এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • pi | ১৬ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৯:২৬384780
  • কিন্তু ঐ লেখা নিয়ে কিকিদির কী বক্তব্য ছিল? মাথা ঠাণ্ডা করেই বল নাহয়।
  • Atoz | ১৬ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৮:২৯384779
  • আসলে কিকি, স্কুলশিক্ষা ব্যাপারটা মেকানিকাল হয়ে গিয়ে এইরকম কান্ড হয়েছে। পুরো জিনিসটাই হয়ে দাঁড়িয়েছে স্ক্রিনিং, তাই এই অবস্থা। কত সব মহার্ঘ্য ট্রেনিং ইনস্টিটিউট দাঁড়িয়ে গেল শুধু বড়ো বড়ো স্ক্রিনিং টেস্ট গুলোর বৈতরণী পার করানোর জন্য। সবটাই তো গতে বাঁধা, ওই ওই এই এই সেই সেই ব্যাপারগুলো দুরস্ত করিয়ে দেবে, যাতে বড়ো বড়ো এনট্রান্স টেস্ট গুলো উতরে যেতে পারে। তার পরে যে কী হল, মুন্নাভাই এমবিবিএস কেস দাঁড়াল কিনা, সে আর কীকরে জানা যাবে?
  • kiki | ১৬ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৭:৫৬384778
  • আজকাল ভাট দিনে একপাতা মোটে এগোয়।ক্ষী অবস্থা!!
  • pi | ১৬ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৭:৫৩384777
  • টোকাটুকি নিয়ে অসম্ভব কড়াকড়ি আমাদেরও ছিল।
  • pi | ১৬ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৭:৫২384776
  • বাঃ, এই প্রোজেক্টগুলো ভাল তো!
  • kiki | ১৬ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৭:৪৬384775
  • বেশিরভাগ স্কুল সেই প্রোজেক্টকেই এমন করে ফেলে তা নিয়ে প্যারেন্ট্সরাই হাবুডুবু। (এটাও আগের পোষ্টে জুড়ে নিন)
  • kiki | ১৬ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৭:৪৫384774
  • আতোজ, ১১ঃ২৫ পি এম.... একদম। তাতে ছাত্রছাত্রীর আগ্রহ ও অনেক বাড়বে। শিখবেও বেশী। যদি শেখার ব্যাপার হয়, কম্পিটিশনের ব্যাপারকে দূরে রাখা হয়। কিন্তু এত জনসংখ্যার দেশে তা বুঝি হওয়া সম্ভব নয়। অবিশ্যি সারা পৃথিবীতেই। যেভাবে পিল পিল করে মানুষ বেড়ে যাচ্ছে। তাতে সিস্টেম ভেঙে আবার নতুন সিস্টেম করা খুব চাপের।

    ঋভুদের শ্রী শ্রী অ্যাকডেমিতে দেখতাম বড় ছুটি গুলোর খুব সুন্দর টাস্ক দিত। দুটো কোনো উপন্যাস পড়তে বলত। তারপর তার কোন ক্যারেক্টারের আলোচনা, নিজের ভাবনায়। ম্যাথসেও খুব মজার সব, যেমন একটা ঘর,তার সাইজ আর নানান আসবাবের সাইজ। বলা হল, এমন ভাবে সাজাও যাতে ঘরে সব চেয়ে বেশী জায়গা থাকবে হাঁটা চলার। আবার ইতিহাসে কোন একটা সময় পড়িয়ে বলা হল ঐ সময়ে তুমি চলে গেছো, কিভাবে জীবন কাটাচ্ছো লেখ।এসব। খুব মজা পেয়ে নিজেরাই করত। ছেলের জন্য আমাকে প্রোজেক্ট নিয়ে হিমসিম খেতে কখনই হয়নি। অথচ প্রোজেক্ট ও ঐ হাতে কলমে ভাবনায় শেখার জন্য শুরু মনে হয়।
  • Atoz | ১৬ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৬:৫৮384773
  • আমাদের অজপাড়াগাঁয়ের আধা সরকারী বাংলা স্কুল, সেখানেও টোকাটুকির ব্যাপারে কঠোর বিধিনিষেধ ছিল। এমনকি পরীক্ষার হলে একজন আরেকজনের দেখে দেখে টোকাও ব্যাপক কঠিন ছিল, দিদিমণিরা টহল দিতেন। বছরে বড় পরীক্ষাও মাত্র দুটি ছিল, ষাণ্মাসিক আর বার্ষিক, সেইজন্যে বিশেষ যত্ন সহকারে গার্ড দেওয়াও সম্ভব হত শিক্ষিকাদের পক্ষে।
  • Atoz | ১৬ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৬:৫২384772
  • ৭২-৭৭ এর সমাজও মনে হয় অনেকটাই অন্যরকম ছিল, সেই সময়কার সিনেমা আর গল্প-উপন্যাসগুলো থেকে তাই মনে হয় না? একান্নবর্তী পরিবার, দুই বা ততোধিক ছেলেমেয়ে, অনেক কম সংখ্যক মেয়ে চাকরি করতেন, বাড়ীগুলোতে আত্মীয়স্বজন আসা যাওয়া অনেক বেশি হত-এই ব্যাপারগুলো অনেক বদলাল মনে হয় নব্বইয়ে এসে, কিন্তু বদল মনে হয় শুরু হয়েছিল আশির মাঝামাঝি থেকেই।
  • lcm | ১৬ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৬:১১384771
  • টিফিনে পাঁচিল ডিঙিয়ে পালিয়ে সিনেমা দেখতে যেত ডাকাবুকো ছাত্ররা। ধরা পরলে খুব ঝামেলা হত।
  • S | ১৬ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৬:০৬384770
  • আমার বাংলা মাধ্যমের সরকারী ইস্কুল টোকাটুকির ব্যাপারে মারাত্মক কঠোর ছিলো। টোকাটুকিতে ধরা পরলে ছেলেপিলেদের ঝপাঝপ ইয়ার ড্রপ করিয়ে দিতো, মাঝে মধ্যে টিসিও ধরিয়ে দিতো। তার মধ্যেও কেউ কেউ রিস্ক নিয়ে করতো, ধরা পরলে চোখের জলে নাকের জলে হয়ে যেত। মাস্টারমশাইরা সব তাক করে থাকতো টোকাটুকি ধরার জন্য। ছেলেপিলেদের নাভিশ্বাস উঠিয়ে ছাড়তো।
  • Atoz | ১৬ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৫:৫৭384769
  • এখন ভাবলে মনে হয় আমরা বেশ একটা আশীর্বাদধন্য অবস্থার মধ্যে স্কুলজীবন কাটিয়েছিলাম বলা যায়। আশির দশকের প্রায় পুরোটা আর নব্বুইয়ের অর্ধেকটা। স্কুলের বাইরেও এমনকি তখন আমাদের পাড়াগাঁয়ে অবধি সায়েন্স ক্লাব, টেক্স্ট বুক লাইব্রেরী, ছাত্রদের উদ্যোগে সাক্ষরতা অভিযান, গণবিজ্ঞান জাঠা ইত্যাদি হতে শুরু করেছিল। তখন মননশীল সাহিত্যেরও একটা জোয়ার এসেছিল।
    নব্বইয়ের শেষদিক থেকে আবার সব কেমন থিতিয়ে যেতে থাকল! অজস্র ইয়ং ছেলেমেয়ে বাড়ি ছেড়ে দূরে দূরে চলে যেতে শুরু করল বলেই কি?
  • aranya | ১৬ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৪:৪৬384768
  • তার আগে নকশাল আন্দোনলের সময় স্কুল পোড়ানো, কলেজে বোমা ছোঁড়া চলেছে (আমার ছোটবেলার স্কুলও পোড়ানো হয়েছিল, পাঁচিলের বাইরে দাঁড়িয়ে সেই বহ্নুৎসব দেখেছিলাম) - এসবে আর সিদ্ধার্থ জমানার গণ টোকাটুকি ইত্যাদিতে পঃবঙ্গের শিক্ষাব্যবস্থা বেশ ভাল রকম ঘা খেয়েছিল। পরের কিছু বছর ঘুরে দাঁড়ানোর একটা চেষ্টা হয়েছিল হয়ত
  • aranya | ১৬ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৪:৪১384767
  • ৭৭-এ বামফ্রন্ট যখন সরকার গঠন করে, তখনও সিপিআইএম বিনয় চৌধুরী কথিত প্রমোটার-ঠিকাদারদের পার্টি হয় নি, সেই সময় আদর্শের জন্য সমাজের সব স্তরেই একটা আকুলতা হয়্ত ছিল, ৫ বছরের অবক্ষয়ের পর। শিক্ষাক্ষেত্রে তার প্রতিফলন হয়ে থাকতে পারে @আতোজ
  • r2h | ১৫ ডিসেম্বর ২০১৭ ২৩:৪৮384766
  • ত্রিপুরাতে একসময় পলিটেকনিক, আইন এইসব পরীক্ষাতে বিষম টোকাটুকি শুরু হয়েছিল। তারপর কয়েকবছর সিআরপিএফ পাহারায় পরীক্ষা হয়ে মোটামুটি শান্তিকল্যাণ হয়।
  • pepe | ১৫ ডিসেম্বর ২০১৭ ২৩:৩২384765
  • @pi দিব্যি জায়গা, আমার খুব ভাল লেগেছিল, তবে তেমন কিছু ঘুরিনি
  • Atoz | ১৫ ডিসেম্বর ২০১৭ ২৩:২৫384764
  • এই ধরণের পরীক্ষায় সেরকম বিশেষ লাভ নেই। বইতেই যদি জিনিসগুলো হুবহু থাকে, তাহলে দেখেই টুকুক আর মুখস্থ করে এসেই টুকুক, ওতে পারফর্ম্যান্সের কিছুই বোঝা যাচ্ছে না। প্রশ্নগুলো যদি এমন হত যে ছাত্রকে সমাধান করে দেখাতে হবে, নানারকম উপায়ে সমাধান হতে পারে, প্রত্যেকে নিজের মতন করে সমাধান করে দেখাবে। আর্টস সাবজেক্টে ও হতে পারে এমন, প্রশ্নগুলো এমন যে ছাত্রকে নিজের মৌলিক চিন্তাভাবনা দিয়ে উত্তর দিতে হবে।
  • avi | ১৫ ডিসেম্বর ২০১৭ ২৩:২০384763
  • মা-র কাছে গপ্পো শুনেছি পোস্ট সাতাত্তর সময়ে নাকি স্কুলে রচনা আসত, 'গণটোকাটুকি ও তার কুফল'। এর ওপর একটা সামাজিক চাপও এসেছিল। ওদিকে নব্বইয়ের দশকে বিহারে নাকি প্রবল টোকা চলত। আমার পিসী পাটনায় (নাকি মজফফরপুরে?) মাস্টার্স করার সময় দেখতেন জনগণ বস্তা ভর্তি বই নিয়ে হলে ঢুকছে।
  • Atoz | ১৫ ডিসেম্বর ২০১৭ ২৩:১৫384762
  • অরণ্যদা, এই ৭৭ ব্যাপারটা খুব ইন্টারেস্টিং লাগে। হট করে টোকাটুকি থামল কী করে? ক্ষমতা বদলের সঙ্গে সঙ্গে কি কালচার চট করে বদলে গেল? নাকি পড়াশোনা আর পরীক্ষার ধরণ বদলে গেল? নাকি ব্যাপক পরিবর্তন ঘটল কলেজে বিশ্ববিদ্যালয়ে ? নাকি অর্থনীতি বদলে গেল? অনেক চাকরি তৈরী হল? নাকি লোকজন ভালো হয়ে গেল চট করে? নাকি বরাবর ভালোই ছিল, মাঝে একটু বিগড়ে গেছিল? ঃ-)
  • aranya | ১৫ ডিসেম্বর ২০১৭ ২২:২৪384761
  • ৭২-৭৭ সিধুরায়ের আমলে এসব কথা সগর্বে উচ্চারিত হত বলে শুনেছি,ছাত্ররা টেবিলে ছোরা গেঁথে বই খুলে টুকত
  • aranya | ১৫ ডিসেম্বর ২০১৭ ২২:১৭384760
  • 'এই টুকেছি বেশ করেছি, টোকা আমার নৈতিক অধিকার ' - এ সব বলছে লোকজন !!
  • pi | ১৫ ডিসেম্বর ২০১৭ ১৯:০৭384759
  • কেমন লেগেছিল?
  • pepe | ১৫ ডিসেম্বর ২০১৭ ১৪:২২384758
  • আমি মিয়াও গেছি, আমার জামাইবাবু ওখানে পোষ্টেড ছিলেন তখ্ন (১৯৯৭-৯৯)
  • kiki | ১৫ ডিসেম্বর ২০১৭ ১৩:২৭384757
  • এই সেরেছে!! ওটা পথিকের নিজের লেখা ছিল!! আমি সেখানে একগাদা ঝগড়ার উপাদানে ভরিয়ে দিয়ে এসেছিলুম। তারপর আবার গুচ্ছ উত্তর লিখতে হবে, মাথা গরম হবে, এইসব ভেবে সেটা ডিলিটিয়ে এলুম। সবকিছু না জেনেই। ভাগ্গিস..... ঃ))
  • pi | ১৫ ডিসেম্বর ২০১৭ ১৩:১১384756
  • এখানে কেউ রোয়িং, মিয়াও আর সুবনশিরি ড্যাম গেছে ?
  • pi | ১৫ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৯:১৪384755
  • জেভিয়ার্স।

    https://timesofindia.indiatimes.com/city/kolkata/how-regressive-is-st-xaviers-dress-code/articleshow/62064364.cms?from=mdr

    Going by what the students have been told NOT to wear, printed tees, quarter pants and even dhoti pants are 'indecent'. As a mass com student recalled, "I was wearing dhoti pants and a normal top. Suddenly, the gateman stopped me, saying that I couldn't wear 'such clothes'. I had no clue what that meant." To this, her department mate added, "I was wearing this knee-length dress one day, as I'd come directly from an event. But though I was carrying a pair of jeans and a top, I wasn't allowed inside campus to go and change. I had to use a public toilet to change and only then, could I attend my class."
    The college's 'DON'T wear' list has any skirt that's shorter than a maxi or dares to have a slit, and round-neck T-shirts for boys. Then there's the Gateman's List. He stops students randomly, based on his 'decency' benchmarks. "I haven't seen anything about sleeveless clothes in the dress code. But I was stopped at the gate during my initial days in college for wearing a sleeveless top," said a secondyear student. Another first-year expressed her despair, saying, "It's like a jail for us. College life is supposed to be happening, but we aren't even allowed to wear fashionable clothes."
    Let's not forget, these are students who can elect a government, but can't decide what they want to wear to college.
    IMG_0699
    Another student complained that the girls' football team is not allowed to practise on the main ground. "That's because they wear shorts! The boys' team, however, is allowed. It's also mandatory for the girls to wear track suits to visit the washroom near the main field," she said, adding that the excuse given by the college administration for the restrictions is that the ground is adjacent to a boys' school...
  • pi | ১৫ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৮:৫০384754
  • ইন্ডিয়া টুডের এক্সিট পোলের ব্রেকাপ দিয়েছে একজন। ঠিকঠাক হলে মোদি শাহর ক্যারিশমা মূলতঃ শহরেই ?

    বিজেপি ঃ গ্রামের লোকের ৪০% + শহরের ৪৯% ভোট দিয়েছে
    কংগ্রেস ঃ গ্রামের লোকের ৪০% + শহরের ৪০% ভোট দিয়েছে
    বাকি রা ঃ গ্রাম ১১% + শহর ১০%
  • pi | ১৫ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৮:২৩384752
  • ওরে বাবা, নানা গ্রুপে এই টোকাটুকির মিটু সগর্বে চলছে তো!
    তবে সরকারি এলিটরা বলছে তারা এই নিয়ে রেলা নিতনা, বাধ্য হয়ে কিছু ফর্মুলা টর্মুলা চোত করত। এই টুকেছি বেশ করেছি, টোকা আমার নৈতিক অধিকার এমন বুলি দেখিনি তেমন।
  • pi | ১৫ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৮:১৮384751
  • নেট নিউট্রালিটি টইয়ে দিয়েছি। এনিয়ে আম্রিগায় হইচই নেই?
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত