এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  গুরুচন্ডা৯

  • হরিদাসের বুলবুলভাজা

    Guruchandali
    গুরুচন্ডা৯ | ২৮ এপ্রিল ২০০৬ | ১২৫৪৬৬ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Guruchandali | ০৬ জুলাই ২০০৮ ১৭:০৩562278
  • ------------------------------------------
    নতুন বুলবুলভাজা: পশ্চিমবাংলার লেখালেখি
    ------------------------------------------
  • shyamal | ০৬ জুলাই ২০০৮ ১৮:০১562279
  • কেন মশাই, আমার তো কলকাতার বইমেলা দারুন লাগে। নানারকম বই দেখ, এগ-চিকেন রোল খাও, আনন্দ পাবলিশার্সের স্টলে ঢোকার জন্য আধ ঘন্টা লাইন দাও। দুচারটে বই কিনেও ফেলতে পারো। আমেরিকার মত ঘুরে ঘুরে বই নেড়ে চেড়ে দেখে কেনার মত দুটিই দোকান দেখেছি কলকাতায়। ল্যান্ডমার্ক আর এলগিন রোডে নতুন যেটা হয়েছে, নাম ভুলে গেছি।
    কিন্তু বাংলা বইয়ের এমন কোন দোকান হয়নি। তাই বইমেলাই সম্বল। সত্যি বাবা, লোকেরও যদি বুদ্ধিশুদ্ধি থাকে। সবগিয়ে আনন্দর স্টলে লাইন দেবে তবুও লিটল ম্যাগাজিনের টেবিল গুলো মাছি তাড়াবে। এমন কি রামকৃষ্ণ কথামৃতও এদের চেয়ে ঢের বেশী বিক্রি। কি মুশকিল! পয়সা আছে এমন লোককে ঠিক বই কেনায় মানুষ করা গেলনা।

    আর আপনি চেয়েছেন যাতে কিছু সাহিত্যিককে শারদীয়ায় লেখার থেকে অব্যাহতি দেওয়া হোক। তাহলে কি এনাদের সরকার থেকে বৃত্তি দেওয়া হবে? আরে আপনারা লিখতে শিখুন, আপনাদের চাল, চিকেন, কাজের লোকের বেতন, ছেলের স্কুলের মাইনে সব কেউ একজন দিয়ে দেবে। তারপরে শেখা হলে একটা পরীক্ষা দেবেন। তাতে পাশ করলে লিখতে পাবেন।

    আর বাংলা ভাষা তো বেশ চলছে। অ্যালাইভ অ্যান্ড কিকিং। জানতাম না তো যে বাংলা ভাষার মান অনেক নেমে গেছে !
  • Paramita | ০৭ জুলাই ২০০৮ ১৩:০৩562280
  • লেখাটা ভালো লাগলো। শেষ প্যারাগ্রাফটা পড়ে কেমন ইমোশনাল হয়ে পড়লাম। বিশেষ করে ঐ "অসৎ লেখা" ব্যাপারটা - বহু বহু লেখা পড়লেই যেমন বোঝা যায় শব্দগুলোর পেছনে অভুভূতি নেই, থাকলেও প্রকাশে যত্ন নেই, যত্ন থাকলেও ঘা দেবার ক্ষমতা নেই। লেখকদের কি সময় কমে গেছে?

    (কিন্তু পরিচিত এক মুন্ডু + অভীক সরকারের ধড় == হনু!! আগে একটা অংকমূলক (!) বসিয়ে দেওয়া উচিত ছিল না? )
  • arjo | ০৭ জুলাই ২০০৮ ২৩:৫১562281
  • লেখাটা এককথায় ভালো লাগে নি। কেন

    ১। লেখক অত্যন্ত ইমোশনাল হয়ে লিখেছেন, ফলে যুক্তির অভাব পুরো লেখাতে। কয়েকটি উদাহরণ, "...পশ্চিমবাংলায় সেই কাঠিন্য বোধ করি বেশি'। কিন্ত কেন? সেটা না বললে এটা একটা ব্যক্তিগত মতামত হয়ে দাঁড়ায়। তাতে আপত্তি কিছু নেই কিন্তু আপত্তি বিষয় নিয়ে। লেখা শুরু হয়, একটি পাবলিকেশন হাউস কে গালি দিয়ে। কাউকে গালি দিয়ে শুরু হলে সেই গালি কে তথ্য ও তঙ্কÄ দিয়ে এস্ট্যাবলিস করাটাই উচিত নচেৎ বিষয় লঘু হয়ে যায়।

    ২। বাংলা ভাষা নিয়ে লেখা অথচ লেখাটিতে বেশ কিছু ভাষাগত ত্রুটি চোখে পড়ল। ভাট বা টইতে আপত্তি নেই কারণ লোকে অনেক কাজের ফাঁকে লেখে। কিন্তু এডিটেড ভার্সনে এই ভুল বিশেষত ভাষা নিয়ে প্রবন্ধে অত্যন্ত দৃষ্টিকটু। যেমন "বিভিন্ন দেশ, সংস্কৃতি, বিষয় ও আবেগের প্রতি আমাদের এই ঔদ্ধত্যপূর্ণ, ......" এখানে "এই" কথাটি পড়ে মনে হচ্ছে আগের প্যারাগ্রাফে অন্যান্য দেশ, সংস্কৃতি ইত্যাদি বিষয়ে 'এই ঔদ্ধত্য' কে ব্যখ্যা করা হয়েছে। অথচ হয় নি। প্রবলেম অফ কোহেরেন্স। সম্পাদক এবং লেখকের অমনোযোগ। এডিটেড ভার্সনে ভাষা নিয়ে প্রবন্ধে দৃষ্টিকটু। এরকম এক প্যারা থেকে অন্য প্যারায় যেতে বার বার হোঁচট খেতে হয়েছে।

    ৩। যে সলিউশন দেওয়া হয়েছে অর্থাৎ লেখক আইডেন্টিফাই করুন, তাঁদের মনের সুখে লিখতে দিন ইত্যাদি ইত্যাদি। এগুলো আমার নিজস্ব মতে প্রবলেমের ভিতরে না ঢুকে একটা একটা ওপর ওপর সলিউশন দেওয়ার চেষ্টা।

    এই কথাগুলো কেন বললাম? কারণ আমার মনে হয় বিষয়টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং তাই নিয়ে আরও গভীর আলোচনা এক্সপেক্ট করেছিলাম। তাই পাঠক হিসেবে মূলত আশাহত।
  • d | ০৮ জুলাই ২০০৮ ০০:০৫562282
  • "এই ঔদ্ধত্যপূর্ণ ... ' য় এই শব্দের ব্যবহার আমার মতে ঠিকই আছে। অন্য ভাষার প্রতি নাকউঁচু ব্যবহার আর কনফারেন্সে না যাওয়া, ইত্যাদি প্রসঙ্গেই বলা হয়েছে বলে আমার মনে হল।

    আর হ্যাঁ বিষয়টা অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ। কাজেই আর্য্য ঝপাঝপ একটা সিরিয়াস প্রবন্ধ লিখে ফেলো।
  • arjo | ০৮ জুলাই ২০০৮ ০০:০৮562283
  • মূলত তিনটে বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে :

    ১। বাংলা ভাষা বিবর্তিত হচ্ছে। আগের যে চেনা বাংলার সাথে আমাদের পরিচয় ছিল তার বিবর্তন ঘটছে। এটা খুব স্বাভাবিক। এটা ন্যচারাল প্রসেস। ঠিক ভুল হয় না। তাতে পুরোনো চেনা ভাষা হারিয়ে যাচ্ছে ঠিকই কিন্তু নতুন ভাষা তৈরি হচ্ছে।

    ২। আনন্দ পাবলিশার্স দের মনোপলি - ভিন্ন প্রবলেম। তার সাথে ভাষা বিবর্তনের কোনো সম্পর্ক নেই। মনোপলি খারাপ আমরা সবাই জানি। তার জন্য আনন্দ কে গাল দিয়ে কোনো লাভ নেই। আমাদের ভেবে নেওয়া উচিত কি চাই। আনন্দর কম্পিটিটর খাড়া করতে চাই? তাহলে কিন্তু পপুলার সাহিত্য লিখতে হবে। আর মূল উদ্দেশ্য হতে হবে মুনাফা। সেটা করতে গিয়ে যা যা করা দরকার তাই করতে হবে। নইলে কম্পিটিটর খাড়া করতে পারবেন না।

    ৩। আসলে কি আনন্দর দোষ? একটা মুনাফা করতে চাওয়া পাবলিশিং হাউস তাই প্রকাশ করবে যা বিক্রি হয়। আর সারা বাংলা জুড়ে সাহিত্যের একটা অবনমন ঘটেছে। তার মূল কারণ মনে হয় শিক্ষার একটা অদ্ভুত চেঞ্জ। ব্যবহারিক শিক্ষার দিকে এত নজর যে সাধারণ লোকের কাছে সাহিত্যের মূল্য কমেছে। এবং আমাদের প্রথাগত এডুকেশন সিস্টেম সেটাকে লাই দেয়। কয়েক প্রজন্ম আগেই কিন্তু এরকম ছিল না। মনোপলির জন্য আনন্দর দাদাগিরি বেড়েছে। কে না জানে মনোপলি খারাপ। কিন্তু আনন্দর জায়গায় একটা কম্পিটিটিভ পাবলিকেশন নামালেও মূল সমস্যা একই থাকবে।
  • aja | ০৮ জুলাই ২০০৮ ০৪:৩৬562284
  • 'পশ্চিমবাংলার লেখালেখি' পড়ে বক্তব্য বুঝতে অসুবিধা হল। সেই সব অসুবিধার কথা বলতে চাই।

    লেখাটি সুরু হচ্ছে - পশ্চিমবাংলার সংখ্যাগরিষ্ঠ লেখক নিম্নমানের লেখা লেখেন, এই উপাত্ত (ডাটা) থেকে। সাহিত্যের অবনমনের কারণ নিয়ে আলোচনা এই রচনার থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। আলোচনা করা হয়েছে অবনমনের ফল নিয়ে। লেখাটি শেষ হয়েছে কিছু আশার কথা ও রুটিনমাফিক কিছু এজেন্ডা দিয়ে।

    অবনমনের ফলের লিস্টি এইরকম:

    ১। নিম্নমানের লেখা লেখার জন্য পশ্চিমবঙ্গের লেখকেরা আত্মপ্রত্যয় হারিয়েছেন। আলস্য ও দারিদ্র্যের কারণে বিশ্বের জ্ঞানভান্ডার থেকে খুঁটে খাবার ক্ষমতা তৈরী হয়নি। পরের পয়েন্টটি ফল নয়, কারণ। বকুনি দিতে বসে এমনটি করলে যে বা যারা বকুনি খাচ্ছে তাদের বড্ড অসুবিধা হয়।

    ২। কলকাতার সাহিত্যিকরা বিদেশী বই যোগাড় করতে পারেনা, তবু বিদেশী বই থেকে প্লাজিয়ারাইজ করে। সূত্র উল্লেখ না করে নকল করা ভাল নয়। আর সেটি সাহিত্যের অবনমনের ফল হতেও পারে (নাও হতে পারে, যেমন 'বুড়ো আংলা)। কিন্তু তার সাথে বইমেলার গুনমানের অভাব বা বিদেশী বই দুর্লভ হবার কি সম্পর্ক - তা বোঝা গেল না।

    ৩। পরের প্যারাগ্রাফটি নিয়ে সত্যি অসুবিধা হচ্ছে। এইরকম সময়ে ভালবাসা ও ব্যবহারের অভাবে আঞ্চলিক ভাষা লোপ পেতে সুরু করে - এই বাক্যে সময় কথাটি, আমি ধরে নিচ্ছি, বিশ্বায়নের সময়কে বোঝাচ্ছে। তো বিশ্বায়নের সময়ে ইংরাজী দরকারী ভাষা, বাংলার দরকার কম। কিন্তু সে বোধহয় বাঙলা রচনার নিম্নমানের ফল নয়। দরকারের ইংরাজী যারা শিখেছে, তারা ইংরাজীতে সাহিত্য পড়ে না। যে বাঙালী ইংরাজী সাহিত্য পড়ে, সে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই বাংলা সাহিত্য-ও পড়ে। চটজলদি মনে পড়ছে জীবনানন্দ, মধুসূদন, বিষ্ণু দে, সুধীন দত্ত, বুদ্ধদেব বসু, এরা সকলেই ইংরাজী সাহিত্যে ব্যূৎপন্ন ছিলেন। বাংলা সাহিত্যের নিম্নমানের জন্য তাঁরা কেউ বাংলা সাহিত্যকে ত্যাগ করেন নি।

    এই প্যারাতে গুটিকতক অনুযোগ করা হয়েছে। যেমন শিক্ষিত, শহুরে মধ্যবিত্ত ইংরাজী-বাংলা কোনটাই ঠিকমত না শিখে অসুখী ও মূক হয়ে আছে। ইংরাজীর প্রতি আকর্ষণ নেই আর বাংলায় তাদের দরকার নেই বলে তাদের খুব লজ্জা হচ্ছে। লজ্জা হচ্ছে বলে ইংরাজী ভাষাকে তারা নিজের মত করে নিতে পারছে না। অন্ধ পুরো হাতি দেখতে পায় না বলে আমরা (বাঙালীরা) গাধা আর ঘোড়ার (আরবী) মধ্যে তফাৎ করতে পারি না। ঐতিহাসিক ভার বেশী বলে আমাদের ক্ষীণ দৃষ্টি আমাদের সাহিত্যকে তুলে এনে চোখের মনির মধ্যে রাখতে পারছে না। ইংরাজী ভাষা নাকি মুষ্টিমেয় ভারতীয় লেখকের হাতে সন্তানস্নেহে মানুষ হয়েছে। এই সব অনেক মনিমুক্তো ছড়ানো আছে এখানে।

    গুরু ভাইবোনেদের হোমওয়ার্ক দিলুম, এই রচনা থেকে মনিমুক্তো খুঁজে বের করার। মামু, শেম অন ইউ। সম্পাদকের কর্তব্যে বড্ড ঢিলেমি হচ্ছে তোমার।
  • d | ০৮ জুলাই ২০০৮ ০৭:৩৪562285
  • অজদা,

    পুরো বুলবুলভাজা সেকশানটাই আমি own করি। কাজেই সম্পাদনাজনিত গালি, ধিক্কার ইত্যাদি এদিকে প্লীজ।

    অন্য কথা হল, এইটাকে বেস করে আপনি আর আর্য্য একটা কথোপকথন স্টাইলে লেখা নামিয়ে ফেলুন না। যেন আপনারা এই লেখাটা ও বিষয়টা নিয়ে আলোচনা করছেন --- এরকমভাবে।
  • Blank | ০৮ জুলাই ২০০৮ ০৮:৪৭562286
  • আমি একটি জিনিস জানাতে চাই, আমি এই লেখাটা পুরো টা পড়ে উঠতে পারি নি। কিছু টা পড়ে হাল ছেরে দিয়েছি। আমার মনে হয়েছে অহেতুক ভাষাটাকে ভারিক্কি করা হয়েছে, যার জন্য ভাষার মধ্যে মুল বক্তব্য হারিয়ে গেছে।
    পড়া শেষ করতে পারিনি, তাই প্রবন্ধের কোয়ালিটি নিয়ে কিছু বলতে পারছি না। কিন্তু পাতি কথায় জিনিসটা ঠিক নামে নি।
  • arjo | ০৮ জুলাই ২০০৮ ০৯:৫৯562288
  • দ, ঐ প্যারায় কনফারেন্সে না যাওয়ার কথা বলা হয় নি, বলা হয়েছে কনফারেন্সে গিয়েও কেমন লোকজনের দৃষ্টি আকর্ষন করতে ব্যর্থ আমরা। আর হ্যাঁ, আমি প্রবন্ধ লিখতে পারি না, ওসব শক্ত ব্যপার। তবে মতামত দেবার মনে হলে অবশ্যই দেব, দিতেই থাকব। সেটা খুব সহজ ব্যপার।

    আমার আরও কয়েকটি পয়েন্ট বলার ছিল। এখানেই বলি কারণ বিশেষ কিছু নয় অন্য টই খোলা বাড়াবাড়ি।

    সাহিত্যের প্রতি অনুরাগ কমছে তো হলটা কি? হয়েছে এটাই যে লোকে সিরিয়াস লেখা মন দিয়ে পড়তে চায় না। তার একটা কারণ এটাই যে, সাহিত্য পড়াকে প্রোমোট করা হয় না। ধরুন কারুর সাবজেক্ট অঙ্ক, তাকে কিন্তু পাঠ্যক্রমের মধ্যে সাহিত্য পড়তে হয় না। আর পড়তে হয় না বলে অভ্যেসও তৈরি হয় না। আর পড়ার অভ্যেস তৈরি হয় না বলে সিরিয়াস লেখার থেকে লঘু, চটজলদি পড়ে শেষ করা যায় এমন লেখাই বেশি ভালো লাগে। ভালো লেখা এবং ভালো পাঠকের মধ্যে সম্পর্ক কিন্তু খুব নিবিড়। ভালো পাঠক না থাকলে ভালো লেখাও তৈরি হয় না। কারণ পপুলার মিডিয়া সেটাই বিক্রি করে পাঠক যেটা চায়। পাঠক যদি চায় (পড়ুন যদি বিক্রি হয়), আনন্দই বা বিক্রি করবে না কেন? গড়পড়তা লোকজন পড়তে চায় না। তার দায়ভার শুধু একটা পাবলিকেশন হাউসের ওপর চাপিয়ে দেওয়া একটা জটিল সমস্যার ওভার সিম্পলিফিকেশন। আনন্দ, যেটা করেছে তাহল এই ট্রেন্ড থেকে বেরনোর বদলে বরং আরও বেশি করে বাজারি লেখা প্রোমোট করেছে। তাই বাংলা সংস্কৃতির ধারক ও বাহক হিসেবে আনন্দকে দেখতে অসুবিধা হলেও, এই সমস্যায় আনন্দকে তার প্রাপ্যের বেশি গুরুত্ব দেওয়ারও মনে হয় কোনো কারণ নেই।

    আরও একটা বড় ব্যপার হল, বাংলার কালচারাল অ্যাকটিভিটি বড্ড বেশি কলকাতাকে ঘিরে। তার ফলে উচ্চ পর্যায়ের শিল্প ও সাহিত্য কলকাতার বাইরে পাওয়া খুব মুশকিল। তারফলে যে শিল্প ও সাহিত্য সমস্ত মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে নি। কাটোয়ার এক্ষণ পাওয়া যায় কিনা জানি না। কিন্তু বাজি ফেলে বলতে পারি দেশ পাওয়া যায়। আনন্দ পাবলিশার্সকে যখন গালি দেওয়া হচ্ছে তখন নিশ্চয়ই ধরে নেব এই পাঠকের এই বিরাট সেটটাকেই ধরে নেওয়া হচ্ছে। বিকল্প তৈরি হয় নি এর দায়িত্ব আনন্দর নয়।

    শুধু কি মেইন স্ট্রিম অ্যাকাডেমিয়ায় সাহিত্য অবহেলিত, তার সাথে মধ্যবিত্ত এবং নিম্ন মধ্যবিত্ত বাঙালী 'বাজারের' মুখোমুখি হল। ঘরে ঘরে এল টিভি আর কেবল কানেকশন। মধ্যবিত্ত এবং উচ্চ মধ্যবিত্ত এমনকি নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারে টিভি ও কেবল টিভির চ্যানেল আর দুÖপ্রাপ্য নয়। আর তাতে ক্রমশ বেড়ে চলেছে সোপ অপেরা ও তার নেশা। টিভি দেখার চেয়ে পড়া অনেক কঠিন। তাই সেটাই পড়ি যা "অমুক ভি কভি তমুক থি" টাইপের সোপ দেখে পড়া যায় বা তার সাথে রিলেটেড। আগে এমনকি আশির দশকেও যাঁরা দুপুর, সন্ধ্যে বা ছুটির দিন লাইব্রেরির বই পড়তেন তাঁরাই এখন টিভি দেখেন।

    মূলত বাংলা ভাষা সাহিত্যের অবনমনের এই হল আর্থসামাজিক কারণ।

    একটা ছোট্ট এক্সপেরিয়েন্স। বোস্টনে যে হসপিটালে আমার ছেলে হয়েছিল সেখানে একটা চ্যানেল দেখাত "নিউ বর্ণ"। সেখানে বাচ্ছাকে কিভাবে বেস্ট ফিড করতে হয়, ডায়াপার র‌্যাশ হলে কি করতে এইসব গুরুঙ্কÄপূর্ণ বিষয় ছাড়াও আর একটা অ্যাড দিত। প্রতি ১৫ মিনিট অন্তর বোঝাত বই পড়া বাচ্ছার জন্য কেন খুব জরুরি। আরও বলত ইট ইজ নেভার টু আর্লি, একদিনের বাচ্ছাকেও বই পড়ে শোনাতে পার। যাক, যেটা বলছিলাম যে পড়াশুনোকে প্রোমোট করতে হয়। আধুনিক ব্যবস্থার সাহায্য নিয়েই করা যায়। উন্নত পাঠক না হলে উন্নত সাহিত্যও মাস স্কেলে তৈরি হবে না।
  • pi | ০৮ জুলাই ২০০৮ ১৮:১৩562289
  • মণিমুক্তো খোঁজার চেষ্টা করিনি, কিন্তু হাঁটতে গিয়ে পদে পদে নুড়ি-পাথরে ঠোক্কর !

    অবনমনের ফল যদি হয় 'ভালো বইয়ের দোকান নেই', তাহলে অবনমন পূর্ববর্তী কালে নিশ্চয় এরূপ দোকান অনেক ছিলো।
    সেগুলো কোনগুলি ?
    হয়তো এরকম দোকান বন্ধ হয়ে যাবার কথা বলতে চেয়েছেন লেখক। সেরকম তথ্য আমার জানা নেই, তাই প্রশ্ন রাখলাম।

    বিদেশী ভাষা নিয়ে ছুঁৎমার্গ প্রসংগে নিজেদের ভাষা নিয়ে উৎকট সাম্প্রদায়িকতায় ভোগা আর আঞ্চলিক ভাষার লুপ্তপ্রায় প্রজাতি হয়ে ওঠা, লেখাটা পড়লে মনে হয় এই দুইয়ের যেন এক সরলীকৃত সহাবস্থান রয়েছে ! যদিও কেমনে তা জানিনা।

    একদিকে কোনো কারণ বিশ্লেষণ মুলতুবি থাকুক বলা হল তো কয়েক লাইন বাদেই বাংলা ভাষা সাহিত্যের এই অবক্ষয়কে বিদেশী ভাষা, সংস্কৃতির প্রতি 'ঔদ্ধত্যপূর্ণ, অশিক্ষিত
    আচরণের ফল হিসেবে ঠাউরানো হল !!

    লে হালুয়া ! তাও আবার পিটুলি গোলা জলের।

    আর আবারো, অবনমন তো আপেক্ষিক একটা শব্দ। অবস্থা আগের থেকে খারাপ হয়েছে, ইদিকে সেই খারাপ হবার কারণ দেশ বিদেশের সাহিত্য সংস্কৃতি সম্বন্ধে অজ্ঞতা, যা জানার সুযোগ কিনা আবার আগে অনেক কম ছিলো !!

    না:, এরকম সার্কুলার লজিকে হোঁচটের চোটে পা ব্যথা কচ্ছে, আর এগুতে পারবুনি :(
  • h | ০৮ জুলাই ২০০৮ ১৮:২১562290
  • পাই মাইরি জাস্ট প্যাঁক দেবার জন্য লিখছে।
  • pi | ০৮ জুলাই ২০০৮ ১৮:৫২562291
  • না:,লজিকগুলো সত্যি বুঝতে পারিনি। আপনি বুঝে থাকলে বুঝিয়ে দিতে পারেন।
  • h | ০৮ জুলাই ২০০৮ ১৯:৪০562292
  • এইবারে আমারেও প্যাঁক দিচ্চে মাইরি। এরকম কল্লে খেলবো না।
  • r | ০৮ জুলাই ২০০৮ ১৯:৪৪562293
  • সরকার রাজ!

    বামফ্রন্ট সরকার, অভীক সরকার অ্যান্ড নাও সম্বিত সরকার!!!

    তেরা কেয়া হোগা সুভাষ নাগরে?
  • shyamal | ০৮ জুলাই ২০০৮ ২০:০২562294
  • দেখা যাক লেখক কি বলে সবাইকে ধমকাচ্ছেন।
    ১) আনন্দ গোষ্ঠি মনোপলি ও বাজে সাহিত্য তৈরী করে। মনোপলি ঠিক, বাজে সাহিত্য কিনা পাঠক ঠিক করবে। শরদিন্দু বলেছেন, পাঠককে যে বোকা ভাবে সে কোনদিন সাহিত্যিক হতে পারবেনা।
    ২) আনন্দ গোষ্ঠি কোন লেখককে ওপরে তোলে আবার কাউকে নীচে নামায় কিনা, আর তাদের সে ক্ষমতাও আছে কিনা সে বিষয় প্রশ্নাতীত নয়। হতে পারে, নাচতে না জানলে উঠান ব্যাঁকা।
    ৩)অধিকাংশ সাহিত্যিকের লেখা অতি কাঁচা। তো পড়বেন না। মিটে গেল। কেউ তো দিব্যি দেয়নি, আপনার ভাল না লাগলেও পড়তে হবে।
    ৪)বিশ্বায়ন হয়েছে, কিন্তু বাঙালী তার সুযোগ নিয়ে নতুন জিনিষ শিখছেন না। তো কি করা যাবে? কারো যদি কোন ব্যাপারে আগ্রহ না থাকে তো জোর করে "না বুঝবি তো মগজে তোর গজাল মেরে গোঁজাব"?
    ৫) বইমেলা সম্বন্ধে তো বলেছি, আমার ভারী ভাল লাগে। ভাল বইয়ের দোকান আছে : ল্যান্ডমার্ক ও ক্রসওয়ার্ড। কিন্তু দুটোতেই ইংরিজি বই বেশি রাখে। অনুবাদ সাহিত্য খারাপ কি? ছোটবেলায় তার ফলে অনেক ভাল বিশ্ব সাহিত্যের স্বাদ পেয়েছি। আজ যদিও ইংরেজি লেখক হলে অনুবাদ পড়িনা, আসলটাই পড়ি।
    ৬) ২৩ কোটি লোক বাংলা বলে। এ ভাষা থাকবে, মরবেনা। হয়তো আঞ্চলিক ডায়লেক্ট চলে যাবে, কিন্তু মূল ভাষা থাকবে। বিবর্তিত হবে। আমরা আজ "একেই কি বলে সভ্যতা'র ভাষা ব্যবহার করিনা। হয়তো আরে ইয়ার বা বিনদাস এগুলো বাংলায় ঢুকবে। তাতে ক্ষতি কি?
    ৭) যদি মনে হয় অন্য ভাষার লেখা অনুবাদ করলে লোকে পড়বে, তো করুন না। এটা করিতে হইবে বলে লাভ আছে? অন্যেকে করতে বলে কোন লাভ নেই। অন্যে আপনার কথা শুনবে কেন?
    ৮)ইন্টারনেটে যাঁরা সাহিত্য লেখেন তাদের গালাগালি করে কি লাভ আছে? তাঁরা নিজের আনন্দের জন্য লেখেন, পয়সার জন্য নয়। যার পছন্দ হয়না, সে পড়বে না। কোঈ জবরদস্তি নেহি হ্যায়। তাঁরা কেউ ক্লেইম করেননি যে তাঁরা বড় লেখক। আবার তাদের লেখা পড়ে যদি দুজনেরও ভাল লাগে সেই পাঠকদের গালি দেবার ভার কি আপনার?
    ৯) শারদীয়া সাহিত্য ভালও হয়, খারাপও। আপনি সাহিত্যিকদের ইনকিউবেটার তৈরীর কথা বলেছেন। দেখুন না আনন্দদের বলে, তারা যদি রাজী হয়। ট্যাক্সের টাকায় নৈব নৈব চ।
    ১০) বাংলা ভাষাকে এত হেয় করার কি হল? "যাঁরা বাংলা ভাষা নিয়ে এদিক ওদিক ঘুরে বেড়ান, তাঁদের কোন ভাষাই জানা নেই।" এগুলোর মানে কি? বাংলার বাইরে অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে কিন্তু বাংলা পড়ানো হয়।
  • kanti | ০৮ জুলাই ২০০৮ ২০:১১562295
  • কলেজ স্ট্রিতের কফি হাউসের দোতালায় চক্রবর্তী চাটার্জির দোকানে বেশ সময় নিয়ে ঘুরে ফিরে পড়ে বই কেনার সুযোগ বেশ ভাল বলেইতো মনে হয়। সেটা আপনাদের নজর এড়িয়ে গেল কি কোরে বুঝলাম না। বরং খুদে পত্রিকাগুলোতে যথেষ্ট উন্নত মানের লেখা প্রকাশিত হলেও তা সংগ্রহ করে পড়ার সুযোগের অভাব।বিশেষ কোরে কোলকাতার বাইরের লোকেদের। পাতিরামও এখন বই দেখানোর ব্যাপারে যথেষ্ট আন্তরিক নয়।এ ব্যাপারে যাদের সুযোগ আছে তারা একটু উদ্যোগী হলে বড় ভালো হয়।
  • r | ০৮ জুলাই ২০০৮ ২০:৪৬562296
  • বাংলা ভাষায় বইয়ের প্রকাশনা ও বিপণন ব্যাপারটা বেসিকালি উনিশ শতাব্দীর পরে আর এক পাও এগোয় নি। কলেজ স্ট্রিট এবং বইমেলা নামক দুইটি মিথকে আশ্রয় করে বাংলার বইমহল বেঁচে আছে। এটা কোনো তাঙ্কিÄক বক্তব্য নয়, অনেক ঠেকে ও দেখে শেখা পর্যবেক্ষণ।
  • Guruchandali | ১৪ জুলাই ২০০৮ ২১:০৫562297
  • -----------------------------------------------
    নতুন বুলবুলভাজা: "তালিবান' জুজুর কবলে ভারত
    -----------------------------------------------
  • shyamal | ১৪ জুলাই ২০০৮ ২২:২৯562299
  • আমার মনে হয় তালিবানদের বৃদ্ধি ভারতের পক্ষে ভয়াবহ। কারণ তারা আস্তে আস্তে পাকিস্তানে এই নিষ্ঠুর, অমানবিক মতবাদ প্রচার করবে। ভারত আর আফগানিস্তানের একটা স্বাভাবিক বন্ধুত্ব আছে অনেকদিনই। তার কারণ পাকিস্তান দুজনেরই শত্রু। অপরপক্ষে পাকিস্তান মনে করে আফগানিস্তানে তাদের পুতুল সরকার থাকুক। কারণ ভারত আক্রমণ করলে আফগানিস্তান তাদের "স্ট্র্যাটেজিক ডেপ্‌থ" দেবে।

    আমার মনে হয় ভারতের বিদেশ নীতির জন্য দুটো জিনিষ জরুরী।
    ১) বন্ধুত্বপূর্ণ আধুনিক, সেকুলার, গণতান্ত্রিক আফগানিস্তান
    ২) সামরিকভাবে দুর্বল পাকিস্তান, বা টুকরো হওয়া পাকিস্তান

    এদুটো হলে কাশ্মীর সমস্যা রাতারাতি উবে যাবে। কাশ্মীরিদের কিছু লোকের স্বাধীনতার আকাংক্ষা আছে ঠিকই, কিন্তু সেটা মূলত: পাকিস্তানের মদতের জন্য। পাকিস্তান যদি ভেঙে যায় তবে সেই মদত রাতারাতি জিরো হয়ে যাবে।

    পকিস্তান একটি অবাস্তব দেশ। সেটা তৈরী হয়েছিল ভারতীয় মুসলিমদের হোমল্যান্ড হিসেবে। কিন্তু হওয়ার পরেই জিন্না বলল, পাকিস্তানে মুসলিম মুসলিম থাকবেনা, হিন্দু হিন্দু থাকবেনা, সবাই হবে পাকিস্তানী। লিবারাল পাকিস্তানিরা এটা সমর্থন করে। কিন্তু তাই যদি হয়, তবে মুসলিমদের দেশ করার যৌক্তিকতা কি? ভারতই তো সেরকম দেশ। আসলে জিন্না চেয়েছিল সোনার পাথরবাটি। দেশ সেকুলার হবে অথচ শক্তি থাকবে মুসলিমদের হাতে। পাকিস্তান দেশে এমন অবস্থার সৃষ্টি করেছে যে হিন্দু, শিখরা পালিয়ে বেঁচেছে। অপরদিকে ১৯৪৭এ ভারতে মুসলিম ছিল ৫%। আজ তাদের অতিরিক্ত সন্তান হওয়ার ফলে ১৫%। সংখ্যায় প্রায় পাকিস্তানের জনসংখ্যার সমান।
  • Blank | ১৪ জুলাই ২০০৮ ২৩:২৪562300
  • এখনো লোকে অতিরিক্ত সন্তান হওয়ার গপ্প দেয়? হিন্দু দের কি অতিরিক্ত সন্তান হয় না? আমি তো গুচ্ছের লোক জন দেখি যাদের ৩/৪ টে করে ছেলে মেয়ে।
  • c | ১৫ জুলাই ২০০৮ ০০:০৯562301
  • দেখেশুনে অবাক হয়ে যাই। নাকি মুসলিমদের অতিরিক্ত সংখ্যক সন্তান আর হিন্দুরা সব ভীষ্ম! এইসব সিরিয়াসলি আবার কিছু কিছু মিডিয়া বলে যায়!
  • shyamal | ১৫ জুলাই ২০০৮ ০০:৪৭562302
  • তাহলে কি করে মুসলমানদের % বেড়ে যায় অর হিন্দুদের কমে যায়? ম্যাজিক?
  • Ishan | ১৫ জুলাই ২০০৮ ০১:১৪562303
  • এইসব হিসেব কোত্থেকে পান?

    সেন্সাস রিপোর্ট অনুযায়ী ১৯৫১ সালে ভারতে মুসলিম জনস্‌সংখ্যা ছিল ১০-১১%। ২০০১ সালে সেটা হয়েছে ১৩% মতো। নেট দেখে মেলাইনি, এক আধ শতাংশ এদিক-ওদিক হতে পারে। কিন্তু গল্পটা এটাই।
  • Blank | ১৫ জুলাই ২০০৮ ০১:৩০562304
  • এই হলো ফার্টিলিটি রেট প্রতি মহিলা পিছু।

    Hindus - 2.0, Muslims - 2.4, Sikhs - 1.6, Christians - 2.1, Buddhists - 2.1, Jains - 1.4, Animists and Others - 2.99, Tribals - 3.16, Scheduled Castes - 2.89
  • Blank | ১৫ জুলাই ২০০৮ ০১:৩৮562306
  • এখন ১৩%
  • Blank | ১৫ জুলাই ২০০৮ ০১:৩৮562305
  • ৫১ তে ছিল ১০%, ৮১ তে সেটা ১১%
  • nyara | ১৫ জুলাই ২০০৮ ০২:১০562307
  • শ্যামলবাবু খুব ভুল কিছু বলেন নি, অন্তত: একটা দিক দিয়ে। ৯১-২০০১ এই সময়ে মুশলমান জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার 29.5%, হিন্দু জনসংখ্যা (20.3%) বৃদ্ধির হারের দেড়গুণ। ফেলে দেবার মতন ব্যাপার নয়।

    http://en.wikipedia.org/wiki/Demographics_of_India

    আমি সেন্সাস বুরোর সাইটে রিপোর্টটা খুঁজে পাইনি, তবে ধরে নিচ্ছি উইকির এই সংখ্যাগুলো ভুয়ো নয়।
  • shyamal | ১৫ জুলাই ২০০৮ ০২:১৪562308
  • ১৯৪৭ এর ডেটা পেলামনা।
    ১৯৬১ তে হিন্দু ছিল 83.4% মুসলিম 10.7%
    ১৯৯১ এ 82% মুসলিম 12.1%
    ২০০১ এ হিন্দু 80.45% মুসলিম 13.43%

    সেন্সাস ডেটা।
  • Blank | ১৫ জুলাই ২০০৮ ০৩:৩৪562310
  • ফার্টিলিটি রেট কিন্তু খুব ই কাছাকাছি। আর ৫১ তে যেটা ছিল ১০% সেটা ২০০১ এ ১৩% হয়েছে। আর শ্যামল বাবুর সিদ্ধান্ত যে মুসলিম দের ছেলে পুলে বেশ হয় :)
    বেশ মজাদার ব্যপার।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। বুদ্ধি করে প্রতিক্রিয়া দিন