এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • avi | ০৪ ডিসেম্বর ২০১৭ ১৫:৪০384150
  • পাড়ায় সব মানুষই সব বাচ্চার অভিভাবক হয়ে শাসন করবেন, এই আকুতি সঞ্জীব চট্টোর লেখায় খুব পেতাম। একান্নবর্তী পরিবার ভাঙার সময় এটা মনে হয় একটা ডিফেন্স হিসেবে সান্ত্বনা দিত। পজিটিভ নেগেটিভ দুইই থাকবে আর দশটা জিনিসের মতো। তবে কদিন আগেই ওই রাণীকুঠিতেই একটি মেয়ে হাফপ্যান্ট পরে সিগারেট খাওয়ায় এই প্রায় অবলুপ্ত অভিভাবকেরা যেমন প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছিলেন, তাতে তাঁদের কাজকর্ম সঠিক দিকে ধাবিত হত, এরকম সম্ভাবনা বেশি লাগে না।
  • pi | ০৪ ডিসেম্বর ২০১৭ ১৫:৩৭384149
  • আমেরিকান কাজিন ঃ)
  • pi | ০৪ ডিসেম্বর ২০১৭ ১৫:২৬384148
  • একটা জেরক্স দোকানের নাম দিয়েছে দেখি ক্লোন।
  • Rabaahuta | ০৪ ডিসেম্বর ২০১৭ ১৪:০৬384147
  • আমার বন্ধু শান্তনু পাড়ার ছেলেদের বলতো আমেরিকান কাজিন।

    মানে পাড়ানির্বিশেষে, পাড়ার মোড়ে যারা দাঁড়িয়ে গজল্লা, বেপাড়ার ছেলেদের নজর করা, প্রেমিক ও নেশাখোরদের হেনস্থা করার গুরুদায়িত্ব পালন করে তারা সবাই। যেমন, কাল বিজয়গড়ের আমেরিকান কাজিনদের সঙ্গে ক্যালাকেলি হলো, বা প্রতাপগড়ের আমেরিকান কাজিনদের সঙ্গে গাঁজা খেলাম, এইরকম।
  • Rabaahuta | ০৪ ডিসেম্বর ২০১৭ ১৩:৫৭384146
  • বরং জ্যাঠামশাইয়াধিক্য কমাটা এইসব ঘটনা রিপোর্টেড হতে সাহায্য করছে কিনা সেটা আমার মনে হয়।
  • Rabaahuta | ০৪ ডিসেম্বর ২০১৭ ১৩:৫১384145
  • চরাচরব্যাপী জ্যাঠামশাই থাকলে বাচ্চাদের সুরক্ষা বেশী এই মতে আমার ঘোর আপত্তি।
    বাড়ির ভেতর থেকে নিপীড়ন নিয়ে তো কম পড়ছিনা।
    বাড়াবাড়ি হলে খাপ পন্চায়েতও পুঁতে দেয়, কোন বাড়াবাড়ি, কাকে পোঁতে সেইসব ঘেঁটেঘুঁটে।
  • h | ০৪ ডিসেম্বর ২০১৭ ১২:৫০384144
  • হ্যাঁ।
  • pi | ০৪ ডিসেম্বর ২০১৭ ১২:৩১384143
  • হানুদা কি কোলকাতায় ?
  • h | ০৪ ডিসেম্বর ২০১৭ ১২:২৪384142
  • হ্যাঁ। কারণ সকলেই বিচিত্র ইনসিকিওর্ড, এবং স্কুল বা শিক্ষা সম্পর্কে ধারণা টা, সোশাল সিকিউরিটি না থাকার ফল।
  • pi | ০৪ ডিসেম্বর ২০১৭ ১২:২২384141
  • স্কুল থেকে পড়ায় বিশাল চাপ দেওয়া না হলে নাকি শুনেছি অভিভাবকেরা চাপ দেন, চাপ দেওয়া হোক বলে !!
  • h | ০৪ ডিসেম্বর ২০১৭ ১২:২০384140
  • কিন্তু মুশকিল হচ্ছে, প্রেমিকের ঠ্যাং খোঁড়া হল, কিন্তু জেঠু অক্ষত রয়ে গেলেন ঃ-)))))
  • h | ০৪ ডিসেম্বর ২০১৭ ১২:১৯384139
  • আরেকটা সমস্যা হল, স্কুলের পরিচালনায়, অভিভাবক দে র পার্টিসিপেশন প্রায় মহাশুন্য। এবং এক ই সঙ্গে, বাবা মাদের ধারণা হল, ক্লাস টু তেই ছেলে মেয়েকে বিশাল পন্ডিত হতেই হবে, এ মানে সীমাহীন আপদ। বাচ্চাদের অবস্থা যাতা সঙ্গীন, এবং আমরা বড় রা, উই আর গেটিং অ্যাওয়ে উইথ মার্ডার। কোন স্কুলে বই পত্র রাখার ব্যবস্থা নেই, ভারী ভারী ব্যাগ বয়ে বয়ে নিয়ে যাওয়া অসহ্য ব্যবস্থা। আর একটা অদ্ভুত ডিসিপ্লিনের নামে ছোটোদের স্কুল থেকে তাড়ানোর ভয় দেখানো বা অদৃশ্য রাজা গোছের কিছু ছাগল পরিচালকের কাছে বকুনি খাওয়ানোর ভয় দেখানো, এ মানে টিপিকাল। কি পরিমাণ রামছাগল লোকজনে অসংখ্য স্কুল ভর্তি কল্পনা করা যায় না।

    আর সরকারী স্কুলে মানুষের এত ভরসা কম, এটা একটা দুঃঅহ অবস্থা।
  • pi | ০৪ ডিসেম্বর ২০১৭ ১২:১৫384138
  • আচ্ছা, এই নেমিং শেমিং, বাচ্চাকে টিভিতে আনা এই নিয়ে কোলকাতায় থাকা কেউ কেউ টিভিতে বাইট দিতে ইচ্ছুক ? হলে একটু নং মেসেজ করবেন, একটি চ্যানেল থেকে চাইছে।
  • pi | ০৪ ডিসেম্বর ২০১৭ ১২:১০384137
  • হ্যাঁ, রঞ্জনার পাড়ার দাদারা তো ঠ্যাং খোঁড়া করে দেওয়ার জন্যে ছিলই। কিন্তু সত্যিকারের প্রেমিকদেরও দিত ঃ(
    এখন এইসব দাদারা আর নেই ?
  • h | ০৪ ডিসেম্বর ২০১৭ ১২:০৯384136
  • এসব লেখার কোন মানে হয় না, এগুলো হল নিজের ছোটোব্লেআকে বিশুদ্ধ মনে করা, স্মৃতিমেদুরতাকেই সমাধান বলে ধরা। এই "বৃহত্তর পরিবারের" মধ্যে যৌন অত্যাচার কি সামাজিক কোহেশন বাড়লে থামবে নাকি, উল্টে সালা এখন স্কুল বাজে ডিফেন্সিভ হয়ে ছড়াচ্ছে, তখন পরিবার ই বলবে চেপে যেতে। কখন জ্যান্ত পোঁতা যায়, কাকে কে জ্যান্ত পুঁতবে, এই সব সিদ্ধান্ত বৃহত্তর পরিবার নেবে? যত বে আইনি কথা বার্তা। গণ আদালতের মত প্রায়। এই যে কিকি (প্লেস হোল্ডার) র এই সব ইরিটেটিং অভিজ্ঞতা, তো জেঠু(প্লেস হোল্ডার) গোছের মাল টি ই তো পারপিট্রেটর। তো তাকে জ্যান্ত পোঁতা হয় নি কেন, বৃহত্তর পরিবার থাকা সত্ত্বেও? এসব অতি সাধু উদ্দেশ্যে লেখা কিন্তু চিন্তাহীন বোকা বোকা এক্সপেকটেশন আর বোকা বোকা কথা।

    দেখুন খুব সোজা কথা হল, সিসি টিভি বসতেই পারে, সব অপরাধ তাতে আটকাবে না। প্রসিকিউশন হয়তো নর্মালি যে লেভেলের ঢপ দেয় হয়তো দিতে পারবে না। এই অসহ্য কষ্টের মধ্যেও বলতে হবে, এই অভিযোগ প্রমাণিত নয়। এবং বিচারক বিশেষে শিশুটির এভিডেন্স কে কতটা সিরিয়াসলি নেওয়া হবে সেটা নির্ভর করবে। তার পরে অ্যাপিল আছে।

    কিন্তু যে টা ক্ষমাহীন ঘটনা, সেটা হল, স্কুলের কর্তৃপক্ষের ভারসন বদল এব` বোকা বোকা ডিফেন্স। প্রাইভেট স্কুল গুলোর কোন কোড অফ কন্ডাক্ট নেই, আমরা সরকারী লেখা পড়া কে ডিসক্রেডিট করেছি বলেই এই সব ছাগলেরা মাথায় চড়ে বসেছে।

    আমাদের দেশের কলোনীর অভিশাপ শিক্ষা থেকে যায় নি, এবং তার ই নানা ঘাত প্রতিঘাতে এই বিচিত্র শিক্ষা ব্যবস্থা, যেখানে একটা শিশুর মেন কাজ হল, কিছু ব্যাবসায়ীর বড়লোক হওয়ার ব্যবস্থা করা। কলোনীর অভিশাপ এতই বিচিত্র, একটা কমিউনিস্ট পার্টির মূল শ্লোগান দীর্ঘদিন ধরে, ইংরেজি শিক্ষা বাধ্যমতামূলক করা, সমাজ যে বদলাবে না, তাতে এই ভরসা বড় একটা দেখা ই যায় না ঃ-)))), আর হল, সমস্ত ধরণের নতুন রিসার্চ কে অস্বীকার করে, সর্বশিক্ষা র অধিকার কে লঙ্ঘন করে পাশ ফেল ফেরানোর দাবী। এব` শিক্ষা নিয়ে আলোচনার সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো, কিছু ক্ষন পরেই কিছু লোকে বলবে, আর অত শিক্ষা দিয়ে কি হবে কারখানা দরকার, প্রোডাকটিভ ছাড়া কোন কিছুই শিক্ষা না, ভোকেশনাল ট্রেনিং ই যথেষ্টা সাধারণ মানুষের জন্য, অতএব আবার অসংখ্য শ্রেণী বিভক্ত শিক্ষা যেমন চলছে ঠিক, সিসি টিভি সিসি টিভি ইত্যাদি। এবং যথা পূর্বং চলবে। এবং এ ক্লান্তিকর।

    প্রাইভেট স্কুলের রিক্রুটমেন্ট এস এস সি র আন্ডারে আনা যেতে পারে, প্রতিটি স্কুলে শিশু কমিশনের প্রতিনিধি বা শিশু দের মনস্তাত্ত্বিক কাউন্সেলর এর ব্যবস্থা করা যেতে পারে, ইন্টারেস্টিং হল, দুটো কলকাতার বড় স্কুলে হলেই কাগজে চেচামেচি বন্ধ হয়ে যাবে, আমরাও চুপ করে যাবো, কারণ অসংখ্য সরকারী স্কুল কে ঐ ছাগলের 'বৃহতত্তর পরিবার' এর হাতে ছাড়া হবে, কারণ সরকার ইনভেস্ট ই করবে না, আর সেই ইনভেস্টমেন্ট যাঁরা চাইবেন, তাঁদের বলা হবে পুরোনো পাবলিক সেকটরপন্থী। সমস্যাটা হল, প্রাইভেট শিক্ষা সম্পর্কে মূল সমস্যাটা শুধুই ব্যক্তিগত মুনাফা বা যে কোনো মূল্যে মুনাফা না, কিন্তু কোন কোড অফ কনডাক্ট এর মধ্যে আনতে না পারা।

    একটা সময় বিশাল সমস্যা ছিল, প্রাইভেট স্কুলের শিক্ষক দের মাইনে ছিল না, সেই সমস্যা নানা তালে গোলে কমেছে, কস্ট টা স্টুডেন্ট কনস্জিউমার এর ঘাড়ে পড়েছে। এখন কেউ ডোনেশন চান না, এখন ফি হিসেবেই চাওয়া হয়, রিসিট ও দেওয়া হয়। প্লা এরিয়া লিমিটেশন, এবং, প্রাইভেট স্কুলে এলাকার গরীব ছাত্র দের পড়ার ব্যবস্থা তো একেবারে ই মহাশুন্য, পুরোনো মিশনারি স্কুল গুলো ছাড়া এই কাজ হয় ই না, তাদের আন্তর্জাতিক ফান্ডিং থাকে, সেই ফান্ডিং কে সরকার থেকেই ব্যবস্থা করা সম্ভব একমাত্র।

    আরো উৎপাত হল, বড় স্কুল গুলো কে কেন্দ্র করে, কর্পোরেটাইজড এডুকেশন এবং এফ এম সি জি কোম্পানী গুলো র বাড় বাড়ন্ত। নানা ধরণের সার্ভিস ও প্রোডাক্ট বেচা।

    শিক্ষ সমর্কে ধারণা, কোনটাকে শিক্ষা বলবো, ইত্যাদি বড় বিতর্কে না যাওয়াই ভালো। সেটা মাইন ফিল্ড। ছেলে মেয়েরা প্রাণ নিয়ে প্রতিদিন ঘরে ফিরলেই যথেষ্ট।

    আর এই ঘটনায় আবার নতুন উপদ্রব অতি উৎসাহী আর এস এস, বিজেপি সমর্থক দের সুযোগ বুঝে সংঘ পরিবারের স্কুলের প্রচার।

    সব মিলিয়ে দুঃসহ অবস্থা। এবং সরাসরি বলছি, সাধারণ মানুষের বাঁচার একমাত্র উপার সরকারের হস্তক্ষেপ বাড়ানো, কারন মনে রাখবেন, সরকার ছাড়া আর কোনো ধরণের কর্তৃপক্ষের উপরেই, সাধারন্যের জোর খাটেনা, তার প্রকরণ ও সীমা স্থির করা যেতেই পারে। ক্রাইমের ঘটনা প্রিভেন্ট করা সোজা না, চারিদিকে অসংখ্য সিসিটিভি বসালেই সব সমস্যা সমাধান হবে বলে মনে করি না, কারণ আনফরচুনেটলি, অপরাধী ও অপরাধ থাকবে, প্রাতিষ্ঠানিক অ্যাকাউন্টেবিলিটি ক্রমাগত বাড়ানো ছাড়া অন্তত আর কোন উপায় দেখছি না। প্রসিকিউশন নিজের পথে চলুক।
  • pi | ০৪ ডিসেম্বর ২০১৭ ১১:৫৫384135
  • মিলিন্দ সোমানের মাদুর আবার কী কেস ? যে মাদুরের উপরে উনি ওয়ার্কাঅউট করেন ?
  • de | ০৪ ডিসেম্বর ২০১৭ ১১:২৩384134
  • কিকির কন্সার্ন বুঝতে পারছি - তবে কিকি, সব বাচ্চারা কিন্তু কেঁদে বা চেঁচিয়ে রিয়াক্ট করে না - অনেকেই হতভম্ব স্টেজে থাকে। তবে, চার বছরের বাচ্চাকে অপরাধী বলা যায় না, এবিষয়ে আমিও একমত।
  • :) | ০৪ ডিসেম্বর ২০১৭ ১১:১৭384133
  • ৩৪ অক্ষৌহিনী, পরে ওটা ১০৮ অক্ষৌহিনী হয়ে যায়।
  • de | ০৪ ডিসেম্বর ২০১৭ ১০:৫০384132
  • উফ্‌ - মিলিন্দ সোমান এতো মাদুর বিক্কিরি কত্তে চায় ক্যানো - আমার মেলবক্স পরিবেশ-বান্ধব মাদুরের মেলে ভরে যায় রোজ রোজ!
  • aranya | ০৪ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৯:০৯384131
  • তাপসবাবু-র লেখা, যেটা পাই এখানে দিয়েছে, ঠিক্ঠাক-ই মনে হল। আগেকার দিনে পাড়া কালচারের কিছু প্লাস পয়েন্ট - মেয়েদের নিরাপত্তা, অন্যের বিপদে ঝাঁপানো এগুলো তো নিশ্চয়ই ছিল।

    আমার দু বছর বয়স থেকেই বাবা অসুস্থ, পাড়ার কাকু-জ্যেঠু-দের কত সাহায্য যে পেয়েছি। মেয়েদের সাথে অসভ্যতার ব্যাপারেও তাপস বাবু-র সাথে মদীয় অভিজ্ঞতা মিলে যায় - 'কারণ সবাই জানতো, সীমা ছাড়ালে জ্যান্ত পুঁতে ফেলবে (মেটাফোরিক্যালি) বাড়ির লোক বা পাড়ার দাদা বা কাকা বা জ্যাঠা। তাই সাহসে কুলোতো না'
  • Atoz | ০৪ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৮:৩৭384130
  • আমার খুবই জানতে ইচ্ছে হয়, এই আলেক্জান্ডারবাবু কত সংখ্যক সেনা নিয়ে বেরিয়েছিলেন ম্যাসিদোনিয়া থেকে? সবই কি ঘোড়সওয়ার? পরে কি ক্রমাগত পারস্য টারস্য থেকে নতুন নতুন সেনা জুড়েছেন বাহিনিতে? পুরুর কাছাকাছি যখন যান, তখন কত সেনার সৈন্যবাহিনী তাঁর?
  • Atoz | ০৪ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৮:৩৩384129
  • সত্যিই তো। মনে হয় আলেকজান্ডারপ্রেমী ভদ্রলোক বলতে চেয়েছেন আলেকজান্ডারের আর্ট অব ওয়ার পড়ানো হয়, মানে উনি যে কৌশল প্রয়োগ করতেন। এইরকম যে এক বই আছে জবরদস্ত, বিশ্ববিদিত নাম, সে হয়তো আলেক্ষপ্রেমী এই ভদ্রলোক জানতেন না। ঃ-)
  • S | ০৪ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৮:২৬384128
  • আর্ট অব ওয়ার বলতে লোকে (সর্বত্রই) সান ত্সুর বইটাই জানে। এম্বিএ না পড়া ম্যানেজারদের দেখেছি সেই বই নিয়ে খুব গদগদ করতে। অন্য কোনও বইয়ের কথা শুনেছি বলে তো মনে পড়েনা।

    আপনার চাইনিজ বন্ধুর রাগের যথেস্ট কারণ আছে। মনে করুন আপনাকে যদি কোনো পান্জাবী এসে বলে যে গীতান্জলী হানি সিং লিখেছে, তাইলে আপনি কি করবেন?
  • dd | ০৪ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৮:১৯384127
  • @এতজ, ওম্মা ও তো পৃথ্বী বিখ্যাত বই - লেখক সান ৎসু নামের এক চীনাম্যান। আলেকজান্ডার বাবুও এই একই নামই নিয়ে বই লিখেছেন - জান্তুম নে তো। গুগুল ঘেঁটেও পেলাম না।মনে হয় মিছে কথা।

    এ বিষয়ে মদীয় এক ক্ষুদ্র অপিচ সুগভীর নিবন্ধকে অনুধাবন করতে আহ্বান জানাই। এই হেথায়ই ছাবা হয়েছিলো।
    http://www.guruchandali.com/default/2010/01/05/1262630520000.html
  • pi | ০৪ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৮:০২384126
  • তাপসবাবুর এই সমাধানসূত্র নিয়েই বা কী মত ?

    'ভালোবাসতে শিখুন ও শেখান। এতাবৎ কাল যেভাবে শুধু নিজেকে ভালোবেসে এসেছেন বা সেভাবেই ভালোবাসার ট্রেনিং দিয়েছেন নিজের সন্তানকে, সেভাবে নয়, অন্যভাবে। চোখ খুলতে শেখান। অন্যের সমস্যায় এগিয়ে যেতে শেখান। সোশ্যাল কোহেশন তৈরি হোক। লুটেপুটে নিজের কোলে ঝোল টানতে না শিখলে জীবনে উন্নতি হবে না সে তো খুব ভাল কথা, কিন্তু কোলটাই যে ক্ষতবিক্ষত হয়ে যাচ্ছে বন্ধুগণ! ঝোল টেনে সে ঝোল রাখবে কোথায় সন্তান আপনার তা হলে?
    সোশ্যাল কোহেশন বাড়ুক। আমাদের ছোটবেলায় সব বাড়ির লোক সব বাড়ির ভালমন্দ জানতো। আমরা খেপে যেতাম নাক গলাচ্ছে বলে। কিন্তু সেই দীর্ঘ নাসিকা এক ধরনের নিরাপত্তার বলয়ও তৈরি করত। আমার পাড়ায় লোকের বাড়ির সামনে দিয়ে সর্বমঙ্গলা ইস্কুলের মেয়েরা ইস্কুল যেত দল বেঁধে। বাড়ির ছেলেরা লুকিয়ে দেখত বা সামনেই দেখত বা সাইকেল নিয়ে পিছু পিছু যেত। কখনও ছুড়ে দিতো প্রেমপত্র। মুখ লাল হয়ে যাওয়া মেয়েরা ছাতা উঁচিয়ে তাড়াও করতো হয়তো, বা আবার হয়তো সেখান থেকেই গড়ে উঠতো আরেকটি নতুন পরিবার। আমাদের এলাকা আড়িয়াদহে, আমার বয়সি প্রায় সত্তর শতাংশ পরিবারে পুরুষটি কালাচাঁদ ইস্কুলের, আমি যেখানে পড়েছি সেই ছেলেদের ইস্কুল, আর মহিলাটি সর্বমঙ্গলা ইস্কুলের বা সারদা ইস্কুলের। কখনো সখনো খুচরো অসভ্যতাও যে হতো না তা নয়, কিন্তু কখনোই কিছুই মাত্রা ছাড়াতো না। কারণ সবাই জানতো, সীমা ছাড়ালে জ্যান্ত পুঁতে ফেলবে (মেটাফোরিক্যালি) বাড়ির লোক বা পাড়ার দাদা বা কাকা বা জ্যাঠা। তাই সাহসে কুলোতো না।
    পাশের বাড়ির দিকে, রাস্তায় পাশের মানুষের দিকে, ক্ষেত্র বিশেষে বিছানায় পাশের মানুষের দিকে— নির্লিঙ্গ, নির্বীর্য, নির্মোহ, নিরাসক্ত ভাবে তাকানোর অভ্যাস আমাদের সময়ে তৈরি হয়নি অতটা— অন্তত মফস্‌সলে তো বটেই। একজনের বিপদে অন্যজনে ঝাঁপাতো তাই। এবং অপরাধীর ভয় থাকত— খারাপ কাজ করে সহজে ছাড় পাওয়া যাবে না জানত।
    সেই ভয়টা এখন আর নেই বললেই চলে।'

    https://ebela.in/state/what-should-be-apt-punishment-for-child-abusers-dgtl-1.717223
  • Ishan | ০৪ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৬:০৭384125
  • চিনে।
  • Atoz | ০৪ ডিসেম্বর ২০১৭ ০২:৩০384124
  • ডিডি, আছেন? এক লোক একজায়গায় লিখেছেন "আর্ট অব ওয়ার" নাকি আলেক্জান্ডারের! মানে আলেক্জান্ডার দ্য গ্রেটের। সেই আর্ট অব ওয়ার নাকি কোথাকার আর্মিতে পড়ানো হয়। এদিকে চাইনিজ বন্ধু শুনে রেগে চতুর্ভুজ! এ বই তো সুপ্রাচীন এক চাইনিজ বই! আলেকজান্ডারের জন্মের বহু বহু আগে রচিত।
    ব্যাপারটার মীমাংসা করে দিন প্লীজ।
  • Atoz | ০৪ ডিসেম্বর ২০১৭ ০২:০৮384123
  • শুনলাম টিভিতে নিয়ে এসেছে বাচ্চাটাকে!!!! কী সাংঘাতিক অবস্থা !!!!!!
  • pi | ০৪ ডিসেম্বর ২০১৭ ০০:৩৮384122
  • তবে পিডোফিলিক হলে সেই কারণেই, মানে সুযোগ পেতে চাওয়ার কারণেই এরকম স্কুলে বাচ্চাদের শিক্ষক হতে আপ্লাই করা হয়েছিল। সেটাও একটা সম্ভাবনা। সম্ভাবনার কথা বললে।

    আমার কাছে এখনো ক্লিয়ার না। এই আন্টিসোশ্যাল টেন্ডেন্সি, যেটা চাইল্ড সেক্সুয়াল আবিউজের কারণ, সেটাও তো ডিসঅর্ডারই, নাকি ? বা, স্ট্রেস, ম্যারিটাল প্রবলেম থেকে চার বছরের বাচ্চাকে সেক্স্যুয়াল আবিউজ করাও।
  • pinaki | ০৪ ডিসেম্বর ২০১৭ ০০:০৪384121
  • এক্ষেত্রে পিডোফিলিয়া কিনা সেটা নিয়ে আমারও সন্দেহ আছে। পিডোফিলিয়া আমি যদ্দূর জানি একটা সাইকিয়াট্রিক ডিসঅর্ডার যেটা ৫% ছেলের মধ্যে থাকে। এরকম একটা রেয়ার ডিসঅর্ডারঅলা দুটো লোক জুটে গেল একটা স্কুলের টিচারদের মধ্যে - এটা খুবই রেয়ারস্য রেয়ার সমাপতন। উইকি বলছে সমস্ত চাইল্ড সেক্সুয়াল অ্যাবিউজকে পিডোফিলিয়া ভাবাটা সমস্যাজনক। চাইল্ড সেক্সুয়াল অ্যাবিউজ নানা কারণে লোকে করে থাকে। উইকি অনুযায়ী সেগুলো হল - stress, marital problems, the unavailability of an adult partner,[101] general anti-social tendencies, high sex drive, or alcohol use। এক্ষেত্রেও সেরকম কিছু হয়ে থাকতে পারে। কিন্তু সবকিছুর পরেও যেটা আমার কিছুতেই হজম হচ্ছে না, সেটা হল - একটা স্কুলের টিচারদের মধ্যে দুজন একই সাথে এরকম বেরোলো!
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত