এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • de | ০৩ অক্টোবর ২০১৭ ১৪:০৮381631
  • ড্রাইভারকে বলে একটু সকাল সকাল বেরিয়ে হাম্পির রুইন্সগুলো দেখতে যেও - সকালবেলা আর সন্ধেবেলা অপূর্ব সব ছবি আসে - কি সুন্দর ময়ূর উড়ে উড়ে বেড়ায়, আর কতো পাখি। মহেশকে বলে গাড়িটা সাথে নিও সারাদিনের জন্য, এমনিতে কমবয়েসীরা হেঁটেই পুরোটা দেখে - কিন্তু মাসীমা পারবেন না হয়তো। গাড়ি করে দর্শনীয় স্থানের সামনে গিয়ে (গাইড শুদ্ধু) নেমে তারপরে দেখো। রোদ্দুরটা বড্ডো চড়া। ছাতা সঙ্গে রেখো।

    গাইডের নাম ছিলো হনুমন্থা। ফোংঃ +৯১৯৪৪৮৭১৯১৪৪।

    করাক্‌লে চেপে নদীর ওপারেও যাওয়া যায়। ওদিকে নন-ভেজ খাবার বেশী পাওয়া যায়।
  • San | ০৩ অক্টোবর ২০১৭ ১৪:০৪381629
  • হুতোদার জন্যে -

    কুর্গের পান্দি কারি (পর্ক কারি) কিন্তু স্বর্গীয় খেতে -
  • Rabaahuta | ০৩ অক্টোবর ২০১৭ ১৩:৫২381628
  • থ্যান্কিউ থ্যান্কিউ ঃ)

    তাহলে হাম্পিই হোক। আর কুর্গ।

    আমি এজেন্টের সঙ্গে যোগাযোগ করছি।
  • de | ০৩ অক্টোবর ২০১৭ ১৩:০৮381627
  • হাম্পিতে অবশ্যই গাইড নিয়ে দেখবে। আমাকে সান্দা ভালো গাইডের নম্বর দিয়েছিলো - যদি দরকার হয় তাহলে বাড়ি ফিরে দিয়ে দেবো -
  • de | ০৩ অক্টোবর ২০১৭ ১৩:০৬381626
  • শ্রবণবেলগোলায় মাসিমা যেতে পারবেন কি? সেই হাজারখানেক সিঁড়ি বেয়ে একখানা মূর্তি দেখতে যেতে হয় - ওপর থেকে ভিউটা অবশ্য খুবই ভালো - কিন্তু এবাদে আর দেখার কিসু নাই -

    তার থেকে হাম্পি খুবই ভালো - আমি এই এজেন্টের (মেল নীচে)থেকে গাড়ি, হোটেল ইঃ নিই। খুব ভালো সার্ভিস।

    [email protected], name: Mahesh Temkar।

    হাম্পি লুরু থেকে প্রায় ছ ঘন্টা গাড়িতে - রোডটা খুব ভালো কিছু নয় - আমি রোড জার্নি প্রেফার করি বলে বাই রোড গেছি - নাহলে ট্রেনে গেলেই ভালো। আমরা দু'রাত ছিলাম। একরাত ময়ুরা ভুবনেশ্বরী নামে কেটিডিসির গেস্ট হাউসে, অন্যরাত mallige residency, হাসানে। প্রথমটি খুবই শ্যাবি, দ্বিতীয়টি ততোধিক বিলাসবহুল। প্রথমটা আমি হাম্পিতে থাকবো বলে এজেন্টকে বলেকয়ে রাজি করিয়েছিলাম। নইলে সে আমাকে ভালো হোটেলই দিচ্ছিলো।

    পরে দেখেছি clarks inn ও আছে হাম্পিতে। এছাড়া অরেঞ্জ কাউন্টিও আছে, কিন্তু সে বড়োই বেশি চাপ দেয় পকেটে!

    কূর্গে যাবারো প্যাকেজ এই মহেশ এর থেকেই নিয়েছিলাম। সেও ভালোই ছিলো। কূর্গে গেলে কূর্গ কুইজিন এ খেও - খুব ভালো রান্না! আর হাম্পিতে ম্যাঙ্গো ট্রী তে। ভ্যাজ যদিও, কিন্তু আমার খুব ভালো লেগেছিলো।
  • Rabaahuta | ০৩ অক্টোবর ২০১৭ ১২:৩০381625
  • শুক্রবার রাতে বেরিয়ে রোব্বার ফেরার মত হাম্পি/শ্রবণবেনগোলা যেতে চাই।
    আর পরের সপ্তাহে ঐ কি সব পাহাড় জঙ্গল আছে, ওখানেও।

    দুজন যাবো; মায়ের রেস্ট্রিক্টেড মোবিলিটি, আনপ্ল্যান্ড অ্যাডভেন্চার কিছু চলবে না।

    খরচপত্র সহ পরামর্শ পাওয়া যায়?
  • de | ০৩ অক্টোবর ২০১৭ ১২:১৯381624
  • এইটে বেশ - 'ভ্যাজ বিরিয়ানি' নাকি গালি! ঃ)

  • de | ০৩ অক্টোবর ২০১৭ ১১:৪২381623
  • ক্ষী ই ই অসভ্য রে!! প্রসাদ খাওয়া নিয়ে কেউ এরকম করতে পারে!

    আমাদের অণুশক্তিনগরের পুজোয় বাঙালী - অবাঙালী, গরীব-বড়লোক নির্বিশেষে ভোগ বিতরণ করা হয় - কোনদিন কোনও অসুবিধে হয়নি! বম্বেতে আর সমস্ত বাঙালী পুজোতেও তাই নিয়ম - প্রসাদ নিতে আসলে ফেরানো যাবে না। মুখুজ্যে বাড়ির বিখ্যাত পুজোয় কয়েক কিলোমিটার জোড়া লাইন হয় - ফিলমস্টারেদের পরিবেশন করা ভোগ খেতে। সেখানেও কোনদিন কেউ ফেরেনি। একমাত্র লোখন্ডওয়ালায় ঐ ছাগল গায়কের পুজোতেই এরকম হয় বলে শুনেছি! ওখানে কেউ যায়ও না!

    কলকাতার বড়লোকরা গুণে গুণে সারা দেশকে গোল দিতে পারে হৃদয়হীনতা আর ছোটমনের জন্য। বহু প্রমাণ আছে এর!
  • sm | ০৩ অক্টোবর ২০১৭ ০৯:৪০381622
  • আরে নির্দেশিকা টাই কেউ ভালো করে ফলো করছে না।
    এখানে বলা আছে যেহেতু নিকট আত্মীয় নয়, তাই তাদের আলাদা করে প্যাকেট কিনতে হবে। অন্যদিকে রেসিডেন্ট রা গেস্ট এর জন্য ১০০ টাকা দিয়ে কুপন কিনতে পারে।
    প্রশ্ন টা এখানেই। এই গেস্ট কারা বা কিভাবে নির্ধারিত হচ্ছে। গেস্ট তো নিকট আত্মীয় নাও হতে পারে।
    ঠারে ঠোরে একটাই জিনিস বোঝানো হচ্ছে পরিচারিকা বা পরিচারক রা একসঙ্গে খেতে পাবে না।
  • π | ০৩ অক্টোবর ২০১৭ ০৯:২৪381621
  • দমদিকে হ্যাবাড্ডে! যেমন ইচ্ছে তেমন কাটাও আর খুব ভাল থেকো ঃ)
  • Du | ০৩ অক্টোবর ২০১৭ ০২:১২381620
  • হাতে কুপন থাকলে একমাত্র পাশে বসে খাওয়ায় আপত্তি ছাড়া আর কোন কারনই খাটে না।
  • সিকি | ০২ অক্টোবর ২০১৭ ২৩:৫৮381619
  • হুঁ। দিল্লির পুজোয় যে কেউ এসে যে কোনও প্যান্ডেলে খেয়ে যেতে পারে। কোনও বাছবিচার নেই। এটা ঘটনা।
  • Dilli | ০২ অক্টোবর ২০১৭ ২৩:০৭381618
  • দিল্লীর পুজোর এতো বাছবিচার নেই, নিরামিষ খিচুড়ি, লাবড়া, পায়েস, চাটনি মেনু। যে যতবার ইচ্ছে এসে খাও, কোন সমস্যা নেই, লাইন দেওয়ার ধৈর্য্য থাকলেই হল। বেশীর ভাগ পুজো তে প্রবেশের আর খাওয়ার জন্য রেসিডেন্টদের আলাদা লাইন থাকে, সেটা দৈর্ঘ্যে অনেক অনেক কম হয়।
  • Ishan | ০২ অক্টোবর ২০১৭ ২২:৫৫381617
  • আমাদের ছোটোবেলায় বিভাজন ছিল। চোখে পড়তনা। তবে এখন বেড়েছে, এও ঠিক। সবচেয়ে বেশি বেড়েছে আরবান ব্লক গুলোতে এবং নতুন ফ্ল্যাটবাড়িগুলোতে। কর্মরতা মায়ের সংখ্যা বেড়েছে চারদিকে, সে স্ট্যাট যাই বলুক। সঙ্গে সর্বক্ষণের কাজের লোকের একটা কনসেপ্ট চালু হয়েছে, যেটা আগে কারো-কারো থাকত, কিন্তু এখন উচ্চ-মধ্যবিত্ত বাড়িতে, বিশেষ করে বাচ্চা থাকলে, থাকা মাস্ট। এবার, কাজের লোকেরা যদি সর্বক্ষণ থাকেন, তাদের আলাদা করার প্রয়োজন হয়েছে। এমনকি ঠিকে হলেও আলাদা করার প্রয়োজন হয়েছে। তার নানারকম কারণ আছে। সর্বক্ষণের কাজের লোকেরা যেমন সুবিধেজনক, তেমনই, তাঁদের উপস্থিতি, প্রাইভেসির পক্ষে হানিকারক। ঠিকে লোকেরা সর্বক্ষণের না, কিন্তু তাহলেও, তারা 'বাইরের' লোক। আগে একটা মুখচেনাচিনির ব্যাপার ছিল। এখন এত ফ্ল্যাট, আর এত কাজের লোক, কেউ কাউকে চেনেনা, সবাই বহিরাগত, ফলে সিস্টেমেটিক না করলে মুশকিল। এবার এই সিস্টেমের সঙ্গে স্টেটাস এসে ঢুকেছে। কাজের লোকেদের নিচত্বটা দৃশ্যমানভাবে প্রকট হয়েছে।

    বাসিন্দা আর বহিরাগত এ বিভাজন চিরকালই ছিল। আমাদের হস্টেলেও ছিল। নইলে সামাজিক অনুষ্ঠানে যে যাকে খুশি নিয়ে চলে আসবে, কুলোনো যাবেনা। এই সিস্টেমটা নতুন শহরে জোরদার হয়েছে। সঙ্গ স্টেটাস ব্যাপারটা, যেটা নতুন কিছু না, আগে থেকেই ছিল, জুড়ে বিভাজনটাকে বিচ্ছিরি ভাবে আন্ডারলাইন করেছে। এইটা আগে ছিলনা।
  • 4z | ০২ অক্টোবর ২০১৭ ২২:২৬381616
  • @ পাই, না। দুরের ব্লক
  • Du | ০২ অক্টোবর ২০১৭ ২১:৫৮381615
  • লেক গার্ডেন্স এর এক কো অপ এ আমার অসুস্থ মামার দেখাশোনা করতেন যিনি তাকেও এইভাবে অপমানিত হয়ে ফিরতে হয় বাচ্চা নাতি সমেত। ভাবি আমাদের ছোটবেলায় কি বড়লোকেরা এরকমই ছিলো শুধু ত!দের সাথে আমাদের দেখা হত না?
  • / | ০২ অক্টোবর ২০১৭ ১২:৩৩381614
  • লাস ভেগাসে খুনখারাপি,,,
  • S | ০২ অক্টোবর ২০১৭ ১২:২৩381613
  • বিগত কয়েকমাস ধরে গুচতে ধর্ম সংক্রান্ত বেশ কিছু লেখা লেখি দেখতে পাচ্ছি।
    এইবারের বইমেলায় এই লেখাগুলো কম্পাইল করে একটা বই বের করলে বেশ ভালো হয়। খুব দরকারী।
  • sm | ০২ অক্টোবর ২০১৭ ০৯:৪৩381612
  • s, সৌভিক এর ফেসবুক এর পোস্ট টা দেখুন। কয়েকটা পোস্ট আগে লিংক আছে।ওখানে সার্কুলার এর কপি পেস্ট করা আছে। যেখানে স্পষ্ট বলেই দেওয়া আছে পরিচারিকারা পংক্তি ভোজন করতে পারবেনা :তাঁরা রেসিডেন্ট হলেও।কারণ পরিচারিকারা রেসিডেন্ট ব্যক্তি ও ব্যক্তি বর্গের নিকট রিলেটিভ নন।
    এটা চরম বৈষম্য মূলক কাজ।
    তাহলে একই বাড়িতে কয়েক ঘর ভাড়াটে থাকলে তাদের জন্য কি নিদান!
  • π | ০২ অক্টোবর ২০১৭ ০৯:৩৬381611
  • ওকে।

    আর গুরুর কোন লেখা কপি করলে শেয়ার কোট অপশন দিয়ে লিন্ক অপন থেকেই শেয়ার করা যাচ্ছে দেখছি! আর কারুর হচ্ছে। মামুকে জিগালে তো কিছু বলছে না! নতুন ফিচার এল?
  • Ela | ০২ অক্টোবর ২০১৭ ০৯:৩৩381610
  • পাই, শেয়ার করতেই পারেন, আপত্তি নেই। নাম নিয়ে করতে পারলে নিজেরই ভাল লাগত, কিন্তু আমার হাতে সৌভিকের মত লিখিত প্রমাণ কই? শুধু মুখের কথা, কেউ পাশে থাকবে কি না তাও জানি না। ঐ অধ্যাপকের ঘটনা সাত-আট বছর আগেকার। তখন প্রাক্তন শাসকদলের মাথারা আড়ালে থেকে পুজো কমিটিতে ছড়ি ঘোরাতেন। এখন বর্তমান শাসকদলের নেতাকর্মীরা পুজো কমিটির পাণ্ডা। মা-বাবারা ৩৬৫ দিন এদের হাতেই থাকেন, বাড়ি ছেড়ে যেতে রাজি হলে কবেই পাড়ার সাথে সম্পর্ক চুকিয়ে দিতাম।

    সাহস নেই। সত্যিই নেই। মেরুদণ্ডই আছে কি না বুঝতে পারি না।
  • sm | ০২ অক্টোবর ২০১৭ ০৯:২৮381609
  • এই সময়ের রিপোর্টের মাথা মুন্ডু নেই সৌভিক নিজেই লিখেছে পরিচারিকা কাঁদতে
    কাঁদতে ফিরে এসেছে কুপন থাকা সত্বেও এবং সার্কুলার এর কপি পেস্ট করেছে যেখানে স্পষ্ট করে বলে দেওয়া আছে পরিচারিকারা প্যাকেট পাবেন।
    প্রশ্ন হলো কাদের জন্য কুপন? নিশ্চয় আবাসিক দের জন্য।
    সে আবাসিক যে কেউ হতে পারে।শুধু বাড়ির মালিক যারা তাঁরা তো নন।
    আমার বাড়িতে যদি কয়েক ঘর ভাড়াটে থাকে ;তাঁরাও আবাসিক। আবার আমার বৃদ্ধা মাকে দেখার জন্য কোনো সর্বক্ষণের পরিচারিকা থাকে ;তিনি ও আবাসিক।
    প্রয়োজনে চাঁদার পরিমান বেশি নেওয়া যেতে পারে।
    যদি সার্কুলারে লেখাই থাকে পরিচারিকা দের জন্য আলাদা প্যাকেট, তাহলে আবার প্রতিবেদন অনুযায়ী একসঙ্গে খেতে বসা হলো কিভাবে?
  • | ০২ অক্টোবর ২০১৭ ০৯:১০381608
  • শৌভিক যদি কাজে আটকে না যেতেন, তাহলে কী হত জানতে মন চায়। সেক্ষেত্রে নিশ্চয় খাবার নষ্ট হত না তাঁরই মূল পোস্টের বয়ানমত। তাহলে তো মাসীকে পাঠাতেন না নিজেই যেতেন।

    যদিও পরে লোকজনের প্রশ্নের উত্তরে লিখেচেন দেখলাম যে মাসী নাকি প্রত্যেকবারই ওঁদের সঙ্গে যান ও ওখানেই বসে খান ইত্যাদি। কিন্তু তাহলে মূল পোস্টে কুপন তথা খাবার নষ্টের কথা কেন এল বুঝি নাই।

    যাই হোক তবু যে রুখে দাঁড়িয়েছেন এও অনেক। অনেকেই চুপচাপ মেনে নিয়ে মুখ বুজে থাকেন যেখানে।
  • π | ০২ অক্টোবর ২০১৭ ০৮:৪৩381607
  • এটা কি ফোজ্জিদের আবাসনের কাছে?

    আর এলা, আপনার পোস্ট কি শেয়ার করতে পারি? খুব ভাল হত আবাসন ইত্যাদির নাম দিয়ে টিয়ে আপনি নিজেই শেয়ার করলে। এ ঘটনা তো আরো সাংঘাতিক!! চড়ানো দরকার। এই কেস ছড়িয়ে অন্ততঃ হইচই হয়েছে, লোকে নিন্দে করেছে, সেটুকু পজিটিভ ব্যাপার।
  • Arpan | ০২ অক্টোবর ২০১৭ ০৮:২৬381606
  • আমাদের ব্লকে চাঁদা নেওয়ার সময়ই আলাদা করে ঘরপিছু মাথা গুনে কুপন কাটা হয়। তাতে পরিচারিকা, অতিথি, বন্ধুবান্ধব যে কেউ ইনক্লুডেড।
  • s | ০২ অক্টোবর ২০১৭ ০৭:৩০381605
  • এই সময়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, শৌভিকের পরিবারের সংগে ঐ পরিচারিকা শেষপর্যন্ত একসংগে খেয়েছিলেন। শৌভিকের মূল পোস্টটা পড়ে মনে হয়েছিল যে ঐ পরিচারিকাকে খেতে বসতেই দেওয়া হয়নি।
  • দুমফটাস | ০২ অক্টোবর ২০১৭ ০১:৪৩381604
  • 'একটু চাওয়া আর একটু পাওয়া' গীতা দত্তের গান। কথা অমিতাভ নাহা, সুর সুধীন দাশগুপ্ত।
  • π | ০২ অক্টোবর ২০১৭ ০০:৫০381603
  • একটু চাওয়া আর একটু পাওয়া কার গাওয়া? এফ এমে দিয়েছে।
    মায়ের সাথে জোর তর্ক লেগেছে। মায়ের মত গীতা দত্ত, আমার মনে হচ্ছে অন্য কেউ, প্রতিমা, আবার মাঝেমধ্যে মনে হচ্ছে সন্ধ্যা! ইসস, কত চেনা গান, আর মনে করতে পারছিনা, চিনতেও না। তবু এই যে, চেনা গান এরকম রাতে, জানলার কাঁচের মধ্যে দিয়ে চুঁিয়ে ঢোকা পুজোর শেষরাতের আলোর সাথে উজিয়ে চলে এল, তাতে উত্তর না মিললেই বা কী।
  • sm | ০১ অক্টোবর ২০১৭ ১৮:৫৯381602
  • এলার পোস্ট টা খুব ভাল লাগল।সততার স্পর্শ আছে।এটা বাস্তব। অবশ্যই কারোর কাছে কোন জবাব দিহির প্রশ্নই নেই।
    আমি সল্ট লেক এর পুজো কাছ থেকে দেখেছি।
    পুজোর লোক কমেছে তবে প্রচুর সুযোগ সন্ধানী রয়ে গেছে।
    যারা পুজোকে কেন্দ্র করেই বিভিন্ন রাজনীতি ও বদমায়েশি করে থাকে।
    যেমন ধরুন দুটো ব্লকে এত রেশা রেশি, যে একসঙ্গে পুজো করবে না। এতে পুজোর সংখ্যা হয়ত কমবে কিন্তু বাজেট অনেক বাড়বে। কিছু লোকের সর্দারি কমবে।
    দুই, চাঁদা নেবার সময় বলে দেওয়া যেতে পারে,মেম্বার ক জন। যদি মেম্বার বেশী হয় তো চাঁদা বেশি নেওয়া যেতে পারে কিন্তু কুপন থাকলে তাঁকে খেতে না দেওয়া তো বিরাট অপরাধ।
    রেসিডেন্ট মানে হল যে ওই পাড়া তে যে বছরের বেশির ভাগ সময় কাটাচ্ছে। সে ভাড়াটে হতে পারে, পরিচারিকা ও হতে পারে।
    সুতরাং কাউকে খেতে না দেওয়া ওই পুজো কমিটির নিজস্ব সিদ্ধান্ত। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভালই প্রচার হয়েছে। দৈনিক গুলোর কভারেজ ও পেয়েছে।
    এখন রাজনৈতিক দল গুলো এবং সরকার কি করে সেটাই দেখার বিষয়।
  • Ela | ০১ অক্টোবর ২০১৭ ১৭:৪৯381601
  • দ, সেরকমই ভাবা হয়েছিল। কিন্তু প্রতিবাদীদের বেশির ভাগই কলকাতার বাসিন্দা নয়, কেউ দেশের বাইরে, কেউ রাজ্যের বাইরে। বুড়ো বাবা-মাকে এই পাড়ার লোকেদের ভরসাতেই ফেলে রাখতে হয় বছরের বেশিরভাগ সময়। তাই শেষপর্যন্ত কিছুই করা হয়নি। কিছু পলিটিক্যাল ইস্যুও আছে। মধ্যবিত্তের অসহায়তা তো একটা নয়। তবে এগুলো কোনও এক্সকিউজ না। করা হয়নি কিছু, কোনওদিন হবে কি না জানি না। এটাই সত্যি।

    এসেম, আমাদের পাড়ায় যতদিন বয়স্করা পুজো অর্গানাইজ করতেন, অতিথি ও বাড়ির সহায়কেরা স্বাগত ছিলেন। ছোট পাড়া, সবাই সবাইকে চিনত, কুপনের ব্যাপার ছিল না। অসভ্যতা কিছু তখনও হত, কিন্তু কোথাও একটা লোকে সেটা অসভ্যতা বলে জানত। এখনও পাড়া ছোটই আছে, মনটাও ছোটো হয়ে গেছে। আগের সাদামাটা পুজো এখন থীমের পুজো, খাওয়ার বাজেট কেটে ঝাড়বাতির সাইজ বেড়েছে। নিশ্চয়ই অনেকের কাছে সেটাই কাম্য। বছরে দশ দিন বাড়ি এসে কি আর কিছুই বোঝা যায়? বাবা বলল, পুজো করতে কেউ এগিয়ে আসে না, তো বদল হবে কী ভাবে? সেটাও একটা কথা।

    ও লেটেস্ট শুনলাম ঢাকিদের নিজেদের খাবার কিনে খেতে বলা হয়েছে। এরা (ফোন থেকে চন্দ্রবিন্দু দিতে পারছি না) আজ ৩৪ বছর ধরে আমাদের পুজোয় ঢাক বাজাচ্ছেন। ঐ ৩৪-এর দোষই হবে হয়ত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত