এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • অর্জুন | ০৩ আগস্ট ২০১৯ ০২:৩৫414540
  • হমম, ইংরেজি আর বাংলাটা লিখতেন ভাল এই যা।
  • ন্যাড়া | ০৩ আগস্ট ২০১৯ ০১:৩৭414539
  • নীরদ চৌধুরী স্বয়ং একজন অপশ্রেষ্ঠ বাঙালি। হামবাগ ও প্রিটেন্ডার।
  • অর্জুন | ০৩ আগস্ট ২০১৯ ০১:৩০414538
  • নীরদ চৌধুরীর শ্রেষ্ঠ বাঙালীদের নিয়ে একটা তালিকা ছিল, ভুলে গেছি কারা।
  • ন্যাড়া | ০৩ আগস্ট ২০১৯ ০১:২১414537
  • বিদ্যাসাগর শ্রেষ্ঠ বাঙালি। তবে নির্মোহ ব পড়ব বলে মুখিয়ে আছি।

    এই নির্মোহ ব-গুলো যাদের নিয়ে লেখা তাদের সম্বন্ধে কোন কাজের কাজ করে না - ভাল, মন্দ কিসুই। কিন্তু যারা লেখে তাদের সম্বন্ধে একটা পরিস্কার ধারণা হয়।
  • অর্জুন | ০৩ আগস্ট ২০১৯ ০১:১৫414536
  • ও, তাহলে প্রমাণ হয়ে গেল, সতীদাহ ছিল না আর বাংলায় মহিলারা গত ৫০০ বছর ধরে নিয়মিত স্কুলে যেতেন। রামমোহন আর বিদ্যাসাগর কিছুই করেননি। দুজনেই ইংরেজদের তোষামুদে ছিলেন, ইংরেজত্রাও হিন্দুস্থানী ইতিহাস রচনার সময় ওদের নাম দুটো দিয়ে দিয়েছে ! আচ্ছা!
  • এলেবেলে | ০৩ আগস্ট ২০১৯ ০১:০১414535
  • বেশ তো, আপনিই নামিয়ে ফেলুন না অরবিন্দের গোপন রহস্যটি। বিদ্যাসাগর নিয়ে সামনের বছর আদিখ্যেতার ঢল নামবে। সেখানে নির্মোহ চর্চারও দরকার আছে বইকি। এই তো আজকেই সৈকত-সোমনাথের সতীদাহ নিয়ে চমৎকার দুটো লেখা পড়লাম।
  • অর্জুন | ০৩ আগস্ট ২০১৯ ০০:৩২414534
  • @এলেবেলে, অরবিন্দ বাই নয়। অরবিন্দকে নিয়ে কটা সমালোচনা বেরিয়েছে? একমাত্র 'মুক্তমনা' র প্রবীর ঘোষ তার 'অলৌকিক নয় লৌকিক' বইটিতে আলোচনা করেছেন। রামমোহন, বিদ্যাসাগরের পিছনে আপনারা এমন পড়েছেন, আফটর অল তারা এত কিছুও খারাপ কাজ করেননি। তুলনামূলক অন্যান্যরা অনেক বেশী ভণ্ড। অরবিন্দ ঘোষ একজন আকাট ভণ্ড, নির্লজ্জ এবং স্বার্থপর। তার পুরো জীবনটাই বুজরুকি। বড়লোক ডাক্তারের ছেলে হয়ে বাল্যকালে বিলেতে গিয়ে ক্যামব্রিজে ক্লাসিস্কস পড়ে, ইংরেজি ও ফরাসী ভাষা ভাল রপ্ত করে কিছুকাল অনেককে মোহাবিস্ট করে রেখেছিলেন। ভারতে ঐ দুটো ভাষা ভাল জানলে সকলের মন জয় করা যায়। যাইহোক তারপর কিছুকাল রাজনীতি টাজনীতি করে টরে, ছেলে ছোকরাদের দিয়ে বোমা ফাটিয়ে, যেই দেখলে ধরা পড়েছে আর নিস্তার নেই তেমনি জেলে 'বাসুদেব; দর্শন পেয়ে গেলেন। সি আর দাসের ওকালতিতে আর কারো নয় একমাত্র তার মুক্তি পাওয়াটাও একটা কন্সপিরেসি লাগে আমার। ওর ম্যানচেস্টার, কেমব্রিজের সোর্স ছিল। অসহায় স্ত্রীটিকে লাথ মেরে, পুরো দলটাকে পথে বসিয়ে দিব্যি জাহাজে চেপে পণ্ডিচেরী গিয়ে ফ্রেঞ্চ সাঁতোতে চয়নসে জিন্দেগি কাটিয়ে গেলেন। কিছু বই টই লিখল যা কে বুঝেছে জানিনা। হয়ত বোঝার কিছু নেইও।

    ঐ ফরাসী মহিলাটিও রহস্যময়ী। চেহারা দেখলে তো মনে হয় উইচক্র্যাফটের ইন্টারন্যাশনল অথরিটি! রবীন্দ্রনাথ বুড়ো বয়েসে মহিলাদের সঙ্গে খুল্লে আম প্রেম করেছেন সে লেডি রানুই হোক আর ভিক্টোরিয়া ওকাম্পো। বিবেকানন্দও মহিলাদের সঙ্গে বেশ স্মার্টলি মিশেছেন। এরা দুজনে ঐ স্পিরিচ্যুয়েলিটির কম্বল না চাপিয়েও তাই করতেন!

    কাজেই তাকে জমপেশ না ঘাঁটালে হচ্ছে না এবার।

    সতীদাহ, বিধবা বিবাহ, বর্ণ পরিচয় অএঙ্ক হয়েছে!
  • saikat | ০২ আগস্ট ২০১৯ ২৩:৪৫414533
  • হুঁ, ওয়েব থেকে হচ্ছে, সময়ও বেশী লাগছে না, যদিও লেখার জায়গাটি আরোই শীর্ণকায়।
  • | ০২ আগস্ট ২০১৯ ২৩:১৭414531
  • ওটা আমারও হচ্ছে বুবুভা এবং ব্লগেও। এছাড়াও আমার বাড়ির ল্যাপী থেকে গুরু খোলেই না।

    তবে ওই পাতা রিফ্রেশের একটা WA। আছে। মোবাইল থেকেই মাথার উপর ওয়েব ভার্সানে ক্লিকাও। তারপর সেখান দিয়ে যাও সব ঠিকঠাক আসবে পোস্টও হবে। তবে ওয়েব ভার্সানটা মনে হয় ভারী খুব লোড হতে টাইম নেয়।
  • | ০২ আগস্ট ২০১৯ ২৩:১৭414532
  • ওটা আমারও হচ্ছে বুবুভা এবং ব্লগেও। এছাড়াও আমার বাড়ির ল্যাপী থেকে গুরু খোলেই না।

    তবে ওই পাতা রিফ্রেশের একটা WA। আছে। মোবাইল থেকেই মাথার উপর ওয়েব ভার্সানে ক্লিকাও। তারপর সেখান দিয়ে যাও সব ঠিকঠাক আসবে পোস্টও হবে। তবে ওয়েব ভার্সানটা মনে হয় ভারী খুব লোড হতে টাইম নেয়।
  • saikat | ০২ আগস্ট ২০১৯ ২২:৪৫414530
  • ফলে, ঈশানের লেখা আমার সুচিন্তিত মত থেকে বঞ্চিত হল।
  • saikat | ০২ আগস্ট ২০১৯ ২২:৪৩414529
  • ফোন থেকে অন্তত, বুলবুলভাজায় পোস্ট করতে পারছি না। বাংলা লিখুন লিংকে ক্লিক করলে প্রথমে বাক্সটা এসেও তারপরে পুরো পাতাটা রিফ্রেশ হয়ে যাচ্ছে।
  • Atoz | ০২ আগস্ট ২০১৯ ২২:২৮414528
  • কুমুদি, সিভি? কার সিভি? কোথায় সিভির কথা আছে? আমি তো কিছুই জানি না!
  • S | ০২ আগস্ট ২০১৯ ২২:০৭414527
  • ইঊবারের ড্রাইভারদের ডিটেলস দেওয়া হয় দুটো কারণে। একঃ যেহেতু কাস্টোমারকে এক্ষেত্রে এজেন্টের (ড্রাইভারের) কাছ থেকে সার্ভিসটি নিতে হচ্ছে এবং সেই সার্ভিস কোয়ালিটির উপরে কোম্পানির কন্ট্রোল অলমোস্ট নীল, তাই যত বেশি সম্ভব ডেটা দিয়ে দিচ্ছে কাস্টোমারকে সো দ্যাট কাস্টোমার তার প্রাপ্যটা বুঝে নেয়। আরেকটা কারণ হলো সিকিউরিটি।
  • S | ০২ আগস্ট ২০১৯ ২২:০২414526
  • কাস্টোমারদের ক্লাসিফিকেশন বহুদিনের কনসেপ্ট। আগেও মার্কেটিঙ্গের লোকজন সেলসের ডেটা থেকে হাতে অ্যানালিসিস করতো। স্প্রেড শীট আসার পরে তো সে কাজ অনেক সহজ হয়ে গেলো। কখনও কখনও ডেটা ছাড়াও করতো, এক্সপেরিয়েন্স থেকে ইত্যাদি (হামেশা ভুলও হতো)। টেকনলজি (ডেটাবেস, স্ট্যাটিস্টিকাল সফ্টওয়ার, ইকনমেট্রিক্স, এআই) এই ক্লাসিফিকেশনকে অনেক বেটার করেছে। অনেক বেশি এবং ভ্যারাইটির ডেটা স্টোর করা সম্ভব হচ্ছে। বেটার অ্যানালিসিস সম্ভব হচ্ছে। বেটার ডিসিশানও নেওয়া যাচ্ছে।

    একইভাবে টেকনলজি এবং অপ্রেসিভ রাষ্ট্রের দ্বারা তার ব্যবহারও আগে ছিল। টেকনলজি বেড়েছে বলে স্বাভাবিক ভাবেই তার মাত্রাও বেড়েছে। নকশাল পিরিয়ডে পাড়া পাড়া ধরে বামপন্থীদের মারা হতো। তখন যে টেকনলজি অ্যাভেইলেবল ছিলো, সেটাই ব্যবহার করা হতো।

    আর এই জোমাটো প্রসঙ্গে যেটা হচ্ছে সেইধরনের বাইগটরিও আগে ছিলো। বাজারের মুসলমান বিক্রেতার কাছ থেকে পুজোর ফুল কিনবোনা টাইপের জনগণ চিরকালই ছিলো।
  • ব্রতীন | ০২ আগস্ট ২০১৯ ২১:৩৬414525
  • ইয়ে মানে একটা পদ্দো লিখেছিলাম। বলবো??
  • saikat | ০২ আগস্ট ২০১৯ ২০:২১414524
  • আমার আগের একটা পোস্টে অ্যানোনিমিটি শব্দটি ব্যবহার করেছিলাম। টেকনলজি বা তাজে ব্যবহার করে গড়ে ওঠা সার্ভিস ইন্ড্রাস্টিটি, হিন্টারল্যান্ড থেকে আসা যে ছেলেটি ডেলিভারি বয় বা গাড়ীর চালক হয়ে উঠছে, তাকে অ্যানোনিমিটি থেকে মুক্তি দিচ্ছে তো বটেই। এরকম তো শোনাই যাই যে সার্ভিস ইন্ড্রাস্টির ফলে কত লোকজনের কাজের সুরাহা হচ্চে, আমি এই ব্যাপারটিকেই অ্যানোনিমিটি থেকে মুক্তি পাওয়া বলছি। অস্রো বাড়িয়ে বললে বলা যায়, প্রগতি যা মানুষকে ধর্মকেন্দ্রিক তথাকথিত স্থানুবৎ সমাজ থেকে মুক্তি দিল এবং যা নাকি গোষ্ঠী থেকে বার করে ব্যক্তিস্বাতন্ত্র দিল, সেই পুরো ব্যাপারটিকেই আমি অ্যাবোনিমিটি থেকে মুক্তি বলি। এর বর্তমান স্তর যদি হয় ঐ ছেলেটির একরকমের উন্নতি - যদিও এই ঘ্টনাটি প্রমান করে যে তার মধ্যে অ্যালিনিয়েশনও ঢুকে থাকছে - তাহলে অন্য দিকটি হল অন্য কিছু মানুষের কনজিউমার হয়ে ওঠা আর সেটাকে ব্যবহার করে আধিপত্য তৈরীর চেষ্টা।
  • saikat | ০২ আগস্ট ২০১৯ ২০:১০414523
  • একক লিখেছে যে টেকনলজি মরালি গাইড করেনা। ঠিকই, শুধু করেনা নয়, মানুষের স্বার্থা ছাড়া তার অস্তিত্বই নেই, সে তার ব্যবহারই হোল অথবা 'কাজপাগল' টেকনলজিস্টের আবিষ্কারচেতনা হোক। আমার কথা হল, মরালি গাইড করেনা কিন্তু মরালিটি তৈরী করে, সেটি ঐ টেকনলজির মধ্যেই ঘাপটি মেরে থাকে। যেমন ধরুন, রিজলে, ইংরেজ আমলে প্রথম সেন্সাসের সাথে যিনি যুক্ত ছিলেন তার একটা মন্তব্য ছিল যে রেলপথ আসার ফলে বারণসী বা মক্কা দুইই মানুষের কাছে এসে গেছে এবং একই সাথে আদিবাসী মানুষের নিজস্ব ধর্মবিশ্বাসের জায়গা নিচ্ছে শিব বা বিষ্ণু ভক্তি। রেলের সুবিধে নিয়ে যারা তীর্থে যাচ্ছে বা হাজী হচ্ছে তারা যখন ফিরে আসছে তখন সেই তীর্থ করার সুবাদেই সমাজে বেশী মান্যতা পেত নিশ্চই এবং যার ফলে তাদের মরালিটি বা চিন্তাভাবনা অথবা আধিপত্য সমাজে ছড়িয়ে পড়ত। রেলপথের অনেকানেক সুফলের মধ্যেই এই ব্যাপরটিও রয়ে যেত বলে মনে হয়।
  • CCP | ০২ আগস্ট ২০১৯ ১৮:৫৮414522
  • This time is different, partly because Beijing has learned from the Japanese case. Since the 1980s, the Japanese case has always been the subject of debate among Chinese economists, strategists, and nationalists, and the nationalists’ argument has always been the strongest: China, as a developing country, cannot afford a Japanese-style defeat at the hands of the United States, and China must resist the United States if Washington begins to show its teeth. This is precisely what Xi has done so far.

    There is another lesson from history as understood by Beijing hard-liners: the only way for a second-rate country to avoid being invaded or bullied is to strive to become the top hegemonic power. Unlike Japan, the CCP under Xi is not going to accept, indefinitely, a second-rate position. Unlike Japan, Xi wants to replace the “Western” version of globalization with his “Chinese” version, right here and now.
  • Kumu | ০২ আগস্ট ২০১৯ ১৮:৫৭414521
  • সরি
    কোথায় পাঠাতে হচ্ছে?
  • Kumu | ০২ আগস্ট ২০১৯ ১৮:৫৪414519
  • এজেড,টপ করে বলে দেবে,সিভি কথায় পাঠলতে হোচ্ছে?
  • Kumu | ০২ আগস্ট ২০১৯ ১৮:৫৪414520
  • এজেড,টপ করে বলে দেবে,সিভি কথায় পাঠলতে হোচ্ছে?
  • Ekak | ০২ আগস্ট ২০১৯ ১৮:৫১414518
  • মরালিটি নিয়ন্ত্রন করা চিরকাল ক্ষমতাবানের হাতেই ছিলো। এবঙ্গ ক্ষমতাবান অর্থে নাম্বার গেমে বিজোয়ি রা। সেই নিয়েই তো সক্রেটিসের অত কান্নাকাটি।

    এই সাধের ডিমক্রসি ও নাম্বার গেমের ট্র্যাক ছারা কিছু না। ফিউচারে, এটা বাড়বে।

    কাজেই এই জুক্তিতে টেক্নোলজিকে হাওআকল বননো জাচ্চে না
  • | ০২ আগস্ট ২০১৯ ১৮:৩৮414517
  • কোন মেশিন বানানো হবে কি কাজে লাগানোর জন্য, সেটা এখনো ক্ষমতা র অ্যাসপিরান্ট দের হাতেই আছে, এবং প্রায়োরিটাইজেশন টাও তৈরী করছে, যারা ক্ষমতার ভাগ চায়, বা অন্তত করতে দিচ্চ্ছে বা নিজেরা সুযোগ নিচ্ছে।

    তাই এককের মেশিন অটোনোমির দাবী এই কেসে দাঁড়ায় না। এর পরের ইপোকে হতে পারে।

  • Ekak | ০২ আগস্ট ২০১৯ ১৮:৩২414516
  • মেশিন যা প্রোভাইড কর্ছে তা ক্যালকুলেশনের সুক্ষতা ও গতি ছাড়া কিছু নয়। এবঙ্গ এই টেকনোলজির মজা হলো সে আপ্নাকে মরালি গাইড করছে না।

    কী ভাবে ? না, এন্ড ওফ দ্য ডে কোন ক্লাসিফায়ার গুলো কাউন্টেড হবে এন্ড কত ডীগ্রিতে সেটা কিন্তু লার্ন করাচ্ছে ইউজার। কোন মোরাল কন্ট্রোলের জায়্জায় মেশিন আর থাকছে না, টেক্নোলজি যত এগোচ্চে।

    নাও, মডর্নিজ্ম, আপ্নরা কীভাবে স্কোপ ডিফাইন কর্বেন জানি না, অমার কাছে এট এক্টা সোশিও পলিটিকাল টুল জা কিনা লীগ্যসি মোডেল কে ভেঙ্গে নতুন মডেল তৈরীর মন্যোতা দিচ্চে। এটা কর্তে গিয়ে ইন্ডিভিজুঅল থিন্কিঙ্গ কেও মান্যতা দিয়ে ফেল্ছে। অর্থাত সেই ঘুরেফিরে এবোলিশন অফ ওল্ড ক্লাসিফয়র এন্ড ইন্ক্লুশন ওফ নিউ ক্লাসিফয়র, এই টেক্নিকাল প্রসেস টার মোরাল সাপোর্ট প্রোভাইড কর্ছে।

    তো, কাল যদি এরকম হয় জে, জারা মানুষ বানান রেগুলার মানুশ লিখি তারা মানুষ হিসেবে খুবি মানুস, তবে সেটা ঐ মডর্নিজ্মের দেওআ মরাল ফাইবারের বেস এই হবে, টেক্নলজির কারনে নয়।,
  • অর্জুন | ০২ আগস্ট ২০১৯ ১৮:২৬414515
  • @দ, পূর্ববঙ্গে মেয়েদের পড়াশোনার যে চর্চা ছিল সেটা বিভিন্ন স্মৃতিকথায় পাবেন। বাল্যবিবাহ ছিল কিন্তু ১১,১২, ১৩ বছরের মেয়েরা শুধু সাক্ষর নয়, ঠিকমত পড়া, লেখা শিখেই শ্বশুরবাড়ি যেত। দুটো বইয়ের নাম বলতে পারি, রাণী চন্দের 'আমার মার বাপের বাড়ি', আর ভারতী রায়ের 'একাল সেকাল'। দ্বিতীয় বইটা খুব ইন্টারেস্টিং। প্রজন্ম নির্ধারণ করা হয় পুরুষদের দিয়ে, লেখিকা এই বইয়ে তার মায়ের দিদিমা, দিদিমা, মা, নিজের ও বোনেদের এবং তার মেয়েদের কথা দিয়ে পাঁচ প্রজন্মের মহিলা কূলের কথা জানিয়েছেন। সেখানে প্রথম তিন প্রজন্ম বরিশালে।

    আমার ঠাকুমা থাকতেন নোয়াখালী, অপেক্ষাকৃত পূর্ববঙ্গের টেরিটরির মধ্যেও অনুন্নত জেলা। ঠাকুমা ম্যাট্রিক অবধি স্কুলে যান। ম্যাট্রিক পাশ করে খুব ইন্টারমিডিয়েট পড়ার ইচ্ছে হলেও তখন নোয়াখালীতে মেয়েদের কোনো কলেজ না থাকায় আর কলেজে যাওয়া হলনা। পরে ঠাকুমা ও তার কয়েকজন বান্ধবী প্রাইভেটে পড়তে শুরু করেন ও যোগাযোগ করে পরীক্ষার ফর্মও ভরা হয়। কিন্তু পরীক্ষার দু মাস আগে বিয়ে হয়ে যাওয়ায় সে পরীক্ষা দেওয়া হয়নি। সে আপসোস এখনো আছে ওঁর। বিয়ের পরেই কলকাতায় এসে অনেক সুযোগ, সুবিধা থাকলেও একান্নবর্তী পরিবার এবং সর্বপরি আমার ঠাকুরদার দিক থেকে এ বিষয়ে বিশেষ উৎসাহ না থাকায় সে আর হয়ে ওঠেনি।
  • | ০২ আগস্ট ২০১৯ ১৮:২২414514
  • হ্যাঁ ঠিক ই, আমি যেটা বলছিলাম, যে মানুষ কে যে অর্থে ব্যক্তিগত ভাবে বেঁধে ফেলা হয়েছে, শুধু সরকার না, প্রাইভেট কোম্পানী রা যে ভাবে সারভেলেন্স করছে বা সরাসরি রিপ্রেসিভ সরকারের সঙ্গে সহযোগিতা করছে, তাতে গণতন্ত্র এখন হাস্যকর একটা জায়গায় চলে গেছে, অথচ কনজিউমার পাওয়ার বেড়েছে। এবং স্টীম এঞ্জিন থেকে এই অবস্থাটা বিভিন্ন ইপোকে এসেছে এক ইপোকে আসে নি, এটুকুই বলছি, বাকিটা সম্পূর্ণ সহমত।

  • ব্রতীন | ০২ আগস্ট ২০১৯ ১৮:২০414513
  • তবে হালাল মিট নিয়ে আমার কিছুটা এক্সপিরিয়েন্স আছে। আলিয়া তে পড়ানোর সময় আমি মাঝে মাঝে আমার ছেলে মেয়ে দের নিয়ে খেতে জেতাম।দুটো ছেলে চারটে মেয়ে। তেো একটা ছেলে আর তিনটে মেয়ে বেশ রিবারাল ছিল কেফসি র চিকেন খেতে ওদের চাপ ছিল না।কিন্তু একটা ছেলে আর একটা মেয়ে প্রচন্ড কনজারভেটিভ ছিল। কোন মুসলিম দোকান ( আমিনিয়া আর্সেলান( ওরা চিকেন খাবে না। আস ইফ মুসলমান দোকান মানেই হালাল
  • অর্জুন | ০২ আগস্ট ২০১৯ ১৮:১৪414512
  • @T প্রথমে ভেবেছিলাম বলব, আমার বাড়ির নীচ দিয়ে কোনোদিন গেলে ঐ ব্রেম্ম গ্রন্থগুলি আপনার মাথায় ফেলব, ঢব ঢব করে। কিন্তু পরে মাইন্ড চেঞ্জ করলাম। ওগুলো আপনার জন্মদিনে গিফট করব। তত্ত্বকৌমুদী, তত্ত্ববোধিনীর পুরো সেট। ওই বিষয়ে কিছু নোটস লাগলে আমার আপনাকে জানালেই আপনি কুইক রেফারেন্স হিসেবে কাজে আসবেন। ঃ-)
  • ব্রতীন | ০২ আগস্ট ২০১৯ ১৬:৫২414511
  • আমি গরু বা শুওর কোনটাই খাই না। ইউ কে তে একবার ভুল করে শুওর ভাজা খেয়েছিলাম। ওই অবধি।

    কিন্তু মুসলিম নিয়ে আমার কোন চাপ নেই। বিএসসি এমএসসি ক্লাসমেট ইকবাল অন্যতম প্রিয় বন্ধু।
    বহু বছর ধরে ঈদ এ ওদের বাড়ি যাই।ওর মা দিদি জানেন আমরা গরু খাবো না।আমাদের জন্যে চিকেন বা মাটন হতো।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত