এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Du | ১০ জুলাই ২০১৯ ০৬:৩৬413010
  • এনেফডিসি কি করে এখন? বা সরকারের চলচ্চিত্র দপ্তরেরা?
  • Atoz | ১০ জুলাই ২০১৯ ০৬:০৪413009
  • ন্যাট জিও বা হিস্ট্রি চ্যানেলের মতন কিছু থাকা দরকার ভারতে। ভালো ভালো ডকুমেন্টারি বানাবে।
    এ যা মহাভারত টাইপ ব্যাপার সব হয়েছে, জাস্ট ডকুগুলোই তো নাটক এর সমতুল্য হয়ে যাবে। এ জিনিস একেবারেই ছাড়া উচিত নয়। ক্রীতদাস থেকে হয়ে যাচ্ছে সুলতান(কী করে হচ্ছে, কীরকম কালচার ? নাকি ক্রীতদাস বলতে যেরকম ধারণা করা হয় ব্যাপারটা সেরকম ছিল না? ), কোথায় মানত করতে চলে যাচ্ছে এক বাদশা, সাধু দরবেশের কথায় বেগমকে নিয়ে রাখছে কুটিরে, কোথায় আবার বাদশার ছেলেকে অন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে বিদ্রোহের শাস্তি দিতে --- জ্যান্ত ইতিহাসটাই গেম অব থ্রোনের চেয়েও বেশি ইন্টারেস্টিং। এগুলো নিয়ে ডকু তৈরী অবশ্যই করা উচিত। ভালোমন্দ আলো-অন্ধকার সবটাই জানুক লোকে। জানলে "ওরা বৈরী" ধারণা থেকে বেরিয়ে আসা সহজ।
  • Amit | ১০ জুলাই ২০১৯ ০৫:৫০413008
  • গঠনমূলক রিসার্চ বা ডকুমেন্টারী তো লোকের কাছে বোরিং। মুঘল আমলে ইউরোপের সাথে সিল্ক, মসলা ট্রেডিং নিয়ে ইন্টারেষ্টিং কয়েকটা পেপার পড়েছিলাম আগে, কিন্তু কে বানাবে মুভি ওসব নিয়ে ? কেইবা দেখবে ?

    তার থেকে এই সব আলাউদ্দিন পদ্মিনী র গরম চটপটে মসলাদার মার্কা সিনেমা ই বেশির ভাগ এর কাছে পছন্দ। আর এতে শুধু বল্লিউড কে গাল পেড়ে লাভ নেই। ভালো ডকুমেন্টারী ইন্ডিয়া তে সেরকম কোনো ল্যাঙ্গুয়েজে এ তৈরি হয়না। সরকারি সাপোর্ট না থাকলে বিবিসি, ন্যাট জিও বা হিস্ট্রি চ্যানেল এর মতো তথ্য নির্ভর চ্যানেল চালানোই মুশকিল।
  • Atoz | ১০ জুলাই ২০১৯ ০৫:০৭413007
  • এইটার উপরে জোর দেওয়া উচিত, এই ব্যাপারগুলো মিডিয়াতে আনা উচিত। সাধারণ মানুষের একটা বিশাল অংশের মধ্যে এইসব শাসন-আমল সম্পর্কে প্রচুর ভুল ধারণা আছে। "পড়েছ মোগলের হাতে/ খানা খেতে হবে সাথে" ইত্যাদি বাগধারা থেকেই বোঝা যায়।
    মোগলেরও আগের ইলতুৎমিসকে পর্যন্ত বেশ মুক্ত মানসিকতার লোক বলে মনে হয়। সেই আমলে ভদ্রলোক কন্যাকে (পুত্র না, কন্যা) সুলতানা করে তোলবার জন্য তৈরী করছিলেন, ভাবা যায়? যে আমল কিনা অন্ধকার মধ্যযুগ বলে পরিচিত, মহিলারা সবাই ঘোরতর পর্দানশিন। এইসব ব্যাপার নিয়ে মুভি ইত্যাদি হয় না কেন? সবাই মিলে পড়ল গিয়ে পদ্মিনী আর আলাউদ্দিনকে নিয়ে।
  • Du | ১০ জুলাই ২০১৯ ০৪:২৫413006
  • মোগল সম্রাটরা হয়তো পৃথিবীর একমাত্র মালটিকালচার‌্যাল সরকার চালিয়েছিলেন সেই যুগে।
  • Atoz | ১০ জুলাই ২০১৯ ০৩:৫৪413005
  • ওহো লিংকটা এতক্ষণে দেখলাম। জার্মান সাহেব ভদ্রলোক জেসুইট পাদ্রীর কাজ করতেন। মোগল বাদশারা তাহলে নানা ধর্মের ব্যাপারে কিছুটা অন্ততঃ উদার ছিলেন বলতেই হয়, নইলে তো নিজেদের ধর্ম রেখে বাকী সব উড়িয়ে দিতেন হয়তো। অথবা বাকী সবাইকে জোরজার করে নিজেদের ধর্মে ঢোকাতেন। ব্যস, ভীড়ে ভীড়াক্কার হয়ে সব অক্কা।
  • Atoz | ১০ জুলাই ২০১৯ ০৩:৪৪413004
  • উরে বাবা!!!!! ১৬৫২? সে যে মোগলের হাতে পড়া! শাহজাহানের (১৬২৮ -১৬৫৮) আমল! তারপরে আওরঙ্গজেব!
    এই জার্মান রথ সাহেব কি ভারতে এসেছিলেন কি কোনো কাজ নিয়ে? নাকি এমনিই দেশ দেখতে?
  • lcm | ১০ জুলাই ২০১৯ ০৩:২৫413003
  • আটোজ,

    শুরু করতে হবে হেনরিক রথ (Heinrich Roth)-কে দিয়ে (১৬২০-১৬৬৮)। ইনি থিওলজি নিয়ে পড়াশোনা করেন কলেজে, ১৬৫২ সালে ভারতে (গোয়া) আসেন, মারা যান আগ্রা-তে। ফার্সি, কন্নড়, হিন্দুস্তানি, সংস্কৃত - চারটি ভাষা শেখেন। লাতিন ভাষায় সংস্কৃত গ্রামার বই লেখেন।
    https://en.wikipedia.org/wiki/Heinrich_Roth

    আর একজন হলেন ফ্রেডেরিক ভন শ্লেগেল (১৭৭২-১৮২৯)। ওনার ভাই অগাস্ট ভ্ন শ্লেগেল ১৮১৯ সালে জার্মানিতে প্রথম সংস্কৃত প্রফেসর হিসেবে যোগ দেন ইউনিভার্সিটি অফ বন-এ। জর্জ ফর্স্টার (১৭৫৪-১৭৯৪) কালিদাসের শকুন্তলা অনুবাদ করেন (অবশ্য উইলিয়ামস জোন্‌স-এর লাটিন ভার্সান থেকে জার্মানে অনুবাদ করেন, সংস্কৃত থেকে নয়)।

    সিপাহী বিদ্রোহের আগে থেকেই জার্মানি তে সংস্কৃত/ইন্ডোলজি চর্চা শুরু হয়।

    আর এর পরে আসেন মহাপন্ডিত ম্যাক্স মূলার (১৮২৩-১৯০০)।
  • Atoz | ০৯ জুলাই ২০১৯ ২৩:৫২413002
  • @এলসিএম, ওই অত আগেই, আঠেরোশো আঠেরোর জার্মানিতে অত সংস্কৃত এক্সপার্ট কোথা থেকে এলেন? এ তো মশাই সিপাহীবিদ্রোহেরও কয়েক দশক আগের কথা!!!!
  • | ০৯ জুলাই ২০১৯ ২৩:১০413001
  • এত গান লিখেও হাসন রাজা অডিসি হলেন না, হায় ম্লেচ্ছ দের ভাগ্য খারাপ।
  • Atoz | ০৯ জুলাই ২০১৯ ২২:৪৩413000
  • গ্রেটা রে গ্রেটা রে গ্রেটা রে গ্রেটা ---
    বলে কে গান গাইতেন বলুন তো?
  • saikat | ০৯ জুলাই ২০১৯ ২১:২৪412999
  • উঁহু, চায়নায় তো লি পো আর আফ্রিকায় তো গ্রেটা গার্বো।
  • aranya | ০৯ জুলাই ২০১৯ ২১:২৩412998
  • নাঃ, হামি গরিব আদমি আছে
  • ন্যাড়া | ০৯ জুলাই ২০১৯ ২১:১০412997
  • দূর মশাই, গ্রটস্কি তো চায়নায়। নিজের হাতে আ্যফ্রিকায় বসে পড়লাম গ্রামিনস্কি।
  • aka | ০৯ জুলাই ২০১৯ ২১:০২412996
  • অরণ্যদার কি কলার আছে?
  • aranya | ০৯ জুলাই ২০১৯ ২০:৫৬412995
  • গোগোল আমিও পড়েছি, সে অবশ্য সমরেশ বসুর লেখা
  • saikat | ০৯ জুলাই ২০১৯ ২০:৪১412993
  • অসম্ভব, এলসিএম বর্ণিত সেন্ট পিটার্সবার্গ ওরকম হতেই পারে না। সে তো নিজেই একটা ভূতের মত শহর, তার প্রেতের মত বড় বাড়ীগুলি, প্রাসাদ আর সুউচ্চ চার্চগুলি নিয়ে। রোদ মনে হয়না ওঠে, ওভারকোটের কলারটা কান অবধি তুলে ( কলারটা পূর্বজন্মে আকা ধার দিয়েছিল) রাসকলনিকভ বাড়ী থেকে বেরিয়ে আনমনে হেঁটে যায়, ওবারম্যান হবে বলে। সেন্ট পিটার্সবার্গ ওরকমই ভুতুড়ে শহর। এরকম আর একটা শহর ছিল, কাছেই, প্রাগ। সেও তার বিশাল স্থাপত্য নিয়েও যেন ক্ষয়াটে আর রুগ্ন লেখকচরিত্রটির প্রতি উদাসীন। অথচ, গোগলের ওভারকোট থেকে কাফকার গুবরেপোকা, সবই শিল্পেরই এক বক্ররেখা বা বক্রতলের ওপরে স্থাপিত।
  • aka | ০৯ জুলাই ২০১৯ ২০:৪১412994
  • অ্যাকচুয়ালি সান্টা ফে। সব গেছি। পেকোস, টাওস পুয়েবলো, ব্যাণ্ডেলিয়ার - সেখানে মই বেয়ে ১৪০ ফুট ওপরে অ্যানসিস্টার ইন্ডিয়ানদের গুহা, হোয়াইট স্যাণ্ড, ট্রেনে করে ১০,০০০ ফুট ওপরে, সেখানে মিটলোফ খাওয়া। আর বাকিসব খাওয়া দাওয়া। আফ্রিকান দোকানে পাঁঠার স্টু খেলাম - অমৃত।
  • lcm | ০৯ জুলাই ২০১৯ ২০:৩৫412992
  • খাইসে, Grotesque-কি !
  • lcm | ০৯ জুলাই ২০১৯ ২০:৩২412991
  • আরে আকা,
    আলবুকার্কি গেছলে নাকি? সাদা বালির ডিউন ঐ সব দ্যাখলে নাকি? আর কাছে ঐ নেটিভ ইন্ডিয়ানদের এক সেটেলমেন্ট আছে - জায়গাটার নাম মনে পড়ছে না, ওখানে গেছলে নাকি?
  • saikat | ০৯ জুলাই ২০১৯ ২০:৩১412990
  • ন্যাড়াবাবু, গ্রামিনস্কি না গ্রটস্কি ?
  • lcm | ০৯ জুলাই ২০১৯ ২০:৩০412989
  • ওহ, সেন্ট পিটার্সবার্গ নিয়ে কথা কইছেন। তাইলে নিশ্চয়ই জানেন যে ঐ শহর ইন্ডোলজি ও সংস্কৃত শিক্ষার পীঠস্থান হয়ে উঠেছিল। সেই গেরাসিম লেবেদেভ সাহেব এসেছিলেন ১৭৮০-তে (ভারতচন্দ্র রায় গুনাকর এর কবিতা রাশিয়ান ভাষায় অনুবাদ করে ফেলেছিলেন)। তো তার লেখা বিবরণ পড়ে সম্রাট জার আলেক্জান্ডার-১ একেবারে মুগ্ধ। তিনি সেন্ট পিটার্সবার্গে একটি সংস্কৃত প্রিন্টিং প্রেস খুলতে বললেন। এদিকে লেবেদেভ সংস্কৃত ভালো জানেন না।
    ১৮১৮-তে সার্গেই উভারভ নামে একজন কিউরেটর চালু করলেন এশিয়াটিক সোসাইটি অফ সেন্ট পিটার্সবার্গ। জার্মানি থেকে সংস্কৃত এক্সপার্ট-দের এনে চালু হল সংস্কৃত ক্লাস। পাভেল পেত্রভ সংস্কৃত শেখেন সেন্ট পিটার্সবার্গে, পরে সংস্কৃত পড়ান কাজান ও মস্কোতে। ইনি রামায়ন-এর রাশিয়ান অনুবাদ করেন। শুধু তাই নয়, ইনি কলহন-এর রাজতরঙ্গিনী ও অনুবাদ করেন। এসব ঘটে ঐ মধ্য-১৮০০ নাগাদ।
    এর পরে ১৮০০ শতাব্দীর দ্বিতীয়ার্ধে সেন্ট পিটার্সবার্গে এলেন দুই জার্মান সংস্কৃত পন্ডিত - রুডলহ ভন রথ, এবং, অটো ভন বোথলিং। এনারা সাত ভল্যুমের সংস্কৃত-জার্মান ডিকশনরি তৈরি করলেন। বোথলিং অবশ্য সেন্ট পিটার্সবার্গের লোক ছিলেন, ওখানেই জন্ম এবং সেন্ট পিটার্সবার্গ স্টেট ইউনিভার্সিটি থেকে সংস্কৃত নিয়ে পাশ করেন। যদিও সংস্কৃতে মহাপন্ডিত হিসেবে ধরা ধরা হয় সংস্কৃত প্রফেসর ইভান মিনায়েভ-কে। শুধু সংস্কৃত নয়, অনেক ভারতীয় ভাষা ছিল এনার রপ্ত। ভারতে এবং শ্রীলংকায় থাকার সময় ইনি বেশ কিছু ম্যানাস্ক্রিপ্ট সংগ্রহ করেন যেগুলি এখন সেন্ট পিটার্সবার্গ স্টেট লাইব্রেরীতে আছে।
    ---
    যাগ্গে, বৃষ্টি কি থামল, খেলা কি আর হবে ?
  • aka | ০৯ জুলাই ২০১৯ ২০:২৮412988
  • বল্লে হবে, আমি গোগোল পড়েছি - নিকোলাই গোগোল, ওনার লেখা "নাক"। ভাগ্যিস কলার নেই টি-শার্টের।
  • aka | ০৯ জুলাই ২০১৯ ২০:২৬412987
  • লসাগুদা, অ্যালবাকার্কিতে একটি পারসিয়ান দোকানে চেলো কাবাব খেলাম, আহা কি ভালো।
  • Atoz | ০৯ জুলাই ২০১৯ ২০:২১412986
  • আর, শোপোকোভস্কি ? ঃ-)
  • ন্যাড়া | ০৯ জুলাই ২০১৯ ২০:২০412985
  • আমি গেল বারো বছর ধরে অপেক্ষা করছি খনু গ্রামিনস্কির নাটক নিয়ে কিছু বলবে। কিন্তু সেখানেও হা হতোস্মি!
  • aka | ০৯ জুলাই ২০১৯ ২০:১৬412984
  • এবাবা, সৈকত পুশকিন পড়েনি, সৈকতকে পুইইইইইই।

    (অবশেষে কিছু একটা পাওয়া গেল যা সৈকত পড়েনি, বাপরে কি ছেলে, কোনদিন নিশ্চয়ই বেস্পতিতে বেড়াতে যাবে)
  • saikat | ০৯ জুলাই ২০১৯ ২০:০১412983
  • পুশকিন পড়িনি কিন্তু এখানে সেখানে পুশকিন সম্বন্ধে পড়ে ধারণা হয়েছিল যে পুশকিন, গোগল আর ডস্টভয়েস্কি, এই তিন জনকে নিয়ে একটা কার্ভ টানা যায়। টলস্টয় বা গ্রসমান এই কার্ভে ঠিক ফিট করেনা। কার্ভ বলি কারণ এই তিনজনেরই লেখা সরলরৈখিক নয় অথবা এইজন্যও যে এদের তিনজনেরই লেখায় পিটার্সবার্গ শহরটা আর কেরানী চরিত্ররা উপস্থিত। ব্রোন্জ হর্সম্যানের কেরানী চরিত্রটির সাথে গোগলের ওভারকোট বা নাক গল্পটির চরিত্রদের মিল থাকে যার আবার পরে গিয়ে ডস্টভয়েস্কির ডাবল-এ দেখা পাওয়া যাবে। ডস্টভয়েস্কির বক্তব্য ছিল গোগলের ওভারকোট থেকেই ওদের প্রজন্মের সবকিছুর শুরু আর পুশকিনের একশো বছরে বিখ্যাত বক্তৃতা দিয়েছিলেন। রাশিয়ান সোল বস্তুটা বা পিটার্সবার্গের নিজস্ব চরিত্র এই তিন লেখকের লেখাতেই যেন প্রবলভাবে উপস্থিত, অথচ পুরো উনিশ শতকের রাশিয়ার সমাজচিত্র হয়েও তলস্তয় ঠিক সেরকম নয়।

    এরকমই খাপছাড়া কিছু জটিংস।
  • | ০৯ জুলাই ২০১৯ ১৯:১৯412982
  • তবে আমার এখন মনে হচ্ছে, এই কথা গুলো আমি অন্তত বার কুড়ি আগে বলেছি। যাক গে বয়স হয়ে গেছে, ক্ষমা চাইছি না, কারণ না পেলে বয়ে গেল ঃ-)))

  • | ০৯ জুলাই ২০১৯ ১৯:০৭412981


  • আমি জানি না, তোমাদের বলেছি কিনা, তবে কেশি কে বলেছিলাম, কেন না ও আমার অনেক আগে গ্রোসম্যান পড়েছিল, সম্ভবত ৮৯ এই পড়েছিল, হয় জার্মানি তে বা এখানেই।

    আমি একবার একটা মজার পোবোন্দো লেখার সুযোগ পেয়েছিলাম, গ্রোসম্যানের লাইফ অ্যান্ড ফেট নিয়ে। ২০০২ এর পরে কিন্তু ২০১১ র আগে, এবার ঠিক কখন মনে নেই। জীবন ও নিয়তি ইত্যাদি নাম দিয়ে পাঠিয়েছিলাম, ওঁরা ছেপেছিলেন। এইবার আমি যে এডিশন টা পড়েছি, তার মুখবন্ধটা জোর্জ স্টাইনার এর লেখা। এবার ক্লিয়ারলি, এই মুখবন্ধ গুলো, ওয়েস্টার্ন প্রেস এর মুখবন্ধের মতই, আমাদের চেনা সোভিয়েত পাবলিকেশনের মুখবন্ধ থেকে যে কারণে মেনলি আলদা ছিল সেটা হল, রাশিয়ান ইনটেলেকচুয়াল ট্র্যাডিশনে কোথায় লেখক পড়েন, সেটা নিয়ে নাতিদীর্ঘ কিছু ছিল না, যেমনটা ঐ ইনস্টিটিউট ডিরেকটর দের লেখা মুখবন্ধ গুলো তে থাকতো। মজাটা হল গ্রোসম্যান যেহেতু একেবারেই রাশিয়ান ট্র্যাডিশন এর লোক, তাই তাঁর লেখার মধ্যে, উপন্যাসের মধ্যেই, এক অ্যারিস্টোক্রাট পরিবারের ইনটেলেকচুয়াল সন্তান এর মুখ দিয়ে ঊনবিংশ শতকের রাশিয়ান ইনটেলেকচুয়াল ট্র্যাডিশন এর উপরে কয়েকটি নাতিদীর্ঘ মিনি প্রবন্ধ মত ছিল, এবং গ্রোস ম্যানের পোলিটিকাল পজিশন, সোভিয়েত স্টেটের বিপরীতে বলে তাঁর যে নাম ডাক, তাঁর এই বিষয়ে অন্তত আমাদের চেনা এডিশন গুলোর মুখবন্ধ লিখিয়ে আকাদেমিক দের অবস্থানের অন্তত একটা পদ্ধতিগত মিল ছিল। সেই থেকে আমার এই পুশকিন প্রসঙ্গেই শখ, চালু এডিশন গুলো তে, যেগুলো স্কলাস্টিক বা স্টুডেন্ট এডিশন কিছুই বলা যায় না, কিন্তু মাস পাবলিকেশনের এডিশন, বিদেশী অডিয়েন্স কে টারগেট করে, তাতে প্রো স্টেট আকাডেমিক দের কাছ থেকে কি পাচ্ছি যেটা এখনকার নতুন এডিশন বা আরো পুরোনো ওয়েস্টার্ন এডিশন গুলোর থেকে কি ভাবে আলাদা। এটা পুশকিন প্রসঙ্গেই ম্যাক্সিমাম মনে হয়েছিল, কারণ ক্লিয়ারলি আমি পুশকিন সংক্রান্ত মুখবন্ধটা যতটা মন দিয়ে পড়েছিলাম, নাটক গুলো তত পড়ি নি ঃ-))))))) এটা বেশ মজার কথা। আমার এগুলো নিয়ে একটা প্রবন্ধ লেখার ইচ্ছে আছে, সোমনাথ কে কোন একটা জন্মদিনে উপহার হিসেবে দেবো ঃ-))))
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত