এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • PT | ১৭ নভেম্বর ২০১৯ ১৯:৩৫424980
  • "নাচায় পুতুল যথা দক্ষ বাজিগরে
    তেমনি নাচাও তুমি অর্বাচীন (তি)নরে"!!
  • sm | ১৭ নভেম্বর ২০১৯ ১৯:০১424979
  • খেলার মাঠে সব্বাই মারাদোনা হতে চায়।!ফালতু ;তিনোরা কেন ওকে হারালো?কেন গভীর ভাবে ভাবলো না?কেনো তিনোদল সু চিন্তক নয়;এসব আমরাগাছির কি মানে?
  • sm | ১৭ নভেম্বর ২০১৯ ১৮:৫৮424978
  • স্মৃতি যখন,ঢাকাই থাক।খুলে কি লাভ?
  • PT | ১৭ নভেম্বর ২০১৯ ১৮:৫৭424977
  • সিপিএমের জন্য গুরুদাসবাবু হেরেছেন এমন আষাঢ়ে গপ্প ফেঁদে কোন লাভ নেই। অমন ঘটনা আরো আছে। খর্গপুরে দিলীপ ঘোষকে জিতিয়ে আনার জন্য অত্যন্ত জনপ্রিয় ও নিষ্কলঙ্ক কংগ্রেস প্রার্থী চাচার ভোট ভাগ করে দিয়েছিল তিনোরা। এখন অবিশ্যি ল্যাজে-গোবরে হয়ে মঞ্চে মঞ্চে "জয় শ্রী রাম" বলে নেচে বেড়াচ্ছে কার উবগার করার জন্য কে জানে!!।
  • | ১৭ নভেম্বর ২০১৯ ১৮:৫৫424976
  • 'স্মৃতির ঢাকা' বলে একটা বই কিনেছি, বাংলাদেশ বইমেলা থেকে। কাজল ঘোষ সম্পাদিত। নালন্দা প্রকাশনা। প্রচুর লোকের মেমোয়ার আর্টিকল আছে পড়তে পারেন।
  • sm | ১৭ নভেম্বর ২০১৯ ১৮:৪৫424975
  • আগে নিজের দলের কথা ভাবুন।
    বড় শরিক তার অনুজ কে ঠিক মত দেখভাল করেছিল কি না?
  • প্রতুল মুখোপাধ্যায় | ১৭ নভেম্বর ২০১৯ ১৮:৪৪424974
  • সব রিগিং নয় সমান।
  • PT | ১৭ নভেম্বর ২০১৯ ১৮:৪০424973
  • গুরুদসবাবুকে জেতালে কাদের বিরুদ্ধে যাওয়া হবে সে কি আর তিনোরা জানত না?
  • sm | ১৭ নভেম্বর ২০১৯ ১৮:৩৮424972
  • ওহ জনগণের স্বার্থ রক্ষার কতা হচ্ছে বুঝি!সে জন্যই খুঁজে পেতে করাত পত্নী কে বাংলা থেকে রাজ্যসভায় পাঠানো হতো।
    চিরটা কাল নিজেরা রিগিং করে এখন তিনোদের ওপর দোষারোপ!
    সিপিএম তো শরিক দলের সঙ্গে কেমন ব্যাভার করে জানা আছে।
    গুরুদাস বাবুর জন্য সকলে প্রাণ পন লড়াই করবে, এমন তো নয়!
  • cb | ১৭ নভেম্বর ২০১৯ ১৮:১৪424971
  • রিপাবলিকানরা ঠিক করেছে চোখ খুলবে না। খুললেই মৃত্যু। সুতরাং ফক্স নিউজের ওপর ভর করে কন্সপিরেসি থিয়োরি এসব বালছাল ছড়াচ্ছে নয়ত স্রেফ মিথ্যে কথা বলে চলেছে। আর উপায়ও নেই
  • ডিঙ্গো | ১৭ নভেম্বর ২০১৯ ১৮:০৫424970
  • যারা ভাজপার সঙ্গে হাত মিলিয়ে UPA সরকারের বিরুদ্ধে আস্থা ভোট দিয়ে সরকার ফেলে দেবার চেষ্টা করে, তারা কাদের স্বার্থ রক্ষা করে ?
  • S | ১৭ নভেম্বর ২০১৯ ১৫:৩৬424969
  • একটা এক্সপিরিয়েন্স হল রিসেন্টলি। একজন মোদিভক্তের সঙ্গে কথা হচ্ছিল। তিনি এদিক সেদিক অনেক লিবারল বিরোধী কথা বলছিলেন, যেমন বলে থাকেন। ৩৭০ নিয়েও কথা হচ্ছিল। অনেক যুক্তি দিচ্ছিলেন। আমি বললাম যে ওসব বুঝিনা, কিন্তু যেটা করা হয়েছে সেটা মাইনরিটিদের শোষনের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে। দেখলাম আর কোনও উত্তর দিতে পারছেন না।

    আমার মনে হয় "সেকুলারিজম ইজ গুড, কমিউনালিজম ইজ ইভিল" এইটা একদম ফান্ডামেন্টালি আবার লোকেদের মাথায় ঢোকানো দরকার।
  • অর্জুন | ১৭ নভেম্বর ২০১৯ ১৫:১০424968
  • কাল জনৈক @ Golmaal র Date:17 Nov 2019 -- 02:19 AM র মন্তব্য

    'সর্বজনগ্রাহ্য কি ন্যারেটিভ বানান যায় দেখুন, তার্পর তার প্রচারের কাজ ও হোয়া ইউনি ইত্যাদি!'

    এটা খুব ইম্পরট্যান্ট। 'সর্বজনগ্রাহ্য ন্যারেটিভ' কি হতে পারে ?

    কাল এই আলোচনায় যারা অংশ নিলেন @অরিন @--- @S @এলেবেলে আপনারা কিছু আলোকপাত করুন।

    এই mainstream discourseর মডেল টা খুব ইম্পরট্যান্ট।

    @অরিন বাবু, হিন্দুকুশ পর্বতের কলস মানুষদের নিয়ে আপনি একটা লেখা ফেলুন। ইরাবতী কার্ভে মহাভারত থেকে অনেক অ্যান্থ্রপলোজিক্যাল এলিমেন্ট খুঁজে পেয়েছিলেন।
  • | ১৭ নভেম্বর ২০১৯ ১৪:১৫424967
  • বিঙ্গো
  • PT | ১৭ নভেম্বর ২০১৯ ১২:৪১424966
  • "কিন্তু ইলেকশন এর ময়দানে কেউ কাউকে জায়গা ছেড়ে দেয়!?"
    তা দেয় না।
    কিন্তু গুরুদাসবাবুর বদলে যে যায় সে কার স্বার্থ রক্ষা করে? এবারে ব্যাক ক্যালকুলেশন করে ভেবে দেখুন যে যারা গুরুদাসবাবুকে হারাতে রিগিং করতেও দ্বিধা করেনা সেই দল কাদের স্বার্থ রক্ষা করছে?
  • sm | ১৭ নভেম্বর ২০১৯ ১২:৩০424965
  • গুরুদাস বাবু নমস্য ব্যক্তি। উনি পার্লামেন্টে ৫৭হাজার কোটি টাকা ব্যাংক লোন নেওয়া ব্যক্তি দের পোল খুলে দিয়েছিলেন।এনারা উইল ফুল ডিফলটার ছিলেন।
    হাজারটা বিখ্যাত ব্যক্তি খুঁড়লে অমন মানুষ পাওয়া যাবে।কিন্তু ইলেকশন এর ময়দানে কেউ কাউকে জায়গা ছেড়ে দেয়!?
  • S | ১৭ নভেম্বর ২০১৯ ১২:১২424964
  • প্রোগ্রেসিভ ট্যাক্স পলিসি আর ওয়েল্থ ট্যাক্সের উদ্দেশ্যই তাই।
  • PT | ১৭ নভেম্বর ২০১৯ ১২:১০424963
  • "তাদের টাকাদার দাগিয়ে দিলেই হলো।"
    দিলেই হয়! কিন্তু তার জন্য তো বামপন্থী হতে হবে।

    এই যেমন ধরুন গুরুদাস দাসগুপ্ত।
    "A major highlight in his political career came in the early 1990s when he raised the Harshad Mehta scandal in the Parliament. ......... Dasgupta again stirred the hornet’s nest as member of the Joint Parliamentary Committee which probed the alleged 2G spectrum scam. His regular skirmishes with the then UPA law-makers on 2G scam ........
    https://www.thehindubusinessline.com/news/national/cpi-leader-gurudas-dasgupta-passes-away/article29839118.ece

    তবে উইকি জানাচ্ছে যে এইরকম একজন যাতে নিজের বক্তব্য ঠিক জায়গায় রাখতে না পারেন তার জন্য আপনার দিদি খুব যত্ন সহকারে তাঁকে হারানোর ব্যবস্থা করেনঃ
    "The Bye election Held In 5 June 2000.Bikram Sarkar of Trinamool Congress Defeated Gurudas Dasgupta of CPI By 41,491 Votes. In This Election,The Booths of Some Assembly Seats Were Badly Captured and Rigged Votes By TMC Goons and Cadres."

    এখন দিল্লিতে ঘাটালের প্রতিনিধি কে ভেবে দেখে তার পরে কান্নাকাটি করবেন!!
  • S | ১৭ নভেম্বর ২০১৯ ১১:৪১424961
  • ইম্পিচমেন্টের আপডেটঃ
    ১) রিপাব্লিকানদের দাবী মেনে এখন পাবলিক হিয়ারিং হচ্ছে।
    ২) বহু স্টেট ডিপের কর্মচারি এবং ডিপ্লোম্যাটরা এসে কুইড প্রো কুওর সাপোর্টে উইটনেস দিয়ে যাচ্ছে।
    ৩) রিপাব্লিকারা বলছে যে এইসব পাব্লিক হিয়ারিং আসলে টিভি শো।
    ৪) বেশিরভাগ রিপাব্লিকান এবং ফক্স নিউজের মতে পাবলিক হিয়ারিং খুব বোরিং হচ্ছে। অতেব অপ্রয়োজনীয়।
    ৫) অনেক রিপাব্লিকানরা দাবী করেছে যে কুইড প্রো কুও হতেই পারেনা, কারণ সেটা করার মতন বোধবুদ্ধি ট্রাম্পের নেই।
    ৬) ট্রাম্প অন্য একটা ফোন কলের ট্রান্সক্রিপ্ট দেখিয়ে বলছে যে দেখ কোনও কুইড প্রো কুও হয়নি।
    ৭) একজন উইটনেস কেন হিয়ারিংএর সময় অনেক জল খাচ্ছিলেন সেই নিয়েও ফক্স নিউজে জোড় আলোচনা হয়েছে।
  • sm | ১৭ নভেম্বর ২০১৯ ১১:৪০424960
  • আরে এটার আবার কি লিঙ্ক! আমার বক্তব্য ছিলো,
    যাদের বেশি এমাউন্ট এর ডিপোজিট থাকবে,তাদের টাকাদার দাগিয়ে দিলেই হলো।
    একদা যেমন করে জোতদার দাগিয়ে দেওয়া হযেছিল।
    পি এম সি ব্যাংকে দেখছেন তো!
    পঞ্চাশ হাজার এর ওপর তোলা যাচ্ছে না।
  • :-( | ১৭ নভেম্বর ২০১৯ ১১:০৯424959
  • এসেম্বাবু আছেন দেকচি। ঐ যে সেদিন বল্লেন ১০ লাখের উপ্রে গেলেই টাকাদার বলবে, সে বিষয়ে লিং চাইলুম দিলেন্না এমং কি টাকাদার হলে কী কী কনসিকোয়েন্স তাও জানালেন না।
    খুউব খারাপ লাগে!
  • | ১৭ নভেম্বর ২০১৯ ১১:০২424958
  • এবাবা তোর সফল বৈজ্ঞানিক ইমেজ নষ্ট হয়ে যাবে, তুই তো প্রায় প়াঁচটা বাক‍্য টানা লিখে ফেলেছিস।প্রকৃত বুদ্ধিমান দের মত তোর এক সেনটেন্স লেখা উচিত ছিলো। ঈশ।
  • T | ১৭ নভেম্বর ২০১৯ ১০:৫১424957
  • আহাহা, একই সঙ্গে উল্লেখ করছি মানে যে দুটো লেখাই একজাতীয় বা একই ফর্মের তা বলছি না। জার্নিটা আদতে শুরু হয়েছে ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে। এরপর ফিকশন, নন ফিকশন পেরিয়ে সময় ও ইভেন্ট কানেক্টেড কত্তে কত্তে লেখাটা শুরু হয়েছে। গুরুতে যখন পর্বে পর্বে বেরুচ্ছিলো, সেইটুকুনই পড়া। তারপর সোশনের চোটে আর পুরো বই পড়া হয়ে ওঠে নি। সে হিসেবে ঠিকই বলেচ, বালই বুঝেছি :)) এটা ক্ষমাহীন অপরাধ। গতবছর বইমেলায় দৌড়ে এসে সংগ্রহ করার পরেও এবং লেখিকা নিজেই যখন স্নেহবৎসল চোখে বইটি তুলে দিয়েচেন, তার পরেও। কোনো অজুহাতই যথেষ্ট নয়, তবে রিসেন্টলি ইউনিক একটা পাওয়া গ্যাচে। ভাঙা কনুই ঃ)))

    প্রচলিত ইতিহাস টেক্সট বুকের ফর্মের বাইরে গিয়েই ইতিহাস লেখা নিয়ে তো কোনো আপত্তিই নেই। ক্যানোই বা থাকবে। তুমি য্যামন বলচ যে ভাষা বদলাচ্চে, ইন্টেন্স হচ্ছে, কনট্রাস্টিং ন্যারেটিভ সবই ঠিকাছে। পয়েন্টটা সেটা না। গণইতিহাস তো লেখা হবেই। বক্তব্যের ডকুমেন্টেশন লোকে করবেই। সেটা অপরিশীলিত, উদ্ভট, অগোছালো এবং সম্ভাবনাময় উইয়ার্ড হতেই পারে। উদা, সপ্তগ্রামে ইংরেজ পর্তুগিজ বণিক, নাবিক, ভাগ্যান্বেষী ভ্যাগাবন্ড কি ফুটো কাপ্তানদের বঙ্গসমাজের সোশ্যাল স্ফিয়ারে পেনিট্রেশন বুঝতে শুদু বিবিধ আর্কেইক ডাচ আদেশনামা কী ইংরেজ সায়েবেদের ডায়েরী কী জেসুইট পাদ্রীদের বিবরণই হেল্প করেচে তা নয়, হুগলীর মৃৎশিল্পীরা দলে দলে এই উৎকট উপদ্রব খোদাই করে গ্যাচেন, হরেক রকম জোড়বাংলা কী রাধাগোবিন্দ মন্দিরের দেওয়ালে দেওয়ালে। পিকিউলিয়ার, কিন্তু কাজে তো এলো। তো, ন্যারেটিভ এবং ফর্ম নিয়ে আমার আপত্তিই নেই, আমার আপত্তিটা হচ্ছে এই খিচুড়ির মধ্যে নির্দিষ্ট স্ট্রাকচার আরোপ করা নিয়ে। এটা য্যানো একটা পরীক্ষার মধ্যে ফেলে দেওয়া হল। বেড়াল জীবিত কী মৃত সেটা উঁকি মেরে দেখার মতন। বিবিধ ভাবেই লেখা হোক। হ্যাঁ, ঐ রেফারেন্সিং এর কাজটা থাকলে ভালোই হয়, অস্বীকার করছি না। কিন্তু ভাঙা কনুই নিয়ে এর বেশী টাইপানো যাচ্চে না...ঃ))

    বইমেলায় এলে খপর দিও। ঃ)
  • অর্জুন | ১৭ নভেম্বর ২০১৯ ১০:২২424956
  • @অরিন বাবু, আপনার
    Date:17 Nov 2019 -- 01:45 AM র মন্তব্যে রবীন্দ্রনাথের অসাধারণ উদ্ধৃতিটি শেয়ার করার জন্যে অনেক ধন্যবাদ।
  • Ekak | ১৭ নভেম্বর ২০১৯ ১০:০২424954
  • লেখাঃ ঘোষণা, লিখছেন--সুজন যৌধেয়

    আপনারা কেও ক্লিক্করে এনার মন্তব্য পড়তে পার্ছেন ?
  • :( | ১৭ নভেম্বর ২০১৯ ১০:০২424955
  • খ বাবু কে কেউ প্রেসি লেখার ট্রেনিং দিন প্লিজ ঃ) খবরের কাগজে ৩০০০ শব্দের লেখা লিখে এমন অভ্যেস হয়েছে, তার নিচে কিছু ভাবতেই পারছেন না ঃ(

    টয়লেট যাবো বলতেও আজকাল ৩০০০ শব্দ লাগছে ঃ)
  • sm | ১৭ নভেম্বর ২০১৯ ০৯:৫২424953
  • এই হানু,সকাল সকাল হিন্দুকুশ পর্বতের মতন বিশাল,নিরেট প্রবন্ধ নাবালো কেন?
    একি অবান্ধব কার্য কলাপ!
  • | ১৭ নভেম্বর ২০১৯ ০৯:২১424952


  • ট,
    প্রথম কথা দমু র পার্টিশন প্রসঙ্গে লেখা বা ফোর্সড মাইগ্রেশন সম্পর্কে লেখা, আর ইন্দো র যে লেখা র প্রসঙ্গে কথা হচ্ছে সে দুটো আলাদা ফর্ম। দমু ক্লেম করে নি সে ইতিহাস বিষয়ে প্রবন্ধ বা প্রাইমার বা এমন্কি ঐতিহাসিক উপন্যাস লিখছে। দমুর যেটা চোজেন পজিশন, সেটা হল, ইতিহাস /বড় প্রেক্ষন ইত্যাদি ঠিক আছে, কিন্তু তার মধ্যে এই সব পার্টিশন ইত্যাদি, সিভিল ওয়ার হলে য সোল ক্রাশিং টা হয়, সামাজিক মানুষ্টা যে ধ্বংস হয়, ব্যক্টি মানুষ্টা যে খড় কুটো হয়ে যায়, সেটা তার কনসার্ন। এইটেই ঘোষিত অবস্থান। এটা যদি বুঝে না থাকিশ, দমুর লেখা খুব বেশি খ্যাল করে পড়িস নি অথবা সংক্ষেপে বাল বুজেছিশ ;-)) এবং এটাও ক্লিয়ার করা দরকার ফর দ্য রেকর্ড্স, যে কনফ্লিক্ট সংক্রান্ত বিষয়ে ফেমিনিস্ট হিসেবেই সম্ভবত দমু এই পজিশন টা বেছে নিয়েছে।

    ক্লেম কি আর ইন্দো করেছে, করেনি, কিন্তু ফর্মের প্রিসিডেন্স টা তাই। এবং এটা শুধু লেখকের ব্যাপার না, দু বা আমি বা তোরা যেকোনো পাঠক, দমুর লেখা পড়ে ইতিহাসের বইয়ের বা ইতিহাস চর্চার গ্যাপ মেটাচ্ছে না। এই 'সাধারণ মানুষের জন্য সহজ করে লেখা' ইতিহাসের দাবী সেই দাবী টা এই ফর্মের ডেরিভেটিভ। ইন্দো যখন 'উন্মন বদ্যকর' লিখছে, সেটাও এক অর্থে কন্ফ্লিক্ট, বা আরো স্পেসিফিকালি পোস্ট-কনফ্লিক্ট, গংগার পারের ডি ইন্ডাস্ট্রিয়ালাইজ্ড টাউনের হ্যারিকেনের কারখানা, মনে আছে সেটা? সেই লেখায় একটা প্রাণান্তকর সোল ক্রাশিং আছে, বদ্যকর নামটা সেই জন্যেই নেওয়া, কিন্তু সে লেখা আলাদা, এই ইতিহাস বিষয়ের প্রবন্ধ না, কোথাও ব্যক্তি, কোথাও সমাজ, কোথাও পরিবার ---সোশাল ইজ হার লোকেল। এই জন্যেই, দমুর একটা লেখা নিয়ে রিভিউ লিখে বাল হবে, বুড়ো হোক, আরো লিখুক, আমি আরো বুড়ো হয়ে বড় করে রিভিউ লিখবো ;-)

    তোর যে দ্বিতীয় পজিশন টা, "এদের অবস্থান হচ্ছে ন্যাশনাল আর্কাইভস আর মান্টোর মাঝখানে কোথাও। তোমাকেও এই পজিশনটা বুঝতে হবে।" সেটা সম্পর্কে আমি সিম্প্যাথেটিক কিন্তু এই পজিশন অতিরিক্ত মিথোলিজাইজ্ড। একদম তুলে তুলে উদাহরণ দেই?

    হবসবম, ব্যান্ডিট্স লিখছেন, প্রথম প্রকাশ, ১৯৬৯। ডাকাত বা আমাদের কন্টেক্স্টে এ ঠগী দের এর আগে কেউ সোশাল ডিসকন্টেন্ট এর চিহ্ন হিসেবে দেখে নি। হব্সবম, আনকমন পিপল লিখছেন, তাতে একজন ঐতিহাসিক, যিনি মার্কসিস্ট ঐতিহাসিক (অর্থাৎঅ আনসেন্টিমেন্টাল শুধু নন, মানুষের দুঃখ কষ্ট বুঝতে অক্ষম, অ্যাজ লেট অ্যাজ ১৯৫৬, সোভিয়েত এর সমর্থনে প্যাম্ফ্লেট লিখছেন, তখন কিন্তু ১৯৩৭ এর খবর এসে গেছে), তো তিনি আনকমন পিপল এ কি লিখছেন, জ্যাজ মিউজিশিয়ান দের ঐতিহাসিক গুরুত্ত্বের কথা, এবং আমেরিকান ক্লাসিসিজম এর খোঁজে তাঁরা কি ভাবে ব্যবহৃত হতে পারেন তার কথা। মার্কসিস্ট হিস্টরিকাল মেটেরিয়াল, ইন্স্টিটিউশনাল হিস্টরিকাল সোর্স কি হতে পারে সেটা র সম্পর্কে ধারণা নিজেই ভাংঅছেন।

    ক্রিস্তোফার হিল, 'এক্সপেরিয়েন্স অফ ডিফিট' লিখছেন, ইংল্যান্ডে বিপ্লম প্রচেষ্টার পরাজয়। ফ্র্যাংকলি, ভাষাটা যদি মনে থাকে, ঐ ভাষয় তার আগে ইতিহাস লেখা হয় নি, কবিতা লেখা হয়েছে। 'পরাজয়ের অভিজ্ঙতা' এটা যে ইতিহাসের প্রবন্ধের নাম হতে পারে কেউ আগে ভাবে নি।
    ই পি থম্সন, র‌্যাডিকল হিস্টরিয়ান দের ভূমিকা লিখছেন। তাতে মেন বক্তব্য কি র‌্যাডিকাল হিস্টরিয়ান দের সঙ্গে অন্য হিস্টরিয়ান দের মেন পার্থক্য হল, রিয়াল্ম অফ কালচার যেটা সেটাকে লিটেরারি ক্রিটিিজম এ বাঁধ না রেখে কাজ করাটা।
    মিল্টন সম্পর্কে ক্রিস্টোফার হিল এর লেখা, সেটা কবিতার অ্যানালিসিস না মিল্টনের সময়কার ইংল্যান্ডের অয়্রিস্টোক্রাসির বাইরের ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইনটেলেকচুয়াল দের অ্যাসপিরেশন এর ইতিহাস বোঝা মুশকিল।
    আমাদের দেশে, মুশিরুল হাসান, কংগ্রেসী প্রথাগত হিস্টরিয়ান হিসেবে নাম বা দুর্নাম, লেখা পড়লে বুঝ্বি, অ্যাকসেসিবল ইতিহাস এর ভাষা যা হওয়া উচিত তাই, কি নিয়ে লিখছেন, প্রি কলোনিয়াল আর্বান ইনটেলেকচুয়াল দের সম্পর্কে, ১৮৫০স এ বেরোনো, উর্দু কার্টুন/ক্যারিকেচার পত্রিকা সম্পর্কে, নক্শা রচয়িতা দের সম্পর্কে।
    উদা গুলো কেন দিলাম? উদ্দেশ্য খুব পরিষ্কার, সেটা হল, আকাদেমিক ইতিহাস সম্পর্কে আমাদের বেশির ভাগের ই ধারণা বাজে টেক্সট বুক প্রসূত, এবং সেটাকেই ইতিহাস চর্চার সীমানা বলে ধরে নিচ্ছি। সোর্সের বৈচিত্রের দিক থেকে, (কলোনিয়াল আর্কাইভ্স এর বাইরে বেরিয়ে বা এমনকি, মেডিয়েভাল মহাফেজ খানার বাইরে বেরিয়ে), ভাষার দিক থেকে, ন্যারেটিভ নির্মানের প্রচেষ্টার দিক থেকে প্রচুর কাজ হয়েছে ও হচ্ছে।
    এবার তার পরেও ইন্দোর লেখা বা ইশানের লেখার গুরুত্ত্ব কমে না। এবং সেটার এক্মত্র কারণ সাধারন মানুষের, আকাডেমিয়ার বাইরের লোক দের লিখিত ইতিহাসের বিষয়ে ইনটারভেন্শন এর গুরুত্ত্ব কমে না। দীপেশ চক্রবর্তী, অশোক সেন কে তাঁর দেখা ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ শিক্ষক বলছেন, বিদ্যাসাগর প্রসঙ্গে ইলিউসিভ মাইলস্টোন বইটার ভূমিকায়, তো কেন বলছেন, অশোক সেন তো আর তপন রায়চৌধুরী নন, অক্স্ফোর্ডে ইতিহাস পড়েন ও নি, পড়ান ও নি।
    ইন্দো আর ইশানের লেখার মেন গুরুত্ত্ব দুটো। একটা হল স্বাধীনতা র অব্যবহিত আগের ও পরের রাজনীতি টা যখন কনফ্লিক্ট লোকেল হিসেবে বিজেপি সরকারের প্রশাসনিক দিক থেকে তুলে আনা হচ্ছে, কমিউনালিস্ট রাজনীতির আখ্যান কে অ্যাকসেনচুয়েট করার জন্য, আর কংগ্রেসের পজিশনের সঙ্গে কন্ট্রাস্টিং করার জন্য বা তার সফ্ট হিন্দুত্ত্ব পজিশন কে প্যাঁক দেবার জন্য, তখন আমাদের প্রজন্মের সেন সেউকুলার লোক্জন অতিষ্ট হয়ে এই সব লিখছে। আর একটা বাধ্যবাধকতার বাইরে বেরিয়ে লিখছে, সেটা হচ্ছে, স্টেট বিল্ডিং প্রোজেক্ট থেকে বেরিয়ে গিয়ে লিখছে। এবং এটা ওভার সিকিওর্ড সোশাল পজিশন থেকে লেখা হচ্ছে না, ইউরোপ আমেরিকা দিল্লী র আকাডেমিয়ার সামাজিক নিরাপত্তা থেকে লেখা না, পরিবার পরিজন পরিচিত অপরিচিত, যারা স্টেট বিল্ডিং এর উচ্ছিষ্ট, তাদের দিক থেকে লেখার চেষ্টা করছে অথচ স্বাধীনতা পরবর্তী সেকুলার স্টেটের আইডিয়াল তাদের মনের মধ্যে একটা নির্বাপিত সম্ভাবনা হিসেবে কাজ করছে। সাধুবাদ প্রাপ্য। বন্ধু লোক হিসেবে দুটো কথা বলেছি, তাতে এত প্যাঁক খাবো ভাবি নি। বা লেখক পাঠক দের এত দুঃখ দিয়ে ফেলবো তাও ভাবি নি।

    কিন্তু, কোন জিনিসকে কম্ব্যাট করছে? পার্সোনালিটি ভিত্তিক শুধু না, পার্সোনালিটির বাইনারি কে কম্ব্যাট করছে, প্যাটেল ভালো নেহরু খারাপ, ৩৬ এর নেহরু ভালো ৪১ এর নেহরু খারাপ, গান্ধী ৪৮ এ ভালো ৩৯ এ খারাপ এই ধরণের নুয়ান্স ও নেই, পুরো স্ট্রেট জ্যাকেটিং টা কেই তাদের কমব্যাট করতে হচ্ছে। তো এই পরিস্থিতি টা সম্পর্কে আমি একটু সচেতন হতে বলেছি, প্রাইমারি সোর্স, টেক্সট এর মধ্যেও, ইনলাইন ও উল্লেখ করা যায়, কিন্তু করাটা দরকার। কারণ ঠিক এটাই হিন্দুত্ত্ববাদী রা করবে না। তুই টেকনোক্রাট, বলনা, প্রতীক সিনহা বা ফ্যাক্ট চেকিং অ্যালগো গুলো করে টা কি, বা ফ্যাক্ট চেকার রা করেন টা কি, ব্যাক রেফারেন্স টা দেখতে দেখতে গিয়ে দেখেন, সোর্স টা কি।
    গুরুচন্ডালি তে আমার একটা নিন্দে হয়েছে, পোন্দ পাকা বলে, এবং আকাডেমিক বা প্রফেশনাল ক্রেড না থাকা সত্ত্বেও, সেই ক্রেড গুলৈ মানুষের লেখায় দাবী করা লোক হিসেবে, সে ঠিক আছে, তাতে কিছুই এসে যায় না। কারণ আমি হাস্যকর হলেও বিষয় টা না।
    বল না, তুই পপুলার সায়েন্স রচনায়, ফান্ডামেন্টাল রিসার্চের বা তার হিস্টরিকাল কনটেক্স্ট টা, সাইন্টিফিক কোয়েস্ট এর কোন জায়গায় এসে আলোচ্য ব্রেক থ্রু টা দর্রকার ছিল, এই প্রসঙ্গ উত্থাপন অপছন্দ করবি?
    অবজেক্টিভিটি যখন রামলালা করায়ত্ত্ব করছেন এটার দিকে খেয়াল রাখতেই হবে। হ্যা অ্যাটাক টা নতুন, আমাদের প্রজন্মের একেকজন ইনটেলেকচুয়াল একেক ভাবে দেখবেন, কিন্তু অবজেক্টিভিটির ফর্ম এর প্রশ্নটা আমাদের সামনে প্রশ্ন হিসেবে থাকবে।
    গভীর যন্ত্রনাপ্রসূত লেখাতেও এই প্রশ্নটা থেকে যাবে।
    এনি ওয়ে .... প্রোপাগান্ডা সম্পর্কে অনেক দুঃখ পেরিয়ে এই সব কথা বলা রে, বড় হ, বুঝবি ঃ-)))))))) বলনা তুই মার্শাল ঝুকভ এর দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পড়বি, না বিবেকানন্দ মুখোপাধ্যায় বা অ্যান্থনি বীভোর পড়বি? গ্রোসম্যান, বুল্গাকভ, তিমির পুলাতভ, বোরিস পলেভয় সব কটাই পড়বি, কিন্তু ইতিহাসের জন্য তুই ই সিসিসিপি অনুমোদিত ইতিহাসে ফিরবি?

    তোর পক্ষে একটাই আর্গুমেন্ট, সেটা হল, ইংরেজি ইতিহাস বিষয়ক নন ফিকশন সম্পর্কে আমরা যতটা ছাড়া দেই, তাদের ব্যাবসায়িক সাফল্যের পেছনে কনটেন্টের কোন যোগাযোগ আছে কিন্না। জার্নালিস্টিক ব্রেড্থ, নাকি সিনেমার মত, ড্রামাটিক মোমেন্ট্স, নাকি কন্ট্রোভার্সি কে কনটেক্সচুয়ালাইজ করার ক্ষমতা, নাকি নতুন সোর্স আকাডেমিক এর আগেই দেখে ফ্যালা? তো চারটে পয়েন্টের মইদ্যে তো তিনটে পয়েন্ট ই আমার ;-)
  • PM | ১৭ নভেম্বর ২০১৯ ০৮:২৩424951
  • এদের স্থানীয় ভাবে কালাচ ট্রাইব বলে। এদের সৌন্দর্য্য নিয়ে অনেক গল্প কথা আছে
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত