এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  নাটক

  • তৃ-প-বু-ভূ-১০

    pinaki
    নাটক | ১৭ জুন ২০১০ | ৩৯৫২২ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • . | ২৮ জুন ২০১০ ০০:৫৮456216
  • ধ্যাৎ, ধুৎ.., কুকুরের বাঙালী নাম হলে ভালো শোনায় না। আমরা এখন, কি বলে, ইংরিজী মাধ্যমে, ইয়ে, English Mediumএ বেশী স্বচ্ছন্দ, ইয়ে More Comfortable কিনা।

    আর আমরা নিশ্চই নেড়ি পুষব না। জাত চলে যাবে না?
  • SB | ২৮ জুন ২০১০ ০৯:৩৬456217
  • ইসে, এক বন্ধুর বাড়িতে গিয়ে ওদের পোষা কুকুরকে দেখে আরেক বন্ধু জিগিয়েছিল, এই তোদের কুত্তার নাম কি রে? মাল হেব্বি খার খেয়ে গেছিলো ....সেই কুত্তার নাম ছিল ইসাবেল, এর পর থেকে জনগন আওয়াজ দিত, তোদের বেল-কুত্তার খবর কীর‌্যা?
  • PT | ২৮ জুন ২০১০ ১১:৫৩456218
  • @Mmu
    আপনি যদি euro-তে রোজগার করেন তাহলে আপনার এই পেট্রপণ্যের দাম বাড়ানোর আলোচনাতে অংশগ্রহণ না করাই ভাল। আমি যতদূর জানি ইউরোপের দেশগুলিতে ব্যাপক হারে ভর্তুকি দিয়ে সাধারণ খাদ্যদ্রব্যের দাম কমিয়ে রাখা হয়। কাজেই যে দেশের আম-আদমির একটা বৃহত্তর অংশ মুগ ডালকে ""লাক্সারি"" খাবার হিসেবে সপ্তাহে একদিন করে খেতে শুরু করেছে তাদের সমস্যাটা আপনি বুঝতে পারবেন না। আমি যদিও euro-তে রোজগার করিনা, তা সত্বেও আমিও ঐ ""মুগের ডাল কিনতে না পারার"" ব্যাপারটা ঠিক বুঝতে (অনুভব করতে) পারছি বললে সেটাও অর্ধসত্য বলা হবে।
  • kallol | ২৮ জুন ২০১০ ১৩:০৯456219
  • পিটিকে আমি এতো ডাকাডাকি কল্লাম। এলো না। ম্মু একবার ডাকতেই কেমং চলে এলো মাইরী। ঠিক আছে, আমিও খেলবো না।
  • PT | ২৮ জুন ২০১০ ১৩:২৯456220
  • ..... গঙ্গা দিয়ে অনেক পেট্রোল বয়ে যাওয়ার আর ভূপাল গ্যাস কেলেঙ্কারি নিয়ে কংগ্রেসের টাকা খাওয়ার খবর প্রমাণিত হওয়ার পরে জয়দেব বসুর লেখাটা তামাদি হয়ে গিয়েছে কিনা ভাবছি....

    এখন তো মনে হচ্ছে পরমাণু বিলের ব্যাপারে কারাতের সমর্থন তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত একদম সঠিক।
  • d | ২৮ জুন ২০১০ ১৪:০৪456221
  • ক্লাস ফাইভে পড়ার সময় পাড়ার একটা নেড়িছানার নাম রেখেছিলাম রুদ্র। সেটা বড় হয়ে কুকুরী হয়ে গেল। :(
  • kallol | ২৮ জুন ২০১০ ১৪:৪৮456222
  • পেট্রলের দাম যতই বাড়ুক, ভূপালে যাই হোক না কেন, তাতে প:ব: বাম শাসনে নানান কিত্তি কলাপ তামাদি হয়ে যাবে কেন?
    বরং দেখি এসবের বিরুদ্ধে একদিনের বন্ধ বন্ধ খেলা(যাতে কিসুই হয় না - সবাই বোঝে), বা একদিন ভুপালে গিয়ে আন্দোলনের সূচনা করে আসা (তারপর আন্দোলন কি হচ্ছে কেউ জানে না) ছাড়া আর কিছু করছে কি সিপিএম?

    জলা বোজানো অশিক্ষিত প্রোমোটাররা কাদের আশীর্বাদ এতোদিন পেয়েছে
    রাস্তা আটকে অটো স্ট্যান্ড করার জন্য অটো স্ট্যান্ডের পান্ডারা কাদের সাথে ছিলো এতোদিন
    ফুটপাথ জুড়ে হকার বসানোর মাথারা কাদের কোলে ছিলেন এতোদিন
    কারা এতোদিন পুকুরে বিষ দিতো, অন্যের ক্ষেতের ধান কেটে নিতো
    এগুলো তামাদি হয়ে যাবে এতো সহজে?
    আপনার আলোচনা করতে অসুবিধা থাকলে - থাক।
    যার যা বোঝার সে তাই বুঝবে।
  • PT | ২৮ জুন ২০১০ ১৯:৫২456224
  • জলাভুমি বুঁজিয়ে বসবাসের জমি তৈরি করা "সভ্যতা"-র অগ্রগতির লক্ষণ। বৃষ্টির জল জলাভুমিতে যাবে বা জলাভুমি পরিবেশ রক্ষায় সাহায্য করবে ইত্যাদি কেতাবি কথাবার্তা। বিশেষত: যে রাজ্যে গত ষাট বছরে অভুতপুর্ব সংখ্যাতে উদ্বাস্তু এসেছে সেখানে জলাভুমি বোঁজাতেই হবে। জলাভুমি বুঁজিয়ে সল্টলেক তৈরির কাজ কোন আমলে শুরু হয়েছিল কেউ একবার মনে করিয়ে দেবেন? তবে অবশ্যই মনে রাখতে হবে যে জলাভুমির ওপরে যে বাড়ি ঘর তৈরি হচ্ছে তাতে কাজ করে অসংখ্য মানুষ জীবনধারণ করছে। প্রোমোটারের বদমাইশির থেকেও ঐ অসংখ্য মানুষের কাজের সম্ভাবনা তৈরি হওয়াটা অনেক বেশী জরুরী।

    যাঁরা কলকাতায় থাকেন একমাত্র তাঁরাই জানেন যে অটো-রিক্সা কলকাতাকে সচল রেখেছে। আর মফস্বলের দিকে অটো একমাত্র যোগাযোগের উপায়। উদাহরণ দিই: নতুনহাট (বোড়াল) থেকে গড়িয়ার মোড় পর্যন্ত একটি মাত্র উপায় - অটো। গড়িয়া থেকে গড়িয়াহাট - সেই অটো ভরসা। কিন্তু গড়িয়ার মোড়ে অটো রাখার জায়গা কোথায়? কাজেই রাস্তা দখল করতেই হবে। তাছাড়া দরকার পড়লেই যে অটো চালকরা পতাকা বদলাতে রাজী আছেন সেটা তো কিছুদিন আগেই অটোচালকে্‌দর মিছিমিছি উত্তেজিত করে মমতার রাস্তায় ধর্ণা দেওয়া থেকেই বোঝা গেল।

    আর চাকরী না থাকলে হকার হতে হবে। আর বসার জায়গা না পেলে ফুটপাথেই বসবে। তাতে দালাল থাকবে না, পান্ডা থাকবে না -- কলকাতাকে লণ্ডণ বানানোর কথা বামেরা বলেনি তো!। আর সরকারী দল যদি সমর্থন না করে তাহলে জঙ্গী বিরোধী দলের ছাতার তলায় যেতে হবে -- এসব তো সোজা হিসেব। আর তার জন্য বামেদের দরকার নেই তো। শক্তিপদ (ঘোষ?) বাবুর নেতৃত্বে অ-সরকারি ইউনিয়ন তো অনেক দিন অগেই তৈরি হয়েছে। [কিন্তু হকার নিয়ে আমার (প্রসঙ্গান্তরে) অন্য প্রশ্ন আছে - লোকে তাদের কাছ থেকে কেনে কেন? ফুটপাথ থেকে না কিনলেই তো হকার সমস্যা নিজের থেকেই মিটে যায়।]

    একটা কথা এই প্রসঙ্গে মনে রাখা জরূরী। কনস্ট্রাকশান, অটো, হকারির সঙ্গে যে মানুষগুলো জড়িত তাঁদের একটা বিরাট অংশ উদ্বাস্তুদের তিন নম্বর জেনারেশন -- যাদের জন্য ভারত নামক রাষ্ট্র বিশেষ কোন ব্যবস্থা করেনি। তার ওপরে বিহার আর ইউপি থেকে প্রত্যহ আসতে থাকা মানুষের সংখ্যা যোগ করুন। হাওড়া স্টেশন থেকে পোস্তা বাজার বা রাইটার্সের চারপাশের অবাঙালী লোকেদের কথা ভাবুন। এই লোকগুলো বাঁচত কিভাবে রাস্তায় দোকান না দিলে?

    উপরের তিনটে কাজে উৎসাহ দিয়ে গত ৩০ বছরে বামেরা অসংখ্য মানুষের জীবন রক্ষা করেছে। কারখানা করতে গেলে যেখানে জমি নেওয়া মানা সেখানে সরকার এটা ঠিক কাজই করেছে। এবারে কথা হচ্ছে গত কয়েক বছরে (৩৩ না ৩?) এই পেশার সঙ্গে যুক্ত যারা নিয়ম ভাঙ্গার খেলাতে মেতেছে তাদের রাশ টানা যেত কিনা? এর উত্তর আমার জানা নেই -- কিন্তু এইসব ফুটোফাটা নিয়েই হয়ত অ্যান্টি-ইন্‌কাম্বেন্সি ফ্যাকটর তৈরি হয়।

    তবে এই সব কারণে প: বঙ্গের ভোটাররা যদি বাম সরকারের কাছ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়ে থাকে, তাহলে এই সব কর্মকান্ডের পান্ডাদের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করা ভাল। যেটা ২০১১-তে সরকার বদলালে হয়ত নিজের থেকেই হবে। তবে শুধু এই সুযোগ নেওয়ার জন্য যারা বামেদের সঙ্গে যুক্ত হয়েছিল তাদের তো যেতেই হবে ""নতু ন জাহাজে""। আবার এমনও হতে পারে যে রাস্তা জুড়ে হকার অটো স্ট্যান্ড আর ফুটপাথ জুড়ে হকার বসানোর থেকে কোনো রাজনৈতিক দলেরই মুক্তি নেই আগামী ১০-২০ বছর।

    পুকুরে বিষ দেওয়া ইত্যাদি সম্পর্কে কোন সরাসরি ধারণা না থাকায় এই বিষয়ে কিছু বলব না। তবে এই কাজটি নিন্দনীয় অপরাধ। এটি কারোর সর্বনাশ করে কিন্তু ওপরের অন্য তিনটি পেশা মানুষকে বাঁচিয়ে রাখে।
  • Mmu | ২৮ জুন ২০১০ ২০:১১455618
  • PT দা আমি একটু ব্যাস্ত আছি তাই ইউরো আর টাকার ব্যাপারে পরে কথা হবে।
    তবে ইহা ভুলিলে চলিবে না যে আমি আপনাদেরই একজন। আমার পরিবার এখনও আপনার মতই টাকা দিয়া মুসুরির ডাল বা অন্যন্য খাবার কিনিয়া খায়। আরো বলিবার আছে জেমন আপনি হয় তো বলিবেন যে উপার্জনটা ইউরোতেই.........
    উত্তর পরে দিব।
  • ranjan roy | ২৮ জুন ২০১০ ২৩:৫২455619
  • ফুটকি,
    ঠিক বলেছ। আমার নামে কুকুর পুষতে হলে ""র‌্যাঞ্চো'' রাখলে কেমন হয়? আর আমি বিউটি পার্লারে গিয়ে একটু ""নেড়ি'' লুক বদলে আসতে রাজি।:))))))
  • kallol | ২৯ জুন ২০১০ ০৭:১৬455620
  • পিটি - অসাধারণ।
    জলাজমি বুজিয়ে কোন কিছুই করা চলবে না, এমন একটা আইন বোধহয় বাম সরকারই পাস করেছিলো। - ইস, আপনার সভ্যতার তঙ্কÄটি জানলে কতো সহজ হতো প্রোমোটারদের দালালী করা।
    ও শ্যামল - আপনি কোথায়! দেখুন, আপনার কনস্ট্রাকশন থেকে উন্নয়ন তঙ্কÄ আজকাল সিপিএম সমর্থকও ধার করছে।

    আমাদের আরও কতো কিছু দরকার। অটো দরকার। তরি তরকারী, চাল ডাল, তেল নুন দরকার। ইস্কুল দরকার। হাসপাতাল দরকার। তাহলে এগুলোকে প্রচলিত আইনের ঊর্দ্ধে তুলে দেওয়া হোক। যে যেখানে খুশী অটো স্ট্যান্ড, বাজার, হাসপাতাল, ইস্কুল খুলে ফেলতে পারবে। আহা, বিমান-বুদ্ধ শুনছেন!!

    হকার দরদ উথলি উঠেছে। অপারেশন সানশাইন যেন কারা করেছিলো? তবু বিকল্প ব্যবস্থা করা যাবে না। করলেও এমন জায়গায় যেখানে মানুষ যায় না। কিন্তু গড়িয়াহাট মল হতে দেওয়া যাবে। ওতে যে আবার পাট্টি ফান্ড ভরে!!

    কারখানা করতে জমি নেওয়া মানা - এমন কথা কেউ বলেনি। বলেছে কারখানা করতে উর্বর জমি নেওয়া মানা। আজকাল বুদ্ধও মানছে সে কথা।
    কারখান চাড়াও যে আরও উন্নয়নের রাস্তা ছিলো সেকথা আজকাল আজকালেও লেখা হচ্ছে। কৃষিতে সমবায় - না কি যেন বলে সব। কেউ কি পড়ে? সেসব কেউ কি পড়ে আজ!!
    এতোদিনে বোধদয় হলো যে এসবের পান্ডাদের সংশ্রব ত্যাগ করাই ভালো। ও: কি নিদারুণ উপলব্ধি!! কতো বছর লাগলো? নাকি এটা সময় নয়, চড় খাওয়ার নিরিখে ধরতে হবে। গালে ভোট চড় খেয়ে সুবুদ্ধি হলো।
    আপনাদের মতো সদস্য-সমর্থক আছে বলেই এটা সম্ভব হলো। চালিয়ে যান।
    কে যেন বলেছিলেন "অযুক্তির রাস্তাও একটা রাস্তা"। কান্ট বোধহয়। আহা! লেখা পড়ে তন্ময় হয়ে যাই।
  • kallol | ২৯ জুন ২০১০ ০৭:১৭455621
  • *ছাড়াও
  • kallol | ২৯ জুন ২০১০ ০৭:৩৫455622
  • অযুক্তির রাস্তাও একটা রাস্তা - এটা বলেছিলেন নিৎসে। কান্ট নয়।
  • PT | ২৯ জুন ২০১০ ১১:১৫455623
  • বুদ্ধ-বিমানের ভোটে জেতার দরকার আছে, আমার নেই। আর আমি যেহেতু নিজেকে সিপিএমের মুখপাত্র মনে করিনা কাজেই প্রাকটিকাল কথাটা আমার বলতে কোন অসুবিধে নেই। কলকাতা যেহেতু এখনও লণ্ডন বা উত্তরবঙ্গ হয়নি এবং প: বঙ্গ যেহেতু করাপ্‌শানের স্বর্গরাজ্য ভারতবর্ষ নামক একটি দেশের অঙ্গরাজ্য মাত্র, সেখানে লোকাল দাদা বা পান্ডারা থাকবে না এমন যাঁরা মনে করেন তাঁরা নিতান্তই মূর্খের স্বর্গে বাস করছেন। কর্ণাটকে চুরির সঙ্গে পাল্লা দিতে না পেরে কে একজন সম্প্রতি পদত্যাগ করলেন না?

    আর ভোটে জেতার আগে পর্যন্ত গরিবী হটাও, ইউপিএ-২ আম-আদমীর সরকার, কলকাতা লণ্ডন হবে ইত্যাদি ঢপ দেওয়ার পরে ক্ষমতায় এসে লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধি, কিংবা নবনির্বাচিত মহানাগরিকের স্বীকারোক্তি - বৃষ্টি হলে কলকাতাতে জল জমবেই, কিছু করার নেই - ইত্যাদি শুনে/দেখে মনে হচ্ছে হচ্ছে যে বাম সরকারের সমালোচকরা (প্রাক্তন নকসাল সহ) ক্ষমতায় এসে কিছু করে তার পরে জ্ঞান দেওয়া শুরু করুন।

    সাইড লাইনের বাইরে বসে সমালোচনা করা আর মাটির পৃথিবীতে রাজ্য শাসন করার মধ্যে ঢের ঢের ফারাক আছে। এমনকি তৃণমূলের সমর্থকেদের মধ্যেও সেই ঢপ এবং বাস্তব জগতের সেই ফাঁকিটা ধরা পড়তে শুরু করেছে:
    http://www.anandabazar.com/29edit5.htm
  • PT | ২৯ জুন ২০১০ ১১:২১455624
  • *উত্তরবঙ্গ সুইৎজারল্যান্ড
  • Ishan | ২৯ জুন ২০১০ ১১:৫৩455625
  • নবনির্বাচিত মেয়রের ভুল ধরার এখনও সময় আসেনি। পরের বর্ষায় জল জমলে তখন ধরব। এই বর্ষার জল জমা আগের মেয়রেরই কৃতিত্বের অংশ।
  • kallol | ২৯ জুন ২০১০ ১২:১৪455626
  • না না। তা কে বলেছে। পান্ডা, দালাল এসব থাকবে না। শুধু কে যেন কোথায় চুরির সাথে পাল্লা দিতে না পেরে কি যেন করেছে বল্লেন!! তা সেটা আগে (৩ না ৫ না ১০ না ১৫ না ২০ বছর?) করলেই হতো।
    প্র্যাকটিকাল কথা বললে যা খুশী তাই বলা যায় নাকি?
    প্রোমোটারেরা পার্টির মদতে যা খুশী তাই করবে, আর সেটা - ও কোন ব্যাপার নয় - বলে চোখ বুঁজে সইতে হবে - কেন ? না ওঁয়ারা গরীব মানুষের মা-বাপ, পেটে ভাত দ্যান। ভালো। এটাই প্র্যাকটিস করবেন তৃণমূল ক্ষমতায় এলেও!!! তা তো করবেনই। মাসতুতো ভাই/বোন যে।
    তখন দেখবো কত প্রতিবাদ হয়!!
    সব গত্তে ঢুকে বসে থাকবে - প্রবাদপ্রতিম সংগঠন ফুস হয়ে থাকবে - জরুরী অবস্থার মতো।
  • PT | ২৯ জুন ২০১০ ১২:৪০455627
  • বোঝা গেল যে সেই অস্বচ্ছ চশমাটা চোখ থেকে খোলেননি এখনও। অথচ তৃণমূলের নেতারা -- যাঁদের কাঁধে চড়ে পরিবর্তন আসছে -- তাঁরা একবছরের মত বিভিন্ন জায়গাতে ক্ষমতাতে থেকেই বুঝতে শুরু করেছেন যে কত ধানে কত চাল।

    "India has a shortage of 600,000 doctors and 10 lakh nurses, Union Minister of State for Health Dinesh Trivedi said here Friday.
    http://economictimes.indiatimes.com/jobs/India-has-shortage-of-six-lakh-doctors-Trivedi/articleshow/6092307.cms


    তুলনা করে কারা দেখাচ্ছিলেন না যে শুধু নাকি প: বঙ্গেই স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়েছে? এই সব মণি-মুক্তোর মত উপলব্ধি পরিবর্তনকামী নেতাদের ক্ষমতায় যাওয়ার আগে ছিল না? পকাবুরা বলবেন কি যে এসব ৬২ বছরের অপশাসনের ফল?
  • dukhe | ২৯ জুন ২০১০ ১৩:৪০455630
  • সত্যি, ক্ষমতায় গেলেই বোঝা যায় কত ধানে কত চাল। সবচেয়ে সুবিধে বাইরে থেকে সমর্থন। তিনোমুল ক্ষমতায় এলেও কি সিপিয়েম তাই করবে ?
  • a x | ২৯ জুন ২০১০ ২১:২১455633
  • ইনেইন কিছু লেখাপত্তর - সবদিকেই। তেত্রিশ বছর - ইতিহাসে আর কোনোদিনও এরকম সুযোগ আর আসবে বলে মনে হয়না, কোথাও। সেইরকম একটা সময়ে দাঁড়িয়ে একে অপরকে অযৌক্তিক এবং অত্যন্ত নিম্নমেধার এবং আল বাল ঝাঁট লেখা।
  • Ishan | ২৯ জুন ২০১০ ২১:৪৯455634
  • কে বলল বাজে লেখা? জয়দেববাবুর লেকা থেকে বাংলাভাষা বিষয়ক একটা ফান্ডা পেলাম।

    অবমানব = মানবেতর।
    অতএব
    অবদান = নিকৃষ্ট দান।

    ছগল এবং রবীন্দ্রনাথ সংক্রান্ত বিখ্যাত ডিডাকশানের সমতূল্য আরেকটি যুগান্তকারী ডিডাকশানকে আপনি তুচ্ছ করছেন কমরেড? :)
  • kallol | ২৯ জুন ২০১০ ২২:৫২455635
  • খাচ্ছিল তাঁতি তাঁত বুনে / কাল হলো এঁড়ে গরু কিনে

    দিব্যি মধ্যমানের কবতে লিখে ইতি উতি চড়ে বেড়াচ্ছিলো, তা না, ভাষাতঙ্কÄবিদ হতে গেলো। ও:। অবদান মানে তেমন কোন দান নাই। ওরে, এটাকে বাংলা - না না অখিল বিশ্ব ভাষা অভিধানের, নাহ, নিখিল মঙ্গলগ্রহের ভাষা পরিষ্‌ৎ-এর পেসিডেন করে দে রে কেউ।
    ছাগল।
    ডি: - ছাগসমাজের কাছে ক্ষমাপ্রার্থী।
  • kallol | ২৯ জুন ২০১০ ২২:৫৮455636
  • এখন ভোটে চড় খেয়ে গরীবের জমির কথা মনে পড়েছে। বছর দুয়েক আগে গরীবের জমি নিয়ে এতো চিন্তা তো দেখিনি!!
    ভালো ভালো। ফান্দে কিনি পড়েছেন বোঝাই যাচ্ছে।
  • dukhe | ২৯ জুন ২০১০ ২৩:১০455637
  • জয়দেববাবুর লেখাটা ভারি মজার। নির্মল আনন্দের খোরাক। সত্যি তো, বিবেকানন্দ যদি প্রচার করতে পারেন, বিমান বসু কেন জনসংযোগ করবেন না ? এনার এই হাসির লেখাগুলো জড়ো করে কোন বই বেরিয়েছে ? SB কিছু জানেন ?
  • ranjan roy | ২৯ জুন ২০১০ ২৩:৩২455638
  • অ্যাই, ইয়ার্কি না! জয়দেব বসু শান্তিনিকেতন থেকে বাংলায় গোল্ড মেডেল পাওয়া। এবং এর ""জনগণতান্ত্রিক বিপ্লব'' বা ঐরকম কিছু নামে একটি কবিতার বই আমাদের কোলকাতার বাড়িতে আছে। তাতে যদুপুরের হোস্টেলে পুলিশের সাথে খন্ডযুদ্ধ নিয়েও আছে।
  • dukhe | ২৯ জুন ২০১০ ২৩:৩৫455640
  • উফ, পারি না!
    জয়দেব বসু = শান্তিনিকেতন + মেডেল
    দাড়িদাদু = শান্তিনিকেতন + চুরি যাওয়া মেডেল
    জয়দেববাবুর মেডেলটা শুধু চুরি যাওয়ার অপেক্ষা !
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। খেলতে খেলতে মতামত দিন