এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • ধর্ষণের শাস্তি কি মৃত্যুদন্ড?

    s
    অন্যান্য | ১৮ ডিসেম্বর ২০১২ | ৬৯৬৫৬ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • riddhi | ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০১:৫৭579926
  • স্যান!
    প্রথম অবস্থানঃ
    নারীদেহের পণ্যায়ন ও তার এফেক্ট ঃ নারীকে ভোগ্যবস্তু হিসেবে দেখা। সেটাকে ধর্ষনের সাথে লিন্ক করলে দাঁড়ায়- নারীদেহের লোভের সাথে ধর্ষন যুক্ত।

    দ্বিতীয় অবস্থান ঃ খোলামেলা পোষাক ও তজ্জাত লালসার সাথে ধর্ষনের সম্পর্ক নেই।
    এটা স্ববিরোধী নয়?
  • riddhi | ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০১:৫৯579927
  • ঈশান ১ঃ৫৪, না ওটা স্মাইলি একটা ডিঃ দিয়েছে, যাহারা মনে করে মিসোজিনির কারণে ধর্ষন, তাহাদের উদ্দেশ্যে ইঃ ....
  • riddhi | ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০২:০১579928
  • ১ঃ৫৩ - হক কথা।
  • pi | ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০২:৪৪579929
  • ঋদ্ধি, ধর্ষণকে যোগ করলে তো বটেই, না করলেও স্ববিরোধ আছে ঃ)

    আর যা বলার ছিল বা ৫ঃ৩৪ এ বলতে চেয়েছিলাম, মামু ১ঃ৫৩ এ বলে দিয়েছে।
  • pi | ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৬:১৪579930
  • #t=31


    ঃ))
  • cm | ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৭:১৪579931
  • যা হওয়া উচিত আর যা হয় গুলিয়ে আপনারা তক্কো কচ্ছেন কেন?
  • aka | ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৭:৩৮579932
  • রেপের একমাত্র কারণ হল মেয়েরা পণ্য? কি গোলগাল সরল ব্যাখ্যা, গার্ডিয়ানের লেখার থেকেও সরল। কচুরী খেয়ে পেট খারাপ করলে শাইনিং ইন্ডিয়ার দোষ দেওয়া প্রবন্ধের থেকেও সরল।
  • riddhi | ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৭:৫০579933
  • আকাদা, সেটা কারণ নয়, সেটাই তো বলা হচ্ছে!

    সি-এম, 'উচিত-অনুচিত' এর এঙ্গেল থেকে কিন্তু তর্ক করা হচ্ছে না। ল্যংটো বা হাফ-ল্যান্টো মেয়েদের দেখে যৌন লালসা হয় না, সেটাও বলা হচ্ছে না। কিন্তু সেটা ধর্ষনের রুট কজ নয়, এটা জোর দিয়ে বলা যায়। এটার সপক্ষে এম্পিরিকাল এভিডেন্স প্রচুর আছে।
  • aka | ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৭:৫৫579934
  • আমি তো ওমনাথকে বললাম। ওমনাথ তাই বলছে তো প্লেসহোল্ডার ফোল্ডার লাগিয়ে?
  • cm | ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৭:৫৬579936
  • অ যৌন লালসা ধর্ষণের রুট কজ কিনা তাই নিয়ে তক্কো হচ্ছে বুঝি? ধর্ষণ হল বলপূর্বক কারু ইচ্ছের বিরুদ্ধে কিছু করা এই ডেফিনিশন নিলেই তো ঐ ইস্যু রিসলভ করা যায়।
  • প্লেসহোল্ডার | ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৯:০৫579937
  • :-)র বক্তব্য যদি ঠিক বুঝে থাকি তো এই ব্যাপারে সহমত, যে শাইনিং ইন্ডিয়া আর ভারতের মধ্যে মেয়েদের সম্মানের ব্যাপারে আকাশপাতাল ফারাক। গত দুএকদিন ধরে একটা খবর বেরোচ্ছে, হরিয়ানায় শুধুমাত্র পরিবারের ইচ্ছের বিরুদ্ধে বিয়ে করার কথা ভাবার জন্য ছেলে আর মেয়েটিকে মেরে ফেলা হয়েছে। এবং পরিবারের প্রত্যেকেই এই অনার কিলিং সমর্থন করছে।

    তো শাইনিং আর ভারতের মধ্যে এই দূরত্ব ঘোচাবার কোন উপায় আছে কি? কোন ন্যূনতম সমঝোতার জমি আছে কি? :-) মনে হয় সেই নিয়েই আলোচনা করতে চাইছেন। অবশ্য এর মধ্যে দুএক্জন শাইনিং বলছেন, "আমি মনে করি ধর্ষণ আটকানোর একমাত্র উপায় পুলিশ ও প্রশাসন।" এই মনোভাব বেশ হতাশাজনক। পুলিশ প্রশাসন লেলিয়ে এইধরনের সমস্যার সমাধান হবেনা বলেই মনে করি।
  • san | ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৯:০৭579938
  • ঈশানের সরলীকরণ দেখে আমি মুগ্ধ। টিভির মেয়েটি পণ্য হলে আপনিও পণ্য। এই জিনিসটা বোঝা বা বোঝানো যাচ্ছে না, পণ্য হতে গেলে একটা টাকাপয়সার বিনিময় লাগে। আমাকে দেখা বা দেখানোর পিছনে যতক্ষণ টাকাপয়সা বা মেটিরিয়াল কিছুর বিনিময় জড়িয়ে নেই, ততক্ষণ আমি কোনোভাবেই পণ্য হতে পারিনা। আমার স্বাধীনতা বা স্বাধীনতার বোধের পিছনে কোনো কন্ডিশনিং জড়িয়ে কিনা সে অন্য তর্ক। কিন্তু কন্ডিশনিং অর নো কন্ডিশনিং, বিনিময় না থাকলে পণ্য কিসের ? টিভির মেয়েটির শরীর দেখিয়ে কোনো প্রোডাক্টের বিক্রি বাড়ানো হচ্ছে।সে তো বিনিময়ে জড়িয়ে।

    ঋদ্ধিকেও মোটামুটি একই কথা। খোলামেলা শরীরকে পণ্য বলা যায় একমাত্র যদি তা কোনো বিনিময়ের সঙ্গে জড়িয়ে থাকে।এবার 'ভোগ্যবস্তু'র ডেফিনিশনে টাকা বা দাম এই জিনিসগুলো ঢুকে আছে। খোলামেলা শরীর দেখা আর খোলামেলা শরীরকে পণ্য/বিনিময়যোগ্য হিসেবে দেখা ইজ নট ইকুইভ্যালেন্ট ! এই জন্য দুটো অবস্থানে বিরোধ নেই।

    আবার পরে।
  • Ishan | ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৯:৩২579939
  • এটার জবাব পরে দেব। তার আগে জেনে নিই, যৌনকর্মীরা এই সূত্রে কোথায় পড়বেন? তাঁরা শরীর ও সৌন্দর্য এবং যৌনতা বেচছেন। নিশ্চয়ই পণ্য। পণ্যায়ন নিয়ে আপত্তি থাকলে নিশ্চয়ই সেটায় থাকবে। মানে শরীর দেখিয়ে সাবান বেচলে যখন নারী শরীরের পণ্যায়ন হচ্ছে ও তা আপত্তিজনক, শরীর দেখিয়ে শরীর বেচলে নিশ্চয়ই তাও পণ্যায়ন ও আপত্তিজনক?

    পুঃ আরেকটা জিনিস জানার ছিল। স্যানের এখন আলোচনায় সার্কাজম নিয়ে নিশ্চয়ই আর কোনো আপত্তি নেই, না?
  • kc | ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১০:২২579940
  • :-) | ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১০:৫৫579941
  • সেক্সুয়াল ফ্লন্টিং এর রিটার্নে কিছু আশা করার নেই, এই কনক্লুশনে পোঁছেই স্যান বিনিময়টা বুঝতে চাইল না। নইলে ঐ পুরুষের মুগ্ধ দৃষ্টি, লালসার দৃষ্টি, সিডিউসড আর সেক্সুয়ালি অ্যারাউসড স্টেট এনজয় করার আনন্দ, প্লেজার, গর্ব, নিজের ইম্পর্টেন্স এইসব দিকে ভাবলে, দেখা বা দেখানোর সময়ের নিজের পণ্যমুল্য সম্বন্ধে একটু ধারণা হতে পারত। একটুখানি জয় গোঁসাই ---।

    এবার লক্ষ্মীশ্রী মুছে গেছে / লেগেছে কি তীব্র রূপটান
    এইবার পথে বেরোলেই / সকলের চক্ষু টানটান
    ....
    আজ আরো খাটো হোক চুল / খাটো হোক অঙ্গের বসন
    আরো যত্নে মাজা হোক ত্বক / আরো তীব্র বাঁকা হোক ভুরু
    এইবার পথে বেরোলেই / কী জিনিস বেরিয়েছে, গুরু
    এইতো লক্ষ্মীশ্রী মুছে গেছে / আজ থেকে জেল্লা মার-মার / আজ থেকে স্বাধীনতা জারি
    কাল ছিলে বধূমাতা, আজ / নারীমাংস, নারীমাংস, নারী .....
    পথে পথে সহস্র পুরুষ / মনে মনে নোংরা করবে তোকে
    তাই নিয়ে অবুঝের মতো / গর্ব হবে তোর, হতভাগী
  • :-) | ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১১:১১579942
  • সম্মানের আরেকটু দ্বিমেরুকরণ দিয়েই যাই। কাল দে ফুলহাতা শালোয়ার পড়ে বসে আছে শুনেই মুখে এসে গেছিল, আপনি তো পুরো ব্যাহেনজী ক্যটেগরি মাইরি, শুক্রবারের আপিসে ফুলহাতা শালোয়ার কামিজ! সেটা আবার প্লেসহোল্ডারের জবানীতে না নিয়ে পারোনাল অ্যাটাক ভাবা যেতে পারে ভেবেই কাটিয়ে দিলাম। তো এই 'ব্যাহেনজি' ক্যাটেগোরির ঠিক বিপরীতেই, যদি দেখেন ক্যাটেগোরিটির নাম "মাল' / 'পটাকা"। স্কাইস্ক্র্যাপার কে ব্যাহেনজি বললে তার সম্মানে লাগে, ইগো হার্ট হয়। চেন্নাই এক্সপ্রেসে শারুক ভাইয়াজি ডাকে তিতিবিরক্ত হল। তুলনায় পটাকা বললে কোথাও একটা স্যটিসফ্যাকশন আসে। যাক ঠিক আছে। যথেষ্ট আকর্ষণীয় হওয়া গেছে, পোষাকে পরিচ্ছদে, অ্যাটিচুডে। ওদিকে নিম্নমধ্যবিত্ত ভ্যালুজের মেয়েটিকে মাল বললে সে বুকের আরো কাছে জড়িয়ে ধরবে তার হাতের বই-খাতা। আর যেখান থেকে আওয়াজটা জেনারেট হছে সেখান থেকেও যদি দেখেন, ব্যাহেনজি আর মাল কোন শব্দে কতটা সম্মান জড়িয়ে আছে বোঝায় কোনো নকুলদানা নেই।
  • sosen | ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১১:২১579943
  • আলোচনাটা ফলো করতে করতে মনে একটা প্রশ্ন জাগলো। এক্কেবারেই পুরুষদের কাছে প্রশ্ন। বহুদিন ধরেই জমে আছে।
    মুগ্ধতা আর লালসা এই দুটো কি কাছাকাছি? মানে যে মেয়েকে দেখে মুগ্ধ হন সে-ই কি যৌন লালসা / রিরংসা জাগায়? না কি দুটো সম্পূর্ণ আলাদা জায়গা থেকে আসে?
  • cm | ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১১:২২579944
  • আমি তাহলে ঠিকই বুয়েছিনু খামোকা ঋদ্ধি কনফিয়ুস কল্লে। হাসি বলছে ধর্ষণের বহু কারণের একখানি উগ্র সাজপোষাক। অন্য রা বলছে সাজপোষাকের জন্য হেনস্থা করা কাম্য নয়। অর্থাৎ যা হয় তার সাথে যা হওয়া উচিত নয়। তক্কের কি আছে বুঝছিনা। কদিন আগেই পাই লিঙ্ক দিলেন যেখানে অনেকেই একটি মেয়েকে টীজ করাকে সমর্থন দিয়েছেন। যা সত্য তা নিয়ে তক্কো কি? পরিস্থিতি বদলের জন্য কি করণীয় সেটাই আলোচনায় আসছেনা। এ বিষয়ে হাসি কি বলেন?
  • :-) | ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১২:০৮579945
  • ধর্ষণের নয়, মিসোজিনির। উগ্র সাজপোষাক নয়, একটা ভ্যালুসিস্টেমের কাছে আন অ্যাকসেপ্টেবল ড্রেস তাদেরকে হজম করানোর জন্য তাদের দেখিয়ে দেখিয়ে জোর করে পরা। সব মিডিয়ায় সেই ড্রেসের বহুল প্রচার। সেই ভ্যালুসিস্তেমটার প্রতি অসহনীয়তা। অথচ সেই ভ্যালুসিস্টেমটাকে ধীরে ধীরে সহনীয়ভাবে প্রগতির দিকে নিয়ে যাওয়ার কোনো চেষ্টা না করা। এখানে আবার "ড্রেস' টা প্লেসহোল্ডার। এর মধ্যে অ্যাটিচুড, জীবনযাত্রা, আরো অনেক কিছু ঢুকে আছে।
  • san | ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১২:২২579947
  • যেন, 'লক্ষ্মীশ্রী' একাটি প্যাকেজ না !
    যেন, মার্টিরডম এর প্লেজার প্লেজার না !

    আর যেন, সোশ্যাল অ্যাকসেপ্টেন্স সুনিশ্চিত করতে লক্ষ্মীশ্রীর সেফ মোডে স্টিক করে থাকাকে এইসব ইনভিসিবল ক্রয় বিক্রয়ের আওতায় আনা যায়না !

    স্মাইলিকে।
    ঈশানের উত্তর দিতে একটু লিখতে হবে, সে একটু বাদে।
  • :-) | ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১২:৩৫579948
  • sosen জানে এর ও প্রোটোটাইপিং আছে। সিনেমাপত্র একটু ভালো করে দেখলেই দেখা যায় নায়ক কখন মুগ্ধ হয়ে প্রেমে পড়ে। ঐ ধরুন যে সব সীনে পবিত্রতা, সারল্যের পূর্ণ পোর্ট্রে। চোখ বন্ধ করে হাতজোড় করে আছে, বৃষ্টিতে রাস্তার বাচ্চাদের সাথে ঝাপাচ্ছে। নিজের সেক্সুয়ালিটির ফ্লন্টিং করার সময় ঠিক মুগ্ধতা বা সুইট বা কিউট নয়, সেক্সি সম্বোধনটাই আশা করা হয়, যাকে বলে রিরংসার টিটিলেশন। এইটে একটু ঢাক ঢাক গুড় গুড় না করে মুক্ত মনে মেয়েরা স্বীকার করে নিলেই মিটে যায়। এবার সেটাকে ভালো খারাপ কিছু বলতে গেলেই প্লেসহোল্ডারের প্রয়োজন হবে, ভ্যালুসিস্টেম ছাড়া মরালিটির প্রোটোটাইপ ছাড়া সেই জাজমেন্টে আসা যাবে না।
  • san | ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১২:৫৯579949
  • অবশ্য যারা লক্ষ্মীশ্রীর মধ্যে সম্মান ছাড়া কিছু দেখতে পাননা তারা মাতৃরূপ ছাড়া অন্য কিছুতে অসম্মানের বাইরে কিই বা দেখবেন ? লক্ষ্মীশ্রীর গ্লোরিফিকেশনের পিছনে তার ইউটিলিটি ভ্যালুর অবদান কম নাকি ?
  • ভ্যালুসিস্টেম | ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৩:২৬579950
  • "ধর্ষণের নয়, মিসোজিনির। উগ্র সাজপোষাক নয়, একটা ভ্যালুসিস্টেমের কাছে আন অ্যাকসেপ্টেবল ড্রেস তাদেরকে হজম করানোর জন্য তাদের দেখিয়ে দেখিয়ে জোর করে পরা। সব মিডিয়ায় সেই ড্রেসের বহুল প্রচার। সেই ভ্যালুসিস্তেমটার প্রতি অসহনীয়তা। অথচ সেই ভ্যালুসিস্টেমটাকে ধীরে ধীরে সহনীয়ভাবে প্রগতির দিকে নিয়ে যাওয়ার কোনো চেষ্টা না করা। এখানে আবার "ড্রেস' টা প্লেসহোল্ডার। এর মধ্যে অ্যাটিচুড, জীবনযাত্রা, আরো অনেক কিছু ঢুকে আছে।"

    ঠিক। এই ভ্যালুসিস্টেমটা ভালো হতে পারে, খারাপও হতে পারে। হতে পারে এর বিবর্তন দরকার। কিন্তু এটার ওপর জোর করে অন্য একটা ভ্যালুসিস্টেম চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে, একথা অনস্বীকার্য্য।
  • sosen | ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৪:০৩579951
  • সিনেমা না, সিনেমা না। আমি এইটা জানি না, ওমনাথ। প্রোটোটাইপিং এর কচকচি রেখে সত্যি-ই প্রশ্ন করছি, মানে পুরুষদের কাছে করছি। মেদবর্জিত প্রশ্ন। কেউ একটি মেয়ে অসাধারণ গাইছে তানপুরা হাতে, মুগ্ধ হলেন, কেউ সংক্ষিপ্ত পোশাকে দারুণ ভঙ্গিমায় হাঁটছে দেখে মুগ্ধ হলেন, কেউ রাস্তায় "ডবকা" শরীরে জল ঢেলে স্নান করছে দেখে মুগ্ধ হলেন, কেউ কোনো একটি মেয়ে অসাধারণ রাঁধে, মিষ্টি কথা কয়, ঘর গেরস্থালি করে দেখে মুগ্ধ হলেন, কেউ বা জনসভায় ভাষণ, তেজস্বিতা, দুর্দান্ত বডি ল্যাঙ্গুয়েজ দেখে মুগ্ধ হলেন। তখন তাকে বিছানায় শুইয়ে ফেলতে ইচ্ছে হয়? যৌনেচ্ছা জাগে?

    এটা আমার টোটাল একাডেমিক কৌতূহল। সৎ উত্তর পেলে কাজে লাগবে।
  • Shibir | ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৪:০৯579952
  • জয় গোঁসাই এর এই কবিতাটা ভালো লাগলোনা। বিশেষত লক্ষ্মীশ্রী, বধূমাতা, মনে মনে নোংরা করবে তোকে, অবুঝের মতো শব্দ ও বাক্যাবন্ধগুলো খুবই একচোখা মনে হলো। নারীর অনেক রূপ হতে পারে, তার মধ্যে হায়ারার্কি না তৈরী করাই বোধহয় ভালো।
  • cm | ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৪:১০579953
  • আমারো একখান অ্যাকাডেমিক প্রশ্ন ছিল বিভিন্ন পুরুষের বিভিন্ন পরিস্থিতিতে বিভিন্ন নারীকে দেখে যে অনুভূতি তারে আপনি কোন পন্থায় গড় নেবেন? বা ডাটা কন্ডেন্সেশন হইবে কি রূপে?
  • san | ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৬:০৮579954
  • এবারে ঈশানের উত্তর। সেভাবে দেখলে মেধাও পণ্য এবং আমার তাহলে মানুষের চাকরিবাকরি করাতেও আপত্তি থাকার কথা ছিল :-) নেই।

    একটা ছোটো উদাহরণ দিই। কেউ শরীর বেচে রোজগার করলে আমার সমস্যা নেই। কেউ মেধা বেচে চাকরি পেলে আমার সমস্যা নেই। সমস্যা হবে যদি মেধা লাগে এমন চাকরি পাবার জন্য শরীর দিতে হয়, অর্থাৎ দেওয়াই নর্ম হয়ে যায়।
    তফাৎ টা কোথায় ? চয়েসের পরিধি ক্রমশ ছোটো হয়ে আসায়।

    কনজিউমারিজম কি করে ? এ বি সি এক্স ওয়াই জেড যেকোনো প্রোডাক্ট বেচতেই গিয়েই যৌনতা বেচতে বেচতে এমন একটা সর্বগ্রাসী নর্ম তৈরি করে ফেলে যেখানে নারীশরীর পণ্য না হওয়ার জায়গাটাকে ক্রমশ গিলে নিতে থাকে। কোনো মেয়ের যৌনতা বেচার অধিকার থাকা, আর যৌনতা মাত্রেই বিক্রির জন্য নিবেদিত এরকম একটা কালচারাল নর্ম তৈরি করে ফেলা একেবারেই এক না। এই নর্ম তৈরি করে ফেলার ক্ষমতা যৌনকর্মীরা রাখেন না। মার্কেট ইকনমি রাখে। কনজিউমারিজম রাখে।

    আমার মনে পড়ছে এই একই বক্তব্য আমি চিয়ারলিডার টইতেও লিখেছিলাম। নারীর 'মোহময়ী' সত্তাকে অন্য সব সত্তার উপরে 'গায়ের জোরে' স্থাপন করা কনজিউমারিজমের দান। ঐটা মার্কেট না করলে, কোনো ইন্ডিভিজুয়াল মেয়ে নিজের ইচ্ছায় নিজের জীবনে করলে আমার একদম কোনো সমস্যা নেই।

    এর পরের চেনা প্রশ্ন হবে যারা ইন্ডিভিজিউয়ালি যৌনতা বেচবে তারা কি কন্ডিশনড নয় ? হোক বা না হোক, তারা যৌনতাকে পণ্য করতে অনিচ্ছুক মেয়ের জীবনে কোনো প্রভাব ফেলবেনা।যেমন দেশে যতই মহিলা ডাক্তার থাকুন মেয়ে দেখামাত্র কেউ তাদের ডাক্তার ভেবে ফেলেনা :-)
  • :-) | ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৬:২১579955
  • সোসেন, এই প্রশ্নের উত্তর সাহানা কিছুটা দিতে পারেন হয়তো। উনি বলেছিলেন, "ধরা যাক স্মাইলি র স্মাইল ই আমার অন্তর দ্রব করে ফেল্লো, মনে হল একে আমায় পেতে হবে আমি মওকা বুঝে ঝাপিয়ে পড়লাম আপনার উপর।" এই খানে যেটা আমি বুঝিনি স্মাইলটুকুই যদি অন্তর দ্রব করে ফেলে তবে তো স্মাইলির সাথে বেশি বেশি সময় কাটানো, তাকে স্মাইল করার অবকাশ দেওয়া আর সেটা উপভোগ করে আনন্দ পাওয়ার মধ্যেই ব্যপারটা শেষ হওয়ার কথা। সেখান থেকে ঐ "একে আমায় পেতে হবে" এই ডিডাকশনটা ঠিক ক্লিয়ার নয়। ধরুন কেউ ভালো হাসে, কেউ ভালো গান গায়, কেউ ভালো কবিতা লেখে, কেউ ভালো অভিনয় করে, কারো দাঁত সুন্দর, কারো চোখ সুন্দর, কারো চুল সুন্দর, তো সবাইকেই কি "আমায় পেতে হবে" ?

    যেমন আপনি বলছেন, শ্রেয়া ঘোষাল বা কৌশিকি গান গাইলে কি মনে হয়, আরো বেশি করে গান শুনি ? না গিয়ে একটু চুমু খাই? না বিছানায় নিয়ে চটকাই? এবার লতা মঙ্গেসকর গাইলে কি মনে হয়? এবার সুনিধি চৌহান গাইলে কি মনে হয়? এই মনে হওয়ার পেছনে এদের যে ইমেজের ভিসুয়ালাইজেশন আছে বিভিন্ন মিডিয়ার কল্যানে তার কি প্রভাব? কার কার কাছে কী কী প্রভাব ? এই সবই তার নিজস্ব ভ্যালুসিস্টেমে মনে হওয়াটাকে কীভাবে ডিকটেট করে?

    আপনি সত্যিই কিছুটা জানেন, কারণ সবকটা উদাহরণের যেদুটোতে আপনি সেক্সুয়ালিটির ভিজুয়ালাইজেশন এনেছেন, সংক্ষিপ্ত পোশাকে দারুণ ভঙ্গিমায় হাঁটছে আর রাস্তায় "ডবকা" শরীরে জল ঢেলে স্নান করছে সেখানে সংক্ষিপ্ত পোষাক আর ডবকা শরীর শব্দ ব্যবহারের সময় থেকেই আপনি জানেন আপনি কী উত্তর খুঁজছেন।

    স্যান কি লক্ষ্মীশ্রী আর মাতৃরূপ থেকে দেশে বা সমাজে মরালিটির একটা গ্রস প্রোটোটাইপকে স্বীকার করল?
  • :-) | ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৭:১২579956
  • সোসেনকে আরো একটু, যেহেতু প্রায় ব্যক্তিগত সমীক্ষা চালানোর মতো প্রশ্ন করল। এক গুরুত্বপূর্ণ সরকারী পদে চাকুরিরতা মাঝবয়েসী মহিলা, এক চিত্রকরের স্ত্রী আমাকে জানান - লেখক উদয়ন ঘোষ, যাকে তিনি পিতৃমূল্য দেখতেন, অবসরপ্রাপ্ত শেষ জীবনে পরিচয়সুত্রে ব্যক্তিগত আলাপচারীতায় তাকে একটি কথা বলেন, যা উদয়নবাবুর মৃত্যুর এতদিন পরেও ওঁর মনে আছে এবং তাতে বিশ্বাস বাড়তেই থাকছে প্রতিদিন। কথাটি এরকম। তুমি যখন কোথাও যাবে, কারো কাছে, কোনো অফিসে, কোনো জনসমাগমে, কোথাও - তুমি হয়তো খুব শিক্ষিতা, খুব এফিসিয়েন্ট, টেকনিকালি খুব ভালো বা অন্য নানা গুণ রয়েছে, স্মার্ট, ভালো কবিতা বল, বিচক্ষণ, ইত্যাদি, কিন্তু যার কাছে যাচ্ছ সে যদি পুরুষ হয়, সে প্রথম দর্শনে তোমায় জাজ করবে, দেখবে একজন নারী হিসেবে। সে যতই শিক্ষিত হোক, অধ্যাপক, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, ব্যারিস্টার যাই হোক, যতই প্রগতিশীল হোক। তারপর পরিচয় বাড়লে, দেখতে দেখতে জানতে জানতে সে আস্তে আস্তে তোমায় বুঝবেন, তোমার গুণগুলো দোষগুলোর প্রেক্ষিতে তোমায় বিচার করবেন। কিন্তু প্রথমে ঐ, তোমার পরিচয় শুধু একজন নারী। ডাক্তার নয়, ইঞ্জিনিয়ার নয়, ল-ইয়ার নয়, বিজ্ঞানী নয়, একজন নারী। উনি আমায় জানালেন, "বিশ্বাস কর, এই কথাটা এর আগে আমায় কেউ বলেননি কখনো। আর এটা আমায় একটাই হন্ট করেছিল এটা আমার এখনো মনে আছে। আর এতদিন পরে, আমি অভিজ্ঞ হয়েছি, অনেক দেখেছি অনেককে দেখেছি। এখন আমি জানি, উনি সত্যি বলেছিলেন। আশ্চর্য এইটা আগে কেউ কখনো বলেনি, বা আমিও কখনো এভাবে ভাবিনি।"

    শুনে অবশ্য আমার এক বন্ধু আমায় বলেন এইটে সব মেয়েই খুব ভালো করে জানে। এবং সেই মেয়ে হওয়ার সুবিধেও যেখানে যেমন সম্ভব নিয়েই থাকে। যেমন কোথায় শুধু হাসিতেই কতটা কাজ হয়, কোথায় শুধু তাকানোয়, কোথায় অসহায়তা দেখানোয় আর কোথায় ন্যাকামোয়। সব সব মেয়েরা একেবারে ইন্ট্রিন্সিকালি এটা জানে আর এটা ব্যবহার করে। নিন, একজন বাংলাভাষার অন্যতম শ্রেষ্ঠ কলম আর একজন ডিসটর্টেড পার্সোনাল রিলেশনের মধ্যে দিয়ে বড় হওয়া HS পাসের বক্তব্য দিয়ে দিলুম আপনার সমীক্ষার জন্য।
  • দেব | ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৭:৪২579958
  • @ প্লেসহোল্ডার

    একটু ক্লিয়ার করে যাই। পুলিশ-প্রশাসনের ওপর ভরসা রাখা মানে লেলিয়ে দেওয়ার কথা হচ্ছে না। এই মুহূর্তে যে আইন আছে সেটা আমি যথেষ্ঠ মনে করি। সমস্যাটা খাতায় কলমে আইন যা আছে সেটার ল্যাক অফ প্রাকটিক্যাল ইম্পলিমেন্টেশনের। জোরালো মানে এইটাকেই জোরালো করা। ধর্ষণকারীর অন্ডকোষ কেটে নে বা অ্যাসিডে চোবা বা চোখ খুবলে নে যাতে 'এক্সেম্পলারী' পানিশমেন্ট হয় এই জাতীয় দাবী নয়।

    মনে করি না ধর্ষণের শাস্তি মৃত্যুদন্ড হওয়া উচিত।

    শাইনিং ইন্ডিয়ার বিহেভিয়ার কি নট ইয়েট শাইনিং ইন্ডিয়ার 'মরালিটির' ওপরে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলছে? ইয়েস। পিরিয়ড। কিন্তু সেটার পরিমাণ ট্রিভিয়াল। আশারাম বাপুর কীর্তিকলাপের পেছনেও শাইনিং ইন্ডিয়ার উসকানি খুঁজে পেতেও পারেন কেউ কেউ।
    কিন্তু সেটার জন্য কিস্যু করতে পারবেন না। কি করবেন? আল্টিমেটলি ইট উইল কাম ডাউন টু সাম সর্ট অফ ব্যান এই তো? টিভি সিনেমায় কিছু লাগালেন, মেয়েদের পোশাকে কিছু লাগাম টানলেন যাতে রুরাল ইন্ডিয়ার মাথা না ঘুরে যায়। ব্যাস।

    ফ্লাডগেটটি একবার খুলুন, প্রেসেডেন্টটি একবার সেট করুন রুরাল ইন্ডিয়ার 'মরালিটির' সাথে কমপ্রোমাইজে আসার, এই থান ইটটি গলায় একবার চাপলে সোজা তলিয়ে যাবেন। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়টি অলরেডি ঢোঁক গিলছে, সংখ্যাগুরুটিও যাবে। বিপদটা এইখানেই।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা খুশি প্রতিক্রিয়া দিন