এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • | ০১ অক্টোবর ২০১৭ ১৫:২১381599
  • আর্টিকল-১৪ র বিরুদ্ধাচরণ
  • | ০১ অক্টোবর ২০১৭ ১৫:২১381600
  • এলা,

    এটা তো সংবিধানবিরোধী। আর্টিক-১৪ এর বিরুদ্ধাচোরোণ করছেন এঁরা। আপনারা যাঁরা আপত্তি ও প্রতিবাদ করেছেন তাঁরা আর একটু কষ্ট করে এই কুৎসিৎ ব্যপারটাকে আইনের দরজায় নিতে পারেন না?
  • sm | ০১ অক্টোবর ২০১৭ ১৪:২৯381598
  • এটার একটা ঐতিহ্য আছে। অনেক জনতা আছে যারা ২-৩ জনের পরিবার হলেও ৭-৮ জন নিয়ে চলে আসে।
    এসব বন্ধের জন্যই কুপন সিস্টেম।কিন্তু কুপন থাকলে কাউকে নিষেধ করা স্রেফ বদমায়েশি।আমি আমার ড্রাইভার বা কাজের লোক কে নিজের ফ্যামিলির অংশ ভাবতেই পারি।
  • Ela | ০১ অক্টোবর ২০১৭ ১৪:০৮381597
  • সল্টলেকের অনেক ব্লকেই এই জঘন্য ঘটনা ঘটে থাকে। আমার পাড়ায় প্রতিবাদ করতে গিয়ে এক অধ্যাপককে শুনতে হয়েছে "তোকে প্যান্ট-জামা খুলে মাঠে দৌড় করাবো।" সেই নিয়ে আমরা কয়েকজন লিখিত আপত্তি জানালে নামমাত্র মৌখিক নিন্দাপ্রস্তাব নেওয়া ছাড়া পুজোকমিটি কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। বহু পরিবার এর পর থেকে মণ্ডপে যাওয়া ছেড়ে দিয়েছেন। আমাদের ছোটোবেলার অনেক আনন্দের পুজো এখন প্রায় পরিত্যক্ত। পাড়ার এখনকার ছোটোগুলোর কথা ভেবে টাকা দিই, কিন্তু পুজো দেখতে যাই না আর।

    এ বছর নবমীর দিন শুনলাম মাইকে ঘোষণা হচ্ছে, "আজ আমরা মাটন-ভাত খাওয়াব। কেউ বাড়ির কাজের লোক বা গেস্টদের নিয়ে আসবেন না।"
  • sm | ০১ অক্টোবর ২০১৭ ১৩:৫৭381596
  • নাস্তিক লোকজনও, শুভ বিজয়া বা শুভ দীপাবলি এতো জানায় কেন?এতে তো প্রচুর ধর্মীয় গন্ধ!
  • sm | ০১ অক্টোবর ২০১৭ ১৩:৫৫381595
  • খুবই দরকারি পয়েন্ট।মন্দিরে পুজো বা মণ্ডপে পুজোর জন্য অব্রাহ্মণ পুরোহিত থাকা বাঞ্চনীয় করা উচিত।
    কালীঘাট, দক্ষিনেশ্বর এসব মন্দিরেও নিজেরাই যাতে পুজো দিতে পারে সে ব্যবস্থা রাখা উচিত। কিন্তু জনতা তো মনে করে ব্রাম্হন পুরোহিত ছাড়া সম্প্রদান হবে না। গোঁড়ায় গলদ!
  • সিকি | ০১ অক্টোবর ২০১৭ ১৩:১৩381594
  • অক্ষদার পয়েনটা তুলে দিই।

    কার দিকে আঙুল তুলছি আমরা? দুর্গাপুজোর পৌরোহিত্য করতে গিয়ে আমরাই তো "ব্রাহ্মণ"এর খোঁজ করি। অব্রাহ্মণের পুজোর অধিকার নেই (একবালপুর ব্যতিক্রম, হ্যাঁ, ওটা ব্যতিক্রমই)। আঙুল তুলতে হলে সেইখান থেকেই তোলা উচিত নয় কি?
  • sm | ০১ অক্টোবর ২০১৭ ১২:০০381593
  • প্রতিদিন ভালো করে কভার করেছে।ওই পুজো কমিটি কে আইনি নোটিস দেওয়া যেতে পারে। কারণ ওদের নিয়মাবলী লিখিত।পিছু হটার জায়গা নেই। ডিসক্রিমিনেশন খুব ভালো রকম বিদ্যমান।
    সৌভিক বাবু কে ধন্যবাদ।ভালো কাজ করেছেন।
    পাড়ার বাকিদের কাছে পিটিশন নেওয়া যেতে পারে।কে কে এই নিয়ম সম্পর্কে অবহিত ছিলেন ও কারা এই নিয়মের পক্ষে।মনে হয় অনেকেই অবহিত ছিলেন না।
  • পাই | ০১ অক্টোবর ২০১৭ ০৯:০৮381592
  • গ্রুপ থেকে অয়নের পোস্ট। কে জানে আরো কত জায়গায় এরকম 'নিয়ম' ! অলিখিত নিয়ম অবশ্য বহু জায়গাতেই আছে। বিশেষ করে গেটেড সোসাইটিগুলোতে। ভাগ্যিস অনেক পাড়া বা সোসাইটি এখনো এমন না।
    ---
    'আজ্ঞে ইহাও কলকাতা ....গুরুগ্রাম বা নয়ডা নয় ...
    খবরে প্রকাশ সল্টলেকেরই কোনো একটি ব্লকের এক বাসিন্দা তাঁর বাড়ির সহায়ককে( ডোমেস্টিক হেল্প) পুজোর ভোগ খেতে পাঠিয়েছিলেন ব্লকেরই পুজো মন্ডপে। কিছুক্ষণ পরে সেই সহায়িকা যখন আয়োজকদের দ্বারা সেখান থেকে বিতাড়িত হয়ে কাঁদতে কাঁদতে ফেরত আসেন তখন তিনি সেটার কারণ অনুসন্ধান করতে যান এবং আয়োজকদের তরফ থেকে তাঁকে একটি নির্দেশিকা ধরিয়ে দেওয়া হয় যেখানে গোটা গোটা অক্ষরে লেখা আছে বাড়ীর কর্মচারীরা এই মধ্যান্হভোজে অংশগ্রহণ করতে পারবে না। কেউ যদি মনে করেন তাঁদের জন্যে দরকারে ১০০ টাকার বিনিময়ে খাবার প্যাকেট কিনতে পারেন (অবশ্যই সেটা আলাদা ভাবে অন্য জায়গায় খেতে দিতে হবে )
    https://www.facebook.com/saubhik.ghosh.3/posts/10212614850159912
  • pi | ০১ অক্টোবর ২০১৭ ০৮:৪৯381591
  • সবাইকে বিজয়ার শুভেচ্ছ্হা।
  • π | ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৭ ০৯:৩৩381589
  • টম অল্টার মারা গেলেন। মাত্র ৬৭। উফ্ফ এই ক্যন্সার একটা রোগ হয়েছে বটে।
    ফরিদদার স্ট্যাটাস পড়ে জনলাম। স্ট্যাটাসের ঘটনাটা কী বিচিত্র।
    উইকিতে ওঁর জীবন নিয়ে পড়ছিলাম, সেও কী বিচিত্র!
  • π | ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৭ ০৯:২০381588
  • ড্রোণাচার্য্যকে জন্মদিনের অনেক শুভেচ্ছা। আরেকটু বেশি করে লেখ।
  • aranya | ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৭ ০২:০৭381587
  • না পোহাইও নবমী নিশি..

    প্রায় পুইয়ে এল বোধহয়। আমাদের সপ্তাহান্তের পুজো, আজ থেকে শুরু
  • Atoz | ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৭ ২৩:০২381585
  • সবাইকে মহা নবমীর প্রীতি ও শুভেচ্ছা জানাই। ঃ-)
  • Atoz | ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৭ ২৩:০২381586
  • ডিডি আর দ্রি, এই দু'জনকে মিস করছি। আসুন আপনারা। কোথায় গেলেন?
  • π | ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৭ ১৬:৩৬381584
  • টেস্ট
  • π | ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৭ ১৫:২৭381583
  • কী অবস্থা!

    টোগ্গ্লে নভিগতিওন
    আনন্দবাজার দেশ

    গুজবে হুড়োহুড়ি, মুম্বইয়ে পদপিষ্ট হয়ে মৃত অন্তত ২২
    সংবাদ সংস্থা
    মুম্বই ়
    ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৭, ১২ঃ২৫ঃ১২
    শেষ আপডেটঃ ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৭, ১৩ঃ৫৯ঃ০৪
    স্তম্পেদে
    আতঙ্কে দৌড়াদৌড়ি করতে গিয়ে পদপিষ্ট মুম্বইয়ের এলফিনস্টোন স্টেশনে। এই সেই ফুট ওভার ব্রিজ। ছবিঃ সংগৃহীত।
    মুম্বইয়ের এলফিনস্টোন স্টেশনে পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যু হল ২২ জনের। আহত হয়েছেন অন্ততপক্ষে ৩৬ জন। এঁদের মধ্যে ১৫ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে হাসপাতাল সূত্রে খবর।
    আরও পড়ুনঃ দিল্লি-কাবুল বাণিজ্য মেলা, চাপে পাকিস্তান
    শুক্রবার সকাল তখন সাড়ে ৯টা। এলফিনস্টোন স্টেশনে প্রতি দিনের মতোই যাত্রীদের ভিড়ে ঠাসা ছিল। পাশাপাশি এ দিন প্রবল বৃষ্টি চলছিল। বৃষ্টির ল
    ল্ল

    আবাপি
  • Rabaahuta | ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৭ ১৩:২৩381582
  • 12:21 PM - খুবই ভালো খবর এটা।
  • pi | ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৭ ১২:৫৯381581
  • আর এটা রইল।

    SOS SOS SOS SOS SOS SOS SOS SOS SOS SOS
    অতসী মণ্ডল (২৯) ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়ে ভর্তি আছেন KPC HOSPITAL এ। অত্যন্ত সংকটজনক অবস্থা। একদিকে প্লেটলেট কমছে, অন্যদিকে ইন্টারনাল ব্লিডিং হচ্ছে। ওনার জীবন বাঁচাতে অবিলম্বে চাই O NEGATIVE BLOOD DONOR, মূলত SDP (SINGLE DONOR PLATELETS)র জন্য। তাই জরুরি ভিত্তিতে স্বেচ্ছা রক্তদাতারা এগিয়ে আসুন একজনের জীবন রক্ষায়। প্লিজ, পুজোর সময়ে সব ব্লাডব্যাংকের ভাঁড়ার খালি। একমাত্র আপনারাই ভরসা। রক্ত দিতে না পারলে কপি পেস্ট / শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন এই বার্তা।
    রক্ত দিতে যোগাযোগ করুন : 9830833110 এবং 99553 19171
  • pi | ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৭ ১২:২১381580
  • আচ্ছা, এখানে তো সবাইকে গলা গলা ক'রে খুব জ্বালিয়েছি। তাই একটা আপডেটও দিয়ে যাই।

    ভোক্যাল কর্ডে ঐ সিস্ট আর স্কারের পর ভেবেছিলাম, গান গাওয়া এজন্মের মত গেল। পরের জন্মের ভরসায় যেহেতু থাকা যায়না, তাই মনটন ওই যাকে বলে এনিয়ে খারাপই ছিল। হঠাৎ সেদিন দেখলাম গাইতে পারছি। আগের মত ওপরে ওঠেনা, গলা বোধহয় আগের মতও নেই, তবু কিছু একটা পারছি তো। এরকমও বেশিক্খণ থাকে না, একটু গাইতে পারলাম তো বেশিরভাগ সময়ই পারিনা, তবু কখনো সখনো পারছি, এই বা আর কম কি। ভেলোরে বলেই দিয়েছে, জোর আর দিতে পারব্ না, না দিও যেন। সে পারিনা, মাইক ছাড়া আর চলবেনা, সেও বুঝেছি।
    আর বুঝেছি, কথা বলা আর গান গাওয়া যে কত আলাদা ! এ যে এই ক'মাসে কী বিলক্ষণ বুঝেছি ! কথা যেন এক গলা বলে, গান গায় আরেকজন। কথা বলতে পারলেও গানের সুর আসেনা, যা আসার কথা কোনদিন আলাদা করে ভেবেই দেখতে হয়নি, মানে সচেতন ভাবে নিয়ে আসার কথা, তা যে কি দুষ্প্রাপ্য হয়ে গেছিল গত কতদিন ধরে !
    গাইতে তো ভালবাসি। নিজের কানে নিজের গলার সুর শুনতে পাবার মজা, গাওয়ার মজাই আলাদা। গাইতে না পেরে সেই মজা থেকে এদ্দিন বঞ্চিত ছিলাম, তাই একবার সুযোগ পেয়ে অন্যদের না শুনে আর বেশিদিন মজায় থাকার অধিকার কেড়ে নিতে খুব ইচ্ছে করল আর কি।
    তবে কিছুটা ফিডব্যাক নেবার জন্যেও বটে, কতটা বদলেছে, কতটা খারাপ হয়েছে, সুর আসতে কতটা বাকি ইত্যাদি। নিজের কানে সবসময় ধরা পড়েনা তো।
    https://soundcloud.com/ipsita-pal-1/anugato-jone-kyano
    গলা যখন ঠিক ছিল, তখনও করেছিলাম, রেফারেন্সের জন্য রইল।


    আর এখানে সবাইকে অনেক অনেক থ্যাঙ্কু। মাইক থেকে শুরু করে নানা সাজেশন, উৎসাহ, জোর, সবকিছু দেবার জন্য। যদিও এখনো অনেক গণ্ডগোল থেকে গেছে, যা আর কোনোদিনও ঠিক হবে কিনা জানিনা।
  • pi | ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৭ ১২:০৭381579
  • কল্লোল লাহিড়ি লিখেছেনঃ

    ‘আড্ডা’ শব্দটার সাথে ঠিক কবে থেকে পরিচয় মনে করতে পারছি না আজ। বাবার বন্ধুরা আড্ডা জমাতো বাড়িতে রবিবারের সকালে। চায়ের কাপে তুফান উঠতো। মায়ের উনুনের ধোঁওয়া হার মানতো বাবাদের সিগারেটের ধোঁওয়ার কাছে। মনে মনে বেশ কষ্ট হতো। হিংসে হতো সেই হাফ প্যান্টের ছোটবেলায়। ইশ আমিও যদি বাবার মতোই সিগারেট ধরিয়ে ফুঁ করে টান দিয়ে।।।মধুকাকুর মতো তুড়ি মেরে সিগারেটের ছাই ঝেড়ে।।।বুলু কাকুর মতো ধোঁওয়ার রিং করে।।।নীলু কাকুর মতো চিনি ছাড়া লিকার চায়ে চুমুক দিয়ে ঘাড় নেড়ে নেড়ে কিম্বা টেবিলে চাপড় দিয়ে আড্ডা মারতে পারতাম। “জ্যোতি বসু এটা কি ঠিক করলেন”? “চিনির দামটা এমন ঝট করে বাড়লো কী করে”? “জুটমিল গুলোর অবস্থা দেখছো”? “হিন্দি সিনেমা ছেলে গুলোর মাথা খারাপ করছে”। “আর বাংলা সিনেমা।।।পরমা”? “বাড়ির বউ ছিঃ ছিঃ ছিঃ”। “শুনলাম পে কমিশনে নাকি তোদের মাইনে বাড়াচ্ছে”। “কেন্দ্রীয় সরকারের এই বিমাতৃসুলভ নীতি আর মেনে নেওয়া যায় না”। “রাখ।।।চিনের সরকার আবার তোদের সরকার”। কথা কাটাকাটি থেমে যেত দরজার পাশে অবাক একজোড়া চোখ দেখে। বাবা বলতো এখানে কী করছো টুকনু? খেলতে যাওনি আজ? দাঁড়ানো যেত না আর এক মুহূর্তও। রান্নাঘরে মাকে বললে মা চোখ বড় বড় করে তাকাতো। আবার দরজার পাশে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে বড়দের কথা শুনছো। যাও কাশীর দোকান থেকে একশো আঁখের গুড় নিয়ে এসো। রুটি গুলো খাবে কি দিয়ে? আজ দুপুরেই তো গল্প দাদুর আড্ডা জমবে কলকাতা ক’তে। আমি নাছোড়। ওটা তো আসর। আড্ডা কোথায়? ওটাই তোমাদের আড্ডা। মায়ের কড়া শাসনেও মন ভেজে না একরত্তি ছোটবেলার সকালটার। ঠুলি গঙ্গার জল ছাঁচতে ছাঁচতে গাল ভর্তি পয়সা নিয়ে আমার দিকে তাকায়। হেবি এঁড়ে মাইরি তো তুই। আড্ডা দিয়ে কী হবে শুনি? লাল পতাকা নিয়ে মিছিলে যাবি? ঘনাদার মতো দেওয়াল লিখবি? না অঞ্জনদার মতো সিনেমার ক্লাব খুলবি? তার চেয়ে বিশুদের ঠেকে যা। গাছের তলায় বড় মাঁচা। গঙ্গা থেকে কাঁচা বাঁশ তুলে বানিয়েছে। একটু বিটকেল গন্ধ, কিন্তু হেব্বি আরাম। দেখগে যা সবার মিঠুনের মতো কান ঢাকা চুল। প্রত্যেক শীতকালে লরি চেপে ফিস্ট। ফুটবল টুর্নামেন্ট। শিশু সঙ্ঘের রেলাই আলাদা। ঠিক তখনো বুঝতে পারিনি একগাল দাড়ি গোঁফ নিয়ে কি করে বিশুদারা শিশু হয়ে গিয়েছিল। শুধু টেরটা পেয়েছিলাম নিজের নাকের নীচে, ঠোঁটের ওপরে যখন কালচে রেখাটা আস্তে আস্তে ঘন কালো হতে শুরু করলো। সবাই বলতে শুরু করলো বড় হয়ে যাচ্ছিস রে টুকনু। ভালো লাগতো আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে থাকতে। গ্রীষ্মের দুপুরে কৃষ্ণচূড়া গাছের তলায় সাইকেল নিয়ে ‘ওয়েট’ করতে। “লাল ফিতে সাদা মোজা।।।স্কুল।।।স্কুল ইউনিফর্মে” শিস দিতে। আরও অনেক গুলো সাইকেল জমা হলে, বাপাই গিটার নিয়ে আসলে এক কাপ চায়ে আমি তোমাকে চাই থেকে শুরু করে বেলা বোসরা নেমে আসতো সন্ধ্যে ঝুপ করে নামিয়ে।
    আড্ডা কখন কিভাবে সঙ্গোপনে এসে নিজেই ধরা দিয়েছিল ঠিক বুঝতে পারিনি। তারপর গঙ্গা দিয়ে অনেক জল গড়িয়েছে। অনেক আড্ডা হয়েছে। সিগারেটের বিস্তর ধোঁওয়া উঠেছে। গ্লাসে গ্লাসে ঠুক ঠুক করে চিয়ার্স হয়েছে। আমাদের কাছে একটা টেলিভিশন চ্যানেলের বদলে এসেছে একশোটা। চলমান দূরভাষ এসেছে। ডানলপে থাকলে বলেছি সল্টলেক। শিলিগুড়ি থেকে বলেছি কামচাটকা। লাইভে দেখিয়েছি কিভাবে আমার বাড়িতে ইলিশ রান্না হয়। আমার ছেলের ঘুমিয়ে পড়া সুন্দর মুখ। যত মুখ গুঁজেছি ল্যাপটপে, স্মার্ট ফোনে, বিভিন্ন এ্যাপের ঝোপ জঙ্গলে ততই একা হয়েছি। একের পর এক। এক-একটা পাঁচিলে। বাড়ির কাছের বন্ধুটার সাথেও দেখা হয় বছরে একবার। আড্ডা গুলো হোয়াটস-আপে ঘুর ঘুর করে। আর মাঝে মাঝে যদি জাদুর ছড়ি কেউ ছুঁইয়ে দেয়। আবার যদি জড়ো হয়ে যায় কয়েকটা মাথা তখন ভুবন উল্টে যায়। বাড়ি ফেরার তাড়া থাকে না। ফোন গুলো সাইলেন্ট হয়। পাত্তা পায় না চারপাশে নামতে থাকা ঘন কালো জমাট রাত। বসের হুমকি। মাস গেলে কোম্পানির চাহিদা পূরণের খাতা।
    পিতৃস্মৃতিতে রথীন্দ্রনাথ লিখেছিলেন কলকাতা থেকে প্রতি সপ্তাহের শেষে জগদীশচন্দ্র বসু আড্ডা মারতে যেতেন শিলাইদহে রবীন্দ্রনাথের কাছে। সেই আড্ডার ইতি উতি ছড়িয়ে আছে অনেক জায়গায়। প্রেমেন্দ্র মিত্র, শৈলজানন্দ, বিভূতিভূষণেরা কি ধরনের আড্ডা মারতেন তা লিপিবদ্ধ আছে দিনের পর দিনে। সুনীল, শক্তিদের আড্ডা তো মিথের মতো। কফি হাউজে কমলকুমারকে ঘিরে উজ্জ্বল তরুণদের আলোকিত উপস্থিতির আড্ডা আজ ঈর্ষনীয়। কিন্তু সে তো সেকেলে। সে তো স্মৃতি। কিন্তু সূত্র গুলো তো সব এক। অন্তর্গত রক্তের মধ্যে খেলা করার মতো বাঙালী আড্ডা ‘সত্য’, ‘নিত্য’, ‘প্রিয়’ এবং ঘটমান বর্তমান। বাঙালী লিকার চায়ে চিনি না দিয়ে খেলেও চারটে পান্তুয়া চেটে পুটে খেয়ে নেবে তার পরেও। সিগারেট মৃত্যুর সাথী বলে বুলি আউড়ালেও একটা সুখটান জীবনের প্রথম প্রেমকে মনে করাবেই। আর সেই প্রেম।।।সেই বিতর্ক।।।সেই কুটকাচালি।।।সেই সাহিত্য।।।সেই গান।।।সেই নষ্টালজিয়া।।।আজ ঝরে ঝরে পড়বে গুরুর আড্ডায়। সল্টলেকে। আর কিছুক্ষণ পরেই। যে আড্ডায় যেতে না পারলেও অংশ নেবো অনেক দূর থেকে।।। নিজের মনে মনে।।। অনেক আড্ডার স্মৃতির পরতে পরতে। ভালো থাকবেন সবাই।
    শারদীয়ার শুভেচ্ছা।'
  • Ishan | ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৭ ০৭:৩৯381578
  • ভাট ভাট ভাট
    -----------------
    মোচ্ছবের শেষ নেই। লিস্টি বানানো অসম্ভব তবু চেষ্টা করা যাক। আজ গুরুর মহাভাট। সল্টলেকে। আড্ডা হবে বিস্তর। নিশ্চিত করে বলা মুশকিল, তবে আশা করা যাচ্ছে, কেউ নাচবেননা। কী বই, তার লিস্টি দেওয়া কঠিন, তবে একথা প্রায় নিশ্চিত, যে, থাকবেই আবার-ছাপা হাতে-গরম পাশবিক সংখ্যা। প্রেস ছাড়া কেউই এখনও সে বস্তু চোখে দেখেনি এখনও। যেমন কেউই এখনও চোখে দেখেনি আপনার নাচ।
    চেখে দেখতে হলে, অবশ্যই চলে আসুন। আর সত্যি সত্যি নাচবেননা যেন।
    তবে এ শুধু নবমীর কেচ্ছা। মোচ্ছব অখন্ড মন্ডলাকার, চরাচরব্যাপী। সান্ত কিন্তু অসীম। নবমী চুকতে না চুকতেই কদিনের মধ্যেই শুরু হচ্ছে নতুন হুজুগ। গুরুর শারদীয়া ই-বই। ইউটিউবে ভাষণ দিয়ে প্রকাশ করা হবে, নাকি ফেসবুক লাইভে, সে হিসেবও ঝুলে আছে। তাতে কী হয়, বই বেরোবেই। গদ্য, পদ্য ও বুকনিবাজির সমাহারে একে বিশ্বের প্রথম বিনিপয়সার শারদীয়া ই-বই বলা যেতেই পারত। কিন্তু সে ব্যাপারেও নিশ্চিত করে বলা মুশকিল। এইটুকু বলা যায়, এ হল গুরুর শারদীয় মহাভাট ও মহাভোজ। আর হ্যাঁ, বলাবাহুল্য, মা দুগ্গার বাহনের মতই আমরাও কিন্তু কট্টর আমিষাশী। লেখায় হোক বা ভোজনে।
    এবং যুগের হাওয়ায় যেহেতু মাংস খেলেই সেলফি তুলতে হয়, তাই ভাটেই আসুন বা ই-বই পড়ুন, তেড়ে আলোচনা করুন, একটু আধটু লাইভ হোন, মন দিয়ে সাঁটান শিককাবাব, ছবি পোস্টান গ্রুপে। অনলাইন আর অফলাইন, সফট কপি আর হার্ডকপির চিনের প্রাচীর আমরা ভেঙেই দেব প্রমিস। আর ফাঁকতালে অবশ্যই আওড়ে নেবেন মহানবমীতে মহাগুরুর মহামন্ত্রঃ
    'খাও ভ্যাজ', দিল্লিতে বলিল নবাব
    গুরু দিল মহাভোজ, আমিষ ই-কিতাব।
    বাঙা৯রা বিলা হয়ে ছিল জনপদে
    এখান তাহারা সুখে সাঁটাবে কাবাব।

  • π | ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৭ ০১:০৮381577
  • নবমীর(29/09/17) গুরুর ঠেকে চলে আসুন ...IA Block, 101,Saltlake, Kolkata..
    যার যা মনে চায় তাই করুন..নাচ, গান, বাজনা.... 7003385879 এই নম্বরে যোগাযোগ করতে পারেন ...
    3.00 PM থেকে 7.00 PM অব্দি ...
  • Rabaahuta | ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৭ ০০:১০381576
  • প্যান্ডেল একটু ঝিমিয়ে ছিল, তো একটু গান টান হচ্ছিল। আগে উনি কথকতা করছিলেন, আবৃত্তি করবেন শুনে ভাবলাম ঐরকমই কিছু করবেন। কবিতা বাছাই দেখে অবাক হলাম।
    বললেন পুরোহিতের জীবিকা নেওয়ার ইচ্ছে ছিল না, ভাস্কর হতে চেয়েছিলেন। কয়েকবছর কাটিয়ে বুঝলেন শিল্পসাহিত্য করে পেট চালানোর ক্ষমতা নেই (আমার দীর্ঘশ্বাস), তাই।

    আমাদের পদ্মফুল নিয়ে আসতে দেরী হচ্ছিল তাই বসে একটা অসুর বানিয়ে ফেল্লেন।

  • π | ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৭ ২২:৫৬381575
  • আরিব্বাসঃ)

    এদিকে খানে শুনলাম সেখ সাহেবুলের আজকের লেখাটার জন্য, যেটা গুরুতে বেরিয়েছে, চাড্ডিরা তুমুল গালমন্দ করছে।ছাগু, মৌলবাদী এসব বলছে, ওকে আর গুরুকে।
    এই ব্যক্তি প্রচুর জ্বালাতন করায় ব্লক করেছিলাম, তাই বাঁদরনাচের শো মিস করছি

    https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=10155791291059083&id=785209082
  • Rabaahuta | ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৭ ২০:৩৭381574
  • এক বন্ধুর বাড়ির পুজোয় এসেছি। পুরুতঠাকুর সন্ধ্যেবেলার পুজো টুজো করে দেবেশ ঠাকুরের ভারতবর্ষ আবৃত্তি করে অষ্টমীর কার্যক্রম শেষ করলেন।
  • π | ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৭ ১৪:৫০381573
  • সিকির পোস্ট, 'গুরুচণ্ডাঌ মুভমেন্টের জয় হৌক। স্যামসাংএর বাংলা কীবোর্ডে ঌ ইন্ট্রোডিউসড হয়েছে।'
  • Kalpabiswa | ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৭ ০৯:০৯381572
  • কল্পবিশ্বের বন্ধুরা, সময়বৃত্তের পরিক্রমায় আবার এসে গেল আরেকটা শারদীয় অকাল বোধনের পালা। প্রতিবারের মতো আমাদের মাতৃভাষায় কল্প-সাহিত্যের ডালি নিয়ে আবার এসেছি। বাণিজ্যিক কোনও উদ্দেশ্যের সম্পূর্ণ বাইরে গিয়ে আপনাদের সবার সঙ্গে এই ধারার লেখালিখির স্রোতপথকে আগামীর অভিযানে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য এই অজানার সফর আমাদের, সঙ্গী শুধু অদম্য জেদ আর কিছু বাতিস্তম্ভের আলো যা ছোটবেলার মায়াভরা দিন থেকেই আমাদের অন্ধকার দূর করে আসছে। যে বাতিস্তম্ভ গুলোর নাম হয়তো বা আইজ্যাক আসিমভ, স্তানিস্ল লেম, রে ব্র্যাডবেরি, প্রেমেন্দ্র মিত্র, অদ্রীশ বর্ধন কিংবা সত্যজিৎ রায়। যারা ধূসর সময় সরণি পেরিয়ে আমাদের পথ দেখিয়ে আসছে তাঁদের সেই আলোর পরশকে সবার সঙ্গে ভাগ করে নেবার প্রয়াসেই মত্ত প্রমিথিউস কল্পবিশ্বের চিরখ্যাপার দল। আপনাদের মতামত আমাদের পরম পাথেয়। আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস চেনা ছকের বাইরে গিয়ে বেশ কিছু সাহসী নিরীক্ষা মূলক রচনার সংকলন হতে চলেছে এই সংখ্যা। ধন্যবাদ জানানোর ভাষা নেই সেই সমস্ত লেখকদের প্রতি যারা বিনা পারিশ্রমিকে এতদিন ধরে কল্পবিশ্বকে কল্পবিজ্ঞান আর ফ্যান্টাসি সাহিত্যের আঙিনায় তুলে ধরেছেন।

    সম্পূর্ণ বিনামূল্যে পড়তে পারবেন নিচের ঠিকানায়ঃ
    http://kalpabiswa.com/
  • π | ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৭ ০৭:২৯381571
  • ওদিকে সৌদি শুনলাম মেয়েদের ড্রাইভিং লাইসেন্সের অনুমতি দিয়েছে। হ্যাশট্যাগ তো হওয়া উচিত, atlast!
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত