এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • | ১৮ জুন ২০১৯ ১৭:৪০411780
  • হ্যাঁ পাছে কিছু মিস হয়
  • dc | ১৮ জুন ২০১৯ ১৭:২৪411779
  • খ দা ছোট করে বলতে গেলে সিস্টেম নিতে পারে না, দুবার পোস্টিয়ে বড়ো করে দেয়।
  • T | ১৮ জুন ২০১৯ ১৭:১৯411778
  • :)))
  • | ১৮ জুন ২০১৯ ১৬:৫৮411777
  • দুবার হয়ে গেল ঃ-((( খ
  • | ১৮ জুন ২০১৯ ১৬:৩৮411775
  • একটা গল্প বলছি, খুব ছোটো স্কেলে, কিন্তু বিচিত্র মিল। আমরা পৌষমেলায় দোকান করব। তো আমাদের মুর্শিদাবাদের হরপ্রসাদ দোকান বানাতে ওস্তাদ, বাঁশ বাঁধা, কাপড় বাঁধা, খড়ের ছউনি, ত্রিপল এর পার্ট সব ই একা হাতে করে ফেলছে, আমরা কয়েকজন একটু সাহায্য করছি, আর আমি ব্যক্তিগত ভাবে ধান্দা করছি কখন বইয়ের স্টল এ যাবো, এমন সময় দেখা গেল, কয়েকটি লোক এসে আমাদের দোকানের বাঁশ গুলো খুব পরীক্ষা মত করছে, হরো বল্লো মেরেচে। বলে আস্তে করে নেবে ভাগলবা। তারপরে কয়েকজন শ্রমিক শ্রেণী এসে আমাদের উদুম ক্যাল দিল, মূল অপরাধ বাঁশ চুরি। হর বাবু বাঁশ ঝেড়ে বিপ্লবী কফি র দোকান বানাচ্ছিলেন, আমরা কতিপয়, লোক এখান থেকে ওখানে বাঁশ ধরে, বা শাবল খুঁড়ে গর্ত করে নিজেদের শ্রমিক শ্রেণী মনে করছিলাম, এমন সময় স্থানীয়, জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক (আমাদের কয়েকটি বাংলাদেশী অসম্ভব পড়াশুনোয় ভালো আর ক্যাবলা মতো, রোগা রোগা কমরেড ছিল) সংহতির বারোটা বাজিয়ে, মালিক পক্ষের (সব মিলিয়ে ক্যাপিটাল দশ হাজার ছাড়াবে কিনা সন্দেহ) হয়ে চোর ধরতে এসে, বিস্ব ভারতির বদ মায়েশ চোর স্টুডেন দের হাতে নাতে ধরে আমাদের ক্যাল দিল, যে মুষ্টিবদ্ধ হাতে, কংগ্রেসের কালো হাত ভেঙ্গে গুড়িয়ে যাবার কথা, বা অন্তত মে দিবসের পোস্টারে থাকার কথা তারা পিঠে মুখে গায়ে পড়লো। রক্তপাত হলো। আমি হতভম্ব, ছত্র পরিষদ আমাদের মাঝে মাঝেই মারতো, তার পরে স্নেহ ভরে হাসপাতালে দেখা করে তিতীয় বিশ্বের বিচিত্র এবং পরিচিত ল্যামেন্টেশন করতো, এই তো আমাদের ছোটোবেলা, কিন্তু গরীব মানুষ কখনো মারেন নি। সাগরিকা দি বলে একটা দিদি ছিল, সিনিয়র দের মধ্যে সেই ছিল, সে প্র্যাকটিকালি মব এর মধ্যে ঝাপিয়ে পড়ে একটি ছেলেকে বাঁচালো। আমি ক্যাল খেয়ে চেপে গেলাম, আর মনে মনে একটা প্রবন্ধ লিখলাম, যে মাউষ কে সংহতির গুরুত্ত্ব কি করে বোঝাতে হবে, কারণ মুখ গুলো মে দিবসের মিছিলে চেনা ঃ-))))

    এবার মিটিং হচ্ছে সন্ধে বেলা, উদ্দেশয় বড় রা এসে বলবেন, অ্যাই তোরা ক্ষমা চা, আর আমরা কুঁই কুঁই করে বলবো, আমাদের কথা কেউ শুনলো না, আর বাঁশ ঝেড়ে দিলে পুলিশ মারে মারুক, শ্রমিক শ্রেণী কেন মারবে। তো মিটিং এ যে মেন মেরেছিল, সে প্রথমেই কান ধরে বল্লো, এ বাবা মিলান বাবুর ছেলে, বাবুলি বাবুর ভাই, এরা এদের মারলাম, এ বাবা সরি সরি আর কখনো করবো না গো, এই নাকে খত দিছি, বলে সিরিয়াসলি নাকে খৎঅ দিতে আরম্ভ করলো, সাগরিকা দি, আমি, আর যে ছেলেটি সব চেয়ে বেশি মার খেয়েছিল, রক্তাক্ত হয়েছিল সে তারা অপমানিত বোধ করলাম, কোথায় বাম শ্রমিক ছাত্র সংহতি, এতো পরিবার পরিচয় করছে, আমরা মিটিং থেকে প্রতিবাদ করে বেরিয়ে গেলাম, বেরোনোর সময় দেখলাম, হরপ্রসাদ সবাই এর জন্য হন্ত দন্তো হয়ে চা আনছে। টোটাল ডিসকানেকশ্নের অনূভুতি হলে এই গল্প টা আমার মনে হয় ঃ-))))))))))))))))

    তো প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে, কিন্তু ডিসকানেকশন কোন মিউচুয়াল মিটংএ মেটার না, ইভেন উইথ গুড ইন্টেনশন্স।

  • | ১৮ জুন ২০১৯ ১৬:৩৮411776
  • একটা গল্প বলছি, খুব ছোটো স্কেলে, কিন্তু বিচিত্র মিল। আমরা পৌষমেলায় দোকান করব। তো আমাদের মুর্শিদাবাদের হরপ্রসাদ দোকান বানাতে ওস্তাদ, বাঁশ বাঁধা, কাপড় বাঁধা, খড়ের ছউনি, ত্রিপল এর পার্ট সব ই একা হাতে করে ফেলছে, আমরা কয়েকজন একটু সাহায্য করছি, আর আমি ব্যক্তিগত ভাবে ধান্দা করছি কখন বইয়ের স্টল এ যাবো, এমন সময় দেখা গেল, কয়েকটি লোক এসে আমাদের দোকানের বাঁশ গুলো খুব পরীক্ষা মত করছে, হরো বল্লো মেরেচে। বলে আস্তে করে নেবে ভাগলবা। তারপরে কয়েকজন শ্রমিক শ্রেণী এসে আমাদের উদুম ক্যাল দিল, মূল অপরাধ বাঁশ চুরি। হর বাবু বাঁশ ঝেড়ে বিপ্লবী কফি র দোকান বানাচ্ছিলেন, আমরা কতিপয়, লোক এখান থেকে ওখানে বাঁশ ধরে, বা শাবল খুঁড়ে গর্ত করে নিজেদের শ্রমিক শ্রেণী মনে করছিলাম, এমন সময় স্থানীয়, জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক (আমাদের কয়েকটি বাংলাদেশী অসম্ভব পড়াশুনোয় ভালো আর ক্যাবলা মতো, রোগা রোগা কমরেড ছিল) সংহতির বারোটা বাজিয়ে, মালিক পক্ষের (সব মিলিয়ে ক্যাপিটাল দশ হাজার ছাড়াবে কিনা সন্দেহ) হয়ে চোর ধরতে এসে, বিস্ব ভারতির বদ মায়েশ চোর স্টুডেন দের হাতে নাতে ধরে আমাদের ক্যাল দিল, যে মুষ্টিবদ্ধ হাতে, কংগ্রেসের কালো হাত ভেঙ্গে গুড়িয়ে যাবার কথা, বা অন্তত মে দিবসের পোস্টারে থাকার কথা তারা পিঠে মুখে গায়ে পড়লো। রক্তপাত হলো। আমি হতভম্ব, ছত্র পরিষদ আমাদের মাঝে মাঝেই মারতো, তার পরে স্নেহ ভরে হাসপাতালে দেখা করে তিতীয় বিশ্বের বিচিত্র এবং পরিচিত ল্যামেন্টেশন করতো, এই তো আমাদের ছোটোবেলা, কিন্তু গরীব মানুষ কখনো মারেন নি। সাগরিকা দি বলে একটা দিদি ছিল, সিনিয়র দের মধ্যে সেই ছিল, সে প্র্যাকটিকালি মব এর মধ্যে ঝাপিয়ে পড়ে একটি ছেলেকে বাঁচালো। আমি ক্যাল খেয়ে চেপে গেলাম, আর মনে মনে একটা প্রবন্ধ লিখলাম, যে মাউষ কে সংহতির গুরুত্ত্ব কি করে বোঝাতে হবে, কারণ মুখ গুলো মে দিবসের মিছিলে চেনা ঃ-))))

    এবার মিটিং হচ্ছে সন্ধে বেলা, উদ্দেশয় বড় রা এসে বলবেন, অ্যাই তোরা ক্ষমা চা, আর আমরা কুঁই কুঁই করে বলবো, আমাদের কথা কেউ শুনলো না, আর বাঁশ ঝেড়ে দিলে পুলিশ মারে মারুক, শ্রমিক শ্রেণী কেন মারবে। তো মিটিং এ যে মেন মেরেছিল, সে প্রথমেই কান ধরে বল্লো, এ বাবা মিলান বাবুর ছেলে, বাবুলি বাবুর ভাই, এরা এদের মারলাম, এ বাবা সরি সরি আর কখনো করবো না গো, এই নাকে খত দিছি, বলে সিরিয়াসলি নাকে খৎঅ দিতে আরম্ভ করলো, সাগরিকা দি, আমি, আর যে ছেলেটি সব চেয়ে বেশি মার খেয়েছিল, রক্তাক্ত হয়েছিল সে তারা অপমানিত বোধ করলাম, কোথায় বাম শ্রমিক ছাত্র সংহতি, এতো পরিবার পরিচয় করছে, আমরা মিটিং থেকে প্রতিবাদ করে বেরিয়ে গেলাম, বেরোনোর সময় দেখলাম, হরপ্রসাদ সবাই এর জন্য হন্ত দন্তো হয়ে চা আনছে। টোটাল ডিসকানেকশ্নের অনূভুতি হলে এই গল্প টা আমার মনে হয় ঃ-))))))))))))))))

    তো প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে, কিন্তু ডিসকানেকশন কোন মিউচুয়াল মিটংএ মেটার না, ইভেন উইথ গুড ইন্টেনশন্স।

  • PM | ১৮ জুন ২০১৯ ১৫:৫৫411774
  • যাঁরা দল ছাড়ার তাড়াতাড়ি ছাড়ুন, চোরেদের আমি দলে রাখব নাঃ মমতা

    https://www.anandabazar.com/state/mamata-banerjee-meets-councillor-dgtl-1.1006702

    তাহলে কি অমিত মিত্র একা পার্টি চালাবেন ? ঃ)
  • | ১৮ জুন ২০১৯ ১৫:২৭411772
  • দমু, গুরু, এই সব বই আর হবে না। ম্যাসিভ বই।
  • | ১৮ জুন ২০১৯ ১৫:১৫411771
  • এস/ইন্দ্রাণী দিদি, এসব এনারাই ফেনারাই ছাড়ো, যার যা মনে হবে বলবে, এ আবার কি, আমরা দেশে থেকে কি উদ্ধার করছি, দেশের কোন কাজেই লাগি না।

    এস এম দা, দিদির নিন্দে মোটে শুনতে পারে না, তার উপরে এন এইচ এসে এত ক্যালাকেলি দেখে নি, তাই নার্ভাস হয়ে গ্যাছে ;-)
  • | ১৮ জুন ২০১৯ ১৫:১৩411770
  • *মাইরি

  • | ১৮ জুন ২০১৯ ১৫:১২411769
  • আর এস ও তো মাইরি আমাকে গাল দিলেও মোটামুটি অবজেকটিভলি দেখার চেষ্টা করেছে, ছেলে মেয়েরা মার খেয়েছে বলে খচে গেছে, এস এম দার এতো রাগের কি। এতো ডিসিপ্লিন আর অর্ডার প্রবণতা মারি ভালো না, গণতন্ত্রে একটু কলকাকলী এবং হেঁড়ে গলার ভুল বকা থাকবে, নিশ্ছিদ্র ডিসিপ্লিন আর কুচ কাওয়াজ মাইরি আপনাকে (এস এম দাকে) আরেকটু হলেই ফ্যাসিজম সমর্থক করে দেবে বলে দিলাম। নেহাত এন এইচ এস এর সোশালাইজিং হেল্থ কেয়ার এক্সপেরিয়েমেন্টে ছিলেন, তাই এখনো হন নি, এদিকে আজ আমি টোটাল 'ব্যক্তিগত আক্রমণ' করে পোচোন্ডো আনন্দ পেলাম ঃ-)))) গরু ও ভোট হারালে, বিশেষত গোরু তে ভোট খেলে এমন ই হয় ঃ-))

  • | ১৮ জুন ২০১৯ ১৫:০৬411768
  • এস এম দা মাইরি, আমি বাম ভোটার হয়েও কদিন ধরে আপনার দিদির রাজনীতি কে যত টা পারা যায়, নৈর্ব্যক্তিক ভাবে দেখলাম, তার এই শাস্তি, এই ছেল মনে? আপনি অসম্ভব খারাপ ঃ-))))))))))))
  • sm | ১৮ জুন ২০১৯ ১৪:৫০411767
  • এলেবেলে কে 'ক'
  • PM | ১৮ জুন ২০১৯ ১৪:৪৩411766
  • বাজারে যা খবর, সংসদে প্রবল সংখ্যধিক্যের জোরে ৫ জুলাই এর বাজেটে বা তার পরে, সরকার কয়েকটা আর্থিক সংস্কার আনতে চলেছে-

    ১। বেশ কিছু পাবলিক ব্যান্ক প্রাইভেটাইস্ড হবে
    । তার মধ্যে কলকাতার ৩ টে ব্যান্ক এর এক আধটা থাকবে। ইউকো ব্যান্ক তো থাকবেই যা শোনা যাচ্ছে। তারপরে যাথারীতি মুখ্য কার্যালয় মুম্বাই বা আমেদাবাদ শিফ্ট হবে

    ২। এখনকার নিয়ম ইন্ডাস্ট্রি কংগ্লোমারেট রা ( মানে যাদের অন্য সেকটরেও ইন্টারেস্ট আছে) ব্যন্ক ওন করতে পারে না। সেই আইন তুলে দেওয়া হবে। মানে, টাটা, বিরলা আম্বানী রা ঐ সব ব্যান্ক কিনতে আর প্রোমোটার হতে পারবে। এটা তাদের বহু কালের দাবী

    ৩। লেবার ল তে বিরাট পরিবর্ত্তন হবে। যেটা গত টার্ম এ চেষ্টা করেও করে উঠতে পরে নি।

    এই কাজগুলো তে মিডিয়া সাপোর্ট দেবে নীচের যুক্তিতে-

    ১।এই ব্যন্ক গুলো ইনেফিসিয়েন্ট, প্রচুর এনপিএ। সরকার, মানুষের ট্যক্স এর টাকায় কেনো লস গুনবে? বরং ঐ টাকা সরকার পাবলিক ওয়েলফেয়ার স্কিম এ খরচ করবে। গরিবের জন্য লো কষ্ট বাড়ি তৈরী করবে ইত্যাদি

    এদিকে এটা কেউ বলবে না ঐ লস কেনো হলো?, ঐ ব্যান্ক গুলোর অদ্দক্ষ ম্যানজেমেন্ট কারা সিলেক্ট করেছিলো? এনপিএ যাদের জন্য হল, সেই ডিফলটার কারা? তাদের বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে

    ২। লেবার ল রিফর্ম না হবার জন্য মেক ইন ইন্ডিয়া ফেল করেছে। সরকারের কোনো ব্যর্থতা নেই। ৪৫ বছরের সর্ব নিম্ন জব স্ট্যট এর জন্যেও ওটাই দায়ী, সরকার নয়। লেবার ল রিফর্ম করলেই লক্ষ লক্ষ চাকরী চীন থেকে ভারতে ছুটে আসবে

    যাই হোক, প্রস্তুত থাকুন সকলে এই সব কোলাভরী ডি এর জন্য।

    খ বাবুর এই সময়ের লেখাটা প্রতিদিন আরো আরো করে রেলিভেন্ট মনে হতে থাকবে। ২০১৯ এর পরাজয় বিরোধী দলগুলোর তো বটেই, কিন্তু তার চেয়েও বেশী সাধারন মানুষের
  • এলেবেলে | ১৮ জুন ২০১৯ ১৪:৪০411765
  • "একটা কড়া আইন এর দাবি সকলের এখন করা উচিত যে কোনো মন্ত্রী, MP, আমলা, সরকারি অফিসার রা যে কেও অসুস্থ হলে বা যেকোনো অপারেশন, চেক আপ করতে হলে তাদেরকে এক মাত্র সরকারি হাসপাতাল এই ভর্তি হতে হবে, কোনো প্রাইভেট নার্সিং হোম যাওয়া চলবে না। "

    মরে যাই! খামোখা অসুস্থ হওয়ার কী দরকার? এখানে যাঁরা ভাটাচ্ছেন তাঁরা বোধহয় কেউ 'মন্ত্রী, MP' নন। এক কাজ করুন। আগে নিজের ছেলেমেয়েদের সরকারি স্কুলগুলোতে ভর্তি করুন দিকি। বুঝি কত ধানে কত চাল!
  • S | ১৮ জুন ২০১৯ ১৪:০২411764
  • ঈশানদাও তো এনারাই।
  • S | ১৮ জুন ২০১৯ ১৪:০১411763
  • এনারাই কেন কারোর বকবকানিতেই যদি কারোর অসুবিধে হয় তাহলে না শুনলেই তো হয়। যেখানে বাজে বকার উপরে কোনও ট্যাক্স নেই।
  • i | ১৮ জুন ২০১৯ ১৩:৩৪411762
  • যাক আমি এনারাই। বেশি কথা কব না। কই ও না।
  • i | ১৮ জুন ২০১৯ ১৩:২৯411759
  • ডাক্তার কেন কাউকেই পেটানো যাবে না-আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া যাবে না-এই বার্তাটাও আসা উচিত ছিল জোরালোভাবে। এই আন্দোলন চলাকালীন, কাগজে পড়লাম এক যাত্রী ট্যাক্সিড্রাইভারকেপিটিয়ে মেরেই ফেলেছেন-খাস কলকাতায়। কেউ একটা কথাও বলে নি। বলবেও না।
  • T | ১৮ জুন ২০১৯ ১৩:০৮411758
  • 'কানহাইয়া কুমার, আদি ব্রাহ্মসমাজ ও জুরাসিক বামপন্থা' - এই মর্মে অ-অ র কাছ থেকে প্রবন্ধ দাবী করি।
  • | ১৮ জুন ২০১৯ ১২:০৬411757
  • নাহ নেতাদের মন্ত্রীদের পয়সা থাকলে তাঁরা বেসরকারি সবচেয়ে খরুচে জায়গায় করান না, খামোখা ইনফ্রার উপর চাপ বাড়িয়ে কি লাভ!
    বরং তাঁদের অ্যাকাউন্টেবল করার উপায় ভাবা দরকার।

    ডাক্তারদের আন্দোলন উঠতেই বিকাশ ভবনে শিক্ষকদের আন্দোলন শুরু হয়েছে।
  • PT | ১৮ জুন ২০১৯ ১২:০১411756
  • দেখ কান্ড। যে দেশে লোকে বাচ্চাদের সরকারী স্কুলে পড়াতে চায়্না তারা সরকারী হাসপাতালে যাবে কেন? অবিশ্যি ২ টাকার ভিক্ষান্ন যাদের জন্য ভিত্তি বানিয়ে চপের দোকান যাদের ভবিষ্যত নির্ধারিত করে রাখা হয়েছে সেই মানুষগুলোর সরকারী (পড়ুন নিখরচার) হাসপাতালে যাওয়া ছাড়া অন্য কোন উপায় আছে?
  • sm | ১৮ জুন ২০১৯ ১১:৫২411755
  • আরো কনফিউজিং, যাঁরা নিজেরা ও নিজেদের নিকটাত্মীয় দের ইন্ডিয়া তে পারতপক্ষে সরকারী হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে দেন না,তারাই এসব নিয়ে বেশি করে সোচ্চার হন।অদ্ভুত!
  • PT | ১৮ জুন ২০১৯ ১১:৪৯411754
  • এগুলো খুব কন্ফিউসিং বক্তব্য। অসংখ্য ভারতীয় কেন্দ্রীয় সরকারী কর্মচারী বেসরকারী হাসপাতালের পরিসেবা নিতে পারে CGHS-এর মাধ্যমে। তাদের সরকারী হাসপাতালে না গেলেও চলে।
  • sm | ১৮ জুন ২০১৯ ১১:৪৩411753
  • নিজে কবার সরকারী হাসপাতালে চিকিৎসা করিয়েছেন?
    আমার ও একটা আর্জি আছে, এন আর আই দের বকবকানির ওপর ট্যাক্স লাগু হোক।কয়েকদিন ধরে কিছু বকবকানি চলছে।আর পারে যাচ্ছে না।
  • Amit | ১৮ জুন ২০১৯ ১১:৩৫411752
  • এটা শুধু পব তে না, গোটা দেশে এক সাথে করা উচিত। এই যে জেটলি, সোনিয়া গান্ধী এনারা যে সবাই বাইরের দেশে গিয়ে ট্রিটমেন্ট করেন, তার পয়সা কি সরকার দেয় ? জানিনা যদিও, এনারা নিজেরাও বেশ বড়োলোক, হয়তো নিজেই দিতে পারেন। তিনি দেড় সুদীপ বন্দো, তাপস পাল তো সব এপোলো তে ছিল। কে দিচ্ছিলো তার পয়সা ?

    নিয়ম করা উচিত নেতারা নিজের কন্সটি তে বা ইলেক্টরেট এর সব থেকে কাছে যে সরকারি হাসপাতাল আছে, সেখানে দেখাতে হবে আগে। তাহলে বেটারা একটু হলেও চাপে থাকবে সেগুলোর হাল ঠিক রাখার ব্যাপারে। MP ফান্ড এর কিছু পয়সা হয়তো ইদিকে দেবে সেগুলোর ইনফ্রা ইম্প্রোভ করার জন্য। তাতে পাবলিক এর ই লাভ।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত