এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • বিবেকি কন্ঠ ও মার্কিন সরকারের বদমাইশি

    shyamal
    অন্যান্য | ২৯ জুন ২০০৮ | ৩৫৯৯৩ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • cam | ০১ জুলাই ২০০৮ ০২:৪৩400732
  • আর..আর আমার আরও খটকা আছে-ঐ যে বাজেটের তিনগুণ টাকা কারা জানি দেবে বলেছে ভারতকে,গরীবদের জন্য ভালো খাবার,পানীয়, বাড়ী,এয়ারকন্ডি,রাস্তা ফ্রীজ ওয়াশিং মেশিন এসব সব নাকি একবছরের মধ্যে বানিয়ে দেবে? এরকম প্রস্তাব কি কেউ দিয়েছে? অ্যাঁ?
    (দিলে ভারত আহ নেচে নিই নেচে নিই :-)))))
    এরকম প্রস্তাব কি কেউ দিতে পারে? দিলে কেন দেবে? শুধু আরেকটা দেশকে তাঁবে আনার জন্য যদি এরকম প্রস্তাব কোনো দেশ দেয়, সেটা কি বিশ্বাসযোগ্য? কি লাভ হবে তাদের?
  • shyamal | ০১ জুলাই ২০০৮ ০২:৪৭400733
  • আজাইরার উৎপত্তি : নো আইডিয়া। আমাদের আগের জেনারেশন ব্যবহার করত, করে।

    ক্যাম,

    যে গুজরাতিরা আফ্রিকায় ব্যবসা করছে, তারা ভারতীয় বংশোদ্ভুত আফ্রিকান। ভারতে কি হল না হল তার সঙ্গে তাদের সাফল্য/অসাফল্যের কোন যোগ নেই।
    কিন্তু আমি যেই কোম্পানীগুলোর কথা বললাম, তারা ভারতীয় কোং আফ্রিকায় লগ্নী করছে। তাতে দুপক্ষের লাভ হচ্ছে তো বটেই, তারা যে করতে পারছে সেটা ১৯৯১ এর লিবারালাইজেশনের ডিরেক্ট ফল। ওটা না হলে এরা ইচ্ছামত গ্রো করতে পারতনা। ইকনমি অফ স্কেল হতনা, বিদেশে লগ্নী তো দূরস্থান।
  • shyamal | ০১ জুলাই ২০০৮ ০২:৫৭400734
  • ডায়ালেক্ট বললে, আমার ছোটমামা এক সময়ে ঢাকাই বাঙ্গালের একটা অসম্পুর্ণ লিস্ট বানিয়েছিল।

    নির্লঙ্ঘির চর : very remote place
    গোবরি আউলাইয়া গেসে : totally messed up

    বাকি ভুলে গেছি। এর জন্য অন্য থ্রেড দরকার।
  • cam | ০১ জুলাই ২০০৮ ০৩:০৫400735
  • শ্যামল,
    সিপলা বিষয়ে আরো কন তো দেখি! এরা কি কোং? এরা কেন ৩% দামে ওষুধ দেয়?(মানে দিলে পড়তায় পোষায় কিকরে? ) এরা কিসের কিসের ওষুধ বানায়? কোটি কোটি লোক এদের ওষুধ খেয়ে বাঁচে? তাদের জন্য ডাক্তার কারা দেয়? রোগীদের অন্যান্য যত্ন-আত্তির ব্যবস্থাই বা কি? সেও কি সিপলা করে?
  • lcm | ০১ জুলাই ২০০৮ ০৩:১৭400736
  • শ্যামলের সাথে,

    একমত -
    ১) কিছু ক্ষেত্রে আমেরিকা তার প্রাপ্যের চেয়ে বেশী সমালোচিত হয়। বা, অন্য ভাবে বললে, আমেরিকার ভাল কাজ সমাদৃত হয় না।
    ২) সব দেশের উচিত নিজেদের স্বার্থ দেখা।

    ভিন্নমত -
    ১) শ্যামল বলেছে, ভারত উদার, আর আমেরিকা নিজেদের স্বার্থ দেখে। এটা ভুল। ভারত রামকৃষ্ণ নয়, আমেরিকাও নয়। কিছু ক্ষেত্রে ভারত ঠিক আমেরিকার মতন স্বার্থপর, এবং ক্ষেত্র বিশেষে আমেরিকার মতন উদাসীন।

    ২) শ্যামল লিখেছে, ভারতীয় কোম্পানী আফ্রিকায় লগ্নী করছে, তাই পরোক্ষভাবে ভারত আফ্রিকাকে হেল্প করছে। আজকের গ্লোবাল মার্কেটে ভারতীয় কোম্পানী বলে কিছু নেই। সেটা টাটা বুঝেছে। তাই আফ্রিকায় টাটা ইনভেস্ট না করলে, ব্রেজিলের কোনো কোম্পানী করত। তার মানে এই নয় যে ব্রেজিল আফ্রিকার উপকার করতে আরম্ভ করল। ঠিক যেমন, ডি এল এফ, না হলে, এবিসিডি বা এক্স ওয়াই জি, কেউ একটা ভারতে ফ্ল্যাট তৈরীতে পয়সা লগ্নী করে দু পয়সা আয় করত। যে মার্কেট থেকে দু পয়সা আয় হবে তা কখনও ফাঁকা থাকে না।

    ৩) চীন ভারতকে কাঠি দিচ্ছে। আমেরিকা অনেক ছোট দেশ দখল করে নিতে পারত, কিন্তু করেনি। ভারত, চীন, রাশিয়া - সবাই পৃথিবীকে ক®¾ট্রাল করতে চায়। ... ... এই ধরনের জেনারেল স্টেটমেন্টকে এই ২০০৮ সালে কিরকম লুস কমেন্ট মনে হয়, ভাট মারার টপিক মনে হয়।
  • shyamal | ০১ জুলাই ২০০৮ ০৩:৪২400737
  • ক্যাম,
    উইকিপিডিয়ায় আছে, তাও বলছি। সিপলা ভারতের ড্রাগ কোম্পানী। ভারতে র‌্যানব্যাক্সি ( বর্তমানে জাপানী), ডক্টর রেড্ডিস ল্যাব, সিপলা, সান ফার্মা ইতাদি সবাই জেনেরিক ড্রাগ বানায় আর এদের আমেরিকাতে ফ্যাক্টরী আছে। আমরা হাই টেক রপ্তানী বলতে শুধু আই টি বুঝি, কিন্তু বাল্ক ড্রাগ এখন বিরাটভাবে রপ্তানী হচ্ছে।

    ভারতের ড্রাগ আইনে একটি জালি আছে যার বিরুদ্ধে সব বিদেশী ফার্মা কোম্পানী লড়ছে। সেটা হল IPO নিয়ে। পেটেন্ট এক্সপায়ার করার আগেই সেই ওষুধ জেনেরিক হিসাবে বানানো। অনেকটা ১৯৯১ এর আগে কেউ যদি রবীন্দ্র রচনাবলী বার করত বিশ্বভারতীর অনুমতি না নিয়ে, সেরকম।
    তা সিপলা সেটা করে AIDS ড্রাগের ক্ষেত্রে। যেহেতু দেশে তৈরী করে আর ওষুধটা আবিষ্কার করার খরচা নেই, তাই অতি সস্তায় দিতে পারে। যেখানে ওরিজিনাল ওষুধ কিনতে পড়ে বছরে ১২০০০ ডলার, সেখানে সিপলা দেয় ৩০০ ডলারে।
    সব ভারতীয় কোম্পানীই করে। ভারতের আইন হল, প্রসেস পেটেন্ট, প্রডাক্ট পেটেন্ট নয়। অর্থাৎ আপনি যদি ফরমুলাটা জেনে অন্য প্রসেসে বানান একই ওষুধ, তো ভারত সরকার বলবে তাতে পেটেন্ট ভায়োলেশন হয়নি।
    আমেরিকায় পেটেন্ট এক্সপায়ার করে ১৭ বছর পরে। তারপর সেই ওষুধ জেনেরিক হয়ে যায়। যে ইচ্ছা বানাতে পারে।
  • nyara | ০১ জুলাই ২০০৮ ০৩:৫১400738
  • কোন দেশের আইনে জালি সেটা দৃষ্টিভঙ্গীর প্রশ্ন। আমার মনে হয় অ্যামেরিকার পেটেন্ট আইনে জালি। কেবল জালিই নয়, বিস্তর বিস্তর গলদ। শুধু আমার নয়, অনেক লোকের মনে হয়। এ নিয়ে প্রচুর সোরগোল চলছে। সকলেই প্রায় মেনে নিয়েছেন অ্যামেরিকার পেটেন্ট ল ও তজ্জনিত সিস্টেম ভেঙে গেছে। এবং কেউই জানেনা কিভাবে সেটাকে সারান যায়। সুপ্রিম কোর্টে একটি কেস আছে এই নিয়ে, যদিও সুপ্রিম কোর্ট বোধহয় আবার লোয়ার কোর্টে পাঠিয়ে দিয়েছে। কংগ্রেস একটা নামকোবাস্তে পেটেন্ট রিফর্ম বিল পাস করার চেষ্টা করেছে। কংগ্রেস যে কিছু করবে, এটা আশা করা ভুল। কারণ ক্যাম্পেনের পয়সা আসে বিগ বিজনেস থেকে। আর আজকের অকেজো পেটেন্ট ল থেকে লাভ করে একমাত্র বড় কোম্পানিগুলো। কংগ্রেসওলারা অধিকাংশই তাই বিগ ফার্মা আর এন্টাটেনমেন্ট কোম্পানির পকেটস্থ।
  • ranjan roy | ০১ জুলাই ২০০৮ ০৩:৫৫400739
  • আজাইর‌্যা একটি চমৎকার বাঙাল বিশেষণ,সময় বিশেষে ক্রিয়া বিশেষণ; মানে খামোকা, বা অর্থহীন। শ্যামলকে ধন্যবাদ, ঢাকাইয়া বাঙ্গাল আমার কান জুড়াইয়া দিল।
    শ্যামল,
    ঐ নোবেল বক্তৃতায় নিকারাগুয়া ক¾ট্রা এপিসোডে পাদ্রীর বক্তব্য দেখুন, তাহলে দেখবেন আমেরিকাকে রেপিস্ট কে বলছে।
    আর আমার কথাই যদি বলেন--আমেরিকা রেপিস্ট নয় কেন? সম্মতি ছাড়া জবরদস্তি ইন্টারকোর্স করলেই রেপ, সে নিজের স্ত্রীর সমে্‌গ হলেও( এই নিয়ে আবার একটা থ্রেড খুলবেন না যেন:)))।
    আমেরিকা একটি সার্বভৌম রাষ্ট্রে জবরদস্তি সৈন্য ঢুকিয়ে সরকার বদলে দিয়েছে। তাহলে সে ঐ দেশের সার্বভৌমত্বকে, আইডেন্টিটিকে রেপ করলো না কি?

    আর ইশানের বক্তব্যের ধারেকাছে দিয়েও গেলেন না।
    ইশান বলছে-- একটা দেশ যখন নিজের আভ্যন্তরীণ ব্যবস্থা, প্রশাসন, ব্যবসা-বাণিজ্য গণতান্ত্রিক ভাবে চালায় তাহলে সে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে,অন্যান্য দেশগুলির সংগে সম্পর্কের ক্ষেত্রে কেন গণতান্ত্রিক পদ্ধতির তোয়াক্কা করবে না।
    তো আপনি কি বোঝলেন? সভারিন রাষ্ট্র নিজের দেশ পরিচালন নিয়ে আইনকানুন বানাতে পারে অন্যের কিছু বলার নাই।
    হে ভগবান! আমেরিকা নিজের দেশে যাই নিয়ম বানাক, গে' দের নাগরিক অধিকার দিক
    রেড লাইট এরিয়কে স্পেশাল ইকনমিক জোন বানাক, কার কি বলার আছে? তেমনি ইরাক বা ভারত বা ময়ানমার বা পাকিস্তান বা শ্রীলংকা নিজের দেশের মধ্যে যাই করুক ওরা সভারিন।
    কিন্তু ইরাক কি খাবে, কি পরবে, বা ভারত পারমাণবিক শক্তির বিকাশ কোন পথে করবে-- সেটা অমেরিকাকে ঠিক করার অধিকার কে দিয়েছে? সারা দুনিয়ায় সিক্‌স্‌থ ফ্লিট, সেভেন্থ ফ্লিট পাঠিয়ে সেল্ফ স্টাইলড দাদাগিরি করার অধিকার কে দিয়েছে?
    না শ্যামল। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বা ব্যবহার যে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে হবে, মায় ব্যাপার পর্যন্ত, তা আন্তর্জাতিক কম্যুনিটিই ঠিক করেছে যাতে আমেরিকা ও সামিল। তাই ইউ এন ও, তাই মানবাধিকারের
    সনদ। তাই আন্তর্জাতিক কোর্ট। তাই গ্যাট।তাই রিও ডি জেনেরো কনফারেন্স।
    প্রশ্নটি হল আমেরিকা এইসব সদাচরের গ্যারান্টি অন্যদেশের কাছে চায়, কিন্তু নিজে তোয়াক্কা করে না। বুড়ো আঙ্গুল দেখায়। এটাই ঐ নোবেল বক্তৃতার মূল ধুয়ো ছিলো।
    আর আপনি এমন ভাব করছেন যে এমন কোন কোড অফ কন্ডাক্ট এর অস্তিত্বই নেই। কেন ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল কোর্ট অফ জাস্টিস এ ব্লেয়ারকে ইম্পীচ করা যায়, বুশকে যায় না, এ নিয়ে আবার ঐ বক্তৃতাটায় দেখুন না। কারণ, বুশ ভদ্রলোক ঐ কনুনকে র‌্যাটিফাই করেননি, ব্লেয়ার করেছেন। উনি সব আইনের উর্দ্ধে। ওনার জন্যে কোন কোড অফ কন্ডাক্ট থাকবে না।অন্যদের জন্যে থাকবে। ইকো সিস্টেম আর ইউ এন ওর চাঁদা নিয়ে আমেরিকার ডিফল্টের ব্যাপারটা দেখলেই ওর্সদাচারী রূপটা বেরিয়ে পড়বে। আর ষাটের দশকে পি এল ৪৮০ তে ঘোড়ার দানা পাঠানো আমার খুব মনে আছে।
    অমেরিকাকে কেউ গান্ধী হতে বলছে না। অন্তত: একজন শ্যামল বা একজন রঞ্জন, অর্থাৎ সাদামাটা আটপৌরে ভদ্রলোক হতে বলছে। এটাকে কি মূর্খের স্বর্গে বাস করা বলবেন?
    আর পরিবারে কেন ডেমোক্রাসি থাকবেনা? আপনি যা বলছেন তা হল হায়ার্কির প্রশ্ন। হায়র্কি রাষ্ট্র পরিচালনাতেও আছে। মনমোহন সিং তেলের দাম বাড়াতে আপনাকে-আমাকে জিগান না। সে অধিকার আপনি-আমিই ডেমোক্র্যাটিক ব্যবস্থায় ওঁকে দিয়েছি।
    তেমনি পরিবারের মধ্যেও ডেমোক্র্যাটিক কালচার থাকলে সবার বক্তব্য শুনে কর্তা নির্ণয় করেন। রাষ্ট্রের মতই পরিবারেও মাইনরিটি মত শোনা হয়। রাষ্ট্রের মতই পরি বারের মধ্যেও নিয়ম ভাঙলে শাস্তির ব্যবস্থা থাকে(আলাদা করে দেয়া, সম্পতি থেকে বঞ্চিত করা ইত্যাদি)। রাষ্ট্রের মতই পরিবারের মধ্যেও কেউ ভাবতে পারে যে তার স্বার্থ অবহেলা করা হচ্ছে, এবং সে বিদ্রোহী হয়ে উঠতে পারে।
    আপনি কল্লোলের পোস্ট নিয়ে দার্শনিক অভিধা দিয়ে ওর বক্তব্যকে ব্যবহারিক নয় এমন বলার প্রয়াস করেছেন, আমর মনে হল।
    আমার কথা, দর্শন হল একটা সার্বিক হোলিস্টিক দৃষ্টিভঙ্গী। এটা খালি বইয়ে পড়ার জন্যে নয়। বাস্তব জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রয়োগ করার জন্য।
    কাজেই আমি যদি গণতান্ত্রিক দর্শনে বিশ্বাস করি তহলে তা' আমার জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রতিফলিত হবে, পরিবারের ভিতর, অফিসে, সামাজিক জীবনে,রাষ্ট্রব্যবস্থায় আমার সামান্য ভূমিকাতে এবং আন্‌ত্‌র্‌জাতিক রাজনীতিতে আমার চিন্তাধারায় ঝোঁকে, আমার অপেক্ষায়।
    অন্য কিছু করাটা দ্বিচারিতা হবে। এসব বলছি গান্ধী হবার জন্যে নয়। ওনাকে ভাল বুঝিনি( একটা টই খুলুন না!)
    একজন কাজে-কথায় এক হওয়া শ্যামল বা রঞ্জন হতে। নইলে ঐ নাট্যকারের কথার শেষ লাইনটা ---- ডিগনিটি অফ ম্যান হারিয়ে যাবে।
  • shyamal | ০১ জুলাই ২০০৮ ০৭:১২400740
  • রঞ্জনদা,

    আমেরিকার বিদেশ নীতির অনেক সমালোচনা এখানে আছে। http://en.wikipedia.org/wiki/US_foreign_policy
    আমেরিকা রামকৃষ্ণ নয় আগেই বলেছি। কিন্তু আমেরিকা সর্বদাই কুকীর্তি করে -- এটাও ঠিক নয়। ক্লিন্টনের আমলে আমেরিকা বিদেশে সৈন্য পাঠিয়েছে। সেটা কি খারাপ ছিল? গত সাত বছর দিয়ে বোধ হয় বিচার করা ঠিক হবেনা।

    আপনি আইডিয়ালিস্ট, আমি রিয়ালিস্ট। আপনি গত ৫০ বছরে আমেরিকার খারাপ কাজগুলো লিস্ট করে রেগে যাচ্ছেন। আপনি চান আমেরিকা সাদামাটা থাকুক। এটা আপনার ইচ্ছা। আমেরিকানদের ইচ্ছা অন্যরকম। যার যত শক্তি বেশী, সে তত নিজের ইচ্ছা ফলাতে পারে। এটা বাস্তব। কিন্তু আপনি এটাকে বদলাতে চান।
    দেখুন, আজ ভারত আগের চেয়ে শক্তিশালী বলে তাজিকিস্তানে মিলিটারি বেস করেছে। পাকিস্তান চটে গেছে, তাতে কি ভারত সরে আসছে? এটা বাস্তব।
    আপনি বলুন, কেন ব্রিটেন, ফ্রান্স, ইটালি, জার্মানী, ব্রেজিল, রাশিয়া, চীন ইত্যাদিরা আমেরিকা এত খারাপ হওয়া সত্বেও তার সঙ্গে ভাল সম্পর্ক রাখছে? এই প্রশ্নের উত্তর আপনার কাছে আশা করব। এবং তাহলে ভারত কেন সুসম্পর্ক রাখবেনা? ভারত কি যাত্রার বিবেক? এটাই আমার প্রশ্ন ছিল।

    নাকি সোভিয়েত-প্রেমিকদের ক্ষোভ যে সোভিয়েত হাওয়া হয়ে গেছে আর কোল্ড ওয়ার শেষ?

    ঈশানের উত্তরে আমি বলেছি, গণতন্ত্র একটা দেশের মধ্যেই হতে পারে, আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে নয়। যদি আপনি আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র চান, তবে সারা পৃথিবীতে এক কারেন্সী, একটি মিলিটারি, একটি কেন্দ্রীয় সরকার থাকতে হবে। সারা পৃথিবীর লোক ভোট দিয়ে ইলেক্ট করবে। মানে সেই সরকারের মাথা সব সময়েই চীনে বা ভারতীয় হবে জনসংখ্যার কারণে।

    ঈশান বলেছে, কেন আমেরিকা দেশে একরকম আর বিদেশে অন্যরকম ব্যবহার করবে? করবে ইচ্ছা বলে। কিছু লোক আমেরিকাকে হিপক্রিট বলবে রাইটলি। তাতে আমেরিকার ভারী বয়েই গেল। আমেরিকার পাওয়ার বেশী তাই অনেক কিছু করছে। ভারতের পাকিস্তানের চেয়ে পাওয়ার বেশী তাই পাকিস্তানকে পাত্তা না দিয়ে তাজিকিস্তানে বেস করেছে। এটা রিয়ালিটি। আইডিয়ালি হয়তো হওয়া উচিৎ ছিলনা। কিন্তু আন্তর্জাতিক সম্পর্কে কেউ আইডিয়ালিজমের ধার ধারেনা।

    এবার আপনার অন্য অ্যাপ্রিহেনশন যে আজ আমেরিকা ইরাক আক্রমণ করেছে, কাল ভারত।
    এইরকম : First they came for the Jews
    and I did not speak out
    because I was not a Jew.
    Then they came for the Communists
    and I did not speak out
    because I was not a Communist.
    Then they came for the trade unionists
    and I did not speak out
    because I was not a trade unionist.
    Then they came for me
    and there was no one left
    to speak out for me.

    এ ব্যাপারেও আপনাকে রিয়ালিস্ট হতে হবে। আমেরিকা নাৎসী নয়। ভারত ইরাক নয়। সাদ্দাম হুসেন ছিল আমেরিকার স্টুজ যার ছেলেরা কোন কোন বিরোধীকে সিংহের খাঁচায় পাঠাত। উদয়ের একটা হবি ছিল রাস্তায় সুন্দরী মেয়ে দেখলে তাকে ধরে এনে রেপ করা, কোন কোন ক্ষেত্রে রেপের পর খুন করা।
    তা সে তো দেশের মধ্যে করেছে? আমেরিকার নাক গলানোর কি আছে? সৌদি আরবে আরো সাংঘাতিক কান্ড আজও হয়।

    ভারত গণতন্ত্র, বিরাট দেশ, ইরাকের চেয়ে অনেক শক্তিশালী মিলিটারি, পরমাণু বোমা আছে, মনমোহন সিংএর আন্তর্জাতিক গুডউইল বোধ হয় সাদ্দামের চেয়ে একটু বেশী। আমেরিকা, ভারত দুজনেই চীনের সঙ্গে ব্যবসা করলেও অগণতান্ত্রিক চীনকে বিশ্বাস করেনা।
    এর পরেও কি আপনার মনে হয় যে ভারতের ভাবা উচিৎ, আজ বুশ ইরাক আক্রমণ করেছে, কাল ওবামা ভারতকে বম্ব করবে?
    দ্বিতীয় প্যারায় যে প্রশ্নটা করেছি তার উত্তর কিন্তু আমি খুব আশা করছি।
  • Ishan | ০১ জুলাই ২০০৮ ০৯:২৮400742
  • প্রথমত: এ কথাটা ঠিক নয়, যে, আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে গণতন্ত্র হয়না। আর আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র হলেই একটাই কেন্দ্রীয় সরকার, একটিই মিলিটারি, একটিই কারেন্সি হতে হবে। এগুলো গত শতাব্দীর বস্তাপচা ধারণা। নতুন ধারণার জন্য ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের দিকে তাকান। মিলিটারিতে আমেরিকার তুলনায় নস্যি। অনেকগুলি "জাতীয়' সরকার। একটিই কারেন্সি। এবং সব মিলিয়ে একটি ইউনিয়ন, যেখানে কেউ দাদা নয়। জোটনিরপ্‌ক্ষ আন্দোলন জোটবদ্ধ রাষ্ট্রদের পারস্পরিক সহযোগিতার কথা বলেছিল। সফল হয়নি। ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন একই কথা বলছে। এবং সফল হয়েছে। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে জোর-যার-মুলুক-তার নীতিটিই শেষ কথা নয়, ইইউ সেটা প্রমাণ করেছে।

    দ্বিতীয়ত: যদি ধরেই নিই গায়ের জোরই আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে শেষ কথা, এবং আমেরিকা গায়ের জোরেই কারণেই রাজা, তাহলে, একজন রিয়েলিস্টের লক্ষ্য কি হওয়া উচিত? গপ্পের শকুনি যা করেছিলেন, একদম তাই। অর্থাৎ আপাতত: টিকে থাকি কোনোক্রমে, কিন্তু মূল উদ্দেশ্যটা হল কুরুবংশকে উৎখাত করব। ছলে বলে বা কৌশলে। একজন পাতি রিয়েলিস্ট এইভাবেই ভাববেন। যে, তুমি আজ দাদা, কিন্তু আমিও গোকুলে বাড়ছি, কোনো এক মাঘে চান্স পেলেই পটকে দেব।

    সেটা না করে, কেউ যদি দাদার পা চাটাকেই জীবনের আদর্শ বলে ধরে নেন, তবে সেটা রিয়েলিজম না। ওটাকে বলে দাস মনোবৃত্তি।
  • Ishan | ০১ জুলাই ২০০৮ ০৯:৩৬400743
  • আরেকটা কথা। ফ্রান্স-জার্মানি জাতীয় দেশগুলো আমেরিকার সঙ্গে সম্পর্ক রাখে ঠিকই, কিন্তু সেটা ঐ "পটকে দেব' জাতীয় লক্ষ্যে। যতটুকু দরকার লাগে আমেরিকার বন্ধুত্বকে বজায় রাখে। কিন্তু "পটকে দেব' জাতীয় লক্ষ্যটিও তারা গোপন করেনা। ইউরো প্রবর্তনের একটা বড়ো কারণই ছিল ডলারের একাধিপত্যকে চ্যালেঞ্জ করা। এটাকে বলে রিয়েলিজম। পাড়ায় দল পাকিয়ে বড়দাকে চ্যালেঞ্জ করো। আর ভারত বা পাকিস্তান হাঁটছে একেবারে উল্টোদিকে। পাড়ার লোকেদের সঙ্গে মুখ দেখাদেখি বন্ধ। প্রতিরক্ষায় কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা খরচ। আর দুজনেই বড়দাকে ধরে টানাটানি করছে - "বলুন স্যার, প্লিজ একবার বলুন, আপনিই আমার বন্ধু।' আর বড়দা দুজনকেই পালা করে মুচকি হাসি উপহার দিচ্ছেন। আর মান্ধাতার আমলের অস্ত্র বেচে চলেছেন।

    এর নাম রিয়েলিজম না। এটাকে খুব ভদ্রভাষায় বললে গাড়লপনা বলা যেতে পারে। ভারত এবং পাকিস্তানের রাষ্ট্রনেতারা গত পঞ্চাশবছর ধরে যা দেখিয়ে চলেছেন।
  • Arijit | ০১ জুলাই ২০০৮ ০৯:৫৭400744
  • এর মানে কি? মানে আজাইরা বা আজিরে?
  • Ishan | ০১ জুলাই ২০০৮ ১০:০০400745
  • আজাইরা = (মোটামুটি) ফালতু/বেসলেস।
  • Arijit | ০১ জুলাই ২০০৮ ১০:০৯400746
  • শ্যামলকে রাস্তায় বেজায় গাঁট্টাগোঁট্টা কেউ ধরে আরবিট ক্যালালে কি শ্যামল একই যুক্তি দেবেন? মানে সেক্ষেত্রে "রিয়েলিজম' কি বলে?
  • sinfaut | ০১ জুলাই ২০০৮ ১০:২১400747
  • তখন সেটা ম্যাজিক রিয়ালিজম হয়ে যাবে। যেটা শ্যামলবাবু মোটেই পছন্দ করেননা ও করবেননা।
  • lcm | ০১ জুলাই ২০০৮ ১০:২৭400748
  • শ্যামল,
    আবার বোঝা গেল না। তুমি লিখেছ, যে, ব্রিটেন, ফ্রান্স... ইত্যাদি দেশ আমেরিকার সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখে, ভারত কেন রাখবে না?
    প্রশ্ন হল, ভারত আমেরিকার সঙ্গে কুসম্পর্ক কবে করল? ইন্দিরা-রেগন একসাথে হোয়াইট হাউসের লনে হাঁটছে এ ছবি তো আছে :-)

    তুমি লিখেছ আমেরিকা দেশে একরকম, আর বিদেশে একরকম করবে, কেননা সেটা তাদের ইচ্ছে। ঠিক কথা। কিন্তু, সেরকম ভাবে ভারত-ও ইরাকে আর্মি পাঠাবে না, নিউক্লিয়ার ডিল ঝুলিয়ে রাখতে পারে, চীন-ও মানবাধিকারকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে ম্যানুফ্যাকচারিং-এ ডোমিনেট করতে পারে, ইরান-ও খেলতে পারে... ইত্যাদি, যার যেরকম খুশী।

    আর, এর মধ্যে হঠাৎ সাদ্দামের ছেলের কুকর্মের গল্প কেন শোনালে বোঝা গেল না - কেমন যেন সাফাই গাওয়ার মতন শোনাল। তুমি কি রাশ লিমবো, বা, মাইকেল স্যাভেজ-এর ফ্যান নাকি :-)
  • pi | ০১ জুলাই ২০০৮ ১০:৩৮400749
  • শ্যামলবাবু, সিপলা নিয়ে আপনার উইকি ই এই বলছে :
    Because Indian law from 1972 has allowed no (end-product) patents on drugs, and provided for compulsory licensing, Cipla was able to manufacture medicines which enjoy patent monopoly in certain other countries

    তো এখানে '৯১ র রিফর্ম পরবর্তী ভারতের আফ্রিকার চিন্তায় কালাতিপাত না করে নিজের উন্নতিতে মন দেওয়ার কি সম্পর্ক ঠিক বুঝলাম না এখনো।
    এই আইন তো সেই '৭২ সাল থেকেই আছে !

    আর আগে এই ওষুধ সিপলা বেচতে পারেনি অতি সিম্পল কারণে,
    অরিজিন্যাল ড্রাগ মলিকুল গুলি ই '৯৩-৯৪ এর আগে FDA approval পায়নি, তো সিপলার জেনেরিক ড্রাগ আসতে আসতে আরো কয়েক বছর লেগে যাবে, সেটাই তো স্বাভাবিক !

    এই জেনেরিক ওষুধ তৈরি ও বেচতে পারার সাথে আর্থিক উদার নীতি কোদ্দিয়ে জুড়লো?

    যেখানে প্রকৃতপক্ষে জোড়া যেতে পারে, সেখেনে আমার একটা প্রশ্ন আছে:
    ২০০৫ এ দেশের এই পেটেন্ট আইন যে পরিবর্তিত হল WTO treaty অনুযায়ী,
    (http://tinyurl.com/5q9yg3),
    তাই নিয়ে তালে কি বক্তব্য আপনার ?

    এর ফলে জীবনদায়ী ওষুধপত্তর অগ্নিমূল্য হচ্ছে ও হবে, ঐ আফ্রিকার জন্যও।এইডসের বেশ কিছু ওষুধ তো বোধহয় বাজার থেকে প্রত্যাহার করে নিতে হবে।

    সেটা ভাল না খারাপ তাইলে ?

    আপনার কথা অনুযায়ী ই ধরে নিচ্ছি, সুলভে ওষুধ সরবরাহ করে আফ্রিকার উন্নতির চেষ্টাকে আপনি ভালো মনে করেন। এখন দেখা যাচ্ছে, এই নীতি সেই 'উন্নতি' র পরিপন্থী।
    অতএব দাঁড়াচ্ছে, এটা ভালো না।

    এবার এটা খারাপ বল্লে কিন্তু WTO traety ইত্যাদি অনেক কিছুকেই খারাপ বলতে হবে :)
    এবং আলটিমেটলি, might is right নীতি প্রয়োগকেও। :)

    বলবেন তো ?
  • dri | ০১ জুলাই ২০০৮ ১০:৪০400750
  • 'আমার বেশী শক্তি, তাই আমি বেশী শক্তি ফলাব।' রাইটিজ্‌মের এই পোজিশানে কিন্তু একটা অনেস্টি আছে, যেটা 'পৃথিবীতে ন্যায়, বিচার আর গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠা করতে আমি শক্তি ফলাব'র মধ্যে নেই।

    এই অনেস্টিটা আমার ভালো লাগল। পারবে আমেরিকান প্রেসিডেন্ট যুদ্ধে যাবার আগে দেশবাসীদের এই কথা বলতে?
  • nyara | ০১ জুলাই ২০০৮ ১০:৪৭400751
  • Take your turn, folks. শ্যামলবাবু তো আর পালিয়ে যাচ্ছেন না। এক এক করে প্রশ্ন করুন। কিউ নইলে জ্যাম হয়ে যাচ্ছে।
  • Arijit | ০১ জুলাই ২০০৮ ১০:৫১400753
  • মাল্টিপল কিউ হোক - সাবজেক্টওয়াইজ। আর শ্যামলকে মাল্টিথ্রেডেড করা হোক।
  • sarathi | ০১ জুলাই ২০০৮ ১০:৫২400754
  • এ তো খোলাখুলি সাফাই
    উদয়ের ওরকম ঘটনা যদি সত্যিই ঘটে থাকে লক্ষ লক্ষ ইরাকীকে মারার সাফাই হিসেবে সেটা ব্যাবহার করা কি মনোবৃত্তির পরিচয় দেয়?

    আর কিউবা- ভেনেজুয়েলা "গুরুত্বহীন" কিনা সেটা সময় বিচার করবে, আশা করি নিও-কন আমেরিকান রাষ্ট্রযন্ত্র এখনও তার উর্ধ্বে ওঠে নি !
  • pi | ০১ জুলাই ২০০৮ ১০:৫৬400755
  • প্রফেসি আছে এই থ্রেড তিনশো হবে।
    একাই একশো ধরে নিয়ে শ্যামলবাবুকে ত্রিধাবিভক্ত করে মাল্টি থ্রেড ?
  • Arijit | ০১ জুলাই ২০০৮ ১১:৫৫400756
  • MapReduce
  • quark | ০১ জুলাই ২০০৮ ১২:৩৭400757
  • শ্যামলবাবুর 30 Jun 2008 -- 11:51 PM এর পোস্টে - "সমাজে পুলিশ আছে, আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নেই"

    ইয়ে, ইরাকে মানুষ মারার কল বানানো হইত্যাসে, এই যুক্তিতে তারে শাস্তি দিল ক্যাডা? ক্যাডায় কয় পুলুশ নাই? উয়ারা তো অ্যাম্রিকার পাকা / কাঁচা কুনো ধানেই মই দেয় নাই।
  • h | ০১ জুলাই ২০০৮ ১২:৪৬400758
  • 'জাতীয় স্বার্থ' কেসটাও মোটামুটি এক গোত্রের 'অনেস্ট'।
  • stoic | ০১ জুলাই ২০০৮ ১৪:১১400760
  • ঈশান,
    EU এর কন্সেপশন এবং পরিকল্পনা খুব গণতান্ত্রিক ও আইডিয়্যালিস্টিক হলেও, দৈনন্দিন কার্যকলাপে প্রচুর দাদাগিরি আছে। তাই এটা খুব ভালো এক্স্যাম্পেল নয় বোধহয়। :-)
    আর ইউরোপে ছোট ছোট দেশের মধ্যে খেয়োখেয়ি টা চিরকাল ই ছিল, আর এখনও আছে। তাই এই মুহূর্তে EU তেও বেশ ভালই ক্রাইসিস। রিফর্ম বিল আইরিশ রা রিজেক্ট করে দিয়েছে, নতুন যে দেশগুলো মেম্বার কাϾট্র হয়ে ঢুকেছে, তাদের ওপর প্রচুর রেস্ট্রিকশান ও দাদাগিরি আছে (বিশেষ করে ফ্রান্স, জার্মানি ও ব্রিটেন এর), এবং এই দাদাদের নিজেদের দেশের অভ্যন্তরীণ লবির ইনফ্লুয়েন্স এতই যে বেসিকালই তারাই ঠিক করে নতুন EU laws and reforms কোন দিকে যাবে।
    মোদ্দা কথা, শুরু গুলো সবসময়ই উইথ বেস্ট ইনটেনশান আর খুব আইডিওলোজিকাল ভাবে হয়, তাপ্পর উইথ টাইম, রিয়্যালিসম কিক্‌স ইন। :-)
  • Arijit | ০১ জুলাই ২০০৮ ১৪:২৪400761
  • তাইলে মোদ্দা ব্যাপারটা দাঁড়ালো হয় সোনা মুখ করে হপ্তা দাও, নয়তো নিজে হপ্তা আদায় কত্তে শিকে নাও। বলিউডে যা হয় আরকি - দিওয়ার থেকে শুরু করে হালফিলের সত্য অবধি।
  • omnath | ০১ জুলাই ২০০৮ ১৪:৩৯400762
  • সত্যা হালফিল !!
  • Arijit | ০১ জুলাই ২০০৮ ১৪:৪২400765
  • ওই হল। আমি মুন্নাভাই ইত্যাদি দেখি নাই।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। মন শক্ত করে মতামত দিন