এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Amit | ১২ নভেম্বর ২০১৯ ০৪:০৪424530
  • কিন্তু গলা তোলার দায়িত্ব কি দেশে একমাত্র ৰাম দল গুলোর ? বাকি সবাই, ইনক্লুডিং দিদির দল কি করছে ? একটাও প্রেস স্টেটমেন্ট দেওয়ার মুরোদ এদেখিয়েছে গত কদিনে ?

    বামেরা শেষ। মেজরিটি জনগণ যা চায়, তাই হোক। গণতন্ত্র চলছে, চলুক।
  • অর্জুন | ১২ নভেম্বর ২০১৯ ০০:৪৬424529
  • @PT আমার অনেকদিন আগে করা একটি মন্তব্য যা কিনা নিতান্তই ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা প্রসূত আর সেটাকে ভিত্তি করে আপনার ক্রমাগত কটাক্ষ এবং অপমান করে যাওয়া এক ব্যাপার হয়ে গেল? ঐ খোলা মন্তব্যটা আপনাকে করেছিলাম?

    আপনার বর্ষীয়ান নেতাটি একজন পাব্লিক ফিগার। আমার দাদু নন। তিনি লাঠি বা যাই ব্যবহার করে থাকুন, সেটা করেছেন তাঁর বাড়িতে।

    আজকের জে এন ইউ'র মন্তব্যটা কি আপনাকে করেছিলাম? নাকি আপনি বামদলের প্রতিনিধিত্ব করছেন যে বামদল সম্পর্কিত প্রসঙ্গ থাকলেই আপনাকে কিছু একটা বলতেই হবে? এবং সেটা অপ্রাসঙ্গিক এবং ব্যক্তিগত শ্লেষ হলেও?

    এদিকে কিছুদিন আগেই লিখলেন।

    name: PT Date:24 Oct 2019 -- 12:00

    'আমি কমুনিস্ট পার্টি নিয়ে খুব একটা চিন্তিত নই। '

    আজিজুল হক'কে কে কি বলেছেন সে নিয়ে কোনো মাথাব্যথা নেই আমার।

    মনমোহন সিং কেন তাঁর দলের চোরেদের লুঠ তরাজ দেখেও চোখ বুজে ছিলেন সে দায়ও আমার নয়।

    আমি কোনো পার্টিকে রিপ্রেজেন্ট করিনা। ব্যক্তিগত পছন্দ, অপছন্দ নিশ্চয় আছে।

    আপনার মন্তব্য এতদিন পড়তাম, গুরুত্ব দিতাম কিন্তু আজ আপনি রীতিমত বিতৃষ্ণা জন্মিয়ে দিলেন।

    ২০১৯ এ বিজেপির লোকসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে ফিরে আসা, ৩৭০ ধারার অবলুপ্তি, অযোধ্যা ভারডিক্ট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ওপর নানবিধ আক্রমণ এবং সমধিক নানা ঘটন যথেষ্ট চিন্তিত এবং আতঙ্কিত করছে এবং সেগুলো নিয়ে সুস্থ আলোচনাই একমাত্র উদ্দেশ্য আমার।
  • শাবাশ!! | ১২ নভেম্বর ২০১৯ ০০:৩১424528
  • // আমাকে তক্ক করে যেতেই হবে, সেটা যতই কারো কাছে ঘ্যানঘেনে মনে হোক না কেন। //
    আহা, এহেন কর্তব্যনিষ্ঠা! কানাইকুমার টুমার রাহুল গান্ধী টান্ধী খানিক শিখলেও তো পারে!
  • S | ১১ নভেম্বর ২০১৯ ২৩:০০424527
  • পারলে বালা সিনেমাটি দেখে আসুন। অসাধারণ সিনেমা। একদম রিয়েলিটি তুলে ধরেছে। একটা মুহুর্তেও মনে হবে না সিনেমা দেখছেন। অসাধারণ প্লট, গল্প, স্ক্রিপ্ট ছাড়াও যেটা বলার তা হলো সকলের অভিনয়। আয়ুষমান খুরানা তো এই জনারে একদম সিদ্ধহস্ত হয়ে উঠেছে। ফাটিয়ে দিয়েছে। ভুমি পেদনেকারের ভালো অভিনয় করেছে (যদিও নতুন কন্ট্রোভার্সি তৈরী হয়েছে)। এই সিনেমাতে ইয়ামি গৌতম আনেক্সপেক্টেডলি রিফ্রেসিং। সিমা পাওয়া, সৌরভ শুক্লাকে একদম ন্যাচারাল কানপুরিয়া লেগেছে। অভিষেক ব্যানার্জি, জাভেদ জাফ্রী একদম টু দ্য পয়েন্ট অভিনয় করে গেছে। বিশেষ নজর কেড়েছে ধীরেন্দ্র কুমার গৌতম - বোধয় সবথেকে ভালো অভিনয়টা এই ছেলেটিই করেছে।

    সবথেকে ভালো লাগছে যে এইরকম গল্প-প্লট, এইরকম স্টারকাস্টের এইধরনের সিনেমা দেখার লোক বেড়ে গেছে দেখে। লোকে বড় স্টারদের খাজা সিনেমা দেখতে গেলেও তারিফ করছে না একটুও। বলিউডে এইমুহুর্তে কন্টেন্ট ইজ দ্য কিং আর স্ক্রিপ্ট ইজ দ্য স্টার।
  • sm | ১১ নভেম্বর ২০১৯ ২১:৫৭424526
  • লাও, এবার কি বলবে বলো!
  • | ১১ নভেম্বর ২০১৯ ২১:২৪424525
  • আরে কোয়ার্ক যে! বহুদ্দিন বাদে।
    বেশ ডিসেম্বরে যাবো।
  • quark | ১১ নভেম্বর ২০১৯ ২০:৫১424523
  • যাঁরা কলকাতায় আছেন, সময় ক'রে একবার সায়েন্স সিটি ঘুরে আসুন। ভারতীয় বিজ্ঞানীদের উল্লেখযোগ্য অংশগ্রহণ রয়েছে এমন সাতটি আন্তর্জাতিক গবেষনা প্রক্ল্প নিয়ে দু-মাসব্যাপী একটি প্রদর্শনী চলবে ৩১শে ডিসেম্বর পর্যন্ত। ভারত সরকারের পরমাণু শক্তি বিভাগ ও বিজ্ঞান-প্রযুক্তি বিভাগের উদ্যোগে এবং সংস্কৃতি মন্ত্রকের অধীন জাতীয় বিজ্ঞান সংগ্রহালয় পরিষদ এর সহায়তায় এই প্রদর্শনী। রয়েছে সার্ন, ফেসিলিটি ফর অ্যান্টিপ্রোটন অ্যান্ড আয়ন রিসার্চ, থার্টি মিটার টেলিস্কোপ, ইন্ডিয়া বেসড নিউট্রিনো অবজার্ভেটরি, স্কোয়ার কিলোমিটার অ্যারে, লেজার ইন্টারফেরোমিটার গ্রাভিটেশনাল-ওয়েভ অবজার্ভেটরি, ইন্টারন্যাশনাল থার্মোনিউক্লিয়ার এক্সপেরিমেন্টাল রিয়্যাক্টর ইত্যাদির নানা তথ্য ও মডেল।
  • quark | ১১ নভেম্বর ২০১৯ ২০:৫১424524
  • যাঁরা কলকাতায় আছেন, সময় ক'রে একবার সায়েন্স সিটি ঘুরে আসুন। ভারতীয় বিজ্ঞানীদের উল্লেখযোগ্য অংশগ্রহণ রয়েছে এমন সাতটি আন্তর্জাতিক গবেষনা প্রক্ল্প নিয়ে দু-মাসব্যাপী একটি প্রদর্শনী চলবে ৩১শে ডিসেম্বর পর্যন্ত। ভারত সরকারের পরমাণু শক্তি বিভাগ ও বিজ্ঞান-প্রযুক্তি বিভাগের উদ্যোগে এবং সংস্কৃতি মন্ত্রকের অধীন জাতীয় বিজ্ঞান সংগ্রহালয় পরিষদ এর সহায়তায় এই প্রদর্শনী। রয়েছে সার্ন, ফেসিলিটি ফর অ্যান্টিপ্রোটন অ্যান্ড আয়ন রিসার্চ, থার্টি মিটার টেলিস্কোপ, ইন্ডিয়া বেসড নিউট্রিনো অবজার্ভেটরি, স্কোয়ার কিলোমিটার অ্যারে, লেজার ইন্টারফেরোমিটার গ্রাভিটেশনাল-ওয়েভ অবজার্ভেটরি, ইন্টারন্যাশনাল থার্মোনিউক্লিয়ার এক্সপেরিমেন্টাল রিয়্যাক্টর ইত্যাদির নানা তথ্য ও মডেল।
  • b | ১১ নভেম্বর ২০১৯ ২০:৪০424522
  • এই মওকায় কিছু লক্ষ্মী দুবে-র গান শোনা গ্যালো।
    কি গান। কি ভাষা। কি ঝাঁঝ। সেকেন্ড টু নননন।
  • :-! | ১১ নভেম্বর ২০১৯ ২০:১২424521
  • আচ্ছা, শাখামৃগ কি খারাপ কথা? তবে যে সবাই এককের গপ্পের সুখ্যাত করচে!
  • PT | ১১ নভেম্বর ২০১৯ ১৯:৩৭424520
  • "কে বাংলার বাইরে কিংবা দেশের বাইরে থাকেন সেই নিয়ে অকারণে খোঁচা দেওয়াটাও।"
    এটা খোঁচার বিষয় নয়। খবর রাখা না রাখার ব্যাপার। আপনি নিজেই জানেন যে সাইকেলে করে গ্রামে ঘুরে বেড়ানো তার্কিক আর শহরে বসে টিভি বিতর্কে অংশ নেওয়া তার্কিকের মধ্যে বিশেষ পার্থক্য আছে। খর্গপুরের তিনো ক্যান্ডিডেট যে মঞ্চে মঞ্চে "জয় শ্রীরাম" ধ্বনি দিয়ে বেরাচ্ছেন সেটা খোঁজ নিয়ে দেখবেন যে অনেকেই জানে না। এখন কেউ যদি ক্রমাগত আমাকে বোঝাতে চান যে এই তিনোরা বিজেপিকে ঠেকাবে তাহলে মুস্কিল আছে। আমাকে তক্ক করে যেতেই হবে, সেটা যতই কারো কাছে ঘ্যানঘেনে মনে হোক না কেন।

    আমাকে যেমন আজকে একজন জানালেন যে আমি ত্রিপুরাতে থাকিনা বলে সেখানে সিপিএমের "সীমাহীন" অত্যাচারের খবর রাখিনা। আমি তার কথা মেনে নিয়েও আমার যুক্তি সাজিয়েছি। অন্য একজন এখানে দীর্ঘদিন ধরেই আমাকে "বিজেপিটি" আখ্যা দিয়েছেন। তার জন্য আমি তাঁর পিতৃদেবকে খিস্তি করার কথা স্বপ্নেও ভাবিনি।

    @অর্জুন
    আপনি বোধহয় ঐ গল্পটি এখানে না ছাড়্লেই পারতেন......বিশেষতঃ যে গল্পে একজন বর্ষীয়ান জননেতার অবমাননা করা হয় বা অতি ঘৃণ্য অভাবে উপস্থাপন করা হয়। এমনকি তিনি বেঁচে থাকলেও সেসব কথাবর্তা মেনে নেওয়া যেত। দেখলেন না কেমন একজন আজিজুল হককে অনায়াসে "শাখামৃগ" আখ্যা দিয়ে দিল!! এর চাইতেও খারাপ বিশেষ্ণ প্রয়োগ করা হয়েছে-খুঁজে দেখতে পারেন।

    "পলিটিক্স অব ইনক্লুশনে"-এর মানেও নানাবিধ হতে পারে। মন্মোহনের মত পরিচ্ছন্ন নেতা এক দল চোরেদের চোর্যবৃত্তি দেখেও চক্ষু মুইদ্যা ছিলেন। আপনার গল্প বলাটা যদি দোষের না হয়ে থাকে তাহলে সেই গল্পের রেফারেন্স টানাটাও এমন কিছু অপরাধ নয়।

    এ পর্যন্ত আপনার সকল বক্তব্য পড়েই আপনাকে বাম-বিরোধী মনে হয়েছে। তাই জানতে চেয়েছি যে আপনার কেন হঠাৎ বামেদেরকে প্রয়োজন হল।
  • অর্জুন | ১১ নভেম্বর ২০১৯ ১৮:৫১424519
  • @পিটি, আপনি এর আগেও এই বিষয়ে উত্থাপন করেছেন। আপনি একটি মন্তব্যকে আশ্রয় করে থাকবেন, content র অভাবে সে unexpected( বা হয়ত expected)।

    আমি যাঁর সম্পর্কে বলেছিলাম তিনি অন্য এক সময়ের মানুষ এবং তাঁর রাজনীতিতে বিশ্বাসী। তিনি কাউকে বাধ্য করেননি তাঁর মতে অন্যকে চলতে। কিন্তু তিনি পলিটিক্স অব ইনক্লুশনে বিশ্বাসী ছিলেন।

    বামেদের ঠ্যাকাদার হয়ে আপনি বসে আছেন কিনা জানিনা (মন্তব্যটা আপনাকেই করতে হল) যদি থাকেন তাহলে content এতই দুর্বল চর্বিতচর্বণ ছাড়া আর বিশেষ কিছু নেই।
  • এলেবেলে | ১১ নভেম্বর ২০১৯ ১৭:৫১424518
  • পিটি, এগুলো কিন্তু খুব পিটি-সুলভ মন্তব্য হচ্ছে না। কে 'লাঠির ডগা দিয়ে কাগজ ছুঁড়ে ফেলে দেওয়ার গপ্প' বলেন কিংবা বলেন না, তার সঙ্গে বামেদের প্রাসঙ্গিকতা বা অপ্রাসঙ্গিকতা রিলেটেড নয়। যেমন রিলেটেড নয় কে বাংলার বাইরে কিংবা দেশের বাইরে থাকেন সেই নিয়ে অকারণে খোঁচা দেওয়াটাও। এটা একটা ওপেন ফোরাম, কাজেই এই সব ব্যক্তিপ্রসঙ্গ এড়িয়ে যাওয়াই বোধহয় শ্রেয়।

    কালকে ডিসিকে অনুরোধ করেছি, আজ আপনাকে করলাম। তবে ইচ্ছে করলে আপনি চালিয়ে যেতেই পারেন।
  • PT | ১১ নভেম্বর ২০১৯ ১৭:৪৩424517
  • না!
    আপনি লাঠির ডগা দিয়ে কাগজ ছুঁড়ে ফেলে দেওয়ার গপ্প বলেছিলেন বলে জানতে চাইছিলাম যে আপনার আবার বামেদের প্রয়োজন হল কেন?
    কিংবা in general লোকে যখ্ন বামেদের বিদেয় করেছে তখন আর তাদের আপনার প্রয়োজন হচ্ছে কেন?
  • অর্জুন | ১১ নভেম্বর ২০১৯ ১৭:২৯424516
  • PT, you are cute.

    অর্থাৎ শেষমেশ বলতে চাইছেন বামেদের প্রয়োজন নেই!! ঃ-)
  • S | ১১ নভেম্বর ২০১৯ ১৬:৪৫424515
  • যেসব ছাত্রদের কথা বলছে তারা তো সব বামপন্থীই ছিল।
  • PT | ১১ নভেম্বর ২০১৯ ১৫:৫০424514
  • এখন আবার বামেদের কি প্রয়োজন?
  • অর্জুন | ১১ নভেম্বর ২০১৯ ১৫:৩২424513
  • এই প্রতিষ্ঠানটাকে ঠিক বাগে আনা আর যাচ্ছেনা। ছাত্রদের জেলে পুরে তারা নায়ক হয়ে গেল। তাই অন্যরকম সব প্রচেষ্টা এবার। 300% fees hike, অদ্ভুত সব হস্টেল রুল, ড্রেস কোড, কারফিউ রুল (সেটা কি বস্তু বুঝলাম না)। এবার নামও বদলে দেওয়া হতে পারে।

    বামদল গুলো কি এবার গর্জে উঠবে একটু !

    https://www.ndtv.com/delhi-news/protest-breaks-out-at-jnu-over-fee-hike-on-convocation-day-2130632?fbclid=IwAR1l_DQk2cbzc7viQcH-F-C__gKe2zTaRMqexnbUwWOANWxZ9cVG7GKwC4M
  • S | ১১ নভেম্বর ২০১৯ ১০:৩৫424512
  • অনেকদিনের ইচ্ছে ছিল যে গুরুর কিছু লোকেদের সঙ্গে দেখা করে কথা বলার। সামনাসামনি আলোচনা করার। ক্রমশ সেই ইচ্ছেটা চলে যাচ্ছে।
  • Du | ১১ নভেম্বর ২০১৯ ০৮:১০424511
  • সুপ্রীম কোর্টে রামলালা বিরাজমানের নামে এখনই স্ত্রীহত্যায় প্ররোচনা দেবার মামলা দায়ের করা উচিত।
  • Atoz | ১১ নভেম্বর ২০১৯ ০৫:১২424510
  • চাষবাসের ট্র্যাডিশন সম্ভবতঃ জনকের দেশে। সেই হলকর্ষণ উৎসব মনে করুন, দেশের রাজা নিজে কর্ষণ করে উৎসবের সূচনা করেন। বিশাল ব্যাপার।
    এখন আমরা বুঝতে পারি না, কিন্তু মানবসভ্যতায় চাষাবাদ কিন্তু খুব হাইটেক ব্যাপার, ধান/গম ইত্যাদি ফলানো চাট্টিখানিক কথা নয়। জমি তৈরী, হলকর্ষণ, বৃষ্টি কতটা পাবে সেইসব আগে থেকে হিসেব করে বীজবপণ, তারপরে কচি চারা তুলে বড় ক্ষেতে রোপণ, মাঝে মাঝে আগাছা নিড়ানো, মাটি শুকিয়ে গেলে জলসেচ, এইসব করে তারপরে কতদিন পরে শস্য তোলা! এসব জিনিস সবজায়্গায় একসঙ্গে আসে নি, কয়েকটি ট্রাইব এই কাজ শুরু করে। বাকীরা প্রথমদিকে স্রেফ চুরির চেষ্টা করতো। পরেরদিকে আস্তে আস্তে প্রক্রিয়াটা শিখে নেয়।
  • Atoz | ১১ নভেম্বর ২০১৯ ০৫:০৪424509
  • ফলটল খাবেন না কেন? কিন্তু স্টেপল ফুড ফল নয়। ফলটল বা শাকালুটাকালু জাতীয় কন্দ, এসব হল স্ন্যাকস।
  • Atoz | ১১ নভেম্বর ২০১৯ ০৫:০২424508
  • দশরথের রাজ্যে শিকারের বিশাল ট্র্যাডিশন(সেই সিন্ধুমুনির ছেলের কেসটা মনে করুন)। রাজপুত্রেরা সবকিছুর আগে শিখতেন অস্ত্রবিদ্যা আর শিকার। এঁরা ক্ষত্রিয়সন্তান, এঁরা শিকার করতেনই। এক বনে বেশিদিন থাকতেন না, শিকারযোগ্য পশুর অপ্রাতুল্য ঘটত বলে। (মহাভারতে পান্ডবদের বনবাসকালেও এই ব্যাপারটি খুবই গুরুত্বের সঙ্গে দেখানো হয়েছে )
  • Amit | ১১ নভেম্বর ২০১৯ ০৪:৪৬424507
  • শুধু ফল খেয়ে থাকতেন এটার সোর্স কোদ্দিয়ে জানা গেলো ? অবশ্য এসব প্রশ্ন ওঠে তখনই যদি রাম-সীতা আদৌ ঐতিহাসিক চরিত্র বলে প্রমাণিত হয় কোনোদিন। তেনারা কল্পনার চরিত্র হলে তো আর গবেষণার কি এসে যাবে ? এখন মোদী বাউরা জোর করে ইতিহাস বইতে লিখে দিলেই তো আর সেটা সত্যি হয়ে যাবে না।

    তবে এটা জানতে ইচ্ছে করে সেকালে, মানে দু তিন হাজার বছর আগে ইন্ডিয়াতে ফল সবজি কি কি ছিল ? আলু, বেগুন, টমেটো, কপি, গাজর, মুলো, এসবের কোনোটাই কিন্তু ইন্ডিয়ার নয়, সবই অন্য দেশ থেকে এসেছে। ধান, জানি না, কিন্তু গম বা ভুট্টা অন্য দেশের। তাহলে তেনারা সেকালে খেতেন কি কি ?
  • :-$ | ১১ নভেম্বর ২০১৯ ০৪:৩৯424506
  • মনে হয় না। মোস্ট প্রবাবলি ফলটল খেয়েই থাকতেন। তাই তো শবরী ফলের থালা সাজিয়ে রামের জন্য প্রতীক্ষা করতেন। নিশ্চয়ই রামের ডায়েট জানতেন, নইলে গেস্টদের মেনু ডিসাইড করবেন কেং কয়ে?
  • Atoz | ১১ নভেম্বর ২০১৯ ০৪:২৬424505
  • বনবাসকালে রাম আর লক্ষ্মণই তো বন্যপ্রাণী শিকার করে এনে রোস্ট টোস্ট করতেন বলে শোনা যায়। আর শাকপাতা নির্ঘাৎ স্যালাডের মতন তলোয়ারে কুচিয়ে খেতেন। সীতা হয়ত কালেভদ্রে স্পেশাল কিছু রাঁধতেন। বন্যধানের অন্ন, পদ্মবীজের পায়েস --এইসব সূক্ষ্ম জিনিস। ঃ-)
  • Amit | ১১ নভেম্বর ২০১৯ ০৪:২০424504
  • এটা একটা গুরুতর বিষয় বটে। সীতা বনবাসের সময় রান্না করতেন কি না, করলে কি রান্না করতেন, নাকি লক্ষণ ই সব রান্না বান্না করতেন, কি কি খেতেন, বদহজম হতো কি না- এসব ইতিহাস বইতে আসা খুবই দরকার।
  • Atoz | ১১ নভেম্বর ২০১৯ ০৩:১০424503
  • ওইদিকে ফেসবুকে এক গ্রুপে বাওয়াল লেগেছে সীতা রান্না করতেন কিনা, সেই নিয়ে।
    সেইখানেই আবার আরেক পোস্টে রোদ্দুর রায় সমুদ্রের ধারে উদ্দাম নৃত্য করছেন "কী আনন্দ কী আনন্দ দিবারাত্রি নাচে মুক্তি নাচে বন্ধ" গানের এই লাইনগুলোর সঙ্গে। লোকে বলছে হনুমানের নৃত্য।
    এ মানে কী বলবো, একটা চরম ইয়ে অবস্থা।
  • দ্যুতি | ১১ নভেম্বর ২০১৯ ০০:০৬424502
  • আজ মায়ের টাইপ করা একটা লেখা স্মৃতিচারণ দিলাম।

    ছোট বেলা বেড়ে ওঠা গানের পরিবেশে। লঘু গুরু বাছাবাছি নেই। বাড়ীতে তো বটেই পাড়ায় সব রথী মহারথী দের বাস। একই পাড়ায় গাইয়ে বাজিয়ে ভর্তি। আবার তাদের দৌলতে আরো সব ওস্তাদের যাতায়াত। তার মধ্যে আমায় টানতো খুব রবীন্দ্র জৈন। অন্ধ বলে বোধহয় দূর্বলতা। হাতধরে নিয়েযাওয়া আসা।এই 7/নম্বর বাড়িতে।ওনার নামটা আগে করলাম কারন ওনার সুরে শিপ্রা বোস খুব বিখ্যাত কিছু গান গেয়ে ফেলেছে। শিপ্রা বোস তখন আমার খুব প্রিয় শিল্পী। ওইবা ড়ীতে এলেই তার যাতায়াত পথে চেয়ে থাকতাম এবং গান শুনতাম। এখানে গানগুলো তোলা হতো তার পরেই রেডিওতে বাজতে শুনতাম। সে সব দিন সত্যিই এখনো কান পাতলে শুনতে পাই। আজ শিপ্রা বৌদির জন্মদিন জানতে পারলাম তাই সারাক্ষনি ওনার সেই ছটফটানি স্বভাব, মিষ্টি গলা, বড়ো টিপ পান, একসঙ্গে হুড়মুড় করে মনে ভীড় জমানো। হুম বৌদি, ওই 7 নম্বর বাড়ী নীচের থকে তিন নম্বর গোবিন্দ (এটা বোঝাতে কষ্ট হবে না বলে লিখলাম, ওরা 22 জন ভাই বোন) বোসকে। জেনে আনন্দ দুঃখ দুটোই হচ্ছিল। বিয়েকরে কনে হয়ে নামা সব মনে আছে। খুব মিশুকে ছিল। অটোগ্রাফ নিয়েছিলাম। বললাম সামনের বাড়িতেই থাকি তো হেঁসেই কুটোপুটি। একেবারেই কাছে থাকার জন্য গান শোনার সময়ো বেড়ে গেল। আমাদের সঙ্গে রুমাল চোরো খেলেছেন তবে সব রাস্তাতেই। আমি অবাক হতাম ওই দুটো ঘরের মধ্য কি করে থাকে! আমাদের তখন পাড়াটাই ঘরের মতো মনে হতো সবাই একি সঙ্গে হাসি ঠাট্টা গান হতো। বৌদিকে ও দেখতাম সবাইএর রান্না করা, খেতে দেওয়া শ্বাশুড়ী র যত্ন সব হাসি মুখে করতো। কোনো দিনও বলতে পারিনি তোমার কাছে আমি গান শিখব। ওইবাড়ির সাথে আমাদের একটা লক্ষণ রেখা টানা ছিল যা আমি কোনো দিনই ডিঙ্গোইনি। তাই অনেক ভিতরে ঢুকতে চে য়েও পাইনি। বসিয়ে গান শোনানো হয়নি। না হলেও চেষ্টা করতাম একটু গলাটা যাতে কানে যায়।গলির মুখে একদিন দাঁ ড়িয়ে আছে, আমি একটা গান একটু ভালো করে করতে লাগলাম আর লুকিয়ে দেখছি কানে যাচ্ছে কিনা। উফ কি সব হাসির দিন গেছে। গান শেখা হয়নি বটে কিন্তু খুব ভালোবেসে ফেলে ছিলাম। আমার বিয়েতে আমি আলাদা করে বলেছিলাম।এসেছিলেন বাড়ীতে সকালে এবং উপহারো দিয়েছিলেন। তার একদিন পরেই ছেলে হয়েছি শুনতে পাই। আমি শ্বশুর বাড়ি যাওয়ার পর বৌদি ও গোবিন্দ দা বোধহয় টালা না কোথায় বাসা নিয়ে ছিল। গান শোনায় আমারো ঘাটতি হতে লাগলো। তারো দুছর পর আবার শুনি বৌদির যমজ ছেলে মেয়ে হয়েছে। গান তো গাইতো একটু শোনা য় ভাটা পড়লো। ওনার গান হলেই মনে হতো খুব কাছের মানুষের গান শুনছি। বহুদিন পর ফোন এ মৃত্যু সংবাদ পাই। খুব ই হুহু করে উঠে ছিল মনটা দেখতে গিয়ে ছিলাম না কল্পনা বলতে পারবো না খয়েরি বেনারসীতে ঢাকা, মাথায় সিঁদুরে ভর্তি। একটা কথা ই মনে এলো কোথায় যাবার ছিল আর কোথায় যাচ্ছে বৌদি।
    "আমার কবার মরণ হবে বলো
    যেদিন এসেছো তুমিও মরণ তো সেদিন ই হলো।।"সারাক্ষনবাজে

    নীতা চট্টোপাধ্যায়।
    বারাসাত।
  • অর্জুন | ১০ নভেম্বর ২০১৯ ২৩:৫৮424501
  • @দীপাঞ্জন বাবু

    নীরদচন্দ্র চৌধুরীর সব কথা, অব্জারবেশন ফেলে দিতে বলিনি। বলছি তাঁর পলিটিক্যাল পজিশনের কথা। ১৯৫১'তে প্রকাশিত তাঁর আত্ম জীবনীর প্রথম খণ্ড যিনি ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করে লেখেন All that was good and living within us, was made, shaped and quickened by the same british rule এবং তার পরেও প্রায় অর্ধ শতাব্দী কাল (১৯৯৯) জীবিত থেকেও সেই অবস্থান থেকে নিজেকে বদলাননি বরং ব্রিটেন তার সাম্রাজ্যবাদ অবস্থান থেকে সরে যাওয়ায় তাকে তিরস্কার করেছেন তাঁর কনজারভেটিভ পলিটিক্যাল অ্যাফিলিয়েশন সহস্রাব্দের পরে কি ভাবে গ্রহণযোগ্য সেটা ভেবে দেখার আছে!

    সাহিত্য, শিল্প সমালোচনা ও স্মৃতিচারণে তিনি উল্লেখযোগ্য।

    He was a great chronicler of his time.
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত