এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • অপু | ০৯ জানুয়ারি ২০২০ ০৮:৪৫428250
  • ফান্ডা দেওয়া সোজা। ইমপ্লিমেন্টশন নয়।

    তবে স্বপ্নের পায়েস, বেশী মিষ্টি দিলেই বা আটকাচ্ছে কে ?
  • মানিক | ০৯ জানুয়ারি ২০২০ ০৮:৪২428249
  • সবাই চিন্তাশীল হলে খুবই বিপদ হবে তো। কোন কাজ যদি আধা ঘন্টা চিন্তা না করে শুরু করতে না পারে, তাহলে?

    ইশকুল শ্রমিক হওয়াটাই শেখাক। চিন্তা করাটা লোকে নিজেরা শিখুক।
  • | ০৯ জানুয়ারি ২০২০ ০৭:৫৫428248
  • গঠনমূলক
  • একক | ০৯ জানুয়ারি ২০২০ ০৭:৫১428247
  • স্কুলের কাজ চিন্তাশীল শ্রমিক তৈরী করা, যারা প্রচুর চিন্তাভাবনা করে শেষমেশ চাক্কা পিষেই মরবে :):)
  • অরিন | ০৯ জানুয়ারি ২০২০ ০৭:৪৮428246
  • সুচিন্তিত মতামত: "আপাতত এই। আপনাদের ইনপুট থাকলে দিন।"

    ইস্কুলের ক্লাসগুলোকে বন্ধ ঘরের থেকে মাঠের মধ্যে, মিউজিয়ামে,লাইব্রেরিতে ল্যাবরেটরি তে আরো বেশি করে করানো উচিত। পড়াশোনার ব্যাপারটাকে আরো অনেক সহজ, ছাত্রের অভিমুখী করে তোলা উচিত।

    স্কুলগুলোর কথা ভেবে দেখুন। ব্রিটিশ শিক্ষাবিদ স্যার কেন রবিনসনএর এ নিয়ে একটা ভারী ইন্টারেষ্টিং তত্ত্ব আছে। শিল্প বিপ্লবের সময় থেকে স্কুলগুলো তৈরী করা হয়েছিল কারখানায় শ্রমিক সরবরাহ করার জন্য। আর তাই, প্রথম থেকে এইভাবে স্কুলগুলো তৈরী হয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ে ছাত্রদের স্কুল যেতে হবে, এক ই সময়ে সবাই এক ই ক্লাসে এক ই বিষয় পড়াশোনা করবে। যেন কারখানার শ্রমিকদের মতন এক ব্যাচে প্রতিদিন এক সময়ে কাজ শুরু ও শেষ করা। সময়েই সময়ে ঘন্টা বাজাবে, তখন এক ক্লাস শেষ হয়ে আরেকটা ক্লাস শুরু হবে। ঘন্টা বাজিয়ে টিফিনের সময়, ঘন্টা বাজিয়ে টিফিনের সময় শেষ, বাড়ি যাবার সময়। সব শিশু সব ছাত্রকে এক ছাঁচে ঢেলে এক জিনিস শেখানো হবে।

    স্কুলগুলোর কাজ কি কতগুলো বাধ্য শ্রমিক তৈরী করা, না ভবিষ্যতের চিন্তাশীল নাগরিক তৈরী করা?
  • একক | ০৯ জানুয়ারি ২০২০ ০৭:৩১428245
  • মানে কনসেন্ট এর, পড়াশোনার না।
  • একক | ০৯ জানুয়ারি ২০২০ ০৭:২৯428244
  • মেয়েদের ক্ষেত্রে এজটা ১৮ রাখা হোক।
  • একক | ০৯ জানুয়ারি ২০২০ ০৭:২৬428243
  • চোদ্দ বছর পার করলেই কলেজে ঢুকিয়ে দিতে পারলে ভালো। আর সেক্সুয়াল কনসেন্ট এজকে আনএযুকেটেড দের জন্যে বাড়িয়ে ২১ করে, এযুকেটেড দের জন্যে কমিয়ে পনেরো করা হোক। আলাদা করে পোলিসিং করার দরকার নেই, কিন্তু অভিযোগ এলে এই ধারায় ফেললেই হবে।

    ইতিহাস পাতিহাঁস অঙ্ক বিজ্ঞান ওসব নিয়ে কোনো বক্তব্য নাই। বাচ্ছাদের যৌনতার সুযোগ দেওয়া জরুরি এটা সিরিয়াসলি মনে করি। প্রপার প্রিকশন বুঝিয়ে / সহবত শিখিয়ে ১৪-১৫ র মধ্যে চড়ে খাবার সুযোগ করে দিলে ১৮ -20 তে গিয়ে একপ্রকার সাব্যস্ত হয়ে যাবে। ১৬ ইজ দ্য এজ যখন ছেলেপুলে পারলে দেয়ালে ফুটো করে ফেলে ! স্রেফ থিওরি দিয়ে ওই জোশ আটকানো সম্ভব নয়। সিরিয়াস হওয়ার সময় এসেছে।
  • :-!! | ০৯ জানুয়ারি ২০২০ ০৭:২৫428242
  • আতোজ ৪/৪৯ এ-এমঃ আপনার তো এমন পরীক্ষা অফার করার সুযোগ আছে। আটকাচ্ছে কোথায়?
  • সুচিন্তিত মতামত | ০৯ জানুয়ারি ২০২০ ০৬:৩৯428241
  • গরীবদেশে ১১ ক্লাসে স্কুল শেষ করে দেয়া উচিত। এইট-নাইন-টেন-ইলেভেন। তাহলে একবছর সময় বাঁচবে।

    সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নে মাত্র ১০ বচ্ছরে স্কুল শেষ করে দিত! অবশ্য ক্লাস ওয়ানে ভর্তি করত ৭ বছরে। ১৭ বছর বয়সে ক্লাস টেনে ইস্কুল খতম!। তাতে ডজন খানেক নোবেল প্রাইজ আটকায়নি। এখন এক বছর বাড়িয়ে ইলেভেন ইয়ার্স করা হয়েছে।

    মনে রাখতে হবে আমেরিকার মত সামার ব্রেক (বছরে প্রায় তিনমাস ছুটি দেয়া হয় না) আমাদের, সপ্তাহে দুদিন বন্ধ থাকে না। তো আমাদের তিন বছর ওদের চার বছর হওয়া উচিত।

    সবাইকে বিজ্ঞান নিতে হবে। বিজ্ঞান ও অংকের সুত্রগুলো প্রশ্নেপত্রের পেছনে প্রিন্ট করে দিতে হবে। টুকলিবাজি কমে যাবে।

    বায়োলজি তে ছবি আঁকার অপশন হিসেবে, ছবি দেয়া থাকবে 'আইডেন্টিফাই পার্টস' সমান নম্বরের প্রশ্ন দিতে হবে যাদের ভালো আঁকার হাত নেই তাদের সমস্যা না হয়। বা ট্রেসিং পেপার দিতে হবে, ছবি দেয়া থাকবে, কপি করে পেন্সিলের শিষ দিয়ে চাপ দিয়ে খাতায় ট্রেস করে খাতায় এঁকে পার্টস আইডেন্টিফাই করবে।

    বড় প্রশ্নে বেশি মার্কস না দিয়ে অনেক ২০-২৫ ছোট প্রশ্ন করলে পুরো সিলেবাস কাভার হবে। বইয়ের কিছু বিশেষ জায়গা মুখস্ত করে বাকি বইটা অত ভালো না পড়ার প্রবণতা কমবে।

    আর সাবজেক্টিভ বিষয়ে, বাংলা ইংরেজিতে উত্তর টেনে লম্বা করার প্রবণতা বন্ধ করার জন্য সর্বোচ্চ কয় পেজে উত্তর দেয়া যাবে (হাফ, এক, দুই পেজ ইত্যাদি) তাহলে টেস্ট পেপার মুখস্ত করে চুইংগামের মতো টেনে লম্বা করে খাতায় উগরে দেয়ার প্রবণতা কমে আসবে।

    আপাতত এই। আপনাদের ইনপুট থাকলে দিন।
  • অরিন | ০৯ জানুয়ারি ২০২০ ০৫:০৬428240
  • আমি লিখতে যাচ্ছিলাম। আমি আমার evidence based health এর ক্লাসটার শেষ পরীক্ষাটা প্রায় হুবহ আপনি যেভাবে লিখলেন @atoz, সেভাবে নিই। শুধু মৌখিক পরীক্ষার ব্যাপারটা থাকেনা। আমার ক্লাসে অবশ্য ছাত্ররা নিজেরাই নিজেদের নম্বর দেয়, আমার কাজ শুধু খুঁটিয়ে লেখাটা পড়ে কমেন্ট করা, আর গ্রেড করার রুব্রিক লেখা। বিদেশের ক্লাস গুলোতে যেহেতু সিমেস্টারের শেষে ছাত্ররা আপনার পড়ানোর ওপর আপনার রেটিং জমা দেয়, পরীক্ষা সেট করার সময় অনেক গুলো ব্যাপার খেয়াল রাখতে হয়।
  • Atoz | ০৯ জানুয়ারি ২০২০ ০৪:৫৩428239
  • তবে এই ধরণের পরীক্ষার জন্য খুব অল্পসংখ্যক ছাত্রছাত্রওয়ালা ক্লাস লাগবে। কারণ, এই ধরণের উত্তর পরীক্ষা করা ও গ্রেড দেওয়া সময়সাধ্য ও পরিশ্রমসাধ্য ব্যাপার।
  • Atoz | ০৯ জানুয়ারি ২০২০ ০৪:৪৯428238
  • আমার সবচেয়ে পছন্দ এইরকম পরীক্ষা। ছাত্রছাত্রীরা সব আগে বসবে। তারপরে সবাই একটা করে লিস্ট পাবে। একই লিস্ট, কিন্তু সেই লিস্টে দশটি প্রশ্ন। নানাধরণের। এর মধ্য থেকে একটি বেছে নিয়ে উত্তর দিতে হবে। যে যার নিজের ইচ্ছেমতন বাছবে। নির্দিষ্ট কোনো উত্তর নেই কোনোটারই, ওপেন প্রব্লেম।
    ওপেন বুক, ওপেন রেফারেন্স, ওপেন নেট। সারাদিন সারারাত সে সময় পাবে। লাইব্রেরীতে, ঘরে, নেট খুলে, বই খুলে সব সাহায্য নিয়ে সে উত্তর তৈরী করবে। পরদিন সেই উত্তর জমা দিতে হবে। সেই উত্তর পরীক্ষিত হবার পর সংশ্লিষ্ট ছাত্রকে পরীক্ষকের আরো কিছু প্রশ্নের উত্তর মৌখিক দিতে হবে ঐ সমাধান সংক্রান্ত। তারপরে সমস্তটার উপরে ভিত্তি করে সে গ্রেড পাবে।
    দুজন ছাত্র একই প্রব্লেম বাছলেও একজন আরেকজনের দেখে উত্তর করলে হবে না, মৌলিক হওয়া চাই যার যার উত্তর।
  • অরিন | ০৯ জানুয়ারি ২০২০ ০৪:৪১428236
  • ইয়ে, সময় বহিয়া যায় ...
  • অরিন | ০৯ জানুয়ারি ২০২০ ০৪:৪১428237
  • ওই রকম আরেকটা চক্কর ওপেন বুক পরীক্ষা। আপনি মহানন্দে চোথা নিয়ে পরীক্ষা দিতে গিয়ে দেখলেন ঘেঁটে গোল, তার ওপর একেক জন একেক রকম প্রশ্ন পেয়েছে, টুকতেও পারবেন না, এদিকে সময় বহিরাগত যায় নদীর স্রোতের প্রায়।
  • Atoz | ০৯ জানুয়ারি ২০২০ ০৪:৩৮428235
  • আমার টেক হোম বেশ পছন্দের। ভাবনাচিন্তার সময় পাওয়া যায়, মনপসন্দ প্রব্লেম হলে নানাদিক থেকে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে দেখা যায়, একাধিক কায়্দায় সমাধানের চেষ্টা করা যায়।
  • অরিন | ০৯ জানুয়ারি ২০২০ ০৪:৩৭428234
  • তা ঠিক। একটা নুড়ি কুড়িয়ে তাক করে মারলেই ...
  • S | ০৯ জানুয়ারি ২০২০ ০৪:৩৬428232
  • টেক হোম মানে খাল কেটে কুমীর আনা। টেক হোমে যাসব প্রশ্ন থাকে, মেটিরিয়াল ঠিকমতন না জানলে সেসব উত্তর দেওয়া সম্ভব নয়। তবে কি ঐ টাইম লিমিট আর মুখস্তের ব্যাপার থাকেনা বলে আমার পছন্দ।
  • Atoz | ০৯ জানুয়ারি ২০২০ ০৪:৩৬428233
  • এই পেপার বেরিয়েছে, কিন্তু সিকোয়েল তো বেরোয় নি। আরো কত পেপার এইটার সূত্রে বের হবে তো! সম্মুখে জ্ঞানসমুদ্র, তার তীরে ঝিনুক বা নুড়ি কি কম? ঃ-)
  • অরিন | ০৯ জানুয়ারি ২০২০ ০৪:৩৫428231
  • “এলে এক খান নিয়ে দিব্যি কয়েক পাক ঘুরে এস হেলমেট পরে,“
    অস্ট্রেলিয়া দেখছি বেশ ভাল জায়গা, লাইম স্কুটারে হেলমেট দিচ্ছে। হেলমেট চুরি যায় না? লোকে তো যেখানে সেখানে লাইম স্কুটারগুলো ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। হেলমেট গুলো রাখে কোথায়? সামনের দিকের খোপে?
  • অরিন | ০৯ জানুয়ারি ২০২০ ০৪:২৯428230
  • পেপার তো বেরিয়ে গেছে, অথর আর কি করে হবেন, বরং জার্নালটায় লেটার টু দ্য এডিটর সেকশনটায় ঝাড় নামানোর হুমকিটা দিলেও দিতে পারতেন, তাতেও কাজ হত। ;-)
  • মানিক | ০৯ জানুয়ারি ২০২০ ০৪:২১428229
  • আতজ, আইডিয়াটা ভাল। কিন্তু একে তো পেপারটা পড়ে নিয়েছি। দুই, ফ্রেশ অফ দি বোট বাংলা মিডিয়াম দেশি। একটু ক্যাবলা ছিলাম। এখনো আছি, তবে কমেছে। তখন এরকম স্মার্ট উত্তর মাথায় আসে নি। :-(
  • Amit | ০৯ জানুয়ারি ২০২০ ০৪:১৫428228
  • হ্যা, লাইম স্কুটার। ওটাতেই উল্টেছিলাম।
  • Amit | ০৯ জানুয়ারি ২০২০ ০৪:১৩428227
  • কি আর বলি, আপনারা সব দুদিন ধরে এমন পরীক্ষা আর মার্ক্স্ নিয়ে হামলে পড়েছেন যে আমার মতো এভারেজ ছাত্রকে কে প্রায় মুখ লুকিয়ে এই টুয়িটা থেকে পালিয়ে বেড়াতে হচ্ছে।

    কালকে কে যেন আবার কোটি টাকার চাকরি, সঙ্গে মাত্র একটা বৌ নিয়ে কত শত দুক্খু করে গেলেন, মরমে মরে হেজে গেলুম মাইরি। আমার তো ও মাত্তর এক খানই বৌ (তাতেই অবশ্য ত্রাহি ত্রাহি অবস্থা), কিন্তু কোটি টাকা তো দূরে থাক, তার ২০- % ধারে কাছেও কস্মিন কালে ও যেতে পারিনি, তাই নিয়ে কোনো দিন দুক্খু করেছি এসে -? জালিম দুনিয়া। গরিবের কোনো ইজ্জত নেই।

    হ্যা অরিন, ঠিকই বলেছেন। আমাদের এখানে ইলেকট্রিক বাইসাইকেল হেভি পপুলার হয়েছে। আমি অবশ্যি অনেক দূরে থাকি, রোজকারের জন্যে ট্রেন ই ভরসা। তবে কয়েকটা কোম্পানি বেশ রেন্টাল স্কিম চালু করেছে, কেও সিটি তে বেড়াতে এলে এক খান নিয়ে দিব্যি কয়েক পাক ঘুরে এস হেলমেট পরে, গাড়ির ঝঞ্ঝাট নেই। বেশ সস্তা আর কনভেনিয়েন্ট। চালানো তে একটু ব্যালান্স লাগে যদিও, আমি একবার উল্টে পরেছিলুম।

    :) :)
  • অরিন | ০৯ জানুয়ারি ২০২০ ০৪:১১428226
  • সাইকেলের কথায় মনে পড়ল, কে কে ইউনিসাইকেল, মানে এক চাকার সাইকেল চালান? একটাই চাকা, তার ওপর সিট, একটু ব্যালেন্স লাগে আর আস্তে আস্তে চালাতে হয়, কিন্তু চালিয়ে মজা আছে, ফুটপাথ দিয়ে চালানই ভাল। ফুটপাথ দিয়ে চাকাযুক্ত যান চালানোর কথায় লাইম স্কুটার কে কে চড়েন? আমি মাঝে মধ্যে চড়েছি, কাজের জিনিস, কিন্তু আমার খুব একটা ভাল লাগেনি। আমার ইউনি কি বাইসাইকেল ই বরং বেশী পছন্দের।
  • অর্জুন | ০৯ জানুয়ারি ২০২০ ০৪:০৮428225
  • আপনারা কানহাইয়ার গতকালের স্পিচটা সময় করে শুনুন। ফাটাফাটি। একদম ধুয়ে ছেড়ে দিয়েছে।
  • অর্জুন | ০৯ জানুয়ারি ২০২০ ০৪:০০428224
  • @অরিন-দা, তথ্যটার জন্যে ধন্যবাদ। সুবোধ সেনগুপ্তের এই চমৎকার নামের বইটির নাম শুনেছি। পড়া হয়নি। সত্যেন বোস ও মেঘনাদ সাহার মত দুজন বিজ্ঞানীর কর্মজীবনের বৃহত্তর অংশ কেটেছে কলকাতার বাইরে। একজনের ঢাকায়, আরেকজনের এলাহাবাদে। শুনেছি দুজনেই কলকাতায় কমবেশী রাজনীতির শিকার হয়েছিলেন।

    এই ছেলেটি সিরিয়াসলি বর্ন ওরেটর।

  • সে | ০৯ জানুয়ারি ২০২০ ০৩:৫২428223
  • আতোজ
    এখানে ইস্কুলেও তাই। একেক ইস্কুলে একেকরকম সিলেবাস।
    তারপর শিক্ষক নিজেও অনেক কিছু ঠিক করেন ছাত্রদের সঙ্গে আলোচনা করে। হয়ত সাহিত্যের ক্লাসে আলোচনা করে ঠিক হলো কোন বই পড়ানো হবে। এইরকম।
    বিশ্ববিদ্যালয়েও তাই। িজের পছন্দ মত মড্যুল নেয়া যায়। আরও মজার জিনিস আছে সেসব পরে বলব।
  • Atoz | ০৯ জানুয়ারি ২০২০ ০৩:৫১428221
  • মানিকবাবু, আপনারা গিয়ে বলতে পারতেন, এর উত্তর আমরা দেবো, গবেষণা করে বার করেই না হয় উত্তর দেবো। কিন্তু ওই ঘটিগরম পেপারে কো-অথর হিসেবে আমাদের ঢোকাতে হবে। ঃ-)
  • মানিক | ০৯ জানুয়ারি ২০২০ ০৩:৫১428222
  • সিএমকে গালি দেওয়াটা আর এমনকি সাহসের ব্যাপার। গালি খাওয়াতো মন্ত্রীদের জব ডেস্ক্রিপশনের মধ্যে। তাতে আবার আমেরিকায় বসে।

    কিন্তু ন্যাশনাল হিরোদের গালি দিতে দম লাগে। সুলেইমানিকে নিয়ে কি হল দেখলেন না।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত