এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  সিনেমা

  • ভালো সিনেমা

    vikram
    সিনেমা | ০২ মার্চ ২০০৬ | ৭২৪২৩ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • sumeru | ২০ এপ্রিল ২০০৬ ২১:২০499319
  • আপনাদের কথা শুনে আমি কিঞ্চিত কৌতুক বোধ করছি। আপনাদের, মনে হয়, এমন একটা ধারণা তৈরী হয়েছে, সিনেমা দোকান থেকে কিনে ঘরে বসে দেখা যায়। এবং সেই নিরিখে আপনারা বিচার করছেন, কোনটি লভ্য কোনটি নয়। আপনারা ize="2">vcd বা ize="2">dvd তে, হোম থেয়েটার হ্যানা ত্যানা ize="2">5.1,6.1,7.1 সহযোগে যা দেখছেন সেটি কোনোমতেই সিনেমা নয়।

    কোন মাধ্যমের অভিপ্রায় তার সীমানার মধ্যে গুঁড়ি মেরে থাকা নয়।চিত্রতে গতি যুক্ত করে চিত্রমালা আনলাম, তাতেই থামলাম না। আমরা শব্দের খোঁজ করতে শুরু করলাম। একদিন জুড়ে দিলাম শব্দকে। সিনেমা একটা আদল পেল।আমি যে সুর বাজাই তা যেন তীব্রতরভাবে সেই সুরে গিয়েই পৌঁছায়। প্রাণপনে ছুটে চলেছি, যেখানে আড়া আড়ি ভাবে লাগানো সেই সুতোটি, দুলছে মৃদু মৃদু হাওয়ায়।আমরা দেখলাম, চোখের সামনে আমারা যা দেখতে পাচ্ছি, তার চাইতে বেশী অনেক কিছু শুনতে পাচ্ছি, চারপাশের শব্দ, এমন কি দেওয়ালের ওপাশের কথা। শব্দে আমরা কিছু দেওয়াল অতিক্রমের প্রয়াসে মন দিলাম,প্রেক্ষাগৃহের জন্যে বিশেষ ভাবে তৈরী হল শব্দ প্রক্ষেপণ ব্যবস্থা। সারা বিশ্ব জুড়েই চলছে এই লক্ষণের গন্ডি অতিক্রমের চেষ্টা। আমরা আসলে চলেছি সেই মগজ ধোলাইএর যন্ত্রের দিকে। যে সুরটির কথা ভাবব, যেভাবে ভাবব, দর্শক সেটাই বুঝবেন।আসলে আমরা প্রতিটি ইন্দ্রিয়ের দ্বারাই সেটি পেতে চাইছি। কতটা কাছাকাছি যাওয়া সম্ভব তার পরীক্ষা চলছে সারা বিশ্বজুড়ে। গন্ধের সংযোজন - বিয়োযোজন ঘটছে, এই রকম ও পরীক্ষা হচ্ছে ize="2">Point Of View shotএ কেউ যদি কাউকে চড় মারে তা সরাসরি দর্শকের গালে গিয়ে পড়বে।এই সবের জন্য বিশেষ ভাবে নির্মিতের প্রেক্ষাগৃহের প্রোয়োজন। আপনাদের আশার কথা সে-সব এখনই চলে আসছে না।আগে একটা চেষ্টা ছিল সেগুলো সাঙ্কেতিক ভাবে চিত্রমালা বা শব্দমালার সাথে যুক্তকরার।সেখানেও বিস্তর গোলমাল লাগলো, ব্যাপারটা ভীষণ সংস্কৃতি সাপেক্ষize="2"> (culture specific) ফলে যে সুরটিই চাই তা আর পেয়ে উঠছিলাম না, ফলে ইত্যাদি ইত্যাদি।

    এতো গেল কিভাবে দেব, কি দেব তাও বিস্তর। আমরা লেয়ার-ফেয়ার বলি বটে সে সব কিছু না। মিলিয়ে মিশিয়ে সিনেমার জন্য একটা ডায়ালেক্ট তৈরী করা, কখোনো সেটা কমপ্লেক্স, আবার ize="2">absense of dialectics ও সম্ভব।আপনি যখন ize="2">vcd বা ize="2">dvd এনে সিনেমাটি দেখলেন তখন বস্তুত তার ঠোঙাটি দেখলেন।আসলটি নয়। কাজেই কোন সিনেমাটি ভালো লেগেছে না বলে কোন ঠোঙাটি ভালো লেগেছে সেটাও বলতে পারেন।

    ভালো সিনেমা কখনই সহজলভ্য নয়। বিভিন্ন চলচ্চিত্র উৎসবে হাতে গুণে দুচারটি ভালো সিনেমা পাওয়া যায়। এবং আরো একটা জিনিসের ভীষণ দরকার গ্রহণ ক্ষমতা, তার সাথে আপনার ইন্দ্রিয়েরাও পরীক্ষা দিচ্ছে সেটা ভাবুন, তারা কতটা প্রস্তুত। সভ্যতা আমাদের কতটা এগিয়ে নিয়ে গেছে তার কিছুটা আমি উপরে বোঝানোর চেষ্টা করেছি।ফেলে লিষ্টি করে কিচ্ছু লাভ নেই। আপনার সদিচ্ছাই আপনাকে নিয়ে যেতে পারে ভালো সিনেমার কাছে।

    সুমেরু
  • tan | ২০ এপ্রিল ২০০৬ ২১:৩৮499320
  • একটা মস্ত ঠান্ডা ঘর,অল্প নীলবেগুনী রঙ,ইনক্লাইনড মেঝে নেমে গিয়ে পর্দা-মস্তো মস্তো অদ্ভুৎ সীট যা কিনা অনেকখানি ঘোরানো নড়ানো ইত্যাদি করা যায়।
    এইবারে সিনেমা শুরু হলো, পর্দায় সমুদ্র,জল জল নীল সাদা ফেনা,সাদা বালির সৈকতে আছড়ে পড়া ঢেউ,বিপুল শব্দ,সীগালের ডাক,সমুদ্রসৈকতের গন্ধ যা কিনা মাছ জেলিফিশ শঙ্খ ওজোন ইত্যাদির মিলিত গন্ধ-সীট আর পর্দার শব্দের কারসাজিতে মনে হচ্ছে নীলের মধ্যে ঢুকে পড়েছি,কখনো আকাশে,কখনো বালির মধ্যে শুয়ে আছি।
    এইরকম সুমেরু? এইরকম?
  • vikram | ২০ এপ্রিল ২০০৬ ২২:১৬499321
  • সুমেরুকে প্রশ্ন: যদিও এ সব, সব কিছু আমি মানছি হলে দেখার ব্যাপার ও ইত্যাদি, ফিল করছি এবং তোমার দাবি মানলাম কিন্তু আমার প্রশ্ন আছে।

    ১) অনেক সিনেমা যেমন সহজে মেলে না, তেমন অনেক গুলই তো ডি ভি ডি ছাড়া দেখা যায় না। কারন তারা হলে আসে না। অন্তত: যেখেনে থাকি আসে না। তাহলে কি ডি ভি ডি দেখা শুধুই ঠোঙা কেস। কতটা কমে মজা? আমাদের মতো আনট্রেনড চোখে কি সেই তফাত ধরা পরবে? আর ছোটো পর্দায় দেখে সব ফিলিমেই কি আনন্দ (পুরস্কার নয়, ওটা তো পাবই) থেকে পুরো বঞ্চিত হবো? আবার তার সাথে যেহেতু একজনের শিল্পের দিকে এক্সপোজার, পার্টিসিপেশান, ওপেননেস, ট্রেনিং, চিন্তা এত কিছু যুক্ত থাকে ব্যাপারটা নিশ্চয় অনেক ঘাঁটা।

    ২)লিস্টির একটা জরুরি ব্যাপার আছে। সেটা হোলো আমাদের আনট্রেনড লোকেদের কিছু নাম বলা, একটু লোভ দেখানো। আমার ভালো লাগলো তুইও দেখ। জাস্ট এইটুকু। যেই একই কারণে অবশ্যই 'ভালো ছবি' সেকশানে বেশ একটা প্রথম পাঠ মানে বই হলেও ভালো। নাম গুলো জানি। দুটো ঠোঙা দেখি। তবে না আস্তে আস্তে কথা বলা যাবে। সৎসঙ্গের ফান্ডা। দেখতে দেখতে কিছু না হোক আনন্দ তো হবেই। যার জমবে না সে পয়লাতেই কেটে যাবে।

    মোদ্দা কথা হলে যাওয়া খুব ভালো। ডি ভি ডি আর লিস্টি অতো ভালো না। কিন্তু এক্কেরে খারাপ কি?

    গন্ডগোলটা হোলো এখানে, এই যে তুমি প্যেন্ট অফ ভিউ অ্যাবসেন্স অফ ডায়ালেক্টিক্স বললে এগুলো অ্যাপ্রিশিয়েট করা বা একটু কনশাঅসলি ধরার জন্যই আমাদের মতো লোকে্‌দর হয়তো পয়লাই উচিত একগাদা সিনেমা দেখা। যেভাবে হোক। কারন এই অবস্থায় আমরা ঐ ফাইননেস হারগিজ ধরতে পারবো না। এই অবোধ অবস্থায় শুদ্ধুমাত্র এইট্‌কুই মনে হবে যে না, হলে গেলে কিন্তু বেটার লাগে। তবে আমার টিভিটাও খারাপ না।

    একটা আনরিলেটেড আলগা বোকাঅ পোশ্নো আছে জনতাকে। সেটা হলো আমি আগের দিন (হলে নয়, সবথেকে খারাপ জিনিস-ল্যাপটপে) অযান্ত্রিক দেখছিলাম। গয়না পড়া মহিলা থাকাকালীন খুব মনে হয় যে ফিলিম টা সাদাকালো থেকে রঙীন হয়ে গেছে। সুন্দরী মহিলা আর তার রূপ ও সাজ-গয়নার সাথে বাকি সবের কনট্রাস্ট ছাড়া ছবিটা তোলার মধ্যে কি কিছু কেস আছে যার জন্য এরম লাগে? না কি এরম লাগেই না, আমার চোখে ধোঁ।

    বিক্রম
  • sumeru | ২০ এপ্রিল ২০০৬ ২৩:২৪499322
  • ১)এই কন্সাসনেসটা আসার দরকার আমি যেটা ize="2">dvdতে দেখছি সেটা মূল সিনেমার ভগ্নাংশ মাত্র। কেউ যেমন শুধু গল্পটা খোঁজেন।তেমনি কিছু কিছু পাওয়া যায় বৈকি! কিন্তু সেই কনসাসনেসটা আগে আসা দরকার। অনেক বই-এর প্রচ্ছদ দেখেই ভালো লাগে। এটাও সেরকম ব্যাপার। বই পড়ে দেখলাম ভোঁ ভাঁ। এমনটা হতেই পারে। আবার দুটো ই ভালো লাগতে পারে।আমরা বেশীর ভাগ সময় আগে সিনেমা দেখি তারপর ize="2">dvd বা ize="2"> vcd সংগ্রহ করি। সে খানে দুই মাধ্যমের মধ্যে একটা লিনিয়ার ম্যাপিং কাজ করে।ফলে সে দেখাটা কেবলমাত্র টেলিভিশন সেটে দেখা থাকে না।অনেকসময় আগে ize="2">dvd বা ize="2">vcdতে দেখে নেওয়া হয়, সেটা অনেকটা ক্যাটালগ ঘাঁটার মত। পছন্দ হলে দেখার সুযোগ খুঁজতে থাকে। অনেকের জাত চিনেনি, কিন্তু তার জন্যে একটু পুরোনো পাপী হওয়ার দরকার।মোদ্দা কথা যারা সেটা দেখেই সন্তুষ্ট থাকবেন তাদের জন্যে এই মাধ্যমটি নয়।

    ২) লিষ্টির খারাপ বেশ কিছু জায়গা তো আছে। মুড়ি- মিছরি একদর হয়ে পড়ছিল।আনেকে ize="2">dvd দেখেই রায় দিচ্ছিলেন।যা টেলিভিশনে ভালো তা সিনেমা নাও হতে পারে।

    ৩)সিনেমা পাওয়া না পাওয়া প্রসঙ্গে আমি আগেই লিখেছি তা পাওয়া সহজ নয়। সেটা দেখা বেশ ঝামেলার ব্যাপার। সবার ঘি সয়না। কষ্ট স্বীকার করতেও রাজী নই।অনেকেই দেখেনা বলে দেখানো হয়ে ওঠে না।মিতাদের মত প্রচুর লোক বঙ্গ-সন্মেলন হ্যানা-তেনার ব্যবস্থা করেন। তাতে ভূমি গিয়ে গান গেয়ে আসে। সিনেমার আয়োজন থাকে না। মোদ্দা কথা পিঠ চাপড়ানির অভাব। আমি "কাল অভিরতির' কথা এখানে লিখে রাখি। গত বারো বছরে মাত্র চারটে শো হয়েছে। আমি চতুর্থবারে দেখেছি আজ থেকে সাত বছর আগে। এবং হলে চার জন দর্শক ছিলাম, প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত। অথচ আমাকে যদি প্রথম দশটি দেখা সেরা বাংলা সিনেমা বলতে বলা হয় তাহলে তাহলে "কাল অভিরতি'র নাম করতেই হবে। কিন্তু টেলিভিশনের পর্দায় সেটা দেখা "কাল অভিরাতি" হবে না, সেটা যারা দেখেছেন তারাই যানেন।ভিকি যে অযান্ত্রিকের কথা তুলেছিস সেখানেও, যে ল্যান্ডস্কেপ দেখি, প্রকৃতির কাছে মানুষ কত ক্ষুদ্র সেটা দেখা যেতে পারে টেলিভিশনে কিন্তু ইমেজের ইম্প্যাক্ট সেখানে নেই।মন্দ মেয়ের কথা বলি, যেখানে পিকাসোর সেই থ্রী ডটারসের কথা আসে, ঐ ল্যান্ডস্কেপে তিনটি মেয়ের কেবল উঙ্কÄল রঙের ব্লাউজই চোখে পড়ে, মনে হও তিনটি প্রজাপতি উড়ে বেড়াচ্ছে।টেলিভিশনে তিনটি বিন্দু লাগে।হ্যাঁ আমি বৃহাদাকার টেলিভিশনের কথাই বলছি।আমরা মনিটরে বার বার চালাচ্ছি ডাবিং-এর সময়, আর খাটের উপর বসে বুদ্ধবাবু বলে চলেছেন, ওদের কিন্তু ওড়ার কথা, ওরা কিন্তু উড়তে চায়, মনে রেখ।

    সুমেরু
  • r | ২০ এপ্রিল ২০০৬ ২৩:৪০499323
  • বোঝো! সিনেমার লোক দেখানো হয় না বলে কান্নাকাটি করছে! যদি কিছু দেখানো হয় এবং লোকে দেখে তা তো সিনেমা। সে তোমার পছন্দের নাই হতে পারে। পছন্দ-অপছন্দের কোনো রকম নাটকই তো কেউ দেখে না, দেখায়ও না।
  • Ishan | ২০ এপ্রিল ২০০৬ ২৩:৪৪499324
  • এই খানে স্পষ্টত:ই একখানা তক্কাতক্কি হতে পারে, যাতে আমি, ব্যক্তিগতভাবে সুমেরুর দিকে অনেকটা ঝুঁকে থেকেও, অনেকটাই ভিন্নমত পোষণ করব।

    তক্কাতক্কি অন্য থ্রেডে করা যাবে, ভবিষ্যতে। আপাতত: একটা প্রশ্ন। লো কস্ট ফিল্ম মেকিং নিয়ে সুমেরুর কি বক্তব্য? যথা : সুপার এইট। আরও ক্লাসিকাল সেন্সে, গোদার বিষয়েই বা কি? ফিলোসফিকালি?
  • b | ২০ এপ্রিল ২০০৬ ২৩:৫২499325
  • সুমেরুর বক্তব্য বুঝলাম না। আর যা বুঝলাম সমর্থন করলাম না।

    যার যা ভালো লেগেছে, জনতা চাইলে, নিজের পোষালে, সে সেটার লিস্ট দেবে, পারলে সোর্স দেবে।

    যা দেওয়া হচ্ছে সব দেখবো না, সম্ভব নয়।

    কিন্তু নাম বা সোর্স চাইবো। সাধারণত: বন্ধুদের কাছে যেরকম করে থাকি।
  • r | ২১ এপ্রিল ২০০৬ ০০:০৯499326
  • সিনেমার এই এলিটিস্ট ব্যাখ্যা নিয়ে আগেও হুমেরুর সাথে আমার আর তক্কো হয়েছে। বস্তুত: সুমেরু সিনেমা নামক মাধ্যমটাকে প্রায় লাইন বাই লাইন ডিফাইন করে দিচ্ছে। মামু লিচ্চই এর পিতিবাদ করবে।
  • r | ২১ এপ্রিল ২০০৬ ০০:১১499327
  • আমার আর ইন্দোর
  • a_x | ২১ এপ্রিল ২০০৬ ০৫:০১498553
  • সুমেরু বাবু, আপনার এই কৌতুক বোধ'ই বোধহয় ভালো সিনেমা থেকে সাধারন কে আলাদা করে রাখে - ize="2">alienation ঘটে যায়। আপনার কথা না মানার কিছু নেই - নিশ্চই অনেকখানি সিনেমার জাদু'র তরলীকরণ ঘটে ঘরে বসে দেখলে। কিন্তু এখানে আমার একটা প্রশ্ন - ঠোঙ্গার যে মাল আমি বাড়ি বসে দেখতে পাচ্ছিনা - সেটা হল'এর দর্শক কে মাথায়ে রেখে এবং বহুযুগ অবধি সেটাই ize="2">challenege ছিলো - কিন্তু এইযুগে তো বেশির ভাগ মানুষ বাড়িতে বসেই দেখে - হল'এ গিয়ে সিনেমা দেখা আস্তে আস্তে কমে আসছে সব দেশেই - এর ভালো বা খারাপ কি সে তর্কে আমি যাচ্ছি না - কিন্তু এই যে পরিবর্তিত চাহিদা এটাকে মাথায়ে রেখেও কি সিনেমা বানানো হয় না ? শুধুমাত্র আঙ্গিক বদল না - এমনকি বিষর 'ও কি বদলে যেতে পারেনা শুধু এই দাবি টাই মাথায়ে রেখে ? নাকি আপনার মতে সেটা আর সিনেমা থাকেনা- ize="2">tv film হয়ে যায়? সবকিছুর যেমন ize="2">evolution হয় - এই মাধ্যমেরো তো তাই - এবং বাকি সবকিছুর মত এটাও সামাজিক, আর্থনৈতিক ব্যপার গুলো দ্বারা নিয়ন্ত্রিত এবং প্রভাবিত নয় কি ? আমি মানতে পারলাম না খালি হল'এ সিনেমা দেখলেই আমি আমার ইন্দ্রিয়ের পরীক্ষা দিয়ি - চারদেওয়ালের শুন্য ঘরে সারাদিনের কর্মব্যস্ততার পরেও ছোটোপর্দায়ে সিনেমা দেখতে বসে কি ইন্দ্রিয়ের অন্যরকম পরীক্ষা হতে পারেনা? আর এই যুগে সেটাকেও মাথায়ে রেখে নিশ্চই কেউ কেউ সিনেমা বানান বলে আমার বিশ্বাস।
    আরেকটা কথা - এই যে বল্লেন ভালো সিনেমা কখনই সহজলভ্য নয় এর মধ্যে যেন একটা প্রচ্ছন্ন ভাব আছে যে সেটা সহজলভ্য হলে আর ভালো থাকবেনা - দুটো কে পরস্পর বিরোধী করার প্রয়োজন টা ঠিক বুঝিনা - এটা তো ভারি ize="2">elitist stand একটা - যেন ভালো সিনেমা আম জনতার দেখার জিনিস না !
  • dri | ২১ এপ্রিল ২০০৬ ১৩:১৪498554
  • সুমেরু,

    সকালে যখন আপনার লেখা পড়ছিলাম, তখন ভেবেছিলাম সন্ধেবেলা এর বিপরীত দিকটার কথা লিখব। কিন্তু এখন দেখছি এতজনে এটার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছেন যে আমার আর বিশেষ কিছু নতুন কথা বলার নেই। তবু কিছু কথা আমি আমার মত করে বলতে চাই।

    প্রথমত, আপনার লেখা পড়েছি, মনে হয়েছে আপনি ক্রিয়েটিভ মানুষ। আর সিনেমা তৈরি নিয়ে আপনার হাতে কলমে কাজ আছে, লিখেছেন বুদ্ধবাবুর সাথে কাজ করেছেন। তাই মিডিয়ামের ক্ষমতার আরো আরো ব্যাবহার আপনাকে কে উত্তেজিত করবে সেটা বুঝতে পারছি। কিন্তু যেটা আপনি মিস করে যাচ্ছেন সেটা হল দর্শকের পয়েন্ট অব ভিউ। আজকে আমার যা লাইফস্টাইল, তাতে একটা ভিডিও ভাড়া করে দেখার অনেক সুবিধে। একবার ভাড়া করলে অনেকে মিলে দেখা যায়। খরচ কমে। আমাদের অনেকেরই ছোট বাচ্চা আছে, যাদের নিয়ে সিনেমা হলে যাওয়া একটা হ্যাপা। এখন প্রত্যেকের বাড়িতে টিভি, ডিভিডি প্লেয়ার আছে। ডিভিডির কোয়ালিটি খুব ভালো হয়েছে। আর আমি এখন যেখানে আছি সেখানে ভালো বাংলা সিনেমা কি ভালো ইটালিয়ান সিনেমা দেখতে হলে ডিভিডিই আমার একমাত্র অপশান। আপনি যদি আমায় বলেন ডিভিডি দেখোনা, আপনি নিজের বানিজ্যিক ক্ষতির ব্যবস্থা করছেন। এমন কিছু সিনেমা হল আছে যেখানে ঝড়ের দৃশ্যে দর্শকের গায়ে হাওয়া লাগে। কিন্তু এমন সিনেমা হলের সংখ্যা খুবই কম, এবং তাতে খুবই কম ভালো সিনেমা আসে। তাই আপনি যদি এমন সিনেমা করেন যেখানে ঝড়ের দৃশ্যে দর্শকের গায়ে হাওয়া লাগাটা জরুরি, অধিকাংশ দর্শকই কিন্তু সিনেমার ঠোঙাটা দেখবে। এই মুহুর্তে কি ধরনের সিনেমা করা হবে সেই আলোচনা থেকে এখনকার টেকনোলজিকাল রিয়েলিটি বাদ দিলে ভুল করবেন। এখনকার রিয়েলিটি হল টিভি, কম্পু, ডিভিডি খুব সহজলভ্য। মানুষ সিনেমা দেখাতেও ফ্লেক্সিবিলিটি চায়। সিনেমা হলে একটা নির্দিষ্ট সময়ে যেতে হয়। ডিভিডি ভাড়া করে এনে বা কিনে ইচ্ছেমত সময়ে দেখা যায়। তাই শর্ট টার্মে এটাই পপুলার চয়েস। তাই সিনেমা বানানোর সময় যদি এই কথাটা মাথায় রাখা যায় যে যারা ডিভিডিতে দেখবেন তারা যেন সিনেমার বেশীকিছু না হারান তবে বানিজ্যিক সাফল্যের সম্ভাবনা বেশী। এমন একদিন আসবে যেদিন স্পেশাল এফেক্ট সিনেমা হল পাড়ার মোড়ে মোড়ে থাকবে, হাই ডেফিনিশন হাই ফাই স্টিরিও হবে শস্তা। সেদিন অন্যরকম সিনেমার কথা বেশী করে ভাবা যেতে পারে। সিনেমা বানানোর ক্ষেত্রে রিভলিউশান ভালো জিনিষ, কিন্তু তাকে টেকনোলজির রিভলিউশানের হাত ধরে হাঁটতে হবে। খুব বেশী ঘোড়া ডিঙিয়ে ঘাস খেতে গেলে বিপদে পড়বেন। আজকে আমি যে ধরনের সিনেমার ডিভিডি কিনি তার অধিকাংশই আমার আগে বড় পর্দায় দেখা। এই ধরুন লা দোলে্‌চ ভিতা আমি প্রথম দেখি সিরি ফোর্টে। এখনো মনে অছে যিশুর স্ট্যাচু ঝুলিয়ে উড়ে যাওয়া হেলিকপটারের হার্শ ক্যাট-ক্যাট শব্দ। ডিভিডিতে কি আমি সেই এফেক্ট পাই? কখনো ই না। কিন্তু যখনই দেখি মনে পড়ে যায় সিরি ফোর্টের স্মৃতি। আর বড় পর্দায় হলেই যে দেখার অভিজ্ঞতা ভালো হবে এমন কথা নেই। বুনুয়েলের ফ্যান্টম অব লিবার্টি আমি দেখেছিলাম আমাদের কলেজের শস্তার ফিল্ম ক্লাবে। সেই প্রোজেক্টার পুরো সিনেমা জুড়ে কিট-কিট আওয়াজ করেছিল, ফিল্মে অনেক দাগ ছিল, চিড়বিড় করছিল। তাও ভালো লেগেছিল। আমার এখন ডিভিডির কোয়ালিটি ওর চেয়ে বেটার।

    আর একটু অন্য প্রসঙ্গে, আপনি পিকাসোর 'থ্রী ডটারস' এর কথা বলেছেন। এটা কোন ছবিটা বলুন তো? এটার নাম কি 'দামোয়াসেল দাভিনিয়ঁ'? সেই তিন প্রস্টিটিউট পাশাপাশি? এই ছবিটা বড্ড ভালো। নিউ ইয়র্কে মিউজিয়াম অব মডার্ন আর্টে রয়েছে। নিউ ইয়র্কে যারা যাবেন এই মিউজিয়ামে শুধু এই ছবিটার জন্যই ঢুকতে পারেন।
  • vikram | ২৩ এপ্রিল ২০০৬ ১৩:৫৫498555
  • ize="2">C.R.A.Z.Y ফ্রেনচ ক্যানেডিয়ান ছবি -কেবেকের মাল। ১২৭ মিনিট। ফরাসী। ২০০৫।

    পাথস অফ গ্লোরি। ১৯৫৭। স্ট্যানলি কুব্রিক। ৮৭ মিনিট।
  • a_x | ২৪ এপ্রিল ২০০৬ ১০:১২498556
  • ize="2">werner herzog'এর সাথে প্রথম পরিচয় হয় এর সবশেষ সিনেমা দিয়ে - ize="2">the grizzly man। আর এই সিনেমার প্রসঙ্গে আমি সুমেরু'র সাথে একমত। বড় পর্দাতে না দেখলে ওরকম একট ize="2">larger than life চরিত্রের স্বাদ পেতাম না ঠিকমত। তারপর থেকে পরপর এর বহু সিনেমা দেখি এবং প্রত্যেক বারই চমকে উঠি। বেশির ভাগ চরিত্র'ই ize="2">megalomaniac, eccentric এবং অসম্ভব আকর্ষনীয়। এই সপ্তাহান্তে বেশ কিছু সিনেমার মধ্যে ছিলো - ize="2">"ten minutes older - the trumpet" - wim wenders, jim jarmusch, werner herzog, aki kaurismaki, chen kaige, spike lee, victor erice প্রত্যেকের ১০ মিনিট'এর সময় প্রবাহনের টুকরো আর তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি জ্বলজ্বল করে ize="2">herzog'এর ১০ মিনিট - যা ছিলো ১০ মিনিট না - ১০,০০০ বছরের সময় নিয়ে। অদ্ভুত অদ্ভুত - শুধু পরিচালক হিসেবে না - ize="2">herzog মানুষটিকে আমার অসধারন আকর্ষনীয় লাগে - এর যা পাবেন সব দেখে ফেলবেন।

    এ বাদেও যা দেখলাম- ১) বব অল্টম্যান'এর ize="2">mccabe and mrs miller - ১২০ মিনিট - ওয়েস্টার্ন গোত্র দেখতে ভালো লাগলে চলেবল।
    ২) করে-ইদা-হিরোকজু'র ize="2">nobody knows - জাপান, ১৪১ মিনিট। এক মর্মান্তিক সত্যি ঘটনা কে ঘিরে - চারটি বাচ্চার বেশ সুন্দর অভিনয়, তবে ঠিক আহামরি না।
  • dri | ২৪ এপ্রিল ২০০৬ ১১:৪২498557
  • ize="2">a_x, ize="2">Herzog এর কয়েকটা সিনেমা বহুদিন আগে ম্যাক্স মুলার ভবনে দেখেছিলাম। নামগুলো একদম মনে নেই, শুধু একটা বাদে। আচ্ছা, একটা সিনেমার নাম কি আপনি বলতে পারেন। তাতে একটা সিন ছিল একটা শক্ত সমর্থ সুপুরুষ জোয়ান একটা নৌকোকে ঠেলে সমুদ্রে নামাতে চাইছে, কিন্তু কিছুতেই পারছে না। আর একটা বেঁটে বামন তাই দেখে হা হা করে হাসছে! উফ্‌ফ, ঐ হাসিটা এখনো আমার কানে লেগে আছে।
  • Samit | ২৪ এপ্রিল ২০০৬ ১৭:৫২498558
  • যা দেখলাম ভাল লাগল:

    i
    ze="2">1. Good Bye, Dragon Inn - Tsai MIng-Liang (2003)
    2. Oldboy - Park Chan-wook (2003)


    দুটো ই ভালো। বেশি লেখা যচ্ছে না কারন ডনডিকে বাংলা নেই
  • s | ২৪ এপ্রিল ২০০৬ ১৭:৫৪498559
  • ize="2">a_x -er songe herzog bishoye sampurna ekmot
  • sumeru | ২৪ এপ্রিল ২০০৬ ২৩:১৮498560
  • হেরজগের সিনেমাটা , গড অব রথ।

    শমিতের দুটো সিনেমা,
    ড্রাগন ইন, এই সিনেমাটা আমাদের ভাবার কথা চিল, চারিদিকে যা সিনেমা হল বন্ধের হিড়িক।

    ওল্ডবয় যারা একটু এদিক ওদিক যেতে ভালোবাসেন বিষয়ান্তরে তাদের খুব ভালো লাগবে।লাষ্ট টাইম ইন দ্য ইউনিভার্স, মিসিং এর মত নতুন ইমেজ ভাষা আছে।

    সুমেরু
  • dri | ২৪ এপ্রিল ২০০৬ ২৩:৫১498561
  • উঁহু, ওটা অ্যাগিরা দ্য রথ অব গড নয়। রথে তো অ্যাগিরার সব লোক মরে যাবার পর ওর জাহাজে বাঁদর লাফাচ্ছে আর অ্যাগিরা বিড়বিড় করছে, 'এর পরের বার যখন আসবো ize="2">...'। ওটা মনে আছে।
  • a_x | ২৫ এপ্রিল ২০০৬ ০৫:৩৮498562
  • দ্রি, আপনার সিনেমা টা - ize="2">cobra verde - kinski-herzog জুটি'র শেষ সিনেমা - এবং ize="2">kinski'র পাগলামো প্রায় তুঙ্গে এই সিনেমা তে - ঐ শেষ দৃশ্যটা অদ্ভুত - কোথাও যখন আর পালাবার জায়গা নেই। আচ্ছা আপনারা ঘুমোন টুমোন না? কাজ টাজ নেই? :-) আবার কিছু মনে করবেন না! - ize="2">disclaimer দিয়ে দিলাম - আসলে আমি তো কাল লিখে দিয়ে ঘুমিয়ে উঠে আজ দিনগত পাপক্ষয় করে এসে দেখি আপনার প্রশ্ন উত্তর প্রত্যুত্তর সব এর মধ্যে হয়ে গেছে!
  • dri | ২৫ এপ্রিল ২০০৬ ০৫:৫৬498564
  • ize="2">a_x, ঠিক বলেছেন! কোবরা ভেরদে! থ্যাঙ্কিউ। কাজ থাকবে না ক্যানো? আমি এখানে ক্যাব ড্রাইভার। আজকে খদ্দের কম হচ্ছে, তাই বসে বসে পোস্ট করছি। লাস্ট যে খদ্দেরকে এয়ারপোর্ট থেকে হোটেলে এনে তুলেছি তিনি নাকি কমোডের ব্যাবসা করেন।
  • a_x | ২৫ এপ্রিল ২০০৬ ০৬:০৩498565
  • আমিও ভাবতাম ছোটোবেলায়ে আইস্ক্রিম বিক্রি'র ঐ ঠেলায়ালা হব - এখোনো ভাবি - রোল'এর দোকান দেব - আসল ধান্ধা টা যে পেটুকের বুঝতেই পারছেন। যাগ্গে - সিনেমা থেকে সেই পেট'এ - এই করেই বাঙ্গালি গেলো !
  • a_x | ২৫ এপ্রিল ২০০৬ ০৬:০৫498566
  • ট্যাক্সি ড্রাইভার - কমোডের ব্যাবসা - কোথায়ে যেন - কোথায়ে যেন
  • dri | ২৫ এপ্রিল ২০০৬ ০৬:১৩498567
  • রোলের দোকান দেবেন? পার্টারশিপে রাজি? হলে আমি আছি।
  • a_x | ২৫ এপ্রিল ২০০৬ ০৭:৩৫498568
  • পার্টনারশিপ? লিচ্চই ! - আপনি ভাজবেন, আমি খাব। এই ফেল্লুম আমার ize="2">capital - রসনা এবং উদর।
  • dri | ২৫ এপ্রিল ২০০৬ ১০:২৯498569
  • আমি ভাজবো, আপনি খাবেন, তবে বাপের বাড়ি কে যাবে? অরেকজনকে হায়ার করতে হবে নাকি? (রেফারেন্স : টাপুর টুপুর বৃষ্টি পড়ে নদেয় এল বান ize="2">...)। তবে হ্যাঁ, ঐ মিড্‌ল কন্যাই সবচেয়ে স্মার্ট।
  • a_x | ৩০ এপ্রিল ২০০৬ ০২:০৪498570
  • একখান সাইট দিয়ি - যখন এ পাড়াতে বিশেষ কিছু হচ্ছেনা, টিপিকাল বাঙ্গালী "লুজার" হবার দায়ে সপ্তাহান্তে আপনার কোথাও নাচ গানের নেমন্তন্ন নেই (খ্যাক খ্যাক) - বাংলা লাইভ'এর চ্যাট'এ চ্যাটচেটে কবিতা কে লোকে আহা উহু করে খাচ্ছে -সেই সব বমি ওঠা সময়ের জন্যে। য়ামেচার ফিলিম মেকারদের ছোট্টো ছোট্টো ৫ মিনিটের মধ্যে সব প্রায়। একটু ফিল্টার করে নিতে হবে। তবে দু একখান মন্দ না - বিশেষ করে ize="2">"ebb and flo" এটা বেশ ize="2">stylized লেগেছে আমার।
    ize="2">http://medialab.ifc.com/film_list.jsp
  • a_x | ০৬ মে ২০০৬ ০৮:৪৭498571
  • সিনেমায়ে হরতাল ?
  • vikram | ০৬ মে ২০০৬ ২০:১৮498572
  • সিনেমা দেখলাম।
    i
    ze="2">double vie de veronique বা ize="2">the double life of veronica, ize="2">Krzysztof Kieslowski র। পোলিশ+ফরাসী। ৯৮ মিনিট। ১৯৯১। বেশ ভালো।

    ize="2">eyes wide shut, স্ট্যানলি কুব্রিক। ১৯৯৯। ইংরিজি। ১৫৯ মিনিট। কুব্রিকের মতো ভালো লাগলো না। সব মিলিয়ে কিরম ছড়ু ছড়ু লাগলো।

    ize="2">Fabuleux destin d'Amélie Poulain বা ize="2">amelie, ize="2">Jean-Pierre Jeunet এর। ফরাসী। ২০০১। ১২৯ মিনিট। গুচ্ছ।

    বিক্রম
  • vikram | ১৯ মে ২০০৬ ১৯:০৬498573
  • দা পিয়ানিস্ট, রোমান পোলানস্কি, ২০০২। ১৫০ মিনিট। ইংরাজি।

    বিক্রম
  • vikram | ২০ মে ২০০৬ ০২:১৭498575
  • ব্রিক। রায়ান জনসন। ২০০৫। ১১০ মিনিট। খুব ভালো।

    বিক্রম
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। সুচিন্তিত প্রতিক্রিয়া দিন