এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • আগামীর অবয়ব

    dri
    অন্যান্য | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১১ | ২৬৬১৬৩ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Sibu | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ০৪:২২490367
  • দ্রি,

    লেসার দিয়ে ইনফর্মেশন ট্রান্সমিট করা সহজ। অপটিক্যাল ফাইবারে ইনফর্মেশন ট্রান্সমিট করা হয় লেসার দিয়ে। ডিরেক্ট লাইন অফ সাইট পেলে ফাইবার বাদ দিয়ে শুধু লেসার দিয়েই ইনফর্মেশন ট্রান্সমিট করা সম্ভব। ইনফর্মেশন ট্রান্সমিট করতে পারলে কন্ট্রোল করা কঠিন নয়।

    এখন আমি দুটো সমস্যা দেখতে পাচ্ছি লেসার ব্যবহার করার। একটা হল ভিজিবল স্পেকট্রাম ব্যবহার করলে আম্মো দেখব, শত্রুও দেখবে। আর একটা হল লেসারের স্মল ফুটপ্রিন্ট। দুটো সমস্যাই ওভারকাম করা যায় থিওরেটিক্যালি। একটা ইনভিজিবল স্পেকট্রাম ব্যবহার করে, অন্যটা স্যুটেবল লেন্স অ্যাসেম্বলি দিয়ে। যদিও ইন প্র্যাকটিস পরেরটা কতটা সম্ভব জানি না।

    কিন্তু লেসার ব্যবহার করতে পারলে জ্যামিং এর উৎপাত এড়ানো যায়। এমনকি EMP ও।
  • দ্রি | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ০০:৩৩490368
  • নর্মাল অপটিকাল ফাইবারে যেটা যায় সেটা কি লেজার? খুব ফোকাস্‌ড বীম, কিন্তু লেজারের মত অত হাই এনার্জি নয়। নেট ঘেঁটে দেখলাম ফাইবার লেজার বলে একটা ব্যাপার আছে। তাতে রেয়ার আর্থের কোটিং লাগে।

    তবে ড্রোনের মত অ্যাপ্লিকেশানে ওয়্যার্ড লেজার হলে চলবে না। ওয়্যারলেস লেজার হতে হবে। ভিজিব্‌ল স্পেক্ট্রামে লেজারের আর এক সমস্যা হল শত্রুপক্ষ লাইন অফ সাইট ডিসরাপ্ট করার চেষ্টা করতে পারে।

    যাই হোক, আমি লেজার রিলেটেড ওয়েপন যা পেলাম, সেগুলো মূলত লেজার অ্যাজ এনার্জি ট্রান্সফার ডিভাইস, নট ইনফর্মেশান ট্রান্সফার ডিভাইস। একটা খুব ইন্টারেস্টিং ওয়েপন এইটা, http://www.nbclosangeles.com/news/local/New-Laser-Weapon-Debuts-in-LA-County-Jail-101230974.html
  • Sibu | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ০২:২০490369
  • আমি অবশ্য অপটিকসের লোক না। ফাইবার অপটিকস নিয়ে আমার ফান্ডা ঐ অপটিক্যাল নেটওয়ার্ক পড়ানো/রিসার্চে লিমিটেড। তবে রেয়ার আর্থ কোটিং বোধহয় সিগন্যাল অ্যাম্প্লিফাই করতে লাগে। এছাড়া ফাইবার সিলেকটিভলি ডোপ করতে হয়, যাতে টোটাল ইনটারন্যাল রিফ্লেকশন হয়ে লাইট ফাইবারের ভেতরে থাকে (সিগন্যাল অ্যাটিনুয়েশন কম হয়)।

    ড্রোনের অপটিক্যাল কন্ট্রোল অবশ্য স্পেকুলেশন (ইন মাই পার্ট)। তবে অসম্ভব হয়তো নয়।
  • দ্রি | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ২২:৫০490371
  • মনে হয় বেশ কিছু নিউক্লিয়ার বোম এক্সপায়ারি ডেট পার হয়ে যাচ্ছে।
  • দ্রি | ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ০৬:১৪490373
  • বড্ড হ্যাকিং হচ্ছে আজকাল। তাই ইন্টারনেটকে রক্ষা করতে চাই নতুন বিল।

    The Cyber Intelligence Sharing and Protection act (CISPA) will be reintroduced before the US House next week following a spate of cyber espionage and hacking attacks. Civil liberties advocates have criticized the bill for violating privacy laws.
    ...
    CISPA would allow for the voluntary sharing of Internet traffic between private companies and the government. The bill is purportedly intended to help the US government, especially the intelligence community, to investigate cyber threats and ensure the security of networks against cyber attack, especially those emanating from countries like China and Iran.

    The bill would also allow the federal government to provide classified cyber threat information to private firms, and protect them from legal action in the course of sharing private information.

    Opponents of the bill say it would allow companies to hand over a user’s private browsing information to the government, allowing authorities to spy on American citizens rather than simply track down cyber threats.

    http://rt.com/usa/news/cispa-congress-reintroduce-act-825/

    তো এইসব সাইবার অ্যাটাকের গপ্পো মিডিয়ায় কেন আসছিল তার একটা ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্চে। নিরুপদ্রবে যাতে বিলটা পাস করানো যায়।
  • দ্রি | ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ০৬:২৩485573
  • ঝুলি থেকে বেড়াল বার করেছে ডিফেন্স কন্ট্র্যাক্টর রেথিয়ন। রায়ট।

    Software that tracks people on social media created by defence firm

    Raytheon's Riot program mines social network data like a 'Google for spies', drawing ire from civil rights groups

    A multinational security firm has secretly developed software capable of tracking people's movements and predicting future behaviour by mining data from social networking websites.

    A video obtained by the Guardian reveals how an "extreme-scale analytics" system created by Raytheon, the world's fifth largest defence contractor, can gather vast amounts of information about people from websites including Facebook, Twitter and Foursquare.
    ...
    But the Massachusetts-based company has acknowledged the technology was shared with US government and industry as part of a joint research and development effort, in 2010, to help build a national security system capable of analysing "trillions of entities" from cyberspace.

    The power of Riot to harness popular websites for surveillance offers a rare insight into controversial techniques that have attracted interest from intelligence and national security agencies, at the same time prompting civil liberties and online privacy concerns.
    ...
    Using Riot it is possible to gain an entire snapshot of a person's life – their friends, the places they visit charted on a map – in little more than a few clicks of a button.
    ...
    "We're going to track one of our own employees," Urch says in the video, before bringing up pictures of "Nick," a Raytheon staff member used as an example target. With information gathered from social networks, Riot quickly reveals Nick frequently visits Washington Nationals Park, where on one occasion he snapped a photograph of himself posing with a blonde haired woman.

    "We know where Nick's going, we know what Nick looks like," Urch explains, "now we want to try to predict where he may be in the future."

    Riot can display on a spider diagram the associations and relationships between individuals online by looking at who they have communicated with over Twitter. It can also mine data from Facebook and sift GPS location information from Foursquare, a mobile phone app used by more than 25 million people to alert friends of their whereabouts. The Foursquare data can be used to display, in graph form, the top 10 places visited by tracked individuals and the times at which they visited them.

    সোশাল মিডিয়া ভারী চমৎকার স্পায়িং মেশিন।
  • Sibu | ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ০৮:৩০485574
  • এই ফিউচার প্রেডিক্ট করার গপ্পোটা ডিফেন্স রিসার্চে যে কত শুনেছি! রেথিয়ন সেটা সত্যি করতে পারি কিনা জানি না। তবে ফিল্ডটা যতটা জানি তাতে ঐ দাবিটা জ্যানাগ্যানের ট্যাক্সের টাকা ঝেড়ে খাবার ধান্দাও হতে পারে।
  • দ্রি | ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ২১:১৪485575
  • ফিউচার প্রেডিক্ট করার রিসার্চের নাম করে এরা যেটা করে সেটা অনেকটাই হল ফিউচার ইঞ্জিনিয়ারিং। টেকনোলজি ব্যবহার করে বিভিন্ন দেশে ডিসেন্ট ফোমেন্ট করা, ওপিনিয়ান ক্রিয়েট করা, এইসব। তারপর বলে বেড়ানো যে আমার সফ্‌টওয়্যার রিভলিউশান প্রেডিক্ট করতে পেরেছিল। তবে সোশাল মিডিয়া ব্যবহার করে বিভিন্ন রকমের টুল বানানোর চেষ্টা চলছে যেগুলো খুব পাওয়ারফুল।

    আর জ্যানাগানের টাকা অবশ্যই। রিসার্চ করতে গেলে ট্যাক্সপেয়ারের চেয়ে পেয়ারের কি কেউ আছে? নাম কিছু একটা দিয়ে দিলেই হল। ফিউচার প্রেডিকশান। শুনতে মিষ্টি হলেই হল। তলে তলে যা নিয়ে দরকার তাই নিয়েই রিসার্চ হবে। সিক্সটিজে ব্যালেস্টিক মিসাইল নিয়ে রিসার্চের দরকার পড়েছিল। কিন্তু ব্যালেস্টিক মিসাইলের নাম করে জ্যানাগনের কাছে টাকা চাইতে লজ্জা করে। কিন্তু চাঁদে যাওয়ার রিসার্চ করব বলতেই জ্যানাগান খুশি হয়ে গলগল করে টাকা দিয়ে দিল। কেসটা হল, চাঁদে যেতে যে ধরণের টেকনলজি লাগে ব্যালেস্টিক মিসাইলেও প্রিটি মাচ একই ধরণের টেকনলজি লাগে। প্রোজেক্টাইল, রিমোট কন্ট্রোল ইত্যাদি। সো ইট ওয়াজ আ গুড কাভার। কিছুদিন আগে ইরান বলেছে স্পেসে একটা হনুমান পাঠিয়েছে। ইন্টারন্যাশানাল কমিউনিটির কি অবিশ্বাস। তারও কিছুদিন আগে নর্থ কোরিয়া একটা স্যাটেলাইট লঞ্চ করল। ইউ কে আমেরিকা ছি ছি করল। অথচ আমরা ছোটবেলা থেকে শিখেছি স্পেসে স্যাটেলাইট পাঠালে হাততালি দিতে হয়। আসলে, 'আমরা স্যাটেলাইট পাঠালাম' ইজ আ কোড ফর 'আমরা দুরপাল্লার ব্যালেস্টিক মিসাইল কেপেব্‌ল'।
  • দ্রি | ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ২১:৩৩485576
  • নর্থ কোরিয়া নিউক্লিয়ার বোম টেস্ট করল। সব দেশ ধিক্কার দিল।

    কিভাবে জানতে পারা গেল টেস্টিং এর কথা?

    The United States Geological Survey confirmes an earthquake in North Korea's northeast of between 4.9- and 5.1-magnitude, at a depth of about one kilometer.

    The Japanese Meteorological Agency reports that the tremor's epicenter was located in Kilju county, at exactly the same place and depth as the quake caused by North Korea's last known underground nuclear test in 2009. North Korea’s first nuclear test in 2006 was also carried out at the Punggye-ri test site.

    http://rt.com/news/north-korea-artificial-earthquake-981/

    পাওয়ারফুল আন্ডারগ্রাউন্ড নিউক্লিয়ার টেস্টিং সিসমোগ্রাফের কাছে ভূমিকম্পের মতোই লাগে।

    দিস ইজ ওয়ান ওয়ে অফ ক্রিয়েটিং আর্থকোয়েক আর্টিফিশিয়ালি।
  • দ্রি | ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ২২:১১485578
  • http://www.dailymail.co.uk/news/article-2276884/Pope-Benedict-XVI-resigns-First-Pontiff-600-years-stand-longer-strength-carry-on.html#axzz2KhdDS0hk

    রিজাইন করলেন পোপ। রিজাইন করার কয়েক ঘন্টার মধ্যেই ঝড়বৃষ্টি হয়ে বাজ পড়ল সেন্ট পিটার্সের ওপর। তবে কি এটা আকাশ থেকে ভগবানের নির্দেশ?

    (আহেম, নাকি আর্টিফিশিয়াল ওয়েদার মডিফিকেশান?)

    বিবিসি আবার বাজ পড়ার ভিডিওও সম্প্রচার করেছে।

  • T | ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ২২:৪১485579
  • ব্যালেস্টিক মিসাইল নিয়ে রিসার্চ আমেরিকা ১৯৪৫ থেকেই চালু করে দিয়েছিল। সিক্সটিজে নয়। তারপর ভন ব্রাউনকে নিয়ে এসে আমেরিকা তাদের মিসাইল রিসার্চ প্রোগ্র্যাম ঢেলে সাজিয়েছিল। অত চুপিচুপি কিছু ব্যাপার ছিল না। অন্ততঃ চাঁদে যাওয়ার ধুয়ো তুলতে হতো না। আর চাঁদে যেতে প্রোজেক্টাইল, রিমোট কন্ট্রোল ছাড়াও আরো কিছু লাগে। যেমন রি এন্ট্রি টেকনোলজি। যেমন অটোনমাস কন্ট্রোল। আরো হাজার একটা। "প্রিটি মাচ একই ধরণের টেকনলজি" না। অতো সহজ নয়। :)

    ব্যালেস্টিক মিসাইল বানাবে বলে চাঁদে যাওয়ার ধুয়ো তুলেছিল এটা কিছুটা সরলীকরণ। বরং ব্যালেস্টিক থেকে লঞ্চ ভেহিকল একটা খুব ন্যাচারাল এক্সটেনসন।
  • Sibu | ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ২৩:০৮485580
  • রি-এন্ট্রি টেকনোলজি মনে হয় ICBM বানাতেও কাজে লাগে।
  • T | ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ০০:৪৮485581
  • কিন্তু দুটো একরকম নয়।

    ICBM এর রি এন্ট্রি এবং স্পেস ভেহিকল রি এন্ট্রির মধ্যে তফাত রয়েছে। আই সি বি এম এর রি এন্ট্রি পয়েন্টে যা গতিবেগ থাকে তার তুলনায় স্পেস ভেহিকলের রি এন্ট্রিতে গতিবেগ অনেক বেশী থাকে। স্পেস ভেহিকল রি এন্ট্রির সময় প্রায় সূর্যের সারফেসে যা তাপমাত্রা তার থেকেও বেশী তাপমাত্রা তৈরী হয় (যেমন অ্যাপোলোর হয়েছিল)। ফলে হিট সিঙ্ক অনেক জবরদস্ত হতে হবে আর কি।
    ICBM সাব অর্বাইটাল। মোটামুটি ১০০ থেকে ১২০ কিলোমিটারের মধ্যে রি এন্ট্রি ঘটে ৩ কি ৪ কিমি/সেক গতিবেগে।

    এছাড়া রি এন্ট্রি করিডর বলে একটা ব্যাপার আছে। যেটা ICBM এর আর স্পেস ভেহিকলের ক্ষেত্রে আলাদা রকম। ICBM এর ফরোয়ার্ড স্পিড নিয়ন্ত্রণ করে ল্যান্ডিং পয়েন্ট অফসেট এরর মিনিমাইজ তবু করা যায়। কিন্তু সেইসময়কার অ্যাপোলোর ক্ষেত্রে এবং এখনো কিছু ক্ষেত্রে ফরোয়ার্ড ভেলসিটি কন্ট্রোল করা সম্ভব ছিল না, রি এন্ট্রির সময়। স্রেফ ল্যাটেরাল কিছু মুভমেন্ট করা যেত। ফলে অ্যাপোলোর রি এন্ট্রি করিডর ছিল খুব সরু। সুতরাং ভেবে নিন সেইসময়কার রি এন্ট্রি নেভিগেশন কন্ট্রোল কত চ্যালেঞ্জিং ছিল।

    এমনিতে সেইসময়কার অ্যাপোলো রি এন্ট্রি ক্যাপসুল আর ICBM এর মুন্ডুটার ছবি দেখলে দুটোর রি এন্ট্রি টেকনোলজি যে মোটামুটি একটা অন্যটার একদম উল্টো সেটা র একটা আন্দাজ পাওয়া যায়।
    এছাড়া আরো নানান কিছু আছে।
  • S | ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ০২:১৭485582
  • আমার মনে হয় তখন দিনকাল যা ছিলো, মানে কিউবান ক্রাইসিস - কোল্ড ওয়ার, তাতে ব্যালেস্টিক মিসাইল বললে লোকে গল গল করে আরো বেশি টাকা দিয়ে দেবে। এটা অবশ্য আমার ওপিনিয়ন - কোনো ডেটা নেই।
  • Sibu | ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ০৩:১৬485584
  • ICBM আর স্পেস ভেহিকলের রি-এন্ট্রি অবশ্যই আলাদা। সেটা নিয়ে কোন কথা নেই। আসল প্রশ্ন হল প্রোগ্রামের পলিটিক্যাল ভায়াবিলিটি। একটা কন্সটিটিউয়েন্সিকে ICBM খাওয়ানো সোজা, আর একটাকে স্পেস এক্সপ্লোরেশন। কেউ ICBM নিয়ে আপত্তি করলে তাকে বল - টাকা না দিলে তোমার সাধের স্পেস প্রোগ্রামও ঝাড় খাবে। আবার কেউ স্পেস প্রোগ্রাম নিয়ে আপত্তি করলে তাকে ICBM ঝাড় খাবার গপ্পো বল।
  • দ্রি | ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ০৬:২৫485585
  • ঠিক আছে, ব্যালেস্টিক মিসাইল ছোট ভাই, আর অ্যাপোলো বড়দা।

    তবে শুধু তো ব্যালেস্টিক মিসাইল নয়। স্যাটেলাইট পাঠানো ইমেজিংএর জন্য, কমিউনিকেশানের জন্য, স্পায়িংএর জন্য। এগুলোর পারপাস মূলত মিলিটারী। তারপর এল একে অন্যের স্যাটেলাইটকে অকেজো করে দেওয়ার রিসার্চ, নিজের স্যাটেলাইট দিয়ে অন্যের স্যাটেলাইটকে ঢুঁ মারা, যাকে বলে কামিকাজে স্যাটেলাইট। লেজার ওয়েপন দিয়ে স্যাটেলাইট নষ্ট করা। তারপর স্যাটেলাইট ওয়েপন যেখানে ICBM স্যাটেলাইটে চেপে পাক খাবে, পুশ অফ দা বাটনে ঐ স্যাটেলাইট থেকেই ফায়ার করবে, তারপর অ্যান্টিব্যালেস্টিক মিসাইল। তারপর জিপিএস স্যাটেলাইট। জিপিএসের মূল উদ্দেশ্য কিন্তু মিলিটারী, অ্যাকিউরেট টার্গেটিং অফ বোম্‌স অ্যান্ড ক্রুজ মিসাইল। অনেক দেশ আমেরিকার জিপিএস সিস্টেম ইউজ করে। কিন্তু রাশিয়ার নিজস্ব জিপিএস স্যটেলাইট সিস্টেম আছে (গ্লোনাস)।

    তো আমার যেটা বলার ছিল, চাঁদে যাওয়া হল এই ভাস্ট বডি অফ মিলিটারী রিসার্চের একটা সিভিলিয়ান ফেস। একটা সিভিলিয়ান ফেস থাকলে, 'কেন টাকা চাই'এর উত্তর দিতে সুবিধে হয়।

    রি-এন্ট্রি টেকনোলজি যে দুটো ক্ষেত্রে আলাদা সেটা বুঝলাম। স্পেসশিপের ক্ষেত্রে টেম্পারেচার অনেক বেশী থাকে সেটা একটা ইস্যু। আরো একটা ইস্যু হল কোন মেজর ক্ষয়ক্ষতি ছাড়া মাটিতে নেমে আসা, বিশেষ করে তাতে যদি মানুষ থাকে। ব্যালেস্টিক মিসাইলে সেই রেসপন্সিবিলিটিটা অপেক্ষাকৃত কম, জিনিষটা তো সেই ফেটেই যাবে। তো স্পেসশিপের ক্ষেত্রে ইঞ্জিনিয়ারিংটা জবরদস্ত হতে হবে সেটা বুঝলাম। এমন কি হতে পারে, যে এই রিসার্চ এক্সপেরিয়েন্স পরে আরেকটু অন্যরকম মিলিটারী ভেঞ্চারে সহায়তা করেছে? খুব রিসেন্টলি বোয়িং ইউএস মিলিটারীর জন্য X-37B বলে একটা স্পেস ভিয়েক্‌ল বানিয়েছে। এর মিশান এখনও পর্য্যন্ত ক্লাসিফায়েড। জিনিষটা প্লেনের মত দেখতে। স্যাটেলাইটের মত লঞ্চ করা হয়। তারপর অর্বিটে উড়তে থাকে। তারপর সেগুলো নামিয়ে আনা যায়। এবং এগুলো রিইউজেব্‌ল। মানে একই ভিয়েক্‌ল বারবার স্পেসে যেতে পারে। সুতরাং এদের রিএন্ট্রি টেকনোলজি খুবই রোবাস্ট। চাঁদে গিয়ে যেগুলো ফিরে আসে সেগুলো কি রিইউজ করা যায়?

    তবে রিএন্ট্রিটা খুব ইম্পর্ট্যান্ট সেটা বুঝলাম। ইরান রিসেন্টলি স্পেসে হনুমান পাঠিয়েছে। এটা রিপোর্ট করতে গিয়ে কোন একটা ওয়েস্টার্ন পেপার লিখেছিল, কিন্তু বাঁদরটা কি বাঁচবে? বোধ হয় এটা ব্যাকহ্যান্ডেড ওয়ে অফ সেয়িং যে তোমরা স্পেসশিপ আকাশে তুলে দিয়েছো ঠিকই, তবে বামাতে বোধ হয় পারবে না, এখনও বাচ্চা আছ। ভারত তো পটাপট স্যাটেলাইট তুলে দেয়, নামাতে পারে?
  • T | ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ১১:৫৩485586
  • আমার মনে হয়, জাতীয় নিরাপত্তা ইত্যাদি কারণ দেখিয়ে মিসাইল রিসার্চের পিছনে টাকা খরচ করা হচ্ছে এই সব যুক্তি দেখাতে আমেরিকার খুব অসুবিধে হওয়ার কথা নয়। NASA ফর্ম হওয়ার আগে, যখন NACA ছিল, তখন এরা মূলত এরোনটিক্স এর উপর বিস্তর টাকা ঢেলেছে। সুফলও পেয়েছে। ১৯০৩ এর ২০ সেকেন্ডের ফ্লাইট থেকে ১৯৪০ এর পি ৫১ অবধি বিস্ময়কর অগ্রগতি এর প্রমাণ। সেসময় মিলিটারী এভিয়েশন সংক্রান্ত কোনো প্রজেক্ট অন্য কিছুর আড়ালে চলেনি। রকেট বানানোর আইডিয়া তখনো আমেরিকানদের ছিল না। ১৯৪০ এ সরকার সিদ্ধান্ত নেয় নতুন কোনো ডেভেলপমেন্টের জন্য আর পয়সা ঢালা হবে না। ফলে ৪১ এর পর জার্মানরা আরো এগিয়ে গিয়ে জেট প্রপেলড এয়ারক্রাফট (এম ই ২৬২) তৈরী করে ফেলে যেটা আমেরিকানদের কাছে ছিল বড় একটা ধাক্কা। জনতা বুঝতে পারে এই বিষয়ে চট করে থেমে গেলে চলবে না। ফলে প্রায় যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে আমেরিকানরা নতুন রিসার্চের ওপর জোর দেয়। ১৯৪৫ এর পর মোটামুটি জার্মান এভিয়েশন ইন্ডাস্ট্রী ধ্বংস হয়ে গেলে, পড়ে পাওয়া সমস্ত চোদ্দ আনা কাজে লাগিয়ে আমেরিকা দু কদম এগিয়ে যায়। এবং তখনো স্পেস প্রোগ্র্যাম বা রকেট বা আই আর বি এম ইত্যাদিতে আমেরিকানরা খুব বেশী হাত পাকাতে পারে নি। কিন্তু, ওয়ার্নার ভন ব্রাউনের তৈরী V2 তখন একমাত্র বিস্ময়কর একটি ব্যাপার, যার গুরুত্ব আমেরিকানরা দিব্যি বুঝেছিল। (রাশিয়ানদের ছিল কাতুশা রকেট যা খুব কিছু এফেক্টিভ নয়) ফলে যুদ্ধশেষে ভন ব্রাউন আমেরিকার হাতে ধরা পড়ার পর মিসাইল ব্যালেস্টিক রিসার্চ খাতে আমেরিকা প্রচুর পয়সা ঢেলেছে খোলাখুলি। জুপিটার মিসাইল থেকে স্যাটার্ন ১ এর ডেভেলপমেন্ট যেভাবে হয়েছে তা দেখলে বোঝা যায় মূলত সোবিয়েতকে ঠান্ডা রাখবে বলেই এগুলো করেছে। জনগণকে বোঝাতে অসুবিধেই বা কী যে দেখো তোমাদের ভালোর জন্যই এটা করা হচ্ছে।

    তো সিচুয়েশন বদলে গেল স্পুতনিক উৎক্ষেপণের পর থেকে। ভনব্রাউন ৯০ দিনের ডেডলাইন দিয়ে দিলেন। উনি বললেন ভ্যানগার্ড রকেটে করেই একটা স্যাটেলাইট কে রেখে আসা যায়। আমেরিকান পার্সপেক্টিভে এটা মিসাইলের প্রথম ইউজ বলতে পারেন স্পেস এপ্লিকেশনে। ভ্যানগার্ড ২ রকেট এক্সপ্লোরার ১ কে অর্বিটে রেখেও এল। এই সময় যদি রাশিয়ানদের কীর্তিকলাপ দেখেন তো দেখবেন, তারা সব কিছুতেই প্রথম হওয়ার চেষ্টা করছিল। প্রথম স্যাটেলাইট, প্রথম ম্যানড অরবাইটাল ফ্লাইট, প্রথম কোনো মহিলার অর্বাইটাল ফ্লাইট, প্রথম কুকুর ইত্যাদি ইত্যাদি। তুলনায় আমেরিকানরা এক্সপ্লোরার ১ এর পর থেকেই বিষয়টির পোটেনশিয়াল বুঝে খুব ধীরে এগিয়েছে। আই সি বি এম তৈরী করে ফেলার পরেও আদপেই চাঁদে যাওয়া কতটা সম্ভব সেটা ধাপে ধাপে মেজার করেছে। ১৯৬১ র আগে তৈরী হওয়া আই সি বি এম গুলো একেবারে নিখুঁত না হলেও সোবিয়েতকে চমকে দেওয়ার পক্ষে যথেষ্ট ছিল। আমেরিকান সরকারও ভাবতে পারত যে (১৯৪১ এর মতোই) দরকার নেই, এগজিসটিং সিস্টেম ডেভেলপ করলেই হবে। এই প্রসঙ্গে দেখুন, চাঁদে যাওয়ার বাজেট এবং স্রেফ মিসাইল ডেভেলপমেন্টের বাজেটের মধ্যে আকাশ পাতাল তফাত। মানহাটান প্রজেক্টের থেকেও বহুগুণে বেশী। স্পুতনিক পরবর্তী সময়ে জনগণকে এবং বাকী বিশ্বকে যদি দেখানো যায় যে আমরা রাশিয়ার থেকে বহুগুণে এগিয়ে তাহলেও তার ইমপ্যাক্ট হবে অপরীসীম। (এ প্রসঙ্গে 'রকেট বয়েজ' পড়ে দেখতে পারেন) ফলে মিসাইল দেখিয়ে চাঁদা তোলা মুশকিল, দরকারও ছিল না।
    ১৯৬১ র পর কিছু মূল টেকনোলজি তৈরী হয়, যা নেভিগেশন কন্ট্রোলের ফিল্ডে বলতে পারেন ঐতিহাসিক। পৃথিবীর বিভিন্ন কক্ষপথে বা চাঁদের কক্ষপথে অনম্যান্ড বা ম্যানড স্পেস ভেহিকল ইঞ্জেকশন পসিবল ও রিলায়েবল হয়ে দাঁড়ায়। আমেরিকানরা এরপরই সিরিয়াসলি ভাবতে শুরু করে যে হ্যাঁ, চাঁদে লোক পাঠানো সম্ভব। গোটা প্রসেসটাই একটা বিবর্তন বলতে পারেন।

    x37B এর মতোই আরো বেশ কিছু আছে। ইনফ্যক্ট জন্মলগ্ন থেকেই আমেরিকান এভিয়েশন ইন্ডাস্ট্রী তাদের সার্ভিস সিলিং বাড়িয়ে যাচ্ছে ক্রমাগত। ঘটনা হচ্ছে এগুলো সাবর্বাইটাল ভেহিকল। মানে মাটি থেকে ছুঁড়লেন উপরে গিয়ে খানিক ঘুরে ফিরে ফেরত এল। আই এস এস কে সাপ্লাই দেওয়ার কাজে দিব্যি ইউজ করা যাবে। কিন্তু চাঁদে গিয়ে ফেরত আসবে এমন কিছু রি ইউজেবল মাল তৈরী করতে গেলে একটা পাতি কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ জিনিসের কথা মাথায় রাখতে হবে। সেটা কাইনেটিক আর পোটেনশিয়াল এনার্জির যোগফল। চাঁদ থেকে ফেরত আসছে এমন কিছুর ক্ষেত্রে যেটি বহুগুণে বেশী। যে কোন সাবর্বাইটালের ক্ষেত্রে এটা তুলনায় অনেক কম। ফলে রি এন্ট্রি প্রসিডীওর এবং টেকনোলজির মধ্যে এতটাই আকাশপাতাল তফাত যে 'সাবর্বাইটালের মতো রি ইউজেবল' (মানে যে পদ্ধতিতে সাবর্বাইটাল ভেহিকল রি এন্ট্রি করে) কিছু তৈরী করা একেবারেই ইকোনমিক নয়। নাসা খুব সম্ভবত তা করতে চাইবেও না। ইদানীং যে নতুন ধরণের রি-এন্ট্রি টেকনোলজি যেমন লিফটিং রি-এন্ট্রি ইত্যাদির মাধ্যমে এটা করা সম্ভব তবে প্রচুর কিছু এখনো কন্সেপচুয়াল স্টেজে। আসলে ডিরবিট বার্ণ, x37B এবং চাঁদফেরত কোনো কিছুর মধ্যকার তফাতের জন্যই এই সমস্যা। যত বেশী উপরে উঠবেন নামতে তত বিপত্তি।

    ভারত পটাপট স্যাটেলাইট তুলে দেয়। এগুলো বিভিন্ন জিওসিনক্রোনাস অরবিটে ঘুরতে থাকে। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে ধীরে ধীরে নামতেও থাকে। এরকারণ স্পেস ড্র্যাগ বা হাই এটমোস্ফেরিক ড্র্যাগ। গতিবেগ কমতে থাকে ফলে ধীরে ধীরে কমে আসে উচ্চতা। একসময় মূল বায়ুমন্ডলে ঢুকে পড়ে জ্বলে পুড়ে ছাই। এটাকে আটকাবার জন্য পিরিয়ডিক ম্যানুভার করা হয়। স্যাটেলাইটে কিছু ফুয়েল স্টোর করা থাকে, যেটা দিয়ে রকেট থ্রাস্টার গুলোকে অপারেট করে এই ঘটনা রোখা হয়। ফুয়েল শেষ তো স্যাটেলাইটের মেয়াদও শেষ। চন্দ্রায়ন মিশনে স্যাটেলাইট রিকভারি করা গেছে। যদি চেহারা দেখেন তো দেখবেন উটি অ্যাপোলোর মডীউলের খুব কাছাকাছি। :)

    ইরানকে নিয়ে এই হাসাহাসির কোনো কারণ নেই। যতদিন যাচ্ছে অ্যাস্ট্রোনটিক্স, স্পেস মেকানিকস ইত্যাদি খুব ওপেন লিটারেচার হয়ে যাচ্ছে। ফলে ডেভেলপমেন্ট কোন দেশ আর কুক্ষিগত করে রাখতে পারবে না। এছাড়া ভারতের থেকে ইরান এই মূহুর্তে এই বিষয়ে অনেক এগিয়ে। এর কারণ ইসরো নামক একটি সম্পূর্ণ অপদার্থ প্রতিষ্ঠান। যে পরিমাণ টাকাপয়সা দেওয়া হয়েছে এদের তা ঠিক মতো কাজে লাগালে অ্যাদ্দিনে আমরা চাঁদে পৌঁছে যেতাম।
  • দ্রি | ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ২২:৫০485587
  • ১৯৬১ সালে নেভিগেশান কন্ট্রোলে ঐতিহাসিক উন্নতি নিয়ে একটু লিখুন। এই টেকনোলজি কি ড্রোনেরও আন্ডারলায়িং টেকনোলজি? ড্রোন ব্যাপারটা যে অন্তত সিকস্টিজ থেকে আছে, তার এভিডেন্স আমার কাছে আছে।

    আর একটা ব্যাপার নিয়েও লিখুন। পৃথিবী থেকে যখন চাঁদে যাচ্ছি তখন রকেট লাগছে পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ কাটিয়ে যেতে। কিন্তু চাঁদ থেকে যখন ফিরছি তখন চাঁদের মাধ্যাকর্ষণ কাটাতে কোন রকেট লাগছে না। কেন? মানছি চাঁদের মাধ্যাকর্ষণ অনেক কম। কিন্তু তাও অন্তত গুলতি টাইপের কিছু তো লাগা উচিত ছিলো?
  • দ্রি | ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ২২:৫২485588
  • শিবুদা, ডর্নারকে তো পুড়িয়ে মেরে দিল বলে বলছে।
  • দ্রি | ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ২২:৫৯485589
  • গ্রীসে বাড়ছে মেটাল থেফ্‌ট।

    Roadside crash barriers, storm-drain covers, heavy factory doors, as well as mining equipment, irrigation machinery and even cemetery planters made of metal have all gone missing in and around Thessaloniki, the country's second largest city, amid concerns that previously law-abiding Greeks are turning to crime in growing numbers.

    http://www.express.co.uk/news/world/377030/Greeks-strip-country-for-scrap-cash
  • দ্রি | ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ২৩:১০485590
  • মেক্সিকোর ড্রাগ কার্টেলের এক বিগ বস ধরা পড়েছেন শিকাগোয়। তাঁর ট্রায়াল চলছে। তিনি জানিয়েছেন, আমেরিকা থেকে অস্ট্রেলিয়ায় ড্রাগ ভর্তি প্রাইভেট জেট ওড়ানো হত। প্লেন ফিরত ক্যাশ ভর্তি হয়ে। পাইলট পেত ১০%।

    Planes used to fly cocaine to Australia are loaded with millions of dollars in cash for the flight back to the US and pilots are paid a 10 per cent share of the booty.

    The details are alleged in the criminal complaint lodged by the US Drug Enforcement Agency (DEA) in the US District Court in Illinois against Jose "Juanito" Mares-Barragan, a 31-year-old accused of being the co-head of a Chicago drug trafficking organisation working for Mexico's ruthless Sinaloa cartel.
    Advertisement

    "If he wants to go big, we can go big," Mares-Barragan allegedly told an informant, codenamed CS1, during a recorded meeting to discuss enticing a pilot to fly cocaine from South America to Central America.

    The pilot would make $US500,000 for each South America-Central America flight and CS1 would earn between $US30,000 and $US50,000 for introducing the pilot to Mares-Barragan, documents filed in court allege.

    http://news.smh.com.au/breaking-news-world/drugs-flown-to-australia-on-private-planes-20130211-2e86u.html

    ড্রাগ বিজনেসে প্রফিটের বহর সম্বন্ধে একটা ধারণা করা যেতে পারে।
  • দ্রি | ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ২৩:২২485592
  • এতদিন বার্মা ছিল pariah স্টেট। কেন?

    Myanmar, formerly titled Burma, fell out of favor with investors when it stopped paying off many of its debts in 1987.

    এখন সব চুকে বুকে গেছে। পুরোন ঋণ ক্ষমা করে দেওয়া হয়েছে। এসে যাচ্ছে নতুন লোন। ইন্টারেস্ট হাতে হাতে আদায়। এবার শুধু উন্নয়ন আর উন্নয়ন।

    http://www.globalpost.com/dispatch/news/regions/asia-pacific/myanmar/130128/myanmar-forgiven-6-billion-debt-clearing-way-aid
  • PM | ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ০০:০১485593
  • এই জন্য-ই বোধ হয় UK ভিসা দিতে টিবি টেস্ট পুনরায় চালু করা হলো মাস দুই আগে
  • T | ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ০০:৪৬485595
  • ফ্রি রিটার্ণ ট্র্যাজেক্টরি বলে একটা ব্যাপার আছে। গোদা ভাবে বললে, পৃথিবী থেকে ছোঁড়া হল, স্পেস ভেহিকল চাঁদের দিকে গেল, তারপর চাঁদ সেটাকে লুফে নিয়ে একপাক ঘুরিয়ে ফের পৃথিবীর দিকে ছুঁড়ে দিল। একে বলে গ্র্যাভিটেশনাল থ্রী বডি প্রবলেম। ট্র্যাজেক্টরির শেপটা হবে একটা বাংলার ৪ এর মতন। এই ফ্রি রিটার্ণ ট্র্যাজেক্টরি থেকে ডি অরবিট বার্ণ ঘটিয়ে স্পেস ভেহিকলকে পৃথিবীতে নামিয়ে আনা হয়। অ্যাপোলো ১৩ সিনেমাটা যদি দেখে থাকেন তো দেখবেন সেখানে দেখানো হচ্ছে, স্পেসক্রাফটে গোলমালের পর সেটিকে কিভাবে ফ্রি রিটার্ণ ট্র্যাজেক্টরিতে চালান করে ফিরিয়ে আনা হচ্ছে। বাস্তবে অবশ্য এই ফ্রি রিটার্ণ ট্র্যাজেক্টরি ফলো করা হয় না, কারণ অপ্টিমাল নয়। একপ্রকার সেফ গার্ড হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

    ১৯৬১ র ডেভেলপমেন্টটা কন্ট্রোল নেভিগেশন ফিল্ডে। কালম্যান ফিল্টারিং। এরোনিয়াস মেজারমেন্ট থেকে সিস্টেমের বিভিন্ন স্টেট সম্পর্কে আসল ধারণা পাওয়ার অ্যালগো। অ্যাপোলো মিশনে ব্যবহৃত হয়েছিল এবং এটি অত্যন্ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ডেভেলপমেন্ট। ট্র্যাজেক্টরি কম্প্যুটেশনে কাজে লেগেছে। ভেহিকলের ওরিয়েন্টেশন নির্ধারণে কাজে লেগেছে। আরো নানান ব্যাপারে কাজে লেগেছে। সবচেয়ে বড়ো কথা এটি প্রায় রিয়েলটাইমে স্টেট এস্টিমেট করতে পারে। আগেকার ওয়াইনার ফিল্টারিং এর তুলনায় এই রিকার্সিভ মেথড প্রচুর উপযোগী।

    ড্রোন বা আনম্যান্ড এরিয়াল ভেহিকল ব্যাপারটা তো আরো আগে থেকেই রয়েছে। ডকুমেন্টেড এভিডেন্সই পাবেন ১৯২০ র দশক থেকে।
    আনম্যান্ড এরিয়াল ভেহিকল নিয়ে রিসার্চের ব্যাপারটা প্রায় শুরু থেকেই খোলাখুলি ছিল। যতদিন যাচ্ছে ধীরে ধীরে ক্লাসিফায়েড স্তরে পৌঁছচ্চে।
    এ ব্যাপারে আমেরিকা যে পাইওনিয়ার তা বলার অপেক্ষা রাখে না। তবে ইজরায়েলও পিছিয়ে নেই। ৩ -৪ মিটার উইংস্প্যানের মিসাইল অ্য্যাটাক করতে পারে এমন জিনিস ১৯৯০ থেকেই আছে। অন্ততঃ ডকুমেন্টেড এভিডেন্স। এ প্রসঙ্গে বলি, ইন্দানীং কার লেটেস্ট ট্রেন্ড হল ছোটো থেকে ছোটো আন ম্যান্ড এরিয়াল ভেহিকল বানানো। ৩০ সেন্টিমিটার, ১৫ সেন্টিমিটার, সাড়ে সাত সেন্টিমিটার ডায়ামিটার ওয়ালা একটা স্ফিয়ারের মধ্যে যা ঢুকে যেতে পারে। প্রাথমিক উদ্দেশ্য অবশ্যই সার্ভিলেন্স, কিন্তু খুব কাছ থেকে স্প্রিং সিস্টেম বেসড ওয়েপন ছুঁড়ে মারার জন্যও ব্যভার করা হচ্ছে। লকহিড মার্টিন অলরেডী তৈরী করে ফেলেছে এমন জিনিস। আরো আশ্চর্যের কথা এই যে, এগুলোর কোনোটাই কিন্তু কোয়াড রোটর বা পেন্টারোটর নয়, একদমই ফিক্সড উইং আনম্যান্ড এয়ার ভেহিকল। কোথাও হোভার করবে না। রাডার ক্রসসেকশন শূন্য। মনে করুন ঘরে বসে আছেন। স্রেফ জানালা দিয়ে ঘরে ঢুকে মেরে দিয়ে চলে যাবে, টেরটিও পাবেন না, উইথ জিরো কোল্যাটেরাল ড্যামেজ।

    তবে একটা আশার কথা শুনিয়ে যাচ্ছি।

    ভারতেও তৈরী হয়ে গেছে এই প্রযুক্তি। আমরা এফ ১৬ নাও বানাতে পারি। চাঁদে নাও যেতে পারি। কিন্তু এইদিক দিয়ে সাহেবদের সাথে সমানে সমানে টক্কর চলবে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। খারাপ-ভাল প্রতিক্রিয়া দিন