এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Atoz | ২৪ আগস্ট ২০১৯ ০১:০২416820
  • ওহো, ওটা হুতো ছিল না, ওটা এলেবেলে ছিলেন। সরি সরি। মিস্টেক হয়ে গেছিল, পরপর পোস্ট পড়ছিল কিনা। মাফ চাই। ঃ-)
    হ্যাঁ এলেবেলে, ওই আলুরদমের সঙ্গে কী দিত? কচুরি না লুচি না পাঁউরুটি? নাকি এমনি এমনি আলুরদম?
  • অর্জুন | ২৪ আগস্ট ২০১৯ ০১:০১416819
  • আমাদের স্কুলের সামনে উৎকৃষ্ট আলুকাবলি পাওয়া যেত। এক ঠোঙা দু টাকা।
  • Atoz | ২৪ আগস্ট ২০১৯ ০০:৫৮416818
  • ফুচকা ভেঙে যেকোনো ঝাল নোনতা খাবারের উপর ছড়িয়ে দেবার টেকনিকটা অতি ভালো, সর্বত্র কাজে লাগে। সমস্ত খাবারই চুরমুর হয়ে ওঠে। ঃ-)
  • অর্জুন | ২৪ আগস্ট ২০১৯ ০০:৫৫416817
  • @ সিএস

    আপনি Date:23 Aug 2019 -- 03:06 PM মেসেজে সুমিত সরকারের ''মডার্ণ টাইমস' নামে যে বইটির উল্লেখ করেছেন, সেটা সম্পর্কে একটু বলবেন?

    দীপেশ চক্রবর্তীর যে বইটার কথা আপনি বলছিলেন সেটা কি'প্রভিনশিয়ালাইজিং ইউরোপ' ?
  • | ২৪ আগস্ট ২০১৯ ০০:৫৩416816
  • একজাক্টলি।

    আর চুরমুর? তোমরা চুরমুর খেতে না??
  • dc | ২৪ আগস্ট ২০১৯ ০০:৪৯416814
  • যে আলুর দম আর আলুকাবলির তফাত জানে না তার জীবনের চোদ্দ আনাই বৃথা।
  • | ২৪ আগস্ট ২০১৯ ০০:৪৯416815
  • স্কুল থেকে
    ফেরার পথে বালীবাজারে একটা বই এর দোকানে বসে অমরচিত্র কথা পড়তাম। তখন ৩ টাকা করে। পরে ৪ টাকা হলো। কী লোভ হতো বই গুলো দেখে
  • :P | ২৪ আগস্ট ২০১৯ ০০:৪৩416813
  • তাকে বলে আলুকাবলি।
  • র২হ | ২৪ আগস্ট ২০১৯ ০০:৩৬416812
  • তবে আলুর দম শুধুই আলুর দম, লুচি কচুরী কিছু না, শালপাতায় ঝালঝাল আলুর দম, কাঠি গোঁজা, ফুচকার দোকানেও পাওয়া যায় প্রায়ই।
  • কী দাম | ২৪ আগস্ট ২০১৯ ০০:৩১416811
  • র২হ | ২৪ আগস্ট ২০১৯ ০০:২৮416810
  • আলুর দম আমি না তো। আমি নিতান্ত হতভাগা, হাত খরচ পেতাম না। তবে ক্লাস নাইনে একবার ভয়ানক প্রেসার সুগার এসব নেমে যায়, ডাক্তার নিদান দেন সাইকেল চালানো যাবে না, তাই সর্বত্র আসা যাওয়ার রিক্সাভাড়া পেতে থাকি। এক বন্ধুর বাড়িতে একটা উদ্বৃত্ত সাইকেল ছিল, সুতরাং বছর খানেক বিলাস ব্যাসন।
  • Atoz | ২৪ আগস্ট ২০১৯ ০০:২৪416809
  • খাবারের দাম নিয়ে কথা উঠলেই ঠাকুমার গল্প মনে পড়ে। ছ'পয়সা সের(কিলো) দুধ---মনে হয় ওঁর যৌবনকালের কথা, তাই ওই দাম আর ভুলতে পারেন নি। ঃ-)
  • | ২৪ আগস্ট ২০১৯ ০০:১৯416808
  • বলেন কী মহায়?? আপনাকে তো কাল্টিভেট করতে হচ্ছে @ এলেবেলে বাবু
  • Atoz | ২৪ আগস্ট ২০১৯ ০০:১৮416807
  • আমাদের সময় টাকায় সাতটা করে ফুচকা ছিল। সেটা যখন কমে ৫টা হল, তখন আমরা গম্ভীর হয়ে গেলাম। তারপরে ক্রমেই দাম বাড়তে লাগল। একসময় দুটাকায় তিনটে হয়ে গেল। তখন আমরা বললাম কল্কির আসার সময় হয়েছে।
  • | ২৪ আগস্ট ২০১৯ ০০:১৭416806
  • জিলিপি ও মনে হচ্ছে ২৫ পয়সা!!
  • এলেবেলে | ২৪ আগস্ট ২০১৯ ০০:১৬416804
  • এ বাবা! আমি তো সিঙারা খেয়েছি চার আনায় দু'খানা!!
  • | ২৪ আগস্ট ২০১৯ ০০:১৬416805
  • এখন ফুচকার দাম জানো? ১০ টাকায় ৫ টা। ভাবতে পারো। কবি তো আর এমনি এমনি কাঁদেন নি!!
  • Atoz | ২৪ আগস্ট ২০১৯ ০০:১৫416803
  • ব্রতীন,
    সিঙারা ছিল ২৫ পয়সা করে।
  • | ২৪ আগস্ট ২০১৯ ০০:১৩416801
  • বাসভাড়া ছিল ৫০ পয়সা!!
  • Atoz | ২৪ আগস্ট ২০১৯ ০০:১৩416802
  • হুতো, আলুরদমের সঙ্গে কী দিত? কচুরি না লুচি?
  • | ২৪ আগস্ট ২০১৯ ০০:১২416800
  • বড় এস, এলেবেলে বাবুর প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছেন বলে আর চাপ নিলাম না। বাড়ি তে তিনজন অধ্যাপক।
  • Atoz | ২৪ আগস্ট ২০১৯ ০০:১১416798
  • ব্রতীন,
    কত ফুচকা হয়ে যেত এক টাকায়। আবার একটা করে ফাউ দিতো।
  • এলেবেলে | ২৪ আগস্ট ২০১৯ ০০:১১416799
  • আমরা দু'ভাই হাইস্কুলে কিছুই পাইনি! টিফিনবেলা বাবা চা খেতে যাওয়ার সময় পাঞ্জাবির পকেট থেকে আমাদের দুজনকে দুটো বড় দশ পয়সা দিতেন। ওই দিয়ে গোপালদার দেবভোগ্য আলুর দম সাঁটাতাম। খুচরো দশ পয়সা না থাকলে কপালে জুটত দুখানা সিকি। সেদিন আমরা উড়তাম স্রেফ!
  • | ২৪ আগস্ট ২০১৯ ০০:০৯416797
  • স্কুলে টিফিন না দিলে মা এক টাকা দিতো। তা দিয়ে প্রচুর অপসান।২০ টা হজমি গুলি কিংবা ৪ রকমের আচার ( ২৫ পয়সা করে), বিলেতি আমড়া, কামরাঙা, কুল এইসব কিনে খেতাম। ১০০ কুলের দাম ছিল ৫০ পয়সা।

    "যে দিন গিয়াছে...."
  • এলেবেলে | ২৪ আগস্ট ২০১৯ ০০:০৭416796
  • বড়েস, পে কমিশন কংগ্রেস আমলেও হত, বরং আরও ঘন ঘন হত। ১.৪.৬৬, ১.৪.৭০, ১.৪.৭৫ --- এই দশ বছরে বেতনক্রম বেড়েছে তিনবার। বাম আমলে ৮১, ৯০, ৯৮ আর ২০০৯ এ বেতনক্রমে বদল ঘটে। মানে প্রায় ৩০ বছরে চারবার। শিক্ষকদের স্কেল বিসিএস অফিসারদের মতো আদৌ ছিল না। ৯০ সালে নতুন স্কেলে চাকরি করা স্নাতকোত্তর শিক্ষকের বেতনক্রম ছিল ১৭৮০-৩৭৮০/-, কেবল প্রধান শিক্ষক, অধ্যাপক এবং বিসিএস অফিসারের বেতনক্রম ছিল ২২০০-৪০০০/-।
  • অপ্রয়োজনীয় | ২৪ আগস্ট ২০১৯ ০০:০৩416794
  • কর্মী ছাঁটাই করা যাবেনা, বা করলে বিশাল ঐক্যবদ্ধ প্রতিবাদ হবে - এটা যে নিরাপত্তার প্রতিশ্রুতি বহন করে, তার আশ্বাসেই - দিনের পর দিন কাজ না করে, বা বহুল তোয়াজ তোষামোদ সাপেক্ষে সামান্যতম কাজ করে মাইনে নিয়ে চলা এক বিপুল জনগোষ্ঠীর জন্ম দেওয়া হয়েছে, যারা মূলত ইউনিয়নের পান্ডাগিরি বা নেকনজরের সুবাদে প্রোডাকটিভিটি গুষ্টির তুষ্টি করে ছেড়েছে। বহু কোম্পানীর লে অফ চোখে দেখে বা খুব কাছ থেকে শুনে যা বুঝেছি, তারা কেউই কাজের লোকেদের, সিনসিয়ার লোকেদের কখনই তাড়ায় না। কোম্পানীর সুখের সময়ে, বড় প্রোজেক্ট পেলে বুকিংয়ের ঘন্টা পূরণ করতে যে বাড়তি শ্রমমেদ আসল কাজের লোকেদের আশেপাশে জমতে শুরু করে; পায়ের উপর পা তুলে চা খেয়ে গল্প করে, ইন্টারনেটে ঘন্টার পর ঘন্টা কাটিয়ে দিনের শেষে দুকলি কাজ করে বা না করে যারা পকেট ভরে মাইনে নিতে গৌরব বোধ করে; তারা সম্ভবত ভুলে যায় এ সমস্তই কোনো না কোনো ভাবে ম্যানেজমেন্টের নজরে রয়েছে, লিস্ট ও তৈরিই রয়েছে। কোম্পানীর সুখের সময় শেষ হলে সবার আগে এদেরই সরিয়ে দেওয়া হবে।

    কর্মী ছাঁটাইয়ের প্রতি সমব্যথা বহন করার সময়, ইউনিয়নের নানা গুরুত্ব আলোচনার পাশাপাশি মুদ্রার এ দিকটির কথাও মাথায় রাখলে ভালো হয়। অন্তত বাংলা কাগজের অফিসের লোকেদের যা সমস্ত নমুনা দেখেছি, মিডিয়ার লোকেদের, আইটির লোকেদের মধ্যেও যে সমস্ত নমুনা দেখেছি, সংস্থার লোকসান সম্ভাবনা দেখা গেলে তাদের কোন যুক্তিতে মাইনে দিয়ে পোষা হবে ভাবলে সত্যিই কোনো উত্তর পাই না।
  • Atoz | ২৪ আগস্ট ২০১৯ ০০:০৩416795
  • ব্রতীন, আমাদের প্রাইমারিতে টিফিন দিত, বাদাম মুড়ি, মাখনচিনিপাঁউরুটি, সয়াবীন নাগেট আর আলু দিয়ে তরকারির সঙ্গে পাউরুটি, ঘী-ভাত-অলুসেদ্ধ এইসব।
    ক্লাস ফাইভ থেকে অন্য স্কুল, নো টিফিন। বাড়ি থেকে রুটি তরকারি, চাউমিন, আলুভাজারুটি, ডিমভাজা, আপেলকলার টুকরো আর আঙুর ইত্যাদি ছোট্টো টিফিনবাক্সে করে নিয়ে যেতে হত। ঃ-)
  • Atoz | ২৩ আগস্ট ২০১৯ ২৩:৫৭416793
  • বাংলাভাষার লেখক কবি সাংবাদিক ---কারুরই কি কোনো পেশাগত নিরাপত্তা আছে? বাংলায় ফুলটাইম লেখক হয়ে জীবন চালাবে, এরকম আজও কি সম্ভব? এই সেদিন একজন বাংলালেখকের কথা শুনলাম, তার বই নাকি ২৪ টি ভাষায় অনুবাদ হয়েছে, বিদেশ থেকে স্বীকৃতি পেয়েছেন, অথচ ভদ্রলোক স্কুলে মিড ডে মিল রান্নার চাকরি করেন, অসুস্থতার কারণে সে কাজ চালাতে না পারায় উইদাউট পে হয়ে পড়ে আছেন। অন্য কাজের জন্য আবেদন করেছেন। এই বিবৃতি পড়ে প্রথমেই যে প্রশ্নটা উঠেছিল মনে, ওই মানের একজন লেখক, তিনি রয়ালটি থেকেই তো জীবন চালাবার মতন অর্থ পাবেন, মানে পাবার কথা! সেই নিয়ে কেউ একটি প্রশ্নও তুললেন না দেখলাম। অর্থাৎ ধরেই নেওয়া হয়েছে বাংলা লেখকেরা ফ্রী সার্ভিস দেবেন।
  • | ২৩ আগস্ট ২০১৯ ২৩:৫৪416792
  • আরে আটোজ আমি ও তো মোটামুটি তোমার সময়ের। শতাব্দী প্রাচীন এক সরকারী স্কুলে কঠিন এনট্রানস টেস্টে উত্তীর্ণ হয়ে সুযোগ পাওয়া। ক্লাস থ্রি তে ফিজ ছিল তিন টাকা। কিন্তু রোজ টিফিন দিতো।বিস্কুট চপ লাড্ডু জিলিপি এমন কি তরমুজের সিজনে তরমুজ।ক্লাস সেভেন এ ফিজ বেড়ে হয় ৬ টাকা।
  • | ২৩ আগস্ট ২০১৯ ২৩:৪৮416791
  • বাহ আরেক জন সমব্যথী পাওয়া গেল বড় এস।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত