এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • aka | ২৬ মে ২০১৫ ২৩:৫৯679864
  • বোঝো!!!! হ্যাঁ একদম উল্টে গেছে, আস্তিকের জায়গায় নাস্তিক ও নাস্তিকের জায়গায় আস্তিক হবে।
  • Ishan | ২৭ মে ২০১৫ ০০:০০679875
  • আপিস চুলোয় যাক, দু লাইন না লিখে পারছিনা।

    ডেলফির ওরাকল এবং রিজন। সক্রেটিসের যখন শেষ বিচার হচ্ছে, তখন তাঁর বিরুদ্ধে গোদা অভিযোগ ছিল দুটো। এক, নাস্তিকতা, জগৎ এবং ঐশ্বরিক বিষয়ে আবোলতাবোল প্রশ্ন করা, দুই তরুণ প্রজন্মকে গোল্লায় দেওয়া। রিজনের জনক সক্রেটিস আত্মপক্ষ সমর্থনে ডেলফির দৈববাণীর কথা তুলেছিলেন। নাস্তিকতার অভিযোগ খন্ডনে। ডেলফির দৈববাণীতে একদা বলা হয়েছিল, সক্রেটিস হলেন জীবিত ব্যক্তিদের মধ্যে সবচেয়ে জ্ঞানী। ওদিকে সক্রেটিস বলে বেড়াতেন, তিনি মূর্খ। আত্মপক্ষ সমর্থনে সক্রেটিস দৈববাণীকে অস্বীকার করেননি। বলেছিলেন, দৈববাণী শুনে তিনি সেটা যাচাই করতে বেরোন। প্রথমে যান রাজনীতিকদের কাছে, তারপর যান কবিদের কাছে, তারপর কারিগরদের কাছে, ইত্যাদি প্রভৃতি। সেই ন্যারেটিভ খুব ইন্টারেস্টিং, কিন্তু ওসবে না গিয়ে এখানে ঝপ করে সক্রেটিসের প্রতিপাদ্যটা বলে নিই। তিনি বলেছিলেন, যে, পৃথিবীতে সবাই মূর্খ, তিনিও। কিন্তু বাকিরা জানেনা, যে, তারা মূর্খ, কিন্তু তিনি জানেন, যে, তিনি মূর্খ। এই অর্থেই তিনি বাকিদের চেয়ে জ্ঞানী। এবং ডেলফির দৈববাণী এই অর্থেই সত্য।

    পয়েন্ট হল, মেটাফরিকালিই হোক আর যাই হোক, রিজন, দৈববাণীকে মোটেও অস্বীকার করেনি। বরং অ্যাপ্রোপ্রিয়েট করেছে। পরবর্তীকালে ধাপে-ধাপে আমরা একই গপ্পো দেখব গোটা ইউরোপ জুড়ে। প্লেটোর শুদ্ধ ও সুন্দরের ধারণা চমৎকার ফিট করে যাবে সেন্ট অগাস্টিনের ক্রিশ্চিয়ান গডের ধারণায়। অ্যারিস্টটল আর টলেমি বিজ্ঞানের প্যারাডাইমের গুরু হবেন। পুরোটাই গড়গড়িয়ে চলবে তথাকথিত এনলাইটেনমেন্ট পর্যন্ত, যতদিনে না গ্যালিলিও দূরবীন নামক একটি পিংপং পল ছুঁড়ে প্যারাডাইমের দুর্গখানাকে আহত করবেন।

    কিন্তু কোশ্নো হল, গ্যালিলিওর ধাক্কায় কি রিজন আর ঐশ্বরিকতা আলাদা হয়ে যাবে? প্রচলিত ধারণার বিপরীতে গিয়েই বলতে হয়, হবেনা। রিজন ঐশ্বরিকতাকে অ্যাপ্রোপ্রিয়েট করেই চলবে। দেকার্ত একদিকে I think therefore I exist লিখবেন, দেকার্তীয় জ্যামিতি আবিষ্কার করবেন, অন্যদিকে লৌকিকতার ঊর্ধ্বে নিজের বিশ্বাসকে ন্যস্ত করবেন। নিউটন আর লিবনিৎস মাধ্যাকর্ষণ আর ক্যালকুলাস নিয়ে চুলোচুলি করবেন, যার ভিতরে যে খারাখারিই থাক, উপরিতলে তর্কের বিষয় একটাই, মহাকর্ষ কিভাবে ঈশ্বরের সঙ্গে সহাবস্থান করে। ঈশ্বরের জগতে মহাকর্ষ ঠিকঠাক ফিট করছে কিনা। এ বস্তু চলবে আরও অনেকদিন। একদিকে ল্যাপলাস ঈশ্বরকে অপ্রয়োজনীয় বলবেন, অন্যদিকে ডারউইন আক্ষেপ করবেন, যে, কই নিউটনকে তো কেউ ঈশ্বর-বিশ্বাসী বলেনা।

    এই লেখাটা অনেক লম্বা করা যায়, কিন্তু পয়েন্টটা হল, যে, পিওর রিজন, সে এনলাইটেনমেন্টের আগেই হোক বা পরেই হোক, চিরকালই ঈস্শ্বরের সঙ্গে সহাবস্থান করে এসেছে। এরা কোনো অর্থেই কেউ কারো অপর না। নানারকমভাবে চিন্তার প্যারাডাইম বদলেছে, বিজ্ঞান, যুক্তি, ধর্ম, সবাই একটু নড়েচড়ে নিজেকে সেখানে ফিট করিয়ে নিয়েছে। সে অর্থে, ধর্ম, ঈশ্বরবিশ্বাস, যুক্তি, বিজ্ঞান, সবাই, ট্যাকটিকালি একই গোয়ালের গোরু। প্রয়োগে এবং নিয়ন্ত্রণের ঘরানায় পার্থক্য আছে অবশ্য। বিজ্ঞান এবং গণতন্ত্র, ব্যক্তি, এরা একটা নির্দিষ্ট প্যারাডাইমের চিন্তার ফল। এনলাইটেনমেন্টের আগে এগুলো ছিলনা। ইত্যাদি, ইত্যাদি।

    এইটা হল, বিজ্ঞান এবং এনলাইটেনমেন্টকে রাজার পার্ট দেবার কাউন্টার। আর শাক্যজিতের কাউন্টার হল এই, যে, যেভাবে অযুক্তিকে যুক্তির অপর হিসেবে দেখা হচ্ছে, সেটা একটু বানিয়ে দেখা। ওরা একে অপরকে জড়িয়ে ধরেই বেড়ে উঠেছে। যে কারণে, আজ আইসিস ইউটিউব ব্যবহার করে। যে কারণে বৈদিক ধর্মের স্বপক্ষে বারবার বিজ্ঞান ও যুক্তি চলে আসে। এই আর কি।

    এখানে এই অবধিই। আমাকে আর বকাবেন না। প্রশ্ন তো না ই। আপিস আছে। এই নিয়ে ডিসি একটা টই লিখছিলেন তো, সেটা কি উঠে গেল?
  • sosen | ২৭ মে ২০১৫ ০০:০২679886
  • আচ্ছা, ভয়েসটা কি করে আসবে, মানে কোপাকুপি না করে অন্যভাবে ভয়েস দেওয়ার চেষ্টা কি শাক্য নির্মিত বা পরিচিত সাব-অল্টার্ণরা করছেন? কি ভাবে? নাকি কোপানো ই ভয়েস?
  • Ishan | ২৭ মে ২০১৫ ০০:০৩679897
  • উফ ক্রিটিকাল মিসটেক। "কই নিউটনকে তো কেউ ঈশ্বর-বিশ্বাসী বলেনা" নয় "কই নিউটনকে তো কেউ ঈশ্বর-অবিশ্বাসী বলেনা।"
  • sosen | ২৭ মে ২০১৫ ০০:০৬679908
  • দুটোর একটাও বলে কি?
  • শাক্যজিৎ | ২৭ মে ২০১৫ ০০:১৬679919
  • বাহ ঈশানদা ব্যাপক লিখল তো ! আমার সেতাই মনে হয়, এই যুক্তি আর অযুক্তি হল ব্যাটম্যান আর জোকার। ওয়ান ইজ ইনকমপ্লিট উইদাউট অ্যানাদার। এই পৃথিবীতে ফারাবি আর অভিজিত রায় রা একে অপরকে তৈরি করে যায় ক্রমাগত
  • Sakyajit | ২৭ মে ২০১৫ ০০:২১679930
  • ইপ্সিতাদি, ভাল খারাপের মধ্যে যাচ্ছি না। কি চললে ভাল হয় সেটা বলার আমি কেউ নই। যা হচ্ছে সেটাকেই অ্যানালাইজ করছি মাত্র। আমাদের চিন্তার হেজিমনি থেকে যে হোয়াইট সুপ্রিমেসিস্ট গেজ উঠে আসছে বা সেভিয়ার কমপ্লেক্স সেটাকেই পয়েন্ট আউট করছি। এর বদলে কি হলে ভাল হত জানি না। তবে অবভিয়াসলি কাশ্মীর যদি ভারতের কন্ট্রোলে না থাকত, বা অরুণাচল নাগাল্যান্ড এগুলো যদি বেরিয়ে যেত, তাহলে তো খুব-ই ভাল হত। বা খুব ভাল হত যদি আরব গেরিলাদের লড়াই সাক্সেসফুল হত। আমি পার্সোনালি বাম গেরিয়ালদের সাথে এই আরব গেরিলাদের অ্যালাই দেখতে চাই। সেটা হলে খুব ভাল হত। কিন্তু সেসব আর হচ্ছে কই !
  • pi | ২৭ মে ২০১৫ ০০:৩১679941
  • ভাল খারাপের মধ্যে তো যাচ্ছিস। অন্তত খারাপ নিয়ে কনসারন্ড বলেই নাস্তিকদের এই মনোভাবকে ইস্লামোফোবিয়া বলে ভয় পাচ্ছিস আর সেজন্য খারাপ হবে বলেও মনে করছিস। নইলে এটাকেও চলতে দে না।
  • Arpan | ২৭ মে ২০১৫ ০০:৩৫679952
  • পরিষ্কার হল না। আরব গেরিলা কারা? হামাস না আইসিস?
  • ন্যাড়া | ২৭ মে ২০১৫ ০০:৪৫679964
  • বদহজমের ভাল কোন ওষুধ নেই, না? নইলে দুদিন পরপর এরকম ছ্যাচ্ছেরিয়ে বেরিয়ে আসবেই।
  • শাক্যজিৎ | ২৭ মে ২০১৫ ০০:৪৭679975
  • আরব গেরিলা আবার আইসিস কেন হতে যাবে? আরব জাতীয়তাবাদের প্রেক্ষিতে বলেছি।

    @ইপ্সিতাদি, তাহলে চলুক :)

    @ন্যাড়া, বলেছি না, ওল্ড মংক দিয়ে কুড়কুড়ে ভাজা খাওয়া খুব ক্ষতিকর?
  • Arpan | ২৭ মে ২০১৫ ০০:৫৩679986
  • ঠিকাছে। তাহলে আরব গেরিলা আর ইসলামিক মিলিশিয়াও ব্যাটম্যান আর জোকার?
  • dc | ২৭ মে ২০১৫ ০২:২৮679997
  • মুশকিল হলো, যুক্তি-অযুক্তি-আস্তিকতা-নাস্তিকতা ইত্যাদিকে ঈশান যেভাবে দেখছেন আর শাক্যবাবু যেভাবে দেখছেন (বা দেখাতে চাইছেন) সেদুটো প্রেক্ষিত সম্পূর্ণ আলাদা। ধর্ম, ঈশ্বরবিশ্বাস, যুক্তি, বিজ্ঞান এসবই একে অপরের সাথে সহাবস্থান করেছে বা করতে পেরেছে কারন এদের নিজেদের মধ্যে দেওয়ানেওয়া চলছে। আস্তিকতা আর নাস্তিকতার তর্ক বহু হাজার বছরের পুরনো, এই তর্ক এখনও ফুরোয়নি, আর এই তর্কের ফলে বিজ্ঞান আর ঈশ্বর দুয়েরই ইভোলিউশন হয়ে চলেছে।

    এর সাথে আইসিসের ইউটিউব ব্যবহার বা জামাতি আর বোকা হারামির ব্লগ ব্যবহারের মৌলিক পার্থক্য আছে। এদের যে ধর্মবিশ্বাস বা অযুক্তি, সেই অযুক্তি নিজেকে ছাড়া আর কাউকে স্বীকার করে না, ফলে আর কোন কিছুর সাথে দেওয়ানেওয়ার জায়গাও নেই। আইসিসের একমাত্র লক্ষ্য হলো সারা পৃথিবীটাকেই আইসিস বানানো - যারা আইসিস না তাদের এমনকি বাঁচার অধিকারও নেই। ফলে আইসিসের মতবাদের সাথে বিজ্ঞান এর কোন সহাবস্থানের সম্ভাবনাটুকুও নেই, পারষ্পরিক আদান প্রদান বা ইভোলিউশন তো দূরের কথা।

    এর সাথে "নিও-কন", "ইউরোসেন্ট্রিক", "হোআইট সুপ্রিমেসিস্ট" কিওয়ার্ড গুলোর কোন সম্পর্কই নেই। আইসিসের নিও-কন বা হোয়াইট ইত্যাদি নিয়ে মাথাব্যথা নেই কারন ওদের কাছে পৃথিবীটা মাত্র দুভাগে বিভক্ত - আইসিস আর নন-আইসিস। আর নন-আইসিসের বাঁচার অধিকার নেই। এই নন-আইসিস হোয়াইট সুপ্রিমেসিস্ট হতে পারে, ব্ল্যাক সুপ্রিমেসিস্ট হতে পারে, অন্য ধর্মাবলম্বী হতে পারে, মুসলমান হতে পারে - যেই হোক না কেন, তাদের মরতে হবে, আর তারা যদি মেয়ে হয় তো সেক্স স্লেভ হতে হবে। মতপার্থক্য বা দেওয়া নেওয়ার কোন জায়্গাই নেই। তাই শাক্যবাবু "নিও-কন" বা "হোয়াইট সুপ্রিমেসিস্ট" কিওয়ার্ডগুলোর ব্যবহার করছেন শুধুমাত্র নিজের বক্তব্যকে কোনভাবে খাড়া করার জন্য। চেষ্টা করছেন যে এই শব্দগুলো গুঁজে দিয়ে কোনভাবে যদি আইসিস বা বোকো হারাম বা জামাতিদের কিছু একটা লেজিটিমেসি দেওয়া যায়।
  • aranya | ২৭ মে ২০১৫ ০২:৫২680008
  • শাক্য সজ্ঞানে কাউকে লেজিটিমেসি দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে আমার মনে হয় না।

    এ বাদে, ডিসি-র মূল বক্তব্যের সাথে একমত। আইসিস বা বোকো হারাম-এর ওয়ার্ল্ড ভিউ আমারও পুরো বাইনারি মনে হয় - আমরা, ওরা। কোন মিডল গ্রাউন্ড নেই।
  • aka | ২৭ মে ২০১৫ ০৬:৪৬680030
  • এই আজই ফেসবুকে পড়েছি কোন এক মুসলিম ধম্মগুরু বলেছে হস্তমৈথুন করলে হাত প্রেগন্যান্ট হয়ে পড়বে। এসব অভিজিত রায় করেনি, এইসব কাউন্টার করেছে বলেই মানুষ আজ বেচেবর্তে আছে, সাপে কামড়ালে ওঝা ডাকার বদলে ভ্যাকসিন নেয়, স্কিজোফ্রেনিয়ার রুগীকে ডাইনি বলে লোকে মারে না। এই নতুন লজিকটা আসলে জোর করে থিওরাইজেশনের চেষ্টা।

    আর বাঙ্গলাদেশের মুসলিম সমস্যা আর আইসিস বা বোকো হারাম এক নয়। দুইএর মধ্যে যদিও খানিকটা মিল হল দুয়ের কেন্দ্রেই রয়েছে মুসলিম ধর্ম।
  • কল্লোল | ২৭ মে ২০১৫ ০৭:২৫680041
  • তবে বলেই ফেলা যাক।
    একসময় চারু মজুমদারের এমনই একটা নিদান ছিলো। শ্রেণীশত্রুর বিরুদ্ধে লড়াই নাকি করতে হবে ছুরি, কাটারীর মতো ট্র্যাডিশনাল অস্ত্র নিয়ে। গুলি চালিয়ে শ্রেণীশত্রু খতমের মধ্যে নাকি কাপুরুষতার প্রকাশ। সেটা নাকি শহীদ হতে ভয় পাওয়া। ছুরি কাটারি দিয়ে "খতম"ই নাকি শ্রেনীঘৃণার যথাযথ প্রকাশ।
    এই "ফতোয়া" অক্ষরে অক্ষরে মেনে বহু প্রাণ অকারণে "শহীদ" হয়েছে, কারন "শ্রেণীশত্রু"রা নাস্তিক ব্লগারদের মতো খালি হাতে ঘুরে বেড়তো না।

    তাই বলছিলাম, ফারাবীদের আমি চিনি। আমি নিজে একদিন ওদেরই একজন ছিলাম। ইসলামের বদলে "বিপ্লব" বা "মার্কস-মাও-চারু মজুমদারের চিন্তাধারা"য় বিশ্বাসী।

    মৌলবাদও এক কিসিমের নয়। কেউ মনে করে চাঁদে মানুষ আসলে ঢপবাজী। কেউ মনে করে নাস্তিক খুন করলে পূণ্য। কেউ মনে করে সুন্নী মুসলমান/হিন্দু/বর্ণ হিন্দু ছাড়া আর কারুর বেঁচে থাকার অধিকার নেই। কেউ মনে করে নাস্তিকতাই যুক্তির শেষ কথা। ধর্ম বা ঈশ্বর বিশ্বাসী মানেই গান্ডু।
  • Ishan | ২৭ মে ২০১৫ ০৮:০৮680052
  • আস্তিক্য শব্দটা আসলে দার্শনিক অর্থে নিরীশ্বরবাদের সমার্থক নয়। আস্তিক্য মানে একটি নির্দিষ্ট পন্থায় বিশ্বাস অর্পণ করা। চারু মজুমদারের শিষ্যরা তো নিরীশ্বরবাদী আস্তিক। এবং এটা মোটেই ব্যঙ্গ করে বলামনা। আস্তিক্যে আমি দোষ কিছু দেখিনা। মৌলবাদে দেখি।

    যাঃ কল্লোলদা আমাকে ডিরেল করে দিল।
  • dc | ২৭ মে ২০১৫ ০৮:১০680063
  • কল্লোলবাবু যে মৌলবাদগুলোর উদাহরন দিলেন সেগুলো সব এক চরিত্রের না, বা সেগুলো নানান কিসিমের, তার কারন কিন্তু সেগুলোর টলারেন্স লেভেল আলাদা আলাদা। মৌলবাদ নানান ধরনের হয়, আর মৌলবাদ মানে যদিও বাই ডেফিনিশন ইনটলারেন্স, তবুও সেই ইনটলারেন্সের তীব্রতার কিছু তফাত আছে বোধায়। "নাস্তিক খুন করলে পুণ্য", বা " সুন্নী মুসলমান/হিন্দু/বর্ণ হিন্দু ছাড়া আর কারুর বেঁচে থাকার অধিকার নেই" এই ধরনের মৌলবাদের সমস্যা হলো এদের সাথে মত বিনিময়ের জায়গাটুকুও নেই, কারন ঐ মত বিনিময়টুকু করতে গেলেও খুন হয়ে যেতে হবে। এদের সাথে "ধর্ম বা ঈশ্বর বিশ্বাসী মানেই গান্ডু" বা "চাঁদে মানুষ আসলে ঢপবাজী" এই মৌলবাদগুলোর তফাত হলো, এগুলোর সাথে অন্তত আলোচনা চালানোর একটা স্পেস পাওয়া যায়, যুক্তি-অযুক্তি-কুযুক্তি তো তার পরের ব্যাপার।
  • aranya | ২৭ মে ২০১৫ ০৮:২৬680075
  • ডিসি-কে ক। এই আলোচনার স্পেস-টা অত্যন্ত জরুরী।
  • Ishan | ২৭ মে ২০১৫ ০৮:৩২680086
  • যে কথাটা লিখছিলাম সেটা লিখি।

    এই এনলাইটেনমেন্ট, ইউরোপে এবং তার চেয়ে বেশি অভিঘাতে (এবম অন্য রূপেও) আমাদের কলোনিতে যেভাবে প্রতিভাত হয়েছে (প্রতিভাত শব্দটা খ্যাল করবেন, তার অর্থ হল, আমরা যেভাবে বুঝেছি), সেটা একটা ছেদ দিয়ে। অর্থাৎ, এনলাইটেনমেন্ট পর্যন্ত ছিল মধ্যযুগ, কুসংস্কারাচ্ছন্ন ধর্মীয় অন্ধকার, আর তারপরে ধীরে ধীরে যুক্তি বা রিজনের সূর্য উঠল। আমাদের তথাকথিত নবজাগরণের যুগপুরুষদের সম্পর্কে আমাদের ধারণা দেখলেই সেটা বোঝা যায়। আমি যদি জিজ্ঞাসা করি, রামমোহন কি ঝাড়ফুঁকে বিশ্বাস করতেন? কিংবা ডিরোজিও কি শিবলিঙ্গে ফুল চড়াতেন? লোকে আমাকে পাগল ভাববে। সেটা সঙ্গতও। সত্যিই তাঁরা এগুলো করতেন না। সেইজন্য আমাদের চোখে এই ছেদটা পরিষ্কার। শিবনাথ শাস্ত্রী রামমোহনকে পান্ডিত্য দৃঢ়তা শক্তি এবং প্রখর যুক্তিজ্ঞানের প্রতিমূর্তি করে এঁকেছেন। "কলেজের ছেলে"দের নৈতিক জ্ঞানের তীব্র প্রশংসা করেছেন (কারো হাতের কাছে বইটা থাকলে একটু টুকে দেবেন)। সেইজন্য নবজাগরণের চিত্রটা আমাদের কাছে প্রখর বৈপরীত্যের। একদিকে লৌহমানব রামমোহন, অন্যদিকে অন্ধকারাচ্ছন্ন সতীদাহ। একদিকে যুক্তির প্রতিমূর্তি ডিরোজিও অন্যদিকে টিকি-ধারী বামুন। বৈপরীত্য বা কালগত ছেদ বা ডিসকন্টিনিউইটিটা এতটাই প্রকট।

    এবার তৃতীয় বিশ্বের দৃষ্টিকোণ থেকে আমরা ইউরোপিয়ান এনলাইটেনমেন্টের ঘাড়েও অনুরূপ একটি ছেদাকে চাপাই। মানে ভেবে নিই। যে, এই হল সেই প্রস্থানবিন্দু, যার একদিকে মধ্যযুগ, অন্যদিকে আলো। একদিকে অলৌকিকতা, অন্যদিকে রিজন।

    কিন্তু মজা হল, এই বৈপরীত্যটা ইউরোপে নেই। আমি যদি জিজ্ঞাসা করি, দেকার্ত কি ঝাড়ফুঁকে বিশ্বাস করতেন? কিংবা নিউটন অ্যালকেমিতে? এর পরিষ্কার উত্তর হল, হ্যাঁ। নিউটন জীবনের বেশিরভাগ অংশটাই কাটিয়েছেন, অ্যালকেমির পিছনে আর বাইবেল পাঠ করে। "ব্যাদে সব আছে"র মতো, বাইবেলে সব আছে, উনি বিশ্বাস করতেন। পরবর্তীতে অর্থনীতিবিদ কেইনস তাঁর নোটবুক পড়ে প্রথম এইসব আবিষ্কার করেন, এবং ইউরোপের সযত্নলালিথ এক যুক্তিবাদী লৌহমানবের মিথ ভেঙে পড়ে।

    এরকম গাদা উদাহরণ দিতে পারি, কিন্তু এই দুটোই যথেষ্ট। পয়েন্টটা পরিষ্কার। যুক্তি এবং অযুক্তির মধ্যে কোনো পরিষ্কার জলবিভাজিকা ইউরোপে একেবারেই দেখা যায়না। নিউটন-লিবনিৎসের তক্কের বিষয়বস্তু আগেই বলেছি। এখানে একটু ডিটেলে বলি। নিউটন মনে করেছিলেন তাঁর সৌরকেন্দ্রিক মডেল একটু নড়বড়ে। গ্রহরা প্রায়ই নড়েচড়ে যায়। তখন তাদের আবার পথে আনতে দৈবী হস্তক্ষেপের প্রয়োজন হয়। লিবনিৎস এতে খুবই খচে যান। তিনি বলেন ঈশ্বর এমন একটি সৃষ্টি বানিয়েছেন, যা নিখুঁত নয়? এ তো ঈশ্বরের ক্ষমতার উপর সন্দেহ, ইত্যাদি।

    মোট কথা বিদ্রোহ নয়, দৈবী ক্ষমতার সঙ্গে নিজেকে ফিট করে নিয়েই "আধুনিক" বিজ্ঞান তার যাত্রা শুরু করে। বিদ্রোহ নয়, ধর্মের বিরুদ্ধে যুক্তির জয়পতাকা ওড়ানো নয়, স্রেফ একটু পদ্ধতিগত পরিবর্তন। ব্যস।
  • aka | ২৭ মে ২০১৫ ০৮:৩৮680097
  • পৃথিবীর ইতিহাসে কয়েকজন (হাতে গোণা) কিছু পাব্লিক অভিজিত রায়্হবার ধক দেখিয়ে ছিল বলেই আজেই গুরুচণ্ডালিতে বসে বাকতাল্লা চলছে। নইলে কবেই মানুষ ডাইনসর হত। এদ্দিন হয় ম্যালেরিয়া না হয় কালাজ্বরে মারা পড়ত।
    শাক্যর এই লাইনের যুক্তির একটা নাম দেই- লেফ্টোয়ার্ড আউটলুক অফ হোয়াইট্ফোবিয়া হুইচ ইভেন ট্রাইজ টু র‌্যাশ্নালাইজ ফারাভিইজম। ঃ)
  • Ishan | ২৭ মে ২০১৫ ০৮:৫০680108
  • (মাঝখানে পোস্ট পড়ে গেলে আগের পোস্টের কনটিনিউয়েশন হিসেবে পড়বেন)

    এই পদ্ধতিগত পরিবর্তনটাও নতুন কিছু নয়। নিউটন রয়াল সোসাইটির প্রধান এবং ইউরোপের অবিসংবাদিত বৌদ্ধিক নেতা হন, মনে হয় ১৭০০ সালে, আর তার ঠিক একশ বছর আগে, অর্থাৎ ১৬০০ সালে জিওর্দানো ব্রুনোকে পুড়িয়ে মারা হয় (সব তারিখগুলো প্লিজ একটু মিলিয়ে নেবেন, টেকেন ফর গ্রান্টেড নেবেন না)। এই নিয়ে খুব চালু ব্যাখ্যা এই, যে, জ্ঞানের জগতে ধর্মীয় ফতোয়ার বিরুদ্ধে বিদ্রোহের শুরু হয় কোপার্নিকাস দিয়ে, যার ফলশ্রুতি ব্রুনোকে পোড়ানো। তখন চার্চের ছিল আপার-হ্যান্ড। আর তার একশ বছরের মধ্যে চার্চ হারতে শুরু করে। তার জায়গা নেই বিজ্ঞান যুক্তি ইত্যাদি। এর কারণ ক্যাপিটালিজমের উত্থান, এনলাইটেনমেন্টের আগমন, প্রোটেস্টান্টদের উত্থান, ব্লা ব্লা ব্লা।

    এই ব্যাখ্যার সমস্যা একটাই। এতে একেবারেই বোঝা যায়না কোপার্নিকার ব্রুনোর আগেই যে কথা বলেছিলেন, তার জন্য কোপার্নিকাসকে কিচ্ছু করা হলনা, তাঁর বই নিষিদ্ধ করা হলনা কেন। অথচ ব্রুনো কোপার্নিকাসের কথাগুলো বলার জন্যই পুড়ে মরলেন, সেটাই বা কেন?

    উত্তর একটাই। কোপার্নিকাস, তাঁর আবিষ্কারকে একটি পদ্ধতিগত পরিবর্তন বলেছিলেন। সৌরকেন্দ্রিক মডেল একটা যৌক্তিক মডেল, এভাবেও দেখা যায়, এতে হিসেবের সুবিধে হয়, এইটুকুই ছিল তাঁর দাবী। অর্থাৎ, তৎকালীন ধর্মীয় প্যারাডাইমের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিয়েছিলেন। ধর্মও একটু নড়েচড়ে তাঁকে জায়গা দিয়েছিল। আর ব্রুনো এই সমঝোতার জায়গাটা রাখেননি। তিনি সৌরকেন্দ্রিক বিশ্বকেই একমাত্র সত্য এবং চার্চের বিশ্বাসকে মিথ্যা বলেছিলেন। অতএব তাঁকে মরতে হয়।

    এখানে যেটা পয়েন্ট, সেটা হল, এই একটু নড়েচড়ে বসা, অ্যাডজাস্টমেন্ট, সেটা প্রাক-এনলাইটেনমেন্ট যুগে যেমনটি ছিল (অর্থাৎ কোপার্নিকাসের আমলে), নিউটনের যুগেও তাই। যুক্তি এবং অযুক্তি উভয়েই একটু নড়েচড়ে নিজেদের জায়গা করে দিল, এই পদ্ধতিগত পরিবর্তনটা এনলাইটেনমেন্ট-পরবর্তী যুগের আবিষ্কার নয়। ওখানেও কোনো ছেদ নেই। সন্ততি বা কন্টিনিউইটি আছে, যুক্তি এবং অযুক্তির কোনো জলবিভাজিকা নেই। এনলাইটেনমেন্টের আগেও যা, পরেও তাই। পদ্ধতিগত ভাবে।
  • aka | ২৭ মে ২০১৫ ০৮:৫৯680119
  • ভাগ্যিস গ্যালিলিও ছিল, ভাগ্যিস ভাগ্যিস চার্চ নামক মৌলবাদের বিরুদ্ধে গ্যালিলিও কথা টথা কয়েছিলেন।
  • Ishan | ২৭ মে ২০১৫ ০৯:০২680130
  • মোদ্দা কথা হল, যুক্তি আর অযুক্তি, ধর্ম আর বিজ্ঞান ঝাড়পিটের পরে একটু নিজেকে রি-অ্যাডজাস্ট করে নিয়েছে। দুইখানা ডিসকোর্স জল-অচল থেকে গেলে সেই রি-অ্যাডজাস্টমেন্টের প্রক্রিয়াটাই ঘটবেনা। এই পর্যন্ত শাক্যর বক্তব্য সমর্থন করি। কিন্তু, কিন্তু, সঙ্গে এইটাও উল্লেখ থাক, যে, আজকের এই ঝাড়পিট, সেই রি-অ্যাডজাস্টমেন্টেরই অংশ। ব্যস।

    পুঃ ইউরোপ নিয়ে অনেক কিছু লিখলাম। সেই জন্যই এইটাও লিখে দেওয়া দরকার, যে বর্ণনাটি অসমাপ্ত। পদ্ধতিগতভাবে প্রি এবং পোস্ট এনলাইটেনমেন্টের যুগের অ্যাডাজাস্টমেন্ট খুব আলাদা কিছু না হলেও, একটা কিন্তু আছে। কিন্তুটা এই, যে, সব মিলের পরেও উভয় যুগে একটা তফাত আছে। ১৬০০ সালে টলেমির ভূকেন্দ্রিক মতবাদকে তৎকালীন জ্ঞানচর্চার প্যারাডাইম সত্য বলে মেনেছিল। একশ বছর পরে সৌরকেন্দ্রিক মহাবিশ্ব অবিসংবাদিত মহাসত্য হল। বিজ্ঞান, ধর্ম, যুক্তি, অযুক্তি সবাইকে অটুট রেখে। এ কিভাবে হল? কেনই বা হল?

    এর জন্য একটু টমাস কুন ঝাড়তে হবে। আর ইউরোপের নৌযাত্রার ইতিহাস বলতে হবে। কিন্তু সে অনেক বড়ো গপ্পো। টাইপ করে শেষ করা যাবেনা। আর সেটা আমার এখানে অ্যাজেন্ডাও না।
  • aka | ২৭ মে ২০১৫ ০৯:১০680141
  • তো শাক্যর এই সিনড্রোম নতুন নয়, আছে পৃথিবীতে বহুকাল ধরে। বিশেষত বুদ্ধিমানদের মধ্যে বেশি, আসুন কিছু নতুন বলে ও কয়ে দেখাই। আসুন যুক্তিকে নতুন ভাজে খেলে দেখাই। আসুন না, ফারাবী না ফারাভি তাকেই ট্র্যাজিক হিরো হিসেবে দেখাই। অভিজিত রায়্কে না হয় খানিক অ্যান্টি হিরো। তো এসব দেখেশুনে এদেশীয়দের মতন বলতে হয় "রিয়েল্লি"? প্রকাশ্য খুনের হুমকি দিয়ে শেষ অবধি খুন করল, আজ অবধি ব্লগ লিখিয়েদের লিস্টি মেপে মেপে খুন হচ্ছে তাতেও এই আল্বাল থিওরাইজেশনের শেষ নেই? ব্লগ লিখলে দোষ কিন্তু খুন করালে দোষ ধরলে "নিও কন"? নো ওয়ান্ডার এই দেশে মুকেশের মতন্ধর্ষক বান্চোত হিরো। একই যুক্তি, মেয়েটির পোষাক বা আছরণ এ প্রবলেম ছিল, আমরা তো এমন মেয়েদের শিক্ষাই দিতে শিখেছি। তো সেই শিক্ষা নিয়ে বলা যাবে না কারণ আমরা মুকেশ বা ফারাবীর মতন মার্জিনালাইজড জানগণের বালবীচি বুঝি না। তো বাঙ্গলা কথা হল ভাগ্যিস বুঝতে চাই না। কোদাল কে কোদাল, স্পেডকে স্পেড, ধর্ষক ক ধর্ষক ও খুনী ফারাবীকে খুনীই বলতে চাই।
  • cm | ২৭ মে ২০১৫ ০৯:১৪680152
  • অপনারা চাপাতি কে চাপাটি দিয়ে কাউন্টার করার কথা ভাবেননা? খালি পেটে বেহাগ গেয়ে দেখাবেন নাকি কেউ।
  • Ishan | ২৭ মে ২০১৫ ০৯:১৭680163
  • শাক্যর বক্তব্যকে যুক্তি দিয়ে কাউন্টার করলেই ভালো। নইলে ফারাবীদের সঙ্গে পার্থক্য নেইই মনে হবে। মানে, আমার হবে।
  • aka | ২৭ মে ২০১৫ ০৯:২৩680174
  • আরও একটা কথা হলঃ এই এতসব যুক্তিজালের মধ্যে যুক্তি ফুক্তি যা কিছুর উদাহরণ মনে প্ড়ছে তার রেফারেন্স সবই হোয়াইট অ্যান্ড পিওর হোয়াইট। হোয়াট এ কোইন্সিডেন্স, এমনকি শাক্যর দেওয়া আর্টিকলটাও একজন আম্রিগানের। হোহোহো।

    কথা হল শাক্য দু একটি শব্দে ভেসে না গিয়ে খানিক নির্ভেজাল অ্যানালিসিসের দরকার খুবই। ফারাবীর বিপ্রতীপ কোণে অভিজিত রায় যায় না এটা বুঝলে ভালো নইলে ইন্শাল্লহ।
  • lcm | ২৭ মে ২০১৫ ০৯:২৬680186
  • কিন্তু মূল বক্তব্যটা কি? যাই করো সাহেবদের মতন যেন না হয়ে যায়, তাইলে হোয়াইট সুপ্রিমেসি সাপোর্ট হয়ে যাবে - এটাই কি মূল বক্তব্য।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। চটপট প্রতিক্রিয়া দিন