এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Arin | ১৭ নভেম্বর ২০১৯ ০৮:০৭424950
  • ভালো বলেছেন।
  • Atoz | ১৭ নভেম্বর ২০১৯ ০৭:১২424949
  • অনেক ধন্যবাদ অরিন।
    এই কলস মানুষেরা গান গাইতেন, "তোমারি ঝর্ণাতলায় নির্জনে/ মাটির এই কলস আমার ছাপিয়ে গেল কোন্‌ ক্ষণে এ এ এ" ঃ-)
  • অরিন | ১৭ নভেম্বর ২০১৯ ০৬:৪৯424948
  • @AtoZ, আপনার দেওয়া লিণ্কটার পরিপ্রেক্ষিতে হিন্দুকুশ পর্বতের কোলে চিত্রাল-রাম্ভর উপত্যকায় বসবাসকারী কলস মানুষদের কথা মনে পড়ল। এ নিয়ে অধ্যাপক ব্রায়ান উইলিয়ামসের একটা খুব ছোট ভ্রমণ বৃত্তান্ত আছে, পড়ে দেখতে পারেন।

    https://www.huffpost.com/entry/pagan-kalash-people-of-pakistan_b_4811627

    এদের আলেকজাণ্ডারের সেনাবাহিনির উত্তরাধিকারী বলে মনে করা হয় (https://www.site-shara.net/_kalasha/eflm-kalasha.html)
  • Atoz | ১৭ নভেম্বর ২০১৯ ০৫:২৩424946
  • আচ্ছা, একটা জিজ্ঞাস্য আছে। নার্সিং এর মতন ট্রেনিং ধরণের পড়াশোনা কেন এত ইংলিশনির্ভর? বেশিরভাগ জিনিস বাংলাতেই পড়ানো সম্ভব হবার কথা। কিছু কিছু টার্ম ইংরেজিতে এমনিতেও বলতে হবে অমনিতেও বলতে হবে, সে তো টেক্সটের মধ্যে রাখাই যায়।
    এই যে মর্মান্তিক একটি খবর। ইংলিশ নিয়ে যা অবস্থা শুরু হয়েছে, খোদ ব্রিটিশ আমলেও মনে হয় এত মারাত্মক ছিল না।
    https://www.anandabazar.com/state/mystery-over-the-death-of-nursing-student-at-calcutta-national-medical-college-1.1071687
  • Atoz | ১৭ নভেম্বর ২০১৯ ০৩:২৫424945
  • এলেবেলে কে একটা অনুরোধ। রাসবিহারী বসু। ওঁর ব্যাপারটা নিয়ে যদি বিস্তারিত লেখেন ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রেক্ষাপটে। নেতাজী সুভাষকে নিয়ে যত আলোচনা হয়, রাসবিহারী বসুকে নিয়ে তার দশভাগের একভাগও হয় না।
  • Golmaal | ১৭ নভেম্বর ২০১৯ ০২:১৯424944
  • গোলমাল হবে ক্যানো, রামায়ণ মহাভারত সত্য কি সত্য নয় এটা বোধহয় ইস্যু নয়, সেগুলি না হলে অন্যতর গ্রন্থ থেকে দরকারমত ইতিহাস বের করে ন্যারেটিভ সাজান হবে! এ তো কেবল অ্যাজেন্ডায় ফিট করাবার ব্যাপার।
    আর এটা সবসময় ই সত্য শুধু ক্ল্যাসিক কেন, যে কোন সাহিত্যই আদ্যন্ত গ্যাজাখুরি বলে ওড়ান কঠিন। আমি নিশ্চিত অমিত রে র জন্মস্থান বের করাও কঠিন হবে না, দরকার পড়লে। ট্রয় ও তো খুজে পাওয়া গ্যাছে।
    সাপ মেরে ও লাঠি না ভেঙ্গে সর্বজনগ্রাহ্য কি ন্যারেটিভ বানান যায় দেখুন, তার্পর তার প্রচারের কাজ ও হোয়া ইউনি ইত্যাদি!
    আমার ক্যামন যেন ধারনা একশ উনত্রিশ কোটি লোক ঐ ন্যারেটিভ অন্তর থেকে পছন্দ করে না, য়্যাতো অ্যানেকডোটাল গপ্পো পড়েও ধারনা পাল্টাচ্ছে না! হয়ত ঐ অন্তরের ব্যপার্টা আগে মেনে নিয়ে বৃহত্তর সুবিধার ন্যারেটিভ লাগবে!
  • অরিন | ১৭ নভেম্বর ২০১৯ ০১:৪৫424943
  • @অর্জুন লিখেছেন,
    "কিন্তু এই সত্য-কল্পের সীমারেখা যেখানে এত আনপ্রেডিক্টেবেল সেখানে এটাকে পূর্ণ ইতিহাসর মর্যাদা আপনি দিতে পারবেন?"

    এ কথাটা ভেবে দেখার মতন এবং অত্যন্ত মূল্যবান।

    বুদ্ধদেব বসু মহাভারতের কথা বইতে লিখেছেন যে যদিও সৌতির অনুসরণে আলংকারিকরা মহাভারতকে ইতিহাস আখ্যা দিয়েছিলেন, আসলে সংস্কৃততে ইতিহাস বলতে 'এমনই ছিল' (ইতি-হ-আস) এই কথাটা বোঝায়। এই একই কথা আপনি বৌদ্ধ সূত্রের সূচনাতেও দেখতে পাবেন, "যেইরূপ শুনিয়াছি" বলে শুরু হয়, পড়তে যদিও মনে হবে বুদ্ধদেব সামনে বসে আছেন। কাজেই সাবেক ইতিহাস বলতে যা বোঝায়, মহাভারত রামায়ণের সব ব্যাপারকে সেভাবে ধরলে তো মহা মুশকিল! মহাভারত কি ওভাবে পড়তে হয়?

    রবীন্দ্রনাথ ভারতবর্ষের ইতিহাসের ধারায় লিখেছিলেন, লেখাটা এতটাই সুন্দর করে লিখেছিলেন যে পুরো উদ্ধৃতিটাই তুলে দিলাম,

    "আমরা কী এবং কোন্‌ জিনিসটা আমাদের--চারিদিকের বিপুল বিশ্লিষ্টতার ভিতর হইতে এইটেকে উদ্ধার করিবার একটা মহাযুগ আসিল। সেই যুগেই ভারতবর্ষ আপনাকে ভারতবর্ষ বলিয়া সীমাচিহ্নিত করিল। তৎপূর্বে বৌদ্ধসমাজের যোগে ভারতবর্ষ পৃথিবীতে এত দূরদুরান্তরে ছড়াইয়া পড়িয়াছিল যে সে আপনার কলেবরটাকে সুস্পষ্ট করিয়া দেখিতেই পাইতেছিল না। এইজন্য আর্য জনশ্রুতিতে প্রচলিত কোনো পুরাতন চক্রবর্তী সম্রাটের রাজ্যসীমার মধ্যে ভারতবর্ষ আপনার ভৌগোলিক সত্তাকে নির্দিষ্ট করিয়া লইল। তাহার পরে, সামাজিক প্রলয়ঝড়ে আপনার ছিন্নবিচ্ছিন্ন বিক্ষিপ্ত সূত্রগুলিকে খুঁজিয়া লইয়া জোড়া দিবার চেষ্টা চলিতে লাগিল। এই সময়েই সংগ্রহকর্তাদের কাজ দেশের প্রধান কাজ হইল। তখনকার যিনি ব্যাস, নূতন রচনা তাঁহার কাজ নহে পুরাতন সংগ্রহেই তিনি নিযুক্ত। এই ব্যাস একব্যক্তি না হইতে পারেন কিন্তু ইনি সমাজের একই শক্তি। কোথায় আর্যসমাজের স্থিরপ্রতিষ্ঠা ইনি তাহাই খুঁজিয়া একত্র করিতে লাগিলেন।

    সেই চেষ্টার বশে ব্যাস বেদ সংগ্রহ করিলেন। যথার্থ বৈদিককালে মন্ত্র ও যজ্ঞানুষ্ঠানের প্রণালীগুলিকে সমাজ যত্ন করিয়া শিখিয়াছে ও রাখিয়াছে, তবু তখন তাহা শিক্ষণীয় বিদ্যামাত্র ছিল এবং সে বিদ্যাকেও সকলে পরাবিদ্যা বলিয়া মানিত না।
    কিন্তু একদিন বিশ্লিষ্ট সমাজকে বাঁধিয়া তুলিবার জন্য এমন একটি পুরাতন শাস্ত্রকে মাঝখানে দাঁড় করাইবার দরকার হইয়াছিল যাহার সম্বন্ধে নানা লোক নানা প্রকার তর্ক করিতে পারিবে না--যাহা আর্যসমাজের সর্বপুরাতন বাণী; যাহাকে দৃঢ়ভাবে অবলম্বন করিয়া বিচিত্র বিরুদ্ধসম্প্রদায়ও এক হইয়া দাঁড়াইতে পারিবে। এইজন্য বেদ যদিচ প্রাত্যহিক ব্যবহার হইতে তখন অনেক দূরবর্তী হইয়া পড়িয়াছিল তথাপি দূরের জিনিস বলিয়াই তাহাকে দূর হইতে মান্য করা সকলের পক্ষে সহজ হইয়াছিল। আসল কথা, যে জাতি বিচ্ছিন্ন হইয়া গিয়াছিল কোনো একটি দৃঢ়নিশ্চল কেন্দ্রকে স্বীকার না করিলে তাহার পরিধি নির্ণয় কঠিন হয়। তাহার পরে আর্যসমাজে যত কিছু জনশ্রুতি খণ্ড খণ্ড আকারে চারিদিকে ছড়াইয়া পড়িয়াছিল তাহাদিগকেও একত্র করিয়া মহাভারত নামে সংকলিত করা হইল।

    যেমন একটি কেন্দ্রের প্রয়োজন, তেমনি একটি ধারাবাহিক পরিধিসূত্রও তো চাই--সেই পরিধিসূত্রই ইতিহাস। তাই ব্যাসের আর এক কাজ হইল ইতিহাস সংগ্রহ করা। আর্যসমাজের যত কিছু জনশ্রুতি ছড়াইয়া পড়িয়াছিল তাহাদিগকে তিনি এক করিলেন। শুধু জনশ্রুতি নহে, আর্যসমাজে প্রচলিত সমস্ত বিশ্বাস, তর্কবিতর্ক ও চারিত্রনীতিকেও তিনি এই সঙ্গে এক করিয়া একটি জাতির সমগ্রতার এক বিরাট মূর্তি এক জায়গায় খাড়া করিলেন। ইহার নাম দিলেন মহাভারত। এই নামের মধ্যেই তখনকার আর্যজাতির একটি ঐক্য উপলব্ধির চেষ্টা বিশেষভাবে প্রকাশ পাইতেছে। আধুনিক পাশ্চাত্ত্য সংজ্ঞা অনুসারে মহাভারত ইতিহাস না হইতে পারে কিন্তু ইহা যথার্থই আর্যদের ইতিহাস। ইহা কোনো ব্যক্তিবিশেষের রচিত ইতিহাস নহে, ইহা একটি জাতির স্বরচিত স্বাভাবিক ইতিবৃত্তান্ত।"

    এই অবধি লিখে রবীন্দ্রনাথ লিখেছেন,
    " কোনো বুদ্ধিমান ব্যক্তি যদি এইসমস্ত জনশ্রুতিকে গলাইয়া পোড়াইয়া বিশ্লিষ্ট করিয়া ইহা হইতে তথ্যমূলক ইতিহাস রচনা করিবার চেষ্টা করিত তবে আর্যসমাজের ইতিহাসের সত্য স্বরূপটি আমরা দেখিতে পাইতাম না। "

    আজকের ভারতে এইটাই একটা সাংঘাতিক গোলমেলে জায়গায় এসে দাঁড়িয়েছে।
  • Ekak | ১৭ নভেম্বর ২০১৯ ০১:৩১424942
  • এখন কার লোকেরা হঠাত করে প্রশ্নবিমুখ, বা সামনে যাই তথ্য পায় তাকে গলাধকরন করে,

    আগেকার লোকেরা এর চে আলাদা কিছু ছিলো, তা জানা গেলো কী করে ?

    তথ্য প্রমান আছে ?
  • অর্জুন | ১৭ নভেম্বর ২০১৯ ০০:২৬424941
  • @ ---

    মহাভারতের উৎস নিয়ে অনেক কথন আছে। মনে করা হয়, কাহিনীটা আগে ছিল অনেকটাই ছোট। এক পরিবারের দুই শাখার যুদ্ধ জয়ের কাহিনী নিয়ে একটি দীর্ঘ কবিতা যার নাম ছিল 'জয়'। এই কবিতা খুব জনপ্রিয় হয় এবং বিভিন্ন রাজ দরবারে এবং নগরীতে লোকমুখে প্রচলন হয়। তখন চারণ কবি জাতীয় কথকরা নানা লোক সমাগমে এই কবিতা পাঠ করে লোকের মনোরঞ্জন করতে থাকে। কথকরা সেই কবিতার মধ্যে স্থানীয় লোক কাহিনী, ঘটনাবলী জুড়তে থাকে।

    পরবর্তীকালে ব্রাহ্মণ পণ্ডিতদের কাছে এ কাহিনী খুব মনোগ্রাহী হলে তারা লিখতে শুরু করেন। কৃষ্ণ দ্বৈপায়ন বেদব্যাস মহাভারতের রচয়িতা। এই 'ব্যাস' হল একটি ব্রাহ্মণ সম্প্রদায় যারা পুরাণ ও মহাকাব্য লেখে। এক জেনারেশনে এ কাহিনী লেখা হয়নি। এই প্রকাণ্ড কাহিনীর রচয়িতা একজন ব্যক্তি নন। এটাও মনে করা হয় প্রথমে কাহিনীর নাম ছিল 'ভারত' পরে এর দৈর্ঘ্যের জন্যে 'মহা' শব্দ যোগ হয়।

    কাজেই 'ভারতবর্ষের বিভিন্ন স্থানের লোকাচার, গণস্মৃতি, জায়গার নাম, ভূগোল, প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্যগুলিও রচনাদুটির মধ্যে বিধৃত।' এটা খুব সত্যি।

    কিন্তু এই সত্য-কল্পের সীমারেখা যেখানে এত আনপ্রেডিক্টেবেল সেখানে এটাকে পূর্ণ ইতিহাসর মর্যাদা আপনি দিতে পারবেন?

    ইরাবতী কার্ভে নানা অনুসন্ধান ও গবেষণা করে মহাভারত সম্পর্কে মনে করতেন 'What particular historical and social conditions made this possible and what the time was when this occurred would be worth investigating.'

    আবার অধ্যাপক পি লাল যিনি সমগ্র মহাভারত অনুবাদ করেছেন বলতেন মহাভারতের ঐতিহাসিক প্রাসঙ্গিকতা যারা খোঁজার চেষ্টা করেন তারা এর সাহিত্য মূল্যের সবচেয়ে বড় ক্ষতি করছেন। আমি নিজে শুনেছি।

    নানামুনির নানা মত হবেই এবং 'মুনি' কে সেটাও একটা ব্যাপার! কিন্তু এখন যে কালাপাহাড় সম্প্রদায় রামায়ণ, মহাভারতকে সত্যি করতে দেশের সব ঐতিহাসিক স্থাপত্য, পুরাতত্ত্ব ধ্বংস করতে সবিশেষ উৎসাহী সেই বিপদ থামাবেন কি ভাবে?
  • এলেবেলে | ১৭ নভেম্বর ২০১৯ ০০:০৩424940
  • অথচ এই অস্থির পোস্ট-ট্রুথের জমানায় সবচেয়ে জরুরি ইতিহাসের অন্যরকম অন্বেষণ। স্কুল স্তরে বারো ক্লাসের ইতিহাসের পাঠ্যবইগুলোতে বিদ্যাসাগরের শিক্ষা ও সমাজ সংস্কারের ক্ষেত্রে অবদানের কথা প্রায় ৭-৮ পাতা জুড়ে আলোচিত হলেও মহম্মদ মহসীন নিছকই এক ফুটনোট হিসেবে বিরাজ করেন। যা অতীব দুঃখজনক।

    শুধু রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গের ক্ষেত্রেই নয়, আমাদের যে টিপিক্যাল 'মহাপুরুষ' মানসিকতা তার থেকে যাঁরা আদৌ দক্ষিণপন্থী নন তাঁরাও মুক্ত নন। কাজেই আমাদের ডিসকোর্সে শুধু চিত্তরঞ্জন-সুভাষ নন, রামমোহন-বিদ্যাসাগরও কেবলমাত্র বাঙালির 'আইকন'। তাঁদের নেড়েচেড়ে দেখতে আমাদের ভয়ানক আলস্য।
  • অর্জুন | ১৬ নভেম্বর ২০১৯ ২৩:৩২424939
  • ফিরোজ গান্ধীর জন্ম রহস্যের কথা সম্ভবত নেহরু পরিবার জানত। ইন্দিরার সঙ্গে ফিরোজের বিবাহে যেমন নেহরু পরিবারের আপত্তি ছিল তেমনি এই বিবাহে ঘোর আপত্তি ছিল ডাঃ কমিসারিয়েটেরও।

    ব্রিটিশ গভর্নমেন্টের উচ্চপদস্থ এই মহিলা চিকিৎসকের একেবারেই ইচ্ছে ছিল না একটি নামকরা স্বদেশী পরিবারে তাঁর প্রিয় পুত্রের বিবাহ হোক। এতে ফিরোজের ভবিষ্যৎ অন্ধকার হবে বলেই তাঁর বিশ্বাস ছিল। তিনি নেহরুকে চিঠি লিখে বিবাহ বন্ধ করার অনুরোধ জানিয়েছিলেন।
  • অর্জুন | ১৬ নভেম্বর ২০১৯ ২৩:২০424938
  • আপনি প্রসঙ্গ-টা তুললেন.... ফিরোজ গান্ধীর কিন্তু সত্যাসত্যই জন্ম রহস্য রয়েছে এমন মনে করেন ইন্দিরা গান্ধীর বায়োগ্রাফাররা। অন্তত ইন্দিরা গান্ধীর শেষ জীবনীকার ক্যাথরিন ফ্রাংক তাই মনে করেন।

    ফিরোজ ও তাঁর বাকী চার সিব্লিং এলাহাবাদে বড় হয়েছিলেন তাঁদের এক স্পিন্সটর মাসি ডাঃ শিরিন কমিসারিয়েটের কাছে। ডাঃ কমিসারিয়েট ছিলেন এলাহাবাদের লেডি ডাফরিন হসপিটালের হেড ফিজিশিয়ান। শুধু তাই নয়, উইনাইটেড প্রভিন্সের ৫২ টা ডিসট্রিক্টের হেলথ ইন্সপেকটর। ব্রিটিশ এরাতে খুবই প্রভাবশালী এক পার্সি মহিলা। ক্যাথরিন ফ্রাংক মনে করেন ইনিই আসলে ফিরোজের জন্মদাত্রী। তাহলে জন্মদাতাটি কে? ফ্রাংক তাঁর সন্ধানও খুঁজে বের করেছেন। তাঁর নাম রায়বাহাদুর কমলা প্রসাদ কক্কড়। তিনি ছিলেন প্রতিপত্তিশালী এক ভূস্বামী। মনে করা হয় শিরিন কমিসারিয়েট ও কমলা প্রসাদ কক্কড়ের প্রেমের ফসল ফিরোজ। তাঁদের বিবাহ হয়নি। হয়ত আন্তঃধর্মীয় ব্যাপার বলে তা সম্ভব হয়নি। ফিরোজের জন্মও হয়েছিল ইংল্যান্ডের কোনো এক ইনফর্মারিতে।

    এই সন্তানকে প্রতিপালন করা অসম্ভব বলে শিরিন ফিরোজকে তাঁর এক তুতো বোন রতিমাই গান্ধী ও তাঁর স্বামী জাহাঙ্গির ফারদুন গান্ধীর কাছে প্রতিপালনের জন্যে দিয়ে দেন। ক্রিশ্চানদের মত পার্সিদেরও জন্ম নথিভুক্ত করা হয় 'নভরোজ ' র জন্যে। অফিসিয়ালি ফিরোজ গান্ধীর জন্মস্থান বোম্বে মেনশন করা হয় কিন্তু বোম্বের পার্সি বার্থ রেজিস্ট্রি অফিসে ফিরোজের জন্মোল্লেখ পাওয়া যায় না।

    ফিরোজের দশ বছর বয়েসে জাহাঙ্গির ফারদুন গান্ধী মারা যান এবং রতিমাই তাঁর চার সন্তান ও ফিরোজকে নিয়ে তাঁর কাজিনের কাছে চলে যান। ডাঃ কমিসারিয়েটের কাছেই সবাই বড় হন।

    ফিরোজ গান্ধীর জীবনী লিখেছেন একজন সুইডি গবেষক কিন্তু ফিরোজের জন্ম রহস্য বিশদে লেখার জন্যে সোনিয়া গান্ধী বহুদিন পারমিশন দিচ্ছিল না সেটা ছাপাতে। এখন সেটা ছেপে বেরিয়েছে কিনা জানিনা।
  • --- | ১৬ নভেম্বর ২০১৯ ২৩:১৯424937
  • অর্জুন, হিন্দুত্ববাদী ন্যারেটিভটি হল, রামায়ণ মহাভারত এর রচনাকালে ভারতবর্ষের তদানীন্তন স্থানিক কালিক রেফারেন্সগুলিই মূলত ব্যবহার করা হয়েছে। রচনাগুলির প্লট ও ঘটনাও সম্পূর্ণ কাল্পনিক নয়, স্থানীয় রিসেন্ট পাস্ট এর ঘটনাগুলিকেই এই রচনাগুলিতে বিধৃত রাখা হয়েছে। ভারতবর্ষের বিভিন্ন স্থানের লোকাচার, গণস্মৃতি, জায়গার নাম, ভূগোল, প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্যগুলিও রচনাদুটির মধ্যে বিধৃত।
    রচনাগুলিকে সম্পূর্ণ কাল্পনিক ও একেবারেই বাস্তববর্জিত প্রমাণ করা সম্ভব হবে আপনার পক্ষে?
  • Kaju | ১৬ নভেম্বর ২০১৯ ২৩:১০424936
  • আবার ঠিকঠাক প্রশ্ন করাটাও একটা আর্ট। পিঞ্চ মারলেই তো প্রশ্ন হয় না। কথা পুরোটা না শুনে বা পড়ে প্রশ্ন তুললেও সেটা অমনোযোগ, ইডিয়োটিক ও বটে। তার আবার উত্তরও হয় না।
  • S | ১৬ নভেম্বর ২০১৯ ২৩:০১424935
  • "যারা প্রশ্ন করেনা, প্রশ্ন করতে জানেনা।"
    এইটা অর্জুন ঠিক বললেন না। আসলে হবে "যারা প্রশ্ন করেনা, প্রশ্ন করতে চায়না।"

    সত্যিটা জানার একটা চরম অ্যাপাথি তৈরী হয়েছে। মিথ্যা তথ্য, মিথ্যা জেনেও, নিজের ন্যারেটিভের মিলছে দেখলেই লোকে সেটা গ্রহন করে নিচ্ছে। অপ্রিয় সত্য কথা, সত্যি জেনেও, কেউ মানতে চায়্না কারণ সেটা ডিসকমফোর্ট বাড়িয়ে দেয়।
  • --- | ১৬ নভেম্বর ২০১৯ ২২:৫৭424934
  • সল্যুশন বলুন। প্রবলেম স্টেটমেন্ট দিয়ে এ কত খারাপ ও কত খারাপ প্রমাণ করে কী করবেন? আপনার পছন্দের দল ক্ষমতায় এসে এই পরিস্থিতি কীভাবে সামলাবে কোনো ধারণা আছে?
  • অর্জুন | ১৬ নভেম্বর ২০১৯ ২২:৫৬424933
  • রঞ্জন-দা, এখন একটা শক্তির উত্থান হয়েছে যারা যৌক্তিক ও বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণের চরম বিরোধী। যারা প্রশ্ন করেনা, প্রশ্ন করতে জানেনা। হোয়াটসঅ্যাপ, ফেসবুক, টুইটার বা প্ল্যামফ্লেট যেখানে যাই পড়ুক, সেগুলো অম্লান বদনে গলাধঃকরণ করে। 'হিন্দুবাদী' গ্রুপদের টি আর পি এরাই সফল করে দিচ্ছে।

    মহাকাব্য ক্লাসিক্যাল লিট্রেচর হলেও ইতিহাস নয় এ ধারণাটাই অধিকাংশের নেই। তাই রামায়ণ, মহাভারতের প্রাসাদ, যুদ্ধক্ষেত্র খুঁজে বলা ভাল খুঁড়ে বের করতে প্রকৃত ঐতিহাসিক স্থাপত্য নষ্ট হওয়াতেও কিছু এসে যায়না এদের। তারপর ইসলাম বিদ্বেষ তো একটা বড় ফ্যাকটর।

    এই শক্তিটা যুক্তিবাদীদের খুব বিরোধী স্বাভাবিক নিয়মেই।

    ইতিহাসচর্চা স্কুলপর্ব থেকেই ভাল করে শেখানো হয়না। ইতিহাসচর্চার নামে শেখানো হয় ক্রনলজিক্যাল সিকোয়েন্স। নইলে ডি ডি কোসাম্বীর মত লোকজন এত উহ্য কেন!
  • S | ১৬ নভেম্বর ২০১৯ ২২:৪০424932
  • রিসশনের তো একটা স্পেসিফিক টেকনিকাল ডেফিনিশান আছে। অর্থনীতির অবস্থা বেহাল বা স্লো গ্রোথ মানেই রিসেশান নয়। সেক্ষেত্রে রিসেশন হয়তো টেকনিকালি ইন্ডিয়াতে কখনও নাও আসতে পারে। কিন্তু ইন্ডিয়াতে স্লো গ্রোথের ফলে পার ক্যাপিটা ইনকাম কমে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, কারণ যেহেতু জনসংখ্যা প্রতিনিয়ত বাড়ছে। এবং যেহেতু ইনকাম ইনিকুয়ালিটি অত্যন্ত বেশি এবং সেটা কমেছে এরকম কোনই ইঙ্গিত নেই, সেক্ষেত্রে স্লো গ্রোথের ফলে ভারতের বিশাল গরীব জনসংখ্যার যে অবস্থা খারাপতর হবে সেটা সহজেই আন্দাজ করা যায়।
  • S | ১৬ নভেম্বর ২০১৯ ২১:৩৯424930
  • phrase এর বাংলা কি?
  • T | ১৬ নভেম্বর ২০১৯ ১৯:৫২424929
  • রিয়েলি! হোয়া ইউনির ইতিহাসকে কাউন্টার করা যাবে প্রবন্ধে প্রাইমারি সোর্স উল্লেখ করে !! রঞ্জনদা কোন গ্রহে আছেন? যত বেশী শব্দ লিখবেন তত কেউ পড়বেনা :)))
  • রঞ্জন | ১৬ নভেম্বর ২০১৯ ১৯:৪২424928
  • " মূল জিনিস গুলো ছিল কনটেন্শাস বিষয়ে প্রাইমারি সোর্সের উপরে নির্ভরতা বাড়ানো। কারণ হিন্দুত্ত্ব পন্থী রা ঠিক এইটাই করে না, তাদের নির্মিত কাহিনী গুলি র এইটেই প্রধান দুর্বলতা। আর বলেছিলাম একটা পপুলিস্ট ট্রোপ হল পার্সোনালিটি ক্ল্যাশের ভিত্তিতে স্বাধীনতা আন্দোলন বা ইন্টেলেকচুয়াল ট্র্যাডিশন কে দেখা। সেটা সমাজে বিভেদ বাড়ায় মাত্র। একটা দেশের ইন্টেলেকচুয়াল হিস্টরি কে একটা রোড শো হিসেবে দেখতে শেখায়, আমি এই দর্শনের বিরুদ্ধে।"
    -- হানুকে বড় করে ক।
    আমার মনে হয় আজ এই কাজটাই বড় করে করা দরকার। হোয়াটস অ্যাপ ইউনির দৌলতে যেভাবে চারদিকে চটজলদি হাতে গরম চেরি পিকড ইতিহাস, বিকৃত এবং মিথ্যার চর্চা চলছে তা ভাবা যায় না। হিন্দি বলয়ে অনেক বেশি।
    যেমন ফিরোজ গান্ধী আসলে ফিরোজ খান। রাজীব মুসলমানের সন্তান, এবং রাহুল তস্য নাতি। বা এডুইনা নেহরু এবং জিন্নাকে নাচিয়ে নাচিয়ে প্রলুব্ধ করে মজা পেতেন। সেই ঝগড়া থেকে ভারত ভাগ হোল।
    লেট আস কাউন্টার দীজ উইথ প্রাইমারি সোর্স। লেট আস মেক দেম প্লে টেস্ট ম্যাচ ইন্সটিড অফ টি-টোয়েন্টি!
    আমরা ময়দানে না নাবলেও এটা ত করতে পারি। সমুদ্রবন্ধনে কাঠবেড়ালির কাজটুকু?
    ডিঃ এর সঙ্গে ডি'র বক্তব্যের কোন প্রত্যক্ষ যোগ নেই।
  • bi kiu | ১৬ নভেম্বর ২০১৯ ১৮:২৪424927
  • আমার না, অনেক সময় মনে হয় ঝোলা গুড় যারা খায় না তারা বার বি কিউ সস খায়!
    য়্যামন কি, চিকেন উইন খেয়েও য়্যাকি ধারনা রয়ে গ্যালো!
  • অর্জুন | ১৬ নভেম্বর ২০১৯ ১৩:৪৮424926
  • হিউম্যানিটিজ আর সোশ্যাল সায়েন্সের এই থিন লাইন তফাৎ-টা সব সময় খুব পরিষ্কার নয়। এখন তো History is the new literature.
  • S | ১৬ নভেম্বর ২০১৯ ১৩:১১424925
  • বি বাবুর সঙ্গে সহমত। খ দা যে অবজেক্টিভিটি খুঁজছেন সমস্ত আলোচনায় সেটা হিউম্যানিটিজে প্রয়োজন নেই, সোশাল সায়েন্সে হয়তো আছে। ওবজারভেশন আর অ্যানালিসিসের পার্থক্যটা অ্যাপ্রেসিয়েট করা দরকার।
  • b | ১৬ নভেম্বর ২০১৯ ১২:২৬424924
  • এইডই আমার মনে হয় সোশ্যাল সাইন্স আর হিউম্যানিটিএজ আলাদা হয়ে যায়। হিউম্যানিটিজের ব বলা ভালো লিটরেচরের ফোকাস আউটলায়ারগুলোর উপর, সোশ্যাল সাইন্স দাবী করে ওসব তো বাপু বুঝলাম, কিন্তু মোটের উপরে কি হয়েছিলো, কোন দিকে যাচ্ছে বল দিকিনি।
  • T | ১৬ নভেম্বর ২০১৯ ১১:৪৯424923
  • খনুদা একটা জিনিস মিশ কচ্চ। তুমি যা বলছ সেই দাবীটা ঠিকই আছে। কিন্তু ব্যাপারটা এইরম। জনতার অভিজ্ঞতা ভিত্তিক রচিত ইতিহাস বা তাদের কোনো সিলেক্টেড পার্স্পেক্টিভ থেকে রচিত ঐতিহাসিক ব্যাখ্যান, ঠিক য্যামনটি দমদি করেছে বা ইন্দোদা কচ্ছিল, (অন্যান্য প্রবন্ধর কথা বলছি না) এর মূল শক্তিটা থাকে এর আনস্ট্রাকচারড চরিত্রটায়। এইটেই যেকোনো প্রাতিষ্ঠানিক চর্চা থেকে অ্যাখ্যানটিকে আলাদা করে, মনোযোগ দাবী করে, এবং ব্যক্তিমানুষের অভাব অভিযোগ ন্যানা ত্যানা সংক্রান্ত গ্রানুলার পয়েন্টস গুলোকে আরো চিত্রিত করে। এইটাতো গুরুত্বপূর্ণ, নয়তো আর কীইই বা হ'ল।

    এই অন্য প্রেক্ষাপটটির মজাটা নিতে চাইলে তোমাকে প্যাসিভ অবস্থানে থাকতেই হবে। তুমি একে কখনোই কোনোরকম স্ট্রাকচারড অ্যাপ্রোচে ফেলতে পারো না। এখানে তোমার ভুমিকাটা হচ্ছে যে তুমি পড়ে যাচ্ছ এবং ক্রমাগত বিবিধ ডকুমেন্টেড রেফারেন্সের সঙ্গে কানেক্ট করে যাচ্ছ। সেইটে নিদের মতন রপিষ্কার হলে তবে সে লেখা তোমার চোখে উতরোলো তারপর সে প্রকাশিত রচনাবলীর রিভিউ তুমি লিখলে আর নয়তো মনে মনে গাল দিয়ে পরবর্ত্তী ইতিহাস কথনের জন্য ওয়েট কত্তে থাকলে। উদা হচ্ছে সায়ন্তন বাবুর লেখায় আর্বান আর্টিফ্যাক্ট খুঁজে পেয়ে য্যামন উত্তেজিত হয়ে পড়লে। এইরম হচ্ছে ব্যাপারটা। তো, এই অ্যাখ্যানকে বর্তমান সময়ের শাসকের প্রোপাগান্ডার বিরুদ্ধে হাতিয়ার হিসেবে দেখতে চাইলে সেটা অনুচিত হবে কারণ, প্রাতিষ্ঠানিক ইতিহাসবোধ বা চাপিয়ে দেওয়া হিস্ট্রির বাইরে পাবলিক অন্য কিছু বিশ্বাস করবে এটা বর্তমান সময়ে প্রায় অসম্ভব। তো এগুলো হাতিয়ার নয়, বড়জোর ডকুমেন্টেড প্রতিবাদ যা সময়ই মানুষকে দিয়ে লিখিয়ে নেয়। এদের অবস্থান হচ্ছে ন্যাশনাল আর্কাইভস আর মান্টোর মাঝখানে কোথাও। তোমাকেও এই পজিশনটা বুঝতে হবে। এখন এসবই ঠিকাছে মানে গুরুতেই এই দাবীগুলো করবে না তো কোথায় করবে।
  • ?? | ১৬ নভেম্বর ২০১৯ ১১:৩৩424922
  • গোলাপী কেন? গেরুয়া নয় কেন? হোয়াই??
  • S | ১৬ নভেম্বর ২০১৯ ১১:৩১424921
  • সাদা পোষাক আর দিন/রাতের খেলায় গোলাপী বল কন্ট্রাস্ট আনবে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত