এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Atoz | ২২ আগস্ট ২০১৯ ০১:১৩416640
  • তবে এক কবি চেষ্টা করেছিলেন। কবি প্রেমেন্দ্র মিত্র লিখেছিলেন "সাগর থেকে ফেরা"। খুবই ভালো ভালো সব কবিতা আছে।
  • Atoz | ২২ আগস্ট ২০১৯ ০১:১১416639
  • সব সমুদ্রই এক। এক মহাজলধির অংশ। এর গপ্প করার সাধ্য মানুষের নেই। ঃ-)
  • অর্জুন | ২২ আগস্ট ২০১৯ ০০:৫৪416638
  • সমুদ্রের গপ্প করুন তাও আবার যে সে সমুদ্র নয়!
  • Atoz | ২২ আগস্ট ২০১৯ ০০:৪৮416637
  • "সাগরসঙ্গমে সাঁতার কেটেছি কত কখনও তো হই নাই ক্লান্ত" এরকম একটা গানও ছিল। লতার না, অন্য গায়কের।
  • Ishan | ২২ আগস্ট ২০১৯ ০০:৪২416636
  • লতা বাংলায় অনেক বোম্বের গান গেছেন তো। লিরিকটাই যা ভুল করে বাংলা হয়ে গিয়েছিল।
  • অর্জুন | ২২ আগস্ট ২০১৯ ০০:৩৯416635
  • লতাজির বাংলা গান আর কে মনে রেখেছে? তা কত ঝিনুক কুড়লেন ? কাঁকড়া খেয়েছেন? সমুদ্রে সাতার দিলেন ?
  • Atoz | ২২ আগস্ট ২০১৯ ০০:৩১416634
  • লতাজীকে মনে পড়ছিল। "ঝিলিক ঝিলিক ঝিনুক খুঁজে পেলাম/ তোমায় তা আ আ দিলাম/ তুমি বললে মুক্তো কোথায় মুক্তো আমার চাই " এমন একটা গান ছিল না? ঃ-)
  • Atoz | ২২ আগস্ট ২০১৯ ০০:২৯416633
  • প্রশান্ত প্রশান্ত আর অশান্ত অতলান্ত ঃ-)
  • অর্জুন | ২২ আগস্ট ২০১৯ ০০:২৫416632
  • আরে! আসুন, আসুন। বসুন। তার আগে অতলান্তিকের জল ছিটোন। ঃ-) ঃ-)
  • অর্জুন | ২২ আগস্ট ২০১৯ ০০:১৪416631
  • একটা ভারত বিখ্যাত ট্রেন ছিল কুর্লা টি এক্সপ্রেস। একবারই চাপার দুর্ভাগ্য হয়েছিল। ২০০১ র মে মাসে। ট্রেন টা নরমালি ২০-২৪ ঘণ্টা লেটে চলত। সেবার লেট করেছিল ৪৭ ঘণ্টা। রুড়কেল্লার কাছে এসে আমার চেন কেটে সুটকেস চুরি হয়েছিল। সেখানে ছিল আমার সব মার্কশিট, সার্টিফিকেট, বাবার জার্মান ক্যামেরা, নূতন কেনা কোলাপুরি চপ্পল, মুম্বাইয়ের ফ্যাশন ষ্ট্রীট থেকে কেনা কিছু নতুন জামা কাপড় এবং ফোর্ট এরিয়া থেকে কেনা দুটি বই।
  • অর্জুন | ২২ আগস্ট ২০১৯ ০০:০৯416630
  • এখানে ইণ্ডিয়ান রেলওয়েজ নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। ১৯৯৮- ২০০৩ ওই হাওড়া-পুনে, হাওড়া- মম্বাই এবং ভাইসি ভার্সা করেছি কয়েক ডজন বার। আজাদ হিন্দ তখন হপ্তায় একদিন ছিল, বচজর ঘুরেতেই মমতা দিদি করে দিয়েছিলেন হপ্তায় তিন দিন। কিন্তু আমাদের ফাইনাল একজামের পরে আর এক রাত দেরি করব না বলে যেদিন একজাম শেষ সেদিনই কলকাতার উদ্দেশ্যে দৌড়। রাত ভর পুনে- মুম্বাই, তারপর ভোর ছ টায় গীতাঞ্জলি। আজাদ হিন্দ দারুণ ট্রেন ছিল। প ব, বিহার (এক বছরের মধ্যে সে অংশ ঝাড়খণ্ড), মধ্যপ্রদেশ (এক বছরের মধ্যে সে অংশ চত্তিশ গড়) এবং মহারাষ্ট্র পেরোত ট্রেন। এ সব কটা রাজ্যের ছাত্র, ছাত্রী প্লাস নর্থ ইস্টের ছাত্র ছাত্রীতে ভরা ট্রেনটা ৩৬ ঘণ্টায় পেশোয়দের রাজধানীতে পৌঁছে দিত। তখন থ্রি টায়ার স্লিপার ক্লাসও কি পরিষ্কার এবং একটুও ঠাসাঠাসি মনে হত না। দুই গন্তব্যেই পৌঁছত ভোর চারটেতে।

    অর্থাৎ গুরুর অনেকে আমার সহযাত্রী হয়েছেন ঐ সময়ে।
  • Atoz | ২১ আগস্ট ২০১৯ ২৩:৩৭416629
  • "আবার সে এসেছে ফিরিয়া। " ঃ-)
    আপনারা কেমন আছেন? সব কুশল তো?
  • | ২১ আগস্ট ২০১৯ ২২:০৮416628
  • সেসবও দেখেছি তবে তখন উদ্যানাভা তুফান এক্সপ্রেস বা কালকা মেলে চেপে বেড়াতে যেতাম কিনা, তাই গায়ে লাগত না।

    যাক এই চিদাম্বরম জনিত হুপলাজ এন্ড হল্লাজ দেখে মনে হচ্ছে আমাদের পিএফের ইন্টারেস্ট মেরে দেবার ধান্ধা চাপা দেবার জন্য এতকিছু।
  • PT | ২১ আগস্ট ২০১৯ ২০:৫১416627
  • না, না। আমি আরো আগের লোক। বৃদ্ধা মা, গ্যাঁদা বাচ্চা, বৌ ও প্রয়োজনীয় লট-বহর নিয়ে পুনে থেকে কল্যাণ স্টেশনে আসতাম। সেখান থেকে গীতাঞ্জলী বা বোম্বে মেল। তখন কোথায় আজাদ হিন্দ? আর তখন এসি বলে কোন বস্তু ছিলনা। এমনকি ফাস্টো কেলাসের টিকিট পেলেও গরমকালে মুর্গী ভাজা হয়ে কলকাতায় ঢুকতাম।
    সেসব দিন আপনেরা দেখেননিকো।
  • | ২১ আগস্ট ২০১৯ ২০:৩২416626
  • ইসে ট্রেনের ব্যপারে পিটি খুব একটা ভুল বা বাড়িয়ে বলেন নি। ১৯৮৩ থেকে ২০০২ পর্যন্ত ডেলি প্যাসেঞ্জারি ও এখনো বাড়ি যেতে বা বাড়ি যাবার পর এদিক ওদিক যেতে যতটা সম্ভব ট্রেনই ব্যবহার করি। কাজেই একেবারে হাড়ে হাড়ে জানি।

    কিন্তু বাবাগো পিটি আজাদ হিন্দ এক্সপ্রেসে যাতায়াত করতেন। ওঁওঁকস! টাইম টেবিল অনুযায়ী ৩৬ ঘন্টা। দুরন্ত হয়ে সেটা সামান্যই কমেছে ২৭ ঘন্টা ছিল যখন ননস্টপ ছিল। এখন মাঝে গাদা লোক তোলে বলে প্রায়ই ঘন্টা তিরিশেক লাগায়।

    তো এটা ট্রেনে বসে থাকতে হলে আদৌ উন্নতি বলে চোখে পড়ে না। নেটে বসে অবশ্য আলাদা কথা...
  • sm | ২১ আগস্ট ২০১৯ ২০:১০416625
  • পিটি,রেগুলার ভিজিটর।
  • Chitragupta | ২১ আগস্ট ২০১৯ ২০:০১416624
  • হাওড়া স্টেশন কি রৌরব না কুম্ভীপাক? ওখানে আজকাল কড়াইয়ে ফেলে ভাজা হচ্ছে না হেঁটে কাঁটা উপরে কাঁটা দিয়ে পুঁতে রাখা হচ্ছে? তিন দশক ধরে কোন জীবন্ত প্যাসেঞ্জারকে ওখানে ঢুকতে বা বেরোতে দেখা গেছে?
  • nick | ২১ আগস্ট ২০১৯ ১৬:৩০416623
  • কেন্দ্রে "বন্ধু সরকার" যে একটা ঢপেরই কনসেপ্ট সে কথা নতুন করে না বললেও চলে - কিন্তু কথা হচ্ছে কেন্দ্র রাজ্য সর্বত্র একই সরকার থাকলে বিরোধিতাটা করবে কে? গণতন্ত্রে বাস করছি অথচ মমতা মোদী সব্বাই চাইছেন বিরোধিশুন্য বিধানসভা, লোকসভা - এ এক অদ্ভুত বদামো। তাদের আচরণ তবু জাস্টিফাই করা যায় - কিন্তু আমরা, যারা দলে দলে ভোট দিয়ে তারা যা চাইছেন, সেটাই তাদের হাতে তুলে দিচ্ছি, আমরা কী আদৌ গণতন্ত্র ডিজার্ভ করি?
  • Rouhin Banerjee | ২১ আগস্ট ২০১৯ ১৪:৪২416622
  • কেন্দ্রে "বন্ধু সরকার" যে একটা ঢপেরই কনসেপ্ট সে কথা নতুন করে না বললেও চলে - কিন্তু কথা হচ্ছে কেন্দ্র রাজ্য সর্বত্র একই সরকার থাকলে বিরোধিতাটা করবে কে? গণতন্ত্রে বাস করছি অথচ মমতা মোদী সব্বাই চাইছেন বিরোধিশুন্য বিধানসভা, লোকসভা - এ এক অদ্ভুত বদামো। তাদের আচরণ তবু জাস্টিফাই করা যায় - কিন্তু আমরা, যারা দলে দলে ভোট দিয়ে তারা যা চাইছেন, সেটাই তাদের হাতে তুলে দিচ্ছি, আমরা কী আদৌ গণতন্ত্র ডিজার্ভ করি?
  • PT | ২১ আগস্ট ২০১৯ ১৩:২৪416621
  • আমি যে বিষয়গুলো কাউন্টার করছি তার সঙ্গে আমার ধর্মীয় বা রাজনৈতিক বিশ্বাসের কোন যোগাযোগ নেই। সেগুলো নিম্নরূপঃ
    ১) ঢপের দাবী ২) রাজ্যের উন্নতির জন্য রাজ্যে ও কেন্দ্রে সমমনস্ক দল প্রয়োজন। শুধু রেল দিয়ে এই তত্ত্বদুটো খারিজ করে দেওয়া যায়।

    গণিখান ও মব্য রেলের উন্নতির জন্য কিছু করেনননি। তাঁরা যা করেছেন সেটা নিজেদের ভোটার সামলানোর জন্য। গোটা পব ধরে রেলের সর্বাঙ্গীন উন্নতি বলতে যা বোঝায় সেটা মোট্টে হয়নি। আর পব বাদ দিয়ে গোটা দেশের দিকে তাকালে সংখ্যাটা এইরকমঃ "in the 69 years since the country’s Independence, successive governments managed to lay only around 10,000 km of new tracks"..... বিশেষ কিছুই হয়নি তাই মব্যাকে নিয়ে নাচানাচি করার কোন কারণ নেই।

    ১২০ কিমি দূরত্ব পেরোতে প্যাসেঞ্জার ট্রেনের ৩ থেকে ৪ ঘন্টা লেগে যাচ্ছে যখন ভারত চন্দ্রযান পাঠাচ্ছে। গতকাল যে ট্রেনের 2:45 সময়ে আসার কথা সেটাতে 3:45 সময়ে হাওড়ায় ঢুকেছি। এটা রুটিন ঘটনা। আর যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্য cattle class-এর কথা মনে করায়।

    খ-এর তালিকাতে উল্লসিত হওয়ার মত কিছু পাওয়া গেল না। খ খুব একটা ট্রেনে চড়ে বলে মনে হয়না। ২০০০ সালে টিকিয়াপাড়ায় দাঁড়িয়ে ছেলেদের শেখাতামঃ "টিকিয়াপাড়া/একটু দাঁড়া/কিসের তাড়া......" ইত্যাদি। সেটা আর কিছুদিন বাদে নাতিদের শেখাব।

    এমনকি হাওড়া স্টেশন যেটা দিয়ে মানুষ শহরে ঢোকে সেটা পুতিগন্ধময় নরককুন্ড গত ৩ দশক ধরে। আমি ১৯৯১ থেকে ২০০০ পর্যন্ত পুণা হাওড়া করেছি। আর ২০০১ থেকে হাওড়ার প্রায় নিয়মিত যাত্রী। তাই এই কথাগুলো খুব দায়িত্ব নিয়ে বলছি।

    ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানোর জন্য রাজ্য থেকে রেলমন্ত্রীর দরকার হয়না। আন্ততঃ আগে হতনা। তাহলে কলকাতায় আগে মেট্রো না বানিয়ে দিল্লীতে বানানো হত।
  • | ২১ আগস্ট ২০১৯ ১৩:০৩416620
  • দ্যাখ ভাই, অসম্ভব কম লোকের চাকরি আছে, এই পরিস্থিতিতে বেরোজগারী বড় সমস্যা, সেখানে একটু আধটু লোক ঢোকানো স্থানীয় লেভেলে সামান্য উপকার করেছে বড় জাতীয় লেভেলে কিসু করে নি, মাল দা সিট বাঁধা এই পজ্জন্তই ঠিক আছে। আই হ্যাভ আ সফ্ট কর্নার ফর গণি। আমার অনেক বন্ধু মালদা মুর্শিদাবাদ এর ওঁকে ভগবান মানে, ফেইল্ড স্টেটে এরকম রবিন হুড থাকে, কিসু করার নেই। ঐ জন্যেই প্রসেস টাকে অ্যাটাক করতে বলছি। প্রভিন্সিয়াল অ্যারিথ্মেটিকে জাতীয় সংস্থায় চাকরি হওয়া টা ঠিক না, বিশেষ করে রেলে, যখন একটা যেখানে খুশি পোস্টিং হয়ে, একটা একটু লপ সাইডেড সর্বভারতীয় বৈচিত্রের মধ্যে ঐক্য কমিউনিটির একটা প্রতিফলন ইত্যাদি দেখা গেছে, এই ধর গোপাল পুর বেড়াম পুরে শুধু আদিবাসী ক্রীষ্টান লোক রেলে কাজ করেছে শুধু তাই না, রিপন স্ট্রীটের অয়ংলো এন্যিন ড্রাইভার, মুসলমান লেজেন্ড ফোর ম্যান খরগপুর নাগপুর বেগু সরাই ওয়ার্ধা সর্বত্র কাজ করেছে, অতিরিক্ত প্রভিনশিয়ালাইজেশন করেছেন গণি, কিন্তু সেটা আমার মতে ইন্দিরার আমলের ওভার সেন্ট্রালাইজেশন এবং যুব দের সরকার পন্থী করে তোলার নীতির রিফ্লেকশন বা ফল আউট। মানুষের অবস্থা টা বুঝে অ্যানালিসিস করাই ভালো, আমাদের দেশে মানুষের হাতে টাকা কম বস।

  • | ২১ আগস্ট ২০১৯ ১২:২৫416619
  • এবং রেল মিনিস্ট্রি আগে লোকে চাইতো ছেলে ঢোকানোর জায় গা হিসেবে, একেবারে তাপস পাল সিদ্ধ পদ্ধতি তে না হলেও ৭০ ৮০ র দশকে এটাই ম্যাস রিক্রুটমেন্ট। সেখান থেকে ডিবেট টাকে রেল এর ইন্ক্রিসিং প্রাইভেটাইজেশন এর জন্য, এবং পিপিপি মডেল এগ্জ্যাকট কস্ট বেনেফিট অ্যানালিসিস না করেই, বিজেপি কে প্যাঁক ও দিতে পারো। বুলেট ট্রেন নিয়ে আবাজ দিতে পারো, কিন্তু এই এক্সপেরিয়েন্স ট্রেডিং এ লাভ কি।

  • dc | ২১ আগস্ট ২০১৯ ১২:২৪416618
  • "এবং নিজের লোক ঢুকিয়েছেন, জমিদার মানুষ ছিলেন, প্র্যাকটিকালি জাকে খুশি ঢুকিয়ে দিয়েছেন, কংগ্রেসী ঐতিহ্য অনুযায়ী বিশেষ কে কি দ্যাখেন নি।"

    তাহলে কি গণিখানকেও জাতির পিতা মানা হবে?
  • অর্জুন | ২১ আগস্ট ২০১৯ ১২:২১416617
  • না, সামনা, সামনি দেখেছি শুধু কয়েকবার যেমন আপনারা সবাই দেখেছেন।
  • dc | ২১ আগস্ট ২০১৯ ১২:২০416616
  • মানে অর্জুন সত্যি সত্যি জ্যোতিবাবুর কোলে বসেছিলেন? আপনাকে জানাই সংগ্রামী অভিনন্দন।
  • | ২১ আগস্ট ২০১৯ ১২:১৪416615


  • পিটি মাইরি এরকম কোরো না, এস এম দা রাগী দক্ষিনপন্থী হতে পারেন, তুমি তো বৈজ্ঞানিক, এবং শুধু তাই না, বড় মাপের বৈজ্ঞানিক। ফ্যাক্ট চেকিং টা স্ট্রেটেন করো মাইরি।

    গণিখান র ডেটা হল, বাজেট প্রোপোজাল গুলো ফলো করো, ট্রেন এনেছেন, মালদা কে ডিভিসন হিসেবে ডিক্লেয়ার করেছেন। এবং নিজের লোক ঢুকিয়েছেন, জমিদার মানুষ ছিলেন, প্র্যাকটিকালি জাকে খুশি ঢুকিয়ে দিয়েছেন, কংগ্রেসী ঐতিহ্য অনুযায়ী বিশেষ কে কি দ্যাখেন নি।

    মমতা র ট্রেন আনার ডেটা র সোর্স বাজেট প্রোপোজাল দেখে বলো। কিছু এসেছে। দুরন্ত ইত্যাদি সর্ব ভারতীয় স্তরে চালু হয়েছে। কারখানা গুলো, কল্যানী টা ঢপ গেছে, ব্রেথোয়েট/জেসপ রিজেনারেশন টা হয় নি, ডানকুনি স্ট্রেন্থেনিং হয়েছে চিত্তরন্জন এর উইকেনিঙ্গ এর বিনিময়ে। এটা বেসিক গণশক্তি সোর্স। সাবর্বান রেল এ দীঘা, নন্দী গ্রাম, সিঙ্গুর ইত্যাদি করতে গিয়ে ক্যাপাসিটি, সেফটি বেশি কিসু হয় নি। বিদ্বজন দের কমিটি টা প্যাঁক দিতে পারো, পাফর্মিং আর্টিস্ট দের প্রতি সমবেদনা সহ, তাঁদের ইনশিয়োরান্স নাই কিসু নাই, তাঁদের একটু দাক্ষিন্য লাগে, এটায় সমবেদনা রাখো। মমতা র আমলে ক্ষিতি বাবুর অর্গানাইজেশন ফাকা হয়েছে রিফিউজি কলোনি আর কালী ঘাটের ছেলে রেলে কিছু ঢোকায়, যারা ধোকেনি তারা প্রোমোটার হয়েছে। এটা ফ্যাক্ট

    এবারে যেটা তে তীব্র আপত্তি করো, আমি তো টোটাল সমর্থন করবো, এই রাজ্য ভিত্তিক যে যখন পারবে, যেখানে পারবে ট্রেন বাড়িয়ে দেবে, এই প্রভিন্শিয়ালিজম টা কেই নীতি করে ফেলা টা ইন্দিরা জি শুরু করেছিলেন, এই করে তিনি রাজ্য কংগ্রেস গুলো খুশি রাখতেন, আর তাদের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ত্বে জায়্গা দিতেন না। সালেম স্টীল প্লান্ট থেকে এই কেস শুরু। সন্তোশ মোহন দেব, প্রিয় রন্জন গনি খান এই পলিসির অংশীদার এবং সমালোচনা যোগ্য। যাকে খুশি ঢোকানো মিনিমাম পলিসি না রাখা, স্কিল্ড পার্সোনেল আর নন স্কিল্ড পার্সোনেল এর মধ্যে পার্থক্য না রাখা, এঞ্জেনীয়ারিং কে ইন্সেন্টিভাইজ না করা, এগুলো কে সমালোচনা করো একশো বার করবে। শূন্য পদ কে সমালোচনা করো। সেদিন্র পুঁচকে পীযুষ গোয়াল ও ঢপ দিল।

    এবার সাবারবান রেল এর ইনভেস্টমেন্ট ওভারল যা হওয়া উচিত কম, কিন্তু সার্কুলার রেল আর মেট্রো ধরলে, তার ওভার অল অ্যালোকেশন কম না, সুতোরাং তুমি সমালোচনা করো, আর্বান রিনিউয়াল মিশনে মেট্রো এলে, সাবার্বান রেল আসবে না কেন, নিত্য যাত্রী অ্যাসোসিয়েশন গুলো যে পার্লামেন্টে ডেপুটেশন দিতে পারতো তার অবস্থা কি, এটা নিয়ে প্রশ্ন করো। বাসু দেব আচারিয়া তো এটাকে ইনস্টিটিউশনালিজ করেছিলেন, এটা তুমি যোগাড় করো অ্যাচিভমেন্টের খবর।

    সাবার্বান রেলে ইনভেস্টমেন্ট বিলো পার, এবং সাবার্ব বা স্মল টাউন বড় টাউনের বাজেট পায় না এটাকে নিয়ে গ্রিভান্স থাকতেই পারে। তার মধ্যে সাবার্বান ট্রাভেল দুঃসহ হতে পারে, কোচ কোয়ালিটি, টেক আপগ্রেডেশন হওয়া সত্ত্বেও, তার কনজিউমার ফোরাম ডেটা দাও বা ইন্ডাস্ট্রি ডেটা দাও। মাস ট্রানজিট কে যদি রিজিওনাল ডিসক্রিমিনেশন, বম্বে, দেল্হি, চেন্নাই এর ডেটা নিয়ে দেখতে পাও, সেটা কোশ্চেন করো।

    এক্ষেত্রে, অনেক ক্ষেত্রের মতই, তুমি এস এম দা দুজনেই ঠিক কিন্তু, কেন রাগা রাগি করছো, কি লাভ। এস এম দা তো সিপিএম হবে না। তোমার ঠাকুর করুন বিজেপি টি এম সি হবার চান্স নাই ;-)

    এস এম দা যদি বিজেপি হয় প্যাঁক দাও, কিন্তু ফ্যাক্ট শুধু এক্সপেরিয়েন্স ভিত্তিক হয় না, এটা বোঝো।

    এখন যদি দেখা যায়, গণিখান আ ব্রা, তাহলে আলাদা কথা, তার পরে তো দায়িত্ত্ব নেবার লোক আছে ;-)
  • PT | ২১ আগস্ট ২০১৯ ১১:৫৩416614
  • "রেল থেকে কোন চাকরি পায় নি বলছেন"
    পেয়েছে তো! তাঁর পেটোয়া লোকজন। তখন নাকি সিগারেটের খাপে লিখে চাকরী দেওয়ার নির্দেশ পাঠানো হত।

    তবে অন্যকে ঢপশ্রী উপাধি দেওয়ার আগে ইতিহাস পড়ুনঃ
    An East-West railway connection for the city was proposed in 1921......
    ......Dr. Bidhan Chandra Roy, reconceived the idea of building an Underground Railway for Kolkata in the early 1950s. A survey was done by a team of French experts ....... the Metropolitan Transport Project (Railways) (MTP) was set up in 1969........Dum Dum and Tollygunge .....work on this project was sanctioned on 1 June 1972. The foundation stone of the project was laid by Indira Gandhi, the Prime Minister of India, on 29 December 1972 and the construction work started in 1973-74.
    ৭০-৭১-এ রেলমন্ত্রী ছিলেন গুলজারিলাল নন্দা। গণি খান রেলমন্ত্রী ছিলেন ১৯৮২-১৯৮৪ পর্যন্ত। অর্থাত কিনা এ রাজ্যের রেলমন্ত্রী হওয়ার সঙ্গে রেলের প্রাপ্তির বিশেষ যোগাযোগ নেই।

    ও যদি ভুলে গিয়ে থাকেন মেট্রোর পুরু কাজটাই হয়েছে রাজ্য ও কেন্দ্রের সমন্বয়ে যখন বামেরা ক্ষমতায় ছিল। কাজেই কেন্দ্রে-রাজ্যে একই দল বা সমর্থক দল থাকলে ছিঁটেফোঁটা পাওয়া যায় এই তত্বটাই ঢপের।

    আরো মনে করিয়ে দিই। টালি থেকে গড়িয়া মেট্রোর তুমুল বিরোধিতা করেছিলেন তিনোনেত্রী। তারপরে রাজ্যের ক্ষমতায় এসে ঐ লাইনের উদ্বোধনের পুরো কৃতিত্বই দাবী করেন তিনি।

    এত জানার পরে ঢপশ্রী কাকে দেবেন ঠিক করুন।
  • অর্জুন | ২১ আগস্ট ২০১৯ ১১:৩২416613
  • @অরণ্য বললেন 'জ্যোতি বাবু-র রেফারেন্স ঈশেন দিতে পারে, কোলে বসেছিল এক কালে'

    এখনি সবাই আওয়াজ দেবে কিন্তু না বলে পারলুম না, জ্যোতি বসু আমাদের পরিবারের কুটুম, যদিও আমরা শ্রেণী শত্রু।
  • sm | ২১ আগস্ট ২০১৯ ১১:২১416612
  • তাহলে গনি খানের আমলে রেল থেকে কোন চাকরি পায় নি বলছেন?এমনি এমনি লোকজন গনি খানের নাম করে?
    মেট্রো রেল, গনি খান না থাকলে হতো?
    বর্তমানে যে পাঁচটা মেট্রো প্রজেক্ট এর কাজ চলছে,তাতে মমতার কোন অবদান নেই বলছেন?
    মমতার জন্য পব তে কোন নতুন রেলপথ হয়নি বলছেন?
    ঢপ শ্রী বলে একটা নতুন উপাধি চালু হয়েছে।ভেবে দেখুন,এপ্লাই করবেন কি না।
  • PT | ২১ আগস্ট ২০১৯ ১১:১০416611
  • @খ (20 Aug 2019 -- 12:41 PM প্রসঙ্গে)

    "তখন কংগ্রেস কি করছিল এসব বলে লাভ নাই, মানে অ্যানালিটিকালি কিসু গেন নাই।"
    সে বোধহয় পাণিপথের যুদ্ধ থেকে বাবরি ধ্বংস কোন কিছুতেই নাই। যদিনা এন্যালিসিস মানতে চাই।

    তবে বলি কি, নানা রকমের "পথের দাবী" নিয়ে আলোচনাতে আপত্তি নাই কিন্তু নানাবিধ "ঢপের দাবী" নিয়ে প্রবল আপত্তি আছে।

    শুধু এই বাক্যটি দেখুনঃ
    "তিনো সমর্থিত কোন সরকার হলে,কেন্দ্রের সঙ্গে দর কষা কষি করে কিছু আদায় করা যেতো।"
    তিনো সমর্থিত UPA ছিল, তিনো সমর্থিত NDA-এও ছিল। তাতে এপর্যন্ত কতগুলো কাঁচকলা আদায় হয়েছে? মনে আছে বেঙ্গল প্যাকেজ নিয়ে চিল চিৎকার? এসেছে সেই প্যাকেজের ছিঁটেফোঁটাও?

    আমি হাওড়া স্টেশন নামক নরককুন্ড দিয়ে মাসে অন্ততঃ চার বার যাতায়াত করি। এরাজ্য থেকে কতগুলো রেলমন্ত্রী হয়েছে? আর এরাজ্যের তিনোরা সরকারে থাকাকালিন তিনোরাই রেলমন্ত্রী ছিল। কেন্দ্র রাজ্য সমন্বয়ে হাওড়া স্টেশন চত্বরের উন্নতি করার স্বর্ণযুগ এসেছিল। কিস্যু হয়নি। ১৫ নম্বর প্ল্যাটফর্ম থেকে ১০ কিলোর একটা ব্যাগ হাতে হাওড়া বাস স্ট্যান্ড পর্যন্ত কেউ একবার হেঁটে দেখতে পারেন যে হাওড়া স্টেশন এখনো মধ্যযুগে পড়ে আছে। এই কিস্যু না হওয়ার আরেকটি প্রকৃষ্ট উদাহরণ গণি খান চৌধুরীর রেলমন্ত্রীত্ব।

    অর্থাৎ কোন "সমর্থিত" সরকারের কাজ থেকে কিছু আদায় কারার তত্ব একটি "ঢপের দাবী"। তার প্রতিবাদ করার জন্যেই তক্কে জড়ানো।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত