এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • অর্জুন | ২৪ ডিসেম্বর ২০১৯ ০১:৫৮427380
  • @আতোজ,

    'এইসব বিরক্তিকর কবিতার মোকাবিলায়,........ ?' তখনই বুঝেছি। ঃ)))
  • Atoz | ২৪ ডিসেম্বর ২০১৯ ০১:৫১427379
  • এদিকে রোদ্দুর রায়ই বেশি কুখ্যাত। ওদিকে ওই মহিলা। লোকে বলছে এদের বিয়ে দিলে সর্বনাশ হয়ে যাবে, ছেলেপুলেরা অতি স্ট্রং গান দাওয়াই হয়ে জন্মাবে, লোকের কানরক্ষা ও জানরক্ষা দায় হবে।
  • সে | ২৪ ডিসেম্বর ২০১৯ ০১:৪৮427377
  • রোদ্দুর রায়ের চেয়েও কড়া দাওয়াই আছে আরেকজনের, এক মহিলা, নাম ভুলে গেছি।
  • Atoz | ২৪ ডিসেম্বর ২০১৯ ০১:৪৮427378
  • আরে অর্জুন, রাজ্যসভায় সদস্যপদ? সেটাই তো মার দিয়া কেল্লা! সেই রম্যকবিতা মনে নেই? পাত্রের নানাবিধ চরিত্রদোষ বের হচ্ছে, পরে যখন সে মন্ত্রী না এমেলে কী একটা জানা গেল, ব্যস সব কলঙ্ক ধুয়ে সাফ। ঃ-)
  • Atoz | ২৪ ডিসেম্বর ২০১৯ ০১:৪৪427376
  • সে,
    হ্যাঁ, তোমাদের দেওয়া সেই গান ট্রীটমেন্টের কথা মনে আছে। ম্যাজিকের মতন কাজ হয়েছিল। ঃ-)
    আর সেই "সুরের গুরু, দাও দাও দাও গো সুরের দীক্ষা", ঐ গান যে তোমাদের আঙুরপাতা জড়ানো মাংসের বিশেষ রান্না বাঁচিয়ে দিয়েছিল, সেটাও মনে আছে। ঃ-)
  • Atoz | ২৪ ডিসেম্বর ২০১৯ ০১:৪১427375
  • অর্জুন, সেইটাই তো বললাম। রোদ্দুর রায় দাওয়াই। ঃ-)
  • সে | ২৪ ডিসেম্বর ২০১৯ ০১:৩৯427374
  • @আতোজ
    রোদ্দুর রায় দাওয়াই আবার মনে করিয়ে দেবার পর হাসতে হাসতে পেটে খিল ধরে গেল।
  • সে | ২৪ ডিসেম্বর ২০১৯ ০১:৩৬427373
  • @অরিন
    ভারতে আনডকুমেন্টেড ইল্লিগাল ইমিগ্র্যান্টদের স্ট্যাটিসটিক্স দিতে পারব না, কিন্তু ভারতে বারংবার ঢুকেছেন কোনও পাসপোর্ট ছাড়াই এমন কিছু মানুষকে আমি চিনি। বর্ডারে নাকি হাজার দুহাজার টাকা দিলেই ঢুকতে দিত, বছর তিনেক আগের খবর। তবে এঁরা ভারতে থাকতেন না বেশিদিন, ভারতীয় পাসপোর্ট জোগাড় করে এঁরা অন্য দেশে পাড়ি দেন এবং সেদেশে ঢুকেই পাসপোর্ট ছিঁড়ে ফেলে অ্যাসাইলামের জন্য আবেদন করেন, নিজে কোন দেশের নাগরিক তা কিছুতেই বলতে চান না। এদের জন্য দোভাষীর প্রয়োজন হয় এবং ক্ষেত্র বিশেষে অ্যাসাইলাম পেয়েও যান, তবে সকলে নয়।
    যাঁরা পান না, তাঁদেরও থেকে যাবার ব্যবস্থা আছে এবং সেটা ডিটেনশন ক্যাম্প নয়।
    আরও কয়েকজন কে জানি যাঁরা বিপুল অর্থশালী এবং ভারতেই পাকাপাকি বসবাস করছেন, সমস্ত ডকুমেন্টই কেনা যায়, এঁদের জীবনযাত্রা বিলাসবহুল।
    তৃতীয় শ্রেণী খুবই গরীব, ডোমেস্টিক হেল্পের কাজ করেন কোলকাতাতে দেখেছি, নভি মুম্বাইয়ে কিছু বন্ধু আছেন তাঁদের বাড়ীতেও বাঙালি এই মহিলারা তুলনামূলক কম মজুরিতে কাজ করেন।
  • Du | ২৪ ডিসেম্বর ২০১৯ ০১:২৭427372
  • বিজেপির অনেক আইডিয়াই ওয়ার্স্ট অফ আম্রিকা অনুপ্রাণিত। এই এনারসি হ্যানাত্যানা করে আর যাই হোক কিছু লোকের ডিসেনফ্র্যাঞ্চাইজমেন্ট করার রাস্তা খুলবে দেশে থাকতে পেলেও এরা দেখেছে আম্রিগায় এই কায়দা ভালো~ই চালু কায়দা কনজারভেটিভদের।
  • অর্জুন | ২৪ ডিসেম্বর ২০১৯ ০১:১৫427371
  • হুমম। রাজ্য সভায় সদস্যপদ ছাড়া ওর আর কি সুবিধে হয়েছে জানিনা। ইতিহাস ও পলিটিক্যাল সায়েন্সের দক্ষ গবেষক হয়ে ওর পার্টির ডিসক্রিমিনেটেড, আনকন্সটিটিউশনল পলিসিগুলো কি ভাবে জাস্টিফাই করে জানিনা।

    তসলিমার কবিতাটা নিয়ে আপনার রিএকশন জানতে চাইছিলাম। ঃ)) @আতোজ
  • Atoz | ২৪ ডিসেম্বর ২০১৯ ০০:৫৬427370
  • এদের ব্যাপারটা বুঝলেন অর্জুন, "যখন যেমন তখন তেমন।" এরা ভাড়াকরা সৈন্যের মতন, যখন যেখান থেকে বেতন পাবে, তাদের হয়ে যুদ্ধ করবে।
  • অর্জুন | ২৪ ডিসেম্বর ২০১৯ ০০:৫০427369
  • যে স্বপন দাশগুপ্ত Subaltern Studies এ গবেষণা পত্র কন্ট্রিবিউট করেন সেই তিনিই নাড্ডা না গাড্ডার বিজেপি র‍্যালিতে যোগ দেন, সত্যিই ভাবা যায়না!
  • Atoz | ২৪ ডিসেম্বর ২০১৯ ০০:৪৯427368
  • বি,
    এই ট্রাউজার্সের উপরে পাজামা কেসটা কি সত্যিই? ঃ-)
  • Atoz | ২৪ ডিসেম্বর ২০১৯ ০০:৩৩427367
  • এইসব বিরক্তিকর কবিতার মোকাবিলায় একমাত্র ওষুধ রোদ্দুর রায়। কবিকে খাঁচায় রেখে রোদ্দুর রায়ের গান চালিয়ে দেওয়া হোক। ঃ-)
  • অর্জুন | ২৪ ডিসেম্বর ২০১৯ ০০:১২427365
  • আচ্ছা, কংগ্রেসের ছোঁয়া পেয়ে শিবসেনাও কি একটু একটু করে সেক্যুলর হয়ে উঠছে ? ওদের অ্যান্টি বিজেপি রেহটরিক তো 'ভূতের মুখে রাম নাম' র মত শোনাচ্ছে ! ঃ))))
  • Atoz | ২৪ ডিসেম্বর ২০১৯ ০০:১২427366
  • এই ধরনের রাজ্যপালকে ইম্পিচ ফিম্পিচ জাতীয় কিছু করে দূর করা যায় না?
  • অর্জুন | ২৪ ডিসেম্বর ২০১৯ ০০:০১427364
  • আজ আমার কেন জানি মনে হচ্ছে এই যে আমরা যারা NRC, CAB, CAA এবং কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করছি তারা সমাজের একটা বিশেষ ভাবুক সেকশনকে রিপ্রেজেন্ট করছি। This section in any way is not a larger part. বেশ একটা বড় অংশ চুপচাপ, দর্শক এবং তাদের খুব একটা ছুঁয়ে যাচ্ছেনা। ডিটেনশন ক্যাম্প নিয়েও নানারকম জল্পনা ও খিল্লি চলছে।

    বেশ কয়েকজন বলছে বিষয়টা নিয়ে নাকি আমরা একটু বেশী বাড়াবাড়ি করছি। দেখাই যাক না কি হয়!

    পশ্চিম বঙ্গে রাজ্যপাল বনাম রাজ্যবাসী লড়াই শুরু হয়ে গেছে। রাজ্যপাল কেন্দ্র থেকে খুব চাপে নিশ্চয় তাই রাজ্য সরকারের সব কিছুর বিরুদ্ধে বলছেন। সে নয় বললেন। কেন্দ্রের ক্রিয়াকলাপ সমর্থন করতে গিয়ে গণতান্ত্রিক প্রতিবাদকেও নিন্দা করছেন।

    আবার আজ রাজ্যপালের যাদবপুরে উপস্থিতি নিয়ে ছাত্ররা যে ভাবে বিক্ষোভ করল সেটাও সমর্থন করতে পারছিনা।

    ভিসি সুরঞ্জন দাসের অসহায়তা প্রকট থেকে প্রকটতর।
  • অরিন | ২৩ ডিসেম্বর ২০১৯ ২৩:০৯427363
  • ভারতে এখন যারা undocumented illegal migrant তারা কোথায় কিরকম কাজ করে?, তাদের লেবার সংগঠন, শ্রমের অধিকার, ন্যায্য মূল্যে পরিশ্রমিক ইত্যাদি নিয়ে কি কি তথ্য জানা আছে? তাদের নিয়ে কতটা human trafficking এখনই হয়? তার কোন stats দিতে পারবেন কেউ?
  • | ২৩ ডিসেম্বর ২০১৯ ২০:৩৪427362
  • এই ডিবেট টা কে একটা সাবজেক্ট ধরে তার গতি প্রকৃতি নিয়ে একটা সিরিজ অফ পোবোন্দো লেখা হোক। তুই ই লেখ। মানে বিরোধিতা অলরাইট, বিরোধিতা তো করবৈ, বোকাচোদামোর তো একটা লিমিট আছে, রেটোরিক টা কেও কমব্যাট করতে হবে, কিন্তু ডিস্কোর্স টার এই জে ওঠা বসা নড়া চড়া, সেটাকে ফেডেরালিজম ডিবেটের ভেতরে দেখবো না বাইরে দেখবো, মানে এই জে স্লা ফেডেরালিজম টাই গণতন্ত্র বিরোধী হয়ে গেল, এটার তো একটা অ্যানালিসিস দরকার। ১৯৫১, ১৯৭৯, ১৯৮৫, ২০১৪ আর ২০১৯ তো এক না। যারা পারবে সকলেই কন্ট্রিবিউট করুক, কিন্তু তুই শুরু কর। গুরু, এ মানে এরকম বৃহৎ কক আপ আর পাবি না।
  • Ekak | ২৩ ডিসেম্বর ২০১৯ ১৯:৫৪427359
  • সরকার, দর্কার নয়।
  • Ekak | ২৩ ডিসেম্বর ২০১৯ ১৯:৫৪427360
  • এখনো দর্কার কোন প্রাইভেট কোম্পানিকে ক্যাম্প চালাতে দেয় ণি।

    এখন অব্ধি ক্লিয়ার নয়, সিটিজেনশিপ এপ্লাই করা লোকদের এম্প্লেমেন্ত স্টেটাস কী হভে। তান্দের জন্যে কোন সেফগার্ড ঘোষনা হয় ণি।

    এখনো অব্ধি উইপ্রো রেজিস্টারের বরাত পেয়েছে।

    ব্যাস।
  • b | ২৩ ডিসেম্বর ২০১৯ ১৯:৪৬427358
  • আরে এভিডেন্সের জন্যে তো সংখ্যা লাগবে, যারে কয় ট্যাটিশটিশ।
  • | ২৩ ডিসেম্বর ২০১৯ ১৯:৩৮427357
  • এই প্ল্যানের জার্নালিস্টিক এভিডেন্স কি আছে?

    আমি যা পড়েছি, রিলায়েবল না। অরিজিত এর টাও কন্জেকচার মাত্র, মানে ভালো রেশনাল কনজেকচার, কিন্তু ইস দেয়ার অ্যান এভিডেন্স অফ আ প্ল্যান?

    অবশ্য মুখেই মুখেই, লার্জ স্কেল কম্প্লিসিটির জন্য, যা হয়ে যাচ্ছে, এভিডেন্স পাওয়া সোজা হবে না, অন্তত সরকারী বা পার্টি ডকুমেন্ট্স এর একটা প্যাটার্ন তো কেউ এক্সপোজ করবে?

  • Ekak | ২৩ ডিসেম্বর ২০১৯ ১৯:৩৫427355
  • নেই, কিন্তু যে লোকগুলো ফান্ডিঙ্গ কর্ছে তাদের আছে।

    ডিমনির সময় ওয়ালেট বিজনেস গুছিয়ে নিলো। লালাজী দের পয়সা এই মানি লেন্ডিঙ্গ, সিভিল কন্স্ট্রাকশন, গভ টেন্ডারে ঘুর্ছে।

    এনার্সি সেখানে অক্সিজেন আনতে পারে।
  • | ২৩ ডিসেম্বর ২০১৯ ১৯:৩৫427356
  • স্বাধীন জীবন যেখানে যথেষ্ট শস্তা, সেখানে আধিপত্য ই প্রধান উদ্দেশ্য মনে হয়, প্রোডাকটিভিটি না। হ্যাঁ বিচিত্র ইনডাস্ট্রি রা সেটা কাজে লাগাবেন হতে পারে।

    অধিকার থেকে এলিমিনেশন এতো সহজ, ইনডাস্ট্রিয়ালাইজেশন অফ এলিমিনেশন এর প্রয়োজন থাকবে কি?

    হ্যাঁ চীন এর লো ওয়েজ ম্যানুফ্যকচারিং এমুলেট করার এই টে একটা বেশ প্রস্তুতি যদি কেউ বলে, তাইলে ডেঞ্জারাস ব্যাপার, কিন্তু লেট আস নট গিভ দেম আইডিয়াজ।

  • | ২৩ ডিসেম্বর ২০১৯ ১৯:৩১427354
  • হ্যাঁ সেটা ঠিক ই, সে আর অরিজিত/দমু যা বলেছেন সেটা ঠিক ই। কিন্তু একটা কিন্তু আছে। কিন্তু তুলনামূলক স্টাডির মূল জোর টা ধরেন আসে অ্যানালিটিকাল মডেল টা কে প্রসারিত করে।

    আমাদের এখানে ফ্যাসিজম হচ্ছে, শিল্প বিপ্লব তো নয় ই উল্টে দীর্ঘ সোশাল হায়ারার্কি আর কলোনীর ইতিহাসের পরে। সুতরাং ক্যাপিটালিস্ট এফিসিয়েন্সির একটা বেলিকোজ ধারণা, যে ধারণার বলে ধরো, পুতিন এর প্রশাসনে, বৃদ্ধাশ্রমে আগুন লাগানো যায়, অন্য রেজিমে অন্যত্র ডিসেবল বা গে দের মেরে ফেলা যেত ইত্যাদি, সেটা এখানে নেই। তাই কাশ্মীর এমনি ই দখল করা যায় সেখানে পেয়ারের লোকের রিয়েল এস্টেট ইনডাস্ট্রি তৈরী হতে সময় লাগলেও, ডিটেন্শনে শুধুই ফেলে রাখা যায়, উৎঅপাদনে কাজে না লাগিয়ে। এন্টায়ার স্যানিটেশন ইনডাস্ট্রি দলিত রা তো মিনিমাম হেল্থ অ্যান্ড সেফটির মিনিমাম নর্ম্স ছাড়া চালাতে বাধ্য হচ্ছেন। কি কন্ডিশনে স্মল স্কেল সেক্টরে কাজ হয় কেউ জানে না।
    তো আমার বক্তব্য হল, ইকোনোমিক রেশনালের প্রয়োজন ভারতীয় ফ্যাসিজম এ আছে কি?

  • Ekak | ২৩ ডিসেম্বর ২০১৯ ১৯:২২427353
  • এই ভয় টা অাছেই কারন এটা টেস্টেড মডেল।

    কদিন আগে লিখেছিলুম,

    রাইটস দিয়ে সিটিজেনশিপ ডিফাইন্ড, নট দ্য আদার ওয়ে, এরা গল্পটাকে উল্টোতে চাইছে শুধু ধর্মীয় কারনে নয়, এদের উদ্দেশ্য একটা বড় অন্গ্শের ওয়েল্ফেয়ার খর্ব করে, কম পয়্সায় লালাজী কোম্পনিতে খাটিয়ে নেওআ।

    ডিস্টোপিয়ার ক্যাম্প অব্ধি জাক না জাক, "এপীল ফর সিটিজেন্শিপ " ক্যটেগরি তে জান্রা আসবেন, তান্রা ওয়েলফেয়র ছাড়া কম পয়্সায় নিগোশিএট কর্তে বাধ্যো হবেন।
  • সে | ২৩ ডিসেম্বর ২০১৯ ১৯:২১427352
  • অ্যামেরিকায় প্রিজন একটা ইন্ডাস্ট্রি
  • | ২৩ ডিসেম্বর ২০১৯ ১৯:১১427351
  • তারপর সেটা নিয়ে তার উপর খেটেখুটে অজ্জিত আজ লিখেছে

    "২৭শে জানুয়ারি, ১৯৪৫ - সোভিয়েত লালফৌজ এসে দখল নেয় দক্ষিণ পশ্চিম পোল্যান্ডের আউশউইৎজ কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্পের। তার অল্প কয়েকদিন আগেই নাৎসি বাহিনী পৃথিবীর সবচেয়ে বড় গণহত্যার এই সাইট খালি করে পালায়। ১৯৪০ সাল থেকে চলে আসা হত্যাকাণ্ড বন্ধ হয় প্রায় পাঁচ বছর পর।

    সঠিক সংখ্যাটা আজও ঠিকভাবে জানা যায় না - তবে হলোকাস্ট মিউজিয়ামে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী ওই ক্যাম্পে বিভিন্ন সময়ে বন্দী প্রায় ১১-১৩ লক্ষ মানুষের মধ্যে প্রায় সাড়ে নয় লক্ষ মানুষকে সিস্টেমেটিকভাবে মেরেছিলো জার্মান এসএস। বন্দীরা প্রায় সকলেই ইহুদী - যাদের এই ক্যাম্পে নির্বাসন দেওয়া হয় থার্ড রাইখের দখলে আসা বিভিন্ন অঞ্চল থেকে। এঁরা ছাড়াও মৃতদের মধ্যে ছিলেন ৭৪,০০০ পোল্যান্ডের নাগরিক, প্রায় ২১,০০০ জিপসি, ১৫,০০০ সোভিয়েত যুদ্ধবন্দী, এবং আরও হাজার দশেক অন্যান্য দেশের মানুষ। অন্যান্য যে কোনও নাৎসি কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্পের চেয়ে বেশি সংখ্যায় মানুষ মারা যান শুধুমাত্র এই আউশউইৎজে। এই ভয়ানক হত্যাকাণ্ডের অনেক নিদর্শন খুঁজে পেয়েছিল লালফৌজ - প্রায় ৭০০০ অনাহারে অর্ধমৃত বন্দী, মৃত বন্দীদের অসংখ্য জামাকাপড়, আর সাড়ে ছয় হাজার কিলোর কাছাকাছি মানুষের চুল। আউশউইৎজ মিউজিয়ামে আজও রাখা আছে প্রায় লাখখানেক জোড়া জুতো, ১২,০০০ বাসনপত্র, সুটকেস আর বেশ কিছু ছেঁড়া বন্দীদের পোশাক - শুধু দেখানোর জন্যে।

    আউশউইৎজ নিয়ে অসংখ্য তথ্যচিত্র আছে, সিনেমাতেও এর কথা আছে - এ সমস্ত তথ্য সেখানে পেয়ে যাবেন। যদি কোনোদিনও এই ধরণের ক্যাম্প দেখার সুযোগ আসে, শুধুমাত্র মানবিকতার খাতিরে একবার ঘুরে আসবেন। দেখবেন কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্পের লোহার গেটের ওপর লেখা পৃথিবীর সবচেয়ে করুণ রসিকতা - “Arbeit macht frei” - কর্মেই তোমার মুক্তি…

    ইতিহাস বলে, এই কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্প তৈরীর পিছনে ইহুদী এবং অন্যান্য যুদ্ধবন্দীদের রাখা ছাড়াও একটা অর্থনৈতিক যুক্তিও ছিলো। সেটা হল সস্তার লেবার বা শ্রম। ১৯৪০ সালে, পোল্যান্ড দখল করার পরেই নাৎসিরা একটা জায়গার খোঁজ করতে শুরু করে যেখানে পোল্যান্ডে খাঁটি জার্মানদের বসতি তৈরীর পর সেখানকার উৎপাটিত ইহুদী বাসিন্দাদের বন্ধ করে রাখা যাবে অন্যান্য যুদ্ধবন্দীদের সাথে। ২১শে ফেব্রুয়ারি, ১৯৪০, এরকম অনেক জায়গা দেখতে দেখতে এসএস অধিকর্তা রিচার্ড গ্লকসের পছন্দ হয় আউশউইৎজ জায়গাটি - আধা জলাভূমির মধ্যে সাড়ে বারো হাজার বাসিন্দার একটা নির্জন টাউনশিপ। কেন এই জায়গাটাই? কারণ এর পাশেই অস্ট্রিয়ান সাম্রাজ্যের সময়কার একটা মিলিটারি ব্যারাক ছিলো - কাজেই সেই কাঠামোটাকেই ব্যবহার করা যাবে। ওই বছরেরই জুন মাসে আউশউইৎজ ক্যাম্প চালু হয় সরকারিভাবে। এবং এই সময়ের মধ্যেই জার্মান কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি, IG Farben, সেখানে তাদের সিনথেটিক রাবার, এবং সিনথেটিক কোল-অয়েলের কারখানার জন্যে জমি কেনে। থার্ড রাইখের যুদ্ধের প্রস্তুতির জন্যে এই সিনথেটিক রাবার এবং কোল-অয়েলের গুরুত্ব ছিলো অপরিসীম। কেন ওখানেই? কারণ আউশউইৎজে বন্দী থাকা লোকগুলোকে দিয়ে বিনা মাইনেতে গাধার খাটুনি খাটানো যাবে কারখানায়...বন্দীরা সাপ্লাই দেবে স্লেভ লেবার...কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্পের পিছনের অর্থনৈতিক কারণ...

    এইবার একটু আসি বর্তমানে।

    হিউস্টনে "হাউডি মোদী" অনুষ্ঠানের সময়, আমাদের প্রধানমন্ত্রী বিখ্যাত নাসা ল্যাব বা মিউজিয়াম ফেলে ঘুরতে গেছিলেন সরকারি মালিকানায় এবং বেসরকারি ঠিকাদারদের দিয়ে চলা ওখানকার তিরিশটি জেলখানা। আমেরিকান হিউম্যান রাইটস গ্রুপগুলো এই জেলখানাগুলো নিয়ে অনেক অভিযোগ করেছে - বন্দীদের ওপর কুকুর লেলিয়ে দেওয়া থেকে আরও অকথ্য অত্যাচার চলে এসব জেলখানায়...এবং এখানকার বন্দীরাও সাপ্লাই দেন স্লেভ লেবারের - যার মুনাফা লোটে বিখ্যাত সব বহুজাতিক, যার মধ্যে রয়েছে ডেল, মাইক্রোসফট, স্টারবাকসের মত কোম্পানিও। এমনকি, এই কিছুদিন আগেও ক্যালিফোর্নিয়ার দাবানলের সাথে লড়তে কাজে লাগানো হয়েছিলো এই বন্দীদেরই…
    প্রধান সেবকের এই জেলখানা দেখতে যাওয়া, এবং ভারতে NRC/CAA চালু করার পাশাপাশি বিভিন্ন রাজ্যে তৈরী হওয়া ডিটেনশন সেন্টার - আর কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্পের পিছনের অর্থনৈতিক কারণ - এসবের মধ্যে কিছু যোগসূত্র তৈরী করতে পারলেন কি? চেষ্টা করুন না, খুব একটা কঠিন নয় কিন্তু…

    ছবির ইন্ডেক্সঃ আউশউইৎজ ক্যাম্পের গেট, IG Farben এর কেমিক্যাল প্ল্যান্ট, আউশউইৎজের বন্দী ব্যারাক এবং আউশউইৎজের কিছু বন্দী।

    সুত্রঃ
    (১) https://www.theguardian.com/world/2015/jan/27/auschwitz-short-history-liberation-concentration-camp-holocaust
    (২) The Rise and Fall of the Third Reich - William Shirer
    (৩) The Third Reich at War - Richard J Eva"
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত