এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • সিকি | ১৭ জানুয়ারি ২০১৮ ১০:৪৯386820
  • ফেবুতে লিখেছি। এখানেও লিখে দিই।

    বয়েস নিয়ে খোঁটা দেবার উদ্দেশ্যে আমার ছিল না। সাধারণভাবে ইন্টারন্যাশনালি এয়ার হোস্টেস আর ফ্লাইট স্টুয়ার্ডদের বয়েসের একটা উর্দ্ধসীমা থাকে, বয়েস, ওজন, অ্যাটায়ার - এই বিষয়গুলোর ওপর রিটন রুল আছে, সমস্ত এয়ারলাইনেই, শুধুমাত্র নয়নমনোহর হবার জন্যই নয়, শারীরিক ফিটনেসের জন্যেও, কোনও কারণে কোনও প্যাসেঞ্জার অসুস্থ হলে বা ফ্লাইট টার্বুলেন্সে পড়লে, এমার্জেন্সি ল্যান্ডিং করতে হলে - সব ক্ষেত্রেই এই হোস্টেস এবং স্টুয়ার্ডদের এগিয়ে আসতে হয়। পঞ্চাশোর্দ্ধতে এই ফিটনেস থাকে না বললেই চলে, এই কারণে বয়েস পেরিয়ে গেলে এয়ারলাইনে এয়ার হোস্টেসদের গ্রাউন্ড ডিউটিতে পাঠানো হয়, অথবা চাকরি শেষ করে দেওয়া হয়, যেটা ভায়েবল হয় আর কি।

    এয়ার ইন্ডিয়াতে এই জিনিসটা ফ্লাউট করা হয়, সেটা ভালো কি খারাপ আমি জানি না, কিন্তু এয়ার ইন্ডিয়া প্রয়োজনের থেকে অত্যধিক বেশি এমপ্লয়িদের চাপে ভারাক্রান্ত। তাদের চাকরি থেকে ছাড়ানো যায় না, এদিকে কম মাইনের জন্য কমবয়েসী ছেলেমেয়েরা এয়ার ইন্ডিয়াতে, মানে যাদের কাছে অপশন আছে - তারা এয়ারইন্ডিয়াতে জয়েন করে না। ফলে এয়ারইন্ডিয়াকে ঐ পঞ্চাশোর্দ্ধদের নিয়েই আকাশে উড়তে হয়। অনেক ক্ষেত্রেই গ্রাউন্ড স্টাফদের আকাশের ডিউটিতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। এবং এঁদের ব্যবহার যে প্রফেশনাল হয় না সবসময়ে - সে আমি বহুবার নিজে দেখেছি। টিপিকাল সরকারি কর্মচারি অ্যাটিট্যুড।

    সেটুকুই জেঠুজেঠিমা বলে খিল্লি করেছিলাম। এর বাইরে কিছু মীন করতে চাই নি।
  • sm | ১৭ জানুয়ারি ২০১৮ ১০:২৯386819
  • পঞ্চাশোর্ধ হলে বাই ডেফিনেশন প্রৌঢ় বা প্রৌঢ়া! জেঠু জেঠিমা বলাই যেতে পারে।
    এয়ার হোস্টস হতে গেলে বিলো ফর্টি হওয়াই উচিত। তার পরে তাদেরকে অন্যান্য এডমিন এর কাজে শিফ্ট করানো উচিত।
  • | ১৭ জানুয়ারি ২০১৮ ১০:২০386818
  • ** অন ফ্লাইট সার্ভিস দেবার জন্য পঞ্চাশ পেরোলেই
  • | ১৭ জানুয়ারি ২০১৮ ১০:১৯386817
  • পঞ্চাশোর্ধ হলেই জ্যেঠু জ্যেঠিমা!! আর ওন ফ্লাইট সার্ভিস দেবার জন্য পাশ পেরোলেই সক্কলের ক্ষমতা চলে যায়।

    বা বা বা বা বা বা বা বাহ!
    গুরুর যাবতীয় পঞ্চাশোর্ধগণ হবে নাকি সবাই মিলে একদফা হাততালি
  • sm | ১৭ জানুয়ারি ২০১৮ ১০:১৪386816
  • একেই বলে সরকারের হাতি পোষা!অমনি স্টেট ব্যাংক ও আছে। পৌনে দুই লাখ কোটি টাকার অনাদায়ী ঋণের বোঝা নিয়েও লাভজনক সংস্থা!
  • সিকি | ১৭ জানুয়ারি ২০১৮ ০৯:৪১386815
  • আরে কল্লোলদার জন্মদিন নাকি? হ্যাবাড্ডি হ্যাবাড্ডি।
  • সিকি | ১৭ জানুয়ারি ২০১৮ ০৯:৩৪386814
  • হজের সাবসিডি বন্ধ নিয়ে সরকার কী বলছে আর দেশদ্রোহী জনতা কী বলছে, সে এতক্ষণে সবাই পড়ে ফেলেছেন। মোটামুটি হিসেবটা এই রকমঃ

    ভারতে মোট হজের সাবসিডি দেওয়া হয়ঃ বছরে ৬৫০ কোটি টাকা।
    তীর্থযাত্রী-প্রতি সাবসিডিঃ ৪৩,০০০ টাকা।
    হজের জন্য (দিল্লি থেকে) সৌদির রিটার্ন এয়ারফেয়ার, অবশ্যই এয়ার ইন্ডিয়াতেঃ ৭৩,০০০ টাকা।
    ঐ একই এয়ারফেয়ার অন্য এয়ারলাইন্সে, যেমন সৌদি এয়ারলাইন্সঃ ২৮,০০০ টাকা।

    মনে, একই সেগমেন্টে ফ্লাইটের খরচা অন্য এয়ারলাইন্সের থেকে এয়ারইন্ডিয়ার ৪৫,০০০ টাকা বেশি। এই টাকাটা সাবসিডি হিসেবে আসলে কাকে দেওয়া হত? না, মুসলিম তীর্থযাত্রীদের নয়, এয়ারইন্ডিয়াকে। এয়ারইন্ডিয়া কিনা ডিসইনভেস্ট হচ্ছে, তাই এখন মুসলিমদের উন্নয়নের ধুম পড়ে গ্যাচে।

    তামাম হিন্দুস্তানে কেসচা-দের একটা দারুণ জিনিস দেওয়া হয়, চার বছরের ব্লকে তিনবার এলটিসি। দুবার হোমটাউন একবার অল ইন্ডিয়া, আবার চাইলে দুটোর মধ্যে একটাকে কনভার্ট করে আন্দামান, জম্মু-কাশ্মীর, কিংবা নর্থ ইস্টের প্যাকেজ বানিয়ে নেওয়া যায়।

    কী রকম এলটিসি? ধরুন, আপনি যাবেন দিল্লি থেকে কোচি। এমনি টিকিটে, এমনকি এয়ারইন্ডিয়ার টিকিটেও আসা যাওয়ার খরচ - খুব বেশি হলে বিয়াল্লিশশো তেতাল্লিশশো করে - সাড়ে আট হাজার টাকা। সেই টিকিট এয়ারইন্ডিয়ার এলটিসি ফেয়ার কত জানেন? একুশ হাজার টাকা এক এক পিঠে - মোট বিয়াল্লিশ হাজার টাকা।

    মনে, তিনজনের ফ্যামিলিতে যে টিকিট এমনি কাটলে সবশুদ্ধ ছাব্বিশ হাজার টাকায় টু অ্যান্ড ফ্রো টিকিট হয়ে যায়, সেটার এলটিসি ফেয়ার হয় এক লাখ ছাব্বিশ হাজার টাকা।

    এই টাকায় টিকিট কাটতে হয় কেসচাদের, তারপরে সেইটা এলটিসিতে ক্লেম করলে আবার পুরো টাকাটা কেসচা ফেরত পেয়ে যায়। সাবসিডি আসলে যায় এয়ারইন্ডিয়ার কাছে। এই কারণেই কেসচাদের এলটিসি ক্লেম করতে হলে এয়ারইন্ডিয়া ছাড়া গত্যন্তর থাকে না।

    আর এত খচ্চার পরেও এয়ারইন্ডিয়ার ফ্লাইটে সার্ভিস দেন জেঠু জেঠিমারা - এয়ার হোস্টেস এবং স্টুয়ার্ডের ভূমিকায়। রীতিমত পঞ্চাশোর্দ্ধ জনতা।

    হজের সাবসিডি গেছে, এবার একটু কেসচাদের উন্নতিকল্পে এলটিসির সাবসিডিটা বন্ধ করে দিলেই হয়। এয়ারইন্ডিয়া তো চার টুকরো হচ্ছেই।
  • pi | ১৭ জানুয়ারি ২০১৮ ০৯:২৫386813
  • কল্লোলদাকে জন্মদিনের অনেক শুভেচ্ছা!
  • ছাগল | ১৭ জানুয়ারি ২০১৮ ০৮:২৩386812
  • আমাদের দাম কমালে, আন্দোলন করব, শরীরের শেষ রক্ত দিয়ে শহরে যে কটা ট্রাম আছে সব গুঁতিয়ে দেব
  • Atoz | ১৭ জানুয়ারি ২০১৮ ০৮:১১386811
  • দাম আর কমবে না বলছেন? ঃ-(
    ভাবছিলাম বিজেপির কোনো সুফল থাকতে পারে কিন। এই একটা পেয়েছিলাম সম্ভাবনা। তাও নাকচ।
  • T | ১৭ জানুয়ারি ২০১৮ ০৮:১০386810
  • ছাগলদের স্বাদ হয়, ইকোনমিক্স হয় না।
  • dc | ১৭ জানুয়ারি ২০১৮ ০৮:০৯386809
  • আর ঠাকুর বেঁচেছিল রামলালের ভালোবাসায়।

    নাঃ আর কিছু লিখলাম না।
  • dc | ১৭ জানুয়ারি ২০১৮ ০৮:০৮386808
  • ডিম্যান্ড কমলে সাপ্লাইও তো কমে যাবে! ঃ(
  • Atoz | ১৭ জানুয়ারি ২০১৮ ০৮:০৭386807
  • এক্কেবারে। ঃ-)
    একজন আবার বললো ৪০০ টাকা দাম হয়েছে!!!!
  • T | ১৭ জানুয়ারি ২০১৮ ০৮:০২386806
  • মার্কেটে নানারকম ছাগলদের আমদানি দেখেই কি আতোজের মুর্গী আর পাঁঠার কথা মনে পড়ল?
  • T | ১৭ জানুয়ারি ২০১৮ ০৮:০০386805
  • হাত কাটার পরও ঠাকুর বেঁচে ছিলো স্রেফ আত্মমর্যাদার জোরে। গব্বরের সাথে এটা সম্পূর্ণই ইগোর লড়াই, 'আর্মস' রেস তো নয়। :)
  • Atoz | ১৭ জানুয়ারি ২০১৮ ০৭:৫৪386804
  • দেখুন বিজেপি এসে যদি অনেক লোককে নিরামিষাশী করে দেয়, তাহলে কি মুর্গী আর পাঁঠার দাম একটু কমবে? মাছের দামও তো কমার কথা! ধরুন একটা ছোটো স্যাম্পল সেট নিই, একশো লোক। এই একশো লোকের মধ্যে এখন নব্বই জন মাছ পাঁঠা মুর্গী কেনে, সেই অনুযায়ী বাজারেও আসে। নতুন পরিস্থিতিতে যদি ধরুন ৬০ জনই নিরামিষ খেতে থাকে, তাহলে মাত্র ৪০ জনের জন্য আগের যোগান থাকলে তো দাম কমার কথা!
  • Atoz | ১৭ জানুয়ারি ২০১৮ ০৭:৪৮386803
  • প্রচুর গাঁদাপাতা থেতো করে লাগিয়ে দিয়েছিল হয়তো। রজন্তীকান্ত্‌ হলে তাও লাগতো না, শুধু হুঙ্কার দিয়ে রজনীকান্ত বলতেন, "বন্ধ্‌ হো"( তার তামিল বা তেলুগু ভার্সন), ব্যস, বন্ধ। ঃ-)
  • avi | ১৭ জানুয়ারি ২০১৮ ০৭:৪২386802
  • এটা আমার প্রশ্ন ছিল আগে। শোলে সিনেমায় হাত কাটার পর ঠাকুর বেঁচে থাকলেন কিভাবে? গব্বর রক্তপাত বন্ধ করার কী ব্যবস্থা নিয়েছিল?
  • Atoz | ১৭ জানুয়ারি ২০১৮ ০১:৪৩386801
  • ভালো কথা, ঠগীদের নিয়ে একটা বই বের হবার কথা ছিল না? ঠগীধরা শ্লীম্যান সাহেবের আমলের ইতিহাস?
  • Atoz | ১৭ জানুয়ারি ২০১৮ ০১:৪১386800
  • রক্তপাতে তো এমনিও মরবে অমনিও মরবে। যেকোনো ইম্পর্ট্যান্ট ধমণী টমনী কেটে দিলে আর রক্তপাত বন্ধ হতে না দিলেই মরবে। এমনকি রক্তপাত ছাড়াও মরতে পারে, ঠগীর গামছা গলায় দিয়ে প্যাঁচ মেরে শ্বাস বন্ধ করে দিলে।
  • Atoz | ১৭ জানুয়ারি ২০১৮ ০১:৩৭386799
  • পুত্রস্নেহ ধৃতুবাবুর একচেটিয়া। গান্ধারীর ক্ষেত্রে মহাভারতে পুত্রস্নেহে জোর দেওয়া হয় নি। বরং তিনি বারে বারেই ধৃতুবাবুকে কড়া কড়া স্টেপ নেবার কথাই বলতেন শোনা গ্যাছে।
  • Binary | ১৭ জানুয়ারি ২০১৮ ০১:২৬386798
  • ধর্ম অধর্ম, নীতি নীতিচ্যুতি সবের মাঝে একটাই লিংক, পুত্রস্নেহ।
  • Binary | ১৭ জানুয়ারি ২০১৮ ০১:২৪386797
  • আরে একটা খোজা করতে গিয়ে দশ জন ব্লিডিং-এ মরতো। ফাটলে বা কাটলে মরে না ঠিক-ই কিন্তু রক্তপাতে মরবে তো।
  • Atoz | ১৭ জানুয়ারি ২০১৮ ০০:১১386796
  • ইয়ে কাটলে বা ফাটলে মরে না কেউ। তাহলে দলে দলে মোগল আমলের খোজারা কেউ বাঁচতো না। আর তারো আগে, প্রাচীন আর্যরাজাদের প্রাসাদের কঞ্চুকীরাও কেউ বাঁচতো না।
  • Atoz | ১৭ জানুয়ারি ২০১৮ ০০:০৯386795
  • এই গান্ধারীর চোখঢাকা খোলার গল্পটা সম্ভবতঃ প্রক্ষিপ্ত। কারণ গান্ধারী তো খুব ধার্মিক বলে প্রোজেক্টেড মূল মহাভারতে, "যত ধর্ম স্ততঃ জয়" না কি যেন বলেছিলেন না দুজ্জোকে যুদ্ধের আগে? তিনি দুর্বৃত্ত পুত্রকে অজেয় করে দেবার জন্য নিজের চোখের ঢাকা খুলবেন যা নাকি আবার তাঁর নিজের ধর্ম, স্বামীর পূর্ণা সহধর্মিণী হবার জন্য, সে কি করে হয়? দুটো গল্প পরস্পরবিরোধী হয়ে যায়।
  • Binary | ১৭ জানুয়ারি ২০১৮ ০০:০৭386794
  • মোট কথা মেরে বি* ফাটিয়ে দিয়েছিলো
  • Binary | ১৭ জানুয়ারি ২০১৮ ০০:০৫386793
  • এর-ও আগে সেই দুর্যোধন গান্ধারীর সামনে জন্মদিনের পোশাকে যাওয়ার কথা ছিল না ? গান্ধারীর জীবনে একবার-ই চোখের ঢাকা খোলার কথা ছিল, যে দৃষ্টি দিয়ে দুর্য্যোধন কে সারা দেহে অমর করে দেবেন। কৃষ্ণ মধ্যে থেকে চুকলি কাটলো, ধিঙ্গি ছলে মায়ের সামনে ন্যাংটো হয়ে কি করে যাবে, ল্যাঙট পরে যাও। তাতে শুধু ল্যাঙট -এ ঢাকা জায়গাটুকু ভালনারেবল হয়ে রইলো। এটাও আমার থিওরির সাথে মিলে যায়।
  • Atoz | ১৭ জানুয়ারি ২০১৮ ০০:০২386792
  • উরুর শক্ত লম্বা হাড় মানে ওই ফিমারটি গদা দিয়ে ভীম না ভাঙতে পারলে দুজ্জো উঠে দাঁড়াতে পারতো। ওই হাড়টা ভেঙে দিয়েছিল বলে পড়ে গিয়ে আর উঠতে পারে নি। কৃষ্ণ ওইটিই শিখিয়ে দিয়েছিল ভীমকে, নইলে গদাযুদ্ধে হয়তো ভীম হারাতে পারতো না দুজ্জোকে।
  • Binary | ১৬ জানুয়ারি ২০১৮ ২৩:৫৩386791
  • আমার দুর্যোধনের উরু ভঙ্গ নিয়ে নিজস্ব থিওরি আছে। উরু ভঙ্গ হলে কেউ মরে না। ওটা উরু ছিল না, প্রাইভেট পার্টস ছিল। আর বস্ত্র হরণের সময় ভারী সভায় দুর্যোধন দৌপ্রদী কে সেই খানেই বসতে বলেছিলো। আমাদের মতো অর্বাচীন পাঠক-কে উরু ফুরু বলে টুপি দেওয়া হয়েছে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত