এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • নতুন সরকারের শিক্ষা শিল্প স্বাস্থ্যনীতি ইয়াদি

    pi
    অন্যান্য | ১৩ মে ২০১১ | ২১০৯২ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • aka | ১৪ মে ২০১১ ০৯:৩৮475603
  • পাই, প:ব:য়ের একটা বড় সমস্যা হল পপুলেশন ডেন্সিটি খুব বেশি। প:ব:য়ে যেখানে ১০০০ (ঠিক মনে নেই) গুজরাটে বোধহয় ৩০০ পার স্কোয়ার কিমি।
  • pi | ১৪ মে ২০১১ ০৯:৪২475614
  • আকাদা জিগেশ করেছিলে, 'কি দিয়ে হবে' ?
    আমি জিগেশ করছি, কী দিয়ে কী হবে ?
    উন্নয়ন ?
    তাইলে জিগেশ করলাম তো উন্নয়নের মানে কী।
    যদি বলো কর্মসংস্থান, তাহলে এই টাটার কারখানয় কি আদৌ কর্মসংস্থান হচ্ছিলো ?
    যত লোক কাজ হারাচ্ছিলো, আর যতজন পেত, সে তুল্যমূল্যের হিসেবে তো দেখা গেছিল, নেগেটিভ কর্মসংস্থান।
  • pi | ১৪ মে ২০১১ ০৯:৪৮475625
  • ল্যান্ড ইউজ ম্যাপ না দেখে এগুলো নিয়ে কথা বলাও তো হাওয়ায় কথা বলা ই :)

    একটু আগে পিনাকীদার সাথে ইনফ্রাস্টাকচর তৈরির ব্যাপারে সহমত হলে। তা, সেগুলো কোথায় বানানোর কথা ভেবে একমত হলে ? :)
    পিনাকীদা তো সেগুলো বাঁকুড়া, পুরুলিয়াতে বানানোর কথা বলেছে :)
    ওখানে জনঘনত্ব, কৃষিজমি কিন্তু সত্যি কম। ল্যান্ড ইউস ম্যাপের ফাইনাল ভার্শন কোথা থেকে পাওয়া যাবে জানিন, কিন্তু নেট এ অ্যাভেলেবেল ডাটাতে এই প:বঙ্গের অকৃষিযোগ্য ও অপতিত জমির যা হিসেব পাওয়া যায় তা দিয়ে বোধহয় ৫০-১০০ টা সিঙ্গুর হয়ে যায়।
    তুমি বলবে, ওসব জায়গায় শিল্পপতি যেতে চাইবে কেন।
    আমি বলবো, তালে সেটা সরকারের ব্যর্থতা। গুজরাটের সরকার যদি দেখানোর মত চারটে জায়গা তৈরি করে থাকতে পারে, আমাদের প:বঙ্গে অন্তত দুটো এরকম জায়গা তৈরি করা ই যেত।
  • aka | ১৪ মে ২০১১ ১০:০১475636
  • উন্নয়ন মানে? এই আম্রিগা পদ্ধতি আর কি। যদি সেটা নিয়ে প্রশ্ন থাকে তাহলে বলতে হবে অন্য পদ্ধতিতে উন্নয়ন বলতে কি বোঝানো হচ্ছে?
  • aka | ১৪ মে ২০১১ ১০:০৩475647
  • আরে জিটি রোডকে ভালো করতে আবার ল্যান্ড ইউজ ম্যাপ দেখার কি দরকার? হ্যাঁ নতুন রাস্তা তৈরির ক্ষেত্রে লাগবে। আগে তো যেগুলো আছে সেগুলই ঠিক ঠাক হোক।
  • tatin | ১৪ মে ২০১১ ১০:১৬475658
  • একটা সেন্টার অফ মেকানিক্স জাতীয় কিছু করলে পারে
  • Manish | ১৪ মে ২০১১ ১০:২৬475669
  • এরা কি ঝগরা করতে পারে রে বাবা।আরে নতুন সরকার গড়ছে এক দু মাস একটু হানিমুনিং পিরিয়ড দিন না। তারপর নয় সমলোচনা করা যাবে।
  • pi | ১৪ মে ২০১১ ১০:২৮475680
  • জমি কোথায় আছে দেখার জন্য তো দরকার। রাস্তার উপর তো কারখানা হবেনা।
  • til | ১৪ মে ২০১১ ১০:৩৩475691
  • কোন টইতে লিখি বুঝতে পারছি না। এখানেই ছাড়ি।
    আমার humble অভিমত হলো, এত সব নীতির চেয়ে আগে চাই ওয়ার্ক কালচার; সরকারী বেসরকারী (ইয়েস, শেষেরটাও বাদ যায় না) সর্বত্র কাজ না করার প্রবণতা বন্ধ করতে হবে। যার যা কাজ তাকে করতে বাধ্য (?) করতে হবে। হাসপাতালে শুয়ে আছেন, নার্সদিদিকে ডাকছেন ব্যথায়, তিনি গল্প করতেই ব্যস্ত! এসব সিধে করতে কি নীতির দরকার?

    অন্য একটা উদাহরণ দিই। আধা শহরে আপনি বাড়ী রিপেয়ার করাতে চান, আপনার পারিবারিক বিশ্বস্ত মিস্ত্রী আছে অন্য শহরে বা কোথাও। কিন্তু, "আজকা তারিখমে" আপনাকে লোক্যাল মিস্ত্রী নিতেই হবে, ব্যস! মজুরী দেবেন আপনি, ছড়ি ঘোরাবে অন্যজন।
    ( ব্যাঙ্গালোরে যদি ওরা দাবী করে শুধু লোক্যাল ছেলেমেয়েদেরকে নিতে হবে, তখন?)
  • tatin | ১৪ মে ২০১১ ১০:৩৬475703
  • একই ক্যাবিনেটে অমিত মিত্র অর্থমন্ত্রী, মনীশ গুপ্ত স্বরাষ্ট্র আর পুনে বোস/শোভনদেব শ্রম মন্ত্রী, পার্থ চ্যাটার্জী শিল্পমন্ত্রী-
    বহুমাত্রিকতা আর কাকে বলে!
  • pi | ১৪ মে ২০১১ ১০:৫৪475714
  • ও, সিঙ্গুরের এই জমি ও তো সরকারের ই বেছে দেওয়া। বেছে দেওয়া ছ'টার মধ্যে একটা, যেটা টাটা রা চুজ করেন।
    কোন আক্কেলে সরকার এটা বেছেছিল ?
    এরকম কোন কাজের আগে ল্যান্ড ইউজ ম্যাপ টা ভীষণভাবে দরকার, এজন্য ই বলছি।
  • pinaki | ১৪ মে ২০১১ ১১:১৪475725
  • হ্যাঁ, তাতিনের জন্য একটা সেন্টার অফ ফ্লুইড ডায়নামিক্স আর আমার জন্য একটা সেন্টার অফ পাওয়ার এন্ড এনার্জি রিসার্চ - এই দুটো করে দিক, তালেই চলবে। ;-)
  • Ishan | ১৪ মে ২০১১ ১২:০০475736
  • এইখানে চাট্টি কথা আছে। আমার, ব্যক্তিগতভাবে:

    ১। রাজ্যসরকার শিল্পস্থাপন করতে চাইলে কোনো আপত্তি নেই। টাটা, বিড়লা, মাইক্রোসফট, চিপস কারখানা কিছুতেই আপত্তি নেই(পরমানু কেন্দ্র জাতীয় জিনিস বাদ দিয়ে বলছি)।

    ২। শিল্পস্থাপনের জন্য সরকার জমি চিহ্নিত করে দিলেও কোনো আপত্তি নেই। আপত্তি তো নেইই, বরং সেটাই ভালো। ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক ইত্যাদি করলেও তো ভালই। তাতে শিল্পেরও সুবিধে। প্ল্যানিং এরও সুবিধে। লোকজনেরও সুবিধে।

    আমার পরিষ্কার দাবী হল ইনফ্রাস্ট্রাকচার বানাও। শিল্প কোথায় হবে ঠিক করে নাও। শিল্পপতিরা জমি চাইলে সেখান থেকে দেখিয়ে দাও। শিল্পপতিদের আলাদা করে জামাই আদর করার দরকার নেই। এর পুরোটাই ইনফ্রাস্ট্রাকচারের অংশ হিসেবে করো। লাল ফিতের ফাঁস কমাও। সরকারি দপ্তরে গেলে সবাই যেন সমান সুবিধে পান। শিল্পপতিরাও। তাঁদের যেন ফালতু ঘুষ দেওয়া বা দৌড়োদৌড়ি না করতে হয়। সেটা স্পেশাল কোনো সুবিধে নয়। একই ভাবে সাধারন মানুষকেও যেন অকারণে হেনস্থা হতে না হয়।

    এক্সিস্টিং মডেলে আমার আপত্তি কোথায়?

    ১। SEZ এ ভয়ানক আপত্তি। কারণ এটা কোনো স্ট্রাকচারড উন্নয়নের অংশই নয়। সাধারনভাবে পরিকাঠামোর উন্নয়ন হবেনা, লালফিতের ফাঁস কমবেনা, সরকারি পরিষেবার উন্নতি হবেনা। শুধু কিছু পকেটে সমস্ত পরিষেবা দিয়ে সেগুলোকে "স্বর্গরাজ্য' বানিয়ে ফেলা হবে, এটা মেনে নিতে পারছিনা।

    কেন পারছিনা?
    ক। অসাম্য: এতে শিল্পপতিদের জামাই আদর করা হয়। বাকি লোকেদের দুচ্ছাই।
    খ। দুর্নীতি: দুর্নীতি প্রবল ভাবে বৃদ্ধি পাবে। যেহেতু সামগ্রিক ভাবে সরকারি পরিষেবার কোনো উন্নতি হবেনা, স্বচ্ছতা বাড়বেনা, তাই ঘুষ দিয়ে প্রাইম লোকেশনে জমি নিয়ে শিল্পের নামে রিয়েল এস্টেট ব্যবসা চলছে চলবে।
    গ। স্ট্রাকচারড উন্নয়ন: এটা স্ট্রাকচারড উন্নয়নের পথই নয়। বরং গেটেড কমিউনিটি বানিয়ে তোলার রাস্তা। দেশের অল্প কিছু অংশ ঝকঝকে-চকচকে আলো-ঝলমলে-আমেরিকা হবে, সেজন্য গাঁতিয়ে সরকারি অর্থব্যয় হবে, আর বাকি এলাকায় পরিকাঠামো ভাঙতে ভাঙতে আমলাশোল হবে, এটা মেনে নেওয়া যায়না। এমনিতে একটি দেশে গরীবও থাকে এবং বড়লোকও থাকে। বৈভবের পার্থক্যও থাকে। কিন্তু SEZ হল বড়মানুষদের জন্য একটি গেটেড কমিনিটি বানিয়ে তোলার ছক। সরকারি উদ্যোগে। সরকারি টাকায়। যেখানে গরীবের প্রবেশাধিকার নেই। এখানেই আপত্তি।
    এই পয়েন্টটাতেই অনেকে বলবেন, যে, এক জায়গায় টাকা ঢাললে চুঁইয়ে অন্য জায়গায় একসময়ে তা পৌঁছবেই। সরকারের টাকা কম, এক জায়গা থেকে শুরু করতে হবে। সেখান থেকে টাকা আসবে। আবার অন্য জায়গায় ঢালা হবে। ইত্যাদি। তাহলে সমস্যাটা কোথায়?
    সমস্যা বহুবিধ। কয়েকটা খালি বলি।
    ১। অভিজ্ঞতা। বঙ্গে বা সারা ভারতেই এই এক্সপেরিমেন্ট বহু হয়েছে। ধরুন রায়চক। এই উন্নয়নের মডেলের একটি উদাহরণ। আমি নিজে এখনও যাইনি। কিন্তু শুনেছি এক্কেবারে বিদেশ। প্রচুর রিসর্ট। প্রচুর ব্যবসা। প্রচুর টাকা। আন্তর্জাতিক মানের সুবিধে। বাইরের জগৎ থেকে এক্কেবারে বিচ্ছিন্ন। কিন্তু এই টাকার একটি অংশও আমলাশোলে পোঁউছয়নি।
    ২। কেন পৌঁছয়নি? বা কেন পৌঁছবেনা? অনেক কারণ দেখানো যায়। আপাতত একটা দেখাই। আপনি যে বেসিক অ্যাসম্পশন করছেন, সেখানেই গলতা আছে। আপনি সরকারি ইনফ্রাস্ট্রাকচারকে, বাই ডেফিনিশন, একই জায়গায় রাখছেন। গুরুত্ব দিচ্ছেন পকেটকে। আপনার পূর্বানুমান হল, ওখান থেকে ট্যাক্সো আসবে। আপনার কি ধারনা, যে, সরকারি কর্মচারি এবং ব্যবসায়ীরা খুব সাধু উপায়ে আপনাকে ট্যাক্সো দিয়ে চলবে? আপনার লাল-ফিতে যদি একই থাকে, ব্যবসায়ীরাও যদি একই থাকেন, তাহলে, এই পকেটেও সরকার চিরাচরিতভাবেই সেই "লস'এই চলবে। শিল্পপতিরা জামাই আদর পেয়ে ব্ল্যাক মেল করবেন। কর্মচারীরা দু-চার টাকা উপরির জন্য স্যার স্যার করবেন। ইত্যাদি।

    এটা কিন্তু বানিয়ে বলা নয়। ধরুন রাজারহাট নিউটাউন। সরকার যে দামে জমি নিয়েছে তার মিনিমাম দশগুণ দামে জমি বেচছে। তাহলে তো সরকারের ফুলে ফেঁকে ঢোল হয়ে যাবার কথা। কিন্তু খোঁজ নিয়ে জানুন, হয়নি। দেরি করে জমি দেবার জন্য সরকারকে যদি ইন্টারেস্ট গুণতে হয় তাহলেই ভাঁড়ে মা ভবানী হয়ে যাবে। কারণ, প্রশাসন সেই একই আছে। পরিষেবা সেই একই আছে। দীর্ঘসূত্রিতা সেই একই আছে। সব সর্বত্র একই রকম রেখে, শুধু একটি পকেটকে স্বর্গরাজ্য বানিয়ে ফেলব, এটা হয়না।

    আরও অনেক পয়েন আছে। পরে নাহয় লেখা যাবে।
  • d | ১৪ মে ২০১১ ১২:১৫475747
  • SEZ এ খুব খুব আপত্তি। SEZ এ গেলে ৫ বছরের জন্য ট্যাক্স ছাড় পাওয়া যায়। পুণেতে দেখেছি এই ট্যাক্স ছাড়ের জন্য সফটওয়্যার কোম্পানিগুলো গিয়ে হিঞ্জেওয়াড়িতে ভীড় জমালো। এদিকে ফেজ-ট্যু ছাড়ালেই রাস্তাঘাট কিস্যু নেই। ফলে সরু একচিলতে রাস্তা বর্ষাকালে জ্যাম হয়ে গেলেই এই কোম্পানিগুলোর বড় বড় বাসগুলো একটু বেঁকেচুরে পাশের ছোট ছোট পাহাড়ী গ্রামগুলোর মধ্যে দিয়ে চলা শুরু করত। ফলে সেই গ্রামের রাস্তাও ভারী গাড়ীর চাপে বসে গিয়ে জল জমে একাক্কার কান্ড। সবচেয়ে বড় কথা, মাঝেমাঝে এই গ্রামগুলো থেকে অফিসে আসত বিভিন্ন দাবী নিয়ে (গ্রামের মধ্যে দিয়ে গাড়ী যাবে না, লোক্যালদের কাজ দিতে হবে ইত্যাদি)। তাদের যেভাবে হ্যান্ডল করা হত, তা রীতিমত আপত্তিজনক।

    সরকার যদি ট্যাক্স ছাড় দেবার সাথে রাস্তার উন্নতিটা জুড়ে দিত, তাহলেই অনেক সমস্যার অপেক্ষাকৃত ভাল সমাধান হত।
  • dukhe | ১৪ মে ২০১১ ১২:২৪475758
  • এই বাজারে আমার দাবিটা খুবই হীন শোনাবে। পুরুলিয়ায় কি ঠিকঠাক খাবার জলটুকু দেওয়া যাবে ? বারোমাস ?
    দিদি নাকি জলকর বসাবেন না। উদিকে তিনোমুলের বোর্ড পুরুলিয়া শহরে মাসে একশো টাকা করে জলকর নেয়। কিন্তু নিয়েও যথেষ্ট জল যদি দিত, তাহলে লোকে এট্টু স্বস্তি পেত। জল কিনতে হত না আলাদা করে।
  • til | ১৪ মে ২০১১ ১৩:২১475769
  • দুখেবাবু, কলকাতায় কি জল ফ্রী, একদম?
  • santanu | ১৪ মে ২০১১ ১৩:২৮475780
  • একদম
  • til | ১৪ মে ২০১১ ১৩:৫৫475791
  • কি মজা। হাউসিং কলোনীগুলোতে তো বোরওয়েল লাগায়, ওরাও বোধহয় usage এর ওপর চার্জ করে না।
    এখানে তো graded tariff!
    ওহ, কি সুখ, কি সুখ!
    আমি তো ভাবছিলাম কিনলে ফ্রন্টলোডার ওয়াশিং কিনবো, জলের খরচ বাঁচাতে। নো পরোয়া, শুদুমুদু কেন বেশী দাম দেয়া!
    থ্যাঙ্কু।
  • santanu | ১৪ মে ২০১১ ১৪:১৬475802
  • ঈশানকে,

    ১) ধরা যাক সরকারের খ্যামতা নেই সারা দেশ জুড়ে ইনফ্রস্ট্রাকচার বানানোর, এমনকি এও খ্যামতা নেই কি SEZ এর বাইরে (পুনে তে) বা মধ্যেও (সেক্টর ৫) ভালো করে রাস্তাঘাট বানানোর - সে অবস্থায় SEZ মেনে নেওয়া যাবে?

    ২) রায়চক - সেখানে তো ঐ র‌্যাডিসন, গঙ্গাকুটির আর অম্বুজাদের নেওয়া জমি প্লট করে বিক্রী করা - এতে সরকার আর ট্যাক্স ইত্যাদি এলো ক্যনো?

    ৩) নিউটাউন টা কি সত্যি সরকারী উদ্যোগে না করলেই ভালো হতো? মানে মোটেই করা উচিত হয় নি না সরকারী টাকায় রাস্তঘাট করে দিয়ে বলা উচিত ছিলো, যাও প্রাইভেট পার্টিরা চরে খাও?
  • pinaki | ১৪ মে ২০১১ ১৪:৩৬475814
  • গুরুর থেকে একটা উইশ লিস্ট বানিয়ে মহাশ্বেতা দেবী বা বিভাসবাবু বা ঐ জাতীয় কারুর মাধ্যমে তিনোদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হোক না। এটা আমার সিরিয়াস মতামত। একটা গোছানো দাবীসনদ - নতুন সরকারের কাছে নাগরিক সমাজের কি কি প্রত্যাশা - এরকম কিছু একটা। এই যে তিনোমূলের কারুর সাথে ডায়লগে এনগেজড হওয়া যায় না - এতে আমার একটা কেমন অস্বস্তি হয়। সিপিএমের তাও ভুল করলে গালাগাল দেওয়ার মত দু-চারটে লোককে সবসময় হাতের কাছে পাওয়া যায়। নতুন সরকার। একটা চেষ্টা করে দেখা যেতে পারে যে এরা আমাদের মত জনগণের সাথে ডায়লগের কোনো স্পেস তৈরী করার ব্যাপারে উৎসাহী কিনা। হতেও তো পারে। আমার মতে আমাদের দিক থেকে একটা উদ্যোগ নেওয়া উচিৎ। রঞ্জনদা কলকাতায় গেলে ওনাকে গুরুর প্রতিনিধি করে এই কাজে পাঠানোর সাজেশন দিয়ে রাখলাম। না হলে না হবে। আমাদের হারানোর কিছু নেই। কিন্তু চেষ্টা করা উচিৎ। এটা আমার খুব জোরালো মতামত।
  • dukhe | ১৪ মে ২০১১ ১৪:৩৯475825
  • আগে তো ব্রাত্য ন্যাড়া স্যারের জমির প্রত্যাশাটুকু মেটাক।
  • pinaki | ১৪ মে ২০১১ ১৪:৫২475836
  • কিন্তু ন্যাড়াস্যার ব্রাত্যর এলাকায় জমি খুঁজছে নাকি? ওখানে থেকে কি করবে? ঘিঞ্জি এলাকা। এ:। বাজে প্ল্যান।
  • d | ১৪ মে ২০১১ ১৫:২০475847
  • আকা বলে কি রে! জিটি রোড ঠিকঠাক করতে গেলে কিছু জমি অধিগ্রহণ তো করতেই হবে মনে হয়। যেমন হাওড়া জেলার অনেক অংশ, উত্তরপাড়ার ওখানটা অসম্ভব সরু। সেখানে হয় আশেপাশের বাড়ীঘর ভেঙে রাস্তা চওড়া করতে হবে নয়ত ফ্লাইওভার।

    রাজারহাট নিউ টাউন পরিকল্পনার সময় মধ্য ও নিম্ন আয়ের মানুষদের জন্য কত শতাংশ যেন রাখা হবে বলে বলা হয়েছিল না? সেই হিসেবটা কারো মনে আছে বা হাতের কাছে আছে?
  • Ishan | ১৪ মে ২০১১ ১৬:০২475858
  • শান্তনুদাকে।

    ১। সরকারের ক্ষমতা নেই তো অনেক দিনই শুনছি। আমরা মেনেও নিয়েছি। দিল্লী যেজন্য দেশের সবটুকু ক্ষীর খায়, কলকাতা খায় বঙ্গের।

    এবার সিলেক্টিভলি একটু একটু করে ইনফ্রাস্ট্রাকচার বানানো হোক না। এই যেমন দুর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়ে হয়েছে, একটা পুরুলিয়া পর্যন্ত হোক। জল-বিদ্যুতের সুবন্দোবস্তো করা হোক। এইটুকু সরকার করতেই পারে।

    ২। রায়চক। আমি ভুল বলতে পারি। একটু খোঁজ নিয়ে কনফার্ম করে জানাচ্ছি।

    ৩। নিউটাউন তো সেজ না। সরকারি উদ্যোগে করলে তো ভালই। কোনো অসুবিধে নেই তো।
  • aka | ১৪ মে ২০১১ ১৭:০৫475869
  • সবে ঘুম থেকে উঠলাম, আবার দ্বিতীয় দফায় একটু গড়ানোর ইচ্ছে। জমি অধিগ্রহণ না করে কিছুই হবার নয়। পৃথিবীর ইতিহাসে এরকম উদাহরণ নেই। দু একটা উদাহরণ নিয়ে পড়ে থাকলে হবে না। কোনা এক্সপ্রেস হাইওয়ে হয়েছে। সেরকম।

    যেমন কলকাতা থেকে কল্যাণী অবধি ঝিনচ্যাক হাইওয়ে করুক। বর্তি বিলে কোন ইন্ডাস্ট্রী। গঙ্গা টাকে কেটেকুটে ঠিক ঠাক করে গঙ্গার দু ধারে কারখানাগুলো নতুন কিছু করুক। এইসব আর কি। এখন শিল্পপতিরা এসব দিকে নজরই দেয় না কারণ এখানে যাতায়াতের অসুবিধা, ঠিকঠাক রিসোর্স পাওয়া যায় না, এইসব।

    কিন্তু এখানে একটা কথা আছে, তাহল এরজন্য অপেক্ষা করে তবে শিল্প গড়ব এরকম করতে গেলে ব্যথা আছে, বছর ঘুরে যাবে। কোথাও একটা শুরু করতেই হবে। তখনই দিদির পরীক্ষা।
  • Ishan | ১৪ মে ২০১১ ১৭:০৯475880
  • ভারতের ইতিহাসে রেল বা রাস্তা বানানোর জন্য জমি অধিগ্রহণ নিয়ে কখনও কোনো বড়ো ঝামেলা হয়নি। লোকে চুপচাপ মেনে নিয়েছে।

    কিন্তু একটা গোটা ব্লক বা ১০০০ একর জমি শিল্প করার জন্য অধিগ্রহণ করতে গেলে রেজিস্ট্যান্স পৃথিবীর সর্বত্র হয়। এমনকি চিনেও।
  • dukhe | ১৪ মে ২০১১ ১৭:১২475891
  • pinaki, আমার মনে হয় ন্যাড়ার বেশি বায়নাক্কা নেই। যেখানে জমি দেবে, মাথা পেতে নেবে। কিন্তু ব্রাত্য তো এসেমেসের উত্তরই দিচ্ছে না।
  • Ishan | ১৪ মে ২০১১ ১৭:১৩475902
  • আর শিল্পের জন্য নেবার মতো জমি বাংলায় গুচ্ছ আছে। উদাহরণ কিছু কম নেই। হাতের কাছে আছে মোহিনী মিল আর ঊষার জমি। দুটোই ঘাপলা করে রিয়েল এস্টেট বিজনেসে নামিয়ে দেবার ছক করা হল।

    সিঙ্গুরের একদম কাছেই আছে ডানকুনির মাঠ। চাইলে লোকে যেচে জমি দিত। চন্দনপুরের দিকেও নাকি এরকম একটা জায়গা আছে। আমি অবশ্য সেটা চোখে দেখিনি।

    বাংলায় পতিত জমি প্রচুর। কম না। ল্যান্ড ম্যাপ বানালেই দেখা যাবে।
  • bb | ১৪ মে ২০১১ ১৭:১৪475913
  • ১) নিউ টাউনে কিন্তু অনেক মধ্যবিত্ত কিন্তু একক বা সমবায় ভিত্তিতে জমি পেয়েছেন।

    ২) SEZ এর Trickle Down Effect অস্বীকার করা যায়না, কিন্তু এর বন্টন না অসমঞ্জস হয়ে যায় তার দিকে লক্ষ রাখা যেতেই পারে।
  • Ishan | ১৪ মে ২০১১ ১৭:২০475915
  • ধরুন আম্বানি যে মুম্বই তে বাড়ি টা বানিয়েছেন। তারও ট্রিকল ডাউন এফেক্ট কম না। ৬০০ লোক মনে হয় ঐ বাড়িতেই চাকরি করে। তাদের পরিবার, বাড়ির সামনের চা-বিড়ির দোকান (নিশ্চয়ি আছে, আম্বানি ফ্রিতে চা-বিড়ি দেন না বলেই মনে হয়), সেই চা-লা বিড়ি-ওলাদের পরিবার, সব ধরলে ৩/৪০০০ লোক প্রত্যক্ষভাবে ঐ বাড়িটার উপর জীবিকার জন্য নির্ভরশীল।

    সবই সইত্য। তবে কিনা আম্বানির বাড়িকে উন্নয়নের মডেল ধরলে গোটা দেশের মাপকাঠিতে, স্রেফ অর্থনৈতিক বিচারেই সেটা হাস্যকর হবে। সেজও সেইরকমই। ট্রিকল ডাউনের শাইনিং হাইপ।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। খারাপ-ভাল প্রতিক্রিয়া দিন