এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Du | ২০ নভেম্বর ২০১৭ ২০:১১383368
  • আমার মাতৃকুল ও পিতৃকুল ভীমেরা ভর্তি। দিদার আটের মধ্যে সাত ছেলেই হয় পুরোটা নয় এই দ্যাও সেই দ্যাও করে রান্না করে থাকেন। আশি বছরেও কাকু স্বপাক খান। তবে শ্বসুরবাড়িতে ছেলেদের রান্নায় কোন প্রেসেন্স নেই। আমার বর তরকারি কাটায় মাঝে সঝে হাত লাগায়।
  • Du | ২০ নভেম্বর ২০১৭ ২০:১১383369
  • আমার মাতৃকুল ও পিতৃকুল ভীমেরা ভর্তি। দিদার আটের মধ্যে সাত ছেলেই হয় পুরোটা নয় এই দ্যাও সেই দ্যাও করে রান্না করে থাকেন। আশি বছরেও কাকু স্বপাক খান। তবে শ্বসুরবাড়িতে ছেলেদের রান্নায় কোন প্রেসেন্স নেই। আমার বর তরকারি কাটায় মাঝে সঝে হাত লাগায়।
  • Du | ২০ নভেম্বর ২০১৭ ২০:১১383370
  • আমার মাতৃকুল ও পিতৃকুল ভীমেরা ভর্তি। দিদার আটের মধ্যে সাত ছেলেই হয় পুরোটা নয় এই দ্যাও সেই দ্যাও করে রান্না করে থাকেন। আশি বছরেও কাকু স্বপাক খান। তবে শ্বসুরবাড়িতে ছেলেদের রান্নায় কোন প্রেসেন্স নেই। আমার বর তরকারি কাটায় মাঝে সঝে হাত লাগায়।
  • T | ২০ নভেম্বর ২০১৭ ১৯:৪৩383367
  • | ২০ নভেম্বর ২০১৭ ১৯:২৫383366
  • ভাগ্যিস ধোঁয়ার মতন উড়ে উড়ে বিলীন হয়ে গিয়ে দেখানোর আগেই ব্যাপাট্টা মিটিয়েছিস।

    জন্মেশকে অবিশ্যি ব্রাসেলসে চিকেন কিনতে গিয়ে ডানা মেলে উড়ে বেড়ানোর ভঙ্গী করতে হয়েছিল। তাতেও লাভ হয় নি, ওকে কোয়েল না টার্কি কি জানি দিয়েছিল। সদ্য ননভেজ খেতে শেখা জন্মেশ সাহস করে তা আর আনতে পারে নি।
  • T | ২০ নভেম্বর ২০১৭ ১৮:২৬383365
  • সকালে ক্যান্টিনে অদ্ভুত অভিজ্ঞতা হ'ল। শোনেন।

    তো, এককাপ চা আর দুপিস বাটারোচিত পাঁউ নিয়ে তো বসেছি। দেকি চা টা ঠান্ডা। এমনিতে এতে অসুবিদে হয় না, কিন্তু যেহেতু পশ্চিমবঙ্গে এখন শীতকাল, তাই এই প্রবাসে সেটাকে স্মরণ করে হাঁকলুম, অ্যাই, এটাকে একটু গরম করে দাও। হাওড়ার ইংরেজিতেই বলিচি। কিন্তু স্টলের মালিক ইংরিজি জানেন না। ক্যান্টনিজ কি ম্যালে বোঝেন হয়তো। কিন্তু আমার গরম চা চাইই চাই। তাহলে এইবার উষ্ণতা ব্যাপারটাকে কিভাবে হাত পা ছুঁড়ে এক্সপ্রেস করবেন? কবি সাহিত্যিকরা তো কলমের সুবিধে পেয়ে যাচ্ছেন। আমার কি হবে।

    এখন চাইলেই অন্য কাউকে ধরে বলা যেত যে ভাই, এইটে চাইছি, এইটে ওঁকে অনুবাদ করে বুঝিয়ে দাও। কিন্তু ইচ্ছে হল শেষ অবদি কি হয় দেখার। সেইহেতু আমি প্রথমেই চায়ের কাপ ধরে বললাম, 'জু জু জু জু'। ইয়েস, এটাই আমার কাছে উষ্ণতম এক্সপ্রেশন। তো স্টলের ওপাশ থেকে গ্রামসি থাংবোচে জাতীয় কিছু শব্দ ভেসে এল। বেশ, প্রথম অ্যাটাক পরাজিত।

    এইবার আর কি বলা যায় ভাবছি, উনি তখন একটা প্লেট তুলে আমায় দেখালেন। এ আবার কি! উষ্ণতার বদলে আন্তরিকতা ধরাতে চাইছে। প্রচন্ড মাথা নেড়ে বললাম, 'ন ন ন ন'। এইবার ওঁর পালা। ফের একপ্রস্থ বিভং, বিহং বিহং বিভং ভেসে এলো। সঙ্গে সঙ্গে আমি বললাম, 'ফুঁ ফুঁ ফুঁ ফুঁ'। উনিও হেসে জলের কল খুললেন। তখন আমি হাতের আঙুল দিয়ে মাকড়সার মতো করে ধোঁয়া ধোঁয়া মতন করার চেষ্টা করলাম, তো তাতে উনি পথ হারিয়ে ফেললেন।

    শেষে প্লাস্টিকের কাপটা সটান ইলেকট্রিক হিটারের উপরে বসিয়ে দিতেই উনি আঁতকে উঠে বুঝে গেলেন আমি কি চাইছি। চা যদি গরম চাও তো এতক্ষণ অং বং কার্শিয়ং কেন চালাচ্ছিলে এই বিদ্রুপ ও স্তেঁহ সমেত শেষে চা গরম হ'ল।
  • | ২০ নভেম্বর ২০১৭ ১৮:০৬383364
  • জিরেই বা কেন? সেই অক্ষদা দিয়েছিল, কৌটো থেকে হাতে মুঠো করে নিয়ে নিয়ে ঝোলে না ঝালে দিতে যাবে মনে হয়েছে হাতের মধ্যে কি যেন নড়ছে। ভেবেছে মনের ভুল নাকি ঘুম হয় নি, নাকি কিছু ভাবার আগেই দিয়েছে ঝোলের মধ্যে ছেড়ে। তারপর কৌটো নিয়ে দেখে তাতে জিরের মতই দেখতে কিসব নড়েচরে বেড়াচ্ছে।
    তা সেসব ঝোল না ঝাল খে টে হজমও করে ফেলেছে। কিচ্ছু অসুবিধে হয় নি।
  • T | ২০ নভেম্বর ২০১৭ ১৮:০৩383363
  • হ্যাঃ হ্যাঃ হ্যাঃ।
  • de | ২০ নভেম্বর ২০১৭ ১৭:৫৫383362
  • এ ব্যাপারে তো এককের পেটেন্ট আছে - এই কথাটা আমার মাঝে মাঝে ঘুমাতে ঘুমাতেও মনে পড়ে - ঃ)

    Name: SC

    IP Address : 34.3.22.185 (*) Date:03 Jun 2014 -- 09:08 AM

    রান্না করতে যারা ৪/৫ মিনিটের বেশি সময়্নষ্ট করেন, তাদের দেখলে করুনা হয়।
    যাই খাবি, সেই পেটে গিয়ে একসাথে মিশে একটা ঘন্ট তৈরী হবে।
    খুব তিন ঘন্টা ধরে বানালেও পদ্দিন সকালে হাগু হয়ে সব শেষ।
    তাচ্ছেয়ে ওই সময়ে জীবন এনজয় করুন।

    Name: Ekak

    IP Address : 24.99.73.189 (*) Date:03 Jun 2014 -- 12:48 PM

    জীবন এনজয় করেই বা কিই হবা। সেই তো মরে যাবেন।
    তাচ্চে একপাতা লোরাজোপাম খেয়ে খ্যাস কম্বল চাপা দিয়ে ঘুমিয়ে পড়ুন। জেগে উঠলে আরেক পাতা।
  • T | ২০ নভেম্বর ২০১৭ ১৭:৪৭383361
  • ব্যাঙ্কের লোকজন জড়িতে নির্ঘাত। ব্লক করা কার্ড থেকেও টাকা তুলে নিলে সেটার দায় সরাসরি ব্যাঙ্কের ঘাড়েই চাপে।
  • T | ২০ নভেম্বর ২০১৭ ১৭:৪৩383360
  • রান্না কত্তে সাহসী হোন। ঐ তো একটু সাদা জিরে। লাগিয়ে দিন না ডিম ভাজায়। সামান্য একটু কাঁচালঙ্কা পায়েসে ঠুসে দিন। দিনের শেষে সবই তো ইলেকট্রন প্রোটন ঐ আর কি কি সব আছে।
  • | ২০ নভেম্বর ২০১৭ ১৭:৪০383359
  • de | ২০ নভেম্বর ২০১৭ ১৭:১৬383358
  • আমার চোখে এরকম খুবই কম পড়েছে - আমি চিরকালই মেয়েদেরই বেশী রাঁধতে দেখেছি - ছেলেরা ওই কখনো সখনো শখে বা যদি একা থাকে তখন বাধ্য হয়ে - তার বেশী দেখিনি!
  • pi | ২০ নভেম্বর ২০১৭ ১৭:০৯383357
  • এবার এটা নর্থ ইস্ট বলে কিনা জানিনা। কানপুর, মুম্বইতেও মনে করে দেখ্লাম, ব্যাচে কিছু রান্না এক্সপার্ট ছেলে ছিল। মেয়েদের বেশিরভাগই তেমন কিছুই পারত না। আর তখন আবার আমার রান্নায় বেশ উৎসাহ ফেজ ছিল। টি আয় এফ আরের হোস্টেল রুমে ঐ এক হট প্লেট আর মাইক্রোতে রেঁধে হপ্তান্তে আমাদের পিকনিক হত। অন্ততঃ ১০-১৫ জন ছেলেপুলে খেত। আমি হেড রাঁধুনি ছিলাম, ভাবা যায় ! অর্কুট যুগে এমনকি লোকে আমার টেস্টিমোনিয়ালেও চিকেন ফ্রিকাসে, িকেন আলাপুস্তু নিয়ে লিখে গেছে ! আইআইটি তে গেলেও ল্যাব থেকে ১০ঃ৮০এর বাস ধরে বেরিয়ে রাত বারোটায় পৌঁছে রাত তিনটে চারটে অব্দি দুজনে রান্না করে গেছি, এমনও হয়েছে। কারণ প্রতি হপ্তায় লোকজনকে নেমন্তন্ন করে রাখতাম। বাড়ি আর শ্বশুরবাড়ির লোকজন প্রচুর বকাঝকা করে এই রান্না করে খাওয়ানোর নেশা ছাড়িয়েছিল। আর তারপরই রান্না বিষয়ে আমি গতি থেকে স্থিতিজাড্যের ফাঁদে পড়ে গেল। জীবনটা জাড্যেই গেল।

    আর হ্যাঁ, শ্বশুরবাড়ির মধ্যে দেখি বরকেই বাদ দিয়েছি ! সে খুবই বড় রাঁধিয়ে, মানে রাঁধতে রীতিমতন ভালোবাসা আর ভালো রাঁধা লোক। :P যদিও বেশ রন্ধনরক্ষণশীল, আমার বেশিরভাগ এক্সপেরিমেন্টের ব্যাপারে বলে খুব ভাল, তুমি খাও।
  • | ২০ নভেম্বর ২০১৭ ১৭:০৩383356
  • আমি ২০০২ তে দিল্লি গেলাম সেদ্ধ ডিম নিয়ে খোসা ছাড়াতে পেরে উঠছিলাম না। পান্জাবিনী রমিত মুচকি হেসে খটাস করে ঠুকে ফাটিয়ে এদিক ঠুকে ওদিক ঠুকে অজস্র ফাঁক তৈরী করে স্যাটাস্যাট খোসা ছাড়িয়ে ধরিয়ে দিল। তপনদা গুরগাঁওয়ের বাজারে নিয়ে গিয়ে মাছ চিনিয়েছিলেন ২০০৫ এ। মাছেদের খেয়ে চিনতে পারতাম, দেখে চিনতে পারতাম না।
  • pi | ২০ নভেম্বর ২০১৭ ১৭:০০383355
  • নানা, আমি অনেককেই দেখি। আমার দাদা আর শ্বশুরবাড়িতে দেওরদের। অন্যান্য কমেও আকচুয়ালি রন্ধনবিশারদ বেশি ছেলেদেরই দেখি। রীতিমতন রন্ধনরসিক, শুধু খাদ্য না।
    ডিপার্টমেন্টেও বেশ কিছু ছেলে পাকা রাঁধিয়ে। একসাথে খাওয়া দাওয়া হলে মেয়েরা জোগাড়ে। ফিল্ডে গেলেও তাই। কিছু ছেলে রাঁধতে খুবই ভালবাসে আর তেমনি ভাল রাঁধে। তারা মোট ছেলেদের কত ভগ্নাংশ দেখিনি, কিন্তু যেহেতু এরাই বেশিরভাগ সময়ে রাঁধে, তাই ছেলেরাই রাঁধছে এই ইম্প্রেশ্নটা আসে।
  • Arpan | ২০ নভেম্বর ২০১৭ ১৬:৫২383354
  • ইসে, ১৯৯৯ থেকে ২০০৬ নিজে রান্না করেই তো খেয়েছি। গেল বছর মাস ছয়েক অনসাইটে ছিলাম, সেখানেও আমি আর আমার এক তামিল কলিগ পালা করে রান্তুম।

    ইহা বাস্তবিকই আইটি এবং অ্যাকাদেমিক্সের তপাৎ।
  • | ২০ নভেম্বর ২০১৭ ১৬:৩৯383353
  • ইহা তবে আইটি এবং অ্যাকাদেমিক্সের তপাৎ। কেননা সেই ১৯৯৮-২০০১ এই আর এস সফটওয়্যর থেকে যারা বাইরে যেত তাদের মধ্যে মেয়েদের একটা বড় অংশই রাঁধতে পারত না। এদের অনেকেই গিয়ে উইকেন্ডে অমুকদা তমুকদার আবাসে হানা দিত। এদের একজন সুভেদি গোট্টিপতি এখনও বলে ও তখন নিয়মিত শুধু খেয়েই আসত না আবার তপনদার কাছ থেকে নিয়মিত এক টিফিনকৌটো ডাল নিয়ে আসত, তাতে টেনেমেনে সপ্তার সাড়ে তিনদিন চালিয়ে নিত।
  • de | ২০ নভেম্বর ২০১৭ ১৬:৩১383352
  • বাপ্রে পুরো জেনারেশন গ্যাপ এলো স্ক্রীনে -
  • de | ২০ নভেম্বর ২০১৭ ১৬:৩০383351
  • এই গুরুর চত্বরে রান্নার গপ্পো ছাড়া আমি ছেলেদের নিয়মিত বিশেষ রাঁধতে দেখিইনি - এই ব্যাপারে তোমার সাথে আমার দেখার ফারাক আছে। একেবারে নতুন জেনারেশনের ছেলেরা বাদ্দিলে বাকিদের রান্নাবান্নায় উৎসাহ দেখি নি। আমার ছাত্ররা ভালো রান্না করে - তারা একেবারেই ছোট!
  • pi | ২০ নভেম্বর ২০১৭ ১৬:২৮383349
  • ঢ্যাঁড়শ পাতা দিয়ে চিকেন ! হুতো !!
  • pi | ২০ নভেম্বর ২০১৭ ১৬:২৮383350
  • স্বাস্থ্যচাড্ডির জন্য এখান থেকে কিছু শিদল নিয়ে যা। তারপর সব বিনা তেলে রান্না হবে। স্বাস্থ্যই স্বাস্থ্য।
  • rabaahuta | ২০ নভেম্বর ২০১৭ ১৬:২০383348
  • হ্যাঁঃ। কদিন পর বলবে কুষ্মাণ্ডভক্ষণে ক্যান্সার।
  • | ২০ নভেম্বর ২০১৭ ১৬:১৭383347
  • | ২০ নভেম্বর ২০১৭ ১৬:১৪383346
  • ও হ্যাঁ কেসি কেসি। প্রচুর প্রচুর রান্না করেন, একা থাকেন কাজেই নিয়মিত করেন। গার্গীরা যখন ওখানে যায় তখন রীতিমত পাঁচপদ বাহারি পদ করে রাখেন।

    আমাদের অফিসে বেশ কিছু আছে। আমার কোলহাপুরি মাটন/চিকেনটাই এক ছেলের কাছে শেখা।
  • rabaahuta | ২০ নভেম্বর ২০১৭ ১৬:০৬383345
  • তা কেন, সুকন্যার যখন কলেজ শুরু হলো আর আমি তিনমাস বাড়ি থাকলাম তখন নিয়মিতই করতাম তো। তবে ঐ আরকি, মেনু, রেসিপি, কত মিলি তেল জল ক' চিমটি নুন সব বলে দিতে হতো। এই ডিসিশন মেকিংটা অবশ্য রান্নার বড় পার্ট। আমার একার ডেরায় মা এসে থাকলে ওদেশে পুরো প্রপার রান্না আমিই করতাম (ইন্স্ট্রাকশন দিতে হতো), এখানে অবশ্য ফেরার আগে শেষের দিকে মা করছে। এমনিতে এগুলো বলার বা জাহির করার কোন বিষয় নয়, নিতান্তই কাজের ভাগাভাগি; এবং ব্যক্তিগত প্রসঙ্গ। অনেককাল আগেও এইসব উঠেছিল, স্বাবলম্বন ইত্যাদি, তখন হাওয়া গরম ছিল, মজাও লাগছিল তাই চেপে ছিলাম, আজ আবার মনে পড়লোঃ)

    সানি আছে অবশ্যই, কিন্তু এই তল্লাটে বোধয় সেটা ততটা খাটে না।
  • T | ২০ নভেম্বর ২০১৭ ১৬:০০383344
  • ভালো রান্নাই একটি সা নি।
  • | ২০ নভেম্বর ২০১৭ ১৫:৫৮383343
  • অভ্যু রোবু তীত্থ তো পুরো ফ্যমিলি, এক্সটেন্ডেড ফ্যমিলির জন্যও করে। সবাই তো গুচতে স্ট্যাটাস আপডেট দিয়ে করে না রে বাপু।
  • de | ২০ নভেম্বর ২০১৭ ১৫:৫৬383342
  • যাদের নাম নিলে, একমাত্র আকা বাদে কেউই নিয়মিত পুরো ফ্যামিলির জন্য রান্না করে না ! এককও করে বোধহয়, তবে লোকে খায় কিনা জানিনা! লেড়ে লেড়ে, ভেজে, ভেজে রাত দুটোয় রান্না শেষ হলে কে ই বা খাবার জন্য জেগে থাকবে!

    কখনো সখনো একা থাকতে বাধ্য হলে করতে হওয়া এই জহরতর রান্না নয়, শখ করে কখনো একটা পদ বানানো নয়, নিয়মিত খাবার মতো ভালো রান্না একমাত্র আকা ছাড়া কেউ রাঁধে না! তবে আকাও একবার সেই মাছের মাথা দিয়ে পালং না কি একটা যেন রেঁধেছিলো!
  • | ২০ নভেম্বর ২০১৭ ১৫:৫৪383341
  • হ্যাঁ হ্যাঁ সিঁফোঁ। একক ঠিক বিশ্বাসযোগ্য নয় বাপু
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত