এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • লাল গড় :পটভুমি,অতিত-বরতমান-ভবিষ্যত

    kanti
    অন্যান্য | ১৪ নভেম্বর ২০০৮ | ৩৯১৩০ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • shyamal | ১৯ জুন ২০০৯ ০৯:৫১405727
  • শমিকের দেওয়া খবরটা এখানেও বেরিয়েছে। http://tinyurl.com/klb4a8
    কিন্তু এরা বলছে উন্নয়নের কাজগুলো করছে PCPA নামক একটি সংস্থা যার নেতা হলেন ছত্রধর মাহাতো।
    আমি মার্চ-এপ্রিলে দেশে গিয়েছিলাম। তখন প্রথম ছত্রধরের নাম শুনি। ইনি কিন্তু মাওবাদী নন, গান্ধীবাদী। যদিও এনার ভাই মাওবাদী, কিন্তু অন্তত: কাগজে কলমে ভাইয়ের সঙ্গে কোন রাজনৈতিক সম্পর্ক নেই। ইনি মূলত: অহিংস আন্দোলন চালিয়েছেন।
    জানিনা, এনার লোকেরাই সিপিএমের একজন সদস্যের মার্বেল-ফ্লোর দোতলা বাড়ি ভেঙেছেন কিনা। সেটা কিন্তু খুব অন্যায় হয়েছে। বেচারা পার্টির ফুলটাইম ক্যাডার আর মাত্র মাসে ১৫০০ টাকা পেতেন পার্টি থেকে। ঐ টাকা দিয়ে কি সুন্দর বাড়ি বানালেন আর সবার চোখ টাটাল।
  • pi | ১৯ জুন ২০০৯ ১০:০৩405729
  • ফুটকিকে।

    না পড়ে থাকলে এটা একটু পড়তে বলবো।
    JNU র ছাত্রদের fact finding report থেকে।

    ....Usually, the police harass and arrest tribal villagers after every Maoist attack; this time in order to hide their own failure in providing security to its political masters, and to save their skin from the wrath of the government, the police went on a rampage in the tribal villages. Having no clue about the real perpetrators of the land mine explosion, they started beating up and arresting people indiscriminately. Among the first to be arrested were three teenage students, Aben Murmu, Gautam Patra and Buddhadeb Patra, who were returning from a village festival during the night. They were charged with sundry charges including waging war against the state, conspiracy, attempt to murder, using dangerous weapons and obstructing justice. Then during the day on 4th November, an armed police party arrested Dipak Pratihar of Kantapahari village while he was buying medicine from a chemist’s shop in Lalgarh for his pregnant wife Lakshmi. In the process the police brutally beat up Lakshmi and threw her to the ground. She had to be subsequently hospitalized. Ten people were arrested during the police raids and beaten up, including a retired teacher Khsamananda Mahato and a civil contractor Shamsher Alam from Chotopeliya village, who was visiting the area for a day for some construction work. Although these two people were subsequently released, as the police could not formulate any charges against them, the rest were kept in police custody....

    The police and CRPF, led by the officer in charge of Lalgarh police station, Sandeep Sinha Roy and the superintendent of police of West Midnapore district, Rajesh Singh, unleashed a reign of terror in 35 villages encompassing the entire tribal belt of Lalgarh. In raids throughout the night of November 6th, women were brutally kicked and beaten up with lathis and butts of guns. Among the injured, Chitamani Murmu, one of whose eyes was hit by a gun butt, and Panamani Hansda, who was kicked on her chest and suffered multiple fractures, had to hospitalized. Chitamani’s lost her eye because of the injury. Eight other women were badly wounded. These police brutalities soon reached a point where the adivasis had no other option but to rise up in revolt....

    Coupled with Police terror they talked of CPM terror too. CPM cadres and leaders have only acted as informers to police they said....


    এই আচরণের জন্য পুলিশকে ক্ষমা চাইতে বলে আদিবাসীদের দাবী জানানোটাকে এরপর ও আখ্যা দেবেন মাওবাদীদের ত্যাঁদড়ামি ?
    তাহলে আর কিছুই বলার থাকেনা।

    মাওবাদীদের আচরণের, নীতির, কাজের সমালোচনা করছেন করুন। আমিও করছি। কিন্তু এভাবে আদিবাসীদের একটা ন্যায্য আন্দোলন ও তার দাবী দাওয়াকে খাটো করবেন না।
  • . | ১৯ জুন ২০০৯ ১০:২৮405730
  • এটাই ফ্যালাসি, আমরা যেটা পছন্দ হয় সেটাকে আকড়ে ধরি সত্যি বলে। JNU ছাত্রদের রিপোর্টের সত্যতা কি?
    আদিবাসীদের আন্দোলনের প্রতি বক্তব্য: নেই, কিন্তু রাস্তা কাটা ইত্যাদি সমর্থন যোগ্য নয়, আর মাওবাদীদের বদমাইশি, বুদ্ধদেবকে হত্যার চেষ্টাকে অন্যায় মনে করি আর যারা তাদের সমর্থন করে, তাদের ঘৃণা করি।
    আন্দোলনের অনেক সঠিক উপায় আছে, ব্যক্তি হত্যার নৃশংস রাজনীতি আর সমর্থকদের ধিক্কার জানাই।
  • Suvajit | ১৯ জুন ২০০৯ ১০:৩২405732
  • ফুটকির পোস্টে 'পুলিশের কাজ রাষ্ট্রের স্বার্থ রক্ষা' - এটা পড়ে আমার বেদম হাসি পেল। প:ব:তে রাষ্ট্র মানে সিপিয়েম, উ:প:তে মায়াবতী ইত্যাদি।
    TOI তে প্রাক্তন নকশালদের বক্তব্য পড়ে মনে হল খেলার পাতার মতন, ধোনি যুবরাজকে কেন তিনে না নামিয়ে পাঁচে নামালেন, হরভজনকে কেন বল দিলেন ইত্যাদি।

    "এমন দেশটি কোথাও খুঁজে ...'
  • Samik | ১৯ জুন ২০০৯ ১১:২০405733
  • ঘৃণা কিনা জানি না, তবে সমর্থন করি না। তবে ফুটকিকে, মাওবাদীদের বদমাইশি, রাস্তা কাটা, এসব শুরু হবার আগেও তো দীর্ঘ তিরিশ বছর কেটেছে, তথাকথিত অহিংস ভাবেই। কিছু লাভ হয়েছিল কি? নাকি কাশ্মীরের মত আরও সময়ের দরকার ছিল এখানেও?
  • Arijit | ১৯ জুন ২০০৯ ১১:২৫405734
  • http://pnachforon.blogspot.com/2009/04/blog-post_28.html - অবভিয়াসলি এগুলো সিপিএমের ফালতু প্রোপাগাণ্ডা। তাও দিতে ইচ্ছে করলো...
  • dipu | ১৯ জুন ২০০৯ ১১:২৭405735
  • আমার কম্পু এইসব ফালতু প্রোপাগান্ডা ফিল্টার করে দিচ্ছে! আমি পেজটায় শুধু চৌকো বাক্স দেখছি :-)
  • . | ১৯ জুন ২০০৯ ১১:২৯405037
  • শমিক, বামফ্রন্টের কোন মুখ নেই এক্ষেত্রে।৩০ বছর ক্ষমতায় থাকার পর কেন আমলাশোল তার জবাব নেই কেন?? কিন্তু তাবলে খুনের রাজনীতি, না সমর্থন নেই।
    শুভজিত আপনার হাসিটা নিজের কাছেই রাখুন দয়া করে। রাষ্ট্র মানে যেখানে যে ক্ষমতায় আছে, সেটা মায়াবতী থেকে মোদী, নির্বাচিত সরকারই বৈধ প্রতীক গনতন্ত্রে।
  • rokeyaa | ১৯ জুন ২০০৯ ১২:১২405038
  • রাষ্ট্র মানে, "যে যেখানে ক্ষমতায় আছে'? ব্যস? প্রশাসন, পুলিশ-মিলিটারি, আদালত --এইগুলো রাষ্ট্র না?
  • . | ১৯ জুন ২০০৯ ১২:২৬405039
  • পুলিশ, আদালত অবশ্যই রাষ্ট্রের অঙ্গ, এবং তারা ক্ষমতাশীল সরকারের নীতি আর সংবিধান অনুযায়ী কাজ করে থাকে।
  • pinaki | ১৯ জুন ২০০৯ ১২:৪৩405040
  • ব্যাপারটা খুব গোলমেলে লাগছে। মাওবাদীরা কি চাইছে আমি একদম বুঝতে পারছি না। ওরা কি ভেবেছিল? যে এখন গোটা রাজ্যে সি পি এম ব্যাকফুটে। এখন সি পি এম আর একটা নন্দীগ্রাম করার সাহস পাবে না। অতএব এই সুযোগে লালগড়কে দণ্ডকারণ্য বানিয়ে ফেলা যাবে? তো এখন তো সে¾ট্রাল ফোর্স এসে গেল। সি পি এমেরও ঘাড় থেকে বোঝা নেমে গেল। দণ্ডকারণ্যও বানানো গেল না। নন্দীগ্রামের পুলিশি অভিযানের সময় তার বিরুদ্ধে যেমন জনমত ছিল, লালগড় আন্দোলনের শুরুতে তার পক্ষে যা জনমত ছিল, মাওবাদীদের শেষ কয়েকমাসের ভুলভাল আচরণ সেই জনমতকেও অনেকটাই বিরুদ্ধে ঠেলে দিয়েছে। সমাজের একটা বড় অংশের মধ্যে পুলিশি অভিযানের পক্ষে মতামত তৈরী হয়ে গেছে - যেটা নন্দীগ্রামের সময় ছিল না। এই গাম্বাটপনার কারণ কি? মানে এটা কি আদৌ গাম্বাটপনা? নাকি এর পিছনে কোনও গভীর ছক আছে মাওবাদীদের। যেটা আমাদের মত সাধারণ দৃষ্টিতে ধরা পড়ছে না।

    জনতা একটু আলোকপাত করুন। এক্কেরে ঘেঁটে গেছি।
  • h | ১৯ জুন ২০০৯ ১২:৫০405041
  • একটা বেসলেস কনস্পিরেসি থিয়োরী যেটা আমার মাথায় ঘুরছে, সেটা হল, এই দিয়ে কংগ্রেসের যাকে বলে 'রাষ্ট্রবাদী' পলিসির রি-ইটেরেশন হল, যাতে মমতা বিরোধী থেকে স্টেটসম্যান হতে বাধ্য হন অথচ, সিপিএম জেনেরালি চাপে থাকে, কারণ ক্রেডিবিলিটি গোটাটাই কেন্দ্রের, যদি মাওবাদী রা হারে, যদি না হারে, ব্যর্থতা রাজ্যের, সেক্ষেত্রেও রাষ্ট্রবাদী নীতির জয় ই হচ্ছে। ইত্যাদি।
  • kallol | ১৯ জুন ২০০৯ ১২:৫৭405042
  • মাওবাদীরা (হয়ে উঠতে চাওয়া রাষ্ট্র) তাদের কাজ করেছে। রাষ্ট্র তার কাজ করবে। মাঝখান থেকে কিছু আদিবাসী/সাধারন মানুষ (উলুখড়েরা) -না- হয়ে যাবেন। ঠিক যেমন -না- হয়ে গেছেন নন্দীগ্রাম আর সিঙ্গুরের সাধারন।
    মাওবাদী আর সিপিএম, হয়ে উঠতে চাওয়া আর হয়ে থাকা রাষ্ট্র, দুতরফেই অকাতরে মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছে / করছে / করবে কারন এদের কেউই মানবাধিকারে বিশ্বাস করে না (না বলে / বলে)।
    আমি ঠিক যানি না এই মাওবাদীরা তাদের সামরিক লাইন নিয়ে কি ভাবে। বহুকাল আগে (যেবার অন্ধ্রে, গায়ক গদরের ওপর গুলি চলল) কলকাতায় গদর আর ভরভরা রাও এসেছিলেন। ওঁদের সাথে এক জায়গায় বসে কথা হয়েছিলো। অনেকে ছিলেন সেই বৈঠকে। আমি প্রশ্ন করেছিলাম - আজ যখন সামরিক প্রযুক্তি এমন একটা যায়গায় চলে গেছে, যেখানে হাজার মাইল দূরে বসেও পৃথীবীর যেকোন জায়গায় মিসাইল আছড়ে ফেলা যায়, সেই সময় ""গেরিলা জোন"" কতটা প্রাসঙ্গিক। উনি জবাব দিয়েছিলেন - কই, আমাদের গেরিলা জোন তো অক্ষত !! এর কি জবাব হয় আমি জানি না।
    এরা জানেও না বোঝেও না রাষ্ট্রের শক্তি ঠিক কতখানি। ৪০-এর বা ৭০-এর সামরিক কৌশল ২০০৯-এ কাজে দেবে - এরকম একটা মুর্খের স্বর্গে বাস করে।
    এরা নিজেরা মরবে - সাথে অসংখ্য মানুষ মরবে। আর সেই মূল্যে ""শান্তি"" আসবে। এরপর হয়তো ""উন্নয়ন"" আসবে - যেমন এসেছে আজকের নকশালবাড়িতে। আজ নকশালবাড়ি লালগড়ের তুলনায় উন্নত।
  • Ri | ১৯ জুন ২০০৯ ১২:৫৯405043
  • মাওবাদী আর ছত্রধর মাহাতো এক নয়। যতদিন ছত্রধর আদিবাসী দের জন্যে লড়ত রাষ্ট্র এগোয় নি। কিন্তু যবে থেকে মাও রাজ শুরু হয়েছে রাষ্ট্র বাধ্য হয়েছে ব্যবস্থা নিতে।
    রাষ্ট্র কে চ্যালেঞ্জ জানাবে মাওবাদীরা - মিডিয়ার সামনে বন্দুক ঝুলিয়ে বলবে " পুলিশ ঢুকতে পারবে না ঢুকলেও ফিরতে পারবেনা"। কাল তারানন্দে কিষাণ বলেছে "গরিলা যুদ্ধ চলবে "। আবার বলেছে বাম দলের সাধারান কর্মীরা আমাদের শ্রেণীশত্রু নয়, তারা কেন নেতাদের বিরোধ করছেনা অভিযান বন্ধ রাখার জন্যে।যেখানে সিপিএম,তৃণমূল, কংগ্রেস, বিজেপি সবাই সংসদীয় গণতন্ত্রর পক্ষে অর এতগুলো দলের পিছনে এত জনগন আছে তখন তাদের কে মেরে কি উদ্দেশ্য সাধিত হচ্ছে জিগ্গেস করায় উত্তর এলো বিপ্লবের ক্ষেত্র তৈরি হচ্ছে। [ সিপিএম সমর্থক শ্রেণীশত্রু না হলেও খুন হচ্ছে। কাল এক তৃণমূল সমর্থক ও কোতল হয়েছে পুলিশের ইনফর্মার অভিযোগে। টি এম সি এম পি কবীর সুমন শেষোক্ত ঘটনা নিয়ে কি বলবেন ? ]
    মাও দের মূল কথা আমি এলাকায় রাষ্ট্র কে ঢুকতে দেবো না,যাকে খুশী মারবো, নিজের শাসন চালাবো আর রাষ্ট্র কে চ্যালেঞ্জ জানাবো।আর রাষ্ট্র মিলিটারি নিয়ে এগোলে "ক্যানো ক্যানো" বলে চিৎকার জুড়বো। এইবার রাষ্ট্র চ্যালেঞ্জ নিয়েছে - কিষান বিকাশ দের গেরিলা বাহিনীসমেত কে রাষ্ট্র দেখে নেবে। রাষ্ট্র কে চ্যালেঞ্জ জানালে সেটা ফেস করার বুকের পাটা থাকা চাই।
    আমি এই অভিযানে রাষ্ট্রের সমর্থক।
  • r | ১৯ জুন ২০০৯ ১৩:০৫405044
  • আমার একটা স্পিরিচুয়াল থিওরি আছে।

    ম্লেচ্ছ নিবাহ নিধনে কলয়সি করবলম
    ধূমকেতুমিব কিমপি করবলম
    কেশব ধৃত কল্কি শরীর
    জয় জগদীশ হরে।
  • ranjan roy | ১৯ জুন ২০০৯ ১৩:১১405045
  • মি: ফুটকি! হাসালেন মাইরি! "" পুলিশ সংবিধান মেনে কাজ করে থাকে?'' এতভালো সার্টিফিকেট স্বয়ং কিরণ বেদীও দিতে পারবেন না।
    নকশালদের কথা লালগড় ছেড়ে দিন। প্রতি রাজ্যে সাধারণ দরীব মানুষদের ছিঁচকে চুরি, মারামারির অপরাধে ধরেএনে ঘরের লোকজনের থেকে ছেড়ে দেয়ার জন্যে প্রোটেকশন মানি চাওয়া এত কমন ঘটনা। জেল কাস্টডিতে বা পুলিশ লক আপে পিটিয়ে সাধারণ মানুষকে মেরে ফ্যালা এগুলো সংবিধা অনুযায়ী?
    আর বড় মানুষদের জন্যে কোর্টে এভিডেন্স প্রেজেন্ট না করা বা নষ্ট করা (যার জন্যে ওনারা বেনিফিট অফ ডাউট পেয়ে যান) এগুলো সম্বিধান সম্মত কাজ?
    হয় আপনি ভারতবর্ষে থাকেন না/ নয়তো চোখ বুঁজে থাকেন।
    মুম্বাইয়া ফিলিম বানানেওয়ালারাও পুলিশের চরিত্রচিত্রণে এর চেয়ে বেশি সত্যের কাছাকাছি।
    যেকোন রাজ্যে যেকোন আর টি ও অফিসে যান, বেআইনী গাড়ির এবং অনেক ক্ষেত্রে আইনী হলেও ঘুষের বহর দেখতে পাবেন।
    পুলিশ যে কোন মামলা হাতে আসলেই ওজন করে-- এটা কতটাকা পাওয়ার মামলা? যেমন পার্টিকত দিতে পারবে? হাতকড়া আগে লাগিয়ে দিলে খোলাতে বাড়ির লোকজন কত দেবে? জামিনের আবেদন কোর্টে হাল্কা করে প্রটেস্ট করলে কত পাব? ইত্যাদি,
    ব্ল্যাংকিকে,
    আইনের ব্যবস্থার মধ্যেও আউট অফ কোর্ট সেটলমেন্ট বলে ব্যবস্থা আছে। আদালতের বাইরেও ক্ষমা চেয়ে ঝগড়া মেটানো যায়।
    মনমোহন সিং ইলেকশানের আগে ১৯৮৪র শিখবিরোধী দাঙ্গা নিয়ে সমগ্র শিখ সমাজের কাছে ক্ষমা চেয়েছিলেন বলে মনে পড়ছে। এত দশক পরে জাপান সরকার পুরনো অট্রোসিটির জন্যে চীনের কাছে ক্ষমা চেয়েছিলো। কোরিয়ান মেয়েরা ১৯৫১-৫৩'র সময়ের আমেরিকান সৈন্যদের অত্যাচারের জন্যে ক্ষমা চাওয়র দাবী করেছিলো।
    সার্বজনিক ভাবে ক্ষমা চাইলে ক্ষমাপ্রার্থী ছোট হয়ে যায় ন, ইমেজ বাড়ে।
    ( আমি একবার গাঁয়ের মধ্যে আমার অধীনস্থ ম্যানেজারের দুর্ব্যবহারের জন্যে সবার সামনে নি:শর্ত ক্ষমা চেয়ে ব্যাংকের ইন্টারেস্ট প্রটেক্ট করেছিলাম:))))) )
    আসলে বুদ্ধবাবুরা ওটাকে অন্যায় মনে করছেন না, ক্ষমা কেন চাইবেন?
  • pinaki | ১৯ জুন ২০০৯ ১৩:২৪405046
  • কল্লোলদার কথা অনুযায়ী এটা মাওবাদীদের গাম্বাটপনা। আমারও তাই মনে হয়। কিন্তু তিরিশ বছর ধরে লোকে একই রকম গাম্বাট থেকে যাবে - এটা ভাবতে কিরকম যেন লাগে। সেইখান থেকেই কনফিউশনটা তৈরী হচ্ছে।

    আরও অদ্ভুত যেটা লাগছে - সেটা হল এদের সমর্থকরা কোথাও মানুষের সাথে ডায়ালগে নেই। অর্কুটে আমি অনেককেই চিনি যারা RSF বা গণ প্রতিরোধ মঞ্চ করে। এদের মধ্যে কেউ কেউ গুরু ফলো করলেও অবাক হব না। এরা যখন দেখছে যে নন-সি পি এম লেফট লোকজন, বুদ্ধিজীবিদের অধিকাংশ, মানবাধিকার সংগঠনগুলো, বা নিতান্ত সাধারণ গণতান্ত্রিক বোধ সম্পন্ন মানুষ ওদের কাজকর্মকে ভালোভাবে নিচ্ছে না, সরাসরি ওদের কাজকর্মকে কনডেম করে নিজেদের মতামত রাখছে (যেটা অনেকেই এর আগে এভাবে প্রকাশ্যে করে নি), যে সহানুভূতির হাওয়া ওদের পক্ষে ছিল, সেটা উল্টোদিকে ঘুরছে, সেসব দেখেও ওরা কোথাও কোনও সংগঠিত ডিবেট ইনিশিয়েট করছে না। মানুষ তো ঠিক ভুল যাই হোক না কেন নিজের মতামতটাকে যুক্তিসহ সমাজে রাখার চেষ্টা করে। বিশেষত: ওরা যখন একটা সংগঠিত শক্তি - ওদের তো আরো যত্ন নিয়ে এটা করা উচিৎ। কিন্তু কোথায় সেসব? সি পি এম কে কেমন প্যাঁদালাম - এই আনন্দেই সবাই এত মশগুল, যে এরপর রাষ্ট্র যখন ওদের উদোম প্যাঁদাবে তখন যে পাশে দাঁড়ানোর লোক পাওয়া যাবে না - সে নিয়ে যেন কোনও মাথাব্যাথাই নেই।

    কোত্থেকে যে এত কনফি আসে কে জানে বাবা।
  • . | ১৯ জুন ২০০৯ ১৩:২৫405048
  • রজ্ঞন বাবু পুলিশকে সার্টিফিকেট আমি দিইনি ওটা আপনার অতি সরলীকরণ।
    ক্ষমাপ্রার্থনা অন্য প্রশ্ন, কিন্তু অরাজকতা সৃষ্টি, নৈরাজ্য আর মানুষ খুন তার উত্তর নয়। এক্ষত্রে আমিও ঋজুর মতো রাষ্ট্রের পক্ষে, আমেন।
  • r | ১৯ জুন ২০০৯ ১৩:৩৪405049
  • এরকম যে হবে সন্তান দল অনেক আগেই বলে দিয়েছিল। তখন দেয়ালের সেই লেখাকে কেউ গুরুত্বই দেয় নি।
  • dipu | ১৯ জুন ২০০৯ ১৩:৩৬405050
  • :-))
  • pinaki | ১৯ জুন ২০০৯ ১৩:৪৬405051
  • হ্যাঁ। কি যেন ছিল? ""ভারতের আকাশে শকুন উড়বে। আর কিষাণজী ফিরে আসবেন নেতার বেশেই।""
  • ranjan roy | ১৯ জুন ২০০৯ ১৩:৫০405052
  • কাল থেকে পোস্টগুলো পড়ে এই বুঝলেন? সরকারের সমালোচনা মানে মাওবাদীদের নৈরাজ্য ও ব্যক্তি হত্যাকে সমর্থন করা? এই সুতোয় কে মাওবাদীদের লালগড় স্ট্র্যাটেজির নিন্দে করেনি বলুন না?

    কালকে লোকসভা চ্যানেলে সন্ধ্যেবেলা মাওবাদী চ্যালেঞ্জ নিয়ে একট ডিবেট দেখচিলাম।
    ""কমব্যাট ল'' পত্রিকার সম্পাদক মানবাধিকার ল'ইয়ার গন্‌জালভেস, ওড়িষ্যায় আদিবাসীদের গবেষক বিভূতি ও বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের প্রাক্তন ডায়রেকটর জেনরেল মি: সিং।
    শেষোক্ত জন সবচেয়ে গুছিয়ে ডকুমেন্টেড লজিক্যাল বক্তব্য রাখলেন।
    ওনার মতে মাওবাদীদের খতম করা যাবে না, কিন্তু থামিয়ে রাখা যাবে।
    চাই তিন স্তরে কাজ।
    রাজনৈতিক, উন্নয়ন ও সামরিক।
    সবচেয়ে উনি মহত্বপূর্ণ কিন্তু কঠিন বললেন উন্নয়নমূলক কাজ। কারণ কেন্দ্র থেকে যতই ফান্ড আসুক, জমীনীস্তরে ব্লক, রেভেনিউ এবং রাজনৈতিক দলের মধ্যে এমন হরির লুট হয় যে বাস্তনিক উন্নয়ন হয়ে ওঠে না,
    পজিটিভ উদাহরণি্‌হসেবে বল্লেন সত্তরের দশকে বঙ্গ দেশের নক্সাল আন্দোলন যে অনেকটাই নিয়ন্ত্রিত হলো তার একটা বড় কারণ অপারেশন বর্গা।
    আর একটা কথা বল্লেন-- যদি নাগা-মিজো-বোরো বিদ্রোহীদের সঙ্গে দিল্লিতে আলোচনায় বসতে ওদের আর্মস্‌ সারেন্ডার করে মুখ্য ধারায়ি্‌ফরে আসা গোছের কোন পূর্বশর্ত না রাখা হয়, তাহলে নকশালদের সঙ্গে আলোচনায় বসতে কেন এমন পূর্বশর্ত রাখা হবে?
    হ্যাঁ, অলোচনাকালীন দুই পক্ষেই অপারেশন বন্ধ রাখতে হবে।
    গঞ্জালভেস এক্সপেক্টেড লাইনে বল্লেন। তাতে আবেগ বেশিছিল।
  • r | ১৯ জুন ২০০৯ ১৩:৫৮405053
  • নামটার সেমিয়টিক গুরুত্ব নজরে রাখুন কমরেড।

    আসলে কিষনজী।
    সম্ভবামি যুগে যুগে।
    মাওবাদী ব্লগে অরবিন্দর ছবি।
    বাংলায় কিষানজি।
    মা মাটি মানুষ।
    রিলিজিয়াস টু সাব-অল্টার্ন।
    বৈপ্লবিক সিনট্যাক্টিক্স।
  • kallol | ১৯ জুন ২০০৯ ১৫:৪০405054
  • নকশালরা সাধারনভাবে বেশ গাম্বাট। আমি নিজে ওদের একজন হয়ে, খুব কাছ থেকে দেখে বলছি। এই গাম্বাটপানা শুরু হয় ৬৯-৭০ থেকে। সত্যি কথা বলতে কি ৬৬ থেকে ৬৮ এই দুই বছর নকশাল আন্দোলনের ধারা অন্য সমস্ত প্রচলিত রাজনৈতিক ধারার চাইতে অ-নে-ক অন্য রকম ছিলো। রঞ্জন সিপিএম..... সুতোয় যা বলেছে খুব সত্যি। তখন ঠিকঠাক বিতর্ক হচ্ছিলো, আবার তার সাথে তৃণমুলে কাজও চলছিলো। ছাত্র-যুবকেরা মাও-হোজা বিতর্কের সাথে সাথে ট্রেড ইউনিয়ানের বা কৃষক সভার কার্যকলাপে অংশ নিচ্ছিলেন, ট্রাম-বাসও পোড়াচ্ছিলেন।
    এর একমাত্র ব্যতিক্রম চারুবাবু। ওনার মতামত চিরকালই গাম্বাট। মানুষটার সততা, ত্যাগ এ সব নিয়ে কথা বলছি না।
    ৭০-এ এসে যখন মনে হচ্ছে - এইতো, বেশ গেরিলা লড়াই ছড়িয়ে পড়ছে গ্রামে-গ্রামান্তরে। দুচারটে কনষ্টবলও ঝেড়ে দেওয়া গেছে। ডাক্তাররা ফিজ কমিয়ে দিচ্ছে। সুদখোর মহাজন গ্রাম ছেড়ে পালাচ্ছে, মানুষ বলছেন এতদিনে একটা ঠিকঠাক পার্টি এলো,
    তখন, ঠিক তখন, গাম্বাট পানা শুরু হলো - গণসংগঠন (এমনকি ট্রেড ইউনিয়ানও) না করা (ওসব অর্থনীতিবাদ!!!), খতমই সমস্ত সমস্যার সমাধান - এই বুর্জোয়া শিক্ষা ব্যবস্থায় যে যত বেশী পড়ে সে তত মূর্খ হয় - রাইফেল রিভলবার নয়, দা, বল্লম নিয়ে লড়তে হবে........ মুর্তিভাঙ্গা, স্কুল-কলেজ-লাইব্রেরী পোড়ানো.....
    তারপর যখন রাষ্ট্র পালটা মার নামালো, তখন আর খুঁজে পাওয়া গেলো না কিছু।
    কিন্তু গাম্বাটেরাও না-গাম্বাটদের মত বা প্রাক্তন গাম্বাটদের মতো থেকেই যায়। বা নতুন গাম্বাট বনে যায়।
    এই ধরো আজিজুল হক। ৮৫ সালেও আজকের মাওবাদীদের মতো (ছোট পরিসরে) ছিলো - নদীয়ায়। ৮৩-৮৪তে ধরা পড়ার পর আমরা জেলে গেছি দেখা করতে এপিডিআর থেকে। মুখের ওপর বলে দিয়েছে - জামিন নেবো না, বুর্জোয়া আদালত মানি না। সে একরকম গাম্বাট। আর আজকাল ............. নতুন রকম গাম্বাট।
    তেমনি সেদিনের ভরভরা রাও (আগের পোষ্টের ভরভরা রাও বৈঠকে আজিজুলও ছিলেন)। গাম্বাটেরা থাকে নানা নমে, নানা চেহারায়।
  • r | ১৯ জুন ২০০৯ ১৬:০২405055
  • এই বাজারে মাম্মাম্মাকে লোকে ভুলে যাচ্ছে। কাল এন ডি টি ভি-কে মাম্মাম্মাঅ মুখ দেখাতে অস্বীকার করেছেন- প্রণয় রায় ন'টার খবরে বলল। অন্যান্য সাংবাদিকদেরও কোনো বাইট দেন নাই। তবে মাম্মাম্মার ছোটো ভাই ছোটোমন্ত্রী বলেছেন- এটা হল সি পি এম-স্পনসর্ড নাটক। সি পি এমেরই দুটো অংশ নিজেদের মধ্যে লড়াই করছে। আমাদের র‌্যাডিকাল লেফ্‌ট বন্ধুদের এর থেকে বাজে গালাগাল কেউ দেয় নাই মনে হয়। শেষে সি পি এমের আর একটা অংশ! :-))
  • Arijit | ১৯ জুন ২০০৯ ১৬:০৩405056
  • অ্যাকচুয়ালি গাম্বাট মানে বড় চেহারা। এখানে মনে হয় "গাঁট' বলা উচিত - মানে গোঁয়ার:-)
  • kallol | ১৯ জুন ২০০৯ ১৬:০৪405057
  • নকশালরা সাধারনভাবে বেশ গাম্বাট। আমি নিজে ওদের একজন হয়ে, খুব কাছ থেকে দেখে বলছি। এই গাম্বাটপানা শুরু হয় ৬৯-৭০ থেকে। সত্যি কথা বলতে কি ৬৬ থেকে ৬৮ এই দুই বছর নকশাল আন্দোলনের ধারা অন্য সমস্ত প্রচলিত রাজনৈতিক ধারার চাইতে অ-নে-ক অন্য রকম ছিলো। রঞ্জন সিপিএম..... সুতোয় যা বলেছে খুব সত্যি। তখন ঠিকঠাক বিতর্ক হচ্ছিলো, আবার তার সাথে তৃণমুলে কাজও চলছিলো। ছাত্র-যুবকেরা মাও-হোজা বিতর্কের সাথে সাথে ট্রেড ইউনিয়ানের বা কৃষক সভার কার্যকলাপে অংশ নিচ্ছিলেন, ট্রাম-বাসও পোড়াচ্ছিলেন। কানু সান্যালরা
    চারু মজুমদারদের সাথে কৃষক আন্দোলনের রূপরেখা নিয়ে বিতর্ক চালানোর সাথে সাথে নকশালবাড়ীতে জমি দখলও চালাচ্ছিলেন।
    ৭০-এ এসে যখন মনে হচ্ছে - এইতো, বেশ গেরিলা লড়াই ছড়িয়ে পড়ছে গ্রামে-গ্রামান্তরে। দুচারটে কনষ্টবলও ঝেড়ে দেওয়া গেছে। ডাক্তাররা ফিজ কমিয়ে দিচ্ছে। সুদখোর মহাজন গ্রাম ছেড়ে পালাচ্ছে, মানুষ বলছেন এতদিনে একটা ঠিকঠাক পার্টি এলো,
    তখন, ঠিক তখন, গাম্বাট পানা শুরু হলো - গণসংগঠন (এমনকি ট্রেড ইউনিয়ানও) না করা (ওসব অর্থনীতিবাদ!!!), খতমই সমস্ত সমস্যার সমাধান - এই বুর্জোয়া শিক্ষা ব্যবস্থায় যে যত বেশী পড়ে সে তত মূর্খ হয় - রাইফেল রিভলবার নয়, দা, বল্লম নিয়ে লড়তে হবে........ মুর্তিভাঙ্গা, স্কুল-কলেজ-লাইব্রেরী পোড়ানো.....
    তারপর যখন রাষ্ট্র পালটা মার নামালো, তখন আর খুঁজে পাওয়া গেলো না কিছু।
    কিন্তু গাম্বাটেরাও না-গাম্বাটদের মত বা প্রাক্তন গাম্বাটদের মতো থেকেই যায়। বা নতুন গাম্বাট বনে যায়।
    এই ধরো আজিজুল হক। ৮৫ সালেও আজকের মাওবাদীদের মতো (ছোট পরিসরে) ছিলো - নদীয়ায়। ৮৩-৮৪তে ধরা পড়ার পর আমরা জেলে গেছি দেখা করতে এপিডিআর থেকে। মুখের ওপর বলে দিয়েছে - জামিন নেবো না, বুর্জোয়া আদালত মানি না। সে একরকম গাম্বাট। আর আজকাল ............. নতুন রকম গাম্বাট।
    তেমনি সেদিনের ভরভরা রাও (আগের পোষ্টের ভরভরা রাও বৈঠকে আজিজুলও ছিলেন)। গাম্বাটেরা থাকে নানা নমে, নানা চেহারায়।
  • r | ১৯ জুন ২০০৯ ১৬:০৫405059
  • বুঝেছি, বুঝেছি। অতবার লেখার দরকার নাই। :-p
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যুদ্ধ চেয়ে প্রতিক্রিয়া দিন