এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • PT | ১৮ এপ্রিল ২০১৬ ০৭:২১703206
  • kc
    আপনেরা দীনেশ মজুমদার দেখালেন -আম্মো RSP-র সৌরীন ভট্টাচার্যকে দেখেছি কিশোরবেলা থেকে লাগোয়া বাড়ীর প্রতিবেশী হিসেবে। কাজকম্ম আচার-ব্যবহার তাঁর সাদা ধুতি পাঞ্জাবীর মতই সাদা ছিল।

    কিন্তু সেই সব "স্বর্ণময় অতীত"-এই কি "পুকুরে ফলিডল দেওয়া, কিম্বা আধপাকা ধান কেটে দেওয়া, কিম্বা একঘরে করে রাখা, অথবা পঞ্চায়েতের নামে খাপ পঞ্চায়েত চালানো" ইত্যাদি প্রভৃতি হত? তো তেনারা কি করতেন তখন?

    তো এইসব বাঁদরামোর জন্য ২০১১-তে বামেদের বিদেয় করা হয়েছিল। কিন্তু সে কম্ম-কান্ড তো এখনো ঘটে চলেছে-কিছু ক্ষেত্রে আরো বেশী করে চলেছে। কংগ্রেসকে ভোট দেওয়ার জন্যে বামেরা নাকি কাদের হাত কব্জি থেকে কেটে ফেলেছিল। তো এ আমলে দেখলাম তিনোরা নিজের দলের লোকের পা-দুটো কেটে রেল লাইনের ধারে শরীরটা ফেলে দিয়ে গিয়েছিল।

    তাহলে কি ধরে নেব যে গ্রামে-গঞ্জের বাঙালীর চরিত্রই এমনধারা হিংস্র আর প্রতিশোধস্পৃহা এতই তীব্র? এর সঙ্গে যদি গত বিধাননগরের ভোটের ঘটনা জোড়েন তাহলে দেখা যাবে যে শহরের বাঙালীও হিংসায় মদত দিতে কম যায় না। সেই কারণেই কি নকশাল আন্দোলন এক সময়ে এতটাই জনপ্রিয় ছিল? উচ্চ তাত্বিকতার মোড়কে হিংসার জনপ্রিয়তা? তাই জন্যেই কি এখনো "ইঞ্চিতে, ইঞ্চিতে বুঝে নেব" বলার পরেও প্রতুল মুখার্জী বক্তার হয়ে কালো কোট গায়ে চাপান?

    তো সে পাপের বোঝা তো গোটা বাঙালী সমাজকেই ভাগ করে নিতে হবে!!
  • S | ১৮ এপ্রিল ২০১৬ ০৭:৪২703207
  • ২০১১ এর তুলনায় তিনোদের সমর্থন কিছুটা কমেছে বটে। কিন্তু এর মধ্যে অনেকেই শুধু নাটক করে ছি ছি বলবেন, ভোট বাক্সে গিয়ে তিনোদেরই ভোট দেবেন - সেটা নিয়ে খারাপ লাগলেও কিছুই বলার নেই, ভুল করারও অধিকার আছে বটে। তা সত্তেও জোটের ফল বেটার হওয়ার কথা, তিনোদের সীট আরো কমা উচিত। কিন্তু আসল ফ্যাক্টর হলো ভোটে কারচুপি + কমিশনের জল। কেন্দ্রবিশেষে ঐ ৪-৫% ভোট এইবারে দিদিকে পার করিয়ে দেবে।
  • ebaar | ১৮ এপ্রিল ২০১৬ ০৭:৪৮703208
  • সায়েন্টিফিক রিগিং থিওরি is coming soon.
  • নাহ | ১৮ এপ্রিল ২০১৬ ০৭:৫৬703209
  • "সে পাপের বোঝা তো গোটা বাঙালী সমাজকেই ভাগ করে নিতে হবে!!"
    সে কি হয়!!! সিপিএমের পাপের বোঝা সিপিএম এবং কংগ্রেসকেই ভাগ করে নিতে হবে!! বাঙালী সমাজ নেবে কেন?
  • কল্লোল | ১৮ এপ্রিল ২০১৬ ০৭:৫৭703210
  • পিটি। প্রতুলদা নষ্ট হয়ে গেছেন। আমার আরও অনেক বন্ধুই নষ্ট হয়ে গেছে। পুর্ণেন্দু, প্রদীপ ব্যানার্জি এরকম অনেকেই। কংশাল কথাটা তো এমনি তৈরী হয়নি ৭০এর দশকে। এখন সেটাই পাল্টে নতুন চাল তৃণশাল।
    এসব লিখতে আমার হাত কাঁপে না।
    পিএম। তৃণমুলের নারদ-সারদা নিয়ে আমার লিখতে আমার হাত কাঁপে না। তার প্রমান এখানে ভুরি ভুরি আছে। কিন্তু কেসি যে বুকে হাত দিয়ে কি যেন বলতে বল্লো তাতে তো তোমরা ঘেমে নেয়ে অস্থির। একটু জল খাও।
    আমি তো কবেই বলে দিয়েছি নোটা।
  • kc | ১৮ এপ্রিল ২০১৬ ০৮:০১703211
  • পিটিদা, তক্কাতক্কির উপরে উঠে আপনার করা 7:21 এর পোস্টটা খুব ভালো লাগল। আপনার কাছ থেকে এরকম একটা পোস্ট আদায় করে নেওয়ার জন্য আমি নিজেকে গোবেল দিলাম। :-))
  • S | ১৮ এপ্রিল ২০১৬ ০৮:০২703212
  • @ebaar, "সায়েন্টিফিক রিগিং থিওরি" কথাটা কে যেন কয়েন করেছিলেন?
  • কল্লোল | ১৮ এপ্রিল ২০১৬ ০৮:২৩703213
  • পিটি এইটা চমৎকার লিখেছে- তাহলে কি ধরে নেব যে গ্রামে-গঞ্জের বাঙালীর চরিত্রই এমনধারা হিংস্র আর প্রতিশোধস্পৃহা এতই তীব্র? এর সঙ্গে যদি গত বিধাননগরের ভোটের ঘটনা জোড়েন তাহলে দেখা যাবে যে শহরের বাঙালীও হিংসায় মদত দিতে কম যায় না। সেই কারণেই কি নকশাল আন্দোলন এক সময়ে এতটাই জনপ্রিয় ছিল? উচ্চ তাত্বিকতার মোড়কে হিংসার জনপ্রিয়তা?

    শুধু একটাই দ্বিমত আছে। "সেই কারণেই কি নকশাল আন্দোলন এক সময়ে এতটাই জনপ্রিয় ছিল? উচ্চ তাত্বিকতার মোড়কে হিংসার জনপ্রিয়তা?"
    না। একেবারেই না। এটা শুরুই করেছে নকশাল রাজনীতি। তার আগে হিংসা ছিলো না, তা নয়। কংগ্রেস চিরকাল গুন্ডা পুষতো। তারা গাজোয়ারী করতো, কিন্তু তাদের নিয়ন্ত্রন করতো "ভদ্রলোক" নেতৃত্ব।
    সিপিআই/সিপিএম এ ঐ অর্থে গুন্ডা ছিলো না। সেখানেও অ্যাকশন স্কোয়াডের লোকজন ছিলো। তারা বোম বাঁধতো, মিছিলে পুলিশকে ইঁট ও বোম ছুঁড়তো। এরা পার্টির কোন স্তরেই নেতৃত্বে আসতো না, খুব দু একজন ব্যতিক্রম ছাড়া।
    নকশাল রাজনীতিই প্রথম এ বঙ্গে "লুম্পেন প্রলেতারিয়েৎ"দের মাথায় তোলে। আর হিংসার উচ্চ্তাত্বিকতায় "ভদ্রলোক"কেও বোমা-পাইপগানে হাত পাকায়। কারন চারুবাবুর সেই ভয়ানক বাণী - শ্রেণীশত্রুর রক্তে হাত না রাঙ্গালে সে কমিউনিষ্ট নয়। এর প্রতিক্রিয়াতেই বিশেষ করে কংগ্রেসে লুম্পেনদের মাথায় তোলা শুরু হয়। গোটা ৭০-৭৭ এই লুম্পেনরা কংগ্রেসের নেতৃত্বে চলে আসে। লক্ষী বোস, সোমেন মিত্তির, ফাটা কেষ্ট্রা রাজনীতিতে মান্যতা পায়। এরপর ৮০র দশকে এ অসুখ সিপিএমেও ঢুকে পরে, মূলতঃ ঐ পুরোনো কংগ্রেসী লুম্পেনদের ছাতা বদলের মধ্যে দিয়ে। সেই ঐতিহ্য সমানে চলিতেছে তৃণমূলেও।

    কিন্তু একটা প্রশ্ন আমাকে খুব ভাবায়। কেন এই হিংসা? মাত্রাছাড়া হিংসা - এই বঙ্গে? ঠিক আছে, ক্ষমতায় থাকলে টাকা বানানো সহজ। মানলাম। সে কি শুধু পবতেই??? কর্ণাটকে, তামিলনাডুতে, রাজস্থানে, মধ্যপ্রদেশে, ছত্তিশগড়ে এমনকি উপ্র বা বিহারেও, এই রকমের প্রতিদিনের হিংসা দেখি না।
    কেন???? সেখানে কি ক্ষমতাসীন দল ও তার সদস্যরা টাকা বানায় না?
  • dd | ১৮ এপ্রিল ২০১৬ ০৮:৩০703214
  • কল্লোলকে ইয়েস।
  • dc | ১৮ এপ্রিল ২০১৬ ০৮:৩৭703216
  • PT আর কল্লোল দুজনেরই পোস্ট ভালো লাগলো, লজিকালও মনে হলো।

    কর্নাটক আর তামিলনাড়ুতে এর্কম প্রসিদিনের হিংসা দেখা যায় না (যদিও এখানেও চোরাগোপ্তা আক্রমন ভালোই চলে) তার কারন আমার মনে হয় সাধারন মানুষ বেশীরভাগটাই রাজনীতি থেকে কিছুটা দূরে থাকে। ভোটের সময় ভোট নিয়ে আলোচনা করে, দুতিনটে পার্টির নীতি নিয়েও কিছুটা চাপানউতোর চলে, কিন্তু এমনিতে বেশীর ভাগ সময়ে রাজনীতির থেকে কিছুটা নির্লিপ্ত থাকে। অন্যদিকে পবতে রাজনীতি জিনিসটা একেবারে রন্ধ্রে রন্ধ্রে ঢুকে গেছে, রাজনীতি মানুষের পরিচয় হয়ে উঠেছে। সাধারন মানুষের জীবনের প্রতিটা স্টেজে রাজনীতি চলে এসেছে। তার ফলে রাজনৈতিক হিংসা, বদলা নেওয়া, এগুলোও এতো বেড়ে গেছে।
  • S | ১৮ এপ্রিল ২০১৬ ০৮:৩৯703217
  • কল্লোলদা, আপনার সব কথাই তো বুঝলাম। কিন্তু ঐ শেষে যে টাকা বানানোর কথা বলছেন, সেইটা পবে এখনো তেমন প্রকট নয়। চীটফান্ড কেলেন্কারী বাদ দিলে টাকার অন্কটা নেহাতই ছোটো। নারদ নিউজ যে টাকা অফার করছিলো, অন্য প্রদেশের নেতারা ঐ টাকায় ঘরেও ঢুকতে দেবেনা। বিপ্লব করে দেশ ও দশের উদ্ধার করবো এমন চিন্তা বোধয় এখন শুধু বাঙ্গালীরাই করে - তাই আদর্শ হ্যানাত্যানা, বাকি সর্বত্রই লোকে শুধুই ব্যান্ক ব্যালেন্স বাড়ানোর জন্যে রাজনীতি করে।
  • PT | ১৮ এপ্রিল ২০১৬ ০৮:৪০703218
  • কল্লোলদাঃ
    মনে হয় বিচারটা পাত্রাধার তৈল বনাম তৈলাধার পাত্রের। বাঙালী কি তাহলে নক্শাল আন্দোলনের হিংসা থেকে কোন শিক্ষা নেয় নি? অথবা হিংসার প্রতি বাঙালীর মোহ এতটাই প্রবল যে তারা সেই হিংসাকেই প্রশ্রয় দিয়ে চলেছে? তাহলে নকশাল আন্দোলনের পরের চার দশক ধরে এত রক্ত কেন?
  • S | ১৮ এপ্রিল ২০১৬ ০৮:৪৬703219
  • বা হয়তো এতো হিংসা ছিলো বলেই নকু আন্দোলন বাড়তে পেরেছিলো।
  • কল্লোল | ১৮ এপ্রিল ২০১৬ ০৮:৪৬703220
  • বড়ো এস-এর কথা যুক্তিপূর্ণ মনে হলো। আমরা/আমাদের দল দেশের ভালো করবে - এই একবগ্গা বিশ্বাস হয়তো একটা কারন। তা না হলে নকশাল আন্দোলনের সময়কার অর্থহীন হিংসা থেকে শিক্ষা নিতো লোকজন। তা হয়নি।
  • dc | ১৮ এপ্রিল ২০১৬ ০৮:৫০703221
  • "বিপ্লব করে দেশ ও দশের উদ্ধার করবো এমন চিন্তা বোধয় এখন শুধু বাঙ্গালীরাই করে"

    হুঁ, ছোটবেলার সেই বিপ্লব আসছে আর সেই পৃথিবীব্যাপি সাম্রাজ্যবাদী ষড়যন্ত্র :d
  • sm | ১৮ এপ্রিল ২০১৬ ০৮:৫৪703222
  • কিন্তু সেই সব "স্বর্ণময় অতীত"-এই কি "পুকুরে ফলিডল দেওয়া, কিম্বা আধপাকা ধান কেটে দেওয়া, কিম্বা একঘরে করে রাখা, অথবা পঞ্চায়েতের নামে খাপ পঞ্চায়েত চালানো" ইত্যাদি প্রভৃতি হত? তো তেনারা কি করতেন তখন?

    তো এইসব বাঁদরামোর জন্য ২০১১-তে বামেদের বিদেয় করা হয়েছিল।
    --
    পিটি, এই কথা লিখতে পারল? এতদিন ধরে তো শুনে আসছি খালি ধাবা বুজি দের জন্য; বামেরা হেরেছিল। এখন অন্য এক্সপ্লানেশন কেন কমরেড?
  • sm | ১৮ এপ্রিল ২০১৬ ০৮:৫৮703223
  • বিপ্লব করে দেশ ও দশের উদ্ধার করবো এমন চিন্তা বোধয় এখন শুধু বাঙ্গালীরাই করে"
    -- dc কে ক।
  • PT | ১৮ এপ্রিল ২০১৬ ০৮:৫৮703224
  • আপনি যে লেখার আগে পড়েন না সেটা জানা আছে। আমি এইসব কথা আগেও লিখেছি। আপনি আমাকে ছেড়ে বরং পিসী-ভাইপোর "ইঞ্চিতে ইঞ্চিতে" বুঝে নেওয়ার ব্যাপারটা সামলান।
  • ক বাবু | ১৮ এপ্রিল ২০১৬ ০৯:০৩703225
  • বিজেপি যদি কয়েকটা আসন পেয়ে নির্ণায়ক শক্তি হয়ে ওঠে, মানে ওদের সাহায্যে তৃনমূলকে সরকার গড়তে হয়, তাহলে মোদীর সোনায় সোহাগা। রাজ্যসভায় সব বিল পাস হয়ে যাবে।
  • sm | ১৮ এপ্রিল ২০১৬ ০৯:০৫703227
  • এটাও আপনি সবাই কেই লেখেন; নতুন কি? নিজে কি আগে লিখেছেন; সেটা নিজে পড়েন তো?
  • sm | ১৮ এপ্রিল ২০১৬ ০৯:০৬703228
  • বি জে পি কি একটাও সিট পাবে বলে মনে হয়?
  • dc | ১৮ এপ্রিল ২০১৬ ০৯:০৭703229
  • sm ওটা আমার লেখা না, S লিখেছেন।
  • S | ১৮ এপ্রিল ২০১৬ ০৯:১২703230
  • আমার হিসেবে বিজেপি মেরেকেটে ১-২ টা সীট পাবে। আসানসোল আর হাওড়া উত্তরে ভালো রেজাল্ট করতে পারে।
  • pi | ১৮ এপ্রিল ২০১৬ ১০:০৩703231
  • কাল প্রতুল মুখোপাধ্যায় এটা জানিয়েছেন,

    ''' Election Commission should not only be unbiased, but should appear to be unbiased. But the Commission does not appear to be unbiased.'' ------- ইলেকশন কমিশনের কাছে এবং সাংবাদিকদের কাছে এই দুটি কথা ছাড়া আমি আর কোনও কথাই বলিনি। আমি নিজের কথা নিজেই বলতে পারি। আমার মুখে কারো কথা বসাবার প্রয়োজন নেই। সেটা বসালে কাজটা অনৈতিক। '
  • PM | ১৮ এপ্রিল ২০১৬ ১০:০৬703232
  • আমার একটাই খটকা লাগছে। জোট কাল কোথাও কোনো রিপোল চায় নি!!!! অথচ ইস্টার অনন্দ সারাদিন রিগিং শুনিয়ে গেলো।

    মায়ের চেয়ে মাসির দরদ বেশী???

    আবাপর আজকের রিপোর্টিং আর আনন্দের কালকের রিপোর্টিং ও মিলছে না।

    ওমপ্রকাকাশ/ রামচন্দ্র ডোমের বডি ল্যাঙ্গুয়েজ-ও আনন্দর রিপোর্টিং কে সমর্থন করছে না। ওদিকে দিদির বডি ল্যাঙ্গুয়েজ ক্রমশঃ দুর্বল হচ্ছে।

    হিসেবটা মিলছে না রে তোপসে। কিছু একটা জিনিষ ঠিক ঠাক ধরা যাচ্ছে না, নজর এড়িয়ে যাচ্ছে। হাইলি সাসপিসিয়াস ঃ(
  • PT | ১৮ এপ্রিল ২০১৬ ১০:২৩703233
  • প্রতুল মুখার্জীঃ
    You are known by the company.... ইত্যাদি। সঙ্গদোষে সর্বনাশ। ব্যপারটি অত সাধারণ হলে তিনি তো শঙ্খ ঘোষের সঙ্গেও যেতে পারতেন।
    আর ঐ "স্কুলের মত ভায়োলেন্স"-এর সময়ে তিনি নিশ্চুপ থেকে সঙ্গীদের অবস্থানকেই সমর্থন জানিয়েছেন নাহলে তিনি এটাও জানাতে পারতেন যে ভায়োলেন্স প্রসঙ্গে ওটা তাঁর অবস্থান নয়।
  • T | ১৮ এপ্রিল ২০১৬ ১০:৪০703234
  • S, হাওড়া উত্তরে বিজেপির পুরো টিমটাই বসে গ্যাছে। উমেশ রাই প্রার্থী হতে পারেননি সেই ক্ষোভ। প্রার্থী হলেও কিছু করতে পারত না, কারণ স্রেফ অবাঙালী ভোট দিয়ে হাওড়া উত্তর জেতা যাবে না। এবং উমেশবাবু তলে তলে দিব্যি তৃণমূলকে সাপোর্ট করছেন। উত্তর হাওড়ার বিভিন্ন এলাকায় তৃণমূল কংগ্রেসের ওয়ার্ড অফিসে যারা বসে থাকছে তাদের চেহারা এবং ভাষা শুনলেই বোঝা যাচ্ছে। অবাক হব না যদি ভোটের পর সদলবলে রাই ফ্যামিলি তৃণমূলে যোগদান করে। তবে হাওড়ায় বিজেপি পয়সা খচ্চা করেছে প্রচুর। কিন্তু গুন্ডা কিনতে দেরী হওয়াতে রিসোর্সের সিংহভাগ গ্যাছে মুলোদের দলে। খুচখাচ শিপিয়েমে। কংগ্রেসের সন্তোষ পাঠক তো আছেই। বাড়ী ফিরে বেশ কিছু মিছিল দেখে এলাম, তো, মিছিলের পুরোভাগ মধ্যভাগ অন্তভাগে (দু পক্ষেরই) যারা হাঁটছে তাদের মধ্যে যেসব রত্নরাজি বিরাজমান তা দেখে সেই নব্বইয়ের শান্তিব্রতবাবুর মিছিল মনে পড়ে যাচ্ছিল। কিরম একটা এবার না হলে নেভার কেস। ভোটের দিন বিরাট ক্যালাকেলি হতে পারে।

    এ বাদে একদল জোচ্চোর এবং দুকানকাটা বানিয়া প্রোমোটার কিছু একজোট হয়েছে বিজেপির ব্যানারে। প্রচুর ফ্লেক্স দেওয়াল লিখন ইত্যাদি। কিন্তু ওসব করে কিস্যু হবে না, হাওড়া শহরে চারটে সিটই মনে হয় তৃণমূল পাবে। মধ্যহাওড়াতে ব্যবধান প্রায় ষাট সত্তর হাজার হয়ে গেলে অবাক হব না। শিবপুরেও তাই। জোটের একমাত্র লড়ার চান্স আছে দক্ষিণ হাওড়ায়। আমাদের ইশকুলের হেডস্যার দাঁড়িয়েছেন মুলোদের হয়ে। ব্রজবাবু। একসময় আমাদের ওয়ার্ডের কাউন্সিলার ছিলেন। সেসময় লোকাল মুলোগণ ওঁকে দুচক্ষে দেখতে পারত না কারণ ভদ্রলোক সৎ এবং নিপাট ভালমানুষ। জাতীয় শিক্ষক হয়েছেন। ভদ্রলোক তো, তাই হেরে যেতে পারেন। নিজেদের গোষ্টী কোন্দলই দায়ী থাকবে।

    সাঁকরাইল এবং পাঁচলায় ভালো লড়াই হবে। বালি তৃণমূলের।

    বিজেপির ভালো ফলের চান্স রয়েছে কৃষ্ণগঞ্জ (নদীয়া) তে। তবে একদম প্রান্তিক এলাকা তো, খুব সম্ভবতঃ কেন্দ্রীয় বাহিনীর সেরকম পেনিট্রেশন থাকবে না, বালুবাবু খেল দেখাতেই পারেন।

    তবে সবই প্রেডিকশন :)
  • S | ১৮ এপ্রিল ২০১৬ ১০:৫৫703235
  • @T, আমার হিসেবেও হাওড়াতে তিনোরা দারুন ফল করবে।

    @PM, এখনো অবধি যা ভোট হয়েছে তাতে জোট মনে হয় ভালৈ করেছে। জোট হওয়ার ফলে তিনোবিরোধী ভোট এক করা গেছে। তিনোদের থেকে ন্যাচারালী বেশ কিছুটা ভোট কমেছে - অ্যান্টি ইনকাম্বেন্সিও বলতে পারেন। আর তিনোদের অন্তর্দন্দ্ব বেশ প্রখর। অতেব জোট নেতারা বেটার রেজাল্ট আশা করছেন।
  • a | ১৮ এপ্রিল ২০১৬ ১১:০৮703236
  • T কোন ইস্কুলের কোন ব্যাচ?
  • T | ১৮ এপ্রিল ২০১৬ ১১:২৭703238
  • বিবেকানন্দ, আটানব্বই উমা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। না ঘাবড়ে প্রতিক্রিয়া দিন