এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • Banglarmedhakromagotobideseprobasechalanhoyejacche!

    SUVRA BHATTACHARYA
    অন্যান্য | ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১১ | ৬১৫৮১ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • ab | ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১১ ০৬:৪৪496343
  • সোমনাথ তো ফিরেছে, বাংলা হয় নি, একটু সাইডে হয়েছে। পিনাকিদাও ফিরেছে, ওটাও একটু নিচের দিকে। বাংলাতে ঠিক নয়। এইভাবেই আস্তে আস্তে হবে।
  • Tim | ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১১ ০৬:৪৯496365
  • হ্যাঁ এই ইনিশিয়ালি আনসাকসেসফুল ( পড়ুন একটা পরীক্ষায়) কিন্তু পরে হাইলি সাকসেসফুল দের কিকরে রামছাগল বলি? কিন্তু পিটিবাবুর পয়েন্টটাই তো তথাকথিত "" বাজে"" রেজাল্ট করাদের দিকে ইঙ্গিত করে। তারা কি সকলেই বলিপ্রদত্ত? :-)
  • rimi | ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১১ ০৭:০৭496376
  • শুধু পরীক্ষার রেজাল্ট দিয়ে কারুর ক্ষমতার (বা ইন্টেলিজেন্সের) বিচার করার পদ্ধতি আমেরিকাতে তেমন চালু নয় মনে হয়। সেইজন্যেই কি ...?

    এদেশের এক সাইকোথেরাপিস্টের কাছে একটি মেয়ের গল্প শুনেছিলাম। মেয়েটি ছোটোবেলায় স্কুলে আইকিউ টেস্টে খুব কম পেয়েছিল। তার ভাই ওদিকে ছিল অংকে খুব ভালো। মেয়েটি তাই কমপ্লেক্সে ভুগত। অথচ লেখাপড়ায় সেও বেশ ভালো হয়েছিল, স্কুলে ইতিহাসের টিচার হয়েছিল। কিন্তু ঐ আইকু টেস্টের জন্যে সে জড়োসড়ো হয়ে থাকত। সাইকোথেরাপিস্ট কাউন্সেলিং করানোর সময় জানতে পারেন, মেয়েটি খুব সেন্সিটিভ, ওদিকে ভাই অংকে ভালো হলেও বাড়িতে অন্য কারুর মন খারাপ হলে সে খেয়ালও করত না। সাইকোথেরাপিস্ট তখন মেয়েটিকে বোঝান যে বুদ্ধি মানেই শুধু অংকে কিম্বা রাজনীতিতে তুখোড় হওয়া - এই ধারণা পুরুষশাসিত সমাজের তৈরী এবং এখন অচল (আবারো গরু রচনায় চলে এলাম, দু:খিত, এই সাইকোথেরাপিস্ট নিজে আবার বেজায় ফেমিনিস্টও কি না)। তিনি মেয়েটির নানারকম বুদ্ধির কথা তাকে জানান, যেগুলো ভাইএর ছিল না। তার মধ্যে অন্যের অনুভূতি বুঝতে পারার ক্ষমতা একটি (যাকে ই কিউ বলে এদেশে)। কাউনসেলিংএ কাজ হয়, মেয়েটি পরে খুব ভালো টিচার হিসেবে নাম করে, এবং অনেক উঁচুতে ওঠে।

    চিন্তা অনেক ভাবেই করা যায়, এই আর কি :-)
  • aka | ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১১ ০৭:২২496387
  • আরে এতে এত দিল পে লেনার কিসু নাই।

    প:ব:য়ের (মানে দেশের) এত কম ইউনি আর এত ভালো ছাত্তর যে সাপ্লাই আর ডিমান্ড মেলে না। এর সাথে আছে বিভিন্ন পাওয়ার হাউস কোটা, টাকার অভাব এটসেট্রা।

    বিটিডব্লু, আমি এক রামছাগল দেশে ও বিদেশে একই কাজ করি। হুঁ হুঁ বাওয়া ঢেঁকি স্বর্গে গেলেও ধান ভাঙে এ কথা আমায় দেখেই লেখা (আগের জন্মে)।
  • aka | ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১১ ০৭:২৪496398
  • অ্যাঁ মেয়ে শাসিত সমাজে খুব সেন্সিটিভ জনতা দেখা যেত। না গুরু পড়লে কত কিই না জানা যায়/
  • rimi | ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১১ ০৭:৩৪496409
  • আধুনিক সমাজে সেন্সিটিভিটিও এক ধরনের ইন্টেলিজেন্স বলে গণ্য করা হয়, যেটা আগেকার সমাজে ছিল না, এটুকুই বলা হয়েছে। উস্কে দেবার চ্যাষ্টা করে লাভ নেই। আজ আমি ঝগড়া করছি না :=)
  • de | ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১১ ০৮:৪৭496420
  • বিদেশ থেকে যারা ফিরতে চায়, তাদের ফেরার পরিবেশটা এখন গত বছর দশেক আগেও যা ছিল, তার থেকে অনেক ভালো। এখানে অবশ্য দেশে ফেরার কথা বলছি, বাংলায় ফেরা ইত্যাদীতে আমার তেমন ইন্টারেস্ট নাই! অন্তত: রিসার্চ-ওরিয়েন্টেড কেরিয়ারে চাকরির সুযোগ যোগ্য লোকেদের জন্য এখন ভালোই আছে। ফিরতে চায় অথচ ফিরতে পারে না, চাকরী পায় না বলে, এই ধরণের জনতা বিদেশে নন-পারমানেন্ট (৩/৫ বছরের রিনিউয়েবল কনট্রাক্ট) জবে থেকে যায় -- ইউজ্যূয়ালি এদের কাজকম্মো ততো ভালো কিছু হয় না। রিসার্চ ইন্সটিট্যুটে চাকরী পাওয়ার জন্য রাজনৈতিক দাদাগিরির দ্বারস্থ কোনকালেও হতে হতো না, বরং সিনিয়ার প্রফেসারদের দাদাগিরিই বেশী।
  • ridhhi | ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১১ ০৯:১০496431
  • টিম আমার স্যাম্পেল সেট মেটেরিয়াল সাইন্সেস বটনি আর সফটোয়ের। হ্যান এরা সবাই প:ব:র নয়। কিন্তু প্রচুর। দেশের রেকড' মধ্যমানের বা খারাপ। আপনার ইউনিভার্সিটির লিস্তের সথে আমর সেট তুলনা করলেই ক্লিয়ার হয়ে যাবে। এলেবেলে নামে ভরপুর। এখনে বাচি্‌বচর না করলে যে কোন ইউনিভার্সিটি পাওয়া খুব সহজ। জয়েন্ট র‌্যনকিঙ্গের মত।
    এদের মধ্যে ভাল রাই গেলে কিছু পাবে না। আমার দাদা এপলাইড ম্যাথ। ও বলে সিন নেই দেশে কিছু জোটানোর। এখনে অসিস্তন্ত প্রফেসর হওয়া তার থেকে অনেক সহজ। আপনাকে যারা বলছে, তারা ধপ দিতেই পারে জেনে রাখবেন।
  • riddhi | ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১১ ০৯:১৮496442
  • আর কলকতা কি আধুনিক সমজের মধ্যে পড়ে না? ওখানে সেন্সিতিভিটি আর ইন্টেলিজেন্স কিন্তু আলাদা ধরে। তাই বলে কি লোকে কম সেন্সিতিভ? ইকু পিকুর দর্কার টা কি? যার অনক হওয়ার নেই তার হওয়ার নেই। তাই বলে তকে বাবা বাছা করে তোমার ইকু ফিকু বলে ঘেতে দেয়র কিছু হয়নি। আমি জানি আমি ছেলে ভালো ফলতু কাথি করি না বিদ্দেসগর নাই বা হলম। এটাই তো? তো সেটা আমরা সব্বাই জানি। আপ্নার ঐ ইকু সিরিঅল কিলর ছাড়া সবার অছে।
    আর ইন্তেলিজেন্স একটি টার্ম। সেটা objectively processing speed মেমরি দিয়ে মাপ যায়। দিকশনরিতেও তার এই মানে। উদারতার জন্য সেটকে চেন্‌জ করা যায় ন।
    এসব করতে গেলে আরেক মুস্কিল যাদের ইকু নেই আই কু নেই, তারা কি করবে? কোন লোজেন্‌চুস টা তাদের সমনে ধরা হবে?
  • Tim | ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১১ ০৯:৪০496454
  • রিদ্ধিমানকে পয়েন করে করে বলি। :-)

    ১। এখানে প: বঙ্গের লোকজনদের নিয়েই কথা হচ্ছে। সত্যিই আমি এই প্রথম একজনের কথা শুনলাম যিনি গাঁটের পয়সা খরচ করে ""বাজে"" ইউনিতে পড়শুনো করেছেন। দেখিনি/শুনিনি এর আগে। পয়সা দিলে অনেক বেটার ইউনি এমনিতেই নিয়ে নেয়। এরকম কেউ কেন করবে জানিনা।
    অন্যত্র ( ধরুন আমাদের ইউনিতেই) পয়সা দিয়ে অনেকেই আসে। তারা হয় খুব বড়োনোক, তাই অ্যাফোর্ড করতে পারে, অথবা লোন নিয়ে আসে, নয়ত একটা সেমের পর নিজের যোগ্যতায় স্কলারশিপ পায়। এদের মধ্যেও বাঙালি কম, তাও আছে। অন্য স্টেটের বন্ধুদের মধ্যে অনেককেই দেখেছি লোন করে এসে পড়ে। এবং পরে চাকরি করে সেই লোন শোধ করে। তাদের কষ্টসহিষ্ণুতা এবং স্ট্রাগলকে আমি শ্রদ্ধা করি। এবং এদের মধ্যে অনেককেই পরবর্তীকালে বেশ সফল হতে দেখেছি।

    ২। দেশের রিসার্চ ইন্সটিটিউটের কথা উঠলো। নতুন অর্গানাইজেশনগুলো দেখুন। নতুন হওয়া আই আই টি, আই আই এস ই আর। দেখবেন কনসিস্টেন্সি নেই। একজন এমাইটি স্কলার গুচ্ছ পাবলিকেশন, তো আরেকজনের তেমন কোন ভালো কাজ নেই। খুব ইনসিগনিফিকেন্ট একটা বা দুটো পেপার। এখন, এইসব দেখে আমার বিশ্বাস করতে কষ্টই হয় যে সর্বত্র যোগ্যতম ব্যক্তিরাই চাকরি পায়। বরং দেদি যেটা বললো, সেই সিনিয়র প্রফেসরদের দাদাগিরির কথাই মনে পড়ে। তাহলে আমি কিসের ভিত্তিতে এটা বলবো, যে যারাই বিদেশে কোনমতে টিঁকে আছে তারা সবাই খারাপ, আর যারাই দেশে ফ্যাকাল্টি, তারাই ভালো। বেনোজল তো দু জায়গাতেই আছে।

    ৩। কোন বিষয়ে অ্যাসিস্টেন্ট প্রফ হওয়া সোজা, আর কোন বিষয়ে অসম্ভব, এইটা জটিল অঙ্ক। এর মধ্যে ডিমান্ড-সাপ্লাই ইত্যাদি প্রভৃতি নানান গোলমেলে ব্যাপার আছে। দ্রিসেশন তো আছেই। তাই সেইটা দিয়ে একজন অ্যাকাডেমিশিয়ান ভালো কি খারাপ সে বিচার আমি করবোনা। কেউ অ্যাপ্লায়েড ম্যাথ মানেই সে ""বাতিল"" আর ""ফাইনান্স"" মানেই হেব্বি পোতিভাবান, এত সরল মনে হয় হিসেবটা নয়।
  • riddhi | ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১১ ০৯:৪২496465
  • আর 'গণ্য' করা হয় মানে কি? মানে এই নয় যে এটা নিয়ে কোন ল প্রুভড হয়ে গেছে। কিছু হাতে গোনা সাইকোলজিস্ট মনে করেন। তো আমরা সেটা হঠাত মানতে যাব কেন?
  • ridhhiman | ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১১ ০৯:৪৫496476
  • আগেরটা রিমি কে।
  • riddhi | ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১১ ০৯:৫১496487
  • দেশের সবখানে খুব ভাল এটা আমিও মানি না। কিন্তু বিদেশে যারা যায়, তাদের মধ্যে প্রচুর বেনো এটা আমি জিনের জীবন দিয়ে দেখেছি। আপনি লজিকটা দেখুন। এখানে করে খাওয়া খুব কঠিন কি?
  • Tim | ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১১ ১০:০৬496498
  • যাদের এদেশে করে খাওয়া কঠিন না, তাদের অনেকেরি দেশেও খুব একটা কঠিন না। তবে সেটাও সাবজেক্ট টু সাবজেক্ট ভ্যারি করে মনে হয়। :-)
    আসল কথা, একটা (রিলেটিভলি) বেটার ইনফ্রাস্ট্রাকচারে থাকার কিছু সুবিধে আছে। এত ইউনিভার্সিটি, এত কলেজ, চাকরির সংখ্যা তো বেশি হবেই। কিন্তু সুযোগ বেশি, অতএব সহজে পেয়েছে, তাই তেমন ভালো হয়েও পেয়ে গেছে--- এইটা একটু অতিসরলীকরণ।
  • Tim | ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১১ ১০:০৯496509
  • রিদ্ধির প্রথম লাইনে তো মোটামুটি একমত। ক্রমশ বেশি বেশি করে ছেলেপুলেরা বাইরে এলে তার মধ্যে একটা অংশ বেনো হবেই। কিন্তু সেখানেও বলি, দেশে আর বিদেশের একটা তুলনামূলক বেনোজল স্টাডি করলে সেটা একটা ইন্টারেস্টিং পেপার হবে। :-)
  • Tim | ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১১ ১০:১২496520
  • ওহো মিসটেক মিসটেক। ১০:০৬ এর পোস্টে ""তেমন ভালো না হয়েও"" পড়তে হবে।
  • kd | ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১১ ১০:৫৭496531
  • তক্কোটা কী নিয়ে হচ্ছে ঠিক বুঝে উঠতে পারছি না, তবে এটা বুঝেছি কিছু একটা ব্যাপার নিয়ে হচ্ছে। অতএব এটা নি:সন্দেহে প্রমাণিত যে আমার মাথাটি মোটা (খুব না, এই মোটামুটি) আর এই মাথা নিয়েই আমেরিকাতে করে-কম্মে থেকেছি। সুতরাং আমি কোন না কোন সাইডের স্যাম্পেল - এটাই আমার কϾট্রবিউশান এই টইতে।

    তবে একটা কথা বলা জরুরি। নকশাল গন্ডগোলে খুন-টুন না হয়ে গেলে বাই ১৯৭৮, ৩২ বছর বয়সে আমার মিন্ট মাস্টার হওয়া কেউ আটকাতে পারতো না - ভারতের সরকারী চাকরিতে মেরিট লাগে না, সিনিওরিটি একমাত্র মাপকাঠি। মিন্ট মাস্টারের চাকরি খুব ফেল্‌না না - ফাইনান্স মিনিস্টারের ডিরেক্ট আন্ডারে, মাইনে সেক্রেটারি স্কেলে (অন্তত: ৬৯ সালে তাই ছিলো শুনেছি)। ওখানের চাকরি ছেড়ে আমার আমেরিকা যাওয়ার প্ল্যান শুনে বেশ কিছু বাবা-তুল্য গুরুজনেরা প্রবল আপত্তি জানিয়েছিলেন - তাঁরাও বলেছিলেন আমি মাথামোটা।

    তাহলেই বোঝা যাচ্ছে, মাথামোটারা দু'কুলেই করে খেতে পারে - আসল কথা, বরাত।
  • Gandhi | ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১১ ১১:৪১496542
  • আমার অল্প জ্ঞানে যেটা বুঝি, মেধা জিনিসটা খুব ঘাঁটা ... কেউ পরপর ডেফিনিসন দিতে পারেনি এখনো বোধহয়....

    প্রসঙ্গ যদি হয় বাঙালি কেন বাইরে যাচ্ছে... তাহলে আমার বন্ধু বান্ধব বা আসেপাসের কিছু (স্যাম্পেল সাইজ যদিও খুবই ছোট) মানুষের থেকে পাওয়া অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি... আমাদের জেনারেশন বাইরে যাচ্ছে কয়েকটি কারণে ....

    . বাইরে গেলে পাবলিকের কাছে হেব্বি রেল নেওয়া যায়.... কোথায় কোথায় বলা যায় ... আমাদের আমেরিকায় এই জিনিসটা অনেক ভালো... এখানে সব বাজে... সেখানে আমার মত জনগণ বগল বজায়... তারাও আনন্দ পায়....

    . ফ্যামিলির একজন যদি বিদেশে যায়, আমি না যাই তাহলে লোকসমাজে মুখ দেখানো দায়.....

    . এই কারনটা কেউ সাধারণত বলে না, আমার কিছু বন্ধুদের এই চিন্তাটা দেখেছি..... " ধুর.. বাড়ির কাছাকাছি থাকলেই প্রছুর সেন্টু.. বাড়ি আয়ে,.. এটা কর .. সেটা কর... তার থেকে দুরে থাকলে নিজের ইচ্ছামত যা খুশি করা যাবে.... "

    আর আই.আই.টি. র পাস করা পাবলিকের বাইরে যাওয়ার কথা বললে .... সে একদিক থেকে ভালই হয়...
  • PT | ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১১ ১২:১০496553
  • সাদাম্পটনের রাস্তায় যে গুজরাতি ছেলেটির সঙ্গে আলাপ হয়েছিল সে তার কাকার মুদির দোকানে মুটের কাজ করে। একটা ঠিকানা দিয়ে গপ্প করার জন্য ডাকল। গিয়ে দেখি সেটি একটি মন্দির। যাঁদের সঙ্গে পরিচয় হল তাঁরা বেশীরভাগই ছোট ব্যবসায়ী, কাজ চালানোর মত ইংরিজি বলেন এবং কাজের বাইরে ইংরেজ সমাজ থেকে শতহস্ত দূরে থাকেন। এঁরা কেউই ভারতে লেকচারারের চাকরী পেতেন না। এটা বললে লেকচারার বা এই মানুষগুলো কাউকেই খাটো করা হয়না। অনেক উচ্চশিক্ষিত ভারতীয়র পাশাপাশি অনেক কম-শিক্ষিত মানুষ বিদেশে চলে গিয়ে নিজেদের এবং দেশের উপকার করেছেন সে ব্যাপারে কোনো-ই সন্দেহ নেই।

    এখানে যাঁরা লিখছেন তাঁদের অনেকেরই কলেজ/ইউনিভার্সিটির রিক্রুটমেন্ট পদ্ধতি নিয়ে সম্যক ধারণা নেই। নাম লিখব না বলে লিখছি না - ক:বি:-র এক বিখ্যাত অধ্যাপক ৭০-এর দশকে নিজের মেয়ে, জামাই, ছাত্র, ছাত্রী দিয়ে একটি বিভাগকে ভরিয়ে দিয়েছিলেন কেননা তখন তাঁর কথাই শেষ কথা ছিল। তাঁদের কেউ কেউ এখনও পড়াচ্ছেন, দু-একজন ছাড়া পড়ানো বা গবেষণাতে কেউ-ই বিশেষ দাগ কাটতে পারেননি। আমার সঙ্গে কেউ যোগাযোগ করল তাঁদের নাম বলে দিতে পারব।
  • Sibu | ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১১ ১২:২৬496565
  • তিমি গাঁটের পয়সা খচ্চা করে কাউকে বাজে ইউনিতে পড়তে দেখে নি!! এই ধর লয়োলা মেরিমাউন্ট, বা পেপারডাইন, এগুলোকে কি বাজে ইউনি বলা যাবে?
  • Sibu | ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১১ ১২:৩০496576
  • পু: যখন অনেকদিন ছাত্তর ঠ্যাঙাতে না পেরে হাত চুলকোয়, তখন ঐ রকম একটা যায়্‌গায় গিয়ে আমি দু-এক সেমেস্টার/কোয়ার্টার অ্যাডজাকট হয়ে এক-আধটা কেলাস পড়িয়ে আসি।

    খুবই অল্প পয়সা, কিন্তু হিসাব বহির্ভূত (বউ জানতে পায় না)। বিপ কি এই সুলুকটা জানে?
  • kd | ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১১ ১৩:৪৮496587
  • গান্ধি উবাচ এক নম্বর: আমাদের পাড়ায় প্রায় প্রতি বাড়ি থেকেই ভাড়ায় খাটা ছেলেরা আমেরিকা যাচ্ছে। দু'টো জিনিস নোটিশ করেছি।
    ১) ছেলে যাওয়ার দু'তিন মাস বাদেই ছেলের বাবার কাছে শুনি, ছেলে ভিসার ব্যবস্থা করে ফেলেছে - আমি যদি কোন ভালো ট্র্যাভেল এজেন্ট সাজেস্ট করি। উত্তর: ছেলের ট্র্যাভেল এজেন্ট নিচ্ছেন না কেন? কি করলো সে? আনফর্চুনেটলি, ভিসা আমেরিকা সরকার নাকি শেষ মূহুর্তে আটকে দিয়েছে। স্যাম্পেল সাইজ তিন - প্রশ্ন, উত্তর, শেষ একদম এক।
    ২) দু'তিন বছর বাদে ফিরে এসে ছেলের চোখে এখানকার রোদ্দুর বড়ই কড়া লাগে, তাই দিনরাত সানগ্লাস পরতে হয়, নাহ'লে মাথায় বড়ো যন্তোন্না হয়। রাতেও কেন, সাহস করে জিগাইতে পারি নাই। স্যাম্পেল সাইজ দুই।
  • stoic | ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১১ ১৪:২১496598
  • এই টই টাতে যে ঠিক কি নিয়ে কথা হচ্ছে সেটা এখনও আমার মাথায় ঢুকলো না।
    যে যেখানে যেভাবে পারছে করে খাচ্ছে, এটাই তো মোদ্দা কথা বলে জানি। ভুল জানি কি? তাইলে শুধরে দেবেন।
    মানে কারুর হাতেই তো এন্ডলেস অপশানস নেই। অল্পবিস্তর অপশান্স বা চয়েস যাদের আছে তারা ভাগ্যবান এবং ব্যতিক্রম। এবার সেই চয়েসগুলোর মধ্যে একজন সেটাই চুজ করবে যেটা তার জীবনের রিকোয়ারমেন্টগুলো অপ্টিমালি স্যাটিসফাই করবে। এই তো গপ্প।
    মানে ভুলভাল চুজ করতেই পারে, বা জীবনের রিকোয়ারমেন্ট পাল্টাতেই পারে, তাহলে হয় নতুন অপ্‌শান খুঁজবে, বা আগের চয়েসেই থেকে যাবে ফ্রাস্ট্রেটেড হয়ে।
  • rimi | ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১১ ১৮:৩২496609
  • এখানে যে কি নিয়ে কথা হচ্ছে সেইটা আমারো ঘেঁটে গেল এবারে। পিটি যে উদাহরণ দিলেন, সেই ছেলেটির "লেকচারারের চাকরি জোটাতে" না পারার কথা আসছে কি ভাবে? এই ছেলে কি দেশে থাকলে লেকচারার হবার চেষ্টা আদৌ করত? এ দেশে থাকলেও ব্যবসা করত, বিদেশেও তাই করছে।

    আমি তো ভেবেছিলাম, পিটি আগের পোস্টে তাদের কথাই বলেছেন যারা দেশে থাকলে লেকচারারের পোস্ট জোটাতে পারত না, কিন্তু বিদেশে গিয়ে অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফ হয়ে বসেছে :-)

    তবে হ্যাঁ, কে চলে গেলে আর কে থাকলে "দেশের" উপকার হয়, সেইটা কিন্তু খুব গোলমেলে হিসেব, আর সাবজেক্টিভও বটে। আমি দেশে থাকলে বা না থাকলে আমার নিজের উপকার হয় কি না, আমরা সেটুকুই শুধু বলতে পারি। :-(
  • aka | ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১১ ১৮:৪৭496620
  • আমিও ঠিক বুইতে পারি নি, ঠিক কি নিয়ে কথা হচ্ছে।

    শুধু একটাই কথা। আমেরিকার হেঁজিপেঁজি ইউনিতেও একটু খুঁজলেই বেশ ভালো ছাত্তর পাওয়া যায়। আমার দুজন কলিগ আছে বয়স হল যথাক্রমে ২৬ এবং ২১ বা ২০ ও হতে পারে। দ্বিতীয় জন তো এখনও আন্ডারগ্র্যাজুয়েট পাশ করে নি। তো, এদের যা টেকনিকাল অ্যাকিউমেন, প্রোগ্রামিং এবিলিটি আমি আমাদের দেশের অনেক নামজাদা ইউনির (কম্প সায়েন্স ধরলেও) লোকজনদের মধ্যেও কম দেখেছি। এরা দুজনেই আমাদের ইউনি থেকেই পাশ করা। তাই অমন ফ্লোরিডার ধুরস্য ধুর ইউনিভার্সিটি বলে নাক সিঁটকোবেন না। ইকোয়েশন গুলো একটু অন্যরকম। এমাইটি বা বার্কলেতে ভালো ছাত্তর পাওয়ার চান্স হয়ত ৯০ শতাংশ। ফ্লোরিডার ধুরস্য ধুর কলেজেও পাইলেও পাইতে পারেন অমূল্য রতন। অমন জেনারালাইজ করে দিয়েন না।
  • Tim | ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১১ ২০:২৮496631
  • রিমিদি আজ্জোদা কে ক। ওহায়োর এক অখ্যাত ইউনি থেকে পাস করা ( একই ব্যাচের ) ছেলেপুলে কেউ স্ট্যানফোর্ডে পোস্ট ডক কেউ আর্নেস্ট অ্যান্ড ইয়ং এ ম্যাঞ্জার, কেউ পেন স্টেটে পড়াচ্ছে। ওরকম অখ্যাত বলেই ধুর, এই কথা ভাবলে ওরা কোনদিন সুযোগ পেত না।

    শিবুদা, ইউনির নামই শুনিনি। মাইরি আমি এখনও বুঝতে পারছিনা কনভার্সান রেটের দেওয়াল টপকে যারা আসবে তারা ধুরস্য ধুর ইউনিতে না গিয়ে কেন ১৮৮ নবর ন্যাশনাল ইউনিতে যাবেনা। মানে যেতেই পারে, কিন্তু সেটা রেয়ার কেস বলেই আমার মনে হয়েছিলো।
  • pinaki | ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১১ ২০:৪৪496642
  • বাংলার মেধা মোটেই বিদেশে যাচ্ছে না। অন্যান্য রাজ্যের তুলনায় বাংলার মেধা বিদেশে যাওয়ার অনুপাত নগণ্য। আইটি সেক্টর বাদ দিলে। এখন যদি এটা ধরে নেওয়া হয়ে থাকে যে বাংলার মেধা সমাবেশ একমাত্র আইটিতে ঘটেছে - তাহলে অন্য কথা। বাঙালি ঘরকুনো ও আড্ডাপ্রিয়। সন্ধ্যেবেলা আপিস থেকে ফিরে এবং উইকেন্ডে পাড়ার ক্লাবে একটু ক্যারাম বা ব্রিজ পেটাতে পেটাতে ডাক্তার বদ্যি, ফুটবল ক্রিকেট এবং সিপিএম তিনোমূল না করলে বাঙালির দিন কাটে না। বিদেশে যদি কোনো এলাকায় বাঙালি এরকম পরিবেশ পায়, যেখানে একটা বড় বাঙালি কমিউনিটি অলরেডি আছে, দুগ্গাপুজো, কালিপুজো, সরস্বতীপুজো টুজো হয় - যেমন বে এরিয়া - সেখানে গিয়ে বাঙালি থাকলেও থাকতে পারে। তবে পর্যাপ্ত পিএনপিসির সুযোগ দিতে হবে। পাড়ার ক্লাবে ক্যারাম বা ব্রিজের সাথে সিপিএম তিনোমূল - এর একটা উপযুক্ত রিপ্লেসমেন্ট তো চাই জীবনে।
  • pinaki | ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১১ ২০:৫০496653
  • আগের প্যারায় প্রথম লাইনের পরে একটা লাইন লিখবো ভেবেও লিখিনি। থাকতে না পেরে লিখে দিলাম। এরকম হবে -

    বাংলার মেধা মোটেও বিদেশে যাচ্ছে না। বাংলার বাঘ হয়ে বাংলায় বসে বগল বাজাচ্ছে (মতান্তরে বাল ছিঁড়ছে)।
  • Tim | ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১১ ২০:৫৭496664
  • :-))
    চোন্দিল এইজন্য বলেছিলো যে খিস্তির মত ভেন্ট খুব কমই আছে।
  • nk | ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১১ ২১:৩২496676
  • এদিকে এক স্ট্যাটিসটিশিয়ানকে খুব রেগে গিয়ে একজন বলে দিয়েছে "বা*%#ছিঁড়াপন্ডিত", তাতে লেগে গেছে ধুন্ধুমার।
    :-)
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যুদ্ধ চেয়ে প্রতিক্রিয়া দিন