এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • avi | ০৬ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৯:১৫384270
  • সবচেয়ে বাজে ব্যাপার, বাংলা মাধ্যমের ছাত্রছাত্রীর মধ্যেও ধীরে ধীরে একটা হীনমন্যতা তৈরি হচ্ছে। এবং সেটা গ্রামের দিকেও। সেদিন নার্সিং কলেজে ক্লাস নেওয়ার পরে একজন জানালেন, তিনি বিষয়টা ভালো বুঝছেন না, আসলে তিনি বাংলা মিডিয়াম তো, তাই।
  • avi | ০৬ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৯:০৬384269
  • সবচেয়ে বাজে ব্যাপার, বাংলা মাধ্যমের ছাত্রছাত্রীর মধ্যেও ধীরে ধীরে একটা হীনমন্যতা তৈরি হচ্ছে। এবং সেটা গ্রামের দিকেও। সেদিন নার্সিং কলেজে ক্লাস নেওয়ার পরে একজন জানালেন, তিনি বিষয়টা ভালো বুঝছেন না, আসলে তিনি বাংলা মিডিয়াম তো, তাই।
  • pi | ০৬ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৯:০৩384268
  • আসিস্ট্যান্ট যেন কে হয়েছিলেন ?
  • সিকি | ০৬ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৮:৫৯384267
  • আজ্ঞে, ঘরের খবর। আপন দিদি। বিবাহসূত্রে কলকাতাবাসী। সন্তানের স্কুলে ভর্তি হবার বয়েস হওয়ানোর সময়ে অজস্র, ইন্ক্লুডিং নিজের অভিজ্ঞতার গল্প বলেও কিছুতেই বুঝিয়ে উঠতে পারলাম না যে মিডিয়ামটা ম্যাটার করে না। গাঁতিয়ে টাকা ধসিয়ে, পার্ক সার্কাস ডন বস্কোর জন্য হাজার তিরিশের চোট খেয়ে (এক খচ্চর দালাল "ভর্তি করিয়ে দেব ম্যাডাম, চিন্তা কর্বেন্না" বলে টাকা নিয়ে হাওয়া হয়ে গেছিল) আপাতত অন্য একটা স্কুলে ভর্তি করিয়েছে - সেটাও ইংলিশ মিডিয়ামই।

    কী আর বলব, এই বয়েসে কাউকে কনভিন্স করানোও তো সম্ভব নয়। ভবানীপুরে আশেপাশেই কত ভালো ভালো বাংলা স্কুল আছে।
  • avi | ০৬ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৮:৫২384266
  • হুঁ, বাংলা মিডিয়াম মানেই নন-এলিট এবং লেস ইন্টেলিজেন্ট এই ধারণাটা হুলিয়ে ছড়িয়েছে। অরিন্দম শীল শবরের গল্পে তার জটায়ুমার্কা সহকারীকে দিয়ে বারবার বলিয়ে গেলেন, আসলে আমার তো জগবন্ধু স্কুল, তাই ধরতে পারি নি। দর্শক হেসে কুটোপাটি হলেন।
  • dipanjan | ০৬ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৮:৪৭384265
  • এককের অঙ্গজ জনন ১-২-৩ ভালো লাগলো। তবে ১) নিয়ে দু চার কথা। সিডাকশন বনাম নিজের ভালো লাগার এই বাইনারি এক্সপ্রেশনটা একটু এক্সট্রিম মনে হলো। কারণ নিজের মেক-আপ নিজের ভালো লাগাটা শুধুই এস্থেটিক ভালো লাগা নয়, তার মধ্যে সেক্সউয়াল হাই মিশে থাকতেই পারে। নিজের সেক্সউয়ালিটিকে মেকআপ দিয়ে এক্সপ্রেস করার মধ্যে দিয়েই আনন্দ। সিডাকশন, ডেট পাওয়া বা অন্য কোনো স্পেসিফিক আউটকাম যে থাকতে হবে তার কোনো মানে নেই। ফোকাসটা পার্টনার বা সম্ভাব্য পার্টনারের ওপর নয়, সেক্সউয়াল সেলফ-এক্সপ্রেশন-এর ওপর। আর এই নিজের ভালো লাগা আর অন্যের ভালো লাগাটা আলাদা করাও মুশকিল। প্রচুর ফিডব্যাক লুপ থাকে। অন্যের আমার মেকআপ ভালো লাগছে বলে আমার নিজেকে বেশি ভালো লাগছে আর আমার নিজেকে ভালো লাগার লাগার জন্য অন্যের কাছে আমি আরও আকর্ষণীয় - এগুলো সব ঘেঁটে যায়। ডিকাপল করা যায় না।
  • kiki | ০৬ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৮:২৩384264
  • এবার আমাদের মতন দেশে, যেখানে দুটো ইংলিশে কথা বললেই লোকে শিক্ষিত ভাবে। সেখানে সাধারণ আমাদের মতন মানুষের আর দোষ কোথায়!!
  • kiki | ০৬ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৮:২১384263
  • আমি মাঝখানে একটা বেসরকারি বাংলা স্কুলে টিচারিতে ঢুকেছিলাম। পয়সার দরকারে নয়। প্রচন্ড কাজ দরকার ছিল। কিন্তু হতচ্ছাড়া ছেলে আমার অবর্তমানে পড়াশুনা তো ছাড়, খাওয়া দাওয়াও ছেড়ে দিল। যা রেঁধে আসতাম সেগুলো পরে থাকত। নিজে নানান এক্সপেরিমেন্ট করত, ডমিনোজ থেকে খেয়ে নিত। এসব। আর তার বোর্ড ও সামনে। কাজেই।

    তো সেখানে মাইনে ছিল ১৮০০ টাকা। আমার যাতয়াতে আরো বেশি লাগত। স্কুল খুবই স্ট্যান্ডার্ড। কারন সেখান থেকে ভাল স্কুলে বাচ্চারা চান্স পায় এবং এমনকি বাংলিশ মিডিয়ামেও যায়। তো সেখানে আমরা প্ল্যানার বগলে ক্লাসে ঢুকতাম। প্ল্যানারে যা লেখা আছে সেইভাবেই অঙ্ক বা অন্য সাবজেক্ট লিখিয়ে আসতাম। এইসব। কোন নিজের মতন ভাবে কিচ্ছু করা যেত না। আমার হেড মিস্ট্রেস এবং টিচার ইনচার্জ খুবই ভাল মানুষ। কিন্তু স্কুলে তাদের বাদ দিয়েও অনেক টিচার ছিল। তাদের অসুবিধা হয়ে যায়। সেখানে মেন আলোচনা হত, আমি কেন সিঁদুর, শাখা এসব পড়ি না।

    সে যাক, আমাদের এক টিচারের ছেলে পাশের সরকারি স্কুল, সরশুনা বয়েজে পড়ত। সেখানে শুনতাম ক্লাস ই হয় না। মাসের অর্ধেক দিন ই ছুটি। আর র‌্যান্ডাম গালি শেখা এইসব হয়। ক্লাসে পড়া করানো বা তৈরের কেস নাই।

    আমাদের রমা, আমার কাছে কিছুদিন কাজ করেছিল। ও আমাকে বৌদি টৌদি বলার ধার ধারত না, নাম ধরে ডাকত। ওকে প্রথম দিন মাসি বলেছিলাম বলে, বলেছিল আমার নাম আছে, সেটা ধরেই ডাকবে। তার মেয়ে ইংলিশ এ এমে। ছেলের দিকেও কড়া নজর। ছেলে এখন সরশুনা কলেজে জিওগ্রাফি নিয়ে পড়ছে। তার এখন মার্বেল বসানো বাড়ী হয়ে গেছে। বুদ্ধি আর ভাবনা থাকলে এগোনো যায়, এটা ও দেখিয়ে দিয়েছে। ও বলত, স্কুলে (বড়িশা হাই স্কুল। আমি ইলেভেন, টুয়েল্ভে পড়েছি। প্রচুর ভাল ছেলে মেয়ে ওখান থেকে বেড়িয়েছে এক সময়। টিচার রাও খুবই মন দিয়ে পড়াতেন) পড়াশুনা হবে কোত্থেকে, টিচার ই আসেনা। ছুটি বছরের অর্ধেকের ও বেশী দিনের।

    আমাদের ফ্ল্যাট বাড়ীর এক বসিন্দার মেয়ে পড়ে আলিপুরের মেয়েদের মাল্টিপারপাসে, এক সময়ের দারুন নাম করা স্কুল। ও বলে বেজায় চাপ। আর পুরো চাপটা বাড়ীতে। স্কুলে কিচ্ছু হয় না। এবং কিছু বলাও যায় না। বাচ্চার উপর টিচার রা ঝাঁপিয়ে পড়বে।
  • ঈশান | ০৬ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৬:৪৮384262
  • আমি একটাই ইশকুলে ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে মিট করেছিলাম। সে 'ইন্টারভিউ' এ এসব কিছু হয়নি। অ্যাজ সাচ গপ্পো গাছা ছাড়া বিশেষ কিছুই হয়নি। একটা ইমপ্লিসিট 'আমাদের সঙ্গে গা ঘষাঘষি করতে পারবে কিনা একটু বাজিয়ে নিই' টাইপের ব্যাপার ছিল অবশ্য। পেরেন্ট টিচার মিটিং এও বাংলাতেই কথা বলতাম। একজন মহিলার সম্পর্কে আমার পদবী দেখে ধারণা ছিল তিনি অবাঙালি, তাঁর সঙ্গে ইংরিজিতে বলতাম প্রথমে, পরে জানা গেল তিনিও বাঙালি, পদবীটি বিবাহসূত্রে। আরেকজন ছ বছরের বাচ্চাদের তেওরায় রবীন্দ্রগান শিখিয়েছিলেন। কীকরে শেখালেন ভগবানই জানেন।

    তবে এটা একটাই ইশকুল। কোনো স্যাম্পল সার্ভে নয়। অন্যত্র নানা জিনিস হয় শুনেছি।
  • Atoz | ০৬ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৫:০১384261
  • অনেকেই দেখি সরকারী বা সরকারী সাহায্যপ্রাপ্ত বাংলা মাধ্যম স্কুলে নিজেরা শিক্ষক অথবা শিক্ষিকা, কিন্তু নিজের ছেলেমেয়েদের পড়াচ্ছেন কোনো প্রাইভেট ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে। একজন সরকারী বাংলামাধ্যম স্কুলের বাংলার শিক্ষিকা তাঁর বছর বারো বয়সের ছেলেকে লেখালিখিতে উৎসাহ দিতে বলছেন, কিন্তু ও হরি, দেখি সেই লেখালিখি বাংলাতে নয়, ইংলিশে! বলাই বাহুল্য ছেলেটি প্রাইভেট স্কুলে পড়ছে, ইংলিশ মিডিয়ামে।
  • S | ০৬ ডিসেম্বর ২০১৭ ০২:২১384260
  • স্কুল যখন শোঅফই হয়ে গেছে তখন বাংলা মিডিয়াম স্কুলগুলোর নাম চেন্জ করে দিয়ে হেপ নাম রাখলেই পারে।

    মনে করুন কমলাসুন্দরী গার্ল্স হাই স্কুলের নাম চেন্জ করে রাখলো ফার্স্ট লেডী ভিশনারী ইনস্টিটিউশন। বা প্রতাপগড় উচ্চ বিদ্যালয়ের নাম রাখা হলো ইম্পেরিয়াল অ্যাকাডেমিক ইন্স্টিটিউশন।

    দেখবেন সব পয়েন্ট আর সেইন্টরা ভির্মি খাবে।
  • pi | ০৬ ডিসেম্বর ২০১৭ ০১:৫৮384259
  • তাপসবাবুকে অরূপবাবু এটা আজ বলেছেন, গ্রুপে। লেখক দেখলাম একমত।

    '“বাচ্চাকে শেখান, যৌনাঙ্গ আর বাকি অঙ্গের মতোই একটি অঙ্গ - একটি শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়ার যন্ত্র মাত্র। যৌনাঙ্গের ওপরে আলাদা করে ট্যাবু তৈরী করাবেন না। শিশুর হাত ভেঙে গেলে (আখছার ভাঙে) যে কষ্ট টা হয়, শিশু যোনি তে পেন্সিল ঢুকলে বা শিশু লিঙ্গে কেউ মোচড় লাগালে শুধুমাত্র সেই শারীরিক কষ্টটুকুই হোক। সারা জীবনের মতো অপবিত্র হয়ে যাওয়ার লজ্জা থেকে তাকে বার করে আনুন। এতে করে পোস্ট ট্রমাটিক স্ট্রেস ডিসঅর্ডার এর হাত থেকে খানিক হলেও রেহাই পাওয়া যাবে।“ – আমার আঠারো বছরের মেয়ের সাথে এ’বিষয়ে আগেও কথা হয়েছে। আবার আপনার লেখাটার কিছু অংশ, বিশেষতঃ উপরের অংশটি পড়ে শোনালাম। আমরা দু’জনেই আপনার সাথে সহমত। তবু আমার মেয়ের একটি দি্লইমের আছে। সেটাই জানাই। ওর মতে যৌন নির্যাতন আর শারীরিক নির্যাতন আলাদা কিছু নয় - শিশুর ক্ষেত্রে, যতদিন যৌন চেতনা জাগার সময় হয়নি, ঠিক ততদিন। কিন্তু টিন এজে বা তার পরবর্তী সময়ে, যখন যৌনতা মনোজগতে নিজের জায়গা আদায় করে নিচ্ছে অথবা নিয়েছে, সে’সময়ে যৌন নির্যাতন আর শারীরিক নির্যাতনকে এক বলে ফেলার মধ্যে একটা অতি সরলীকরণ থেকে যেতে পারে। অবশ্য কোন একটিকে পরিস্থিতি নির্বিশেষে উচ্চাসনে বসানোর কথা মেয়ে বলেনি, অপবিত্রতা বা লজ্জার প্রশ্নই উঠছেনা, সামাজিক ট্যাবু না তৈরির ব্যাপারেও একমত। কিন্তু এই দু’ধরনের নির্যাতনের ক্ষেত্রে যে মানসিক উপাদান থাকে সেটা নাকি ভিন্ন প্রকার। বাসে ট্রামে ছেলেরা বুকে হাত দিলে শারীরিক ব্যথা বিশেষ লাগেনা, কিন্তু মানসিক প্রক্ষেপ ভিন্ন প্রকার। সেটা অস্বীকার করা যাবেনা। প্রসঙ্গত বলতে পারি – আমার মেয়েও একবার যৌন নির্যাতনের শিকার হয় যখন ওর পনেরো বছর বয়স। সেই ঘটনা আমরা বা আমার মেয়ে – কেউই লুকোনোর চেষ্টা করিনি কখনো, আর পাঁচটা বিষয়ের মত নানা প্রসঙ্গে আলোচনা হয়েছে। তবু ঘটনাটি আলাদাভাবে ওর মনে আছে, কারণ নাকি এটা আলাদা। তবে সেখানে অপবিত্রতা বা লজ্জার কোনো জায়গা নেই।
    অন্য একটা কথা বলি। ভারত জুড়ে সাধারণ মনুষ্যের জন্য ছিটেফোঁটা গণতন্ত্রের থেকে যাওয়ার পরম্পরা স্বীকার করা স্বাস্থ্যকর বটে, কিন্তু এখানে কি আত্মপ্রসাদের পরিসর আছে? মনেহয় আপনিও তা বলতে চাননি। ক্ষমতার সাথে গণতন্ত্রের ব্যস্তানুপাতিক সম্পর্ক থেকে যাবেই। ক্ষমতার শাসন তাকে নানাভাবে প্যাকেজিং করে এসেছে।
    বাকি বিস্তারিত আলোচনার জন্য কুর্নিশ।'
  • pi | ০৬ ডিসেম্বর ২০১৭ ০০:৫৮384258
  • সেই।
  • Rabimba Karanjai | ০৫ ডিসেম্বর ২০১৭ ২৩:৩৮384257
  • @pi homemaker না হলে বাছা কে, কে পড়াবে?

    স্কুল housewife চায় যাতে সে বাচ্চা কে ঘরে বসে বসে পড়াবে। তার হোমওয়ার্ক, হাতের কাজ, পায়ের কাজ, করে দেবে। টেনে টেনে স্কুল একটিভিটিস এ নিয়ে যাবে। করবে।

    স্কুল তো শোঅফ।
    পড়াশোনা তা বাড়িতে কাউকে তো করতে হবে? সেটা housewife না হলে কে করবে? :P

    কারণ না করলে,
    রেজাল্ট বাজে হবে = স্কুল এর সুনাম হবেনা = USP কমে যাবে স্কুল এর = পরের বছর এর নতুন মুরগি ধরা হবেনা আর
  • Rabaahuta | ০৫ ডিসেম্বর ২০১৭ ২৩:২০384256
  • ভালো লাগলো।

    অনেকদিন আগে পুজাসংখ্যা আনন্দমেলায় একটা গল্প বেরিয়েছিল, এক ভদ্রমহিলা তাঁর আত্মীয়ের ছেলের স্কুল নিয়ে পরামর্শ দিতে গিয়ে কোন বাংলা মিডিয়াম স্কুলের নাম করে বলেছিলেন খুব ভালো স্কুল, চেনাশুনোর মধ্যে পাড়ার মুদী দোকানীর ছেলে ঐ স্কুলে পড়ে। সেই নিয়ে মনোমালিন্য ও বাক্যালাপ বন্ধ।

    সে অন্তত তিরিশ বছর আগে। নিরতিশয় বিস্মিত হয়েছিলাম, ইনফ্যাক্ট আমি আর পাড়ার একমাত্র মুদী দোকানের ভদ্রলোক, আমরা বলতাম দোকানকাকু, তাঁর ছেলে এক স্কুলেই তো পড়তাম।
    অনেক ভেবেচিন্তে স্থির করেছিলাম কলকাতায় বোধয় আলাদা রকম রীতিনীতি।
  • pi | ০৫ ডিসেম্বর ২০১৭ ২৩:০৫384255
  • Arup Shankar Maitra-র লেখা।
    '
    আজ খুব সুন্দর এক অভিজ্ঞতা হল। নাইটেঙ্গল হাসপাতালে এক আত্মীয়কে দেখে বাইরে এসে গোটা সাতেক ট্যাক্সির রিফিউজালের পর, ২০টাকা বেশির চুক্তিতে একটা ট্যাক্সি নিলাম। ট্যাক্সিওলা বলল, আজকাল আর মিটারে পোষাচ্ছে না। আমার সঙ্গে যে ছিল তার সঙ্গে কথা হচ্ছিল, জিডিবিড়লা নিয়ে। সে খুব চিন্তিত কেননা, আর দুএকবছর পরেই তাকে তার মেয়েকে ইস্কুলে দিতে হবে। তার চিন্তা, ইংলিশ মিডিয়াম অথচ ভাল মেয়েদের স্কুল চাই। আমি বললাম, মিডিয়াম ম্যাটার করে না। সে বলে, না করে। আজকের যুগটাকে তো রাতারাতি বদলে দেওয়া যাবে না। এই সময়ের সঙ্গেই তাকে মানিয়ে চলতে হবে। আমি বললাম, শাখাওয়াত একটা ভাল স্কুল। লর্ডসিনহা রোড দিয়ে আসার সময় চোখে পড়েছিল। কিন্তু শাখাওয়াত তো বাংলা মিডিয়াম। আমি বললাম, হ্যাঁ, বাংলা মিডিয়ামেও যথেষ্ট ভাল লেখাপড়া হয়। দুজনের উদাহরণ টানলাম যারা ইংলিশ মিডিয়াম হাইফাই স্কুলে পড়েও তেমন প্রতিষ্ঠা পায় নি। বললাম, যে সব স্কুল অনেকদিনের, সরকারি সেগুলোয় ভাল পড়াশুনো হয়, কেননা, সরকারি স্কুলের মাইনে ভাল, তাই ভাল শিক্ষকরা সেখানে পড়ায়। সে মেনে নিল, বলল, হ্যাঁ, তারই এক ক্লাসমেট, অত্যন্ত মেধাবী, আইএসআই পাসআউট বেথুনে পড়ায়। কিন্তু বেথুনও বাংলা মিডিয়াম। চলার সময় এক পাশের এক ট্যাক্সি ওভারটেক করছিল, আমাদের ড্রাইভার তাকে গালাগাল দিল। আমাদের আলোচনা চলছিল। সে সবই মেনে নিচ্ছিল, কিন্তু আজকের যুগের প্রেক্ষিতে তার মনে হচ্ছিল, ইংলিশ মিডিয়াম না হলে চলবে না। সে খুঁজছে সরকারি, ওয়েস্টবেঙ্গল বোর্ড কিন্তু ইংলিশ মিডিয়াম গার্লস স্কুল কোথাও আছে কিনা।
    হঠাৎ আমাদের ড্রাইভার বলল, কিছু মনে করবেন না স্যার, আমি একটা কথা বলব? মানে বলা উচিৎ না, তাও বলছি, আপনাদের কথা অনেকক্ষণ ধরে শুনছি। আপনাদের ধারণা ভুল। বাংলা মিডিয়াম মানে খারাপ কে বলেছে? আমি ট্যাক্সি চালাই। আগে ভবানীপুরে থাকতাম, এখন ঠাকুরপুকুরে থাকি। আমার মেয়ে রমেশমিত্র গার্লস স্কুল থেকে স্টার নিয়ে পাশ করে এখন আশুতোষে অনার্স নিয়ে পড়ছে। উচ্চমাধ্যমিকে চারটে সাবজেক্টে লেটার। কে বলেছে বাংলা মিডিয়াম খারাপ? আমার বন্ধু, গ্যারেজে গাড়ি ধোয়, তার বৌ লোকের বাড়ী কাজ করে। তার ছেলে মিত্র ইন্সটিটিউশান থেকে ভাল রেজাল্ট করে ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে আইটিতে ভর্তি হল। তারপর ভাল রেজাল্ট করে এখন সেন্টাল গর্মেন্টের রিসার্চ স্কলার। আঠাশ হাজার টাকা মাইনে দেয় জানেন? রিসার্চ মানে কী? এখনও স্টুডেন্ট। একটা স্টুডেন্টকে আঠাশ হাজার টাকা দিচ্ছে। যদি বাংলা মিডিয়াম খারাপই হত, তাহলে গর্মেণ্ট আঠাশ হাজার টাকা মাইনে দিত? বলেন? আঠাশ হাজার টাকা মাইনে?
    ভাবলাম, সত্যি কথাই। কিন্তু আমাদের বাড়ির ছেলে মেয়েরা ওই ঝি, ট্যাক্সিড্রাইভারের ছেলে মেয়েদের সঙ্গে পড়বে? ছ্যাঃ। নামবার সময় ড্রাইভার বলল, যদি চান্স পায়, শাখাওয়াতে দেবেন। খুব ভাল স্কুল। রমেশমিত্র গার্লসের চেয়ে অনেক ভাল।
    ভাবলাম, শাখাওয়াত তো বেগম রোকেয়ার প্রতিষ্ঠিত। কোনও খৃষ্টান মিশনারি নয় কিম্বা রামকৃষ্ণ মিশনারিও নয়। লোকটার নাম জানি না। হয়ত মুসলমান, হয়ত নমশূদ্র বা বাগদী। জানি না। ভচ্চায্যি বা গুহও হতে পারে।
    বানানো গল্প নয়। অক্ষরে অক্ষরে সত্যি। কোথাও একটা তৃপ্তি নিয়ে ট্যাক্সি থেকে নামলাম। অবশ্য খুচরোর কারণে ২০টাকার জায়গায় ২৪ টাকা বেশি দিতে হল।
  • aranya | ০৫ ডিসেম্বর ২০১৭ ২২:৫৫384254
  • কি যেন একটা সিনেমা ছিল এই স্কুল ইন্টারভিউ নিয়ে - ইংলিশ মিডিয়াম বোধহয়

    মেয়েদের গায়ে হাত দেওয়া নিয়ে ঈশানের পোস্ট দেখে ৭০-এর কল্যানীকে ব্যতিক্রমী মরুদ্যান বলে মনে হচ্ছে
  • Rabaahuta | ০৫ ডিসেম্বর ২০১৭ ২২:৫১384253
  • সেসব তো ঠিক আছে কিন্তু আমাকে যদি ইন্টারভিউ দিতে হয় তবে রামধনু সিনেমার লাল্টুবাবুর মত হবে। সিনেমাটা দেখিনি, কিন্তু ঐ জায়গাটা দেখেছি ফেসবুকে। এগুলো সিরিয়াস দুশ্চিন্তা।
  • S | ০৫ ডিসেম্বর ২০১৭ ২২:৪৭384252
  • দুটো গাড়ি না থাকলে সপ্তাহের সাতদিনই কি করে দিল্লির পলিউশান বাড়াবে?
  • Rabaahuta | ০৫ ডিসেম্বর ২০১৭ ২২:৪৫384251
  • সিকি লিখেছিল বাড়িতে দুটো গাড়ি আছে কিনা সেসবও বিবেচনা করা হয়, কোন কোন স্কুলে যেন।
  • Rabaahuta | ০৫ ডিসেম্বর ২০১৭ ২২:৪২384250
  • এটা সিকি বোধয় লিখেছিল অনেকদিন আগে।

    এই জিনিসটা নিয়ে আমি খুব আতঙ্কে থাকি।আমাকে যদি ইন্টারভিউ দিতে হয় তবে তো ডাহা ফেল।
  • pi | ০৫ ডিসেম্বর ২০১৭ ২২:৩৪384249
  • একটা কথা শুনে থেকে হুব্বা হয়ে আছি। এই নামিদামি স্কুলগুলোর ইন্টারভিউ তে নাকি এখন জিগেশ করা হয় মা হোমমেকার কিনা, আর সেটা প্রেফার করা হয় !! মা চাকরি করলে প্রশ্ন করা হয়, বাচ্চার যত্ন কীকরে ঠিকঠাক হবে। অবশ্যই বাবাকে এই প্রশ্ন করা হয়্না। সেখানে স্যালারি বিবেচ্য। কয়েকজন তাদের রিসেন্ট অভিজ্ঞতা লিখেছে। :O
  • aranya | ০৫ ডিসেম্বর ২০১৭ ২২:১৫384248
  • পাড়ার দাদা নয়, দাদ্দা-রা (কার্টসি অঞ্জন)

    আর হনু-র পোস্টে একঝলক চোখ বুলিয়ে কিছু কমেন্ট করা সত্যিই উচিত হয় নি, বহুত ঘোরাল প্যাঁচাল লেখা থাকে, আমার মত সরল গোলগাল লোকের পক্ষে তার অর্থ বোঝা বেশ ঝক্কির, আর একটু সময় দিয়ে পড়া উচিত ছিল। তাতেও অবশ্য সব সময় বুঝে উঠি না
  • ঈশান | ০৫ ডিসেম্বর ২০১৭ ২১:২৭384247
  • ভিভিপ্যাট টা আবার কী। কতকিছু জানতে হবে রে ভাই।
  • সিকি | ০৫ ডিসেম্বর ২০১৭ ২১:২৬384246
  • আর এই পোলে যদ্দূর জানি, ইভিএমে ভিভিপ্যাট ইউজও করা হয় নি। গাজিয়াবাদে তো ভোটই পড়ে নি বিশেষ। ৩৪ না ৪৪ পার্সেন্ট।
  • সিকি | ০৫ ডিসেম্বর ২০১৭ ২১:২৪384245
  • হ্যাঁ। ইভিএম ছাড়া বাকি সর্বত্র বিজেপি হেরেছে।
  • pi | ০৫ ডিসেম্বর ২০১৭ ২০:৫০384244
  • আর এই বাকি জায়গাগুলোতে বিজেপি সব হেরেছে ?
  • সিকি | ০৫ ডিসেম্বর ২০১৭ ২০:১৪384243
  • কর্পোরেশনে ইভিএম। বাকি জায়গাতে পেপার।
  • pi | ০৫ ডিসেম্বর ২০১৭ ২০:১০384242
  • দেখা যাক, এটা হলে কী হয়।
    ইউপি র এই নির্বাচনে ইভিএম এ বিজেপি জিতেছে, নন ইভিএমে হেরেছে, এটা কেউ বোঝাবে ? এই নিয়ে হইচই দেখছি, ফলো করতে পারিনি। নন ইভিএম হল কীকরে ?
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত