এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • অর্জুন | ১০ আগস্ট ২০১৯ ২১:৪৫415230
  • কাল জানিয়েছিলাম মহাভারত নিয়ে সংস্কৃত কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে। খুব মনোজ্ঞ অধিবেশন। অরিন্দম চক্রবর্তী is a known scholar এবং বললেনও চমৎকার। কানাদ সিংহ'র লেকচারও খুব ভাল ছিল, বিষয় 'War, Non- Violence and Non- Cruelty: Violence in the Mahabharata'। মিলিটেন্ট ন্যাশনলিজম কি ভাবে একটা গোটা জাতিকে গ্রাস করে বর্তমান রাজনৈতিক পরিপ্রেক্ষিতে আলোচনা করলেন।

    আগামীকাল সকাল ১১ থেকে ৪.৩০ অবধি আছে। সময় থাকলে চলে যেতে পারেন।

    ভেনিউ ইউনিভার্সিটি ইন্সটিটিউট হল, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়
  • | ১০ আগস্ট ২০১৯ ২০:২৮415229
  • অমিত বাবু ওটা ব হবে না বি হবে। আমি কারোর সাতেও নেই পাঁচেও নেই।
  • | ১০ আগস্ট ২০১৯ ২০:২৬415228
  • "ওই নীল পাখি টাকে পাখি টাকে ধরে দাও না

    ( কেন কী হবে গো?
    পুষবো দাও না)

    কী চাপ জীবনে!!
  • Atoz | ১০ আগস্ট ২০১৯ ১৬:৫৬415227
  • রোজাভার কথা কে যেন লিখতেন? "ওই নীল পাখিটাকে পাখিটাকে পাখিটাকে ধরে দাও না" র ভদ্রলোক? ঃ-)
  • বেঙ্গলী | ১০ আগস্ট ২০১৯ ১৬:৩২415226
  • চারদিকে রাইট উইংয়ের রমরমার মাঝে সেই রোজাভা বিপ্লবের এখন কী খবর কেউ জানেন?
  • Atoz | ১০ আগস্ট ২০১৯ ১৫:৪৯415225
  • দুনিয়াজুড়ে সবাই মহা সাংঘাতিক। ওরই মধ্যে একটু গুছিয়ে গাছিয়ে আছে কোনো কোনো গোষ্ঠী/দেশ, বাকীরা ছড়িয়ে লাট। কিন্তু কী করা যাবে? যেখানে যেমন সেখানে তেমন, যখন যেমন তখন তেমন।
    ক্রমে ক্রমে উন্নত হয়ে হয়ে হয়তো একদিন খুবই আদর্শ একটা দুনিয়া হবে, অতি চমৎকার খাসা দুনিয়া। কিন্তু সে ভবিষ্যতের ব্যাপার, আমরা দেখতে পাবো না হয়তো।
  • Atoz | ১০ আগস্ট ২০১৯ ১৫:৪২415224
  • হ্যাঁ বি, শ্রীক্ষেত্র পুরী। জগন্নাথধাম। তবে কিনা সবই তো জগন্নাথের। সে বৃন্দাবনই হোক আর পুরীই হোক। ঃ-) কোথায় রাধাকৃষ্ণের লীলা নেই বলুন?
  • Amit | ১০ আগস্ট ২০১৯ ১৫:২৮415223
  • ব,

    কোনটা যে আদতে কারণ আর কোনটা যে তার ফল, কে আগে শুরু করেছে আর কে পরে, কে জানে। আর জানার চেষ্টা করে লাভ ও নেই।

    তবে মিডল ইস্ট এ তো শুধু ইন্ডিয়া থেকেই মুসলিম রা যান না, নেপাল, শ্রী লংকা, পাকিস্তান, বাংলাদেশ সব দেশ থেকেই যান। তাই ইন্ডিয়ার চাপ টাই কারণ বলাটা একটু ওভার সিমপ্লিফিকেশন।

    :) যাক গে, যেতে দ্যান।
  • b | ১০ আগস্ট ২০১৯ ১৫:২০415222
  • " কিন্তু এটাই আমার ওখানে দেখা যে ইন্ডিয়া থেকেই যে মুসলিম রা ওখানে যান, তারা হটাৎ ওখানে পৌঁছে সংখ্যালঘু থেকে সংখ্যা গুরু হয়ে গিয়ে অনেক সময় আনন্দে দিশাহারা হয়ে পড়েন।"
    এখানে চাপ কম থাকলে ওখানেও চাপ কম হত। কিন্তু আইডিয়াল সিটুয়েশন কোথায় বা হয়? আপনি যেমন বললেন।
  • | ১০ আগস্ট ২০১৯ ১৫:১৮415221
  • কবিগুরু বলে গেছেন

    " বিশ্বজোড়া ফাঁদ পেতেছো কেমনে দি ই
    ফাঁকি?"
  • Amit | ১০ আগস্ট ২০১৯ ১৫:০৭415220
  • অর্জুনের Date:09 Aug 2019 -- 02:02 পাম পোস্টার প্রেক্ষিতে ভাবলাম আমার দু পয়সা ও দিয়ে যাই। টাইম পাস করা হোক একটু ছুটির দিনে। :) :)

    অর্জুন,

    আপনার এই লেখাটা আর আরো দু একটা কমেন্ট পড়ে মনে হলো আপনি দুবাই বা মিডল ইস্ট এ উজ্জ্বল আলোর দিক টা যত টা দেখার সুযোগ পেয়েছেন, অন্ধকার দিকটা দেখার সে রকম সুযোগ পান নি। অবশই আপনার দোষ না। তবে দু দিক দেখা থাকলে ভিউ পয়েন্ট টা আরো ব্যালান্স হয় আমার মনে হয়, জাস্ট ব্যক্তিগত ধারণা। আমি কিন্তু আপনার ইসলাম ভালো লাগা নিয়ে কিছু এক্কেবারে কিছু বলছি না, যার যেকোনো ধর্ম ভালো লাগা এবং সেটাকে ফলো করা একদম নিজের নিজের ব্যাপার। অন্যকে আঘাত না করে যে যা ইচ্ছে ধর্ম, নিজের মতো পালন করুক বা অন্য দিকে আমার মতো বিধর্মী বা অবিস্বাসী রাও অন্যকে না জ্বালিয়ে থাকার অধিকার পাক, সেটাই তো সব থেকে কাম্য। তাই না ? মানে হওয়া উচিত মনে হয়। :) :)

    মিডল ইস্ট এ যে ভাবে বাইরের দেশের গরিব লেবর দের এক্সপ্লট করা হয়, দুনিয়ার আর কোথাও এক্সপেট লেবার দের এই ভাবে এক্সপ্লইট করা হয় বলে অন্তত জানা নেই। এটা নিজের তিনটে মিডল ইস্ট এর দেশে কাজের এবং থাকার অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, কাতার এ বেশি, বাকি দুটো একটু কম। হ্যা, ইন্ডিয়াতে ও নিজের দেশে, নিজের লোক কেই বিশ্রী ভাবে এক্সপ্লইট করে, চীন বা আফ্রিকা তেও অনেক কিছু করে হয়তো, কিন্তু মিডল ইস্ট এর ওই ঝকমকে গ্লিটার এর পেছনে যে কত টা অন্ধকার জমে আছে, না নিজে না জানলে আন্দাজ করা মুশকিল। সব মিডিয়াই তো হ্যাভিলি সেন্সরড।

    তেল কোম্পানি র প্রজেক্ট এ থাকার সুবাদে একটা ওয়াইড স্পেকট্রাম এর লোকেদের সাথে মেলামেশার সুযোগ হয়ে গেসলো ওখানে, তার মধ্যে লোকাল কাতারি বা অন্যান্য এরাবিক যেমন আছে, ইউরোপিয়ান ও আছে উঁচু পসিশন এ, আর এদিকে মিডল লেভেল এ ইন্ডিয়ান ইঞ্জিনিয়ার বা নিচের লেভেল এ কন্ট্রাক্ট লেবার ও ছিল। দুর্ভাগ্যবশত বেশির ভাগ কন্ট্রাক্ট লেবার রাই আসে ইন্ডিয়া বা পাকিস্তান বা বাংলাদেশ এর মতো গরিব দেশ গুলো থেকে। এই গরিব লোক গুলোকে বহু জব এজেন্সী অনেক স্বপ্ন দেখিয়ে নিয়ে আসে, আসার জন্যে এদের থেকে এক- দেড় লক্ষ টাকা ঘুষ নেয়। অনেকে জমি বাড়ি বন্ধক রেখে বা বেঁচে সেই টাকা জোগাড় করে এই আশায় যে একবার মিডল ইস্ট এ এসে পয়সা কমিয়ে নিজের ফ্যামিলি কে একটু ভালো রাখবে। আসার আগে অবধি এদের ধারণাও থাকে না কি ফাঁদে পড়তে চলেছে।

    ইন্ডাস্ট্রিয়াল এরিয়া তে লেবার ক্যাম্প গুলো অলমোস্ট নাত্সি দের কন্সেন্ট্রেশন ক্যাম্প, ৪০-৫০ জন লোক একটা লম্বা ঘরে ২-৩ লেভেল এ ব্যাঙ্কের বেড এ থাকে, ওই ধুধু গরমে সেই ঘরে হয়তো এক খানা মাত্র এইরকোন, তও চলে কি না ঠিক নেই। গরম কালে হিট স্ট্রোক এ প্রতিদিন লোক মারা যায় ওখানে, ওয়ান সময় লেবার ক্যাম্প এই। কিচ্ছু আসে না খবরে।, ১-২ টা বাথরুম সবার জন্যে। খাবার বলতে শুধু ডাল আর রুটি মাসের পর মাস। লোক জন কে একটা কাজের জন্য ভিসা দিয়ে নিয়ে আসে, আসার পড়ে পুরো অন্য কাজে লাগানো হয়, ওয়েল্ডার এর ভিসা নিয়ে এসে কুলির কাজ করানো খুব কমন। কারোর কিচ্ছু বলার নেই। আমার চেনা একটি গুজরাটি ছেলে সেফটি অফিসার হিসেবে এসে ক্যাম্প এ রাঁধুনি র কাজ করতে বাধ্য হতো, কোনো সময় আড়ালে দেখা হলে হাত ধরে বলতো কোনো ভাবে ওকে যদি ওখানে থেকে বের করে আনতে পারি। ওদেরকে বলে আনে বছরে একবার ছুটি তে আসতে ভাড়া দেবে, তারপর আসলে দু বা তিন বছরে একবার ভাড়া দিতো, তাও এক পিঠের। ফেরত আসতে চাইলে নিজে টিকেট কাটো।

    আর মাইনে ? দেশ থেকে চুক্তি করে আনে হয়তো ১৫-২০-২৫ হাজার টাকা প্রতি মাসে, আসার পর হাতে ধরিয়ে দেয় ৫-৬ হাজার টাকা। কন্ট্রাক্ট কোম্পানি র লোক আসার পরেই পাসপোর্ট কেড়ে নেয় এদের থেকে, কেও থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা নিয়ে কমপ্লেন করলে বেদম মার্, অথবা জালি কেস এ ফাঁসিয়ে জেল, আর কপাল ভালো থাকলে সোজা ফেরত পাঠিয়ে দেয় প্লেন এ তুলে। ওখানে কেও লেবর রাইটস, হিউমান ট্রিটমেন্ট নিয়ে কথা বলতে গেলে সোজা বৃন্দাবন দেখিয়ে দেবে। ওখানে এই সমস্ত কোম্পানি গুলোর আসল মালিক রাজা গজার কোনো দূর সম্পর্কের ভাগ্নে ভাইপো। পুলিশ কুটো টিও নাড়বে ওদের বিরুদ্ধে, বরং কেও নালিশ করলে তাকে আস্তে করে সরিয়ে ফেলবে। মিডল ইস্ট এর জেলে যে কত ইন্ডিয়ান এভাবে বিনা দোষে আটকে আছে, কোনো হিসেব নেই।

    তাও লোকে আসে, পড়ে থাকে ওখানে এতো কষ্ট করেও, কারণ বলেছিলো কয়েক জন, দেশের জমি বাড়ি বন্ধক রেখে এসেছে, কোন মুখে ফিরবে। মহাজন সব কেড়ে নেবে, তার থেকে ওখানে হেকে যাহোক করে কোটা টাকা বাড়িতে পাঠালে বৌ বাচ্চা কিছু খেতে পাবে। চোখের জল ধরে রাখা মুশকিল এসব শুনলে। আর এতো শুনেছি এসব, মনে হয়নি কেও মিথ্যে বলছে, ওদের চোখের জল গুলো জেনুইন ছিল। বেশ সিনেমাটিকে লাগছে কি ? বিশ্বাস করুন, বানিয়ে বলছি না।

    অজস্র ইন্ডাস্ট্রিয়াল এক্সিডেন্ট হয়, কোনো রেকর্ড এ আসে না। আমার নিজের দেখা একটা কেস:একটা গ্যাস প্লান্ট এ বড়ো ট্যাংক রিপেয়ার এর সময় একজন ওপর থেকে পড়ে মারা যায়। সে কেরালার লোক ছিল। প্লান্ট এর এজিপ্টিয়ান সেফটি অফিসারকে বাঁচানোর জন্যে সেই ডেড বডি তে সেফটি বেল্ট পড়িয়ে তারপর পাথরে ঠুকে ঠুকে সেই বেল্ট ছেড়া হয় পুলিশ কে দেখাতে যে ওটা আসলে বেল্ট ছিড়ে গেছিলো, কারোর কোনো দোষ নেই। কিন্তু আসলে তাকে বেল্ট ছাড়াই ট্যাংকের ওপরে তোলা হয়েছিল। ওটাও ওই সময় একটু হাই প্রোফাইল লোকজনের ভিসিট চলার সময় ঘটাতে পুলিশ কেস হয়ে যায়, নাহলে কেও জানতেও পারতো না। ব্যাড লাক।

    ইন্দোনেশিয়া বা ফিলিপিন্স বা ইভেন ইন্ডিয়া থেকে বহু মহিলাকে আরবি রা নিয়ে আসে হাউস মেইড হিসেবে, তাদেরকে মারাট্টিক রকমের এক্সপ্লট করা হয়। লেখা যাবে না। ফিলিপিন্স এম্ব্যাস্সি তাও একটু চেষ্টা করতো তাদের সিটিজেন দের প্রটেক্ট করতে বা লিগাল সাপোর্ট দিতে। ইন্দোনেশিয়া র অবস্থা ইন্ডিয়ার মতোই গরিব। সুতরাং। ।।। কোনো ঘটনা বাজে দিকে মোড়ে নিলে সোজা তাদেরকে ফেরার প্লেন এ তুলে দেওয়া হতো, ব্যাস।

    বাহরিন হলো গিয়ে এরাবিক দের ব্যাংকক, অগাধ ফুর্তির জায়গা। প্রতি বিষ্যুৎবার সন্ধেবেলা বাহরিন এর রাস্তা গুলো ট্রাফিক ব্লক হয়ে যেত। আর সেই লোক গুলোই রবিবার অফিসে এ ফিরে ইসলামিক নীতি কথার জ্ঞান শোনাতো, যে ইসলামে নারী পুরুষ সবার চরিত্র কি কঠোর ভাবে শুদ্ধ রাখা হয়। এই ওয়েস্টার্ন কালচার গুলো এসে কিভাবে সেই সনাতন কালচার কে বিগড়ে দিচ্ছে। :) :) ইন্ডিয়াতে গোড়া চাড্ডি বা ছাগু দের সাথে কিছু মিল পাচ্ছেন ? আমি কিন্তু পাচ্ছি। সব গোড়া দের কাছেই ধর্মের শুদ্ধতা শুধু নিজের ঘরের মেয়েদের বোরখা বা ঘোমটা তে। অন্য কেও নয়, দেয় র এক্সপেন্ডেবলস।

    ওখানে বড়ো কোম্পানি গুলোতে করাপ্সন কি লেভেল এ হয়, সেটা দেখলে হা হয়ে যাবেন যে কেও। সব কোম্পানি র ডিরেক্টর থেকে শুরু করে সবই রাজার ট্রাইবের লোক, যত অর্ডার দেওয়া হবে, সেটা আগে থেকেই ঠিক করা। সেগুলোকে টেকনিক্যালি চ্যালেঞ্জ করা মানে কেও রাজার এগেইনস্ট এ যাচ্ছে। খুব শান্ত ভাবে তাকে ডেকে প্রথমে বোঝানো হয়, না বুঝলে অন্য রাস্তা তো আছেই। তবে ওখানে সবাই শক্তের ভক্ত, নরমের যম। আমেরিকান দের টিকি ও ছোয়ার সাধ্য নেই ওদের। এই যে গোটা মিডল ইস্ট এ পর্ক পাওয়া যায়না, কাতারে মার্কিন বেস থেকে আমার এক আমেরিকান বন্ধু রোজ অফিস এ বেকন, হ্যাম এর সাপ্লাই নিয়ে আসতো, আমাদের ও খাওয়াতো। কাতারি গুলো আড়ালে ওকে গালাগাল দিতো, কিন্তু সামনে একেবারে চিনি আর মধু মেশানো। :) :)

    পরিশেষে, ধর্ম নিয়ে আমার নিজের কোনো গোড়ামি নেই। ইন ফ্যাক্ট আমি নিজে এথেয়িস্ট, ভগবান টান বিশ্বাস ই করি না। আমি কাওকে জ্বালাতেও যাইনা, আমাকে নিজের মতো থাকতে দিলেই আমার কোনো অভিযোগ নেই। কিন্তু ওখানে নিজেকে নাস্তিক বলা একটা অপরাধ এবং ব্ল্যাসফেমি আইন লাগানো যেতে পারে। তাই মুখ বন্ধই রাখতাম।

    কিন্তু ওখানে ইসলামের যে উগ্র ভাব টা দেখা, সেটা দেখে আর যাই হোক কোনো ভাবেই কোনো রকম আকর্ষণ ফীল করি নি। পলিটিক্যালি ইনকোররেক্ট হয়ে যাবে বলাটা, কিন্তু এটাই আমার ওখানে দেখা যে ইন্ডিয়া থেকেই যে মুসলিম রা ওখানে যান, তারা হটাৎ ওখানে পৌঁছে সংখ্যালঘু থেকে সংখ্যা গুরু হয়ে গিয়ে অনেক সময় আনন্দে দিশাহারা হয়ে পড়েন। এরাবিক দের সাথে সোশ্যাল কন্টাক্ট কম ই হয়, কিন্তু সাধারণ ইন্ডিয়া বা পাকিস্তান থেকে যাওয়া লোকজন যেভাবে হটাৎ তাদের আপন ধর্ম রক্ষাতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন এবং সেটা বাকি দের ওপর দেখাতে থাকেন, সেটা আমাদের প্রায় তিতিবিরক্ত করে তুলেছিল।

    এটা ২০০৬-০৭ এর কথা, আমার বড়ো মেয়ে তখন ৪ বছর। খুব সকালে, ০৫:৩০ তে স্কুল বাস আসতো। সেবার বোধয় অক্ট কি Nov এ রামাদান পড়েছে। খুব ঠান্ডা তখন। দিনের বেলা সব কিছু খাবার দোকান বন্ধ থাকে, খোলা থাকলে পুলিশ এসে রুলের গুতো দেয়। আমরা মেনে নি চুপ চাপ। পেটের দায় বড়ো দায়। ঠিক আছে। আমাদের নিয়ে কিছু বলার নেই, কিন্তু ওতো সকালে ঠান্ডা তে ছোট বাচ্চা কি আর খেয়ে যাবে, কোনো মতে সে ঘুম থেকে উঠে ব্যাগ নিয়ে ঢুলতে ঢুলতে বাস স্ট্যান্ড এ এসেছে। ওকে একটা পাউরিটি টোস্ট করে দেয়াও হয়েছিল। বাস আস্তে আস্তে খাওয়ার জন্যে। তো বাস এসে গেছে, তার হাতে তখনো টোস্ট টা শেষ হয়নি। তো বাস এর ড্রাইভার এবং হেল্পার রা, তারা সবাই ইন্ডিয়ান মুসলিম, তারা সেই সাত সকালে আমাদের ওপর এমন চিৎকার করে লোক জোর করতে লাগলেন যে আমরা রামাদানের সময় বাচ্চাদের রাস্তায় দাঁড়িয়ে খাওয়া শেখাচ্ছি, আমরা বিধর্মীরা ইসলামের পিউরিটি কি বুঝবো, যত ফালতু বিধর্মী লোকজন এসে তাদের পবিত্র রামাদান কে অপবিত্র করে দিচ্ছে যে আমরা বেশ ভয় পেয়ে গেলাম। ইন ফ্যাক্ট বেশ শকিং যে এতো ছোট একটা ঘটনা নিয়ে এতটা ওভার রিএক্ট করতে পারে কেও। তখন ভাগ্য বসত আরো কয়েকজন ওখানে ছিলেন, ওনারা মিটমাট করিয়ে দিলেন। পড়ে আমরা স্কুল এ কম্পেন করতে যাই এটা নিয়ে, প্রিন্সিপাল ব্রিটিশ ছিলেন, উনি নিজেই বললেন যে কমপ্লেন করে কোনো লাভ নেই, বরং উল্টে আমাদের নামেই কেস হয়ে যেতে পারে।

    প্রায় এক ঘটনা। একটা উঁচু এপার্টমেন্ট এ বন্ধুর সাথে দেখা করতে গেছি শুক্কুরবার সকালে। গল্প করতে করতে বারোটা বেজে গেছে। বেরোতে গিয়ে দেখি গেট বন্ধ, ওয়াচম্যান গেট বন্ধ করে নামাজ পড়তে গেছেন। প্রায় এক ঘন্টা পরে ফিরলেন, তাকে রেগে গিয়ে আমরা বলেছি যে এভাবে গেট বন্ধ করে যদি চলে যাওয়া হয়, কারোর কোনো ইমার্জেন্সি হলে কি হবে? এক ই ঘটনাক্রম, হৈচৈ করে লোক জড়ো করা, সেখানেও আশে পাশে কয়েক জন এর এসে মিট মাটি করা। কয়েক জন সেনসিবল লোক ভাগ্যবশত পেয়ে গেছি প্রতিবারেই, তবে সবার সেই সৌভাগ্য হয়নি, এবং দু ঘা পড়েছে তাদের ওপর, সেটাও আমার চেনা শোনার মধ্যেই। পুলিশ এ কমপ্লেন ও করা হয়েছে, রেজাল্ট ? ওই উন্নাও এর ঘটনার পরে যেমন উপি তে পুলিশ কাজ করেছে, সেরকম ই।

    আরো বেশ কিছু ঘটনা আছে, কিন্তু এক জিনিস লিখে লেখা বাড়িয়ে লাভ নেই। আবার একটা পলিটিক্যালি ইনকোররেক্ট কথা গোদা ভাবে বলি এখানে যে, মিডল ইস্ট এ ইসলাম পন্থী রা যদি অন্য ধর্মকে একটু ভালো ভাবে ট্রিট করতে পারতেন, আজকে ওয়ার্ল্ডওয়াইড ইসলাম নিয়ে এরকম একটা জেনারেল নেগেটিভ ফিলিং হয়তো এভাবে আসতো না। আজকে লেবানন, সিরিয়া তে এতো রেফিউজি প্রব্লেম হয়েছে, একটা মিডল ইস্ট এর তেলওয়ালা বড়োলোক দেশগুলো একজন রেফিউজি কেও আশ্রয় দিয়েছে ? সৌদি তো ছোটোলোকপনার চূড়ান্ত। নিজেরা এতো ইনফ্রাস্ট্রাকচার থাকা সত্ত্বেও একজন কেও ঢুকতে দেয়নি, কিন্তু বলেছিলো জার্মানি তে মুসলিম রেফিউজি দের জন্যে ১০,০০০ মসজিদ বানিয়ে দেবে। এটা যদি চ্যাচড়ামির চরম নিদর্শন না হয়, তাহলে আর কি হতে পারে জানা নেই।

    দুর্ভাগ্যক্রমে এর পেছনে ইন্ডিয়ার বা পাকিস্তানের গরিব আম মুসলিম দের কোনো দোষ নেই, কিন্তু যা হয় আর কি, কে জল ঘোলা করে আর কে শাস্তি পায়।

    আসলে দুনিয়াটা আমরা একটা ইডিএল স্টেট হিসেবে কল্পনা করে নি আর ভাবি সব দেশ ওই মডেল এ ফিট করুক। বাস্তবে এটাই হয় যে যেখানে যাদের মেজরিটি, তারাই বাকিদের গলা টিপে মারার চেষ্টা করে। বরং ইন্ডিয়াতে আমরা আওয়াজ ওঠাতে পারি, ওসব দেশে আওয়াজ ওঠানো আর হাড়িকাঠে যাওয়া একই।

    যাক গে, ঢের হয়েছে। প্রচুর ফালতু টাইম ছিল আজকে হাতে। অনেক ভাট লেখা হলো। তবে যেসব লিখেছি, সব নিজের চোখে দেখা। কিন্তু কেও প্রমান চাইলে দিতে পারবো না, ডকুমেন্টারী তো আর বানাতে বসিনি যে স্পাই ক্যামেরা নিয়ে ঘুরবো সারা জীবন। সুতরাং বিশ্বাস করা না করা যার যার নিজের ব্যাপার। না করলেও কিছু আসে যায় না সত্যি বলতে। আমার প্রচুর বন্ধু এখনো আছে ওই দেশ গুলোতে, আমার নিজের পাকিস্তানী বন্ধু ও আছে অনেক এবং তাদের সাথে এখনো রেগুলার যোগাযোগ আছে। সুতরাং আমি আর যাই হোক, আন্টি মুসলিম ভাবি না নিজেকে। আমার আপত্তি যেকোনো ধর্মের গোড়া দের নিয়ে আর তাদের নোংরামি নিয়ে।
  • b | ১০ আগস্ট ২০১৯ ১৫:০২415219
  • অতোজঃ শ্রীক্ষেত্র হল পুরী। বৃন্দাবন হল শ্রীধাম।
  • | ১০ আগস্ট ২০১৯ ১৪:১০415218
  • ঢ়া বলেছেন মহায়!!
  • Atoz | ১০ আগস্ট ২০১৯ ১৩:৫৮415217
  • দুনিয়া জুড়ে বৃন্দাবনলীলা। একেবারে শ্রীক্ষেত্র যাকে বলে। ঃ-)
  • Atoz | ১০ আগস্ট ২০১৯ ১৩:৫৭415216
  • মেয়েগুলো রাধা আর ছেলেগুলো কৃষ্ণ। ঃ-)
  • | ১০ আগস্ট ২০১৯ ১৩:৫০415215
  • ছেলে গুলো ওইরকম ই। ইমোশ্যনাল ফুল। মন প্রাণ দিয়ে ভালোবাসে।
    কিন্তু মেয়েরা??
  • Atoz | ১০ আগস্ট ২০১৯ ১২:২৪415214
  • ডিসি, সেই তামিল ছেলেটি যে গিটার বাজাতো আর গান গাইত, মুম্বাইয়ের এক মেয়ের প্রেমে পড়ে কাঁদছিল, সে এখন কী করছে? ওদের কি বিয়ে হয়ে গেল?
  • Moon | ১০ আগস্ট ২০১৯ ১২:২৩415213
  • The moon is burning in the sky
    And I am burning with love
    The fire that is consumed
    Like my heart

    My soul crys
    Painfully

    I'm not at peace
    What a terrible night

    The time passes
    But there is no dawn
    There is no sunshine
    If she doesn't return

    My earth is burning
    And my heart is burning
    What she thirsts for water
    I thirst for love

    Who will I sing
    My song to

    If there is no one
    Who shows herself
    On the balcony

    The moon is burning in the sky
    And I am burning with love
    The fire that is consumed
    Like my heart
  • | ১০ আগস্ট ২০১৯ ০৯:০১415212
  • পিএম @৩ঃ৫৪, তুমি আর বলো না। তুমি হলে গিয়ে টাকার কুমীর। গরীব কে দু এক কোটি দান করলে পারো তো?
  • | ১০ আগস্ট ২০১৯ ০৬:৪৬415211
  • হুতো এইটা দারুন দিলে
  • | ১০ আগস্ট ২০১৯ ০৬:৪৫415209
  • বি
  • | ১০ আগস্ট ২০১৯ ০৬:৪৫415210
  • সুপ্রভাত গুরু
  • b | ১০ আগস্ট ২০১৯ ০৬:৩৯415208
  • যদ্দুর জানি, একটি কলেজ হোস্টেলে দুই ছানা ঘরে গাঁজাগাছ লাগিয়েছিলো। ওয়ার্ডেন চেপে ধরলে মুচলেখা দিয়েছিলো, আমরা বায়োটেকের ছাত্র, তাই এক্সপেরিমেন্ট করছি, হস্টেলের মধ্যে গাঁজাগাছ আর তার বাইরে গাঁজাগাছ এগুলোর গ্রোথ ইত্যাদি কেমন হয়।
  • Du | ১০ আগস্ট ২০১৯ ০৩:২৪415207
  • কুসংস্কার কেন?
  • একক | ১০ আগস্ট ২০১৯ ০২:১৪415206
  • ইন্ডিয়া এবার গাঁজাটা লিগ্যাল করলেই পারে। বিশাল ব্যবসা এবং সত্যি শ্রমনিবিড়। আর কতকাল কুসসংস্কারে ডুবে থাকবে কে জানে।
  • Ishan | ১০ আগস্ট ২০১৯ ০১:২৭415205
  • এঁরা বাংলা বলতে পারেননা?
  • অর্জুন | ১০ আগস্ট ২০১৯ ০১:০৮415203
  • কাল কলেজ স্কোয়ারে ইউনিভার্সিটি ইন্সটিটিউট হলে মহাভারতের ওপর একটা সেমিনার আছে, আয়োজনে সংস্কৃত কলেজ ও ইউনিভার্সিটি।

    প্রথম বক্তা অধ্যাপক অরিন্দম চক্রবর্তী, বিষয় 'Song of God and Song of Desire: Two Gitas of the Mahabharata'
    সময়ঃ সকাল ১১টা-

    দ্বিতীয় বক্তা অধ্যাপক কে কে শর্মা, বিষয় Samkhya and Yoga darsana in the Mahabharata
    সময়ঃ দুপুর ১২.০০ -
  • অর্জুন | ১০ আগস্ট ২০১৯ ০১:০৮415204
  • কাল কলেজ স্কোয়ারে ইউনিভার্সিটি ইন্সটিটিউট হলে মহাভারতের ওপর একটা সেমিনার আছে, আয়োজনে সংস্কৃত কলেজ ও ইউনিভার্সিটি।

    প্রথম বক্তা অধ্যাপক অরিন্দম চক্রবর্তী, বিষয় 'Song of God and Song of Desire: Two Gitas of the Mahabharata'
    সময়ঃ সকাল ১১টা-

    দ্বিতীয় বক্তা অধ্যাপক কে কে শর্মা, বিষয় Samkhya and Yoga darsana in the Mahabharata
    সময়ঃ দুপুর ১২.০০ -
  • pi | ১০ আগস্ট ২০১৯ ০০:৩০415202
  • প্রণয় রায়কে নাকি মুম্বই বিমানবন্দরে আটকেছে!
  • r2h | ০৯ আগস্ট ২০১৯ ২৩:৫০415201
  • দমদি :D কি অপচয়!

    আমাদের বাড়িতে একজন দুধ দিতে আসতেন, সারাক্ষণ মোটামুটি তর হয়েই থাকতেন; বাবার সঙ্গে দেখা হলেই অনুযোগ করতেন বাড়ির সামনে এতবড় জায়গা অপচয় কেন করা হচ্ছে, উর্বর মাটি, কটা গাঁজার গাছ লাগালে তরতর করে বেড়ে উঠবে।

    শেষে বিরক্ত হয়ে তাঁকে ছাড়িয়ে দিয়ে ডেয়ারীর দুধে শিফ্ট করা হলো।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত