এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • একক | ০৫ নভেম্বর ২০১৯ ০১:৩৪424019
  • সবাই বিশ্বাস করেনা। এটা তো ইনসিওরেন্স স্কীম অনেকের কাছেই। মারা গেলে পরিবার টাকা পায়। রিক্রুটমেন্টেও। একটা সোশ্যাল প্রেসার তৈরী হয়। পোভার্টি আছে। কোনো ঘটনার ই মাত্র একটা ফ্যাক্টর এমন হয়না।
  • Atoz | ০৫ নভেম্বর ২০১৯ ০১:৩৪424020
  • তারপরে ধরুন বাল্মিকীর গল্প। মানে কিনা বাল্মিকীর বাঙালি ভার্সন। ঃ-) মরা মরা জপতে জপতে রাম রাম হয়ে গেল। (এটা একটা দারুণ করেছে বাঙালিরা। সংস্কৃতে এমন চমৎকার একটা সোজাসাপ্টা ওয়ার্ড পাওয়া যেত কি যাকে এমন তাড়াতাড়ি কইলে রাম রাম হয়ে যায়? ঃ-) )
  • Atoz | ০৫ নভেম্বর ২০১৯ ০১:২৬424018
  • বাহাত্তর পরীর ব্যাপারটা ওই টেররিস্ট ছেলেগুলো বিশ্বাস করে? আমার তো মনে হয় না। মিডিয়ার অপপ্রচার হতে পারে। (অত্যন্ত সামাজিক অর্থনৈতিক ইত্যাদি আরো অনেককিছুর চাপ না থাকলে দলে দলে এত লোক টেররিস্ট হয় না। অনেকের ক্ষেত্রেই হয়তো দেখা যাবে আর কোনো অপশনই ছিল না। )
  • একক | ০৫ নভেম্বর ২০১৯ ০১:২০424017
  • হ্যাঁ কিন্তু তাতে, আপনার একসিস্টেন্সিয়ালিস্ট সত্বা যদি বলে যে অমুক মতের লোক বেশি থাকলে আমার ক্রাইসিস হতে পারে, তাহলে আপনি অবসসই তার বিরোধিতা করবেন। মামার বাড়ির আবদার নাকি :))

    শুধু সেটাকে, একমাত্র র্যাশনাল বলে দাবি না করলেই হয়।
  • Atoz | ০৫ নভেম্বর ২০১৯ ০১:১৩424016
  • অরণ্যদা, লক্ষ করে দেখবেন, কমুনিজমবিরোধীরাও কমুনিস্টদের প্রায় একই কায়দায় ঠগ জোচ্চোর, "রাধে রাধে কমিন ভাই/ টিক্কা জ্বালাইয়া তামুক খাই" খিল্লি, ক্ষেত্রবিশেষে আরো বীভৎস আক্রমণ ইত্যাদি করে থাকে। কমুনিস্টরা যে ধ্যানধারণাতে বিশ্বাস করে থাকে, বিরোধীরা সেটাকে বিশ্বাস করে না, তাই ওদের ঠগ জোচ্চোর ধান্দাবাজ ইত্যাদি বলে। (এখানে ঈশ্বরবিশ্বাসের কোনো ব্যাপারই নেই, দুই দলই ঘোরতর ইহজাগতিক ঃ-) )
  • একক | ০৫ নভেম্বর ২০১৯ ০১:০৬424015
  • করতেই পারেন। নাও করতে পারেন। আদতে, বিশ্বাস করে এবং তারপর অবিশ্বাস করে, তবু বিশ্বাস এ নেবে আসা বলেই তো ভক্তিবাদ। ভক্তিবাদী নিজে জ্ঞানী নন এরকম ভাবার কোনো কারণ পাচ্ছি না।

    ধরুন আপনি লিলিপুট বন্ধুদের নিয়ে প্রাতঃভ্রমণে বেড়িয়েছেন। একটা নদীর ধারে গিয়ে দেখলেন, কোনো ব্রীজ নেই। শুধু একটা পাতলা কাপড় এপার ওপার টাঙানো। আপনার ভার সে নিতে পারবেনা। তো আপনার কাছে সেটা বিশ্বাসযোগ্য তথা ব্রীজ নয়।

    কিন্তু লিলিপুটরা দিব্য ওটাকেই ব্রীজ বলে ভরসা করে ওপারে চলে যেতে পারবে। তো তাদের কী বলবেন ? ব্রিজ ফ্রিজ নেই চলো সাঁতার কাটি ? নাকি বলবেন, কাপড়ে পা দিয়ে পেরোতে। কেও যদি ওজন বেশি হয়ে ফস্কে পড়ে যায় তার জন্যে তো জ্ঞানসমুদ্র অলরেডি হাঁ করে প্রস্তুত আছে :)))

    এতে অসুবিধে কী ?
  • Atoz | ০৫ নভেম্বর ২০১৯ ০১:০৩424014
  • আরে অরণ্যদা, সেইজন্যেই তো আরো। " ব্যাটা, বিশ্বাস করবি কেন তুই? আমরা করিনা, আর তুই করবি? আবার একা রামে রক্ষা নাই, প্রীচ করতে বেরিয়েছে! মার ব্যাটাকে!!! আড়ং ধোলাই দে। ঠগ। জোচ্চোর! কলসীর কানা দিয়ে মার।"
    ঃ-)
  • aranya | ০৫ নভেম্বর ২০১৯ ০১:০১424013
  • বা তুমি যে চৈতন্যে-র কথা লিখলে।
    কেউ কি মনে করে যে তার ভক্তি আন্দোলনের সময় তিনি শ্রী কৃষ্ণের অস্তিত্বে অবিশ্বাসী ছিলেন?
  • Atoz | ০৫ নভেম্বর ২০১৯ ০১:০০424012
  • রঞ্জনদা, ধন্যবাদ। তাহলে সত্যিই "লাল ঘাসে নীল ঘোড়া" এই নামে নাটক ছিল। উনি খিল্লি করেন নি।
  • aranya | ০৫ নভেম্বর ২০১৯ ০০:৫৯424011
  • না আতোজ, তেমন কিছু অ্যাজিউম করা হচ্ছে বলে তো মনে হয় না।

    ধর, রামকৃষ্ণ-কে নিয়ে এত কথা হচ্ছে তো। কেউ কি মনে করে যে তিনি মা কালী-র অস্তিত্বে বিশ্বাস করতেন না?
  • Atoz | ০৫ নভেম্বর ২০১৯ ০০:৫৩424010
  • তারপরে ধরুন চৈতন্য। দিব্যি ছিলেন টোল চতুষ্পাঠী নিয়ে, ব্যাকরণ পড়াতেন, মাঝে পন্ডিত টন্ডিতদের সঙ্গে তর্কযুদ্ধ করতেন। হঠাৎ কী হল, তারস্বরে হরিন্নাম আর গান শুরু করে দিলেন খোলকরতাল নিয়ে দলবল নিয়ে। কেউ কেউ বলেন মহা বিপ্লব করলেন। তখন নাকি বাংলা মৃত বৌদ্ধধর্মের সঙ্গে তন্ত্রের যোগে বীভৎস অজাচারে নেশাগ্রস্ত হয়ে পড়েছিল। হরিচরণস্রুত মহাবন্যায় উনি জনচিত্তের সমস্ত মালিন্য দূর করে দিলেন।
    এখন দেখুন, সব লোকে তো মানে নি। অনেকেই বিরোধী ছিল। তারা অনেক আজেবাজে রটনা করেছে, ঠগ জোচ্চোর অনেক কিছু বলেছে। পরে তো নাকি মেরেই ফেলল। কিন্তু তাতে কী হল? ভক্তি আন্দোলন তো রয়েই গেল।
  • একক | ০৫ নভেম্বর ২০১৯ ০০:৫০424009
  • লেখা হয়নি। দমদির কোট করা কবিতাটি বেশ পোষ্টাই ছিল। ভালো । আমার পড়া নয়।
  • Atoz | ০৫ নভেম্বর ২০১৯ ০০:৪৪424007
  • অরণ্যদা, এইটাই মনে হয় অ্যাজিউম করে নেওয়া হচ্ছে যে এরা জানে ঈশ্বর নেই অথচ তার নামে প্রীচ করে যাচ্ছে।
  • একক | ০৫ নভেম্বর ২০১৯ ০০:৪৪424008
  • বড়এস ;

    "রিলিজিয়ন ইজ অ্যাকচুয়ালি আ সোশাল-ফিলজফিকাল কনসেপ্ট যেটার থিয়োরি সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পাল্টাচ্ছে।"

    হ্যাঁ, শুধু একটা ব্যাক এন্ড ফোর্থ চেকিং আছে। ধরুন ধর্মের পুরোনো টেক্সট আপনি একশোবার পড়বেন। আবার নতুন টেক্সট ও আলোচনা কেও। এবার তারপর -খুঁজতে শুরু করবেন ধর্মের সমস্ত টেক্সট এর মধ্যে এরকম কোনো এবস্ট্রাক্ট ডেফিনিশন এরিয়া আছে কিনা যা দিয়ে আগের ও পরের ম্যাক্সিমাম ধারণাকে মেলানো যাচ্ছে। সেটা সেইসময়ের স্ট্যান্ডার্ড।

    সম্ভবত, যন্ত্র ও এভাবেই ভাবে :)
  • Atoz | ০৫ নভেম্বর ২০১৯ ০০:৪১424006
  • স্পিরিচুয়াল হওয়ারই বা এত দরকার কীসের?
  • একক | ০৫ নভেম্বর ২০১৯ ০০:৩৯424005
  • এক্স্যাক্টলি ! এইবার রঞ্জনদা একচুয়াল জায়গায় পা দিয়েছেন। ধর্মকে কালেকটিভ উইজডম ওভার টাইম হিসেবে না দেখে সার্টেইন কোনো এক ধর্মপ্রচারকের টেক্সট হিসেবে এ দেখেছেন। না, ধর্ম মনেহয় সেরকম কিছু নয়।

    মাও যা বলে গেছেন তা মাও বলে একটা কেও বলে গেছেন। ধর্মকে ওভাবে ব্যাখ্যা করা হয় একটা হাওয়াকল তৈরীর তাগিদ থেকে। আদতে ধর্ম কালেকটিভ উইজডম। একদল লোক দার্শনিক পথে উত্তর খুঁজছিলো কিছু সমস্যার সেটা ওভার দ্য টাইম ফ্লারিশ করেছে। শাক্যমুনি একাই সব পিডিএফ করে ক্লাউডে তুলে গেছেন এরকম না।

    এইজন্যেই, অনেকে "প্রকৃত হিন্দুধর্মে " কী ছিল সেইটা প্রমান করে এখনকার হিন্দুদের "বোঝানো " যাবে ভাবেন। এই ধারনায় সমস্যা আছে। এতে হাওয়াকল পাওয়া যায় বটে, জনতাকে কিস্যু কমিউনিকেট করা যায়না কারণ তারা ধর্মটার মধ্যেই আছে। ধর্মটাকে আরও এগিয়ে নিয়ে গেলে তার মধ্যেই থাকবেন।
  • S | ০৫ নভেম্বর ২০১৯ ০০:৩৫424004
  • একক, তাহলে তো আপনার মত অনুযায়ী যেকোনও ধর্মই সবসময়ই একটা ইভলভিং প্রসেসের মধ্যে রয়েছে। সত্যি কথা। তার একগাদা উদাহরণ তো রিসেন্ট টাইমেই পেয়েছি আমরা। কারণ দেয়ার ইজ নাথিং অ্যাবসোলিউটলি ট্রু। আজকে যেটা সত্যি থাকছে, কয়েক বছর পরে সেটা সত্যি নাও থাকতে পারে। কিন্তু ঈশ্বর বিশ্বাসী একটা কনসেপ্ট তো এরকম হওয়া উচিত নয়। এবং এইখানেই আমার সবথেকে বড় আপত্তি। তাহলে দেখা যাছে যে রিলিজিয়ন ইজ অ্যাকচুয়ালি আ সোশাল-ফিলজফিকাল কনসেপ্ট যেটার থিয়োরি সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পাল্টাচ্ছে। নিজেকে সোশিও-ইকনমিক (এমনকি প্রয়োজনে পলিটিকাল) রিয়েলিটির সঙ্গে এবং টেকনলজিকাল অ্যাডভান্সমেন্টের সঙ্গে খাপ খাইয়ে রেলেভ্যান্ট থাকর চেস্টা করছে এবং এক্সপ্যান্ড করার চেস্টা করছে (এইটাই আসল গোল)। ঠিক এইখানটাতে এসেই ধর্মের সঙ্গে স্পিরিচুয়ালিটির যোগ কমে যাচ্ছে। ফান্ডিং, সাবস্ক্রাইবার বাড়াতে গেলে যেসব প্রোমোশনাল অ্যাক্টিভিটি করতে হয় সেটা প্রায় সব রিলিজিয়াস অর্গ করে থাকে। আমার মতে ওয়ান ক্যান বি স্পিরিচুয়াল ইভেন উইদাউট বিয়িঙ্গ রিলিজিয়স। তাহলে মিশনকে কেন বলতে হয় যে মোক্ষ লাভ ইত্যাদি হিন্দু ধর্মের মাধ্যমেই হবে। সেকুলার উপায়তে সেটা সম্ভব নয় কেন বা সেরকম ব্যবস্থা নেই কেন?
  • aranya | ০৫ নভেম্বর ২০১৯ ০০:২৯424003
  • লোক ঠকানো বা জোচ্চুরি-র ব্যাপারে একটাই প্রশ্ন - ধরুন, আমি মনে করি ঈশ্বর আছেন, তিনি সর্বশক্তিমান ইঃ
    এবার আমি বহু মানুষের কাছে এটা প্রীচ করলাম।
    কোন যুক্তিতে আমাকে ঠক বা জোচ্চোর বলা হবে?

    মূর্খ বলা যেতে পারে।

    ঠক, প্রতারক ইঃ একমাত্র তখনই বলা যায় যদি আমি ঈশ্বর নেই জেনেও ঈশরের অস্তিত্বের কথা প্রচার করি
  • রঞ্জন | ০৫ নভেম্বর ২০১৯ ০০:২৭424002
  • একক,
    যে ঈশ্বর কারণস্বরূপ নন, সংসারচক্রের নির্মাতা নন, নিজে সেই চক্রের অধীন--তিনি কেমন ঈশ্বর ? তাঁকে একজন পুরুষ (বা নারী) বিশেষ বা পুরুষশ্রেষ্ঠ বলার চেয়ে বেশি কিছু বলা যায় কি ? মানে তাঁকে কোন গুণে ঈশ্বর বলব?
    না ; মহাযানী স্কুলগুলো হীনযানের থেকে ফান্ডামেন্টালি আলাদা। পরবর্তী চিন্তাবিদএরা যদি এমন ব্যাখ্যা করেন যাতে গোড়ার ব্যাপারটাই বায়ুভূত হয়ে যায় তাহলে তাকে স্বতন্ত্র সম্প্রদায় বয়লা যেতে পারে -- ওইটুকুই। উন্নত বলা যায় কিনা সেটা তর্কসাপেক্ষ। তাহলে তালেগোলে শিবদাস ঘোষ লেনিনের উন্নত সংস্করণ হয়ে যেতে পারেন বা শিয়াও পিং মাওয়ের। আলথুজার মার্কশের।
  • রঞ্জন | ০৫ নভেম্বর ২০১৯ ০০:১৯424001
  • এতোজ,
    নাটকটা সম্ভবতঃ 'লাল ঘাসে নীল ঘোড়া' -- একটি রাশিয়ান নাটকের অনুবাদ (রুশ বিপ্লবের প্রথমদিকের ঘটনা নিইয়ে)। নব্বইয়ের দশকে দিল্লির ন্যাশনাল স্কুল অফ ড্রামার প্রোডাকশন দেখেছিলাম। পরিচালক ছিলেন জনৈক প্রসন্না। উনি আজও বোধহয় এন এস ডির রেপাআর্তোরির সঙ্গে যুক্ত আছেন।

    ডিসি,
    একটা জিনিস (ধর্ম/বিজ্ঞান/ভুডু ম্যাজিক) হয় ঠিক, নয় ভুল। কেউ যদি জানে যে জিনিসটা ভুল তবুও লোকের কাছে ওটা ঠিক বোলে চালানোর চেষ্টা করে, তবে তাকে লোকঠকানো বলব। বহু প্রোডাক্ট, ওষূধের ক্ষেত্রে যেমনটি হয়। কিন্তু কেউ যদি যেটা সে মনেপ্রাণে বিশ্বাস করে (ভুল বা ঠিক) সেটা অন্যকে জোর দিয়ে বোলে এবং বিশ্বাস করতে আহ্বান করে তাহলে কি তাকে চিটিংবাজ বয়লা যাবে ?
  • meditation | ০৫ নভেম্বর ২০১৯ ০০:১৭423999
  • মেডিটশানে যে শান্তি আসবে সেটা বিগ্গ্যানভিত্তিক। অবোস্যো ঘুমোলেও আসতে পারে, তবে মেডিটেট করে ঘুমুলে বেটার শান্তি।
    মেডিটেশানে বসার উদ্দ্যেশ্যই হল মন শান্ত করা - এটা কিনা তারই প্র্যাক্টিস!
    আর, ভেবে দেখলে এর সাথে ধর্ম রাজনীতি মোদিভাই, ট্রাম্প সৌরভ - কারো যোগাজোগ নেই।
    য়্যাখুন লোকে বল্তেই পারে, ধোর মহাই, দেখছেন আমার পাঁচটা ছানা কাঁইমাই কচ্চে আমি মেডিটেট করব? তখোন গুরুজি বল্বেন ঐ জন্যে বিহা করতে বারন করি, শুনিস না, মন কি কইর‌্যা শান্ত হবে? তবে বরং আমার চাট্টি বাণী শুনে দ্যাখ যদি কিছু কাম হয়!
    ব্যাস, মেডিটেশানের ধম্মনীতি এসটাব্লিশড হয়ে গ্যালো!

    তাই কি না বুদ্ধগুরু বলেছেন আত্মডীপ ভব!।
  • একক | ০৫ নভেম্বর ২০১৯ ০০:১৭424000
  • কারণ স্বরূপ ঈশ্বর নয় তো। আমি লিখেছি সেটা। ঈশ্বর সংসারচক্রের অধীন। বাইরের কেও নন। প্রজ্ঞাপারমিতা অনেক পরের তাতে সমস্যা কী, পরিষ্কার করে একটা থট মডেলকে রেখেছে।

    আর, যোদ্ধা শ্রেণীকে -সন্ন্যাসীকে ঈশ্বরের জায়গায় বসানো এ কিন্তু বুদ্ধধর্মে প্রথম নয়। থর দেবতা ওডিন আদতে রাজা। এটা প্রাচীন ধর্মের রাজনীতি। বারবার ক্রিয়েটর কারণস্বরূপ ঈশ্বর কেন নেই জিজ্ঞেস করলে একটাই স্পষ্ট উত্তর : প্রজ্ঞাপারমিতা। রূপম শূন্যতা -শূন্যতা রূপম। এর মধ্যে দেব দেবতা জ্ঞান বিজ্ঞান সব ওতঃপ্রোত। হোয়াটস রং উইথ দিস ? :))

    প্রথমদিকে, একটা নতুন ধর্মে বড় স্কলার কম আসে। তাদের বুঝিয়ে বলা থেকে অনেক ফাঁক তৈরী হয়। ক্রমশ বড় স্কলাররা এসে ফাঁকগুলো পূরণ করে। কাজেই আদি টেক্সট মানেই তাই অথেনটিক্যালি মডেলকে ব্যাখ্যা করার ক্ষমতা রাখে এরকম সিদ্ধান্তে মুশকিল আছে।
  • রঞ্জন | ০৫ নভেম্বর ২০১৯ ০০:০৮423998
  • একক,
    হার্ট সূত্র, ডায়মন্ড সূত্র এসব ত অনেক পরে মহাযানে ( শূন্যবাাদে এবং বিজ্ঞানবাদে) এসেছে। ক্রমশঃ পদ্মপাণি অবলোকিতেশ্বর, সুন্দরী তারাদেবী সবই এসেছে। সরগুজা জেলার মোইনপাটে (কমলেশ্বরপুর) তিব্বতি উদবাস্তু শিবিরে গিয়ে দেখি প্রত্যেক বাড়ির গায়ে ভূত তাড়ানোর মন্ত্র লেখা একগাদা সিল্কের পতাকা পাঁচিলের গা থেকে পতপত করে উড়ছে। কিন্তু প্রাচীন বূদ্ধিজমে ? বিখ্যাত বৌদ্ধ দার্শনিক এবং লজিশিয়ান আচার্য ধর্মকীর্তির এই চৌপদীটি দেখুন ( সন্মাত্রানন্দের অতীশ দীপঙ্করকে নিয়ে লেখা উপন্যাসে এঁর আখ্যান একটু আছে। )
    " নারীকে দেখেই বুঝেছি যে ভগবান বুদ্ধের কথাটি সত্য -- এই দুনিয়ার স্রষ্টা কোন ঈশ্বর বোলে কিছু নেই। কারণ যদি দুনিয়ার সৃষ্টিকর্তা ঈশ্বর হত, তাহলে সে নারীরও সৃষ্টিকর্তা হত। কিন্তু নারীকে বানিয়ে সে তাকে কি ছেড়ে দিত? অতঃ "
    অথবা বৌদ্ধধর্মের ল অফ কজালিটি বা পতীচ্চসমুৎপাদ দেখুন। কোথাও কারণ হিসেবে ঈশ্বরের কোন ভূমিকা নেই।
    অথচ যে কোন ধর্মদর্শনেই ঈশ্বর হয় আদি কারণ (মেটেরিয়াল কজ) বা নিমিত্তকারণ ( সাফিশিয়েন্ট কজ), নয় দুটোই।
    বৌদ্ধদর্শনে কোনটাই নয়, তাহলে কীরকম ঈশ্বর?
    দেকার্তের ঈশ্বরও একরকম লজিক্যাল নেসাসিটি, অন্টোলজিক্যাল প্রুফের ভিত্তিতে ঠেকনো দিয়ে দাঁড় করানো।
  • একক | ০৫ নভেম্বর ২০১৯ ০০:০০423997
  • মানে, আরও সহজ কোথায় বুদ্ধিজমের ভগবান, খায় হাগে বিপদে পড়ে এবং সংসারের নিয়মের বাইরে নয়। তাদের কিছু অতিরিক্ত ক্ষমতা, ফর দ্য টাইম বিইং আছে তাই তারা ঈশ্বর।

    এই জায়গা থেকেই বুদ্ধিজমের রাজনৈতিক স্ট্যাণ্ড ও তৈরী হয়েছে। রাজাদের নিয়ন্ত্রণে বুদ্ধিস্ট সন্ন্যাসীদের এটাই শিক্ষা ছিল, পাওয়ার উইথ হিউমিলিটি। জনপ্রিয়তার কারণ ও তাই। বুদ্ধিজমের ঈশ্বর্ধারণা এবং রাজনৈতিক স্টান্স খুব রিলেটেড।
  • একক | ০৪ নভেম্বর ২০১৯ ২৩:৪৯423996
  • বুদ্ধিজম চুপ এরকম জানিনা। বুদ্ধিস্ট গড হিসেবে যাঁরা আছেন, তাঁদের যে ক্ল্যাসিকাল বুদ্ধিজমের লোকেরা ভুল পথে চালিত মনে এরকম কিন্তু না। বুদ্ধিজমে ঈশ্বর আসাকে দোষ বলে যাঁরা দেখেন তাঁরা বাইরের লোক। ব্যাপার হলো বুদ্ধিজম, কোনো সেন্ট্রাল অথরিটি হিসেবে এবং ওম্নিপ্রেসেন্ট হিসেবে ঈশ্বরকে দেখেনা। অনেকে বলেন হিন্দুদের দেবদেবী বুদ্ধিজমে গেছে। গেছে ওটা মিথ্যে নয়, কিন্তু ওরকম সরাসরি যায়নি। এদের সমস্ত "ভগবান " দেখা যায় কোনো রাজা যোদ্ধা বা রাজকন্যা বা কোনো সন্ন্যাসী বা কোনো বড় মানুষ যে বাকি মানুষদের গডনেস এচিভ করেছে। আবার তার থেকে যাঁদের পতন ও ঘটতে পারে। ঈশ্বরত্বে বিশ্বাস আছে। ঈশ্বরে নেই। এবং, হার্ট সূত্রের ইঙ্গিত সেদিকেই যে আ লু পটল ঝিঙ্গা যেমন গড ও তেমন।
  • PM | ০৪ নভেম্বর ২০১৯ ২৩:৩২423995
  • ২ টো সমস্যা যতদিন না ঠিক ঠাক জনগনের পছন্দ মত এক্সপ্লেন করা যাবে বা বেরোনোর উপায় বাত্লানো যাবে তদ্দিন অধ্যাত্তিকতা কে কবরে পাঠানো মুসকিল-

    ১। জন্ম থেকে মৃত্যু এই সময় টা, মানে যেটাকে আমরা জীবন বলি এটার উদ্দেশ্য কি? এতো কষ্ট ঝামেলা পোয়াচ্ছি কেনো ?

    এই জীবনটার কোনো উদ্দেশ্য নেই, জিন এ ক্যারিয়ার আর ট্রান্সমিটার হওয়া ছাড়া বাকি পুরোটাই টাইম পাস এই সত্যি টা হজম করা মানুষের মত চিন্তাশীল জীবের কাছে খুব চাপের। সেই অর্থে একটা শুওরের সাথে উনিভার্স এ তার কোনো আলাদা ভ্যালু নেই এইটা সে মন থেকে মানতে চায় না
    একটা সমস্যা গ্রস্থ মানুষ, অসুস্থ মানুষ, বৃদ্ধ মানুষ কেনো নিজেকে টার্মিনেট না করে আরো ২০-৩০ বছর ঝামেলা / কষ্ট পোয়াবে এটা ব্যাখ্যা করাও মুস্কিল

    ২। মরে যাবার পরে আর কিছুই নেই, সব শেষ এটাও এই চিন্তাধীল জীবের মনে এক আতন্ক সৃষ্টি করে। তার চিন্তাশীলতা, ইন্টেলিজেন্স সব অর্থহীন, পুড়ে গেলে ১।৫ সের ছই ছাড়া আর কিছু নয়, এটা মানাটাও কষ্টকর

    এই দুটো সমস্যা বা চরম সত্যের থেকে রিলিফ পাবার জন্য চিন্তাশীল মানুষ যে উপায় টা উদ্ভাবন করেছে বেচে থাকাটাকে একটু সহনহীল করার জন্য সেটা হলো অধ্যাত্মিকতা

    পুরো ব্যাপারটাই সায়েন্স এর ডোমেন এর বাইরে। এমপেরিক্যাল প্রমানের ওপোর কোনো ডিপেন্ডেন্সি নেই, কিন্তু চিটিংবাজিও নয় ঃ)
  • S | ০৪ নভেম্বর ২০১৯ ২৩:২৭423994
  • বুদ্ধিজম তো ভগবান আছেন না নেই সেই প্রশ্নে একদম চুপ। রন্জনদাও বলেছিলেন একই কথা। অতেব দ্যাটস দ্যাট। শুধু বলে গেছে যে জীবনে কি কি করলে দুঃখ কষ্ট কমবে, শান্তি-খুশি বাড়বে।
  • আইনস্টাইন | ০৪ নভেম্বর ২০১৯ ২২:৫৭423993
  • এ ওকে বলবে লোক ঠকাচ্ছে, আর ও একে। হুঁ হুঁ, রিলেটিভিটি্র বাচ্চা কি আকাশ থেকে পড়েছে?
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত