এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • sm | ১৫ জুলাই ২০১৯ ১৮:২৫413280
  • তামিল ব্রাহ্মনরা যদি মাছ,মাংস না খায় বয়েই গেলো।ওরা ঘাস পাতা খেয়েই চালাক।
    তেলেঙ্গানার 99শতাংশ নন ভেজ।এর মধ্যে লিশ্চয় প্রচুর তেলুগু ব্রাহ্মন রয়েছে।
    অর্থাৎ বাঙালি মাছ কেন খায়, এর কৈফিয়ৎ দেবার কোন কারণ ই নেই।বরঞ্চ তামিল ব্রাহ্মন রা কেন ভেজ খায় বা নর্থ ইন্ডিয়ান লোকেরা,সে নিয়ে,ঠাট্টা করা যেতে পারে।
    রাজস্থানী হিন্দু,আমাকে মাছ খাই বলে কি ভাবলো,এতে তাদের ভালো করে উটের দুধ খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া যেতে পারে।
  • | ১৫ জুলাই ২০১৯ ১৮:১২413279
  • অসম্ভব আজে বাজে।

  • | ১৫ জুলাই ২০১৯ ১৮:০৯413278
  • সব পড়া সম্ভব না, এত কম লেখা পড়ার, গবেষণার খবর রেখে, লোকজন চাট্টি লিং দিয়ে সংসার চালাচ্ছে মাইরি এই টাই রীতি।
    সেনসাস জিনিসটা কেন হিস্টরি রাইটিং সম্পর্কে প্রশাসনিক ভ্যালুর প্রতিফলন হবে না, এটা তো বেসিক।

    লোকজনের আলোচনা তে আসলে আগ্রহই নাই, পোলিটিকাল বা মোর অফটেন ব্যক্তিগত দু পয়হা পয়েন স্কোরিং হলো কিনা তাই নিয়ে আগ্রহ।

  • | ১৫ জুলাই ২০১৯ ১৭:৫৯413277

  • ওভারল এটা ভালো লেগেছে যে পিটি সেন্সিবল ভাবে এটা ওটা পড়ে দেখেছে, এবং একটা ভালো বই তৃণমূলের ঘনিষ্ঠ ইনটেলেকচুয়াল এর বলে ফেলে দেয় নি। তবে দুই খান কথা ছিল।

    ক্লাসিক্স এ কার পড়া আছে এই ব্যাপার বা কে সংস্কৃত জানেন বা কে তৃণমূল ইত্যাদি খুব ইসু বোধ হয় না, পিটি, নৃসিংহ পড়েছো কারণ ইনি আবাপ র প্রকাশনা তে লিখেছেন।

    ক্লাসিক্স বিষয়ে অনেকে ই লিখেছেন, নানা ভাবে লিখেছেন, সংস্কৃত জেনেই লিখেছেন, ইতিহাস দর্শন সব অ্যাম্গল ই কভার্ড, তবে সকলে আবাপ র অসংখ্য পাবলিকেশনের কোনোটাতে সব সময়ে লেখেন নি।

    তবু ওভারল, মানতেই হবে, নন ফিকশনে, একদম ইমপ্রিন্ট সিরিজ করে যত্ন করে আবাপ প্রচুর বই ছেপেছেন, এবং সেগুলো প্রায় প্রতিটাই সংগ্রহের মত, কিন্তু একমাত্র সোর্স না। একই সময়ে প্রচুর নানা ধরণের দৃষ্টিভংগী থেকে নানা লেখা হয়েছে। ডিডি দা বোধয় টপ অফ দ্য হেড একশো বইয়ের নাম বলেন দেবেন। আরো বেশি বই কম হবে না।

    কিন্তু ঘটনা হল, এত বিদ্যা চর্চা করে বাঙালির কোনো লাভ হয় নি, স্ক্রিপচারের ইনটারপ্রিটেশন এর মধ্যে, বিশেষত হিস্টরিকাল ইনটারপ্রিটেশনের মধ্যে যে একটা হিস্টোরিওগ্রাফিকাল অ্যাংগল রয়ে গেছে, এবং সেটা যে ডেলিবারেটলি তৈরী করা এটা বললে আঁতেল গালাগাল শুনতে হবে, বাজার আরো খারাপ হলে আরো অ্যাগ্রেসন বাড়বে। লীলা মজুমদার, সুকুমর, পরশুরাম পড়ে হাসা কদিন বাদে মানা হয়ে যেতে পারে, বলা হবে, কেনো 'ওদের' স্ক্রিপচার নিয়ে একটু হাসুন না। বা ওদিকে কত হেসেছেন দেখে এদিকে হাসতে হবে।

    তবে যেহেতু সকলেই সব জেনে বসে আছেন, তাই কাউকেই নতুন কোন লেখা বা সোর্সের কথা বলে কোন লাভ নেই, এত অলস পাবলিক কেউ ই কিসু পড়বে না শুধুই জাজমেন্ট করবে ঃ-))))) এটুকু শুনিয়ে রাখি, কংগ্রেসী ইনটারপ্রিটেশন অফ আওয়ার এনশেন্ট হিস্টরি, যে বরাবরি ভারতে অহিংসা ই চলছে, আর যা কিছু হয়েছে অ্যাবারেশন, সে ব্যাপারে সবচেয়ে বড় সাম্প্রতিক কালের স্কলাস্টিক চ্যালেঞ্জ এসেছে, মনমোহন সিংহের মেয়ে উপিন্দার সিং এর বই থেকে। তাতে বিজেপিরা উল্লসিত হতে পারেন নি, কারণ হার্ড সোর্স মেটেরিয়াল এর উপরে কাজ। এই বই য়ের ইম্প্যাক্ট কি ভাবে বোঝাবো, সুকুমারি ভট্টাচর্য্যের বেদের যুগে ক্ষুধা সম্ভবত তুলনীয়। তবে উপিন্দর সিং পড়ার সময়ে একটা কথা বোধ হয় মনে রাখা উচিত, ভক্তি মুভমেন্ট, যেটা নিয়ে গান্ধী বেশি সোচ্চার ছিলেন, (as against Nehru, যিনি প্রশাসনের মডেল হিসেবে তুলে ধরছেন আকবর আর অশোক কে, এবং সেটা ন্যাশনালিস্ট হিস্টোরিওগ্রাফির সঙ্গে একটা কম্প্রোমাইজ হচ্ছে) সে ভক্তি আন্দোলন টা এই বইটার মূল এম্ফাসিস এর পিরিয়ড টা না, গান্ধী বুজেছিলেন যে মেডিয়েভাল রেফারেন্স এই আধুনিক ন্যাশনালিস্ট রা ঝামেলা করে ও করবে, তাই ওটাই ধরেছিলেন, এনশেন্ট নিয়ে অতটা জোর দেন নি। ইত্যাদি, এগুলো একটু ভেবে দেখলে, একটা লিং দিয়ে আলগা করে সবই 'হিন্দু ফিলোসফি' র ডেরিভেটিভ বলে মনে হওয়ার অভ্যেশ টা যে একটা পোলিটিকাল পজিশনের আর্টিকুলেশন মাত্র, এবং হিস্টরি রাইটিং এর একটা ফেজ (ঊনবিংশ এবং আর্লি টোয়েন্টিয়েথ শতকে) সেটা বোঝা যাবে, কি আর বলবো ক্লান্তো লাগে। এই ন্যাশনালিস্ট হিস্টরির আদলে লেখা হিস্টরি টেক্সট বুক পড়ে পড়েই, আর এস এস সিম্প্যাথি একবার তৈরী হলে, এবং হিস্টরি বা ক্লাসিক্স এর রিসার্চের নতুন ধরণের (মানে অন্তত পঁচাষ ষাঠ বছর পুরোনো) পদ্ধতি ও ফাইন্ডিংস সম্পর্কে ইনসুলারিটি থাকলে, খুব মুশকিল। আশাকরি অল্প ক্ষণের মধ্যেই, 'বেশি দ্যাকাছে', 'বড্ড লম্বা', 'এত সময় নেই', 'বাবা কি কঠিন', 'কেন কেন আমাদের বংকিম ই তো বলেছেন', 'এটাও কি এল আর বিতে বেরিয়েছে, বাল অ্যান্গ্লোফিলিয়া' ইত্যাদি ভাবধারার বাক্যবন্ধ বর্ষিত হবে।
  • dc | ১৫ জুলাই ২০১৯ ১৭:১৫413276
  • S ট্যাম ব্র্যামরা বোধায় কমই নন ভেজ খায়। তবে একটা গল্প বলি।

    আগে আমরা অন্য পাড়ায় থাকতাম, সেখানে আমাদের পড়শী এক ফ্যামিলি ছিল, একেবারে আমাদের বয়সী। ওদেরও একটা মেয়ে ছিলো, আমার মেয়ের সমান বয়স, কাজেই দুটো ফ্যামিলিই খুব কাছাকাছি চলে এসেছিলাম। বলতে গেলে চেন্নাইয়ের হালহকিকত ওরাই শিখিয়েছিল। আমরা ভাড়া বাড়িতে থাকতাম, তো কোথায় সস্তায় ফ্ল্যাট কেনা যায়, কোথায় ভালো পাড়া এই সব ব্যপারেই ওদের থেকে আমরা পরামর্শ নিতাম। একটাই ব্যপার, ওরা হলো ট্যাম ব্র্যাম। আমার স্ত্রী মাঝে মাঝে আমাকে বলতো দেখো আমরা রোজ মাছ মাংস খাই আর ওরা খায় না, ওরা কিছু মনে করে না তো? আমি বলতাম নাঃ মনে করলে কি আর এদ্দিনে কিছু বলতো না? তাছাড়া রোহিত (ছেলেটার নাম) এর সাথে তো আমি মাঝে মাঝে চিকেন খাওয়ার গল্পও করি, ও তো কোন অস্বস্তি দেখায় না! আমার স্ত্রীও বালতো হ্যাঁ, নর্মদাও (মেয়েটার নাম) আমাকে মাঝে মাঝে জিগ্যেস করে বটে চিকেন খাওয়ালে মেয়ের স্বাস্থ্য ভালো হবে কিনা, আমি বলি খাওয়াতে। তো একবার আমরা সবাই মিলে মহাবলিপুরমে ঘুরতে গেছি, ফিরতে ফিরতে সন্ধ্যা হয়ে গেছে। তখন ঠিক হয়েছে একবারে রাতের খাবার খেয়ে ফিরবো। তখন রোহিত বলছে, তোমরা তো নন ভেজ, তো চলো কোন নন ন্জেজ রেস্টুরেন্টেই যাই, তোমরা চিকেন খাও আর আমরা ভেজ খাবো। সেইমতো একটা রেস্টুরেন্টে এসে বসেছি, আর আমি চিকেনের স্টার্টার অর্ডার করেছি। সেটা সার্ভ করার পর আমরা তিনজন খেতে শুরু করেছি, রোহিত বলে আমি একটা ট্রাই করবো? বলে একটা পিস তুলে নিয়ে বেশ তারিয়ে তারিয়ে খেলো। তার পর বলে আমি কলেজে পড়তে লুকিয়ে লুকিয়ে কয়েকবার খেয়েছি, খুব ভাল্লাগতো। আজ প্ল্যান করেই ছিলাম তোমাদের সাথে বসে খাবো, মাবাবাকে বলো না যেন। তখন সবাই মিলে খুব হাসলাম।
  • S | ১৫ জুলাই ২০১৯ ১৬:৩৯413275
  • চেন্নাইতে ইমিগ্র্যান্টরা ছাড়াও প্রচুর মুসলিম আর ক্রিশ্চান পপুলেশন। তারাও ননভেজ কনজিউম করে।
  • S | ১৫ জুলাই ২০১৯ ১৬:৩৫413274
  • কজন তামিল ব্রাহ্মিন মাছ খান? কোলকাতায় ভেজ রেস্টুরেন্ট কাম বার আছে?
  • dc | ১৫ জুলাই ২০১৯ ১৫:৫৮413273
  • আমার বাড়ির আশেপাশেই তো বেশ কয়েকটা মাংসের দোকান আছে! সেগুলোর মধ্যে দুটো রিটেল স্টোর, মানে সব রকম কাট, সবরকম মাংস পাওয়া যায়, তাছাড়াও সালামি বেকন সসেজ ইত্যাদি নানান প্রসেস্ড মিট পাওয়া যায়। খান দুয়েক আছে মাঝারি সাইজের, আর ছোটখাটো কয়েকটা আছে। তবে চেন্নাইতে সামুদ্রিক মাছই বেশী পাওয়া যায়, আমাদের রুই কাতলা কম, আর ছোট মাছ তো খুবই কম।
  • sm | ১৫ জুলাই ২০১৯ ১৫:৩৫413271
  • ভুল ভাল, মিথ।
  • dc | ১৫ জুলাই ২০১৯ ১৫:১৪413270
  • সাউথ ইন্ডিয়ার লোকজন কিন্তু ভালোই মাছ মাংস খায়! ওরকম একটা ভেজ টাইপের পাবলিক ইমেজ আছে বটে, কিন্তু এ ব্যাটারা ননভেজে কম যায়না!
  • PT | ১৫ জুলাই ২০১৯ ১৫:০৯413269
  • ফুটকি
    কেন নৃসিংহপ্রসাদ কি অর্থে অপাঠ্য? আমার চাইতে তো তিনি অনেক বেশী সংস্কৃত জানেন। আপনি যবে থেকে লিখবেন ঐসব প্রসঙ্গে আপনার বইও পড়ব!!
  • S | ১৫ জুলাই ২০১৯ ১৫:০১413268
  • সাউথ ইন্ডিয়ায় ননভেজ খাওয়ার সঙ্গে জাতপাত জড়িত।
  • . | ১৫ জুলাই ২০১৯ ১৪:২৭413267
  • নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ীর লেখা PT পড়েন কি করে?
  • sm | ১৫ জুলাই ২০১৯ ১৩:৫০413266
  • আমাদের বাঙালি দের দুর্ভাগ্য যে সাউথ ইন্ডিয়ান রা, মাছ মাংস খাই বলে টনট করলে বিচলিত হই। আগে দেওয়া একটি লিংক এ উল্লেখ আছে ৬০-- ৭০শতাংশ হিন্দু ভেজিটেরিয়ান নন।
    সুতরাং বিচলিত হলে তাদেরকেই ভাল করে সমঝে দেওয়া উচিত।
    মা কালীর ভক্ত আমরা। মা আমাদের মাংস খেতে মানা করেন নি।
    মা,মাগ, মা।জয় ত্তারা।
  • sm | ১৫ জুলাই ২০১৯ ১৩:৪৫413265
  • হিন্দু মূলত ফিলোসফি।ধর্ম ও সভ্যতার গুরুত্ব অনেক পরে।
    এর সৃষ্টি পাঁচ হাজার বছরেরও আগে।আর্য্যদের আসার অনেক আগে।মূলত কিছু ট্রাইবাল সমাজের আচার,ব্যবহার,লৌকিকতার সম্মিলিত দর্শন।আর্যরা এসে নতুন কিছু সংস্কৃতি দান করেছে।
    ব্রাহ্মন্যধর্ম ও বর্ণভেদ আরো পরে এসেছে।
    মূলধারার লোকজন নিজেদের হিন্দু বলে পরিচয় দেন।হিন্দু ধর্মের অন্তর্গত বলেন।অনেকে দূরেও সরে গেছেন, তারা জৈন,বৌদ্ধ,শিখ ইত্যাদি বলে থাকেন।
  • S | ১৫ জুলাই ২০১৯ ১৩:৩৫413264
  • জ্ঞান বিতরণ করতে গিয়ে মা সরস্বতী বানান ভুল লিখলাম নাকি? বোঝো।
  • PT | ১৫ জুলাই ২০১৯ ১৩:৩০413263
  • "ভুলভাল সংস্কৃত পন্ডিত"
    লেখকের পরিচিতি না জেনেই?
  • S | ১৫ জুলাই ২০১৯ ১৩:১৬413262
  • "প্রাচীন" "ভারতবর্ষে"র লোকেরা (তাও প্রথমে একটা বিশেষ জায়্গার) যেসব কাজকম্ম, আচার-অনুষ্ঠান, ক্রিয়াকলাপ করতো সেটাকেই পরে যোগ বিয়োগ করে হিন্দু ধর্মের নামে চালানো হয়েছে। হিন্দু ধর্মের কোনও শুরু নেই, কোনও গুরুও নেই। তাই লোকেশান অনুযায়ী যাখুশি তাই হয়। স্বরস্বতী পুজোয় আমাদের বাড়িতে জোড়া ইলিশ আসে। একথা রাজস্থানের কোনও ধর্মপরায়ণ হিন্দুকে বলতেও পারবেন না, আপনাকে বিধর্মী ভাববে। হিন্দুকে সভ্যতা বলা যেতে পারে, ধর্ম বোধয় বলা যায়্না। এরপরেও হিন্দু "ধর্মের" বহু রকম ফের হয়েছে। কিসব আছে সনাতনী হিন্দু ধর্ম, আমরা এখন যেটাকে প্র্যাক্টিস করি সেটা মোটামুটি ব্রাহ্মণ্য হিন্দুধর্ম। এর বাইরেও এই ভুভারতবর্ষে চিরকালই বিশাল সংখ্যক লোকজন রয়ে গেছে যাদের সভ্যতাকে হিন্দু সভ্যতা রিপ্রেজেন্ট করেনা।

    আমি ভারতবর্ষ মানে এই সাবকন্টিনেন্ট বুঝি যেটা আফঘানিস্থানের কোনও এক জায়্গায় শুরু হয়েছে আর বার্মার কোথাও হয়তো শেষ হয়েছে। লন্কা, নেপাল, ভুটান, এমনকি হয়তো তিব্বতকেও এর বাইরে রাখা যাবেনা। আর প্রাচীন মানে আর্যদের আসার পরের সময় ধরা হচ্ছে।
  • sm | ১৫ জুলাই ২০১৯ ১৩:১৫413261
  • ভালোই তো।বামেরা যতো বেশি তিনো দলে ভীড় করে ততো ভালো।সে ভুলভাল সংস্কৃত পন্ডিত এর বানীতে আকৃষ্ট হয়ে এলেও, ক্ষতি নেই।
    সুস্বাগতম।
  • PT | ১৫ জুলাই ২০১৯ ১৩:০৮413260
  • আমি ভুল হতেই পারি কিন্তু আপনি তো আর সংস্কৃত জানা লেখকের থেকে বেশী জানেননা। আমি তাই সেই তিনোমুলী লেখককেই এই ব্যাপারে অনুসরণ করব।
  • sm | ১৫ জুলাই ২০১৯ ১৩:০৫413259
  • আপনি ভুল জানেন।আপনাকে আগে লিংক ও দিয়েছি।
  • PT | ১৫ জুলাই ২০১৯ ১২:৫১413258
  • হিন্দু-দর্শন বলেই কিছু হয়না তাই গোলানোর কিছু নেই!!
  • sm | ১৫ জুলাই ২০১৯ ১২:৪৬413257
  • প্রচুর জায়গায়, স্পষ্ট উল্লেখ আছে ইন্ডিয়ান হিন্দু ফিলোসফি,শব্দ বন্ধটি।মোটা অক্ষরে।
    হিন্দু এখানে ধর্মের চেয়েও ফিলোসফি হিসাবে বেশি গুরুত্ব বহন করে।
    এই হিন্দু ফিলোসফি বিলিভ যাঁরা করে তাঁরা সবাই হিন্দু ধর্মের অন্তর্গত নয়, কিন্তু।
    এই জন্যই, বারবার উল্লেখ করেছি,জৈন,বৌদ্ধ,শিখ এনারা যে দর্শন বিশ্বাস করেন, সে সবের মধ্যেও হিন্দু দর্শনের ছাপ স্পষ্ট।
    যেমন ধরুন, কর্মফল ভোগ,এটি বৌদ্ধ দর্শনে রয়েছে।কিন্তু কনসেপ্ট এসেছে হিন্দু দর্শন থেকেই।
    এই বৌদ্ধ ও জৈন ধর্ম ও দর্শন কিন্তু মূল হিন্দু দর্শনের প্রতিবাদী বলা চলে।
    তাই হিন্দুদর্শন ও হিন্দুধর্ম সমার্থক ভাবা উচিত নয়।
    হিন্দুদর্শনের অংশ হয়েও অনেকে নিজেদের অন্য ধর্মের অংশ ভাবেন।কোন গোল নেই তো!
  • PT | ১৫ জুলাই ২০১৯ ১২:২৮413256
  • দাঁড়ান মহায়, নেতাজী আর পেঁয়াজীতে গুলিয়ে ফেলবেন না।
    এক সংস্কৃতের পন্ডিতের বাংলায় লেখা মহাভারতের কিছু অংশ পড়তে শুরু করেছি। তিনি ঘোর তিনোমুলী (পড়ুন তীব্র বাম বিরোধী) কিন্তু এপর্যন্ত যে কটা পাতা পড়েছি তাতে হিন্দু শব্দটি ব্যবহার না করেই গড়গড় করে লিখেছেন।
    দর্শনটি ভারতীয়......হিন্দু নয়।
  • sm | ১৫ জুলাই ২০১৯ ১২:২৩413255
  • ভারী মুশকিল পড়া গেলো দেখছি।আমেরিকা নাম কে রেখেছিল,বিভিন্ন মতামত আছে।সাড়ে পাঁচশ বছর এর ও কম সময় আগে ওই ভুখন্ড আবিষ্কৃত হয়।
    পরে, ইতালিয়ান এক্সপ্লোরার এটির নামকরণ করেন।
    তা বলে ছ শ বছর এর পূর্বের আলোচনায় আমেরিকার অস্তিত্ব ছিলো না,না ওখানকার লোকজন কে আমেরিকার আদিবাসী বলা যাবে না?
    নামকরণ পরে হলেও, হিন্দু ধর্ম বা দর্শন এর অস্তিত্ব তো ছিল।লোকজন তো অধার্মিক ছিলো না রে বাবা!
  • PT | ১৫ জুলাই ২০১৯ ১২:০৯413254
  • আসলে ব্যাসদেব হিন্দু শব্দটা বাদ দিয়েই বিস্তারিত বক্তব্য রেখেছেন কিনা, তাই ভাবছিলাম আরকি যে তিনি নিজেকে যখন হিন্দু ধর্মের অন্তর্গত করেননি তখন আমারা কোন অধিকারে তাঁর অবস্থানকে বদলে দিই!!
  • dc | ১৫ জুলাই ২০১৯ ১১:৩৪413253
  • তাহলে কি বাঙালরা স্বামীকে হামি বলে?
  • sm | ১৫ জুলাই ২০১৯ ১১:১০413252
  • কেন বাদ রাখতে হবে কেন?আপনি কি রেট্রোস্পেক্ট স্টাডি করেন না?সর্বদাই প্রস্পেক্টিভ?
  • PT | ১৫ জুলাই ২০১৯ ১১:০৭413251
  • তাহলে "প্রাচীন" ভারতীয় দর্শন ইত্যাদির আলোচনা "হিন্দু" শব্দটিকে বাদ রেখেই করা উচিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত