এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • kiki | ০৬ ডিসেম্বর ২০১৭ ১২:৫০384300
  • এখন যা অবস্থা, ততে স্কুল টুল উঠে গিয়ে কোচিং সেন্টারগুলোকে অ্যাফিলিয়েশন দিয়ে দিলে পারে। তারাই বোর্ডের একজামে বসার ব্যবস্থা করে দেবে। বাপ মায়েদের পয়সার কিছুটা সুরাহা হয়। বাচ্চাগুলো ও বাঁচে।
  • kiki | ০৬ ডিসেম্বর ২০১৭ ১২:৪৮384299
  • spa, ঠিক ই। কিন্তু সেটা তো মোটামুটি সব স্কুলের ক্ষেত্রেই সত্যি। সব টিচার ই ভালো এরকম হওয়া তো মুস্কিল। আর খুব ভালো রা, নিজস্বতার জন্যই তো অন্যরকম। কিন্তু স্কুলে ডিসিপ্লিন, নিয়মানুবর্তিতা, এসব তো থাকত। যাতে সবার ই পড়াশুনা করাটা কিছুটা হলেও বাধ্যতামূলক হয়।আমরা ৯০-৯১-৯২ এর ব্যাচ। আমাদের সময় কিন্তু ক্লাস বেশ নিয়মিত হত। কিন্তু এখন সম্পূর্ণ অন্যরকম অবস্থা। সরকারি বা মি স্কুলে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এসবের কিচ্ছু নাই। আমি যার কথা বলছিলাম, সে যেহেতু সারাদিন লোকের বাড়ী কাজ করত, তাই ছেলেকে কোচিং ক্লাস ছাড়াও সকালে একজন আলাদা টিচার রেখেছিল যে কিনা কোচিং এর পড়াগুলো তৈরী করে দেবে। বাংলিশ বা ইংলিশ মিডিয়ামগুলোর এখন ও অবস্থা খানিক বেটার। স্কুল নিয়মিত হয়। একটা সিলেবাস ফলো করা হয়। যদিও সেই বাড়ীতে অনেকটাই তৈরী করতে হয় বেশিরভাগ স্কুলে।
  • lcm | ০৬ ডিসেম্বর ২০১৭ ১২:৩০384298
  • ক্যারাম মানে - এরকম আর কি - শিল্প -
  • lcm | ০৬ ডিসেম্বর ২০১৭ ১২:২৮384297
  • ও আচ্ছা।
  • S | ০৬ ডিসেম্বর ২০১৭ ১২:২৩384296
  • লসাগুদা ঐ ২৮ আর ২৯ একই খেলা। ডিপেন্ড করে আপনি শেষ পিঠে একটা এক্স্ট্রা পয়েন্ট ধরছেন কিনা তার উপরে।
  • spa | ০৬ ডিসেম্বর ২০১৭ ১২:১৮384295
  • kiki @8.21A.M
    বড়িশা হাই স্কুল নিয়ে লিখেছেন। ঠিক ই লিখেছেন। এক সময় অনেক ভাল ছেলে পাশ করেছে ওখান থেকে। ১৯৭৪ সালে arts এ যিনি পশ্চিম বঙ্গে first হয়েছিলেন, তিনি ওখান থেকেই পড়েছিলেন। তার আশে পাশেও অনেকে ভালো রেজাল্ট করেছিলেন। কিন্তু তাতে স্কুলের খুব একটা কিছু অবদান ছিল না। গুটি কয়েক ভালো teacher ছিলেন। কিন্তু তারা সব class বা section এ পড়াতেন ও না।
    যারা ভালো result করেছেন, সব ব্যক্তিগত উদ্যোগ।
  • lcm | ০৬ ডিসেম্বর ২০১৭ ১২:১৫384294
  • টোয়েটি এইট? তাস? আমি একটা জানতাম - টোয়েন্টি নাইন। ইংলিশ মিডিয়ামের ছেলেদের তাস ভালো খেলতে দেখেছি। ঘুড়িও ওড়াতে পারে। ফুটবল তো পারেই। শুধু ক্যারাম-টা... মানে ঐ সূক্ষ্ম টাচ্‌ শট্‌, বা রিবাউন্ড, বেস-এও কাঁচা, হিটেও অনেক গুটি ফেলতে পারে না...
  • kiki | ০৬ ডিসেম্বর ২০১৭ ১২:০৮384293
  • লসাগুদার সাথে আমি আট্টু যোগ করে যাই, তারা ঘুড়ি ও ওড়াতে পারে না। পরে পারে বললে, যখন চেপে ধরা হয় উদাহরণ দেখিয়ে, তখন ছাদে পারে না, মাঠ হলেই পারত এসব ভুলভাল অজুহাত দেখায়।
  • ছাগলছানা | ০৬ ডিসেম্বর ২০১৭ ১২:০৬384292
  • এত লাফিয়েই বা কি হবে. ভাষা নিয়ে চর্চা করে তো দেশ উদ্ধার হয়ে যাচ্ছে. চারিদিকে এত বিজ্ঞ ব্যক্তি আর যাদবপুর থেকে একটা কাজের usable সফটওয়্যার বের হয়না বাংলা ভাষা নিয়ে. সেসব কাজ করবে সব অন্য লোকজন বসে.
  • kiki | ০৬ ডিসেম্বর ২০১৭ ১২:০৪384291
  • কিন্তু ভারতে সরকারী দপ্তরে চাগরী পেতে হলেও ইংলিশ মিডিয়াম যে এগিয়ে থাকবে, সেটা তালে অস্বীকার করা যাচ্ছে না, তাই তো? বেসরকারীর কথা আপ্নেরাই বলতে পারবেন। তালে, যেজন্য পড়াশুনা সাধারণরা করে, চাট্টি খাবার জোগারের ব্যবস্থা সহজে হবে। তার জন্য ইংলিশ মিডিয়াম খানিকটা পথ এগিয়ে দিচ্ছে। এ হিসেবে ভুল নেই তো?
  • | ০৬ ডিসেম্বর ২০১৭ ১২:০১384290
  • আমি কি ভাষাটাষা নিয়ে মুখ খুলব? থাগগে যাগগে।
    বরম সিকির ল্যাজ টেনে যাই। এই সিকি ব্যটা আগে ইংরিজির হয়ে ব্যাট করত, এখন হিন্দীর হয়ে করে! স্যাহ!

    আর ইসে, বাড়িতে দুটো গাড়ি স্কুলে ভর্তির ক্রাইটেরিয়া ইহা গুআগাঁওয়ের একটি ইসকুল সম্পর্কে আমি সেই ২০০৬ সালে বুবুভায় লিখেছিলাম তো। অমনি প্রায় সব হয়ে যাচ্ছিল তক্ষুণি।
  • S | ০৬ ডিসেম্বর ২০১৭ ১২:০০384289
  • হা হা হা। ওরা ভালো টোয়েন্টি এইটও খেলতে পারেনা।
  • lcm | ০৬ ডিসেম্বর ২০১৭ ১১:৫৯384288
  • আমার একটিই অবজারভেশন - ইংলিশ মিডিয়ামের ছেলেরা ভালো ক্যারাম খেলতে পারত না।
    মানে, ডন বসকো বা সেন্ট জেভিয়ার্স বা লা মার্ট্‌স্‌-এ পড়ত এবং ভালো ক্যারাম খেলতে পারত তেমন কাউকে দেখি নি।
  • Rabaahuta | ০৬ ডিসেম্বর ২০১৭ ১১:৫৫384287
  • কেউ কেউ বরং ইংরেজী মাধ্যম নিয়েই একটু হীন বোধ করতো, বাংলা সাহিত্য কম পড়েছে এই ভেবে। তবে এরা নিতান্ত অতি ব্যতিক্রম, আর বাংলা সাহিত্য বিষয়ে ফুটানি করার কিছু মোটিভেশন ছিল, স্থান কাল পাত্র সাপেক্ষে ঃ)
  • ছাগলছানা | ০৬ ডিসেম্বর ২০১৭ ১১:৫০384286
  • গুদুম করে বলার কি হলো? বলেছি ভাষা একটা সংযোগ মাধ্যম. তার জন্যে যেখানে যে ভাষা দরকার সেটা শিখতে হবে. এবং ভারতেও সংযোগকারী ভাষা একদম এ ইংরেজি নয়. একদম এ নয়. জেক্কোনো "বিদেশী" কে জিজ্ঞেস করে দেখবেন তাদের কিরকম অসুবিধায় পড়তে হয় ভারতে এসে "ইনজিরি" বলতে গিয়ে
  • Rabaahuta | ০৬ ডিসেম্বর ২০১৭ ১১:৪৯384285
  • না, আটকায় না অনেক ক্ষেত্রেই, কলেজে আমার ক্লাসে একমাত্র আমি বাংলা মিডিয়াম ছিলাম, বন্ধুত্বে তো আটকায়ইনি।

    কিন্তু ভাষার জন্যে সমস্যায় পড়তে দেখেছি লোকজনকে। দোষ হয়তো মাধ্যমের না, কি জানি।
  • b | ০৬ ডিসেম্বর ২০১৭ ১১:৪৪384284
  • নাঃ আটকায় নি। হীনম্মন্যতাটা মাথায় না চড়তে দিলেই হল।

    আমি খুব ভাগ্যবান যে, আমার সময় ফার্স্ট ইয়ারে যে বন্ধু সার্কলটা ছিলো, তারা পাঠ ভবন, সেন্ট জেভিয়ার্স বা সাউথ পয়েন্ট থেকে পড়ে এলেও, তুখোড় ইংগরিজি বলতে আর লিখতে জানলেও, কোনোদিন আমাদের বুলি করে নি... করলে হয়ত গুটিয়ে যেতাম।। বরং একজন, ' এ কি রে, তুই মম পড়িসনি?' বলে একটার পর একটা নভেল ধার দিয়ে মুন অ্যাণ্ড সিক্স পেন্স, অফ হিউম্যান বন্ডেজ ইত্যাদি পড়িয়ে ছেড়েছিলো।
  • Rabaahuta | ০৬ ডিসেম্বর ২০১৭ ১১:৪৩384283
  • এক্সেপশনাল বনাম সাধারণের ব্যথাটা একটা বড় ফ্যাক্টর।
    ভালোরকম সফল হয়ে গেলে অনেক কিছুই ঢেকে যায়। বাংলা মাধ্যমের ছাত্রটি বিজ্ঞানী না হয়ে শপিং মলের রিটেলে কাজ করলে ইংরেজী অনেক গুণ বেশী মাইলেজ দেবে।
    বিজ্ঞানীকেও দেবে কিনা তা অবশ্য জানিনা, তবে সে সম্ভাবনাকে উড়িয়ে দিতেও পারছিনা।
  • kiki | ০৬ ডিসেম্বর ২০১৭ ১১:৩২384282
  • ভিয়েতনাম, কাম্বোডিয়ায় ও সরকারিদপ্তর অন্য কোন ভাষাকে পাত্তাই দেবে না। একটাই কারন। সারা দেশে একটা ভাষা চলে।
  • kiki | ০৬ ডিসেম্বর ২০১৭ ১১:২৮384281
  • চীনে সারাদেশে একটাই ভাষা চলে। ভারতে সংযোগকারি ভাষা কেবলমাত্র ইংরাজী, তাছাড়া ভাষর যা বৈচিত্র, সারা পৃথিবীতে রীতিমতন শ্রেষ্ঠ আসন লভে টাইপ ব্যাপার মশাই। সব কিছু অত গুদুম করে বলে দিলে তো চলে না।
  • ছাগলছানা | ০৬ ডিসেম্বর ২০১৭ ১১:২২384280
  • মিডিয়াম কোনোকালেই ম্যাটার করতোনা এখনো করেনা।
    যেটা করে সেটা হচ্ছে বাকি সবার নাক কুঁচকে তাকানো। এবং এই "বাকি সবাই" = যারা ইংরিজি মাধ্যম ছাড়া পড়শোনা করা অর্থহীন বলে মনে করে.

    ভাষা একটা সংযোগ মাধ্যম। চীন বা ব্রাজিল বা নিদেনপক্ষে জার্মানি গিয়ে বেশি ইংরিজি বলতে গেলে ঢুকিয়ে দেবে
  • kiki | ০৬ ডিসেম্বর ২০১৭ ১১:২০384279
  • আম্রিগা কেন, শপিং মলের সেলসের চাগরীতেও ইংলিশে কথা বলতে পারলে এগিয়ে থাকা যায়। খোদ কলকাতাতেই।

    আর কাল প্রতিদ্বন্দী দেখছিলুম। সেই সত্তরের দশকেও একই কেস। দেশে চাগ্রীর ইন্টারভিউ ............ যাউগ্গা.......

    আচ্ছা অভ্যু আসেনা আজকাল। ওকেতো দেখছি না। অবশ্য পুরানোদের অনেককেই দেখছি না।
  • সিকি | ০৬ ডিসেম্বর ২০১৭ ১১:১৯384278
  • লাম্প সাম বানান না জানার জন্য কি জীবনে কোথাও কিছু আটকেছে বা নাম্বার কম পেয়েছেন?

    হ্যাঁ, হীনমন্যতা ছিল কারণ আমাদের বামিতে পড়ার সময়ে আমরা কুয়োর ব্যাং ছিলাম। বাড়ির পাশে ডন বস্কোতে অক্সিলিয়ামে লোকজন কেমন ইংরেজি শিখছে সেটাও জানতে পারি নি ইলেভেনে ওঠার আগে। এখনকার ছেলেমেয়েরা তো সে অর্থে কুয়োর ব্যাং নয়।

    আর সেই সময়কার ডন বক্সো অক্সিলিয়ামদেরও তো এখন দেখছি, সেই সময়কার বামিদেরও দেখছি। মিডিয়াম জাস্ট কিস্যু ম্যাটার করে না।
  • b | ০৬ ডিসেম্বর ২০১৭ ১১:০৩384277
  • সেদিন আমার ডিগ্রি ফার্স্ট ইয়ারের নোটগুলো খুঁজে পেলাম।

    মাস্টার মশাই বলেছিলেম lump sum, আমি নিজের মতো করে lamsam, laamsum ইত্যাদি লিখেছিলাম। প্রথম কয়েকদিন মুখ খুলিনি, প্রশ্ন থাকলেও। তবে কি না, মনে হয় সবই সয়ে যায়।

    তবে এটা মনে হয় না শুধু আমাদেরই অসুবিধা। আমার এক আত্মীয় কলেজে পড়ানোর চাকরি পেয়েছিলেন, কালিম্পং-এ। ইংরিজিতে পড়াতে হবে। ওনার ভাষায়, তিন মাস তটস্থ হয়ে ছিলাম, পড়াতে গিয়ে না ইংরিজি ভুলে যাই। ইনি কিন্তু ৫০-এর দশকের শেষদিকে পাস আউট।
  • S | ০৬ ডিসেম্বর ২০১৭ ১০:৫৬384276
  • "এবার আমাদের মতন দেশে, যেখানে দুটো ইংলিশে কথা বললেই লোকে শিক্ষিত ভাবে।"

    বলতে পারেন যে আমাদের মতন দেশে, যেখানে দুটো ইংলিশে কথা না বললেই লোকে অশিক্ষিত ভাবে। আরেকজন বাঙালীর সাথে ইংরাজীতে কথা বলতে যে কি খারাপ লাগে। বিজনেস ক্লাস হলে অবশ্যি অন্য কথা, তাও ব্রিটিশ এয়ারওয়েজে।

    "বাংলা মাধ্যমের ছাত্রছাত্রীর মধ্যেও ধীরে ধীরে একটা হীনমন্যতা তৈরি হচ্ছে।"
    চিরকালই ছিলো। কারণ ঐযে দুটো ইংরাজী কথা চটজলদি ফটর ফটর করে বলে দেওয়া যায়, যেটা আমি বলতে পারিনা। যাদের সামনে বলছে তাদের নিজেদেরও ক্ষমতা নেই যে ঠিক বললো না ভুল বললো সেটা বের করার, অথচ সবার চোখে সমীহ। আমি যে অন্কটা বেশি ভালো জানি, তার প্রমাণ তো আর অমন চটজলদি দেওয়া যায়্না।

    তবে যেদেশে শিক্ষিতদের মুল লক্ষ্য আম্রিগা যাওয়া, সেখানে ইংরাজী মাধ্যমেই প্রথমে দিয়ে দেওয়া ভালো।
  • kiki | ০৬ ডিসেম্বর ২০১৭ ১০:০১384275
  • এবার ঋভু আবার প্লে স্কুলে ব্যাক, তার বাপ ও বিদেশে কেটে গেল। তখন সে এক নম্বর থেকে গোড়াবাজার যাওয়ার পথের মাঝখানে একটা চায়ের দোকানে এক দালাল ধরে গেল। সে দশ হাজারে সেন্ট স্টিফেন এ ভর্তি করার ব্যবস্থা করে দেবে। তখন আবার দালাল বলতে স্কুলের দারোয়ান এমনকী অকজিলিয়ামে বাসের ড্রাইভাররাও থাকত। ত আমি পরের বছর সেন্ট স্টিফেন, আদিত্য অ্যাকাডেমি রটকল, আরো গুচ্ছ স্কুলের ফর্ম ফিলাপ করলাম। তো সেন্ট স্টিফেনে ছেলের নাম ই উঠল না, ইন্টারভিউ এর জন্য।এসব বছর চোদ্দ পনেরো আগের কথা। আমি হতবাক। ওরা যা চায়, তার সব কিছু ই ঠিক আছে। গেলাম সি দালালের কাছে। সে হাত কছলে বলল, ঋভুর কী একটা প্রবলেমের জন্য নাম উঠল না। তবে পনেরো হাজার করে দিলেই ও ব্যবস্থা করে দেবে। আমি সবই বুঝলাম। এবং ঐ স্কুলে আমি ভর্তি করব না বলে চলে এলাম। বাকি সব স্কুলেই ওর হয়ে গেল। আদিত্য রটকলেও। আমি অথচ এবার একাই গেলাম। ওদের বাবা, মা দুজনের যাওয়াটা মাস্ট। কেবল এবার মানিক এনারাই আর মাস মাইনের জায়গাটা অনেকটা বেশী লিখে দিয়েছি। সেসব ওরা ভেরিফাই ও করেনি। মানে ঢপালেও অসুবিধা নেই। সত্যি কথাতে যত অসুবিধা।

    আর হ্যাঁ, ঋভু প্রচুর স্কুলেই ভর্তি হল। কোথাও ই ইংরাজীতে কথাও বলতে হয় নি। সব জায়গায় একটাই প্রশ্ন ছিল কেবল, ছেলের সব ব্যাপারে কি আপনিই ডিশিসন নেন? আমরা কিছু জানাতে হলে কী আপনাকেই জানাবো?
  • avi | ০৬ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৯:৫৯384274
  • বেশ। আমাদের কলেজে নরেন্দ্রপুর থেকে আমাদের ব্যাচে জনাদশেক ছেলে ভর্তি হয়। এবার তাদের মধ্যে নাকি তিনজন ওখানের বামি সেকশন থেকে, বাকিরা ইমি সেকশন। তো, তাদের মধ্যে নাকি ওই কারণেই নাকের উঁচু নিচুর ব্যাপার ছিল, তাদেরই অভিমত। লক্ষ্যণীয়, সবাই এক্ষেপশনাল, জয়েন্টে প্রথম একশোর মধ্যে আসা জনতা, সামাজিক স্তরেও প্রায় ঊনিশ বিশ।
    হ্যাঁ, কিকিদির প্রতিটা কথাই একদম দুর্ভাগ্যজনক সত্যি।
  • kiki | ০৬ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৯:৫১384273
  • অভি,
    শোন, তোদের মতন এক্সেপশনালরা সাধারণদের ব্যথা বুঝতে পারবি না। হীনমন্যতা এমনি তৈরী হয় না। বা মি রা যেই কোন কম্পিটেটিভ কোচিং (খ্যাল কর এক্জাম পর্যন্ত যেতেই পারলুম না, মানে বলতে) এ পড়তে যায় অমনি স্যার, ম্যামরা কী বলছে তা ধরতেই বেশ খানিক সময় চলে যায়।(যদি ভাল কিছু নিয়ে পড়বে ভাবে)। ব্যস সেই যে পিছোনো আর ইংলিশ মিডিয়ামদের থেকে হ্যাটা খাওয়া সিম্পলি একটা ভাষা জানেনা বলে শুরু হয় তারপর ঐ টিনেজে ঘুরে দাঁড়ানো বেশ চাপের হয়ে যায়। আমি ফিটজিতে পড়া এক বন্ধুর মেয়ের থেকে জেনে তার মায়ের থেকে গল্প শুনলাম। সে বলছিল, অনেকে জিলার থেকেও আসে। সারাদিন তাদের মায়েরা কোচিং এর সিঁড়িতে বসেই কাটিয়ে দেয়। সবাইকেই বিরাট কিছু হতেই হবে।তার মেয়ে অবশ্য খুবই ভাল এবং ইংলিশ মিডিয়ামের ই। এখন আবার ফিটজি, আকাশ টাকাশ মাষ্ট, এমন ও শুনলাম। তারা কম্পিটিশনে লড়ে জিতবেই এমন শিখিয়ে পড়িয়ে দেয়।

    এবার সাধারণরা একটু ইংলিশ বলতে পারলে চাট্টি খুঁটে খেতে পারবে এখানে সেখানে। এগুলো ফেলে দেওয়ার মতন কথা নয় কিন্তু।

    আর এমনকি আমাদের সময় ও আমাদের ব্যায়লা কলেজের মতন পাতি কলেজে স্যর ম্যামেরা লেকচারগুলো ইংলিশেই দিত। সে যে কী চাপ।

    তাহলে যারা বাড়ীতেই বাচ্চাকে তৈরী করে নিতে পারবে আর যেকোন অবস্থাতে পাঙ্গা নিতে পারবে তারা ছাড়া, আর যাদের উপায় নেই তারা ছাড়া যাবে কেন?

    পাই, এ দালালী আজকের নাকি? কত আগের।

    ঋভুকে প্লে স্কুল থেকে বড় স্কুলে ভর্তি করতে হবে। আমরা ওর তিন বছর বয়সে দমদমের আদিত্য অ্যাকাডেমিতে গেলাম ইন্টারভিউ এ। ছেলে নেচে কুঁদে, যা ধরল সব বলে দিলো। আমরাও দস্তুর মতন মে আই কামিং থেকে, গুড মর্নিং, ইত্যাদি কিছুই বাদ দিলাম না। এত কিছুর পর ছেলের ঐ স্কুলে হল না। এদিকে আমাদের পাড়ার একজন ভাড়া করা মাকে নিয়ে গিয়ে তার হয়ে গেল।ব্যাপারটা খটকা লাগায় খোঁজ শুরু। তাতে আমাদের জিজ্ঞাসায় জানা গেল আমরা এটিকেট জানিনা। হবেও বা। এটা আদিত্য মৃনালিনীর কাছের টা। পরে আরো খোঁজ নিয়ে জানা গেল মনিকের তৎকালীন আয় আটহাজার আমরা সত্যি লিখেছিলাম। ওরা দশহাজারিদের নীচে তাকিয়ে দেখেন না।
  • Rabimba Karanjai | ০৬ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৯:৩৪384272
  • @s : নামের আর কি দশ? আর পয়েন্টার দেড় কথা বলছেন?
    পয়েন্টার দেড় নিজেদের মধ্যে "ভাতৃত্ব" বোধ কতটা জানেন? কিছু বললে এখুনি হৈহৈ করে তেড়ে আসবে। টো জন না আসলেও তার বাকি ৮০ জন আসবে।কমলাসুন্দরী এর কয়জন সুন্দরী নিজেদের "কমলাসুন্দরী" আখ্যাতে গর্বিত?
  • pi | ০৬ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৯:১৯384271
  • পুরো ব্যাপারটাই ভিশাস সাইকেল ! সেদিন গ্রুপে একটা পোল আর আলোচনা হয়েছিল, কারা কেন পরের জেনেরেশনকে বাংলা মাধ্যমে দিচ্ছেন না, তাতে কিকিদির বলা ফ্যাক্টরগুলোও এসেছিল। বাংলা মাধ্যম বেশিরভাগই সরকারি স্কুল আর তাতে পড়াশুনা হয়না। এটা বহু জায়গ্গার জন্য ফ্যাক্ট। সেটাই ভিশাস সাইকেল। পড়াশুনা ভাল হয়না, মধ্যবিত্তরা আর সেখানে দেবেন না, যত দেবেন না, ভাল পড়াশুনা হওয়ার জন্য চাপটা কমে যাবে এবং.. আবার তার উল্টো উদাহরণও।
    তবে ভাল অর নো ভাল পড়াশুনা, মাধ্যম বহুজনের জন্যই ফ্যাক্টর।
    মোটামুটু একটা ট্রেন্ডই হয়ে গেছে, অন্ততঃ কোলকাতার দিকে, বাংলা মাধ্হ্যম সরকারি স্কুলে না দেবার। অতোজ যা বলেছে, সরকারি বাংলা মাধ্যমের শিক্ষক শিক্ষিকারাই নিজেরাই ছেলেমেয়েদের দেন না, এও ফ্যাক্ট।

    বাংলা মাধ্যমের জন্য হীনমন্যতার কলোনিয়াল হ্যাংওভার তো আছেই, অভি যা বলল। হ্যাংভার যে সময়ের সাথে সাথে না কমে বাড়তে পারে, নিজেদের না দেখলে জানতাম না।

    তবে সিকি, স্কুলে ভর্তির জন্যেও দালালি চালি হয়ে গেছে !! :O
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত