এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • তুঘলকি শাসন

    mila
    অন্যান্য | ০৮ নভেম্বর ২০১৬ | ১১৬৯৯৭ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • ... | ২১ নভেম্বর ২০১৬ ০৯:০৬723949
  • Jon-dhon account e 10000 kore ele maku- noku soho chagoler tritiyo bacchara "sob goriber jon-dhon account nei" bole rudali kanna na kende ki kore sokole jon-dhon er taka properly access korte paren, dalaler khoppore na poren sei chesta korun.
  • sm | ২১ নভেম্বর ২০১৬ ০৯:১৪723950
  • যদি ২০ কোটি একাউন্ট ও ধরি; মোট প্রদেয় টাকার পরিমান হবে ২ লক্ষ কোটি টাকা। বিশাল কিছু এমাউন্ট নয়তো!
    সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো ; ব্যাংক গুলোতে জমা পড়া কয়েক লক্ষ কোটি টাকা দিয়ে ব্যাংক কি করবে? কাকে লোন দেবে?
    বড় শিল্পপতি দের দিলে, তারা বিদেশে সাইফন করে দেবে আর এন পি এ বহুগুন বেড়ে যাবে। অরুন্ধতী দেবী গজ দন্ত বার করে মিষ্টি হাসি উপহার দেবে; আর বলবে তখন ই বলেছিলাম ব্যাংকে যোগ্য কর্মীর অভাব।কোন ব্যবসা লোকসান করবে কি করে বুঝবো? ট্যাক্স পেয়ার রা একটু কষ্ট করে ঠিক মানিয়ে নেবেন।উই উইল লার্ন ফ্রম দা মিস্টেক।
  • একক | ২১ নভেম্বর ২০১৬ ০৯:৩৪723951
  • এমন কিছুই বড় নয়। একচুয়ালি মোদী এবার দুহাতে টাকা ছড়িয়ে হর্ষবর্ধন সাজবে :):) আর পপুলিস্ট স্কীমে দেশ ছেয়ে যাবে।
  • pi | ২১ নভেম্বর ২০১৬ ১০:০২723952
  • যেকোন চ্যানেল খোল। মোদিকে কে কী বলছে একটু শোন।লাইভ দেখাচ্ছে নানা চ্যানেলে।
  • pi | ২১ নভেম্বর ২০১৬ ১০:০৩723953
  • সুবু স্বামী আবারো তোপ দেগেছেন।
  • একক | ২১ নভেম্বর ২০১৬ ১০:২৯723955
  • টিভি নেই তো :( দেখিনা কোনকালে।

    নেট এ আপডেট চেক্করি। মোদী আবার একটা লম্বা ভাট দিয়েচে ২০২২ এ সবার নিজের বাড়ি হবে :):) এখন এটা কোনদিন হবেনা সবাই জানে। ওই হাউসিং লোনের সুদ একটু কমতে পারে আর লো ইনকাম গ্রুপের জন্যে লো কস্ট হাউসিং স্কীম আস্তে পারে।
  • .. | ২১ নভেম্বর ২০১৬ ১০:২৯723954
  • ...
  • d | ২১ নভেম্বর ২০১৬ ১০:৩২723956
  • মোদীর এই মডেলটাকে লীডারশিপের ভাষায় বলা যায় সেলফ ডিজরাপশান মডেল। তো এইটা আপিসের একটা ডিসকাশন বোর্ডে লিখলাম লোকে হইহই করে লাফিয়ে উথল আনন্দে। তখন এর সমস্যা কী কী হতে পারে দুই একটা লিখতেই সবাই মনে হয় চা খেতে চলে গেল।
  • PT | ২১ নভেম্বর ২০১৬ ১০:৩৩723957
  • @ভবানী চাটুজ্যে
    একটা সময় ছিল যখন শুধু ছাগল আর শেয়ালের গপ্প বলেই চালানো যেত। এখন শেয়ালের ল্যাজ ধরে হায়্নার আনাগোনা শুরু হয়েছে পব-তে। সম্ভব্তঃ এবারে হায়নার গল্প বলতে হবে -যদিও ঈশপ সাহেব হায়না নিয়ে কিছু বলেছেন বলে জানা নেই।
  • b | ২১ নভেম্বর ২০১৬ ১০:৩৫723959
  • কিন্তু তাতে কি? বিশ্বাস করতে পাল্লেই হল। বিশ্বাসে মিলায় ভোট তর্কে বহুদূর।

    দিদিভাই-র ২ টাকা কিলো চাল আর মোদীভাইর এই জন ধন অ্যাকাউন্ট। শেষে না কম্পিটিশন করতে করতে দিদি চাল নিয়ে গেলে কেজি পিছু ৪০০ টাকা দেবো (তবে পুরোনো নোটে) এরকম প্রমিস করে বসে।
  • পাই | ২১ নভেম্বর ২০১৬ ১০:৫২723960
  • আচ্ছা, আমাকে কয়েকটা সোজা জিনিস সোজা ক'রে বুঝিয়ে দ্যান দেখি।
    এই ড্রাইভটা থেকে সরকারের লাভ থেকে অমুক তমুক করা হবে বলা হচ্ছে, তো এই লাভটা ঠিক কীভাবে হচ্ছে ? কত টাকা লাভ, কীভাবে লাভ, সেই হিসেবটা কীভাবে হবে বা হচ্ছে ? কীভাবে আমরা জানতেই বা পারব ?
    বারবার বলা হচ্ছে, ব্যাঙ্কে এত লক্ষ কোটি টাকা জমা পড়ল, এই দিয়ে সরকার অমুক করবে তমুক করবে। আরে এই টাকার মেজর অংশ তো লোকের নিজের বৈধ টাকা, সেটা তারই থাকবে, আজ নয় কাল সে তুলবে।
    আর এমনি জানা তথ্য থেকে যদি হিসেব করা যায়, বাড়িতে জমা টাকা ব্যাঙ্কে গেলে ট্যাক্স দিতে হবে, সেটা লাভ। আবার ব্যাঙ্ককে সুদ দিতে হবে। মাইনাস করে নেট লাভ কতটা ?
    রেইড করে পাওয়া কালো টাকা তো এমনিতেই রেইড করে পাওয়া যেত, সেটাকে এই ড্রাইভজনিত লাভ বলে লাভ নেই। আড়াইলাখের বেশি জমা পড়ার কেসে, ট্যাক্সের উপর ২০০% পেনাল্টি থেকে কত টাকা আসতে পারে ? আয়ের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ হলে তদন্ত বা রেইডে কত বেশি টাকা আসতে পারে ? আগে থেকে এই ঘোষণা করে দেবার ফলে সত্যিকারের অপরাধী কালোকারবারীদের কেউ আদৌ সাধ করে হাঁড়িকাঠে মাথা দেবার মত পাঁঠা হবে কি ? ( যদিও পাঁঠাও সাধ করে গলা দেয়না)
    যারা বেশি জমা টাকা মুশকিলে পড়ছে, টাকা পোড়াচ্ছে, ছিঁড়ে ফেলছে। এবার এই টাকাটা তো সরকারের ঘরেও ঢুকল না। এমনিতে থাকলে বাজারে ঘুরে জিডিপিতে যেটুকু কণ্ট্রিবিউট করত, সেটাও হবেনা। সেক্ষেত্রে লাভটা কীভাবে কতটা হবে ? কত টাকা এভাবে নষ্ট হয়েছে, সেটা এস্টিমেট ক'রে নোট ছাপিয়ে হবে? হলে কতটা ?
    এবার খরচের হিসেবটা করা যাক ? নোট ছাপাতে, হেলিকপ্টার করে নোট পৌঁছাতে, বাড়তি কর্মী রাখতে ( ব্যাঙ্কের লোকের বেগার খাটনি বাদই দলাম) ও অন্যান্য পরিকাঠামো আর পরিষেবায় খরচ কত ? তাহলে নেট লাভ কত ? আর এই ক'দিনে অর্থনীতিতে যে বিপুল পরিমাণ লোকসান হল, তার হিসেব কে মেলাবে ? কার লোকসান কার লাভ হয়ে ঢুকবে ? আদৌ ঢুকবে ?
    কেউ মিলিয়ে থাকলে দিন।
    সরকারের কাছে কি আর টি আই করে জানা যাবে ?
  • Reshmi | ২১ নভেম্বর ২০১৬ ১১:০৮723961
  • এ তো ভারী মজা! পুরো ঘুরিয়ে নাক দেখানো। ভোটের আগে সব পার্টিই তো কালো টাকা দিয়ে দান-খয়রাতি করে। ফ্রী তে চাল-ডাল থেকে শুরু করে ল্যাপটপ। এর আর কাউকে সে সব করার চান্স না দিয়ে পুরোটাই নিজেরা করে গদীতে থাকা সুনিশ্চিত করতে চায়।

    উদ্ধার হওয়া কালো টাকার সবটাই এই জন-ধন খাতে ব্যায় হলে এবং ইনকাম ট্যক্স এক পয়্সাও না কমল শাইনিং জনতা কি বলে সেটাই দেখার!
  • d | ২১ নভেম্বর ২০১৬ ১১:২১723962
  • এটা দিয়ে রাখি। সাইট অ্যাকসেস করার সময় সতর্ক থাকুন।

  • Robu | ২১ নভেম্বর ২০১৬ ১১:২৩723963
  • আমি তো চাই জনধন অ্যাকাউন্টে টাকা যাক। পনেরো লাখের বদলে দশ হাজারই যাক।
  • Ekak | ২১ নভেম্বর ২০১৬ ১১:৩৫723964
  • মেশিনে ম্যালওয়ার প্রটেকশন আছে। আর এমনিতেই প্রচুর সাইটটি ম্যালওয়ার থাকে। আলাদা কিছুনা।

    আর শেষ যে যুক্তিটা ওটা হাস্যকর কারণ ওটা ক্রাউড সোর্স করা যে কোনো ডেটা র ক্ষেত্রেই খাতে। কোনোদিন ভেবে দেখেছেন যে ক্রাউড সোর্স করা ডেটা দেখিয়ে কোনো খাবারের দোকান থেকে খাবার আনিয়ে খেয়ে মোর যেতে পারেন ? বা নতুন কোনো এক জায়গায় বেড়াতে গেলেন প্রচুর ফিডব্যাক পড়েছে দেখে। তারপর গিয়ে দেখলেন সেখানে অপরাধীরা ওঁৎ পেতে আছে, গেলেই ধরে গায়েব করে দিচ্ছে :):) এরকম হতেই পারে বাস্তবে কিন্তু ক্রাউড সোর্স এভাবেই সর্বত্র চেক এন্ড ব্যালান্স হয়। সতর্ক থাকা অবসসই উচিত।
  • সিকি | ২১ নভেম্বর ২০১৬ ১১:৩৮723965
  • প্রসঙ্গত আনন্দবাজার এখন ভাইরাসে ভরে গেছে। বিভিন্ন লিঙ্ক খুললেই হঠাৎ হঠাৎ মোবাইল বিগড়ে গিয়ে বলে ভাইরাস ইনফেক্টেড আর গ্যাঁগ্যাঁ করে লাগাতার ভাইব্রেট করতে থাকে। একদম ব্রাউজার কিল করলে তবে থামে।
  • নেতাই | ২১ নভেম্বর ২০১৬ ১১:৩৯723966
  • এক এক করে সমস্ত প্রশ্নের উত্তর। টিভি দেখে যা বুঝ্লাম ঃ)-
    ১। বাজারে 13.8 লাখ কোটির পুরোনো ৫০০ আর হাজার টাকার এক্সচেন্জ হবার কথা। যেটা হবেনা সেটা এই এক্সারসাইজ থেকে সরকারের সরাসরি লাভ। সরকারের এস্টিমেশান ৩-৬ লাখ কোটি টাকা ফিরবেনা। (আমার ধারনা ২ লাখ কোটি)। ৩১ এ মার্চ এর পর আরবিআই এর অফিসিয়াল ডকুমেন্ট থেকেই ফিগার জানা জানতে পারা উচিৎ।
    ২। এটাও এস্টিমেশান এখন যত টাকা জমা পড়বে তত টাকা লোকে তুলবেনা। আজ নয়ত কাল লোকে টাকা তুলবে দরকার পড়লে। অদরকারে ক্যাশ রাখার প্রবনতা কমবে। কিছু ক্যাশ লং টার্মেই ব্যাংকে রয়ে যাবে। এটা ব্যাংককে আরও ধার জোগাতে সাহায্য করবে। এর এস্টিমেশান কোথাও পাইনি। ঃ)। ব্যাংক যে সুদ দেয় ওটা ওদের লোকশান নয়। ওরা ঐ টাকা ধার দিয়ে আরও বেশী সুদ আদায় করে।
    ৩। ২০০% ফাইন ভয়ের বাতাবরন তৈরী করার জন্য। ফাইন থেকে যে টাকা এক্স্ট্রা আসবে তা হিসেবে না ধরলেও চলে। এই ভয় থেকে যদি কেউ টাকা জমা না দিয়ে নষ্ট করে দেয়, সেটা সরাসরি লাভ।
    ৪। ১ নং দেখুন
    ৫। টাকা ছাপানো ও পৌছনোর খরচা ২৫ হাজার কোটির কাছাকাছি।

    -----
    জিডিপির লোকসানের ব্যাপরে সরকার পক্ষ নীরব। লোকসানের এস্টিমেশান এক দুজন ই দিলেন। 0.5% থেকে 1%। অর্থাৎ ৭৫ হাজার কোটি থেকে দেড় লাখ কোটি।
  • sm | ২১ নভেম্বর ২০১৬ ১১:৪২723967
  • আমি ও রোবুর কথা সমর্থন করি ১০ হাজার গেলেও যাক।কিছু তো পাবে। কংগ্রেস আমলে যেমন কিছুই পায় নি,মিড্ ডে মিল ছাড়া।
    তিন দের আমলে যেমন সাইকেল, কন্যাশ্রী,২ টাকা কিলো চাল, এগুলো পেয়েছে।মানুষজন হাতেগরম কিছু পেলো কিনা সেটাই দেখে।কিছু না পেয়ে খালি বক্কা দিলে তো চোলবেক নাই।
  • b | ২১ নভেম্বর ২০১৬ ১১:৫১723968
  • হাম্ভি রোবু কো ক দেতা হ্যয়। কুছ নেহি দেনেসে ক দেনা বড়িয়া হ্যয়।।
  • b | ২১ নভেম্বর ২০১৬ ১২:১৭723970
  • ভেবে দেখলাম, কন্ডিশনটা হচ্ছে জিরো ব্যালান্স। মানে ওতে টাকা থাকবে না, তাই তো? ঘুমন্ত অ্যাকাউন্ট। মনে হচ্ছে এটা ঐ জন ধন অ্যাকাউন্টে যেনারা টাকা ফেলে ফেলে শাদা বানাচ্ছেন, এটার একটা ডিজিনসেন্টিভ।
  • Ekak | ২১ নভেম্বর ২০১৬ ১২:২০723971
  • ডিজিনসেন্টিভ এর চেয়ো অল আউট কভারেজ দেওয়ার চেষ্টা। কিছু লোক তো সাদা বানানোর চক্করে দশ বিশ কমিয়েই নিচ্ছে। বাকিরা মিনিমাম দশ পাক। সো মিলিয়ে গরিব খুশ। মোদী ভি খুশ।
  • pi | ২১ নভেম্বর ২০১৬ ১২:৪১723972
  • আজকের আবাপ থেকে।

    মহলের হিসাব, আয় সরাসরি হ্রাস পাইতে চলিয়াছে। অনুমান করা চলে, প্রধানমন্ত্রী ও তাঁহার পারিষদবর্গ এই সম্ভাবনাটির কথা আঁচ করিতে পারেন নাই। নগদ টাকার জোগান ব্যাহত হইলে প্রকৃত অর্থনীতির ক্ষতি হইবে কেন, তাহা বুঝিতে অর্থশাস্ত্রী হওয়ার প্রয়োজন নাই। দরকার কাণ্ডজ্ঞানের। দরকার সুস্থির হইয়া দুই দণ্ড চিন্তা করিবার অভ্যাসের। একটু ভাবিলেই কর্তারা বুঝিতেন, ভারতীয় অর্থনীতির একটি বড় অংশ অসংগঠিত, এবং তাহা কাঁচা টাকায় চলে। সেই টাকা সাদা না কালো, প্রশ্নটিই অবান্তর, কারণ দুইয়ের মধ্যে বাহ্যত বা ব্যবহারগত কোনও ফারাক নাই। নগদের জোগান বন্ধ করিয়া দিলে অসংগঠিত ক্ষেত্রটি রুদ্ধ হইয়া পড়ে। নোট বাতিলের সিদ্ধান্ত করিবার সময় কর্তারা সম্ভবত ভাবিয়াছিলেন, ফের টাকার জোগান বাড়িলেই সব যথাপূর্বং হইয়া যাইবে। যত টাকা তুলিয়া লওয়া হইল, তাহা ফিরিয়া আসিতে ছয় মাস সময় লাগিবে না এক বৎসর, এই তর্কটি আপাতত বকেয়া থাকুক। কিন্তু, অসংগঠিত ক্ষেত্রের অচলাবস্থাই যে একমাত্র ক্ষতি নহে, নোট বাতিলের সিদ্ধান্তের প্রভাব সুদূরতর হইবে, এই কথাটি কর্তারা ভাবিতে পারিতেন না কি?
    বাজারে নগদের জোগান না থাকিলে পণ্যের চাহিদা কমে। পাশাপাশি, অসংগঠিত ক্ষেত্রে ব্যবসা বন্ধ হইয়া গেলে যাঁহাদের আয় বন্ধ হয় বা বহুলাংশে কমে, তাঁহাদেরও চাহিদা কমে। ফলে, ভোগ্যপণ্য বা বিবিধ পরিষেবার বিক্রি হুহু করিয়া হ্রাস পাইয়াছে। সেই পণ্য বা পরিষেবার জোগানের বিভিন্ন ধাপে যাঁহারা চাকুরি বা ব্যবসা করেন, তাঁহাদেরও আয় হ্রাস পাইতে থাকে। ফলে, চাহিদায় আরও এক দফা ধাক্কা লাগে। কাঁচা বাজারে কেনাকাটা বন্ধ হইলে প্রথমে খুচরা বিক্রেতার ডালায়, তাহার পর পাইকারি গুদামে ও শেষ অবধি কৃষকের ঘরে পণ্য জমিতে থাকে। তাহা মূলত দ্রুত পচনশীল পণ্য, ফলে বিপুল ক্ষতি হয়। সেই ধাক্কায় গ্রামাঞ্চলে আয় কমিয়া যায়, ফলে গ্রামীণ চাহিদা আরও এক দফা কমে। দীর্ঘমেয়াদে কৃষিপণ্যের দাম বাড়িবার সম্ভাবনাও প্রবলতর হয়। নগদ টাকার অভাবে বড় ধাক্কা লাগে ফ্ল্যাট-বাড়ির বাজারেও। তাহার ফলে সিমেন্ট, ইস্পাত-সহ গৃহনির্মাণ সামগ্রীর বাজারের গতি শ্লথ হইয়া যায়।
    চাহিদা হ্রাসের ফলে লাগা ধাক্কাটি ইতিমধ্যেই উৎপাদনক্ষেত্রে চারিত হইতেছে। পণ্যের চাহিদা কমিলে স্বভাবতই উৎপাদনও কমে। বস্তুত, চাহিদা কমিবার আশঙ্কাতেই বিনিয়োগকারীরা উৎপাদনে রাশ টানিতে থাকেন। তাহার ফলে অর্থনীতিতে লগ্নির পরিমাণ কমে। প্রত্যক্ষ ফল, জাতীয় আয়ের গতিভঙ্গ। আরও মারাত্মক, টাকার জোগান ছয় মাস বা এক বৎসর পরে স্বাভাবিক হইবার সঙ্গে সঙ্গেই উৎপাদনের পরিমাণ পূর্বের স্তরে ফিরিয়া আসিবে না। তাহার ফলে আয়বৃদ্ধির হারও শ্লথ হইতে শ্লথতর হইবে। এবং, সেই হারের গতিভঙ্গ হইলে কর্মসংস্থান ও উন্নয়নের উপর কী প্রভাব পড়িতে পারে, তাহা আঁচ করা চলে। কালো টাকার বিরুদ্ধে যুদ্ধ-যুদ্ধ খেলার অতি আগ্রহে কর্তারা ভারতকে এই মারাত্মক বিপদের পথে ঠেলিয়া দিলেন। এই অবিবেচনার তুলনা মেলা ভার। অর্থনীতির ইতিহাস বহু বিপর্যয় দেখিয়াছে, কিন্তু শুধুমাত্র সরকারের অপরিণামদর্শিতায় এত দ্রুত এত বড় বিপদ ঘনাইয়া আসিবার উদাহরণ বিরল। কর্তারা ভবে একটি অতুল কীর্তি রাখিলেন বটে।
  • রোবু | ২১ নভেম্বর ২০১৬ ১২:৪২723973
  • মনরেগাও তো কংগ্রেস আমলেই।
  • pi | ২১ নভেম্বর ২০১৬ ১২:৪৬723976
  • নেতাই। আচ্ছা। তাইলে টাকা নষ্ট করলে নতুন নোট ছাপার সুযোগ পাওয়া বাবদ সরকারের বেশি লাভ নাকি ফেরত এলে ট্যাক্স বাবদ বেশি লাভ ? এই হিসেবটা পাওয়া যাব্র?

    আর লোন দিতে পারার জন্য ব্যান্কের আসেট বাড়ানোর জন্য তো এমনিই উইথ্ড্রয়াল লিমিট কমানো যেত। এখন যদি বিনা নোটিসে দুমদাম সেটা লাগু করা যায় তো এমনিতে করা যেত না?
  • Reshmi | ২১ নভেম্বর ২০১৬ ১২:৫১723977
  • শুধু জিরো ব্যালান্স অ্যাকাউন্টেই কেন? সেরকম অ্যাকাউন্ট তো মাত্র ২৩% as per latest data।
    বাকি অ্যাভারেজ ডিপোজিট ২৫০০ মত। ন্যাশনাল অ্যাভারেজ এটা, বিভিন্ন রাজ্যে বিভিন্ন অ্যাভারেজ, মোটামুটি ৫৫০০ থেকে ১৫০০ এর মধ্যে। তো সেটা আর এমন কি বেশি যে তাদের কিছুই দেবে না!
  • PT | ২১ নভেম্বর ২০১৬ ১৩:১২723978
  • একশ দিনের কাজও UPA-1 এর আমলের। ইতিহাস ভুলে যাওয়ার কত সুবিধে!!
  • নেতাই | ২১ নভেম্বর ২০১৬ ১৩:৩৬723979
  • পাইদি,
    টাকা নষ্ট করলে সরকারের লাভ বেশী। হিসেব তো আগেই কেউ দিয়েছিল এই টইতেই। ২০০% ট্যাক্স মানে জমা পড়া টাকার ৯০% ট্যাক্স। অন্যদিকে জমা না দিলে বা নষ্ট করলে ১০০% লাভ। সম্ভবত এটাই হিসাব।

    দ্বিতীয় প্রশ্নের উত্তর- RBI চাইলে লিমিট হয়ত পরিবর্তন করতে পারতো। কিন্তু এ নিয়ে হইচই হলে ডিফেন্ড করা মুশকিল।

    টিভি দেখে বেশী এক্ষপার্ট কমেন্ট দেওয়া মুশকিল ঃ))
  • Reshmi | ২১ নভেম্বর ২০১৬ ১৩:৫৮723981
  • Farmers allowed to use banned Rs 500 notes to buy seeds for the current sowing season

    টুনটুনি আর রাজামশায়ের গল্প মনে পড়ে যাচ্ছে!
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যুদ্ধ চেয়ে প্রতিক্রিয়া দিন