এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • ভারতীয় চাকুরে

    riddhi
    অন্যান্য | ২৭ মে ২০১২ | ৪২২৮১ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • aka | ২৮ মে ২০১২ ০১:২৭551720
  • কি নিয়ে যে আলোচনা হচ্ছে বুঝতে পারলাম না। প্রথম যে লিংটি রিদ্ধি দিয়েছে সেটি একটি ধুর লেখা। কতকগুলো ক্লেম, যাকে ব্যাক করে কোন তথ্য নেই কিছুই নেই। দুদ্দুর।
  • প্পন | ২৮ মে ২০১২ ০১:৪০551731
  • ইন্ডিয়ান আইটি ব্যাশিঙের আরেকটি টই। : P
  • S | ২৮ মে ২০১২ ০১:৫০551742
  • ১) টাকা নিয়ে বসে থাকার থেকে ভালো কোথাও ইনভেস্ট করুক। দুটো অপসান - নতুন কোম্পানি কেনো, বা নিজেই গ্রো করো। সেক্ষেত্রে প্রডাক্ট ডেভেলপমেন্ট খুব ভালো অপসান। ইভেন সার্ভিসেসেও খুব একটা হাই লেভেলে কাজ দেশি আইটি কোম্পানিতে হয়্না। আর বেশিরভাগ অ্যাকুইজিশনে টার্গেটের শেয়ারহোল্ডাররাই শুধুমাত্র লাভ করে।

    ২) আইবিএম টেকনলজি জায়েন্ট - হার্ডোয়ার থেকে বিপিও অবধি, সুযোগে, সব করে। ইভেন ২০০০ এও ৩৫% রেভিনিউ আসতো হার্ডওয়ার আর লিজিঙ্গ থেকে। এখন সেই নাম্বারটা ১৬%। ৪১% আসছে সার্ভিস থেকে। বাকিটা সফ্টওয়ার - জানিনা এর কতটা সার্ভিসের সাথে জড়িত।

    ৩) আইবিএম যদি বিজনেস মডেল চেন্জ করতে পারে - ইনফি, উইপ্রো কেন যাবে না প্রডাক্টে। কারন লেবার আরবিট্রাজ করে আর কতদিন চলবে? একেই তো চীন ঘাড়ের কাছে ফোঁস ফোঁস করছে, তারপরে অ্যাকসেন্চিওরও ইন্ডিয়া কাপাচ্ছে।

    ৪) গ্রোথ রেট ডিপেন্ড করছে বেসের উপরেও। ১১০ বিলিয়ন ডলার কম্পানীর ১% ও তো অনেক। কেউ এক্স্পেক্ট করেনা যে ইনফি, টিসিএস অনন্তকাল ধরে ২০-৩০% গ্রোথ ধরে রাখবে।

    ৫) লাস্ট দশ বছরে আইবিএম ৭০ বিলিয়ন ডলার ইন্ফেস্ট করেছে আরেনডি তে, আর ক্যাশ হিসেবে এখন রেখেছে ১২ বিলিয়ন ডলার। আর ১৩৩ বিলিয়ন ডলার ফিরিয়ে দিয়েছে শেয়ারহোল্ডারদের।

    ৬) কোন দেশে কত টাকা কর্পোরেটরা আরেনডিতে ইনভেস্ট করেছে জানতে পারলে ভালো হয়।

    ৭) ভারতে টেলিকমের সুব্যবস্থার অনেকটা কৃতীত্ব যায় ভারত সরকার ও ট্রাইকে। এত সস্তায় কলের কারনের একটা হোলো কম্পিটিশন - যেখানে ভারতির নিস্চই কোনো রোল নেই। আর ইনকামিঙ্গের জন্যে পয়সা দেওয়ার সাথে ইনোভেশনের যতনা রিলেশনশিপ তার থেকেও বেসি এক্সপ্লেন করা যায় উইথ কম্পিটিশন আর সস্তা রিসোর্স।

    ৮) আমাদের দেশি আইটি কম্পানিগুলো অ্যানালিটিক্স আর ক্লাউড কম্পিউটিঙ্গে কোন স্তরে আছে জানলে ভালো হয়। এটা আমি ঠিক জানিনা।

    ৯) আর আইবিএমের মতন কম্পানিদের সাস্টেনেবিলিটি অনেক বেশি সেটা অলরেডি প্রমানিত।

    ১০) আর ব্যান্কিঙ্গ - সেখানে আমরা তো বাচ্চা। কোন টেকনলজি বেস্ড ইনোভেশন এলো আমাদের দেশে যেটা আমেরিকাতে স্বপ্ন? আমরা তো ফিনান্সটা শিখলামই পশ্চিমের থেকে। আমেরিকা বা ইউরোপে যে লেভেলে চিন্তাভাবনা চলে সে তো আমরা ভাবতেই পারবো না। এটা আমি হাতে গরমে জানি বলেই বলছি। এমনকি মায় ইএমাই ব্যাপারটাও আমেরিকার অবদান।
  • S | ২৮ মে ২০১২ ০১:৫৩551753
  • আমি কিন্তু ইনফির হেব্বি ফ্যান - কিন্তু কেন জানিনা মুখে গ্লোবাল কম্পানি বলেও সেই কুয়োর ব্যাঙ্গের মতন অ্যাটিটুড নিয়ে বসে আছে।

    আমার পাতি কথা - বাচ্চাদের ভয় দেখানোর ভারি ভার্কাম কথা না বলে কম্পানীর সিনিয়াররা এই কথাগুলো মেনে চললে খুব ভালো হয়।
  • maximin | ২৮ মে ২০১২ ০২:৪৯551764
  • লেখাটা খারাপ লাগল কেন? অবশ্য আমি পুরোটা পড়িনি। প্রথম উদাহরণ -- applicant’s “objective statement" : “to be a part of an organization wherein I could cherish my erudite dexterity to learn the nitigrities of consulting” -- খুবই টিপিকাল।
  • maximin | ২৮ মে ২০১২ ০২:৫১551775
  • দ্বিতীয় উদাহরণ -- চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্সি পরীক্ষা আমাদের কঠিন লাগে। সত্যিই তো, পাশ করতে অনেক বছর লেগে যায়।
  • S | ২৮ মে ২০১২ ০৪:০৫551786
  • প্রথমতঃ ভদ্রলোকের নিজের ইঙ্গরাজিটা জাস্ট চলে যায় টাইপের। তাই পড়তে ভালো লাগে না, বিরক্ত লাগে।

    সেকেন্ডঃ রেজুমেতে অবজেক্টিভ স্টেটমেন্ট লেখা এখন উঠে গেছে - অন্ততঃ কোনো আইআইএমে লেখা হয়্না।

    থার্ডঃ এইজে কতগুলো পয়েন্ট লিখেছে - এগুলো ফালতু পয়েন্ট। অনেকগুলো কম্পানীর সিইও মেনে চলেনা।

    ফোর্থঃ নিজের এক্ষপেরিএন্সে দেখেছি ঠিক উল্টোটাই হয়। ভালো টাইমে সবাই কাজ করে স্মার্টনেস দেখিয়ে চালিয়ে যায়। যেই ভালো ক্রিটিকাল কাজ পড়ে অমনি খোঁজ পড়ে কোথায় কোন আইআইটি আছে, কোনো আইআইএম আছে কিনা, আইএসাই পাওয়া তো দুষ্কর - একটা রিক্রুট করলে ভালো হতো, আর ইন্জিনিয়ীর চাইলে তখন আইআইটি ছাড়া ভালো কলেজের লোকজন খোঁজো - তখন আর চক্চকে স্মার্ট ছেলেকে দিয়ে কাজ চলে না।
  • ব্ল্যাঙ্ক | ২৮ মে ২০১২ ০৯:৫৫551797
  • আমার অভিজ্ঞতা মোটামুটি মেলে এনার সাথে। আর এই ক্রিটিকাল কাজের জন্য ডাকাডাকি, এটা কোন ইন্ড্রাস্ট্রির ক্ষেত্রে বললেন আমি জানি না। IT তে লাগে না।
  • Toon Army | ২৮ মে ২০১২ ১০:০১551820
  • একটা মেড-ইজি পাওয়া যাবে? বা একটা ভোক্যাবুলারি?
  • Toon Army | ২৮ মে ২০১২ ১০:০১551808
  • একটা মেড-ইজি পাওয়া যাবে? বা একটা ভোক্যাবুলারি?
  • lcm | ২৮ মে ২০১২ ১১:১৭551831
  • এশিয়ার তিনটে দেশে নিয়মিত ভাবে নতুন প্রোডাক্ট/আইডিয়া তৈরী, ইনোভেশন ইত্যাদি হয় (গত ৫০/৬০ বছরের হিসেবে) - জাপান, সাউথ কোরিয়া, ইস্রায়েল।
  • প্পন | ২৮ মে ২০১২ ১১:২৭551842
  • ব্ল্যাঙ্ককে ক।

    ক্রিটিকাল কাজের জন্য ডাকাডাকি মানে দাঁড়ায় ওই দোকানে সব কাজের জন্য যোগ্য প্র্যাকটিস ইউনিট নেই। সেইটা লিডারশিপের প্রবলেম।
  • maximin | ২৮ মে ২০১২ ১২:৫১551853
  • পুরোটা পড়লাম। ভালো লাগল।
  • maximin | ২৮ মে ২০১২ ১৪:০৯551864
  • "highly skilled people ultimately make up less than 10 percent of all of you*."

    *you = the millions who recently graduated or will graduate over the next few weeks.
  • S | ২৮ মে ২০১২ ১৬:২১551875
  • আমি বেশ কয়েকবছর হলো আইটি থেকে দুরে। তখনো লাগতো ঠিকঠাক ছেলেপিলে - এখন তারমানে সেটাও লাগেনা। এনিওয়ে ইন্ডিয়ার খুব কম ভালো কলেজ থেকে দেশি আইটি কোম্পানিতে লোকজন যায় আজকাল।

    আর এমনকি আইটি কম্পানির সেল্সেও তো ভরে ভরে প্রাক্তন ইনভেস্টমেন্ট ব্যান্কার আর কন্সালটেন্ট থাকে - যাদের কাজের একটা খুব বড় পোর্শান হলো পুঁথিগত বিদ্যে।
  • Blank | ২৮ মে ২০১২ ১৬:৩৮551886
  • যতক্ষন না নাসার স্যাটেলাইট বানাতে হচ্ছে বা সার্নের যন্ত্র পাতি, ততক্ষন তথাকথিত ভাল কলেজের ছেলে বেশী টাকা দিয়ে পোষার কোনো দরকার হয় না।
    প্রসেস ওরিয়েন্টেড সিস্টেম হলে পিপল ডিপেন্ডেন্সি এমনিতেই অনেক কমে যায়।
    এবারে ইন্ডিয়ার খুব ভাল কলেজ বলতে কোন গুলোকে বোঝানো হয় ? যদি যাদবপুর শিবপুর লেভেল ধরা হয় তো বন্যার জলের মতন আইটি তে আসে আর বড় অংশটাই দেশি আইটি কোং (অবশ্য আমি কগনি, অ্যাকসেন এগুলোকেও ধরছি)।
    আইটি কোং গুলোর সেলস নিয়ে ব্যপারটা বুঝলাম না। খুব বড় বড় মাথারা অবশ্যই থাকে কিন্তু ডেনসিটি খুব কম।
  • S | ২৮ মে ২০১২ ১৬:৫৮551897
  • এটাইতো কথা যে - কাজ তো হয় ঐ থোর বড়ি খাড়া আর খাড়া বড়ি থোড়। তার জন্যে এতো বিগ্যের মতন মন্তব্য দেওয়ার তো দরকার নেই। বললেই তো চলে - ভাই অফিসে রোজ ভালো করে কাজটুকু করিস।

    নাসার স্যাটেলাইট ছাড়াও ক্রিটিকাল কাজ হয়। ফিনান্সের একটা হিউজ কাজ আছে যেটা খুবই ক্রিটিকাল - যেখানে অলমোস্ট কোনো দেশি কম্পানিরা ঢুকতে পারেনি। এটা সক্কলে জানে - এই জন্যেই মার্জিনে চাপ আসছে।

    এবারে পয়েন্টগুলো বলিঃ
    You speak and write English fluently: আগেই লিখেছি ভদ্রলোক নিজে খুবেকটা ভালো লেখেননি - যেটা একেবারেই এক্সপেক্টেড নয়।

    You are good at problem solving, thinking outside the box, seeking new ways of doing things: এটা ভারতে করা হয়? মানে ঐ কম্পানির কেউ করে কি? তাহলে একটা বাচ্চা ছেলের কাছ থেকে কি করে এক্সপেক্ট করি?

    You ask questions, engage deeply and question hierarchy: ম্যানেজার খুশি মনে জবাব দিতে রাজি থাকবে তো?

    You take responsibility for your career and for your learning and invest in new skills: বেসিকালি বাচ্চা ছেলেদের বলে দেওয়া যে নিজের ভালো নিজে বোঝো - কম্পানি কোনো দায়িত্ব নিতে পারবে না। আচ্ছা একটা কোস্নো করি - এইযে রিসেশন হোলো - অনেক জুনিয়ারদের চাকরি গেছে ইত্যাদি। ভারতে কটা সিইওর চাকরি গেছে? অথচ সে সবথেকে কিমতি রিসোর্স আর রিসোর্স অ্যালোকেশনের দ্বায়িত্ব তার। মানে সিইও নিজের কাজ ঠিক মতন না করতে পেরে দরকারের থেকে বেশি রিক্রুট করেছে - আর এখন রিশেসনের ফলে নিজে গ্যাঁট হয়ে বসে থেকে বাচ্চা ছেলেদের হটাচ্ছে।

    You are professional and ethical: Everyone loves to be considered a professional: এটা ঠিক লিখেছে। অফিসের সবকিছুকে প্রফেসনালি নেওয়া উচিত - অনেক সিনিয়র লোকদের দেখেছি এই ব্যাপারটা ভুলে যেতে।
  • Blank | ২৮ মে ২০১২ ১৯:১৪551908
  • নাসার স্যাটেলাইট এই জন্য এলো কারন সেখানে খুব লিমিটেড একটা এরিয়ার বিশাল কিছু স্কিল চাই আর বিশ্বের বাজারে সেটা খুব সুলভ না। নাসা না বলে ডোভার লেনের গানের কনফারেন্সও হতে পারতো। বিজনেস সার্ভিসে কোথাও এই ধরনের স্কিল লাগে না। সফটওয়ার কনসাল্টেন্সি অনেক ক্রিটিকাল সলিউশান দেওয়া হয় তথাকথিত ভাল কলেজের ছেলে পিলে ছারাও। বরং পার্সোনাল অভিজ্ঞতা বললে বড় কলেজের MBA দের সাথে কাজ করার ইসে টা আমার কখনো ভাল হয় নি। বিজনেস অ্যানলিস্ট হিসেবে আমি অভিজ্ঞতা আগে দেখি তাই।
    আর কোম্পানি গুলো আউট অফ বক্স জিনিস বেচার চেষ্টা করে ক্লায়েন্ট ধরার জন্য। বডি শপিং মোডে ক্লায়েন্ট ধরার দিন আর নেই।
    এর জন্য আমার চেনা জানা সব জায়গায় দেখি নানা রকম ইনোভেশনে জোর দেওয়া হয়। সেটা প্রসেস মডেল ও হতে পারে, যাতে গ্রোথ কার্ভ বেটার হয়, প্রোডাক্টিভিটিও বাড়ে। আমার মনে হয় আপনার ভারতীয় আইটি নিয়ে অভিজ্ঞতা কম বা বহু পুরনো।
  • maximin | ২৮ মে ২০১২ ১৯:৩৪551919
  • নিজের ভালো নিজে বোঝো - কম্পানি কোনো দায়িত্ব নিতে পারবে না। প্রাইভেট সেক্টরে সেটাই তো হওয়ার কথা। সিইওদের চাকরি যায় না, কিন্তু ব্যাবসা মার খায়। ব্যাবসা মার খাওয়াটা সিইওদের একটা কন্সার্নের বস্তু।

    দ্বিতীয় পয়েন্ট অর্থাত স্পোকেন ইলিশ। 'বাচ্চা' ছেলেরা ভাবে দ্রুতলয়ে ইংরেজি বলাটা একটা বিরাট কোয়ালিফিকেশন। এখানে বলা হচ্ছে দ্রুতলয়ে বলার দরকার নেই, কী বলতে চান সেটা যেন লোকে বোঝে। অর্থাত যাদেরকে বলছেন তারা যেন বোঝে।

    এই আলোচনাটা আইটি সেক্টরে সীমাবদ্ধ থাকছে কেন?
  • S | ২৮ মে ২০১২ ২১:০৩551931
  • ২০০৫ নাগাদ একটা মিটিঙ্গে নন্দন নিলেকানি বলেছিলো যে - নাম চেপে দিলে সব কম্পানির পিপিটি এক্কেবারে একরকম। মানে ডিফরেন্সিয়েসন করা যাচ্ছেনা। সেটা এখন আরো বেড়েছে, গ্রোথ কমেছে, প্রফিটাবিলিটিও কমেছে। আমি পরে আইটি সেক্টরের উপরে বড় ইকুইটি অ্যানালিস্টের সাথে কথা বলে দেখেছি - দুটো প্রব্লেম বলেছে - ভালু চেনের উপরের দিকে যেতে পারছেনা, আর ডিফারেন্সিয়েসনে প্রব্লেম। ফলে হ্যাঁ আমার এক্ষপেরিয়েন্স একটু পুরোনো - কিন্তু ফ্রেস অবজারভেশনও আছে। আমার একটা বিশাল বড় বন্ধু মহল আছে যারা আইটিতে কাজ করে।

    ভারতের ভালো কলেজ থেকে খুম কম (১০% এরো কম) ছেলে আইটিতে যায়। তাই আইটিতে ভালো MBA এর সাথে যোগাযোগ হওয়ার বা কাজ করার সম্ভাবনা খুব কম। আর ভালো কলেজের MBA মানেই তার এক্ষপেরিয়েন্স কম হবে কেন - এক-দু বছর এমবিএ পড়েছে বলে?

    দেশি আইটিতে (বন্ধুবান্ধবদের সাথে কথা বলে দেখেছি বা নিজেও দেখেছি) যেটাকে বিজনেস অ্যানালিসিস বা কন্সাল্টিঙ্গ বলে জানে সেটা কতদুর বিজনেস কন্সাল্টিঙ্গ সেটা নিয়ে কোস্চেন ওঠে। আর সত্যি কথা বলতে তার জন্যে কোনো MBA এর দরকার পড়েনা। কারন টিপিকালি যেখানে আইটি সার্ভিস কাম্পানি গুলো ঢোকে তার আগে দুই লেভেলের কনসাল্টিঙ্গ হায়ে যায়। এ দিক দিয়ে সিটিএস একটু বেটার - লোকে বলে চেনা শুনা আইটি কম্পানির মধ্যে ওরাই একমাত্র জানে কি করে MBA দের ইউজ করা যায়।

    ইঙ্গরাজি তাড়াতাড়ি বলাটা আমাদের সবার প্রব্লেম - ছোটো বড় নির্বিশেষে।

    আমেরিকায় কিন্তু ব্যবসা মার খেলে সিইওদের চাকরি যায়। আর ব্যবসা মার খেলে সিইওদের ক্ষতি হবে কেন বুঝলাম না? মানে তারা তো চাকুরে - মাইনে পেলেই খুশ। সাথে যে স্টক অপশান থাকে তার ভ্যালু কমে যায় অবশ্যই - কিন্তু সেটা যাতে না হয় সেই জন্যেই তো বাচ্চাদের জান খাওয়া হয়। আর রিসশনে যেহেতু সক্কলের হাল খারাপ হয় তাই কম্পিটিটেভলি তেমন কোনো নেগেটিভ ইম্প্যাক্ট পড়েনা সিইওর কম্পেনসেশনে।

    আর আলোচনাটা আইটির মধ্যে সীমাবদ্ধ কারন - এখানে অনেকে সেই সেক্টারেই কাজ করেন, ফলে সেই সেক্টরের জানকারি অনেক বেশি। সেকেন্ড ঐ সেক্টেরেই তো ইন্ডিয়ান কাম্পানিগুলো সত্যিই এগিয়ে আছে, এবং হয়তো কিছু অরিজিনাল আরেনডি হয় বা অন্ততঃ রিসোর্স আছে।
  • S | ২৮ মে ২০১২ ২১:২০551942
  • আমার মোদ্দা কথা হোলো - ভদ্রলোক যে পাঁচটা পয়েন্ট লিখেছেন, সেটা মেন্টেন করার এনভায়রনমেন্ট ইন্ডিয়ান কর্পোরেটে থাকেনা। ডেন্জারাসলি হায়ারার্কিকাল আবোহাওয়া, অনেক ক্ষেত্রে মাই বাপ টাইপের। এইচার পুরোপুরি ম্যানেজমেন্টের হাতে। আর কম্পানির মাথার দিকে অনেকে রয়েছেন যাদের নিজেদের ঐ দোষগুলো রয়েছে। নো ডাউট আইটি কোম্পানিগুলো অনেক বেটার রিক্রুটার - কারন সেখানে ডেলিভারেবল্স হোলো কোড যেটা বাচ্চারা লেখে। তাই উপোরের দিকের লোকেদের ইগো রিলেটিভলি কম - এখন অবশ্য জানিনা কি হয়েছে।
  • a | ২৮ মে ২০১২ ২১:৩৭551953
  • দেখুন, লেখাটা নিয়ে আমি আপনার সাথে প্রায় একমত, বিশেষত ৫ নং পয়েনখানা তো অতি বাজে ভাট।

    কিন্তু, আইটি কোং নিয়ে, ঐ ব্ল্যান্ক যা বললো, আপনার ধারণা পুরানো, আর কিছুটা হলেও বায়াসড। কোনদিন একসাথে বসা হলে এক্ষপি শেয়ার করা যাবে,
    তবুও বলি দেশের এমবিএ, আইআইএম, আইআইটি, আইএসাই, সব জাতীয় জীবের সাথেই কিছু গা ঘষাঘষির সৌভাগ্য হয়েছে। তাতে আরো বেশি করে আপনার কথাগুলো ভুল মনে হচ্ছে।
  • অপু | ২৮ মে ২০১২ ২২:০৮551964
  • ব্ল্যাংকি র সথে এক্দম ১০০% একমত। বেশীর ভাগ IT কোম্পনীতে হাতিঘোড়া কোন কাজ করে না। সব থোড় বড়ি খাড়া আর খাড়া বড়ি থোড়। মিনিয়াম IQ থাকলেই ঐ কাজ করা যায়। বিশেষ কোন কলেজ থেকে পাস করার দরকার নেই।
  • maximin | ২৮ মে ২০১২ ২২:২৪551975
  • তারা তো চাকুরে - মাইনে পেলেই খুশ।

    ছোট করে ভাবার উজ্বল উদাহরণ। নিজের মাইনে না কমলেই খুশ, এত ছোট করে সবাই ভাবে না। নারায়ণ মূর্তিও সিইও-ই ছিলেন।

    আমাদের গোটা শিক্ষাব্যাবস্থায় স্তরে স্তরে স্পুনফীডিং। পাশ করার পর চাকরিতে প্রবেশ করতে চলেছে, তখনও তারা বাচ্চা। বেশ কথা। তো, এই বাচ্চাদের দেখে পরের প্রজন্ম কী শিখবে?
  • অপু | ২৮ মে ২০১২ ২২:৩৩551986
  • চাকুরে রা মাইনে পেলেই খুশ মানতে পারলাম না।
  • maximin | ২৮ মে ২০১২ ২২:৪৫551997
  • এদিকে বাচ্চা ওদিকে লিখছেন -- “I want 'to be a part of an organization wherein I could cherish my erudite dexterity to learn the nitigrities of consulting”.

    (লিখছে না বলে লিখছেন বললাম। অচেনা লোককে আপনি করেই বলি, বয়েস নির্বিশেষে।)
  • maximin | ২৮ মে ২০১২ ২২:৫৬552008
  • সহমত অপু। কোনও চাকুরেই মাইনেকে ধ্যান জ্ঞান করে না। 'এস' অবশ্য এখানে সি-ই-ও দের কথা বলছিলেন। তারাও চাকুরে। বিদেশ হলে তাদের চাকরি যায়, এদেশের কোম্পানি হলে যায়না।

    মিনিমাম আইকিউ থাকলেই যে কাজ পারা যায় সে কাজের জন্যেও লোক বাছাই করতে হয়। কারণ চাকরি কম অ্যাপ্লিক্যান্ট বেশি। বাছাই করা হবে কীসের বেসিসে তাহলে?
  • bb | ২৮ মে ২০১২ ২৩:০০552019
  • ভারতে গ্লোবাল ডেলিভারি মডেলের প্রবক্তা ইনফোসিসের বিজনেস মডেলের মুলমন্ত্র হচ্ছে ফ্যাকট্রি মডেল- যেখানে ৯৫-৯৮% কাজ প্রসেস ড্রিভেন - আর তারজন্য দরকার হচ্ছে IT কুলির। সেখানে কলেজ ম্যাটার করেনা। কিন্তু বাকি ২% কাজের জন্য স্মার্ট এবং ল্যাটারার থিংকিং লাগে এবং সেখানে ভাল কলেজের পেডিগ্রী কাজে লাগে।
    আর ইনফির বর্তমান মডেল হচ্ছে মার্জিন না কমিয়ে কাজ নেওয়া। তাই অন্যান্যরা য্খন ইন্ক্রিমেন্টাল রেভিনিউ ১৫-১২% মার্জিনে নিচ্ছ, ইন্ফি তার রেভিনিউ ৩৩% এডিএম, ৩৩% কন্স্যালটিং আর ৩৩% প্র্ডাক্ট আর প্ল্যাটফর্ম বিজনেশ থেকে আনার টার্গেট করছে।
    সুতরাং কমবেশী সবাই বদ্লাচ্ছে। ভাল ছেলে এবং ভাল কলেজের ছেলের চাহিদা ছিল, আছে থাকবে। শুধু IIT, IIM থাকলেই ভাল এবং অন্য কলেজের ছেলেরা ভাল নয় এটা যেমন অসত্য, তেমনি ঐ প্রসেস ড্রিভেন হওয়ার জন্য IIT,IIM এর ছেলেদের কৌয়ালিটি অবশ্যই সাধারণ ছেলেদের চেয়ে বেশী ভাল এই ব্যাপারে দ্বিমত নেই।
  • S | ২৮ মে ২০১২ ২৩:৪২552030
  • ১) সিইওরা যে নিজেদের টোটাল ভ্যালু (ইন মনিটারি টার্ম) ছাড়া আর কিছু দেখেনা সেটা নিয়ে বিস্তর রিসার্চ আছে। অতএব আপনি মানুন বা না মানুন - সেটাই কথা। যেমন দেখা গেছে যদি সিভিয়ারেন্স প্যাকেজ বেশি থাকে তাহলে সিইওরা কম কাজ করে।

    ২) আর যে কম্পানি ২১০০০ কোটি টাকা ক্যাশ নিয়ে বসে আছে, এবং তেমন কোনো প্ল্যান নেই, তাদের ম্যানেজমেন্ট ঠিক কি ভাবছে বা আদৌ কিছু ভাবছে কিনা সেই নিয়ে সন্দেহ আছে।

    @a, আমার কোন কথাটা আপনার ভুল/পুরনো/বায়স্ড মনে হয়েছে জানালে এক্সপ্লেন করার চেষ্টা করবো। প্লিজ জেনেরিক কমেন্ট করবেন না। আর আমি কিন্তু তো আইটি সেক্টরের খুব বড় ফ্যান।

    @ অপু, তাহলে এতোক্ষন যে আলোচনা হলো যে ইন্ডিয়ান আইটি কম্পানিতে অনেক তাবড় তাবড় কাজ হয়। যদি না হয় তাহলে ঐ আউট অব দ্য বক্স ইত্যাদি ইভেন আইটিতেও কাজে লাগে না।

    @ bb, আমার কথাটা এক্জ্যাক্টলি আপনার কথা। কাজ যখন সেই থোর বড়ি, আর কম্পানি নিজেই নিজেকে ডিফেরেন্সিয়েট করে উঠতে পারছেনা - সেখানে আর ছেলেপিলেদের চাপ দিয়ে কি লাভ।
  • অপু | ২৮ মে ২০১২ ২৩:৫৬552042
  • না সমস্যা ট অন্য জায়গায়। আগে যে সংখ্যায় ছেলে লাগতো। এখন ও অনেক বেশী কাজেই অন্য কলেজ নিতেই হবে ইচ্ছে না থাকলেও।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। খারাপ-ভাল মতামত দিন