এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • . | ১০ জুন ২০১৯ ১৫:১২410730
  • হোয়াই সো সিরিয়াস
  • saikat | ১০ জুন ২০১৯ ১৫:০৩410729
  • বাজে টাইপো, দ কে লেখা পোস্টে।

    ব্যক্তিগত অভিনন্দন নয়, ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা।
  • dc | ১০ জুন ২০১৯ ১৪:৫৯410728
  • আর এই মার্ভেল সিনেম্যাটিক ইউনিভার্স দেখে দেখে সত্যি বোর হয়ে গেছি ঃ-(

    ডার্ক নাইট আমারও খুব ভাল্লেগেছিল। ওটায় আমার পুরো জীবনের ফিলোসফি দুটো কথায় বলে দিয়েছিলঃ হোয়াই সিরিয়াস? ঃ-)
  • dc | ১০ জুন ২০১৯ ১৪:৫৭410727
  • S, মেট্রিক্স নিয়ে কয়েকটা বড়ো লেখা আমিও এদিক ওদিক ফোরামে পোস্ট করেছিলাম, সেসব ওয়েবসাইট উঠে গেছে। এক সময়ে টলকিয়েনকে নিয়ে কিছু লিখেছিলাম, আর ম্যাট্রিক্স এর ফিলোজফি নিয়ে লিখেছিলাম, আর নিউরোম্যান্সার এর ফিলোজফি নিয়ে লিখেছিলাম ঃ-)
  • সৈকত | ১০ জুন ২০১৯ ১৪:৪৭410726
  • খ, উদাহরণ দিয়ে দেখাও, দীপেন বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোন জায়্গাটা কনজার্ভেটিভ। তোমার বক্তব্যটা বোঝার জন্য বলছি। আর আমাদের দেশে, বামপন্থী লেখকের কন্ট্রাডিকশন থাকবেই, রাজনৈতিকভাবে র‌্যাডিকাল আর কিছু ক্ষেত্রে কনজার্ভেটিভ। আর তদুপরি উনি তো সিপিআই। ঃ-)
  • S | ১০ জুন ২০১৯ ১৪:৪২410725
  • লিবারিলিজম ব্যাপরাটা বাঙালী ইন্টেলেকচুয়াল সমাজ কি আদৌ কোনওদিনও ঠিক করে বুঝতে পেরেছে? সন্দেহ আছে।

    আর দুনিয়াজুড়ে কমিউনিকেশন বাড়ার পরে এইযে কথায় কথায় আম্রিগা/পস্চিমী সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসনের ভুত দেখিয়ে মেটিরিয়াল তৈরী করা হতো সেটার প্রাসঙ্গিকতা অনেক কমে গেছে। ৯০এর পরে এইসব দেশে লেফট লিবারিলিজমের যে বান এসেছে সেটা সবাই দেখতেই পাচ্ছে। উল্টে সোভিয়েত ইউনিয়নের অনেক অপ্রিয় সত্য সামনে এসে গেছে। ফলে সাদা-কালো দেখানোর খেলাটায় সমস্যা তৈরী হয়েছে।

    টেকনলজিরও একটা বিশাল রোল আছে। প্রথমতঃ বিগত ২০-৩০ বছরে যেধরনের টেক তৈরী হয়েছে সেটা আগের হিস্টরিকাল কন্টিনিউটিতে বিশাল ধাক্কা দিয়েছে। আর এই প্রথম বড়লোক দেশগুলোর পকেট থেকে বেড়িয়ে টেকনলজির যে দুনিয়াজোড়া প্রসার ঘটেছে, সেটা আগে কখনও ঘটেনি। ফলে পুরোনো লেফ্ট ন্যারেটিভ ক্রমশই ইরিলেভ্যান্ট হয়ে পড়ছে।
  • সৈকত | ১০ জুন ২০১৯ ১৪:৪০410724
  • দ, হ্যাঁ, সৃষ্টিসুখেরই বই। ব্যক্তিগত অভিনন্দন আর দৈনন্দিন হয়ত ওনার লেখায় এখনও বেশী আসছে, সেটাই স্বাভাবিক, কিন্তু জোর করে লেখার পরিধি বাড়াতে গেলে, 'বড়' কিছু লিখব ভবলে, উল্টো ফল হয়ে যেতে আরে।

    আর সন্মাত্রানন্দর লেখা আমি পড়িনি, তোমরাই এখানে যা লেখালেখি করেছ, তার ভিত্তিতে ধারনা করেছি। তবে দুটো কথা বলার। ইন জেনারেল, উপন্যাসের মাধ্যমে ইতিহাসে চলে যাওয়াটাতে আমার আপত্তি আছে, তথাকথিত ঐতিহাসিক উপন্যাসে। মনে হয়, লেখক পিছু হঠলেন বর্তমান থেকে, যদি না ইতিহাসকে ব্যবহার করে বর্তমানের প্রতি কমেন্ট করেন। আর দ্বিতীয় কথাটি হল, বর্তমানে দাঁড়িয়ে যে আর দেশকাল নিয়ে বড় কিছু লেখা যাচ্ছে না, তার পরিবর্তে কেউ হয়ত ইতিহাসে আশ্রয় নিচ্ছেন, বিশেষ করে তখনই যখন বাঙালীর ইতিহাসটিও, ন্যারেটিভগুলিও ভেঙ্গে ভেঙে পড়ছে। কিছু যেন ছিল, কিছু হওয়ারও ছিল, সেটা আর হচ্ছে না বা হবে না, সেই জায়গা থেকে হয়ত অতীতমুখী হওয়া। তবে, এসবই ওনার লেখা না পড়ে বলা।
  • | ১০ জুন ২০১৯ ১৪:২১410723
  • বুদাপেস্ট হোটেল কি ওর, মজার লেগেছিল।

    সৈকত, আমি আসলে যে ভাবে ভাবছি, তাতে একটা প্যাটার্ন পাচ্ছি। সেটা হল লেখালিখির মোটিভেশন টা তো থাকছে, কিন্তু মতাদর্শ জিনিশটা ওভারল প্রক্ষিপ্ত হয়ে যাচ্চ্ছে, এবং সেটা শুধু রাজনৈতিক মতাদর্শের বেলাতেই না, সামাজিক মতাদর্শের বেলাতেও হচ্ছে, এই বাজারে লেপ্ট লিবেরেল দের বাড়ার কথা, কিন্তু তা না হয়ে কমছে। আমি ভাবার চেষ্টা যেটা করছি, রাফলি যেটা মনে হচ্ছে, রাজনৈতিক মতাদর্শ টা কে রাষ্ট্রের মতাদর্শ রিপ্লেস করছে। এটা আর শিক্ষিত মানুষের চয়েস থাকছে না। এটা অনেকদিন ধরেই হচ্ছে, কখন প্রকট হচ্ছে আলাদা করে বলা মুশকিল, কিন্তু আমি লেখা লিখির ক্ষেত্রে, বাংলায়, এটা ৯০ দশক পরবর্তী সময়ে দেখছি। একটা উদা দেই, ধরো দীপেন বন্দ্যো। পাওয়ারফুল স্টাফ, কিন্তু আমার মতে স্ট্রেট কনজারভেটিভ, এবং সেটা সামাজিক এবং চোজেন রাজনৈতিক মতাদর্শ কে কোন টাকে প্রভাবিত বেশি করছে বলা মুশকিল, কিন্তু ঘটনাটা হচ্ছে, রাজনৈতিক ভাবে র‌্যাডিকাল হলেও, মূল্যবোধে বেশ কনজারভেটিভ থাকছেন, যদিও দেখা টা যেহেতু ডিটেলে, তাই সত্যের অপলাপ কিসু করছেন না, রিয়েলিজম এর ট্রেনিং ও রয়েছে। এই লেখক ই ধরো বামপন্থী ভ্যালুজ নিয়ে যদি ৯০ বা দুহাজারের পরে লিখতেন, আই অ্যাম শিয়োর আর্বান স্পেস কে শুধুই বাধ্যতামূলক সংস্থান হিসেবে দেখতেন না, মেল্টিং পট হিসেবে দেখতেন। এখন এটার সবটাই যে ঠিক ঠাক তা না, কারণ বাজার রয়েছে, বাজার মানুষ কে চয়েস দিচ্ছে, কিন্তু তার পূর্ব শর্ত হিসেবে রয়েছে ক্রমশ তর্কহীন হয়ে ওঠা রাষ্ট্রীয় মতাদর্শ, যেটা ধরো ইন্ডিভিজুয়াল কে এমপাওয়ার করলেও, মূলত কনজিউমার হিসেবে করছে। আমি যেটা এতক্ষন বলছিলাম, সেটা এই প্রসেস টার পার্ট বলে মনে হচ্ছে আপাতত। এর সঙ্গে ত্রিশের দশক আর মুদ্রন সংস্কৃতি তে, জাতীয়তাবাদ থেকে ক্রিটিকাল রাজনৈতিক মতাদর্শ বা তার প্রতিক্রিয়া এবং অবশেষে মূলত আত্মপ্রকাশেচ্ছা র একটা যাত্রা আছে, তবে বড় করে যত দেখবো, আমার বড় গল্পে ততই এক্সসেপশন লাগাতে হবে, কিন্তু তাই বলে থ্যাওরি করবো না তাই কখনো হয়, তাছাড়া এমন মাল এর হাতে পড়েছি, কিছুতেই ডিবাগ করতে পারছি না ঃ-))))))
  • সৈকত | ১০ জুন ২০১৯ ১৪:১৯410722
  • আরও ক'টা কথা -

    হারবার্ট প্রকাশের পরে, আখ্যান নামে একটি পত্রিকার একটি সংখ্যা হাতে এসেছিল, ঐ উপন্যাসকে নিয়ে। নবারুণের সমসাময়িকদের লেখা উপন্যাসটিকে নিয়ে আর দেবেশ রায়ের নেওয়া নবারুণের সাক্ষাতকার, এই নিয়ে সংখ্যাটি। তো ঐ সাক্ষাতবারে নবারুণ বলেছিলেন, যে আশির দশক পর্যন্ত মনে করা যেত যে মানুষকে কোথাও নিয়ে যাওয়া যাবে, শেষ পর্যন্ত রাশিয়া ভেঙ্গে পড়ার পরে যে শোক, সেই শোক থেকে হারবার্ট লেখা হয়েছিল। লক্ষ্য করার যে হারবার্টের একশো পাতার টেকস্টে সময়কালটা অনেক বড়, কিন্তু পরে নবারুণই আর বড় সময়কালে ফিরে যাননি, এক-আধটা উপন্যাসের আকার যদিও বড়। বলার যে ন্যারেটিভটি ভেঙে গেছে, অনেকদিনই গেছে আর তজ্জনিত শোকও আর নেই, ফলতঃ দেশ/কাল জুড়ে লেখা আর বিশেষ হবে না বলেই মনে হয়। এটা ভাবা অনর্থক যে হাঁসুলিবাঁকের মত উপন্যাস আর লেখা হবে, কারন সমাজ আর মানুষের মন সম্পূর্ণ বদলে গেছে, মানে ঐরকম সামন্ত্রতন্ত্র থেকে ধনতন্ত্র, তার দ্বন্দ আর হতাশা, এগুলো তো একটা পর্যায়ের গল্প, মানুষের দেখারই ধরণ, হয়ত কাছ থেকেই বা ধর ভগীরথ মিশ্ররই মৃগয়া, সেও তো বড় সময় জুড়ে লেখা, যা সময়ের দূরত্ব দূর থেকে দেখা, সমাজ-ইতিহাসের বড় সব পরিবর্তন, আই ডাউট যে আদৌ ঐরকম লেখা আর সম্ভব কিনা। ফলে কালজয়ী সাহিত্য বলে যদি এরকম লেখা ভাবি, তাহলে, নাঃ আমার সেরকম আশা নেই, ইভেন দরকারও নেই আমার কাছে।

    অন্যদিকে, হ্যাঁ, এটা ঠিকই যে সবকিছু লেখকের হাতে নেই, কোনকালেই ছিল না, কোথায় লিখবে বা লেখার সুযোগ পাবে, সেরকম আর তার নিজের চয়েসে নেই। কিন্তু তুমি লেখার জগতে গণতন্ত্রের কথা বলছিলে। হ্যাঁ, বড় পত্রিকা/প্রকাশনায় হয়ত সেই জিনিসটা নেই, কিন্তু আমার ইন্টারেস্টিং লাগে, বিভিন্ন ছোট প্রকাশনার উপস্থিতি, এটা যেন মাটির ওপর দিয়ে আনুভুমিকভাবে লেখার জগতে গনতন্ত্র আসা, উল্লম্বভাবে এক/একাধিক গোষ্ঠীর মাধ্যমে কিছু একটা বহুতল তৈরী হওয়ার বদলে !! এবং এইসব পত্রিকা বা প্রকাশনা মারফত আকারে বড় উপন্যাস ছাপানো সম্ভব না, কারণ পত্রিকগুলি নিয়মিত নয় বা বড় লেখা ছাপবার রিস্ক নিতে চাইবে না, কারণ পুঁজি কম, কিন্তু সেটাই হয়ত সুযোগ লেখকদের ক্ষমতা জাহির করার (ঐ যে আগের দিন বলেছিলাম ১২০ পাতার উপন্যাস)। যেটা ছোট পত্রিকাগুলি করতে পারে, সীমিত সামর্থ্যের মধ্যেও, যে অন্তত উপন্যাস লেখার জন্য কিছু পাতার সংস্থান রাখা।
  • S | ১০ জুন ২০১৯ ১৪:০৭410721
  • গ্র্যান্ড বুদাপেস্ট হোটেল?
    আমি পুনেতে ছিলাম কয়েকমাস। সেও দেড় দশকেরও আগে। দারুন লেগেছিলো শহরটাকে। ইয়ং লোকজনের জন্য স্বর্গ।
  • অর্জুন | ১০ জুন ২০১৯ ১৩:৫৯410720
  • * অনেক বছর হয়ে গেল হলে গিয়ে ইংরেজি সিনেমা দেখিনি।

    হিন্দি তাও দেখা হয়।
  • অর্জুন | ১০ জুন ২০১৯ ১৩:৫৮410719
  • আপনাদের Wes Anderson র ছবি কেমন লাগে! করেছেও মাত্র কয়েকটা।
  • অর্জুন | ১০ জুন ২০১৯ ১৩:৫৭410718
  • এখন নয়। ছিলাম প্রায় দেড় দশক আগে।

    আপাতত বাজারে ভাল ইংরেজি সিনেমা কি এসেছে! অনেক বছর হয়ে গেল হলে গিয়ে হিন্দি সিনেমা দেখিনি।
  • | ১০ জুন ২০১৯ ১৩:৫৫410716
  • *সৃষ্টিসুখ
  • | ১০ জুন ২০১৯ ১৩:৫৫410717
  • হামিরুদ্দিন মিদ্যা - সৃহ্টিসুখ থেকে গল্পের বই যেটা বেরিয়েচে, কয়েকটা গল্প দুর্দান্ত। কিন্তু পুরো বৈট পড়তে একটু একঘেয়ে মত লাগে। দেখা যাক ভবিষ্যতে কী লেখেন।

    সৈকত, সোন্মাত্রানন্দকে নিয়ে কিছু বলবে? আমি ঐ একটাই পড়েছি। কিন্তু তিনতে বিভিন্ন সময়ের গল্পকে একসাথে বোনা, তিনরকম ভাষার ব্যবহার (দুই এক জায়গায় স্লাইট সমস্যা আছে যদিও) এইটা চমৎকার লেগেছে।
  • S | ১০ জুন ২০১৯ ১৩:৩৯410715
  • অর্জুন কি পুনের বাসিন্দা?
  • S | ১০ জুন ২০১৯ ১৩:৩৫410714
  • আমরা কলেজ লাইফে দুটো সিনেমার কথা বলতাম যেগুলোর সিকুয়েল প্রথমটার থেকে বেটার বা সমগোত্রীয় হয়েছিলো। টিটু আর গডফাদার। আমার কিন্তু গডফাদার ৩ও পছন্দ হয়েছিলো। সোফিয়া কোপোলার অভিনয়ও ভালো লেগেছিলো। তবে বইটাই এতো ভালো লেখা, যে সীনকে সীন টুকে দিয়েছেন পরিচালক। পরে অবশ্য এইধরনের অনেক সিনেমা হয়েছে যেখানে সিকুয়েল প্রথমটার মতন বা তার থেকেও বেটার হয়েছে। কিন্তু সেগুলো সব একটা সিরিজেরই বিভিন্ন অংশ।
  • de | ১০ জুন ২০১৯ ১৩:৩২410713
  • প ব র অবস্থা খুবই সাংঘাতিক বলে সবাই এসে খোঁজ খবর নিয়ে যাচ্ছে -

    আশা করি ইদিকে ওই সব এলাকার কেউ থাকেন না -
    সবাই ভালো থাকবেন -
  • Amit | ১০ জুন ২০১৯ ১৩:২৯410712
  • টিটু খুব রেয়ার জেনার র মুভি যেখানে সিকুয়েল প্রথম মুভি র থেকে বেটার হয়েছিল। অবশ্য তার পরের গুলো যথারীতি ছড়িয়ে লাট গেছে।
  • অর্জুন | ১০ জুন ২০১৯ ১৩:২৭410711
  • বিদ্বেষ কিনা জানিনা অনেক ক্ষেত্রে বাঙালীদের pioneering contribution কে অস্বীকার করার একটা চেষ্টা দেখেছি। ঝুম্পা লাহিড়ী যখন ২০০০ সালে পুলিৎজার পেল, ফারগুসন কলেজে আমার এক কাশ্মীরী অধ্যাপিকা ক্লাসে বলে উঠলেন 'বাঙালীদের লবি খুব হাই'। তার তিন বছর আগে অরুন্ধতী রায় 'বুকার' পেয়েছে, তিনিও পিতৃসূত্রে বাঙালী পদবীধারি, আর দু বছর আগে অমর্ত্য সেন নোবেল। ওই অধ্যাপিকা আমার খুব প্রিয় ছিলেন কিন্তু ওর এই কথায় খুব রাগ হয়েছিল মনে আছে। আমি বলেছিলাম, ' দ্য অ্যায়ার্ড কেম টু অ্যান ইণ্ডিয়ান, লেটস সেলিব্রেট দ্যাট।'
  • | ১০ জুন ২০১৯ ১৩:২১410710
  • হ‍্যাঁ ঠিকই। খুঁজে পড়ার অভ্যাস অবশ্য আনন্দ ই শেষকথা পন্থী দের নতুন করে রপ্ত করবেন বলে মনে হয় না, ইংরেজি র বেলায় করলে ও বাংলায় করবেন বলে।মনে।হয় না।
  • অর্জুন | ১০ জুন ২০১৯ ১৩:১৯410709
  • নিজের মা আর তার ছেলেবেলা নিয়ে গিরীশ কারনার্ডের লেখা।

    https://caravanmagazine.in/essay/beginnings
  • S | ১০ জুন ২০১৯ ১৩:১৮410708
  • গিরীশ বাবু সত্যজিত রায়কে গুছিয়ে সমালোচনা করতেন। কোথায় একটা পড়েছিলাম যে উনি পথের পাঁচালীকে অতিরন্জিত বলেছিলেন। অবশ্য ঐদিকের লোকেদের মধ্যে একটা সহজাত বাঙালী বিদ্বেষ/ঈর্ষা রয়েইছে।
  • অর্জুন | ১০ জুন ২০১৯ ১৩:১৬410707
  • 'এমনিতেও অ্যান্টাইবায়োটিক আবিষ্কারের পরে আর দেশে গ্রীন রেভেলিউশানের পরে বহু সাহিত্যকীর্তির কালোত্তীর্ণ হওয়ার সম্ভাবনাটাই চলে গেছে।' @S র এই মন্তব্যটা যথার্থ, এটা কালই বলব ভেবেছিলাম।

    এখন মনে পড়তে জানিয়ে দিলাম।
  • S | ১০ জুন ২০১৯ ১৩:০৯410706
  • ঐজাতীয় অ্যাকশান ফিল্ম বানানো অনেকদিন বন্ধ হয়ে গেছে হলিউডে। এখন চলছে ডিসি কমিক্সের টাইম। প্রিডেটার আর টিটু আমারো কিশোর বয়সের দুটো খুব প্রিয় সিনেমা। স্ট্যালন আর সুয়ারজেনেগার। আর একটা অ্যাক্শান সিনেমা দেখেও ছোটোবেলায় খুব ভালো লেগেছিলো - এন্টার দ্য ড্রাগন। এছাড়া ছিলো লিথাল ওয়েপেন।

    পরবর্তীকালে আমার মিশন ইম্পসিবল আর জেমস বন্ডও ভালো লাগতো। ম্যাট্রিক্স নিয়ে একটাই সমস্যা - ও সিনেমা দেখে বুঝতে গেলে বড্ড পড়াশুনা করতে হতো। সেকেন্ড পার্ট আসার আগে/পরে আমার কাছে দুটো ডকুমেন্ট এসেছিলো - একটা প্রায় সাড়ে চারশো পাতার আরেকটা এই গোটা ১৫ পাতার হবে (সামারি), তা সেটাই পড়লাম। আমার ইন্ডিয়ানা জোন্স একেবারেই পোষায়নি - আম্রিগানরা দেখি কথায় কথায় এই সিনেমার রেফারেন্স দেয়। সুপারহিরো ফিল্মের মধ্যে স্পাইডারম্যান ভালো হলেও ডার্ক নাইট দেখে আমি পুরো মুগ্ধ।
  • অর্জুন | ১০ জুন ২০১৯ ১৩:০১410705
  • গিরীশ কারনার্ড চলে গেলেন। আমি আর আমার তখনকার এক সহকর্মী পুনেতে ওর একটি ইন্টার্ভিউ নিয়েছিলাম TOI রPune Times র পক্ষ থেকে। একটা ছোট সাপ্লিমেন্টের জন্যে ৫-৬ টা প্রশ্ন। ২০০৩ সেটা

    ওর নাটক দেখা হয়নি। তবে NFAI তে ওর কন্নড় চলচ্চিত্রে অভিনীত, পরিচালিত ছবি দেখেছি।

    I personally found him very pompous.
  • সৈকত | ১০ জুন ২০১৯ ১৩:০০410704
  • যেটা হচ্ছ্হ, যে একটি পত্রিকা পড়লে বা একটি প্রকাশনা থেকে বই কিনলে, বা তারাই সাহিত্যের প্রধান ধারা সে ব্যাপারটা থাকছে না। ভালই হচ্ছে না থেকে - যখন কিনা নব্বইয়ের দশক থেকেই, দেশ বলছে যে সাহিত্য আর কেউ পড়ে না, ফলে সাহিত্য পত্রিকা সাপ্তাহিক থেকে পাক্ষিক হয়ে মাসিক পত্রিকায় (এখন মাসিক তো ?) পরিণত হয়, কারেন্ট অ্যাফেয়ার্সে ভর্তি হচ্ছে - অজস্র ছোট পত্রিকা বা প্রকাশনা তৈরী হচ্ছে, টেকনোলজির সুবিধের জন্যই, উঠেও যাচ্ছে হয়ত, যেখানে বিবিধ জায়গা থেকে, মূল কলকাতার বাইরে থেকে, সে লেখকের বাসস্থান হোক বা লেখার বিষয় হোক, লেখা ছাপা হচ্ছে। এতে পাঠকদের অসুবিধে হচ্ছে, অত সহজে কোথায় কী লেখা হচ্ছে সেটা ঠাহর হচ্ছে না। সাদিক হোসেনের লেখা বা হামিরুদ্দিন মিদ্যার গল্প বা ইভেন রাঘববাবুর বা রবিশংকর বলের লেখাপত্তরও একটা পর্যায় পর্যন্ত খুঁজেপেতে পড়তে হচ্ছে, অত সহজে আর বলা যাচ্ছে না যে হ্যা, বাংলা ভাষার লেখালেখি যা হচ্ছে, তার অনেকটাই জানা আছে।
  • dc | ১০ জুন ২০১৯ ১২:৫৪410703
  • আজ একটা খবর পড়ে ছোটবেলার কতো ভালো ভালো স্মৃতি মনে পড়ে গেলো।

    সোয়ার্জানেগারের প্রথম সিনেমা কোনটা দেখেছিলাম? যদ্দুর মনে পড়ে প্রেডেটর। আমার এক দাদা দেখাতে নিয়ে গেছিল গ্লোবে, সাথে একটা দুটো বন্ধুও ছিলো বোধায়। সিনেমাটা দেখে পরের অন্তত দুতিন সপ্তাহ ঘোরের মধ্যে ছিলাম, কি অসাধারন একটা সিনেমাই না দেখলাম! তার আগে র‌্যাম্বো ফার্স্ট ব্লাড দেখেছিলাম, বোধায় র‌্যাম্বো টু ও দেখেছিলাম, কিন্তু প্রেডেটরে একেবারে অন্য লেভেলের মারপিট! বিশেষ করে রেবেল বেস এর অ্যাটাক আর সবাই মিলে বন জঙ্গল তছনছ করে মেশিন গান চালানো, এই দুটো সিকোয়েন্স যে কতোবার মনে মনে রিপ্লে করতাম! সিনেমা তো না, যেন কবিতা! তারপর নবীনায় দেখলাম কম্যান্ডো। এতো ভালো লেগেছিল যে পরের সপ্তাহে আবার টিকিট কেটে দেখতে গেছিলাম। তারপর তো ভিসিপিতে সোয়ার্জেনেগারের সিনেমা পরপর দেখতে শুরু করেছিলাম। রানিং ম্যান, রেড হিট, দ্য লাস্ট অ্যাকশান হিরো, আরও কতো! তারপর দেখলাম টিওয়ান। আর টিটু দেখার পর তো বন্ধুদের বলেছিলাম সিনেমা দেখা ছেড়ে দেবো, কারন টিটুর থেকে দুর্দান্ত সিনেমা মানুষের পক্ষে বানানো অসম্ভব। তখনও কি জানতাম ম্যাট্রিক্স দেখা বাকি আছে! যাই হোক, ছোটবেলায় আমার সবচেয়ে প্রিয় হিরো ছিলো সোয়র্জানেগার, বোধায় স্ট্যালোনের থেকেও বেশী (অবশ্য র‌্যাম্বো সিরিজও অসংখ্য বার দেখেছিলাম)।

    সেই সোয়ার্জানেগারের মেয়ের বিয়েও হয়ে গেল! সময় বয়ে যায় নদীর স্রোতের মতো।
  • সৈকত | ১০ জুন ২০১৯ ১২:৪৭410702
  • আমি যেভাবে দেখি, সেটা হল এই তর্কটা সাহিত্যে এস্টাবলিশমেন্ট, তার প্রভাব আর অন্যদিকে একজন লেখকের লেখা ছাপাবার অন্তত একটা কাগজ চাই, তার দ্বন্দ। এটা আজকের সমস্যা নয়, মাণিকবাবুর ক্ষেত্রেই বোঝা গেছিল, ডায়েরী পড়লেই দেখা যায়, যে প্রকাশক ওনার একটা উপন্যাস ছাপিয়ে আর ছাপাচ্ছে না, কারণ বিভিন্ন জায়্গা থেকে চাপ আসছে, ফলতঃ লেখা ছাপাবার জায়্গা ঢের কমে আসছে। অনেক বেশী করে এই দ্বন্দ্টা সত্যি হয় জীবনানন্দের ক্ষেত্রে, মাণিকবাবুর তবু পরিছয় পত্রিকা ছিল, জীবনানন্দের পূর্বাশা, কবিতা ইত্যাদি পত্রিকা থাকছে কিন্তু খুব একটা স্থায়ী হচ্ছে না, গদ্য ছাপাবার কথা তো ভাবাই যাচ্ছে না।

    তো এই ব্যাপারটা পঞ্চাশের কবি-লেখকদের কাছে খুব বেশী করে জানা ছিল, সেইজন্য নিজেদেরই পত্রিকা, নিজেদেরই আন্দোলোন আর নিজের মধ্যেই লেখার সমালোচনা। ঐসব করে উপায় ছিল না, কারণ সাহিত্যের এস্টাবলিশ্মেন্ট তখন প্রায় পুরোমাত্রায় তৈরী হয়ে গেছে, সাক্ষরতা বেড়েছে, ফলে যেসব পত্রিকা/প্রকাশনা লোকেদের কাছে তাড়াতাড়ি পৌছতে পারছে, ব্যবসার বিবিধ উপায়ের মাধ্যমে, তারাই সফল হচ্ছে। ক্রমশঃ দেশানন্দ মূল এস্টাবলিশমেন্ট হয়ে উঠল, কিছু ক্ষমতাবান লেখকদের দলে নিল, ঐ পঞ্চাশের লেখকদের থেকেই, ব্যবসা আর ডিস্ট্রিবিউশনে ভাল করল, আবারও সাক্ষরতা বৃদ্ধি পাওয়া একটা রোল প্লে করল মনএ হয়। কিন্তু পাল্টা হিসেবে, ছোট কিছু এস্টাবলিশমেন্টও তৈরী হল, যেমন আশির দশকে আজকাল, যারা আনন্দ থেকে বাদ পড়ে গেল, তারা ওখানে গেল বা প্রতিক্ষণ, অল্প কয়েকদিন চলে বন্ধ হয়ে গেল, অন্তত অল্প কিছুঅদিনের জন্য কিছু লেখক লেখার কাগজ পেলেন। খুব যে সাহিত্যের ধারা তৈরীতে এদের উৎসাহ ছিল, সেরকম না, কিন্তু কিছু লেখকদের লেখার সুবিধে করে দেওয়ার একটা দিক ছিলই বলে মনে হয়। এর পাশাপাশি কেউ কেউ থাকছেন যারা কোন গোষ্ঠীরই সাথে পুরোপুরি মিশছেন না, যেমন অমিয়ভূষন বা মহাশ্বেতা কিছুটা, অমিয়ভূষনের লেখা আনতে বারোমাসের সম্পাদক কোচবিহার যাছেন, আনন্দের সেরকম ইচ্ছে নেই, হয়ত অনেক আগে সতীনাথের লেখা আনতে পূর্ণিয়া গেছিলেন। ফলে সদর্থে, সাহিত্যের এস্টাবলিশমেন্ট আর গড়ে উঠছে না, সবারই কিছু না কিছু উদ্দেশ্য থাকছে বা ক্ষমতারও অভাব থাকছে। ছোট কিছু পাবলিশার আসছে, রক্তকরবী বা প্রমা (নবারুণের হারবার্ট সেখানেই ছাপা হচ্ছে, বইও হচ্ছে সেখান থেকে, সেই কবে), নবারুণ নিজে প্রকাশনা করছেন (সুভাষ ঘোষালের প্রথম উপন্যাস ছাপাচ্ছেন, সেন্সিবিলিটির দিক দিয়ে যিনি নবারুণের বিপরীতে, হয়ত বন্ধুকৃত্যই করছেন)।
  • | ১০ জুন ২০১৯ ১২:০১410701
  • আসলে এটা পার্সোনাল ট্রাজেকটরি ই না। এটা একটা সময়ের অভিঘাত। ভগীরথ মিশ্রের প্রায় এক ই থিমে লেখা টিলা, অসীম দা, ৯০ এর দশকে লিখেও ছাপতে দিচ্ছে ২০১২ ১৩ নাগাদ, এটা ওর নিজের স্ট্রাগল, এবং সেটাও সময় সম্পর্কে নিজের প্রতিক্রিয়া, এ কিসু করার নেই। এটা তে প্রতিষ্ঠানের কিসু করার নেই, যেটা দুঃখের, মতাদর্শের ভিত্তিতে ফল্ট লাইন, আর রাশ্ট্রের প্রশাসন চালানোর জন্য করা এলাকা বিভাজন, সদর জেলা রাজধানী ইত্যাদি, কি ভাবে বাজার ও access এর বিন্যাস কে প্রভাবিত করে ভাবা যায় না, ইট ইজ নো মোর অ্যান ইন্ডিভিজুয়াল চয়েস দেন। এবার মজাটা হল মুক্তি তাইলে কোথায়, মুক্তি র একটা পদ্ধতি আদর্শ গণতন্ত্র, ইকুয়াল অপরচুনিটি, আরেকটি হল ব্যাপক নগরায়ন। খুব স্বাভাবিক ভাবেই দ্বিতীয়টি ই হচ্ছে। শান্তিনিকেতন সিউড়ি তে লোকাল পাবলিশার দের বেছে নিচ্ছেন অনেক লোক, কারণ তাঁরা মনেই করছেন না, এরিয়া র বাইরে তাঁদের বিষয়ে কেউ আগ্রহ পাবে, আর স্থানীয় একটা বাজার ও তৈরী হয়েছে, যদিও ক্ষুদ্র। প্লাস বদান্যতার জ্বালা থেকে মুক্তি চাইছেন সেটাও হতে পারে। ইত্যাদি, অথবা এসব কিসুই না, যে যেখানে পারছে ছাপাচ্ছে, টেকনোলোজি খরচ কে কমিয়ে ছে, ডিস্ট্রিবিউশন কে কিছুটা সোজা করেছে, বিজ্ঞাপন কেও নিখরচা করেছে, এবং একটা ব্যাপারে নিশ্চিত কেউ ই কিসু পড়ছে না, ঃ-)))))) খ
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত