এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • নির্বাচন ২০১৬ - ফলাফল

    a
    অন্যান্য | ১৯ মে ২০১৬ | ২৫৫০৫ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • rivu | ২০ মে ২০১৬ ২১:৪৩706311
  • আচ্ছা মমতার এই যে ওয়েলফেয়ার কর্মকান্ড (কন্যাশ্রী, চাল, ক্লাব ইত্যাদিতে টাকা), এই নিয়ে কোনো ইকনমিক লেখাপত্র হয়েছে? মানে এই যে টাকা বেরোচ্ছে সেটা আসছে কোত্থেকে?
  • জনতা | ২০ মে ২০১৬ ২১:৪৯706312
  • মানুষ চেয়েছে তাই রাজীব কুমার cp :-) ঠিক যেমন মানুষ চেয়েছে বলেই দিদি মুখ্যমন্ত্রী মোদী প্রধানমন্ত্রী। যাও সবে নিজ নিজ কাজে।
  • S | ২০ মে ২০১৬ ২১:৫৫706313
  • বঙ্গে বিজেপি আসছে। ফাইনালি।
  • এলেবেলে | ২০ মে ২০১৬ ২২:৫২706314
  • ওফ্‌ সেই ১৯ তারিখ সকাল থেকে দু’টাকার চাল, সাইকেল আর কন্যাশ্রী দেখতে দেখতে চোখে ন্যাবা হয়ে গেল মাইরি ! পড়ুন তাহলে –

    ১. দু’টাকার চাল – জঙ্গলমহল, সিঙ্গুর আর কিছু চা বাগানে চাল দেওয়াটা শুরু হয়েছিল অনেক আগে থেকেই। খরচ হত বছরে ৫০০ কোটি। তারপর ২০১৩ তে Food Security Act পাশ হওয়ার পর বছরে অতিরিক্ত ১৭০০ কোটির বোঝা টানতে সরকার ধানাইপানাই শুরু করে। শেষে ২০১৫ -র এপ্রিল থেকে দক্ষিণ দিনাজপুর, মে তে কুচবিহার, জুনে উত্তর দিনাজপুর এবং জুলাই থেকে নদীয়া, মালদা, জলপাইগুড়ি, হাওড়া ও হুগলিতে চাল বিলি শুরু হয়। তারপর গোটা রাজ্যে। ৬.১ কোটি লোকের বদলে ৭ কোটি, যদিও অতিরিক্ত ১ কোটি লোকের জন্য পুরো ভর্তুকিটাই রাজ্য বহন করতে থাকে। এ পর্যন্ত (২০১১-২০১৬) খাদ্যে ভর্তুকির পরিমাণ প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা। তাহলে যে চাল নিয়ে এত চুলোচুলি তার আয়ু এক বছরেরও কম। এখন প্রশ্ন -জোট ক্ষমতায় আসলে এ ব্যবস্থা চালু থাকত কিনা ? Food Security Act চালুর বছরটা খেয়াল করুন আর একবার।

    ২. সাইকেল – পেয়েছে মোটে দশম আর দ্বাদশ শ্রেণির ছেলেমেয়েরা। তাও এক বছর। মানে প্রায় ২০ লাখ ছাত্রছাত্রী। লেগেছে মেরেকেটে ৮০০ কোটি। সাইকেল বাম আমলেও বিলি হত যখন তাহলে এটাও বন্ধ হতনা নিশ্চয়ই ?

    ৩. কন্যাশ্রী – উ.মা পাশ করলে ২৫ হাজার। বাৎসরিক অনুদান কহতব্য নয়। সরকারি হিসেবে খরচ ১০০০ কোটি। এটা বন্ধ হত কি ?

    ৪. অন্যান্য প্রকল্প – ক্লাব, মেলা-খেলা-উৎসব খাতে খরচ কত ? ১০০০ কিংবা বড়জোর ২০০০ কোটি।

    একুনে মোট খরচ ১০ হাজার কোটি আর কেন্দ্রীয় হারে ডি এ না দিয়ে সাশ্রয় ১৫ হাজার কোটি। কারও কাছে হাত পাতার দরকার নেই। শুধু কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলোকে নিজের মতন করে সাজিয়ে নাও ! প্রতিটি পরিবারের প্রতিটি সদস্যের প্রতি মাসে ৫ কেজি করে চাল-গম পাওয়ার কথা। কেউ পাচ্ছেননা। বিরোধীরা তা নিয়ে কোথাও মুখ খুলেছেন ?

    যাঁরা দু’টাকার চাল, সাইকেল আর কন্যাশ্রীর টাকা পেয়েও জোটকে ভোট দিলেন তাদের ভোট দেওয়ার কী ব্যাখ্যা ?
  • PT | ২০ মে ২০১৬ ২২:৫৩706315
  • কল্লোলদা
    হাজার গন্ডগোলের মাঝে কিছু মানুষ ঠিক কাজ করে। সেই জন্যেই জগত-সংসার টিকে আছে। বামেদের যারা ভোট দিয়েছে, ভয় ও ভিক্ষাকে উপেক্ষা করে, বিশেষতঃ সেই সব বুথে যেখানে ভোটের একমাস আগে থেকে বাড়ি বাড়ি গিয়ে তিনোর লুম্পেনরা ভয় দেখাচ্ছিল, তাদের সম্মানে হাঁটু গেড়ে প্রণাম জানালাম। তারা এই অন্ধকার সময়ে আশার আলো জ্বেলে রেখেছে।

    ভয় দেখানোর ব্যাপারটা আমার কষ্টক্ল্পনা নয়। আমার যে তরুণ সহকর্মিটি পিংলার এক গ্রামে সিপিএমের হয়ে কাজ করে এটা তার কাছ থেকে শোনা। বলল, "স্যার খুব চাপে আছি..... কবে যে কি হয়......"

    ওর চাপের তুলনায় সুর্য-বিমানের চাপ নস্যি। এরাই কোন না কোন সময়ে বাম রাজনীতিকে টেনে তুলবে কিনা সেটা সময়ের গর্ভে। কিন্তু শহুরে বিপ্লবীদের মায়াপাতায় প্রকাশিত হতাশার ক্লেদের ভগ্নাংশও তার মধ্যে দেখলাম না।
  • ঈশান | ২০ মে ২০১৬ ২২:৫৭706316
  • "আছে তো। যুবনেতা ঋতব্রত ! নাসিরুদ্দিন এর বন্ধুর জোব্বার মত, তার কথা যত কম বলা যায় ততই ভালো :)))"।

    এইটা প্লিজ সিপিএমের নিন্দে হিসেবে নেবেন না। কিন্তু এক্সপ্রেশনটা অসম্ভব ভালো হয়েছে। ভিজুয়ালি লিটারালি ফিগারেটিভলি গুরুচন্ডালি, যতরকম লি আছে আর কি।
  • PT | ২০ মে ২০১৬ ২৩:০৬706317
  • এইসব টইতে ব্যক্তি আক্রমণ নাকি এতদিন নিন্দনীয় ছিল?
  • quark | ২০ মে ২০১৬ ২৩:১১706318
  • মানুষকে ছাগল বলাটা 'ব্যক্তি' না 'সমষ্টি' আক্রমণ?
  • sm | ২০ মে ২০১৬ ২৩:১৯706319
  • পিটি ঠিক এরকম করেই হার্মাদ বাহিনী পুরো দশক ধরে গ্রাম কে গ্রাম বিরোধীদের বাসতুচ্যুত করেছে, ফসল কেটেছে, ঘর বাড়ি জ্বালিয়েছে। কব্জি কেটে নেওয়ার ঘটনাও ঘটনাও ঘটেছে, জানেন নিশ্চয়। তারাও খুব চাপে ছিল।
    সেই সব কথা নিশ্চয় লোকজন ভোলেনি। কিন্তু এসব হিংসা যত তাড়াতাড়ি বন্ধ করাযায় তত মঙ্গল। হিংসা না কমাতে পারলে মমতার সরকার ও উল্টোবে।বিপ্লবীরা ক্লেদ ছড়ালো কিনা সেটা ম্যাটার করে না।
  • PT | ২০ মে ২০১৬ ২৩:২৩706321
  • "মানুষ কখন ভেড়া হয় তুমি zআন্তি পার না" জাতীয় গান বহু আগেই আমাদের ভাষায় চালু আছে। এখানে কবি মানুষের বোধ সম্পর্কে বলিয়াছেন। আমার ছাগল শব্দের প্রয়োগই ঐ (রাজনৈতিক) বোধ সম্পর্কেই।

    কিন্তু ৩৪ দেখাতে দেখাতে কি এমন হয়েছে যে সব সময়েই একটা ভুলের সন্ধানে থাকেন আরেকটা ভুলকে জাস্টিফাই করার জন্য?
  • PT | ২০ মে ২০১৬ ২৩:২৪706323
  • এই দেখুন পোস্ট করতে না করতেই হিংসার কেমন একটা জাস্টিফিকেশন চলে এল!!
  • quark | ২০ মে ২০১৬ ২৩:৩০706324
  • জাস্টিফাই করা হচ্ছে - এইটে ভাবাই তো আরেকটা ভুল।
  • keshto | ২০ মে ২০১৬ ২৩:৩৪706325
  • চড়াম চড়াম
  • PT | ২০ মে ২০১৬ ২৩:৩৭706326
  • অ! তা আপনি কারুর চেহারা নিয়ে মন্তব্য করার নিন্দে করলেন বুঝি? বাংলা ভাষা এত জটিল হয়েছে জানতাম না.........
  • sm | ২০ মে ২০১৬ ২৩:৪১706327
  • ৩৪ বছরের পাকা চাকরি- চলে যাবার পর আবার ফিরে পাবার আশা!একি চাট্টি খানি কথা নাকি?
    সেই লাল বাতি ওয়ালা গাড়ি, সেই শিল্পপতি দের তেল মাখানো বৈঠক, সেই রাইটার্সে সিগারেট ফোঁকা,সেই পুলিশের ডিসি,এসি দের জো হুজুর বলে হেটমুন্ড হওয়া এসব কি ভোলা যায়!
    দেখলেন না যে লোক পলিটব্যুরোর মিটিঙে যায়না; সে কিরকম রাহুল বাবার সঙ্গে পোজ দিয়ে ছবি তুলছিল।
    সেই জন্যই তো কবি বলে গেছেন; হয় হয় z অনতি পারোনা।
  • ঈশান | ২০ মে ২০১৬ ২৩:৪৪706328
  • আরে নাসিরুদ্দিনের গপ্পে চেহারা ছিলনা। পড়ে যাওয়াটা ভিজুয়ালাইজ করতে বলা হয়েছিল। উফ। জোব্বা পরলেই মোটা হতে হবে নাকি? রবীন্দ্রনাথ কি মোটা ছিলেন?
  • sm | ২০ মে ২০১৬ ২৩:৪৮706329
  • এলেবেলের পোস্ট টা বেশ কৌতুহলোদ্দীপক!দেখাযাচ্ছে মমতার চা, সাইকেল ইত্যাদি তে মোট বাজে করছ ১০ হাজার কোটির মতন আর ডি এ না দেবার দরুন খরচ বাঁচলো ১৫ হাজার কোটি। একুনে পাঁচ হাজার কোটি নীট লাভ- উপরি পাওনা ছাগল দের ঢেলে দেওয়া ভোট।
    সিপিএম আগে ডি এ বাড়িয়ে ভাবত,কো অর্ডিনেশন নামক ভোট মেশিনারি কে কব্জায় রাখা যাবে।
    দিদি স্ট্রাটেজি চেঞ্জ করে ছাগল দের ডি এ বাড়িয়ে দিল।
    সুতরাং স্ট্রাটেজি তে দিদির কাছে তিন গোল খেয়ে গেল বেচারা সিপিএম।
  • S | ২০ মে ২০১৬ ২৩:৫১706330
  • কিস্যু পাল্টায়নি। দিদি দাদুর লাইনে খেলছেন। বাংলায় ঐভাবেই ভোট জেতা যায়। দাদুর ছিলো নাগরিক কমিটি, দিদির আছে ক্লাব। দাদুর ছিলো নন্দন, দিদির আছে টালিগন্জ। দাদু ও দিদির শিল্প নীতি একদম এক - কিছু না করে শুধু মৌ/বিশ্বরঙ্গ।
  • ঈশান | ২০ মে ২০১৬ ২৩:৫৩706332
  • কিন্তু নোটার লাইনটা গেল তো।

    "নোটায় বিপুল সংখ্যক ভোট পড়ার পাশাপাশি, ২৩ টি বিধানসভা কেন্দ্রে জয়ের ব্যবধানের থেকে নোটায় ভোট পড়েছে বেশি ৷ এর মধ্যে ১৩ কেন্দ্রে বিজয়ী হয়েছে জোট প্রার্থীরা বাকি ১০ কেন্দ্রে সবচেয়ে বেশি ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস ৷"

    নোটায় ভোট পড়ায় লাভবান হয়েছে জোট। গোটা সত্তর সিটের মধ্যে ২৩ টা। ৩০% মতো।
  • IPGGKBK | ২০ মে ২০১৬ ২৩:৫৪706333
  • এলেবেলে'র ১১.২৪এর পোস্টিং দেখুন-
    এর থেকে দেখা যাচ্ছে, নোটার হিসেবেও লাভ হয়েছে জোটের বেশী, তৃণমূলের কম। তাহলে আর ভোটের ফলাফলের পিছনে ছেঁদো কুযুক্তিটা বাঁচলো না।

    নোটার খেলায় জোট পেয়েছে তেরোটি আসন আর টিএমসি ১০টি আসন, যেগুলিতে নোটার ভোট জয়-পরাজয়ের ব্যবধানের থেকে বেশী।
  • sm | ২১ মে ২০১৬ ০০:০৩706334
  • কিন্তু কুম্ভীলক শিক্ষামন্ত্রী টা কি জিনিস? ব্যক্তি নিন্দা না প্রশংসা ?
  • S | ২১ মে ২০১৬ ০০:০৬706335
  • "নোটায় ভোট পড়ায় লাভবান হয়েছে জোট।"

    এটা কি করে জানা গেল? হয়তো সেখানে জোটের ভোট আরো বাড়তো। অতেব হিসাব অতো সোজা নয়।
  • ranjan roy | ২১ মে ২০১৬ ০০:০৭706337
  • হলদে মানুষ ওরাং ওটাং,
    ইঁট পাটকেল চিৎ পটাং!

    দিনদুপুরে চাঁদের উদয় রাতপোহানো হল ভার,
    হল পুন্নিমে তে অমাবস্যা, চারিচক্ষু অন্ধকার।

    এসে বিন্দাবনে বলে গেল বামী বোষ্টুমী,
    একাদশীর দিনেতে হবে জন্ম অস্টুমী।
    আর ভাদ্দরমাসের সাতুই পৌষে
    চড়কপূজোর দিন এবার।

    ওই ময়রামাগী মরে গেল মেরে বুকে শূল,
    আর বামুনগুলো সবাই মিলে মাথাতে বাছচে চুল।
    কাল কামরূপেতে কাক মরেছে
    কাশীধামে হাহাকার।
  • pi | ২১ মে ২০১৬ ০০:০৭706336
  • আরে নোটা নিয়ে এটা দিয়ে দেবার জন্য থ্যাঙ্কু। এটা নিয়ে একটা পোস্ট করতে গিয়ে উড়ে গেল বলে ল্যাদ খেয়ে গেসলুম।
    ঐ আজ কোন এক চ্যানেলে দেখছিলাম, নোটার ভোট ব্যবধানের থেকে বেশি। চট করে গুনতে গিয়ে মনে হল, চব্বিশটা এরকম সিটের মধ্যে প্রায় দশ এগারোটায় জোট জিতেছে।
    তাইলে এই যে কাল থেকে নোটাকে গাল দেওয়া শুনছি, যে লোকে নোটায় টিপে তৃণকে জিতিয়ে দিল, সেটা কীকরে হয় ?
    এখন এই লিংকে গুণে দেখলাম আকচুয়ালি তেইশটার মধ্যে তেরোটায় নোটার চেয়ে কম ব্যবধানে জোট জিতেছে। যে দশটা তৃণরা জিতেছে, সেগুলো নোটা না দেওয়ায় জোট পেলেই বা কী হত ? যদিও এটাও বুঝিনি, যাঁরা নোটায় দিয়েছেন, তাঁরা তাঁরা সবাই জোটকেই দিতেন কেন। আর এঁদের অন্য ও বেশি সম্ভাব্য বিক্ল্প তো ছিল ভোট না দেওয়া। সেক্ষেত্রে, নোটা না হলে জোটের কি এমন লাভ হত ?
    নোটাকে এই গাল পাড়ার কারণ কী বুঝলাম না। কেউ বুঝিয়ে দিলে ভাল হয়।

    তারউপর আবার বিক্ষুন্ধ, প্রাক্তন বামেদের গাল পাড়া হচ্ছে নোটা নিয়ে।
    এদিকে দেখলাম, নোটা এই ব্যবধানের চেয়ে বেশি হওয়া সিটগুলো সবই গ্রামাঞ্চলে। অবশ্য সেখানে কল্লোলদার মত লোকজন দলে দলে গিয়ে এইরকম করেছেন বা করতে বলেছেন, এটা হতেই পারে ঃ)

    আর ঐ লিম্ক থেকে, 'যদি এই বিপুল সংখ্যক ভোট নোটায় না পড়ে প্রার্থীদের ঝুলিতে যেত তাহলে সমীকরণ এবং ভোটের ফল অন্যরকম হত বলেই মত রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের ৷ ' - এই অন্যরকমটা কীরকম ?

    'যেমন ওই ২৩ টি কেন্দ্রে যেখানে জোট প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন সেখানে যদি নোটার ভোটগুলি তাদের নামে পড়ত তাহলে জয়ের ব্যবধান আরও বাড়ত ৷' - তাতে কী এসে জেত ?

    ' কিংবা পরাজিত তৃণমূল প্রার্থীর দিকে ভোটগুলি গেলে ওই আসনে ফলাফল অন্যরকম হত ৷' - হ্যাঁ তাতে তো তৃণর ভোটই বাড়তো।

    আরো এক দুটো প্রশ্ন আছে। কাল এক জায়গায় হিসেব দেখলাম, আজ দেখলাম সেই মর্মে পোস্টারো এসে গেছে। কত শেয়ার হয়েছে জানিনা। তাতে লেখা, ৭০ টা সিটে ব্যবধান পাঁচ হাজারের কম। অর্থাৎ, এই সত্তরটা এদিক ওদিক হলেই টাই হয়ে যেত, এটাই বক্তব্য।
    তো, আজ দেখলাম একজন বলেছেন, তিনি নাকি গুণে দেখেছেন, এরকম সিট ৭০ টা নয়, ৩৪ বা ৩৫।
    আর হ্যাঁ, পরের কথাটা সত্যি হলে কী বলব জানিনা। বলেছেন, ওর মধ্যে অনেকগুলো সিটেই নাকি জোট জিতেছে। অর্থাৎ, এক তো এই পাঁচ হাজার এদিক ওদিক হলে, সব ক'টা সিটেও, তাতেও খুব কিছু তফাত হত না। আর আরোই হত না, কারণ এদিক ওদিক হবার অর্থ জোটের জেতা সিটও কমতো !

    এবার এর মধ্যে কোনটা সত্যি, ভেরিফাই করিনি। কিন্তু এক পক্ষ তো ইচ্ছে করে মিথ্যা ছড়াচ্ছে, বটেই। কারা, জানতে পারা যাবে ?
  • pi | ২১ মে ২০১৬ ০০:১০706338
  • ওহো, ওপরে পোস্ট এসে গেছে।

    হ্যাঁ, নোটা নিয়ে যাঁরা বারবার বলে চলেছেন, এর ফলেই তৃণর সুবিধে হল, তাঁরা আশা করি ব্যাখ্যা দেবেন।

    আরো কিছু প্রশ্ন আছে, তৃণ আর বিজেপি আঁতাতে কীকরে দুজনেরই ভোট % বাড়ে ?

    ঐ সুবিধেমত একবার লোকসভার, একবার বিধানসভার নিরিখেও কোন তুলনা চাইনা।
  • pi | ২১ মে ২০১৬ ০০:১৫706339
  • এদিকে লোকজন তো বলছে পোস্টাল ব্যালটের হিসেব বলছে ডি এ না পাওয়া সরকারি কর্মীরাও দিদিকে দিয়েছেন ? এটাই বা কী কেস ?
  • | ২১ মে ২০১৬ ০০:১৮706340
  • ভরসা থাকুক রাস্তার ধারে ল্যাম্পপোষ্টে
    রবীন্দ্র গানের কালচারে,
    ভরসা থাকুক ঘরে ঘরেতে ছেলে পাঠানোর
    তাপস পালের আচারে।
    ভরসা থাকুক শিক্ষিকাকে জগ ছুঁড়ে মারার
    আরাবুলীয় ব্যবহারে,
    ভরসা থাকুক ভোটের স্বার্থে তিন বছরের
    শিশুকে বেদম মারে।
    ভরসা থাকুক চা - বাগানে মৃত্যু মিছিলে
    অন্ধ থাকার অভ্যাসে,
    ভরসা থাকুক রাজ্যব্যপী ছোট ছেলেদের
    পৈশাচিক যত উল্লাসে।
    ভরসা থাকুক চায়ের টেবিলে তুফান তুলে
    অরাজকতার বদলে,
    ভরসা থাকুক বদলে দেওয়ার সময়কালে
    নীরব থাকার কৌশলে।
    ভরসা থাকুক শিল্প ছেড়ে কৃষক মেরে
    উন্নয়নের আজব দিশায়,
    ভরসা থাকুক সব হারিয়ে নানা ডোলেতে
    ভিক্ষুক ন্যায় জীবনধারায়।
    ভরসা থাকুক সাজানো ঘটনার অন্তরালে
    নারী কান্নার উদাসীনতায়,
    ভরসা থাকুক সময় কাটানোর খোরাক রূপে
    না রী ধ র্ ষ ণ চ র্ চা য়।
    ভরসা থাকুক রবীন্দ্রনাথ আর শেকসপীয়রের
    অত্যাশ্চর্য আলাপচারিতায়,
    ভরসা থাকুক কলেজ সোশালে, শহিদ দিবসে
    নগ্ন নাচের বেলেল্লাপনায়।
    ভরসা থাকুক সারদা নারদায় চোখটি বুজে
    সৎ সাজার নানা ভণিতায়,
    ভরসা থাকুক নিজের পায়ে কুডুল মারার
    এই আশ্চর্য অভিপ্রায়ে ॥
  • pi | ২১ মে ২০১৬ ০০:৩৪706341
  • 'বামপন্থায় বিশ্বাস করলে তুমি ইন্টেলেক্চুয়াল' লেখাটা কে যেন শেয়ার করেছিলেন না ? লেখকের নাম জানতে চেয়েছিলেন বোধ্হয়। ওটা সম্রাজ্ঞীর লেখা। '
  • sswarnendu | ২১ মে ২০১৬ ০০:৪৪706343
  • বেসিক্যালি সিপিয়েমের এখন মনে হয় দুটো জিনিস দরকার, খুব তাড়াতাড়ি।

    প্রথমটা এই নেতৃত্ব হটানো,
    দ্বিতীয়টা 'পাঁড় সিপিয়েম' সমর্থক দল কে জাস্ট disown করা...

    প্রথমটা ছাড়া তবু হলেও হতে পারে কিছু, দ্বিতীয়টা বাদে কিসস্যু হবে না।
    এরা দায়িত্ব নিয়ে ৩৪ বছরটা কেমন ছিল সেটা লোককে ভুলতে দেয় না।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা খুশি মতামত দিন