এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  নাটক

  • প্রবাসে ও বিদেশে বাঙলার মেধা পাচার পালা - দ্বিতীয় অঙ্ক

    pi
    নাটক | ১৩ অক্টোবর ২০১১ | ৩২২৪০ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • h | ১৩ অক্টোবর ২০১১ ০৭:৪১494924
  • আমার মনে নেই আমি কেন এগজ্যাকটলি বিদেশে গেছিলাম, মনে ভেবেছিলাম বিদেশে মিডিওকার লোক হলেও অনেক পয়সা হবে, ফিরে এসে আয়নার সাহয্য ছাড়াই বা:সা: র উপকার করবো :-) কিন্তু পয়সা জিনিসটা এত হা: খালি মদ আর ফুটবলের পেছনে ছোটে, জে ক®¾ট্রাল করা খুব মুশকিল। কেন দেশে ফিরেছিলাম তা ভালো করে মনে থাকলেও একটাও সত্যি হয় নি বা হবে না। যেমন ঠেকে নিয়মিত বসা, অনেক বাংলা বই পড়া, কিসু একটা রাজনীতি করা, বা সা কে ধন্য করা আর কয়েকটি পারিবারিক টুক টাক :-)

    যাই হোক রিদ্ধি র সাম্প্রতিকতম বাংলা ভাষার খবর দেওয়ার প্রোজেক্ট টা হেবি লাগলো। এই মোটিভেশন একমাত্র মিডিয়া কোম্পানীর থাকে। দিকে দিকে তারা বাংলা টার্গেট অডিয়েন্স খুঁজে থাকে, i am sure কদিন বাদেই তিয়েন আন মেনে দেড়শো বছরে অকাল বোধন এর ঐতিহ্য নিয়ে তারা ফিচার করবে। এশিয়ার পুনুরুত্থানের একটাই চাপ, সুভাষকে আবার ঘরে ফিরে আসতে হতে পারে ;-)
  • aranya | ১৩ অক্টোবর ২০১১ ০৭:৫৬494935
  • @হ, ম: = ?

    সুনীলের গবেষণা ভিত্তিক মেগা উপন্যাসগুলো বাংলা সাহিত্যের পক্ষে খারাপ কেন ? এই প্রশ্নের উত্তর অবশ্য নাও দিতে পারেন, ইচ্ছে না হলে।
  • riddhi | ১৩ অক্টোবর ২০১১ ০৮:০২494946
  • এ কি পাগলা সাহেব নাকি ? ছ মাইল?? এ তো এফ বি আই এর লোকেরা করে ট্রেনিং নিতে | আর এত কসরত কিসের জন্য? কিলিমানজার যাবে বলে? পুরোটাই এখান থেকে স্প্রিন্ট লাগাবে নাকি?
    ওনার দেশের আর একজন রস-ক্ষেপা সাহেব এই জায়গাটা নিয়ে গপ্প লিখেছিলেন স্নো:: কি:. তো সে গাপ্পতার কিছু না বুঝলেও এটা বুঝেছি, শিখর দেশ ফেস নিয়ে কেউ মাথা ঘামায় না.,. শিখরদেশের কোন উল্লেখই নেই| সব একশন নিচে.| ভিউটাই তো আসল| আপনার সাহেব যখন ঘেমে নেয়ে শর্তস পারে হাপাতে হাপাতে উঠাতে শুরু করবে দেখাবে পাদদেশে বৌমা পরিবৃত হয়ে কেউ পিকনিক করছে. তখন তার মানসিক অবস্থাটা কেবল সেই আন-হেলদি খাদ্য বস্তুর সাথে তুলনীয় যেটা একজন বৌমার টিফিন কেরিয়ারে থাকবে | সঙ্গে আলুর দম| কে বলে, কিছুদিন পরেও আমিও সেই ভাগ্যবান হাতে পারি | তখন আপনাকে পস্‌ত্‌কার্দ পাঠিয়ে দেব, নাহয় | বেসের সুন্দর ভিউ তা দেখবেন ফর আ চেঞ্জ |
  • Tim | ১৩ অক্টোবর ২০১১ ০৮:০৩494957
  • হনুদা,
    বেজায় ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। ক্লারিফাই করি।

    টার্মটা ছিলো ইকোনমিক রিফিউজি। আমি ম: করেই কইলাম, যে, ছাত্রদের এর মধ্যে ধরা হচ্ছে কিনা। ধরাই যায়, কারণ পিনাকীদা যতই বিলো পভার্টি লেভেল বলুক না কেন, পোথোম বিসসে স্কলারশিপের টাকা দিয়েও অনেক কিছুই হয়, যেগুলো দেশের সিমিলার লেভেলে অ্যাচিভ করা প্রায় অসম্ভব।

    মেধা, গবেষণার উচ্চাকাঙ্খা, আর এক্সচেন রেট, এইগুলোর কোনটা প্রাইমারি আর কোনগুলো সাবসিডিয়ারি আমি জানিনা। সুতরাং কোন মন্তব্য নাই।

    সারা পিথিবিতে লোকে হদ্দমুদ্দ খাটছে--- এইটা আসলে থিওরি অফ এভরিথিং নিয়ে বলা (ম: করে) এবং আবার একইসাথে সিরিয়াসলিও বলা, যে ভ্যারিয়েবল কার কি কি সেগুলো না জেনে ( মানে কে কেন কোথায় খাটছে, খ্যাল করো পিথিবি বললাম, মানে বলা বাহুল্য এশিয়াও আছে)----পিটির মন্তব্য "" সেরকম কোন ভ্যারিয়েবল নেই, সবারই উদ্দেশ্য গ্রীনকার্ড আর সাদা বান্ধবী জোগাড় করা... "" এইটা কাউন্টার করে বলা।

    আমার জানা এক বন্ধু দেশে আছে। পার্ট টাইম পি এইচডি করে জে ইউ তে। কলেজে পড়ায়, সন্ধ্যের পর এসে রিসার্চ করে। এইসব করে বললে বিশ্বাস করবেনা, সে একটা ভালো কাজ ( থিওরেটিকাল) নামিয়েছে সবে, এমন সময় গতমাসে তার একটা চোখের দৃষ্টি চলে গেল। সেইটা নিয়ে দৌড়োদৌড়ি করতে না করতেই মায়ের ইন্টেসটাইনে ক্যান্সার সন্দেহ করে ডাক্তার টেস্টের ফিরিস্তি দিয়েছে। মা, দিদি ইত্যাদি কারণে সে এতদিন বাড়িতে ছিলো, প্রবল ইচ্ছে ( সবার) সঙ্কেÄও বেরোয়নি কলকাতা ছেড়ে। অথচ এখন দেখ সেটাই কেমন ব্যাকফায়ার করছে। এখন সেই ছেলে ভাবছে শিগ্গিরি একটা যেকোনো জায়গায় পোস্টডকে চলে এসেছে টাকাপয়সার সমস্যাটা মেটাবে কিনা। তো, কথা হলো একেকজন একেকটা কারণে বাইরে যায়।
  • ridhhi | ১৩ অক্টোবর ২০১১ ০৮:০৫494979
  • : মানে মেসেজ হাতে পারে | গেস করলাম
  • ridhhi | ১৩ অক্টোবর ২০১১ ০৮:০৫494968
  • : মানে মেসেজ হাতে পারে | গেস করলাম
  • pi | ১৩ অক্টোবর ২০১১ ০৮:১১494990
  • রিদ্ধিবাবু কি বাই এনি চান্স গুগল ট্রান্সলিটারেশনে জাতীয় কিছুতে লিখে অভ্যস্ত? আর সেই রীতিটাকেই এখানে বাংলাপ্লেনে অনুসরণ করছেন ?
    আপনার বানানগুলো, মানে ড কে দ, ট কে ত দেখে তো তাই লাগছে। তালে তো আপনি সেখানেই লিখতে পারেন, তারপর লেখাটাকে কপি করে সাইটের ইউনিকোড ভার্শনে গিয়ে পেস্ট করে দিন। ঠিকঠাক আসবে। ঐ ভার্শনটা সাইটের মাথায় আছে।
  • rimi | ১৩ অক্টোবর ২০১১ ০৮:১২495001
  • আমিও বেশির ভাগ কথাই ম: করে বলেছি। সি: বললে বিদেশের শি:ব্য:র কথা বলতাম, টা: র চেয়েও আমার কাছে যেটা বেশি ই:, আমার নিজের জ: স্যা:র কথাও বলতাম। বলি নি, কারণ আমি সি: কথা বলছি না। পুরোটাই ম:।
  • ridhhiman | ১৩ অক্টোবর ২০১১ ০৮:১৪495012
  • ঐ বাংলা লেখার কল আসছে না | ইউনিকদে এভাবে ছাড়া কিকরে লিখতে হয় জানি না
  • ridhhiman | ১৩ অক্টোবর ২০১১ ০৮:১৬495024
  • এখন জানলাম ম: মানে কি? খুব সময় নস্ট করলাম মনে হল |
  • ridhhiman | ১৩ অক্টোবর ২০১১ ০৮:২১495035
  • " যে ভ্যারিয়েবল কার কি কি সেগুলো না জেনে ( মানে কে কেন কোথায় খাটছে, খ্যাল করো পিথিবি বললাম, মানে বলা বাহুল্য এশিয়াও আছে)----পিটির মন্তব্য "" সেরকম কোন ভ্যারিয়েবল নেই, সবারই উদ্দেশ্য গ্রীনকার্ড আর সাদা বান্ধবী জোগাড় করা ... "" এইটা কাউন্টার করে বলা।"
    ভেরিয়েবল অল্পই | বাকিগুলো ওগুলো থেকে আসে | এস বললেন সিকিউরিটির কথা | আমি টাকা বলতে পুরো প্যাকেজ্‌টাই মিন করেছিলাম, জীবন যাত্রার মান যাকে বলে |
  • pi | ১৩ অক্টোবর ২০১১ ০৮:৩২495057
  • টিম, পিনাকীদা,
    দেশে পি এইচ ডি লাইফে কিন্তু বিন্দাস কাটিয়েছি। টাকা পয়সার কোন অসুবিধা মনে হয়নি। এখানকার গ্র্যাড স্টুডেন্টদের থেকে খুব কঠিন কিছু জীবন না তো। থাকা নিয়ে চিন্তা নেই, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই প্রায় ফ্রি হোস্টেল, খাওয়া দাওয়া নিয়ে চিন্তা নেই, ক্যান্টিন, মেস রয়েছে ( আর বাড়ি থেকে করলে তো কথা নেই), বই কেনার জন্য অ্যালাওয়েন্স পাওয়া যায়। মুভি ক্লাবে ফ্রি তে সিনেমা টিনেমা ও দেখা যেত। অনেকদূর অব্দি ট্রান্সপোর্টেশন ফ্রি।
    আমাদের বেশিরভাগ জনতাই এই বর্ষাকালের মরশুমে প্রায় ফি হপ্তা আশে পাশে ঘুরতে বেরিয়ে পড়তো। বাইরে খাওয়া দাওয়াও লেগেই থাকতো।
    কনফারেন্সে ঘোরাঘুরি তো আছেই। আর দেশে কনফারেন্স মানে তো পুরো মোচ্ছব। এদেশের মত না। টাকার গুচ্ছ শ্রাদ্ধ বটে, কিন্তু ছাত্র ছাত্রীদের পোয়াবারো। রাজকীয় খাওয়াদাওয়া, বেরানো, বেশিরভাগই ফ্রি।
    এছাড়া বিদেশে কনফারেন্স, ওয়ার্কশপ এসবও ছিল। ফিজিক্সের কিছু জনতা তো ইউরোপের কোন দেশ আর বাকি রাখেনি।

    এখানে ছাত্রছাত্রীদের বরং অনেক বেশি হিসেব করে চলতে দেখি।

    হ্যাঁ, ঘর এসি হত না। তা, ঘরে কে আর কতক্ষণ থাকতো ! বাড়িতেই বা আমরা ক'জন এসিতে অভ্যস্ত !

    হস্টেলে ওয়াশিং মেশিন থাকতো, ধোপার ব্যবস্থাও। এসব নিয়েও কোনো চাপ ছিলোনা।

    নেটফ্লিক্স ছিল না বটে, কিন্তু পরোপকারী জনতা টরেন্ট থেকে নামিয়ে যে বিশাল মুভি ব্যাংক বানিয়ে রাখতো, সারা পিএইচডি লাইফ বসে বসে দেখলেও শেষ করা যাবেনা ইত্যাদি ইত্যাদি।

    সবচে ভালো ব্যাপার, গভীর রাত অব্দি ক্যান্টিন খোলা। আচ্ছাসে ঠেক মারো। তারপর ফিরে টিভি রুমে একসাথে কিছু দেখা। কিছু জনতা ক্যারাম পিটতে গ্যালো, কেউ তাস। কোথাও গানবাজাঅ। কোথাও মালের পার্টি। কোথাও প্রেম ট্রেম।

    বিন্দাস জীবন ছিল।
  • Abhyu | ১৩ অক্টোবর ২০১১ ০৮:৩২495046
  • আই ব্বাপ !
    (কোন পোস্টকে বললাম বলুন দেখি)
  • rimi | ১৩ অক্টোবর ২০১১ ০৮:৩৭495068
  • হ: পো: ব:
  • Tim | ১৩ অক্টোবর ২০১১ ০৯:০১495079
  • পাই,
    সবার ক্ষেত্রে নিজে বিন্দাস থাকলেই চলে না, তাদের সংসার চালাতেও হয়। তাই বাকিসব বাদ দিলেও এক্সচেন রেটে তফাৎ হয়। এছাড়াও ভালো ইকুইপমেন্ট পাওয়া, কাজের সময়ের ফ্লেক্সিবিলিটি, বসের বাঁশ খাওয়া থেকে শুরু করে ভারতবর্ষের কর্মসংস্কৃতি এবং মহান সামাজিক ঐতিহ্য ইত্যাদি প্রতিপদে বাদ সাধে। সুতরাং সেটা সবার জন্য খুব একটা বিন্দাস লাইফ না।
  • siki | ১৩ অক্টোবর ২০১১ ০৯:১২495090
  • দাঁত মেজে এসেছি। ব্যাকলগ কিলিয়ার পর্ব।

    ১। সঠিক শ্লোকটা ছিল এই রকম:

    তন্বী শ্যামা শিখরদশনা পক্কবিম্বাধরোষ্ঠী
    মধ্যে ক্ষমা চকিতহরিণীপ্রেক্ষণা নিম্ননাভি
    শ্রোণিভারাদলসগমনা স্তোকনম্রা স্তনাভ্যাং
    যা তত্র স্যাদ যুবতীবিষয়ে সৃষ্টিরাদ্যেব ধাতু:

    ২। পাই পুছেছিল কলকাতা ও তদ্‌সন্নিহিত অঞ্চল কেন আমার বসবাসের অযোগ্য লাগে। তো অনেক ব্যক্তিগত ডাইলেমা ও কে কোথায় কী মনে করবে তারপরে বন্ধুত্ববিচ্ছেদ ঘটাবে এইসব ইনিশিয়াল আনুষঙ্গিক ভয়দ্বিধাজড়তা কাটিয়ে ভাবলাম লিখেই ফেলি। আমার আবার লিখতে বসলেই ছ প্যারার নিচে হয় না।

    ক) শহর কলকাতা আমার অত্যন্ত অপরিচ্ছন্ন ও নোংরা লাগে। তুলনাটা অবশ্যই, পিনাকী যেমন কইল, ব্যাক অফ দা মাইন্ড, দিল্লির সঙ্গে ঘটে থাকে, কারণ আমি দিল্লিতে থাকি। তুলনাটা জম্পেশ হয় না কারণ আজকের যে দিল্লি শহর আমরা দেখি, সেটা আসলে একটা প্ল্যানড ওয়েতে বানানো সিটি। বিংশ শতাব্দীর প্রডাক্ট। নগর কলকাতা সেই তুলনায় অনেক প্রাচীন। কিন্তু কলকাতাকে বিস্তার ঘটানোর অনেক রাস্তা ছিল, সেগুলো সময়ে অ্যাডপ্ট করা হয় নি। ফলে দিনের পর দিন কলকাতা অ্যাকচুয়েলি সংকুচিত হয়ে গেছে, নোংরা হয়ে গেছে, ফ্লাইওভারের শোভা নেই, পার্ক স্ট্রীটের সৌন্দর্য নেই, চৌরঙ্গীর সৌন্দর্য নেই, ভবানীপুরের শহরের মধ্যে সবুজ নেই, বাগান নেই। অন্যদিকে কমনওয়েলথ হোক বা যে কারণেই হোক দিল্লির খুব সামান্য কিছু পকেট বাদ দিলে, ওভারঅল দিল্লিই খুব সুন্দরভাবে সাজানো এবং ওয়েল মেনটেনড। এমনকি পুরনো দিল্লি এলাকাও। সুন্দরভাবে মেনটেনড।

    মুম্বাই আমার অনেকটা কলকাতার রেপ্লিকা লাগে। তবু মুম্বাইও অতটা অসুন্দর নয়। আবার দিল্লির মতন সুন্দরও লাগে নি।

    চেন্নই তো বলেইছি, আস্ত শহরটা একটা ডাস্টবিন। খালি নোংরা নোংরা আর নোংরা। কেবল মেরিনা বিচের রাস্তা, আইআইটি-আন্না ইউনির রাস্তা আর ইসিআর, এই এলাকাগুলো সুন্দরভাবে মেনটেন করা। তাও দিল্লির যে কোনও এলাকার তুলনায় অতি নিকৃষ্ট।

    লুরু সেভাবে এক্সপ্লোর করা হয় নি, যতটুকু করেছি, ভালো লেগেছে, হোয়াইটফিল্ড এলাকা বাদ দিয়ে। নতুন বসতি, প্ল্যানড ওয়েতে বানানোই যেত, কেন জানি না বানানো হয় নি। ভাঙাচোরা রাস্তাঘাট, সরু সরু গলি।

    খ) রাস্তাঘাট। কলকাতা ও সন্নিহিত অঞ্চলে তো জাস্ট এক্সিস্টই করে না। শহর কলকাতায় কেবল সিগন্যালের চাষ হয়, কী সরু সরু রাস্তা, তার মধ্যে দিয়ে নোংরা নোংরা ভাঙাচোরা হলুদ ট্যাক্সি মিনিবাস আর সিএসটিসির কঙ্কাল বাস ছুটে চলেছে। শহরের মধ্যে যত্রতত্র বস্তি, অধিকাংশ রাস্তায় একটা গাড়ি যেতে পারে না এমন রাস্তা দিয়ে ট্রাম যায় আসে। দিল্লিতে অতি সাধারণ এলাকারও একটা রাস্তা কলকাতার যে কোনও রাস্তার থেকে চওড়া আর ওয়েলমেনটেনড। পুরো দিল্লি এনসিআরের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে অন অ্যান অ্যাভারেজ সত্তর কিলোমিটারের স্পিডে গাড়ি চালিয়ে চলে যাওয়া যায়। উইকেন্ডে লং ড্রাইভ যাওয়া এখানে জলভাত ব্যাপার। দেরাদুন যাও কি আগ্রা কিম্বা জয়পুর, রাস্তা একেবারে চওড়া চওড়া ঝাঁ-চকচকে। এর সঙ্গে ট্র্যান্সপোর্ট সিস্টেম। ব্যান্ডেল থেকে কলকাতায় আসার এক ও একমাত্র প্রভিশন হল লোকাল ট্রেন। কোনও কারণে যদি ট্রেন থেমে যায়, বর্ষায় কারশেডে জল ঢুকে গেলে যা হামেশাই হয় আর কি, আমরা কলকাতার থেকে পুরো কাট অফ।

    কলকাতায় পৌঁছবার দুটো সড়কপথ আছে। জিটি রোড আর দিল্লি রোড। জিটি রোড আমাদের বাড়ির সামনেই, মানে ব্যান্ডেল মোড়েই মাত্র বারো ফিট চওড়া, এই রাস্তা যখন উত্তরপাড়া পৌঁছচ্ছে, ওদিক থেকে বাস আসলে এদিকের গাড়িকে সাইডের খালপাড়ে সরে দাঁড়াতে হয়। ... দিল্লি রোডের অবস্থা একটু ভালো, মানে ঐ, মন্দের ভালো আর কি। তাও মেনটেন একেবারেই করা হয় না। আর দুপাশ জুড়ে মাইলের পর মাইল শুধু বন্ধ হয়ে যাওয়া কারখানার সারি। সময় যেন থেমে আছে। সেই রাস্তার দুধার ভাঙা, সেই সাইডের খালে কচুরিপানা, কলাগাছ এবং কুঁড়েঘর, দেওয়ালে দেওয়ালে পলিটিকাল স্লোগান, ঠিক পনেরো ষোল বছর আগে যে জিনিস দেখে গেছিলাম, আজও তাই। গ্রাম থেকে শহর হয় নি কলকাতার বাইরেটা, সেই গ্রামই রয়ে গেছে। আর শহরের পরিসরে ঢুকলেই কেবল লাল সিগন্যাল আর গাড়ির জ্যাম। গাড়ি এখানে চলে না, কেবল থেমে থাকে। কোনও কারণে কেউ অসুস্থ হলে তাকে এই সড়কপথেই নিয়ে যেতে হবে কোনও হাসপাতালে। কীরকম হরিব্‌ল ব্যাপার লাগে এইসব। দিল্লিতে এসব ব্যাপার কল্পনাই করা যায় না। এত মেন রোড, আর্টেরিয়াল রোড, সুন্দর ট্র্যাফিক সিস্টেম এখানে, ট্রাফিক জ্যাম বা কোনও কারণে রাস্তায় লেট হওয়া এখানে খুব রেয়ার ব্যাপার।

    দিল্লিতে রুল ভাঙার ইনস্ট্যান্স প্রচুর, কিন্তু তাও এখানে যে ট্রাফিক সিস্টেম আছে, এমনকি গাজিয়াবাদ নয়ডা গুরগাঁওতেও আছে, সেটা কলকাতায় নেই, ব্যান্ডেল নৈহাটি তো ছেড়েই দিলাম। লোকজন দিব্যি সীটবেল্ট ছাড়া গাড়ি চালায়, হেলমেট ছাড়া বাইক চালায়, পুলিশও দেখে না। (তবে এটা স্বীকার করতেই হবে কলকাতার ট্রাফিক সার্জেন্টরা ভারতের হ্যান্ডসামতম ট্রাফিক সার্জেন্ট)। বেশির ভাগ গাড়িই কেমন লজঝরে, ভাঙাচোরা, প্রাইভেট গাড়ির থেকে ট্যাক্সি চলে বেশি, আর সব ট্যাক্সিই কেমন নোংরা নোংরা, ইল-মেনটেনড। যখন চলে সারা গাড়ি কেমন কাঁপতে থাকে, সিট থেকে দুর্গন্ধ বেরোয়। দিল্লিতে ট্যাক্সি এমনিতেই কম চলে, এখানে কালো হলুদ ট্যাক্সি চলে, সেই অ্যাম্বাসাডরই, কিন্তু কী গ্লেজ, কী সুন্দর মেনটেনেন্স। এখন মারুতি ওমনি এসে যাচ্ছে কালো হলুদ ট্যাক্সির জগতে, তারাও সবসময়ে সুন্দর ঝকঝকে থাকে, ভাঙাচোরা ট্যাক্সি এখানে কালেভদ্রে দেখা যায়।

    প্রাইভেট ট্যাক্সি সার্ভিস দিল্লিতে প্রচুর। ইজিক্যাব, ডেলহি ক্যাব, মেরু, অরেঞ্জ ক্যাব, ম্যাংগো ক্যাব, কুইক ক্যাব, এন্ডলেস লিস্ট। চব্বিশ ঘণ্টার যে কোনও সময়ে কেউ আসুক দিল্লি এয়ারপোর্টে, অন্তত পঁচিশটা খালি ক্যাব পাবে, রেট ফিক্সড। আমার এবার জুন মাসে যা অভিজ্ঞতা হল কলকাতা এয়ারপোর্টে নেমে ... রাত আটটার সময়, প্রচুর বিষ্টি। একটা ট্যাক্সি নেই। প্রিপেড কাউন্টারে কেউ রং দিয়ে একটা বোর্ডে লিখে রেখে গেছে "Due hevy rain no taxi are available'। এবং সত্যিই নেই। একজনকে রাজি করালাম, সে বলে সাতশো টাকা নেবে হাওড়া স্টেশন যেতে। শেষে একটা ট্যাক্সিতে অন্য প্যাসেঞ্জার ছিল, তাকেই বলেকয়ে রাজি করিয়ে দেড়শো টাকা দিয়ে হাওড়া পৌঁছলাম। এয়ারপোর্টে এই অবস্থা। এর পর কলকাতা নিজেকে মেট্রো সিটি বলে দাবি করে? বুলশিট। দিল্লিতে এটা কল্পনাও করা যায় না। এমনকি চেন্নাইতেও নয়। দিল্লিতে ক্যাবের রেট খুব বেশি। অন্যান্য শহরের তুলনায়। কিন্তু টুয়েন্টি ফোর আওয়ার সার্ভিস এখানে আছে। যে কোনও সময়ে তুমি চলে আসতে পারো। যে কোনও এলাকা থেকে যে কোনও এলাকায়। সে রেলস্টেশন হোক বা এয়ারপোর্ট।

    এখন তো মেট্রো হয়ে গেছে। এয়ারপোর্ট থেকে সরাসরি মেট্রোয় চেপে নিজের বাড়ির সামনে এসে নামতে পারি। দূরত্বটা, ব্যান্ডেলে আমার বাড়ি থেকে ভবানীপুর কি তারও বেশি। কলকাতায় এই সার্ভিস কোনওদিনও পাবো?

    দিল্লির ওয়েদার খুব হার্শ। তীব্র গরম, তীব্র ঠান্ডা। সেইজন্য এখানকার লোকজনের ব্যবহারও খুব হার্শ। কিন্তু এখানকার লোকজন কাজের ব্যাপারে খুব প্রফেশনাল। অন্যকে সাহায্য করবে না, কিন্তু নিজের কাজটা ঠিক করিয়ে নেবে। পলিটিক্সকে এখানে কেউ কাজের সঙ্গে জড়ায় না। কলকাতার সরকারি কালচারই হচ্ছে, আগে পলিটিক্স, মিছিল, পরে কাজ। দিল্লিতে সরকারি কর্মচারি অফিস বাঙ্ক করে পলিটিকাল র‌্যালিতে গেলে একেবারে বাপের নাম খগেন করে রেখে দেবে। এই জিনিসটা আমার অত্যন্ত ভালো লাগে।

    পিএনপিসি করে না, অমুকের বাড়িতে কী হল, তাই নিয়ে কূটকচা৯ করে না এখানকার লোক, এটা কলকাতায় খুব কমন ব্যাপার। কলকাতা বা শহরতলির আমজনতার মধ্যে আমি দেখেছি আজও কেমন একটা আটচালা-হুঁকো টাইপের সংস্কৃতি রয়ে গেছে। অন্যের বিষয় নিয়ে খুব আগ্রহ। আর পলিটিক্স নিয়ে সবাই ফাটিয়ে জ্ঞান দেয়। কেউ কম যায় না। অন্যদিকে, ন্যাশনাল লেভেলের পলিটিক্সের এপিসেন্টার হল দিল্লি, এখানে আমজনতা কেবল পয়সা বোঝে, কেবল পয়সা। গদিতে নরেন মোদী এল কি নীল পুতুল, তাতে তাদের জাস্ট কিস্যু এসে যায় না। বছর বছর কনট্র্যাক্ট পেলেই হল।

    মোদ্দা কথা, দিল্লিতে লাইফ মেনটেন করা অনেক ইজি কলকাতা বা শহরতলির তুলনায়। আমার বিচারে। উইকেন্ডে সময় কাটাবার মত অজস্র হ্যাংআউট প্লেস আছে। মলে যাও বা হুমায়ুনের সমাধিতে, নিজের ইন্টারেস্ট মতো। কিম্বা হ্যাবিট্যাটে যাও বা দিল্লি হাট। নেহরু প্লেসে যাও। কলকাতায় সিটি সেন্টার ছাড়া আমি আর মল দেখি নি, সত্যি বলতে কি, ইয়ে, ইমপ্রেসিত হবার মত কিছু জিনিস লাগে নি ওটা। এখানে আমার বাড়ির পাশে ওর থেকে অনেক ভালো ভালো ভূরি ভূরি মল আছে।

    দিল্লিতে কস্ট অফ লিভিং খুব বেশি। অটোর ভাড়া বেশি, মেট্রোর ভাড়া বেশি, ট্যাক্সির ভাড়া বেশি, কিন্তু পেট্রোল সারা ভারতের মধ্যে শস্তা। নিজের গাড়ি থাকলে ঘুরে বেড়ানোর মজাই আলাদা। সারা শহরে রুল করা যায়, নিজের ইচ্ছেমত। কোনও ট্র্যাফিক প্ল্যান দেখতে হয় না।

    এমন নয় যে দিল্লি নিখুঁত শহর। দিল্লিতেও অনেক অনেক কমতি আছে, কিন্তু ওভারঅল কলকাতার মতন আনইমপ্রেসিং নয়। অনেক কম ব্যাপারে অ্যাডজাস্ট করে দিল্লিতে থেকে যাওয়া যায়। কলকাতায় থাকতে গেলে অ্যাডজাস্টমেন্ট অনেক অনেক বেশি করতে হয়। অত অ্যাডজাস্ট করতে আমি রাজি নই। বেশি পয়সা পেলেও না।
  • ridhhiman | ১৩ অক্টোবর ২০১১ ০৯:১৭495101
  • টিমের সাথে পি এইচ দি লেভেল নিয়ে একমত | পি যে লাইফ বলছেন সেটা আমি কিছু দাদা / বন্ধুদের থেকে শুনেছি, কিন্তু সেটার সাথে আমরা সবাই রিলেত করতে পারি না | আমরা বাড়ি থেকে আসা যাওয়া করতাম | দেশে তখন যা টাকা দিত রিসার্চের জন্য তাতে অনেকের চাপ | ওদিকে যখন দেখছে বন্ধুবান্ধবরা মোটা চেকের চাকরি বাগিয়ে নিচ্ছে | ভাল ইনকাম না করলে বিয়ে করাও মুশকিল |
  • Moloy | ১৩ অক্টোবর ২০১১ ০৯:২১495112
  • গাঁ মে: .
    তী: গ: তী ঠা: লো: ব্য: হা: ?
  • ppn | ১৩ অক্টোবর ২০১১ ০৯:২৪495135
  • দিল্লি শহরটা খুবই সুন্দর। সন্দেহ নেই। সাজানো গোছানো।

    তবে ওই ঝাঁ চকচকে ব্যপারটা নেই। আর কেসচাদের গ্রাম্ভারি ভাব দেখলে ইসে জ্বলে যায়।

    আমার তিনদিনের দিল্লির ঝাঁকিদর্শন।
  • ridhhiman | ১৩ অক্টোবর ২০১১ ০৯:২৪495123
  • সিকিবাবু পি এন পি সি নিয়ে একমত হলাম না | বাকিগুলো নিয়ে অত ধারনা নেই | কিন্তু অনেক জাতের মানুষের সাথে আড্ডা দেবার অভিজ্ঞতা রয়েছে | আমি কলকাতার লোকের আড্ডার বিষায়ের ভেরাইটি অন্য জায়গায় খুব কম পেয়েছি| সাহেবদের ভয় লাগে তাই বেশি মিশি ও নি, কিন্তু উত্তর ভারতীয় অনেক লোকের সাথে অনেক দিন ধরে কথা বলেছি | এদের মধ্যে অনেকেই আছেন যারা আমার বেস্ট ফ্রেন্ড | আবার এদের মেজরিটির কথাবার্তা পি এন পি সির ধারে কাছেই|
  • siki | ১৩ অক্টোবর ২০১১ ০৯:৩০495157
  • দিল্লির সৌন্দর্য ঝাঁ-চকচকে ব্যাপারে নয়। যদিও দিল্লি অন্যান্য শহরের তুলনায় অনেকটাই সাফসুতরো। তবে নিউইয়র্ক বা প্যারিসের মত নয়। দিল্লির সৌন্দর্য অন্যরকমের। :)

    কেসচারা মোটামুটি গ্রাম্ভারি হয়। এগ্রিড। একটু খেঁচো টাইপের হয়। তবে আলাপ থাকলে হেবি মাইডিয়ার লোকও হয়। পাসসোনাল অভিজ্ঞতা :-)))

    ঋদ্ধি, পিএনপিসির কেসটাও আমার চেনাজানা সার্কেলের মধ্যেই। আনফর্চুনেটলি তারা সকলেই শহর কলকাতার লোকজন।

    তবে শেষ কথা একটাই, উত্তরভারতীয় বা কলকাত্তাইয়া বলে কোনও কমন টেমপ্লেট হয় না। রকমফের সব জায়গাতেই আছে। আমি মেজরিটির কথা বলেছি।
  • pi | ১৩ অক্টোবর ২০১১ ০৯:৩০495146
  • ফেলোশিপ বাড়ার পর বিয়ে করার হিড়িক পড়ে গেছিলো। ম্যারেড অ্যাপার্টমেন্ট পাবার জন্য সে কী লাইন রে বাবা।
    বিয়ের পর, এবং বাচ্ছা কাচ্ছা হবার পরও জনতাকে বিন্দাস জীবনই কাটাতে দেখেছি। হয়তো বাইরে খাওয়া দাওয়া সিনেমাটা একটু কম হত। কিন্তু তখন তার দরকারও পড়তো কম। :)
    আর হ্যাঁ, অনেক ক্ষেত্রেই স্পাউস অলরেডি পি এইচ ডি করছে বা অন্য কিছু করছে, বা বিয়ের পর কিছু একটা করতো, এরকম হত। সেক্ষেত্রে আরৈ চাপ নেই।

    বি টি ডব্লু, আমারও অন্য কোন দায়িত্ব ছিল না ধরে নিলে ক্যানো ? :)
    সেগুলোও করা যেত না এমন না :)

    করা যাবে নাই বা ক্যানো ?
    খাওয়ার জন্য হাজারখানেক বাদ দিলে আর প্রায় কোন খরচাই তো নেই।

    ও হ্যাঁ,আরেকটা ইম্পর্ট্যান্ট কথা বলতে ভুলে গেছি, চিকিৎসাও অলমোস্ট ফ্রি ছিল। সেটা একটা মস্ত সুবিধা। পরিবারের লোকজনও মেডিক্যাল বেনিফিট পেত। খুব কষ্টের তো কিছু নেই।
  • rimi | ১৩ অক্টোবর ২০১১ ০৯:৩৯495168
  • ও: দিল্লি!!!! দিল্লির প্রতি আমারও প্রবল ব্যথা...., যেটা কলকাতার প্রতি কোনোদিনও অনুভব করি নি।

    পুরোনো দিল্লির ঐতিহাসিক চরিত্রর সঙ্গে নতুন দিল্লির আধুনিক সৌন্দর্য্য - এমন একটা অদ্ভুত ক¾ট্রাস্ট যা আমি আর কোনো শহরে দেখি নি। এছাড়া দিল্লি শহরে আমার প্রথম স্বাধীন জীবন যাপন, প্রেম, হিমালয়ে অ্যাডভেঞ্চার ইত্যাদি সব মিলিয়ে দিল্লি স্বপ্ন।
  • ridhhiman | ১৩ অক্টোবর ২০১১ ০৯:৪১495190
  • কোন কলেজের ? আপনি যেটা বলছেন সেটা টপ সরকারি কলেজে হয়, আই-আই -টি, সেন্ট স্টিফেন্স |
    আপনারা আমি জানি (আপনি না) হস্তেলেই প্রেম করতেন . আমাদের এরকম দু এক পিস বন্ধু ছিল | একসাথে থাকা খাওয়া পরা,, দিনারের পর ক্যামাপাসেই রোমান্স চলছে. কেউ বলার নে ই | ওদিকে আমরা সালা গুপি টুপি করে হাজার মিথ্যে কথা বলে বাসে ঝুলতে ঝুলতে এপও মারতে যেতাম | তবে ঐ সহৃদয় বন্ধুগুলো হোস্টেলে মাঝে মাঝে ঘরের এরেন্‌জমেন্ট করে দিত | সে যাই হোক, আর আপনি যায় বলুন আর তাই বলুন, ঐ পয়সায় বিয়ে করা যায় না | আমাদের হেলথ ফেল্‌থ কিছু ফ্রি ছিল না |
  • Moloy | ১৩ অক্টোবর ২০১১ ০৯:৪১495179
  • এইরে .. নিউইয়র্ক মোটেও সাফসুতরো নয় ... নিউইয়র্ক এর সাথে কলকাতার অমিল এর থেকে মিল অনেক বেশি .. প্রচুর লোক .. স্লো ট্রাফিক .. রাস্তার ঠেলাগাড়ির খাবার ..
  • ridhhiman | ১৩ অক্টোবর ২০১১ ০৯:৪৩495201
  • আগেরটা পি কে বলা |
  • pi | ১৩ অক্টোবর ২০১১ ০৯:৫০495212
  • কোলকাতার ট্যাক্সি থেকে অমনি খারাপ তাতো খেয়াল করি নাই কখনো :(

    এবারে তো আবার গিয়ে দেখি গুচ্ছ গুচ্ছ ভাল ভাল গাড়িও রয়েছে, শাটল হিসেবে।
    ট্র্যাফিকটা সমস্যা, কিন্তু ঐ কী যেন একটা রাস্তা হয়েছে তো। নাম মনে নেই। তাতে করে উত্তরপাড়া থেকে এয়ারপোর্ট আধ ঘণ্টায় যাওয়া যায়। অনেক জায়গাতেই এখন অনেক তাড়াতাড়ি যাওয়া যায় দেখলাম।

    সব মফস্বলকে কেন একরকমের সাজানো গোছানো শহরই বা হয়ে উঠতে হবে ?

    আর 'সুন্দর'ভাবে মেইন্টেন্ড পকেট কোলকাতাতেও আছে তো।

    তবে এবার কলেজ স্ট্রীট থেকে ঐ এম জি রোড ধরে হেঁটে যা আরাম পেয়েছি বলার নয়। দিব্বি আগের মতই। ঐ চত্বরে এখানে ওখানে গুরুর পোস্টার লাগাতে লাগাতে, এ দোকানে ও দোকানে গুরু নিয়ে ঘোরাঘুরি করতে করতে, এক প্রেস থেকে আরেক প্রেসে, তেলেভাজা আর ডালপুরি মুখে ফেলে কেলোদা আর মামুর সাথে মিনি মিনি ভাট ভাট ... বেঁচে থাক ভাই আমার আধমরা শহর। :)
  • pi | ১৩ অক্টোবর ২০১১ ০৯:৫২495223
  • তবে বম্বেও আমার খুব ভালো লাগে।

    আর পুরানো দিল্লিও নিয়ে আমার বহুদিনের সযত্নলালিত রোমান্টিসিজম আছে। সেই ইতিহাস পড়তে শুরু করা থেকে। ঠুমরী, গজল শুনতে শুরু করা থেকে।
    দেখি, কবে দেখা হয় !
  • Tim | ১৩ অক্টোবর ২০১১ ০৯:৫৩495234
  • নতুন পে কমিশনের আগে ফেলোশিপ বেশ কম ছিলো বলেই তো জানতাম। তাতে এক হাজার বাদ দিয়ে ( হোস্টেলের খরচ ইত্যাদির ফিগারটাও বেশ কম লাগলো, তবু ধরে নিলাম) বাকিটা বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া যেত?
    বলছিনা টাকাই একমাত্র ফ্যাক্টর। তবে আমার কেমন আম্রিকার এই ব্যাপারটা ভালো লাগতো যে, দিব্যি একটা ছোটখাটো চাগ্রি করার মত পয়সা পেয়েই পড়াশুনোটা চালানো যায়। এবং সেটা একমাত্র সম্ভব এক্সচেন রেটের জন্যই।
    ও হ্যাঁ বলতে ভুলে গেছি। দেশে পড়ার আরেকটা মুশকিল হলো ছাপ্পা। তুমি আইআইটি অতএব এসো চুমু খাই, তুমি অজানা কোন ইশকুল অতএব পেছনে বসো-- এইসব বিবিধ ব্যাপারও তো ছিলো।
    এদেশে না এলে আইআইটি ফেরত ছাত্রদের সাথে লড়তে লড়তেই কেটে যেত। :-)
  • h | ১৩ অক্টোবর ২০১১ ০৯:৫৪495246
  • ma:maanemashakaraa.baa:ma:maanebaajemashakaraabaabaasTaarermatamashakaraa.

    aranya:aamaarmanehayechhekRittibaasaaamalerduchaariTikaabyachhaarhaasuneelkisubhaalolekhenni.kakhanoi.eibaareiguloetabaajesaabajekaTibhbyaapaarJetarkakarategeleanekaxaNkaratehay, aarkaralesuneellekhaakamaabenemankonogryaa:naai.ityaadi.eibaarsamasyaahalataarmaanekiaamisu:gaa:rmatapratibhaabaan, aadounaa.eiJemansTibhajabs, prachanDapratibhaabaanhayechaaDDikhelanaabaanaalenkiaarkaraaJaabe.Jaarjemanbuz.aaranekpratibhaaheensaadhaaraNamaanushhmaanushherkaajelaagaarjanyakatakichhuseemitaxamataaniyekarechalechhen.
    sukebhaalonaalaagaarekaTaakaaraNabalatepaaren, uniprachanDapratibhaabaanhaoyaasattweochintaaheenataakepromotekoreekdharaNerlekhaalikhechhen.eibaarmaanushhertaaibhaalolegechhe, kiaarkaraaJaabe, tabepapulaariTirekaTaakaaraNahalapoliticallydominantdiscourseaarmaajhemaajhesensationalbaktabyamoolataeikaaThaamoteethekechhenbalesuneeljanapriyahaoyaasubidhehayechhe.ekhanjanapriyataarbirodheeaaminai, Jemandharunaamimanekaribollywoodjanmalagnathekeektasecularenterpriseinspiteofplentyofsubversionbynorthindianhegemonictendencies.kintusuneelbaa`maaleeyaanaanaamaknirmitademographicenterpriseermadhyethekechhen, emanakikamaarashiyaalkaaraNeotaarbaaireberonni, taa`nrasubidhehayechhe, taa`nrapaaThakaraaoeiTaarmadhyeraakhaarcheshhTaakarechhen, taa`nrbackerpublisherraa.ekhanekTuaadhaTubhyaariyeshaneithemeeraachhe.JemanmahilaaraapaaThakokanajiumaarjenesuneelmoTaamuTitaa`nderpratitraditionalpurushherjaaygaathekeisensitivethekechhen, eTaaanekpurushhpaayaabhaaree (andbloodytalenteed) authorermadhyepaaoyaaJaaynaa, JemanCortazar, verydismissiveofwomen.

    ityaadiprabhRiti.egulosufficientlyvagueebangridiculousaalochanaa, chaaliyelaabhnei.

    sugaaekhanpraaysaahityerpranayray, asambhabasmartebongproestablishment, ofcourseminusthesuit, kaaraNa19thcenturyrJeaadarshebaa`maaliyaanaenterprisechalachhe, taatesuitTaashudhupraaibheTapursuit, publicnay.ekhanetekipratibaadeesaahityapichhiyeaachhe? nei, Jaa`nraabhaashhaaaandolanerpratisamabyatheepaaThak, taa`nderkaachhesuneelopou`nchhatechaanpratibaadeeraaopo`unchhatechaan.kaaraNaTaaideologicalcumcommercialwar.ebongasanindividualwecannotinfluencethis.oneofthereasonsidonotfeellikewritinganymore.asa`mkhyashixitarsa`mkhyaabaarhaleJadikichhuspacetoirihayityaadi.

    sabikhubvagueebongbokaabokaakathaa, maapakaralekarunnailebaa:chhe:.
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যুদ্ধ চেয়ে মতামত দিন