এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • সিঙ্গুর: কি ভাবছেন সবাই(২)

    Ishan
    অন্যান্য | ১৮ অক্টোবর ২০০৬ | ৭৯২৬৬ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • aja | ১৫ আগস্ট ২০০৮ ০১:৫০697308
  • বোজোকে। বেশ তো, মধ্যবিত্ত আন্দোলন করুক সিঙ্গুরে জমি ফেরত দেবার জন্য। টাটা চলে যাবার ভয় দেখালে বলুক টাটাকে ফুটে যেতে।
  • bozo | ১৫ আগস্ট ২০০৮ ০১:৫৭697309
  • বেসিক্যালি টাটা গেলে এমন কিছু ক্ষতি হবে না। টাটা গেলে অন্য কেউ আসবে। সিঙ্গুরে না হলে অন্য কোথাও হবে। টাটা এলেই সব হবে আর টাটা গেলেই সব শেষ এটা প্রোপাগান্ডা মাত্র। এই প্রোপাগান্ডায় বিশ্বাস আপনা আপনা।

    আর অনিচ্ছুক দের জমি ফেরত তো দেওয়া উচিত। এই পাতায় অনেকবার মার্টিন নিয়েমলারের নাম এসেছে। যারা ঐ জমি নেবার পক্ষে তারা বলুক কাল সরকার এসে তাদের জমি/বাড়ী চাইলে দিয়ে দিতে প্রস্তুত কি না? মধ্যবিত্ত যেমন দূর থেকে প্রীচ করে সরকারের তথা টাটার সমর্থক রাও, যতক্ষন না নিজের ভিটে মাটি চাঁটি হয়।
  • aja | ১৫ আগস্ট ২০০৮ ০২:০৮697310
  • টাটা এবং মধ্যবিত্ত, দুপক্ষই পোকার খেলছে। এখন দেখা যাক কে আগে কার ব্লাফ কল করে। এর মধ্যে প্রিন্সিপালড পজিশান বলে কিছু নেই। সবটাই দর কষাকষি।

    আর জমির মালিকদের একটা অংশও পোকার খেলছে, আরো বেশি টাকা পাবার আশায়।

    অনিচ্ছুকদের জমি ফেরত দেবার একটা হ্যাজার্ড হল এর পর জমি অধিগ্রহনের দরকার হলেই প্রচুর অনিচ্ছুক দেখা যাবে যারা একটা এক্সর্বিট্যান্ট দাম না পেলে জমি দেবেনা। তাতে শিল্প তৈরী করতে মুশকিল হবে। তখন মধ্যবিত্ত কি করবে, সেটা দেখার ইচ্ছে আছে।
  • arjo | ১৫ আগস্ট ২০০৮ ০২:২৩697311
  • অজদা একদম ভুল কে পার্টি তৈরি করেছে তাই দিয়ে কার পার্টি তা নির্ধারিত হয় না। কাদের ভোটে ত্রিশ বছরের মসনদ তাদের দিয়ে হয়। আর সিপিএমের ট্রাস্টেড ভোটার মধ্যবিত্ত নয়। তবে এতদিনের ট্যাগ লাইন টা জালিয়াতি?

    টাটা চলে গেলে আর কেউ আসবে না এটা সরকারের প্রচার। মধ্যবিত্ত, নিম্নবিত্ত বাইরে থেকে খেলা দেখছে। সরকার, টাটা আর মমতা চোখের আড়ালে খেলছে আর মাঝে মাঝে এসে রেজাল্ট জানিয়ে যাচ্ছে। মধ্যবিত্ত কবে থেকে কি করে খেলছে? অ্যাগেইন এই যে আলোচনা টা মধ্যবিত্তের দিকে ঘোরানো হচ্ছে এটা সরকারের ঢাল। আইদার মমতা, নয় মধ্যবিত্ত নয়ত কাউকে না পেলে কেন্দ্র ব্যর্থতা ঢাকার শিখন্ডি মাত্র। যাদের খেলার মাঠে ঢোকার অনুমতিই নেই তারা খেলবে কি করে ইন্টার্নেটে? :-)

    অন্ন, বস্ত্র, শিক্ষা আর চিকিৎসা মানুষের বেসিক চাহিদা। অজদা যাদের দেখে তাদের বোধহয় এসবের অভাব নেই। আর তাই তারা মধ্যবিত্তও নয়। ;)
  • lcm | ১৫ আগস্ট ২০০৮ ০২:৩৪697312
  • অজ লিখেছে "মধ্যবিত্তের সব চাই, চাকরি চাই, শিল্প চাই, আবার চাষীর হাসিমুখ চাই...যে ধরনের সমাজ এ সব পারে, তা চাই না। কারণ, আবাপ বলেছে সমাজতন্ত্র ফ্যাশনবল নয়....' -

    সমাজতন্ত্রে বুঝি এরকম সমাজ হয়? কোন মন্ত্রে-তন্ত্রে যে কি হয় ... :-)
  • aja | ১৫ আগস্ট ২০০৮ ০২:৪৪697313
  • আজ্জোর সাথে একমত হওয়া গেল না। সব সরকারই সাধারণ মানুষের ভোটে নির্বাচিত হয়। আজ্জোর কথা মানলে মানতে হয় সব নির্বাচিত পার্টিই সাধারণ মানুষের পার্টি।

    আমি বলেছিলুম মধ্যবিত্তের পক্ষে চাকরির প্রায়োরিটি শিক্ষা বা চিকিৎসার ওপরে। আশা করি এবারে আমার কথা বোঝা গেল।

    টাটা চলে গেলে আর কেউ আসবে না এটা টাটার প্রচার। সত্যি কিনা জানা নেই। মধ্যবিত্ত যদি চাকরি না চায় তো মমতাকে সাপোর্ট দিক। আমার মত হল মধ্যবিত্ত বেদম ঢপ মারছে। সরকারকে খিস্তি করে নিজের বিবেক শান্ত করছে আর মনে মনে বলছে এমন কারখানা আর দু'চাট্টে হোক।

    সমাজতন্ত্রে ধনতন্ত্রের চেয়ে অনেক কিছুই ভাল হবে। একথাটা লসাগুকে।
  • Du | ১৫ আগস্ট ২০০৮ ০২:৫১697314
  • কম্পিউটার এলে ধনী বা চাষী কারোই কোন ক্ষতি হত না। ক্ষতি যাদের হবার ভয় ছিল, দেখা গেছে শত্রুর মুখে ছাই দিয়ে তারা অর্থাৎ সেদিনের মধ্যবিত্তের ছেলেপুলেরাই সেই ঘরভাঙ্গা ঢেউয়ের মাথায় উঠেই পাড়ি দিয়েছে। আর বিশ্বায়নের হাত ধরেই ইংরাজি শেখার গুরুত্বও বেড়েছে সাধারণ ছাত্রের জন্য।
    তা নাহলে একটা স্বাধীন দেশে দেশজ ভাষায় প্রাথমিক শিক্ষার মধ্যে কোন অদ্ভুত ব্যাপার আছে বলে তো মনে হয় না। মধ্যবিত্ত আমাদের ছোটবেলায় মাতৃভাষায় পড়াতেই চাইতেন, কিন্তু আজকের দিনে নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারেও ইংরিজি মিডিয়াম পড়ানোরই ঝোক। সেটা শুধু পশ্চিমবঙ্গে নয়, দেশের সর্বত্র।

    আমাদের ভাবনারও গতি দেখ - টাটা গেলে অন্য কেউ আসবে। বলছি না - টাটা গেলে আমরাই করবো।
  • Du | ১৫ আগস্ট ২০০৮ ০৩:০৫697315
  • বোজো, ভিটেমাটি দেওয়ার পরীক্ষা কি দেওয়া হয় নি? না কি অত পুরোনো দেওয়া তামাদি হয়ে গেছে এখন?
  • bozo | ১৫ আগস্ট ২০০৮ ০৩:২০697316
  • দেশভাগ আর শিল্পের নামে জমি কেড়ে নেওয়ার মধ্যে বিস্তর ফারাক আছে।

    প্র্যাকটিকালি আমি তো মহান প্রীচার নই। আমার কেনা জমি বাড়ি কেউ নিতে এলে যে কোনো উপায়ে আমি লড়ব। যেকোনো রাজনৈতিক দলের মদত পেলে গ্রহন করব। যারা সরকারের ডাকে জমি যেকোনো দিন দিতে পারেন তারা নমস্য। এই জীবনে আমার দ্বারা হবে না।
  • aja | ১৫ আগস্ট ২০০৮ ০৩:৩২697318
  • আম্মো তো তাই বলছিলুম। জমি পেলে যাদের সুবিধে হবে তারাও তাই করবে। এর মধ্যে কোন নীতির ব্যাপার নেই, যাস্ট সুবিধের বিচার।
  • bozo | ১৫ আগস্ট ২০০৮ ০৩:৪২697319
  • আরে অজ দা আর্য বা আমি তো সেই কথার বিরোধিতা করি নি। খালি নিরন্তর দেখতে পাই মধ্যবিত্তের জন্য শিল্প হচ্ছে- এটা একটা ব্লাফ।
    সি পি এম তাদের নিজের্দের কর্মসূচী কে মধ্যবিত্তের স্বপ্ন বলে বেচতে চাইছে। ঠিক যেমন আনন্দবাজার নিজেকে বাঙ্গালীর ভয়েস রূপে বেচে। বি জে পি মুনাফা লুটে শাইনিং ইন্ডিয়া বেচে।
  • aja | ১৫ আগস্ট ২০০৮ ০৩:৪৪697320
  • হতেই পারে ব্লাফ। তো মধ্যবিত্তকে কনভিন্স কর, চুকে যাবে।
  • arjo | ১৫ আগস্ট ২০০৮ ০৪:৩১697321
  • যখন কমিউনিজমের কথা বলে ক্ষমতা চাই তখন "মেহনতি মানুষের পক্ষে" আর রাজকোষ ভরতে শিল্প চাই তখন মধ্যবিত্তের দল। জমি অধিগ্রহণের আগে সবার জন্য শিল্প, এখন অধিগ্রহণের পরে যখন সামলানো যাচ্ছে না তখন ঐ মধ্যবিত্তের জন্যই হচ্ছে না। এখানেও রাজনৈতিক অ্যাডভান্টেজ, হলে ভালো না হলে ঐ মমতা আর মধ্যবিত্ত, প:ব: এ সরকারের দুই লাইফ লাইন। এর মধ্যে সত্যিই কোনো নীতি ফিতি নেই, এ হচ্ছে সুবিধার বিচার। যখন যেমন তখন তেমন। অসুবিধা নেই, কারণ ভারতের অধিকাংশ পার্টিই তাই। কিন্তু মুশকিল হয় যখন এইসব ঢপ হোলিয়ার দ্যান দাউ ফর্মে বা গায়ের জোরে বেচার চেষ্টা চলে।
  • Du | ১৫ আগস্ট ২০০৮ ০৪:৩৬697322
  • ঐ মেহনতি শব্দটাতেই যত প্রবলেম। অনেকটা "AND 1 < > 1" এর মতো বাঙালীর জন্য।
  • aja | ১৫ আগস্ট ২০০৮ ০৪:৪০697323
  • আরো মুশকিল হয় যখন প্রতিবাদের নামে ঢপ দেওয়া চলে। হোলিয়ার দ্যান দাউ অ্যাটীচুড তো আছেই।
  • arjo | ১৫ আগস্ট ২০০৮ ০৫:৫১697324
  • তাইলে আজকের ভার্ডিক্ট হল সিপিএম মধ্যবিত্তের পক্ষে। কাল কি হবে? অপেক্ষা করুন এখনই বলা যাচ্ছে না। অবস্থার উপর ডিপেন্ড করছে। বলা যায় না নিরপেক্ষও হতে পারে। অথবা ইলিশ মাছের পক্ষে। অথবা আমেরিকার পক্ষে। ঘোর কলিতে সবই সম্ভব। ;)। সঙ্গে থাকতে হয় নইলে মধ্যবিত্ত (বা মতান্তরে মমতা) হতে হয়।
  • sinfaut | ১৫ আগস্ট ২০০৮ ০৮:৩৭697325
  • মধ্যবিত্ত নিয়ে এত আলোচনা কেন? উহাও কি প্রান্তিক বর্গ হয়ে গেছে? উহারা কি কথা কহিতে পারে? মনে তো হচ্ছে পারে। অজদা তো পোস্কার শুনতে পেয়েছেন সেসব কতা। বাকিরা পাচ্ছেনা, বা পষ্ট করে পাচ্ছেননা। অজদা পোমো, বাকিরা অপোমো।
  • r | ১৫ আগস্ট ২০০৮ ১১:২২697326
  • মধ্যবিত্ত কিছুতেই নিজেদের ক্লাস ইন্টারেস্টের কথা মানবে না। কারণ তারা মধ্যবিত্ত। ;-))
  • Arpan | ১৫ আগস্ট ২০০৮ ১১:২৯697327
  • মধ্যবিত্ত কাকে বলা হচ্ছে প্রচন্ড কনফিউজড হয়ে গেলাম। :)

    নিজেকে মধ্যবিত্ত হিসাবে যদি ভাবি (না ভাবার তো কোন কারণ নেই) তাহলে সবার আগে শিক্ষা আর চিকিৎসাই চাইব। এ দুটো ঠিক থাকলে চাকরির অভাব হবে না। হেথা না হোক, অন্য কোথা। ইহা মধ্যবিত্ত হিসাবে নিতান্তই একটি দুরাশা? নাকি আমি মধ্যবিত্ত নামক এই প্রান্তিক বর্গে যৎসামান্য একটি সংখ্যালঘু শ্রেণী?

    ভাঁড় মে যায়ে মধ্যবিত্তের প্রতিবাদের নামে হোলিয়ার দ্যান দাউ মার্কা ঢপ। অজদাকে প্রশ্ন, সিঙ্গুরবিরোধী আন্দোলনে মধ্যবিত্তের কϾট্রবিউশন ক'পয়সা? সেই আবেগঘন চাষী ভাই, খেতমজুর ভাই করা ছাড়া? প:বঙ্গের শিল্পায়নে প্রধান বাধা মধ্যবিত্ত শ্রেণী, এই কথা বলাই কি অজদার বক্তব্যের প্রতিপাদ্য? যদি তাই হোক, তাহলে উদাহরণ দিয়ে বাংলা করে বোঝানো হোক, নইলে এইটা ভালমত ট্যান গেল।

    কিন্তু তারও আগে মধ্যবিত্তের ডেফিনিশন একটু পাকাপোক্ত ভাবে হোক।
  • shyamal | ১৫ আগস্ট ২০০৮ ১৫:৩৪697329
  • মধ্যবিত্ত নয়, গরীব সহ সবার প্রথম প্রায়োরিটি হল প্রাথমিক শিক্ষা, প্রাথমিক স্বাস্থ্য, হাইজিন। গরিবের আরো বেশী কারণ মধ্যবিত্ত এগুলো কিনতে পারে, গরিব পারেনা। এব্যপারে ভারত সরকার সেই ৪৭ থেকে পুরো স্ক্রু আপ করেছেন। এই তিনটি জিনিষই একমাত্র দিতে পারে ভাল স্কিলের চাকরি আর উন্নত জীবন যাত্রা।

    ১৯৬২ সালে দ: কোরিয়ার মাথা পিছু আয় ছিল $103 আর ভারতের $87। খুব ফারাক নয়। তারপরে দুটি দেশের উন্নয়নের ধারা দুই পথে চলে গেল। দ: কোরিয়া ঠিক করল তারা প্রতিটি মানুষকে স্কুল শিক্ষা ও প্রাথমিক চিকিৎসা দেবে। তার ফলে তাদের স্বাক্ষরতা ১৯৪৫ এ ২২% থেকে ১৯৭০ এ হল ৮৭%। একই রকম গরিব ভারত সেদিকেই গেলনা। তারা বলল, আমরা স্টীল প্ল্যান্ট, আই আই টি, যাদবপুর বানাব। এগুলো সবই কিন্তু শিক্ষিত মধ্যবিত্তকে চাকরী দেয়। ফলে ১৯৪৭ এ ভারতের স্বাক্ষরতা ১২% থেকে ১৯৭১ এ দাঁড়াল ৩৪% এ। এই ২০০৮ এও সেটা ৮৭% হয়নি।
    ফল? আজ ভারতের মাথা পিছু আয় $2700 আর দ: কোরিয়ার $24800। দুটোই PPP তে। আজ হুন্ডাই, এল জি, স্যামসাং বিশ্ব খ্যাত কোম্পানী। দ: কোরিয়া প্রথম বিশ্বে পৌঁছে গেছে।
  • umesh | ১৫ আগস্ট ২০০৮ ১৬:১১697330
  • শিক্ষা-ই সব। শিক্ষিত হলে মানুষ নিজেই বাকি সব খুজে নেবে। স্বাস্থ্য সচেতনা, জনসংখ্যা সমস্যা, সব কিছুর মুলে-ই তো শিক্ষা।
    কিন্তু শিক্ষিত হলে যে, যারা ক্ষমতা তে ছিলো আর আছে সেই সব রাজনৈতিক নেতা দের সমস্যা।
    শিক্ষিতরা প্রশ্ন করে যে।
    শিক্ষিতরা দাবী দাওয়া গুলো বুঝে ফেলে যে।
  • Du | ১৫ আগস্ট ২০০৮ ১৯:১৩697331
  • জলাজমিতে শিল্পের প্রস্তাব এবং তাতে বিরোধীপক্ষের সহায়তা(?)র প্রস্তাব দেখলাম। ভালো প্রস্তাব। জলা সরকারের সহায়তায় বোজানো হোক কারণ ওটা এমনিতে বোজানো যায় না। এবার কারখানা হবার পর নন জলাটা অন্যেরা বুঝে নেবে।
  • aja | ১৫ আগস্ট ২০০৮ ২০:১১697332
  • একটা থট এক্সপেরিমেন্ট হোক।

    প্রস্তাব: চাকরি চলে যাবে, কিন্তু তার বদলে কোন একটা কোর্স করার খরচ দেওয়া হবে (ধরা যাক চার বছরের)। কোর্সটি করার পরে আরো ভাল চাকরি পাবার সম্ভাবনা ষাট শতাংশ, একই রকম চাকরি পাবার সম্ভাবনা তিরিশ শতাংশ আর আরো খারাপ চাকরি পাবার সম্ভাবনা (ইকনমিক আনসার্টেনটি, বয়স ইত্যাদি কারণে) দশ শতাংশ।

    বাধ্য করা না হলে এমন প্রস্তাব কজন গ্রহন করবেন?
  • shyamal | ১৫ আগস্ট ২০০৮ ২০:৩৯697333
  • অজ,

    এই খরচ দেওয়া হবে তে আমার আপত্তি আছে। সবাই অ্যাডাল্ট, নিজের কেরিয়ার নিজে নিয়ন্ত্রণ করবে, দরকার হলে পরিবর্তন করবে। কিন্তু সরকার বিনা পয়সায় সোশ্যাল ওয়ার্কার দিতে পারে যারা বলবে, আপনার এই এই অপশন আছে। বলছিনা, আরো অপশন নেই। কিন্তু আমরা এগুলো শর্ট লিস্ট করেছি।
    কোর্স, ট্রেনিং সব মানুষ নিজের খরচায়, দরকার হলে লোন নিয়ে করবে। এটা ঝুঁকি, কিন্তু যে কোন অ্যাডাল্টেরই কিছু ঝুঁকি নিতে হয়।

    আমি যখন এম এস করতে আসি, দেখলাম ক্লাসে অনেক বয়স্ক মেক্যানিকাল ইঞ্জিনিয়ার। অটোক্যাড ইত্যাদি আসায় তাদের ডিজাইনের চাকরি চলে গেছে। তারা অটোক্যাড বন্ধ করার মিছিল করেনি। এও বলেনি যে কোম্পানী অটোক্যাড ব্যবহার করলে আমাদের ভর্তুকি দিতে হবে।

    তারা গাঁটের পয়সা খরচ করে কম্প সায়েন্সে এম এস করছে কারণ খুব সম্ভবত: পাশ করলে ভাল চাকরী পাবে।
  • aja | ১৫ আগস্ট ২০০৮ ২০:৪৭697334
  • প্রশ্নটা ছিল প্রায়োরিটির। অর্থাৎ আমার প্রস্তাব স্বেচ্ছায় কজন গ্রহণ করবেন।
  • c | ১৫ আগস্ট ২০০৮ ২০:৫১697335
  • শ্যামল এসে গেছে,এদিকে হনু হাওয়া! অথচ এতদিন হনুর কী অবস্থা!
  • Arijit | ১৮ আগস্ট ২০০৮ ১০:১৫697336
  • আহাহা সারকাজম কেন - মনে হল সিপিএমফোবিয়া ধরেছে। সময়ে ইঞ্জেকশন না নিলে ব্রাত্য বা শুভাপ্রসন্ন হবার চান্স আছে, হয়তো সে স্টেজ পেরিয়েও গিয়ে থাকতে পারে...সবই "পার্টি পড়ানো' শুনলে এ ছাড়া আর কি বলার থাকে ভাই?
  • Arijit | ১৮ আগস্ট ২০০৮ ১০:২৫697337
  • টাটা গেলে অন্য কেউ এসে যাবে এটাও সরলীকৃত ধারণা, এবং সম্ভবত অন্য কোন পার্টি পড়ানো। কারখানা তৈরী হয় একটা প্ল্যান থেকে, সেখানে অন্য একটা কারখানা - সেই একই প্ল্যানে...আপনারা তো শিবিলে নোবেল পেয়ে যাবেন মশাই এটা করতে পারলে। গাড়ির কারখানার স্ট্রাকচারে ফুড প্রসেসিং করে ফেলতে পারলে...

    এই যুক্তিটা হাস্যকরও মনে হল না, বরং অনুকম্পার যোগ্য। সারকাজম নয় - প্র্যাক্টিকাল কথা। নেহাত ইমপ্র্যাক্টিক্যাল হলে কোন sane মানুষ এগুলো বলে না।

    টাটা চলে গেলে যেটা হবে সেটা হল একটা বড় ইনভেস্টমেন্ট নষ্ট, এবং নতুন করে আবার কাউকে ইনভেস্টমেন্ট করে স্ট্রাকচার পাল্টাতে হবে। বা কেউ যদি ওই স্ট্রাকচারে সব করে ফেলতে পারে সেরকম লোক খুঁজতে হবে...সেটা সম্ভব বলে মনে হয় না।

    আগেই বলেছি - ক্ষতি যা হবার হয়ে গেছে, সেটা আগে আটকানো যেত - আটকানো হয়নি, এখন মাঝপথে বন্ধ করাটা আরো ক্ষতিকর। গেলো গেলো নয়, হয়তো অন্য কোথাও অন্য কিছু হবে, কিন্তু ওই পার্টিকুলার জায়গাটা আর সেখানে হওয়া ইনভেস্টমেন্ট পুরো জলে যাবে।
  • Arijit | ১৮ আগস্ট ২০০৮ ১০:৩১697338
  • ** ইমপ্র্যাক্টিক্যাল না হলে **

    মেট্রো সেন্টারে একখান M&S Life ছিলো - মাস ছয়েক চলে বন্ধ হয়ে গেলো। তারপর সেখানে অন্য একটা শোরুম হল - কিন্তু ভিতরে পুরো পাল্টানোর জন্যে প্রায় আরো ছয় মাস বন্ধ ছিলো। এটা শুধু একটা দোতলা শোরুম। এবার এক্সট্রাপোলেট করে ভাবুন যে একটা কারখানা যার অর্ধেকের বেশি কাজ হয়ে গেছে সেটা বন্ধ হয়ে গেলে সেটাকে পাল্টে অন্য কিছু করা মানে কি হতে পারে। কে করবে সেখানে এক্সট্রা ইনভেস্টমেন্ট আর কেনই বা করবে?

    KEIP-র প্রোজেক্টে ভুল প্ল্যানিং-এ আটশো কোটি টাকা নষ্ট হলে তো এই ইস্যুতেই চেঁচামেচি হয়।
  • Arijit | ১৮ আগস্ট ২০০৮ ১০:৩৬697340
  • আর মধ্যবিত্ত চেয়েছে বলে শিল্প হয়েছে সেটাও আমি মনে করি না। বেশি বিটুইন দ্য লাইনস পড়তে গেলে এই সমস্যা হয়, ফোবিয়ায় ভুগলে তো আরো বেশি। মধ্যবিত্ত শিল্পটিল্প-চাকরি-মল-হকারতোলা ইত্যাদি হলে খুশি হয়, তাই এইসব দিয়ে দিয়ে অ্যাপীজ করার চেষ্টা চলে বলেই আমার মনে হয় - অন্যকিছু যখন দেওয়া যাচ্ছে না, তখন এগুলো দিয়ে খুশি করা যাক। হ্যাঁ, পাশাপাশি অন্য ফ্যাক্টরগুলোও আছে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। না ঘাবড়ে মতামত দিন