু ঐ নিজের টার্মস এ বেচা কেস টা এলিট প্রস্টিটিউশনের ক্ষেত্রে সত্য মনে হয়। মাস স্কেলে পুরুষ যেটা চায়, সেই যৌন বস্তু হিসেবে সার্ভড হওয়াতেই পন্যায়ন জনিত নারীমুক্তির শেষ। এমনকি এলিট প্রস্টিটিউশনের কেস, যেখানে নিজের টার্মস ব্যপারটা আসছে বলে মনে হয়, সেটাও আপাত। এলিট কনজিউমাররা যেভাবে চায় সেই সফিস্টিকেশনও পারফেকশনের মধ্যে দিয়ে সার্ভড হওয়াতেই ওরও শেষ।
    এখানে ঈশানের একটা পেটেন্ট অবস্থান আছে। পন্যায়ন এর বিরোধীতা করতে হলে সব রকম পন্যায়নের বিরোধীতা করতে হবে। মগজ পন্য হিসেবে অ্যাকসেপ্টেবল কিন্তু শরীর নয়, মরালিটি নয়, ইমেজ নয়, এভাবে বেছে বেছে বিরোধীতা করা যাবে না। কেননা সেক্ষেত্রে বিরোধীতাটা ইন্ডিভিজুয়ালের মরাল পোজিশনের উপর নির্ভর করে হবে। এবং আমরা জানি ভ্যালুসিস্টেমে দেশ ও জাতি নির্বিশেষে এক ও একমাত্র অখন্ড জিনিস নয়। ফলে এক একজন বা এক এক জণগোষ্ঠী এক একরকম জিনিসের পন্যায়নের বিপক্ষে কথা বলতে থাকবেন। এই লজিকটা, আবার দেখুন সেই স্টেচড এক্স্ট্রাপোলেশনের দিকে যাচ্ছে যেখান থেকে আদমচরিত লেখা হয়। বাস্তবে দেশে একটা আইন সিস্টেম আছে। সমাজ, পরিবার,পোষাক এই সবকিছুর দুটো এক্সট্রীম থাকতে পারে মানেই কোনো কালেক্টিভ কনসেন্সাস থেকে একটা গোদা প্রোটোটাইপ নেই তা কিন্তু নয়। আইন যাকে বিয়ে বলে, আইন যে যে ক্ষেত্রে ডিভোর্সের নিদান দেয়, আইন যেখান থেকে ইম্মরাল ট্রাফিকিং এর কথা বলে, সেখান থেকেই খুব গোদা ভাবে হলেও, একটা মরালিটির প্রোটোটাই পাওয়া যায়। প্রগতিঅশীলেরা সেটাকে পিছনে ফেলে এগিয়ে যেতে চান, কনজারভেটিভেরা আরো পেছনে গিয়ে সেটা কে টেনে পিছিয়ে নিতে চান। এই সামাজিক বোঝাপড়া থেকে কালেক্টিভ কনশাসনেস থেকে কখনো আইনের বদল হয়। কিন্তু যেভাবে সেন্সার বোর্ড কাজ করে, যেভাবে A/U বা প্যারেন্টাল গাইডেন্সের কথা বলে আমরা ডিস্ট্রিবিউশনে কন্ট্রোলের কথা বলছি, সেভাবে পন্যায়নেরও রাশ টানা সম্ভব। যেখানে একটি কলম কত সুন্দর ও কত আকর্ষণীয় দেখাবার জন্য বা ফলের রস কত ভালো খেতে বোঝানোর জন্যে আকর্ষক মেয়েদের বা মেয়েদের আকর্ষনীয়তার প্রোটোটাইপ তৈরি করায় লাগাম টানা যায়। অন্তত যতদিন শিক্ষা সচেতনতা দিয়ে ইন্ডিয়া ও ভারতকে মোটামুটি কাছাকাছি না নিয়ে আসা যাচ্ছে।
  • sosen | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০০:৩২580139
  • এই টই পড় তে পড়তে নার্ভাস হয়ে পড়ছি। যাকগে, যেটা বলতে হবে, ওমনাথ অবশেষে সমাধানের দিকে এগোচ্ছে।সর্বত্র একমত না হলেও লেখা ভারি ঠাসবুনোট।
  • Ishan | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০১:১১580140
  • বুয়েচি। ওমনাথের মূল কথা হল, ভারত ও ইন্ডিয়া (ওমনাথ নাম দেয়নি, আমি ডাকার সুবিধের জন্য দিলাম)র মরালিটির ধারণার তফাত খুবই বেশি হয়ে গেছে এবং যাচ্ছে। ইন্ডিয়ায় হেবি স্কেলে পণ্যায়ন টন্যায়ন হচ্ছে, আপেলের বিজ্ঞাপনে বিকিনি পরা ও মাল্টিপ্লেক্সে ট্যাঙ্ক টপ পরা মেয়েরা অক্লেশে ঘুরে বেড়াচ্ছে। সেই দেখে ভারতের লোকেরা খুবই খচে যাচ্ছে, তাদের ধারণায় মেয়েগুলি বদ কম্মো করছে। ঘৃণা বাড়ছে। যেহেতু বদ, তাই তাদের শিক্ষা দেওয়া প্রয়োজন -- ভারত তার মরালিটির জায়গা থেকে এরকম ভাবছে। এই দুই মতাদর্শের টক্করে ধর্ষণ ও যৌন অপরাধ বাড়ছে।

    এবার ওমনাথের প্রেসক্রিপশন হল, অতএব, সবাই একটু মানিয়ে গুছিয়ে চলুন। পণ্যায়নে শরীর দেখানো নিয়ন্ত্রণ করুন। ইন্ডিয়ার মেয়েরা ওরকম ছোটো পোশাক পরবেন না। এসব নিয়ন্ত্রণ করার জন্য সেন্সর বোর্ড টাইপের আইন হোক। পণ্যায়ন থেকে মেয়েদের পোশাক, সর্বত্র বলবৎ হোক।

    ঠিক বুঝলাম, ওমনাথ? বিশেষ করে এই পোশাকের গাইডলাইনের ব্যাপারটা?

    পুঃ আমাকে প্যারাফ্রেজ করে লিখলে বড়ই সরলীকরণ হয়ে যাচ্ছে, ওটা বাদ দিয়ে শুধুই আপনার কথা লিখুন না।
  • pi | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০১:৫৮580141
  • স্মাইলি, রাশ টানার কথাই যখন হচ্ছে তখন মেয়েটি কী পোশাক আশাক পরবে, সেখানেও রাশ টানার কথা বলা হচ্ছে তো ?
  • Ishan | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০২:২৭580142
  • আরেকটা ছোট্টো পয়েন্ট বলার ছিল। স্যানকে। লিখেই দিই। স্যানের আগের বক্তব্য অনুযায়ী একাধিক ভ্যালু সিস্টেমের মধ্যে কমুনিকেশনই সম্ভব নয়। হায়ারার্কি স্থাপিত হলে সেটা পুরোটাই গা-জোয়ারির খেলা। আলোচনার ক্ষেত্রে সেটা কি স্যান সত্যিই মনে করে?
  • aranya | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৫:০১580143
  • 'রক্ষিতাও পাবেন স্ত্রীর সমমর্যাদা, রায় হাইকোর্টের'

    'যৌনকর্মীদের পুজো করতে দেওয়া উচিত, বলল হাইকোর্ট'
    - আজকের আবাপ থেকে।

    নষ্ট মেয়েদের বার বার আস্কারা দিচ্ছে হাইকোর্ট - শেম শেম
  • pi | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৫:০৮580144
  • বাঃ, দুটোই ভালো খবর।
  • :-) | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৬:০৭580145
  • ওঃ প্যারাফ্রেজিং এবং সরলীকরণে ঈশানের একচেটিয়া আছে, যা বুঝলাম।
  • Ishan | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৮:২১580147
  • যাঃ ঠিক বুঝলাম কিনা, তার কোনো উত্তর নাই। :)
  • sosen | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৮:৫৩580148
  • :-O
  • :-) | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৯:০৯580149
  • যাঃ আমিও ঠিক বুঝলাম কিনা, তার কোনো উত্তর নাই।
  • :-) | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৯:৪০580150
  • দুটো খবরই পড়লাম। যৌনকর্মীদের দুর্গাপুজো, কালীপুজো, সরস্বতীপুজো আলাদা স্কুল, আলাদা কলেজ, আলাদা হস্টেল এইভাবে তাদের সমাজের মূলস্রোতে নিয়ে আসার সুবিধে না তাদের জন্যে আলাদা একটা সমান্তরাল সিস্টেম চালু করে দায় থেকে হাত ধুয়ে ফেলা যায় সেটা ভাবার। আমার পপুলিস্ট স্ট্যান্ড মনে হয়েছে। অবশ্য এইযে একটি বিপুল বাজার, NGO ও নানান্মানবাধিকার কর্মীদের কাজ করা ও কাজ দেখানোর বিস্তীর্ণ অঞ্চল - একে কেউ সাধ করে মিটিয়ে ফেলার কথা ভাববেই বা কেন? তাৎক্ষনিকভাবে রায়টি কার্যকর ও সময়ের ঝোঁকের দিকেই অবশ্যই। আবাপর রিপোর্টিং থেকে তো চট করে ভিতরের পলিটিক্সের খোঁজ পাওয়া যায় না, আবেগের গ্যাদগ্যাদে চাদর তুলে দেখতে হবে আলাদা খোঁজ খবর করে।

    দ্বিতীয় স্ত্রী ও রক্ষিতার সম মর্যাদা বহুবিবাহকে স্বীকৃতি দেওয়ার চেয়ে কম কিসে ঠিক ক্লিয়ার নয়, মানে প্রিসিডেন্স সেট হলে। একজন সরকারি কর্মীর চারটি সন্তান, সেটি তার পদাধিকার ও উপার্জনে কোনো প্রভাব ফেলে না, কেননা বৈধভাবে শুধু একটিই নিঃসন্তান স্ত্রী। হাস্যকর। বিপাকে পড়া স্ত্রী সন্তানকে দেখার দিকটা মানবিক ভাবে ঠিক আছে। সে নিয়ে কিছু বলছি না।
  • sosen | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১১:৪২580151
  • শরীর বেচার আইনি অধিকার নিয়ে ওমনাথের কোনো বক্তব্য নাই?
  • sm | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১২:২৮580152
  • সুপ্রিম কোর্ট এর রায় টা সত্যি বোঝা গেলনা। যে সমাজে বহু বিবাহ আইনত সম্মত নয় সেখানে রক্ষিতা বা উপপত্নী র আইনত নায্য অধিকার আসছে কিকরে। কোনো ব্যক্তি র ৫ জন রক্ষিতা থাকলে, ৫ জন কে ই বা তাদের সন্তান সন্ততি কে সম্পত্তি র সমান ভাগ দিতে হবে ?
    তাহলে আইন মাফিক বিবাহ করার সার্থকতা কোথায়?ম্যারেজ রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট কি শুধুই কাগজ?
  • :-) | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১২:৩৪580153
  • এই নিয়ে কোনো টই ছিল কিনা খুঁজছি। বেচতেই হলে অন্য সব বিক্রেতাদের সমান অধিকার তো লাগবেই। কিন্তু বেচা ব্যপারটাই বন্ধ হওয়া দরকার - থিয়োরি বলে।

    মজার কথা আরো বেশি বেশি মেয়েরা শরীর বেচতে আসুক, অধিকার নিয়ে, এটাই প্রগতিশীল অবস্থান, এবং মিসোজিনি / ডিস্ক্রিমিনেশন কাউন্টার করতে ? - ছেলেরাও আরো বেশি বেশি করে পেশা হিসেবে শরীর বেচার দিকে নজর দিক।

    আর ব্যক্তিগত পারসেপশন তো বক্তাকে পার্সোনালি জাজ করা ছাড়া আর কোনো কাজে লাগবে না।
  • sosen | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৩:০৪580154
  • ওহ। আমি জাজ ফাজ করিনা। আলোচনাটা ফলো করছি, তাই বললাম। ব্যক্তিগত পারসেপশন এড়িয়ে আমি অন্তত খুব বেশিদূর যেতে পারিনা, কিন্তু অন্যের পারসেপশন জানলে, নিজের গন্ডি প্রসারিত করে দেখি, কাজে লাগে। ওটা কোনো ব্যাপার না।

    যাকগে, ঐটা বাদ দিয়ে, আইনি অধিকারগুলো দেখা দরকার মনে হচ্ছিল। খুঁজে দেখতে গেলে (সময় নাই, স্মৃতি থেকে বলি) দ্যাশে সিটা, ফলোড বাই পিটা, এবং তৎপরবর্তী ২০০৯-২০১১ ammendment গুলো উত্তরোত্তর ঘোষিত শরীর বেচাকে ক্রিমিনালাইজ করার দিকে এগোচ্ছে, আবার উল্টো দিকে অন্য ফর্মে, বিনোদনের অন্য মাধ্যমে, শরীর বেচা বাজারের পক্ষে দিনে দিন আরো গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে। তো একটা লিগ্যাল রেকগনিশন পাচ্ছে অন্যটা পাচ্ছে না। এটাকে বাজার কতটা কন্ট্রোল করছে, জানার দরকার নেই?

    শরীরের ভ্যালু বেজায়( যৌনশ্রম কে আমি শ্রম বলেই মনে করছি), মস্তিষ্কের ভ্যালু ততোধিক, দুটো একসাথে থাকলে সে প্যাকেজের মূল্য আরো বেশি। তো এই পুরো প্যাকেজটা কি করে বাজার থেকে সরিয়ে রাখা যায়? ক্রেতা ও বিক্রেতা দুজনেই যেখানে সচেতন, তাদের পণ্যের মূল্য সম্পর্কে?

    নৈতিকতা, প্রশাসনের লিমিটেশনের প্রসঙ্গ এনে বলা যেতে পারে এতটা বেচা যেতে পারে, এই প্রেমিসেস-এ বেচা যেতে পারে- কিন্তু বেচা যাবে না, এ থিওরি কি করে চলবে? তা বাদ্দিয়ে, একটা পেশার স্বীকৃতি আছে অথচ শ্রমের অধিকার সীমিত, এটা -ও গোলমেলে। সেক্ষেত্রে মানবাধিকার, এন জি ও এদের রোল আছেই।

    ছেলেদের শরীর বেচা নিয়ে না আছে কোনো আইন, না প্রটেকশন। অর্থাত বন্ধ-ই। কিন্তু বন্ধ নয়, পুরুষ যৌনকর্মীর সংখ্যা প্রচুর। থিওরি অনুযায়ী কি চাইব, তাদের স্বীকৃতি দিতে? না বন্ধ করতে?
  • sosen | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৩:০৮580155
  • এই সব প্রশ্নই। স্টেটমেন্ট না। আমি তেমন একটা বুঝি না। পড়ছি। শিখছি। এই-ই।
  • cm | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৩:৩৫580156
  • হাসি Date:26 Sep 2013 -- 12:34 PM " মজার কথা আরো বেশি বেশি মেয়েরা শরীর বেচতে আসুক, অধিকার নিয়ে, এটাই প্রগতিশীল অবস্থান, এবং মিসোজিনি / ডিস্ক্রিমিনেশন কাউন্টার করতে ? - ছেলেরাও আরো বেশি বেশি করে পেশা হিসেবে শরীর বেচার দিকে নজর দিক।"

    ঠিক কোন অ্যালগোতে নির্ধারিত হইল যে ইহাই প্রগতিশীল অবস্থান? আমি যেন কিঞ্চিৎ বদ হজমের গন্ধ পাইতেছি।
  • সে | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৩:৩৮580158
  • "যে সমাজে বহু বিবাহ আইনত সম্মত নয় সেখানে রক্ষিতা বা উপপত্নী র আইনত নায্য অধিকার আসছে কিকরে।"

    কোন সমাজে? হিন্দু বা খ্রীষ্টান সমাজে?
    মুসলমানদের মধ্যে বহুবিবাহ স্বীকৃত নয় নাকি? (মুসলমানরা সমাজের বাইরের লোক?)
    বিবাহিত না হয়েও কি রক্ষিতা বা উপপত্নী থাকতে পারে না?

    "কোনো ব্যক্তি র ৫ জন রক্ষিতা থাকলে, ৫ জন কে ই বা তাদের সন্তান সন্ততি কে সম্পত্তি র সমান ভাগ দিতে হবে ?"
    - মোটেই না। না দিতে চাইলে উইল করুন। বা জীবদ্দশায় সম্পত্তি কাকে কতটা দেবেন দিয়ে দিন। কিন্তু সন্তান সন্তানই থাকছে (সন্তানের পিতা বা মাতাকে বিবাহ করা হয়েছিল কিনা সে নিয়ে বৈধ অবৈধ ব্যাপারটা থাকছে না), দুনিয়ার অনেক দেশেই এইরকম নিয়ম। অর্থাৎ শিশু "বৈধ" বিবাহের ফল কি "অবৈধ" সম্পর্কের ফল, তার ওপরে বেস করে সন্তানের ওপরে দায়িত্ব (ব্যায়্ভার) এড়ানো মুশকিল হবে।
    এখন পিতৃত্ব/মাতৃত্ব প্রমাণ করতে বিশেষ সময় লাগে না (ডিয়েনে টেস্ট)। প্রচুর দেশে নিজের শিশু সন্তানকে স্থায়ী বসবাসের জন্যে মাতা/পিতা যখন নিয়ে যেতে চান তখন ডিয়েনে টেস্ট বাধ্যতামূলক। এই নিয়ম চালু হয়ে গেছে। এক্ষেত্রে শিশু "বৈধ" বিবাহের ফল কি "অবৈধ" সম্পর্কের ফল তাতে কিছুই এসে যায় না।

    "ম্যারেজ রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট কি শুধুই কাগজ?" - কর্মস্থলে শুধু বিবাহিত স্ত্রী (ওয়ান অ্যাট অ্যা টাইম) কে ই উত্তরাধিকার করা যায়। বিধবা পেনশন, গ্র্যাটুইটি, প্রভিডেন্টফান্ড, এসবে বিবাহিত স্ত্রী কে নমিনি/উত্তরাধিকার দেওয়া যায়। রক্ষিতা বা উপপত্নীকে নৈব নৈব চ।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। না ঘাবড়ে মতামত দিন