এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • ল্যাগব্যাগর্নিস | ০৪ জানুয়ারি ২০১৮ ১৬:১৯385920
  • In Pune to attend the 200th anniversary of the Battle of Koregaon Bhima, Mevani said his fight was against “Brahminism” and not Brahmins.

    “For example, there are labourers who are by caste Brahmins and are being exploited by Dalit factory owners. I will side with the labourers in such cases. Brahminism can be found among Dalits as well. Our fight must be against Brahminism,” he told The Indian Express.
  • T | ০৪ জানুয়ারি ২০১৮ ১৬:১৩385919
  • ধোর। এই বলল বুঝি জিগনেশ! মাইরি!
    কি বলছে ভালো করে মনযোগ দিয়ে শুনলেই তো হয়। নিও পেশোয়াই কি ব্যাপার সেটা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বলছে এ আসলে এক প্রভুত্বকামী শাসনব্যবস্থা (ব্রাহ্মণ্যবাদ) এবং পুঁজিবাদ এই দুইয়ের যোগফল, সুতরাং এই দুইয়ের বিরুদ্ধেই লড়াই। ভাগবতদের ব্রাহ্মণ্যবাদী মানসিকতার সাথে তোল্লাই দিচ্ছে পুঁজিবাদ। উদাহরণ হিসেবে গুজরাতের মানুষের মধ্যে বিভেদ বাড়িয়ে সেখানকার খনিজসম্পদ তুলে দিয়েছে আদানীদের মধ্যে। গুজরাত মডেল।
    এই তো সহজ ব্যাপার।
    আর ব্রাহ্মণ্যবাদকে এই নামেই ডাকতে হবে, কোনো ছাড়ছুড় নেই। মনুসংহিতার দায় নিতেই হবে। 'বরবাদ' তকমার জন্য তৃণমূল আছে তো। ঃ)
  • ল্যাগব্যাগর্নিস | ০৪ জানুয়ারি ২০১৮ ১৬:১২385918
  • ব্রাহ্মণ্যবাদ বলতে সোশ্যাল হায়ারার্কিক্যাল অর্ডারকে বোঝানো হয়, স্পেশ্যালি যেখানে ভেদাভেদ স্পষ্ট।

    এবার ব্রাহ্মণ্যবাদ কেন বলা হয়, হায়ারার্কিবাদ কেন নয়, সেটা হয়তো সোশিওপলিটিক্যাল লিঙ্গুইস্টরা বলতে পারবে (নাও পারতে পারে)। কিন্তু আপাতত সেটা জরুরী নয়।
  • sm | ০৪ জানুয়ারি ২০১৮ ১৫:৩৮385917
  • সিকি কিভাবে চচ্চড়ি রান্না করলো! হা, ভগবান। সেই কুমীরের রচনা!
    রবুর, পোস্টএ জিগনেশ নিয়ে যা আছে তার সারাংশ হল আমি ব্রাহ্মন নয় ব্রাহ্মন্য বাদের বিরুদ্ধে লড়তে চাই।একটা কারখানার মালিক দলিত হতে পারে আর কর্মচারী যেকোনো কাস্টের হতে পারে।যদি মালিক শোষক হয়, তো
    আমি কিন্তু এক্ষেত্রে লড়াই দলিতের বিরুদ্ধে করব।এটাকেই আমি ব্রাহ্মন্যবাদের বিরুদ্ধে লড়াই মনে করি।অনেক টাএরকম।সব ঠিক আছে। লড়াই করো ঠিক আছে। কিন্তু নামটা ব্রাহ্মন্যবাদের বিরুদ্ধে লড়াই হেডিং দিতে হল কেন?
    এটাকে শ্রেনিবাদের বিরুদ্ধে, বর্ণবাদের বিরুদ্ধে, জমিদারী বাদের বিরুদ্ধে বা মালিকবাদের বিরুদ্ধে যা খুশি বলা যেতো।
    এমন কি চাইলে ধান বাদ, মুর্শিদাবাদ, বস্তুবাদ, বরবাদ যা খুশী ট্যাগ দেওয়া যেতে পারতো।
    ব্রাহ্মন্যবাদ কেন? লোকে এই ট্যা গ টা খায় বলে। আর jigneshএর বক্তব্য অনুযায়ী যেকোনো কাস্টের মালিক ই কেমন ব্রাহ্মন হয়ে গেলো! ফানি তাই না?
  • sm | ০৪ জানুয়ারি ২০১৮ ১৫:০৯385916
  • মন্দিরে পুজো আর প্রেমের মধ্যে পার্থক্য আছে। প্রেম করে বিবাহ মানে দু পক্ষের (দুটি মানুষ)সম্মতি আছে, ধরে নেওয়া যায়। একপক্ষের সম্মতি তে তো বিয়ে হয়না!
    মন্দিরে চালায় একটি ট্রাস্টি। এক্ষেত্রে ট্রাস্টি অনুমতি না দিলে কিভাবে পুজো দেওয়া যাবে?
    কন্যা কুমারী মন্দিরে ঢুকতে পুরুষ দের উর্ধাঙ্গ অনাবৃত করে ঢুকতে হয়। আমি যদি জামা পরে ঢুকতে চাই, তো পুরোহিত রা আটকে দেবে। তো, আমি কি মারা মারি করবো?
    ধরা যাক, বেলুড় মঠ রাত আটটায় সিকিউরিটি কারণে বন্ধ করে দেয়া হয়। তো,আমি কি রাত নটায় ঢোকার চেষ্টা করবো?
    তবে হ্যাঁ, ডিসক্রিমিনেশন থাকলেই প্রতিবাদ করা উচিত। যদি কাউকে জাতি ও শ্রেণীগত কারণে ঢুকতে না দেওয়া হয় তো সেটার মোকাবিলা আইনগত বা রাজনৈতিক ভাবে ই করা উচিত।
    নির্বাচিত সংসদেরা যেন নিয়মিত বিষয় টি উত্থাপন করেন।
    আর নিজেদের শ্রেণীর মধ্যে মন্দির গড়ে নিতে সরকার কে ভূমিকা নিতে রাজি করান।
  • সিকি | ০৪ জানুয়ারি ২০১৮ ১৫:০৭385915
  • এসেমকে ছোট করে বোঝাবার চেষ্টা করি, অবিশ্যি আমি লিখতে গেলেই ক্লাস এইটের রচনা হয়ে যায়। ভুল লিখলে আশা করি অন্যরা ধরিয়ে দেবে।

    ব্রাহ্মণ - হিন্দু সমাজব্যবস্থার মধ্যে একটা সম্প্রদায়। শূদ্র - হিন্দু সমাজব্যবস্থার মধ্যে আরেকটা সম্প্রদায়। এই অবধি ভাবতে পারলে কোনও সমস্যা ছিল না। কিন্তু যখন ভাবা হয় যে, ব্রাহ্মণ উঁচু জাতি, শূদ্র দলিত এরা নিচু জাতি, এদের ছোঁয়া লাগলে, ছায়া লাগলেও ব্রাহ্মণ অপবিত্র হয়ে যায়, এদের পায়ের তলায় রাখাটাই বিধেয়, ব্রাহ্মণদের মাথায় তুলে রাখাটাই বিধেয় - সেইটাকে বলে ব্রাহ্মণ্যবাদ। উঁচু জাত, নিচু জাত - সেই অনুযায়ী সামাজিক ট্রিটমেন্ট - সেইটা ব্রাহ্মণ্যবাদ। কাস্টের ভিত্তিতে ডিসক্রিমিনেশন। জাতিগত বৈষম্য।

    হিন্দু একটা ধর্মীয় সম্প্রদায়, মুসলমান আরেকটা ধর্মীয় সম্প্রদায়। দুই সম্প্রদায়েরই পূজাপদ্ধতি, ভগবানের নামঠিকানা, বা টু সাম এক্সটেন্ট জীবনযাপনের পদ্ধতি আলাদা হয়। কিন্তু যখনই ভাবা হয় হিন্দুরা মহান, মুসলমানরা আতঙ্কবাদী, বা মুসলমানরা মহান, খানদানী, বীর, আর হিন্দুরা কাপুরুষের জাতি, তখনই সেটাকে বলে ডিসক্রিমিনেশন। বৈষম্য, ধর্মের ভিত্তিতে।

    জিগ্নেশের স্পীচ এখনও শুনি নি, অফিসে আছি, তবে ও ব্রাহ্মণদের নয়, ব্রাহ্মণ্যবাদকে আক্রমণ করুন - এই কথাটিই ভার্বাটিম বলেছিল কিনা জানি না, যদ্দূর মনে পড়েছে, বলেছিল - আমাদের লড়াই ব্রাহ্মণদের বিরুদ্ধে নয়, ব্রাহ্মণ্যবাদের বিরুদ্ধে।

    দুটো বক্তব্যে কিন্তু বিশাল তফাত।

    কারখানার মালিক উঁচু জাতের হতে পারে - এটা কেন ফানি মনে হল আপনার, একটু বুঝিয়ে বলবেন।
  • Ekak | ০৪ জানুয়ারি ২০১৮ ১৪:৫৬385914
  • মন্দির প্রসঙ্গে, এইযে সরকার জিএসটি চাপাচ্ছে মন্দিরের ওপর এটা লিবারাল দের আনন্দনাড়ু হয়েচে ঠিকই, তার সঙ্গে প্রাইভেট প্রপার্টি কে আরও পোক্ত করচে যার ফলে রাইট টু এডমিশন রেস্ট্রিক্ট করাটা ইন ফিউচার লিগালাইসড শেপ পাবে। তারই একটা স্টেপ হলো। তবে, যদিও ট্যাক্স মানেই চুরি কিন্তু সবার যখন গাঁট কাটা যাচ্ছে। মন্দিরের ও যাক, আমি খুশি।
  • | ০৪ জানুয়ারি ২০১৮ ১৪:২৩385913
  • রবাহুত লিখেছেন
    "মন্দিরে ঢুকতে না পারা নিয়ে হইচই হয় যেমন শবরীমালা - একেও আমি আপদ মনে করি। যেখানে এতদিন ঢুকতে দেওয়া হয়নি সেই জায়গাটিকে ভেঙে না দিয়ে বা নিদেনপক্ষে গুরুত্ত্বহীন করে না দিয়ে ওই একই সিস্টেমে নিজেকে একোমোডেট করে কি চতুর্বর্গ লাভ হয় বুঝিনা। "

    প্রায় সিমিলার লজিক দিতে দেখেছি অনেক প্রেমের বিয়ে মেনে নিতে না চাওয়া বাবা-মা'দের।
    "আরে এত কি বিয়ের তাড়া? ঐ ছেলে/মেয়ে চাড়া কি আর দেশে অন্য ছেলে/মেয়ে নেই?" ইত্যাদি।
  • de | ০৪ জানুয়ারি ২০১৮ ১৪:১১385912
  • আবাপর পত্রিকায় সাবিত্রীবাইকে নিয়ে লেখা বেরিয়েছিলো না? পুরো এই পয়েন্টগুলোই সেখানেও ছিলো -
  • অভিষেক রায় | ০৪ জানুয়ারি ২০১৮ ১৪:০৭385911
  • কাল মহারাষ্ট্রে দলিত সম্প্রদায়রা হরতাল ডেকেছে, দুদিন আগেই তাদের একটি পদযাত্রার ওপর অতর্কিতে হামলা চালানো হয়। তাতে একজন মারা গেছে ও অনেকে আক্রান্ত। পদযাত্রাটিও ছিল ১৮১৮ পেশয়া বালাজী বাজী রাওর বিরুদ্ধে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি’র বিজয় উৎসবের দুশো বছরের উদযাপন। ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির ওই সেনা দলে অধিকাংশই ছিল দলিত সম্প্রদায়ের মানুষ। দেশীয় শ্রেণী শত্রুদের ঔপনিবেশিক শাসককুলের সাহায্যে পরাজিত করতে পারা উৎসব ছিল কি এটা ? ঘটনাটা খুব সহজ নয়। এই ঘটনায় মনে করিয়ে দেয়, আমাদের দেশে দলিত সম্প্রদায় ও শাসক দলের চিরাচরিত সমস্যাটা এখনো কত জলন্ত। আমার লেখাটা এই সাম্প্রতিক ঘটনাকে কেন্দ্র করে নয়। বরং অনেকটা পিছনে ফিরে ইতিহাসের দৃষ্টিকোণ থেকে একটু ফিরে দেখা। ঘটনাচক্রে ৩রা জানুয়ারী ছিল এমন এক মানুষের জন্মবার্ষিকী, যার জীবন দলিত সংগ্রামের সূচনাটা দেখতে সাহায্য করে। তিনি হলেন সাবিত্রীবাঈ ফুলে (৩রা জানুয়ারী ১৮৩১- ১০ মার্চ ১৮৯৭) দলিত সম্প্রদায়ভুক্ত এক অসামান্যা নারী। জন্মেছিলেন মহারাষ্ট্রের সাতারা জেলার নওগাঁও এ। দেশের প্রথম মহিলা শিক্ষিকা। সাবিত্রীবাঈ যে সময়ে সমাজসেবার কাজে শুরু করেন অর্থাৎ ১৮৪০ এর শেষ ও ’৫০ এর শুরুতে, ১৮৫৭ র মহাবিদ্রোহেরও পূর্বে, সেই সময়ে স্ত্রী শিক্ষা ও স্ত্রী স্বাধীনতায় যারা অগ্রণী ভূমিকা নিচ্ছেন তারা সকলেই ব্রিটিশ প্রেসিডেন্সির অন্তর্ভুক্ত শহরাঞ্চলে পাশ্চাত্য শিক্ষায় শিক্ষিত উচ্চবর্গীয় পুরুষ। সাবিত্রী বাঈয়ের মত একদম নিম্নবর্গীয় সমাজের, যে সমাজে পুরুষরাই শিক্ষা পাননা, সেই শ্রেনী থেকে এক নারীর সমাজকল্যাণের কাজে এগিয়ে আসাটা একটি অভাবনীয় ঘটনা ছাড়া আর কি বলা যায়! এইরকম উদাহরণ আর আছে বলে আমার জানা নেই! অথচ তিনি ইতিহাস ও জনস্মৃতি থেকেও কি ব্রাত্য।

    তাঁর সময়ের পরে দেশের অন্যান্য যে মহিলারা পাদপ্রদীপের আলোকে এসেছিলেন, তারা সকলেই ছিলেন উচ্চবর্গীয় সমাজভুক্ত, কমবেশী পাশ্চাত্য শিক্ষায় শিক্ষিত। তাই হয়ত ইতিহাসও সাবিত্রীবাঈকে মনে রাখেনি। আমাদের দেশ কোনোদিনও মনে রাখেনা দলিতদের। তিনি তাই হারিয়ে গেছেন ইতিহাসের পাদপ্রদীপের তলায়।

    মহারাষ্ট্রে জ্যোতিরাও ফুলে আজ থেকে প্রায় ১৭০ বছর আগে জাতিবাদ, ব্রাহ্মণ্যবাদ, ধর্মীয় অনুশাসন, লিঙ্গ ভিত্তিক অসাম্য, পিতৃতন্ত্রের বিরুদ্ধে এক বৃহত্তর সংগ্রাম ও সংস্কার যজ্ঞ শুরু করেন। পরবর্তীকালে বি. আর. আম্বেদকার যে জাতীয় দলিত আন্দোলন শুরু করেছিলেন, জ্যোতিরাও ফুলে তার প্রায় ৭৫ বছর আগেই তার সূচনা করেন। জাতিতে মালি জ্যোতিরাও ফুলে ছিলেন আম্বেদকারের আদর্শ স্বরুপ। মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধীকে দেশবাসী ‘মহাত্মা’ আখ্যা দেবার আগেই জ্যোতিরাও কে ‘মহাত্মা’ বলে সম্বোধন করেছিল। এই ব্যাপক সমাজ সংস্কার কর্মযজ্ঞে তিনি পাশে পেয়েছিলেন সহধর্মিণী সাবিত্রীবাঈকে। জ্যোতিরাও যে সময়ে সমাজ সংস্কারের কাজ শুরু করলেন, সেই সময়ে বাংলায় বিদ্যাসাগর কাজ করছেন, রামমোহন রায় তার কিছু বছর আগেই অনেক কাজের সূচনা করেছেন। এর আগে পরে পশ্চিম ভারতে মহারাণা গোবিন্দ রানাডে, আত্মারাম পাণ্ডুরাম বা দণ্ড কেশব কার্ভেও যে ব্যাপক সংস্কার কর্ম শুরু করেন তারা প্রায় সকলেই ছিলেন জাতিতে উচ্চবর্গীয়, শহরাঞ্চলের এবং পাশ্চাত্য শিক্ষায় শিক্ষিত। তার সঙ্গে পেয়েছিলেন দেশীয় ও ঔপনিবেশিক শাসক সম্প্রদায়ের বিশিষ্ট কৃতি ব্যক্তিগণ।

    জ্যতিরাও ও সাবিত্রীবাঈ ফুলের সংগ্রাম ছিল একার লড়াই।

    ১৮৪৮ এ ফুলে দম্পতি পুনায় একটি বালিকা বিদ্যালয় খোলেন। ভাবতেও গায়ে কাঁটা দেয়, যে বড় শহরে সেই যুগে মেয়েরা ছিলেন অসূর্যস্পর্শা, ১৭ বছরের সাবিত্রীবাঈ পড়াশোনা শিখে নিজেকে তৈরি করে পুনার মত একটি ব্রাহ্মণ অধ্যুষিত ছোট শহরে মেয়েদের শিক্ষা দেবার ব্রত শুরু করেন। কি ভাবে জোগাড় করছিলেন ছাত্রীদের? কতগুলো দরজা তার মুখের সামনে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল, মাথায় পরেছিল পাথর !! পুনায় থাকতে শুনেছি সমাজ এতই রুষ্ট ছিল এই কাজে যে তাদের বাড়ির সামনে সব নোংরা ও মলমূত্র ত্যাগ করে যেত।

    ভাবতে বেশ শিহরণ লাগে যে এক দলিত দম্পতির প্রতিষ্ঠিত এই অভিনব অনামা বালিকা বিদ্যালয়টি দেশের প্রথম বালিকা বিদ্যালয়। কলকাতায় বেথুন স্কুল প্রতিষ্ঠা পায় তার পরের বছর ১৮৪৯ এ। কলকাতা তখন ব্রিটিশ ভারতের রাজধানী ও বেথুন প্রতিষ্ঠার পিছনে ছিলেন দেশী, বিদেশী সব বিখ্যাত শিক্ষাবিদেরা।
    শুধু স্ত্রী শিক্ষাই নয়, তার সময়ের থেকে বহু যোজন এগিয়ে যাওয়া সাবিত্রীবাঈ আরও অনেক সমাজ সংস্কার মূলক কাজকর্মের সূচনা করেন। ধর্ষিতা অন্তঃসত্ত্বা মেয়েরা যারা সমাজে জন্তুজানোয়ারের চেয়েও অচ্ছুৎ তাদের আশ্রয়ের ব্যবস্থা করছিলেন তিনি। ভাবা যায়? তাঁর সমাজ সংস্কারের মধ্যে ছিল অসবর্ণ বিবাহ প্রচলন, ব্রাহ্মণ পুরোহিতহীন ও কোনোরকম পণহীন বিবাহ প্রথা। আজকের দিনের হিসেবেও বেশ চমকে দেবার মত, না? ২০১৭ তেও নিজের ধর্ম ও জাতের বাইরে বিবাহ করলে বাবা-মা সন্তানদের সগর্বে হত্যা করে। তার ওপর ‘লভ জেহাদ’ তো এখন হট টপিক। নিজেদের সময়ের থেকে কতটা এগিয়ে ছিলেন ফুলে দম্পতি? সমাজের তর্জনী উপেক্ষা করে স্বামী জ্যোতিরাও এর মৃত্যুর পরে তাঁর মুখাগ্নি করেন সাবিত্রীবাঈ।

    ঘটনাগুলো শুনতে যত রোমাঞ্চ লাগে আমাদের, আসলে তাদের সময়ে কাজটা ছিল সীমাহীন কষ্টের। একটা একটা করে পথের কাঁটা তুলে এগোতে হয়েছিল তাদের। মিলেছিল শুধু ধিক্কার আর নানারকম নিপীড়ন।
    এই কর্মময়ীর জীবনদীপও নিভেছিল পরের সেবা করতে করতেই। ১৮৯৭ এ পুনায় প্লেগ রোগ মহামারী আকার ধারণ করে। সাবিত্রীবাঈয়ের পালিত পুত্র প্লেগ রুগিদের সেবায় একটি হাসপাতাল খোলেন, সাবিত্রীবাঈ এগিয়ে আসেন সেবার কাজ করতে এবং এই সেবার কাজে করতে করতেই প্লেগ রোগই তাঁর মহান জীবন ছিনিয়ে নেয়।
    আজ ও যখন আমরা বিভিন্ন সংখ্যালগু নিপীড়ন ও অসাম্য লড়াইয়ে সামিল হই তখন আমাদের মনে রাখা উচিত সাবিত্রীবাঈ ফুলে, জ্যোতিরাও ফুলের মত ব্যক্তিত্বরা ছিলেন এই সব সংগ্রামের পথ প্রদর্শক।
    তাঁরা আমাদের দিয়ে গেছেন তাঁদের সব, পরিবর্তে আমরা তাঁদের শুধু দিতে পারি আমাদের কুর্নিশ এবং তাঁদের স্মরণ করা।

    তিনি আজও খুব প্রাসঙ্গিক।
  • একক | ০৪ জানুয়ারি ২০১৮ ১৩:৫৯385910
  • আগের প্রশ্ন রোবুকে।
  • একক | ০৪ জানুয়ারি ২০১৮ ১৩:৫৭385909
  • এই সেভেনটি পার্সেন্টের মধ্যে কত পার্সেন্ট মফস্বলী ?
  • Rabaahuta | ০৪ জানুয়ারি ২০১৮ ১৩:৫৬385908
  • এসেমের একটা কমেন্টে কিছু ঐকমত্য অনুভব করছি। ব্রাহ্মণ্যবাদের কাস্টমার তো ব্রাহ্মণ অব্রাহ্মণ দুইই, বা মূলত অব্রাহ্মণ। কাটিয়ে দিলেই হয়। তবে সেটা কাটানোর জন্যে সেই ব্রাহ্মণ্যবাদ থেকে হবে বা অব্রাহ্মণ অস্মিতা টাইপ সেটা আবার একটু গোলমেলে ও বিভেদমূলক।

    মন্দিরে ঢুকতে না পারা নিয়ে হইচই হয় যেমন শবরীমালা - একেও আমি আপদ মনে করি। যেখানে এতদিন ঢুকতে দেওয়া হয়নি সেই জায়গাটিকে ভেঙে না দিয়ে বা নিদেনপক্ষে গুরুত্ত্বহীন করে না দিয়ে ওই একই সিস্টেমে নিজেকে একোমোডেট করে কি চতুর্বর্গ লাভ হয় বুঝিনা। ধৰ্ম মানেই রিগ্রেসিভ, আন্দোলন করে দাবী আদায় তো হলো, কিন্তু তাতে প্রতিষ্ঠানের খদ্দের বাড়লো, ফাণ্ড মোটা হলো, আরও চারটি রিগ্রেসিভ প্রথা জল হাওয়া পেল। এর থেকে দাবীটা যারা যেতে পারে তারাও যাবেনা এমন হলে ভালো হত। হুন্ডিতে টান পড়লে ভগবান আপনি উদার হতেন।

    আমাদের প্রতিবেশী ছিলেন ফণীভূষণ ভট্টাচার্য, ত্রিপুরার রাজপুরোহিত না সভাপণ্ডিত কি যেন ছিলেন রাজার আমলে। ভয়ানক রক্ষণশীল বৃদ্ধ। তো আমাদের বাড়িতে পুরোহিত ডেকে পুজো টুজোর পাট ছিলনা কোনকালে; একসময়, ক্লাস থ্রি ফোর হবে, আমার মনে হলো সবার বাড়িতে সরস্বতী পুজো হয় আমাদেরও হওয়া দরকার। ছোটখাটো মূর্তি ফল পাকুড় উপকরণ কেনা হলো কিন্তু পুজোটা কি ভাবে হবে; মা পাঠালো ফণীবাবুর কাছে, পৌরহিত্য শিখতে। তা তিনিও সাগ্রহে শিখিয়ে দিলেন, রীতিমত মন্ত্র তন্ত্র লিখে দিলেন। শিক্ষানবিশ পুরোহিত যে ব্রাহ্মণসন্তান নয় সে বিষয়ে কোনরকম মাথা না ঘামিয়ে। সেই সময় কিছু মনে হয়নি, পুরো ব্যাপারটাই অতি স্বাভাবিক মনে হয়েছে, কিন্তু এখন একটু অবাক লাগে।
    আসলে হয়ত সব আপাত গোঁড়ারা তত নয়ও সবসময়।

    তাতে অবশ্য ব্রাহ্মণ্যবাদ কম আপদ হয়না, ব্যক্তিগত স্মৃতি নেহাত।
  • রোবু | ০৪ জানুয়ারি ২০১৮ ১৩:৪৯385907
  • যদিও জানি, আবারো আরো প্রশ্ন আসবে, তবুও বলি, সংরক্ষিত লোককে ডাক্তারের পদবি নিয়ে চিন্তা করতে দেখিনি।
  • Ekak | ০৪ জানুয়ারি ২০১৮ ১৩:২৪385906
  • এই ব্রাহ্মণ্যবাদ কে আক্রমণ করো কিন্তু ব্রাহ্মণ নয় টাইপের কথাগুলো শুনতে বেশ আইডিয়াল কিন্তু রেপ্লিকেবল স্টান্স নয়। মানে যেমন ধরুন আরেকটাগালভরা কথা নারীবাদী প্রাবন্ধিকরা লেখেন যে পুরুষতন্ত্রকে আক্রমণ করা হচ্ছে পুরুষ নয়। এসব লিখলে প্রবন্ধ বেশ পোষ্টাই হয় আর কী :) বাস্তবে যা দেখা যায় তা হলো মেয়েরা মিলে কোনো একটি পার্টিকুলার কেসে যে শরীরে পুরুষ তাকেই হাউন্ড করছে এবং যে শরীরে নারী তাকে ইনোসেন্ট ধরে নিয়েছে। জিগ্যেস কোলে বলবে সেই হাজারহাজার বছর ধরে পুরুষ নারীকে ম্যাও ম্যাও ম্যাও ম্যাও জনস্থানমধ্যবর্তী প্রশ্রবনগিরি ইত্যাদি ইত্যাদি। এবং পুরুষতন্ত্র টা গুলি মেরে পুরুষ কে হাউন্ড করে যাবে যতক্ষণ না আবার কোনো মহিলা ও তাদের বিরুদ্ধে বলেন। তখন আবার নতুন টার্গেট পাওয়া যাবে যে হাজার হাজার বছর ধরে পুরুষতন্ত্রের দ্বারা ব্রেইন ওয়াশ হওয়া মহিলা ইত্যাদি ইত্যাদি।

    তো এই আরকি। আইডেন্টিটি পলিটিক্স জিনিষটা আদতে বেবুনের পাছুর মতো। যে যেভাবে যখন পারে উঁচু করে নাচিয়ে নেয়। নাচানোর জন্যে সুবিধেমতো থিওরি। উল্টোটা নয়। পারলে ডিরেক্টলি হারামি ব্রাহ্মণকে আক্রমণ করুক না, সে বেলা সেফ খেলে হাত ধুয়ে ফেলে ব্রাহ্মণ্যবাদের বেবুনপাছু দেখানোর কী দরকার :):)
  • sm | ০৪ জানুয়ারি ২০১৮ ১২:৫৮385905
  • লসাগু থ্যাংকস।উত্তর টা থিও রিটি ক্যালি কিছুটা ঠিক আছে। কিন্তু জিগনেশের কনসেপ্ট এর সঙ্গে মিলছে না।
    আরো কিছু বলার আছে।
  • de | ০৪ জানুয়ারি ২০১৮ ১২:৫৩385904
  • SC,ST,OBC হলে লোকে আগে থেকেই ধরে নেয় যে কোটায় পড়াশুনো করেছে - তার একটা এফেক্ট তো আছেই - বিশেষতঃ কম্পিটিটিভ পরীক্ষার কাট-অফ মার্কস গুলো জেনারাল আর আদার ক্যাটিগোরিতে খুবই আকাশ-পাতাল! এবার এটার এফেক্ট জব পাওয়ার ক্ষেত্রে খুবই পড়ে -
  • sm | ০৪ জানুয়ারি ২০১৮ ১২:৪৩385903
  • আমি একটা কথা বুইতে পারিনা দু একটা ছোট খাটো প্রশ্ন করতেই পোলাপান একসঙ্গে ঘোঁত ঘোঁত করতে শুরু করেছে।
    এই কম্যুনিটি ফিলিং টা ভালো।
    আমার প্রথম প্রশ্ন ছিল রবু কে। হয় তো প্রশ্নের মর্মার্থ বুঝতে পারেনি।
    তা, তুমি বললে তোমার চেনাজানা অধিকাংশ লোকজন ডাক্তারের পদবী দেখে চিকিৎসা করাতে যায়। অর্থাত লোকজন উঁচু কাস্ট এর পদবী দেখে বেশি ছুটে যায়। কি ঠিক তো?
    যদি ধরে নি, ঠিক বুঝেছি, তাহলে তোমার চেনা জানার মধ্যে অনেক সংরক্ষিত কাস্টের জনতা আছে নিশ্চয়। তাঁরা কি প্রেফার করে?সিম্পল প্রশ্ন। ও কেন করে বলে মনে হয়?
    আরে বাবা তুমি তোমার পোস্ট মারফত কিছু বলতে চেয়েছ তো?আমি খালি একটি প্রশ্ন রেখেছি।
    দুই, ঝুড়ি কোদাল যখন নিয়ে এয়েছ। তখন একটু ব্রাহ্মন ও ব্রাহ্মণ্যবাদটা বুঝিয়ে দাও না কেন?
  • de | ০৪ জানুয়ারি ২০১৮ ১২:৩৯385901
  • এইসব করে NRC থেকে বেশ লোকের নজর হঠে গেছে - নাহলে এটাও একটা বড় লেভেলের খেলা -
  • lcm | ০৪ জানুয়ারি ২০১৮ ১২:৩৯385902
  • আমি বলছি...

    ব্রাহ্মণ হল একজন মানুষ, যে জন্মসূত্রে ব্রাহ্মণ।

    আর ব্রাহ্মণ্যবাদ হল এমন একটি মতবাদ এবং সমাজব্যবস্থা যার দ্বারা সমাজ নিয়ন্ত্রিত হয় এবং মানব সমাজে ব্রাহ্মণদের স্বার্থ প্রতিষ্ঠা হয়। ব্রাহ্মণদের নেতৃত্ব, ব্রাহ্মণদের স্বার্থ, ব্রাহ্মণদের পরিকল্পনা সবকিছুই প্রতিষ্ঠা করাকে ব্রাহ্মণ্যবাদ বলে। যে মতবাদকে ব্রাহ্মণরা তৈরী করেছে, ব্রাহ্মণরা পরিশ্রম করে বাঁচিয়ে রেখেছে, ব্রাহ্মণরা পরিচালনা করছে এবং ব্রাহ্মণরাই লাভবান হচ্ছে সেই মতবাদকে ব্রাহ্মণ্যবাদ বলা হয়৷

    (কাট-পেস্ট ক্রেডিট - মূলনিবাসী বার্তা )
  • T | ০৪ জানুয়ারি ২০১৮ ১২:৩৪385899
  • না না, কেউ বাদ যাচ্চে না। ঃ)

    হায়, একজন ছিল, যে লিস্টি করত। ঃ(
  • b | ০৪ জানুয়ারি ২০১৮ ১২:৩১385898
  • আমি বাদ পড়্লাম? "আপনজন"এর ফিশফ্রাই, বড়টার দাম একটু বেশি, ডেড়শো টাকা, তবে মাছে ভরপুর।
  • T | ০৪ জানুয়ারি ২০১৮ ১২:২৫385897
  • আহা, ফিশফ্রাই তো বহুচর্চিত প্রতীক মাত্র। আমরা কোপ্তা কালিয়া খেয়ে থাকব।
  • রোবু | ০৪ জানুয়ারি ২০১৮ ১২:২২385896
  • *বাদ দিলে, এ তো বোঝাই যাচ্ছে।
  • রোবু | ০৪ জানুয়ারি ২০১৮ ১২:২১385895
  • ফিশফ্রাই খেতে ভালোবাসি না।
    "এঁকে" ক্লজটা ব্যাড দিলে ফিশফ্রাই খেতে খুবই ভালোবাসি।
  • T | ০৪ জানুয়ারি ২০১৮ ১২:২০385894
  • যে এঁকে 'ব্রাহ্মন' আর 'ব্রাহ্মণ্য বাদ' বোঝাতে পারবে তাকে আমি এইবারের বইমেলায় ফিশফ্রাই খাওয়াই।
  • sm | ০৪ জানুয়ারি ২০১৮ ১২:১৬385893
  • সিকি, বোঝালেও চলবে।
  • sm | ০৪ জানুয়ারি ২০১৮ ১২:১৫385892
  • হিন্দু - হিন্দুত্ব না বোঝালেও চলবেক। এই ব্রাহ্মন আর ব্রাহ্মণ্য বাদ টা একটু ভালো করে বুঝতে চাই। লিঙ্ক ফিনক পড়তে পারবো না, আগে ভাগেই বলে দিচ্ছি। নিজের ভাষায় বোঝাও তো, প্লিজ।
  • সিকি | ০৪ জানুয়ারি ২০১৮ ১২:১২385891
  • ঝুড়ি ও কোদাল কি প্রচুর পরিমাণে আজকাল পাওয়া যাচ্ছে?
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত