এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • নতুন সরকারের শিক্ষা শিল্প স্বাস্থ্যনীতি ইয়াদি

    pi
    অন্যান্য | ১৩ মে ২০১১ | ২১১০৬ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • bb | ১৪ মে ২০১১ ১৭:২৯475916
  • আম্বানীর বাড়ী বা রায়গড় সেজ এক কুচ্ছিত অর্থের প্রদর্শন। সে রকম বললে IPL এর ও Trickle Down এফেক্ট আছে।
    কিন্তু সত্যিকারের SEZ এ কিন্তু নতুন কাজ সৃষ্টি করে। অন্তত: তার উদাহরণ আমি নিজে হায়েদ্রাবাদে দেখেছি।
  • Ishan | ১৪ মে ২০১১ ১৭:৩২475917
  • কি বলেন, আম্বানির বাড়ি, বা আইপিএল কাজ সৃষ্টি করেনা?

    আম্বানির বাড়িতে সত্যিই ৬০০+ লোক কাজ করে। আইপিএলের ডেটা জানিনা। কিন্তু আন্দাজ করতে পারি, না হলেও লাখ খানেক লোক সরাসরি করে কম্মে খাচ্ছে। পরোক্ষভাবে ধরলে লাখ দশ পনেরো হওয়াও বিচিত্র না।

    তাইলে?
  • santanu | ১৪ মে ২০১১ ১৭:৪৩475918
  • আবার শ্যামল বাবু। ফ্ল্যাট এর প্রতি বর্গফুটে ২৫০-৩০০ টাকা ডায়রেক্ট লেবার কম্পোনেন্ট। মানে এই ঈশান, ১৫০০ বর্গফুটের ফ্ল্যাট (কম বললাম?) কিনে একাই অন্তত ৩০ টা লোকের ১০০ দিনের কাজের বন্দোবস্ত করে দিয়েছে।

    কিন্তু তা তো লোকের পছন্দ নয়, লোকে সাইরেনের বাঁশী বাজবে এমন সিল্প চায় - বেচারা শ্যামলবাবু আর এলেন ই না।
  • M | ১৪ মে ২০১১ ১৭:৪৯475919
  • আমি একটু তিলুবাবুকে সাপোর্টালাম।

    শ্রমীক মানুষকে ভুলজায়গায় ক্ষমতা দেওয়া হয়েছিলো,তাদের স্বস্তিতে বাঁচার ব্যবস্থা হোক,কিন্তু মাথায় চড়ানো বন্ধ হোক।সরকারি হাসপাতালে,অফিসে, বিশেষ করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আইন করে ইউনিয়ানবাজি বন্ধ করে দেওয়া হোক।যার যেটা কাজ তাকে সেটা করানোর ব্যাপারে বাধ্য করা হোক।এটা খুব দু:সাধ্য নয় বলেই মনে হয়।

    মিউনিসিপাল বা কর্পোরেশনের কর্মচারীদের ঠিক ঠাক পোষাক দেওয়া হোক,ফ্লুওরেসেন্ট জ্যাকেট,গাম্বুট, পুরো হাতা জামা ও ফুলপ্যান্ট,গ্ল্যাভস।কিন্তু তাদের কাজের ক্ষেত্রে নকরামো পানিশেবল হোক।আমাদের পাড়ায়(বাড়ীর)যে লোকটা ময়লা ফেলতে আসতো তার হাবভাব সহ্য করা অসম্ভব ছিলো।এটা যেন তারা মনে রাখে তাদের ডিউটি কি।হ্যাঁ তাদেরকেও যাতে কোনোভাবে অসন্মান বা অপদস্ত করা না হয় সেটাও দেখা হোক।

    কাজ গুলো সিস্টেমেটিক হওয়া খুব জরুরী, যেমন কোন সময় রাস্তা পরিস্কার করা হবে সেটা ঠিক করা, ময়লা যেগুলো লোকেরা গাড়ীতে দেবে সেটা ঠিক প্ল্যাস্টিকে করে মুখ বন্ধ করে গাড়ীতে ফেলা, এমনকি বাজার এলাকায় ও এ ব্যবস্থা রাখা। তাহলে মেন রাস্তার উপর ভ্যাট থেকে ময়লা ছড়িয়ে নরক তৈরী হওয়াটা বন্ধ হবে।

    হাসপাতাল, একেক্টাকে ধরে ব্যবস্থা ঠিক করা হোক।সমস্ত ডাঁই করে রাখা ময়লা বাতিল তোষক,বেড ইত্যাদি ঢুকতে গেলেই যেগুলো নাকের গোড়ায় দেখা যায় সেগুলো দুর করা।ভালোভাবে রং করা।রোগীকে দেখতে উঠতে দুটো লোক ওঠা আর দুটো কার্ড নিয়ে নেমে এসে একজন আরেকজনকে তুলে নিয়ে যাওয়া, এভাবে হাট বসিয়ে দেওয়া আটকানো,ইত্যাদি।সরকারি হাসপাতালের বিরাট জায়গা ঠিকঠাক ইউজ করা।

    রাজ্যের লোকেদের জন্য আই কার্ড এর ব্যবস্থা,যেটা থেকে সেই লোকের সম্পুর্ন ডিটেইলস পাওয়া যাবে। যাতে করে অন্য লোক সহজে ঢুকে পরে থেকে যেতে না পারে। এটা আমাদের সব থেকে বড় প্রবলেম, বিশেষ করে কলকাতার। এত বাইরের মানুষ সহজে ঢুকে পরে আর নিজেকে গুঁজে দেয় ভোট ব্যবস্থাকে ব্ল্যাকমেল করে, সেটা খুব শক্ত হাতে বন্ধ করা উচিৎ।আমি একসময়ে দমদমে থাকতাম,দু নম্বর গেটের কাছে।ওখানে সাঁপুই পাড়া বলে এক পাড়া আছে, যেখান থেকে কাজের লোকেরা সারা এলাকায় ছেয়ে যায়।এরা গরীব মুসলিম।কিন্তু মজা হচ্ছে, এরা আমাদের দেশ কে নিজের দেশ ভাবেনা।এখানে থাকে, রেশনকার্ড করে।আর পয়সা জমিয়ে দেশে জমিজায়গা কিনে রাখে, দেশে পয়সা পাঠায়।এখানকার সব সুযোগ গুলো ও নেয়।খুব কড়াকড়ি ভাবে এই ব্যাপারটা দেখা দরকার, পাঁচশো টাকা দালালকে দিয়ে রোজ হাজার হাজার মানুষ এদিক ওদিক করে চলেছে।আর গরীব দু:খী লোকেদের পাইয়ে দেবার নীতিটা এত ক্লিশে, এবার সেটা ত্যাগ দেওয়া উচিৎ। আমি কেউ কাদায় পড়লে তার হাতটা ধরতে পারি, কিন্তু তার উঠে দাঁড়ানোর চেষ্টা করাটাও খুব জরুরী। এমন না হলো,সে ভেবে বসলো আমি তাকে কোলে তুলে নিয়ে গিয়ে স্নান করিয়ে বিছানায় শুইয়ে দেবো।খুউব জরুরী।সব মানুষ কিছুতেই সমান হতে পারে না।যাদের নিজের ভাবার ক্ষমতাটা কম তাদের নিয়ে বেশী রাজনীতি করতে গেলে আখেরে কারোর ই ভালো হবে না।
  • d | ১৪ মে ২০১১ ১৭:৫১475920
  • ফলতা sez, রায়চক না:।
  • M | ১৪ মে ২০১১ ১৭:৫৪475922
  • ইনফ্রাস্ট্রাকচার ঠিক করাটা অত্যন্ত জরুরী সেটা দলের মাথায় গেঁথে দেওয়াটা খুব দরকার, আর মেটেরিয়ালের ক্ষেত্রে কোনো কারচুপি নয়, নইলে আমাদের তারাতলার ব্রীজের মতো হাল হবে। দুদিন অন্তর ফেটে যায়, আর সব গাড়ী নীচ দিয়ে চলতে শুরু করে। কোনো একটা নরক হয়ে যায়।
  • d | ১৪ মে ২০১১ ১৭:৫৪475921
  • এই মুসলিম লোকেরা কোন দেশের??
  • M | ১৪ মে ২০১১ ১৭:৫৭475923
  • উপস! বাংলাদেশ।
  • M | ১৪ মে ২০১১ ১৮:০০475924
  • এরা নিজেদের দেশের ও সিটিজেন। আর দেখো যখন অন্য দেশের মানুষ কর্মসুত্রে কোনো দেশে যায়,তাদের ক্ষেত্রে নিয়ম কিন্তু আলাদা হয়,তারা দেশের সিটিজেনদের সুযোগগুলো নিতে পারেনা।
  • d | ১৪ মে ২০১১ ১৮:০৩475926
  • বাংলাদেশের হলে ভারতকে খামোখা নিজের দেশ ভাববেই বা কেন? আমরা যখন আম্রিকা যাই আম্রিকাকে কাঁচকলা নিজের দেশ ভাবি। দিব্বি ভারতে টাকা পাঠিয়ে দেই। ওখানে বেশীদিন থাকতে গেলে গাড়ী বা আরও বেশীদিন হলে বাড়ীও কেনে অনেকে।

    এতে আপত্তির কী হল?
  • d | ১৪ মে ২০১১ ১৮:০৪475927
  • সেটা নির্ভর করে দুটো দেশের মধ্যে নাগরিকত্ব সংক্রান্ত নিয়ম কি কি তার ওপরে।
  • M | ১৪ মে ২০১১ ১৮:০৯475928
  • যখন অন্য দেশে যাও, তুমিকি সেই দেশের সরকার কে ততটাই ট্যাক্স দাও যা ঐ দেশের নাগরিকরা দেয়?নাকি তার বেশ কয়েকগুন বেশী?যদিও এরা ট্যাক্সের গপ্পতেই নেই।নিজের দেশ ছেড়ে অন্য দেশকে আপন ভাবুক কে চাচ্ছে, কিন্তু আমি কোনো হোটেলে গেলাম,বা ভাড়ার বাড়ীতে, আর সেখানে শক্ত ভাবে আমায় বলার কেউ নেই বা এমন আইন আছে যার ফাঁক আমি নিতেই পারি, সেই ভেবে থাকার সব সুবিধাও নিলাম আর চাট্টি ক্ষতি করে দিলাম, ভাবলাম আমার কি? আমার জায়গাতো নয়, শেষে তো নিজের জায়গায় ফিরবো।এ ভাবলে ভাবনাটা সঠিক মনে হয় না।

    আর আমি যেগুলো বললাম সেগুলো করা অসম্ভব নয়, আমি দেখে এসেছি তা।কিছু কড়া ব্যবস্থা থাকলে রেট অনেক কমে যায়।
  • d | ১৪ মে ২০১১ ১৮:২৬475930
  • এইবার পরের প্রশ্ন এরা কী ক্ষতি করছে?

    প্রথমত: যে দেশে যাই, সেখানকার ট্যাক্স রুলের ওপরে নির্ভর করে। ইউরোপের বিভিন্ন দেশের ট্যাক্স রুল আর আম্রিকার ট্যাক্স রুল একদম আলাদা। H1Bতে গেলে পুরো ট্যাক্সই দিতে হয় ওখানে।

    দ্বিতীয়ত: বাংলাদেশ পেটের টানে আসা গরীব মুসলিম গুরগাঁওতেও প্রচুর। এরা এতই গরীব যে এদের কাছে ট্যাক্স চাওয়াটাও অমানবিক।

    তৃতীয়ত: সত্যি করে বলত, এরা কত লাখ বেলাখ রোজগার করে? কলকাতায় কাজের লোককে যেটুকু ওয়েজেস দেওয়া হয়, তাতে কি ৫-৬টা বাড়ীতে কাজ করলেও সত্যিই খুব ভালভাবে বাঁচা সম্ভব?

    আইন যুগোপযোগী করা হোক এবং তার সঠিক প্রয়োগ হোক। তার জন্য অহেতুক কিছু গরীব লোককে রবার স্ট্যাম্প মেরে দাগিয়ে দেওয়ার প্রয়োজন দেখি না।

    খুবই চরম অবস্থায় না পৌঁছালে লোকে কখনও নিজের দেশ ঘর ছেড়ে অন্য দেশে উঞ্ছবৃত্তি করতে যায় না।
  • aka | ১৪ মে ২০১১ ১৮:২৬475929
  • আরে আমিও ওরকম। ট্যাক্স প্রায় একই দিই। হ্যাঁ সোশাল সিকিউরিটি আর মেডিকেয়ার হিসেবে যা দিই তা দশ বছরের আগে ফেরত পাওয়া যাবে না। দেশ বলতে ভারত বুঝি, একখানা পায়রার খোপ কিনেছি, ভোট হলে রাত জাগি, খেলা হলে উত্তেজিত হই, আম্রিগার বিরুদ্ধে প্রবন্ধ লিখি। তাতে আম্রিগার কাঁচকলা।
  • bb | ১৪ মে ২০১১ ১৮:২৮475931
  • @M এই রকম অর্থনৈতিক সমস্যা আমেরিকায় অনেক বেশী।
    ভারতীয়রা বেশীর ভাগই ওদেশের সিটিজেনশিপ নিয়েও দেশেও প্রতি সমর্থন বা টাকা পাঠান। অতি সম্প্রতি HSBC এর এই রকম অনেক বিত্তবান ক্ল্যায়েন্ট Tax evasion এ ধরা পড়েছেন।
    সারা ইউরোপেই এই সমস্যা আছে।
    আমরা সস্তার লেবার চাইব কিন্তু তার দ্বায়িত্ব নিতে চাইব না (রাষ্ট্রহিসাবে) তা হলে কিন্তু মুশকিল।
  • bb | ১৪ মে ২০১১ ১৮:৩০475932
  • দমএর কথার পুনরাবৃত্তি হয়ে গেল। এক কথায় ওনাকে ক
  • aka | ১৪ মে ২০১১ ১৮:৪১475933
  • মুশকিল হল আম্রিগার স্কিলড লেবারের দরকার আছে, কিন্তু ভারতের শস্তার লেবারের দরকার নেই। মানবিক কারণে যাঁরা আছেন তাঁদের মেনে নেওয়া যেতে পারে। কিন্তু কন্টিনিউয়াস ইলিগাল ইমিগ্রেশন সরকারের ওপর ওভারহেড।

    তবে এগুলো খুব একটা বড় সমস্যা নয়। অনেক বড় বড় সমস্যা আছে। ইমিগ্রেশন নিয়ে পরেও ভাবা যেতে পারে।
  • d | ১৪ মে ২০১১ ১৮:৪২475934
  • আরও একউরুর অনেকেরই টা কথা। আমার বা আকার বা সাধারণভাবে গুরুর লোকজনের আম্রিকা কিম্বা কানাডা কিম্বা ইউরোপের কোনও দেশে ইমিগ্রেট করতে চাইলে করার মত প্রয়োজনীয় স্কিলসেট আছে। যেটা এই শ্রমিকদের নেই। তাই তাদের হাতে খুব কিছু অপশানও থাকে না।

    আর এই 'শ্রমিকদের ভুল জায়গায় ক্ষমতা দেওয়া হয়েছিল'টাও ঠিক ভাল লাগল না। যদি বলো ক্ষমতার অপব্যবহার বন্ধ হোক, হ্যাঁ নিশ্চয় বন্ধ হোক। কিন্তু তাই বলে 'মাথায় চড়ানো' বা 'ক্ষমতা দেওয়া' ...... কি জানি!
  • d | ১৪ মে ২০১১ ১৮:৪৪475935
  • ধ্যুৎ প্রথম লাইনটা কিসব ভুলভাল এসেছে।

    হ্যাঁ ইমিগ্রেশান নিয়ে একটু পরে ভাবলেও চলবে মনে হয়।
  • bb | ১৪ মে ২০১১ ১৮:৫২475937
  • @ D এবং aka এই লোকেদের খুব দরকার ভারতে আমাদের মত শাইনিং নাগরিকদের। আজকাল অনেকেই নিজেদের কায়িক কাজ করতে জানিনা বা ভুলে যাচ্ছি। তাই সস্তায় "কাজের লোক" আমরা চাই, কিন্তু সে আমার দেশ অন্য সুবিধা পাক তা আমি চাই না, কারণ সে নিচু কাজ করে। এই যুক্তি খুব কাজ করে এর পিছনে।
  • aka | ১৪ মে ২০১১ ২০:২২475938
  • SEZ এর মূল লক্ষ্য হল ফরেন ডাইরেক্ট ইনভেস্টমেন্ট অ্যাট্রাক্ট করার জন্য।

    পৃথিবীতে অনেক সাকসেসফুল SEZ আছে আবার ঈশান যেমন বলল SEZ এ ফ্ল্যাট বাড়িও হয়েছে। সাকসেসফুল SEZ এর উদাহরণ চীনে প্রচূর আছে। সমস্ত কিছুর মতনই SEZ সাকসেসফুল হবে কিনা তা ডিপেন্ড করে পলিসির ওপর। SEZ হয়ে ফ্ল্যাট বাড়ি হলে আপত্তি আছে। কিন্তু SEZ এর ফলে মাইক্রসফট যদি ব্রাজিলের বদলে কল্যাণীতে একটা ডেভলপমেন্ট সেন্টার খোলে বা ফোর্ড একটা গাড়ির কারখানা তাইলে দিব্য হয়।
  • Abhyu | ১৪ মে ২০১১ ২০:৫২475939
  • খবর্দার না। কল্যাণীতে কিছুতেই না।
  • Bratin | ১৪ মে ২০১১ ২১:১৩475940
  • অভ্যু, কল্যানীর শিল্পায়ন নিয়ে দু/চার কথা বলো না।
  • aka | ১৪ মে ২০১১ ২১:২০475941
  • ঠিকাছে শ্যামনগরে হোক, ট্রিকল ডাউন কল্যাণী পাক। অসুবিধা নাই।
  • Bratin | ১৪ মে ২০১১ ২১:৩৭475942
  • চিন্তা করো না আকা, দিদি কে বলে 'ভেতর থেকে' ব্যাবস্থা করে দেব :-))
  • pi | ১৪ মে ২০১১ ২১:৪৪475943
  • মামুর sez নিয়ে পয়েনগুলোতে শ্রমিক
    অধিকারের চোদ্দোটা বাজানো নিয়ে আপত্তি দেখলাম না তো ?
  • ranjan roy | ১৪ মে ২০১১ ২১:৫৪475944
  • দমুর, এবং বিবি'র শেষ পোস্টকে ক'।
    আর SEZ এর লেবার ল' নিয়ে পাইকে।
  • dri | ১৫ মে ২০১১ ০০:১৮475945
  • কেন্দ্রের থেকে ঝুলোঝুলি করে টাকা আদায়। এটা গোলমেলে ব্যাপার। কিছু টাকা হকের পাওনা। সেটা পাবে। ট্যাক্সের কিছু টাকা স্টেটের প্রাপ্য। তার বাইরে টাকা নিলে সেটা সেন্টার দেবে লোন হিসেবে। লোনের শর্ত সহজ হতে পারে ম্যাক্সিমাম।

    কিন্তু এখন পশ্চিমবঙ্গের ক্রেডিট লিমিট রীচ করে গেছে। আম্রিকার মত। আর একটুও ঋণ নেওয়ার সামর্থ নেই।

    ইনকামের আরেকটি উপায় হল নানা রকম স্টেট ট্যাক্স বসানো। পেট্রলের ওপর ট্যাক্স। রাস্তায় টোল ট্যাক্স ইত্যাদি। কিন্তু বেশী ট্যাক্স বসানো ইনফ্লেশানারি। অলরেডি মানুষ ইনফ্লেশানে জেরবার। বিবি অলরেডি প্রোপোজ করছেন মমতা পেট্রোলে ট্যাক্স কমান। ডিফিকাল্ট টু মেক বোথ এন্ডস মীট।
  • dri | ১৫ মে ২০১১ ০০:৩৫475946
  • মমতার নীতিগুলো কি কি আর আমাদের স্বপ্নের ফ্যান্টাস্টিক নীতিগুলো কি কি এই দুটো আলাদা। দুটো নিয়েই কথা চলতে পারে অবশ্য। কিন্তু একটা যেন অন্যটার সাথে জড়িয়ে না যায়।

    স্বাপ্নের নীতিগুলো নিয়ে একটা কথা আমার ইনক্রিজিংলি মনে হচ্ছে। গত পাঁচ বছরে উন্নয়নের গল্পে টাটার কারখানা, সেজ ইত্যাদি বড্ড ডিসপ্রোপোর্শানেটলি বেশী এসেছে। এগুলো আমরা এখানে যারা আলোচনা করছি সেই ক্লাসটার অ্যাসপিরেশানকে রিপ্রেজেন্ট করে। কিন্তু এগুলো অনেক, অনেক মানুষেরই অ্যাসপিরেশানের জায়গা নয়। বরং এগুলো তাদের ইন্টারেস্টের পরিপন্থী। এমন অনেক মানুষ আছেন যারা নিকটবর্তী হয়েও টাটার কারখানা থেকে কোন চাকরী তো পেতেনই না, বরং তাদের জীবিকা যেত।

    এর চেয়ে বরং একশো দিনের কাজে অনেক বেশী মানুষের উপকার হয়েছে।

    আমার মনে হয় আলোচনায় এমন প্রোপোজাল আসতে হবে যেগুলো বেশী ইনক্লুসিভ, অনেক ধরনের মানুষকে এনগেজ করতে পারে, রাদার দ্যান ঐ হাইটেক একটা স্মল নিশ। ওটারও একটা ইন্টারেস্ট গ্রুপ আছে। মে বি তারা ১০% অফ দা পপুলেশান বড়জোর। সেই প্রোপোর্শানে হাইটেকের কথা হতে পারে। কিন্তু বাকি ৯০% এর সত্যি এইসব হাইটেক হয়ে কোন লাভ নেই। কি হলে তাদের বেশী লাভ সেই নিয়ে ভাবার সময় এসেছে।
  • aka | ১৫ মে ২০১১ ০০:৪৬475948
  • শুধুই ফরেন ডাইরেক্ট ইনভেস্টমেন্টের ফলে হুড়হুড়িয়ে উন্নতি হবে এমন হতে পারে না। সবই চাই। কৃষির জায়গায় কৃষি, শিল্পের জায়গায় শিল্প, স্বাস্থ্যর জায়গায় স্বাস্থ্য, পড়াশুনোর জায়গায় পড়াশুনো। তারজন্য চাই তাগড়াই সরকার।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ভ্যাবাচ্যাকা না খেয়ে প্রতিক্রিয়া দিন