এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  নাটক

  • হীরকের রানী ভগবান (৪)

    s
    নাটক | ২৩ মে ২০১৬ | ১৩১২০৫ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • রামরাহা | ০৬ জুলাই ২০১৭ ১২:১৩713438
  • ইমোটিকোনের বেজায় দরকার এখানে
  • robu | ০৬ জুলাই ২০১৭ ১২:১৫713439
  • ঠিক আছে। আপনি বাচালতা চালিয়ে যান।
  • lcm | ০৬ জুলাই ২০১৭ ১২:২০713440
  • তাহলে এখন উপায় কি? খড়গপুরে আবার ইলেক্শন হতে তো অনেকদিন বাকী। ওখানে রি-ইলেকশনের দাবী নিয়ে একটা মিছিল হলে ভালো হয় - পিটি যাবেন নিশ্চয়ই।
  • PT | ০৬ জুলাই ২০১৭ ১২:২৬713441
  • সে কি? গণতান্ত্রিক উপায়ে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিকে মানবেন না? এখন পিটিকে আওয়াজ না দিয়ে পন্ডিতদের তো এসব নিয়ে তো আগেই ভাবা উচিৎ ছিল!! এর পরের ইলেকশনের আগে ভাববেন আশা করি।
    তবে দিলীপ ও ইদ্রিশ এই দুজনকে নিয়ে ছাগলেরাও ভাববে আশা করি।
  • lcm | ০৬ জুলাই ২০১৭ ১২:২৮713442
  • আহা ছাগলেরা ছাগলামি কইর‌্যা ফ্যালসে - কিন্তু এক্ষণে উবায়্ডা কী? আপনি কয়েন না? আপনার রাজনৈতিক বোধবুদ্ধি তো মানুষের ন্যায়।
  • রোবু | ০৬ জুলাই ২০১৭ ১২:৩২713444
  • প্রতিবাদ।
  • রোবু | ০৬ জুলাই ২০১৭ ১২:৩২713443
  • পিটির কথা শোনার কোনো দরকার নেই। খড়্গপুরের সময় উনিও করেননি।
  • lcm | ০৬ জুলাই ২০১৭ ১২:৩৪713445
  • পরের ইলেক্শন তো অনেকদিন বাকী - তদ্দিনে যদি আরো খারাপ কিছু হয়। সরকারের উপর একটু চাপ, প্রশাসনিক ব্যর্থতার প্রতিবাদ - এটুকু তো লাগে - না কি? তো এর লগে যদি কেউ প্রতিবাদ মিছিল করে - সেইডা কি খুব অযৌক্তিক? মানে, আপনার (মনুষ্যসুলভ) রাজনৈতিক বোধবুদ্ধি কি কয়?
  • T | ০৬ জুলাই ২০১৭ ১২:৩৬713446
  • না না, প্রতিবাদ সম্প্রীতির মিছিল এইসব তো ন্যাকামি। লোকের সুপ্ত বাসনা চরিতার্থ হলেই তো ভালো।
  • PT | ০৬ জুলাই ২০১৭ ১২:৫৪713447
  • চলল রেলগাড়ি। এখন দিলীপ, ইদ্রিশ ইত্যাদিদের বাদ দিয়ে পিটিকে মস্করা!!
  • S | ০৬ জুলাই ২০১৭ ১২:৫৬713449
  • এতো গোল করে কি হবে? দিদি যে ভুল করেছেন সেতো বোঝাই যাচ্ছে। বিজেপিকে বাড়তে দিয়েছেন (কেন্দ্রিয় অনুদান অর্থনীতির একমাত্র রাস্তা হলে যা হয়), এখন আর সামলাতে পারছেন না।

    এখন কি করার সেটাই হলো কথা। গতবার কোলকাতায় গিয়ে বিজেপির এই সুসময়ের হাল্কা একটা আঁচ পেয়েছিলাম। এখন তো দেখছি বেশ ফুলে ফেঁপে উঠেছে। আর লসাগুদার কথামতন যদি অবস্থা আরো খারাপ হয় তাইলে তো গায়ে রামাবলী দিতে হবে।

    কতদিনের ইচ্ছে গায়ে একটা বীফ কাটের টিশার্ট পড়ে কোল্কেতায় ঘুড়ে বেড়াবো। সে বোধয় আর হইলো না।
  • lcm | ০৬ জুলাই ২০১৭ ১৩:১৬713450
  • শুধু কম্যুনাল ক্ল্যাশ কেন, রাজ্যে ডিগ্রি কলেজে ভর্তি নিয়ে দুর্নীতি, স্কুলের শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষায় চূড়ান্ত অরাজকতা, তোলাবাজি ও সিন্ডিকেটরাজ নিয়ে নানা অভিযোগ -- সবকিছুর জন্যে তো রাজ্যপাল দাবড়ানির মুখাপেক্ষী হয়ে থাকলে চলবে না, রাজ্যপাল তার সুবিধেমতন বেছে বেছে দাবড়ানি দেবেন। কিন্তু, এসবের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ তো দরকার, হয়ত বড় স্কেলে হবে না সবসময়, কিন্তু একটা কন্স্ট্যান্ট এফোর্ট তো ভালো।
    আবার এসবের সঙ্গে, কন্যাশ্রী প্রকল্প, প্রাইভেট হাসপাতালের দুর্নীতিতে হস্তক্ষেপ - এগুলোর কিছু পজিটিভ দিক আছে সেটা মেনে নিতে হবে। সব্শুদ্ধু ধরে দাগিয়ে দিলে কিন্তু ছাগোল জ্যানোগণ শুনবেন না।
    আশার কথা এমন চিন্তাভাবনা কিছু কিছু গুরুভাই-দের মধ্যে দেখি, তারা সংখ্যালঘু, বেশির লোকই তো দৃঢভাবে কোনো পক্ষ নিয়ে বসে আছেন, আর দিনরাত অন্যপক্ষকে গালি দিয়ে যাচ্ছেন। পক্ষ না নিলে, তেনারা লেবেল দিয়ে দ্যান - দুর্বল চরিত্র বা সুবিধেবাদী।
    তো, এই সোশ্যাল মিডিয়াময় প্রহেলিকার যুগে একটু মতিস্থির চিন্তাভাবনার প্রদর্শন - আশাব্যঞ্জক। এই আর কি।
  • PM | ০৬ জুলাই ২০১৭ ১৩:২৩713451
  • পঃবঃ আর স্বাধীনতা পুর্বের বাংলা দুটো সিস্টেম এর এনট্রপি মারাত্মক বেশী। ধর্মীয় মারামারি, নকশাল বাদ, নৈরাজ্যবাদ, সন্ত্রাসবাদী স্বাধীনতা আন্দোলন সব ই এর নানা বহিঃপ্রকাশ, নানা উপলক্ষ মাত্র।

    ৩৪ বছরের স্থিতাবস্থা বাংলার ইতিহাসে ব্যতিক্রম মাত্র, আশ্চর্য্য জনক ও। কিন্তু আপাতত ওপাঠ চুকেছে। আমরা আবার পুনর্মুশিক। আমরা আবার আমাদের ন্যাচারাল কোর্সএ এগিয়ে চলেছি। এই পরিবর্তনে দ্রুত অভ্যস্ত হয়ে ওঠাই কাম্য।
  • PT | ০৬ জুলাই ২০১৭ ১৩:৩২713452
  • এরে কয় নিরপেক্ষতা!!
    যেকটি কাজ সরকারের করার কথা সেসবই ঘেঁটে বসে আছে। সঙ্গে যোগ করুন ক্যামেরার সামনে টাকা নেওয়ার কথা কিংবা মেয়ে পাচারে রাজ্যের শ্রেষ্ঠত্ব। আরো জুড়ে দিন রাজনীতিতে সংখ্যালঘু সাম্প্রদায়িকতাকে বাড়তে দিয়ে আর অন্য দিকে বিজেপিকে তোল্লাই দিয়ে এতদূর নিয়ে এসে দাঙ্গা করানোর মত অবস্থার সৃষ্টি করার মত নির্বোধ হঠকারিতা।
    এসবের সঙ্গে তুল্যমূল্য হল গিয়ে কন্যাশ্রী আর প্রাইভেট হাসপাতালের দুর্নীতিতে হস্তক্ষেপ!!!!!
  • ঘচাং ফুঃ | ০৬ জুলাই ২০১৭ ১৩:৩৯713453
  • যাক, এখানেও পুনর্মূষিকোভব অবস্থা। আমিই বরং খোলসটা বদলে নিই।
  • B | ০৬ জুলাই ২০১৭ ১৩:৪৪713455
  • এটা রামবাবুর ইমোটিকনের লেখার যুগের, সে যুগ থেকে কয়েকটি ধাপ এগিয়ে গেছে দেক্‌চি, থাক তাও দিয়েই দিলাম।
    *************************************
    সেই একই ল্যুপ। এই ল্যুপের বাইরে লক্ষ্মণরেখা বা রহিমরেখা কাটা আছে, তা পার করে কেউ তার বাইরে কেউ এক পাও রাখবেন না। কোথাও যাবেন না, বরঞ্চ বাড়িতে বসে ছাগলের চানা চিবুতে চিবুতে আর নাদিত্যাগ করতে করতে খুঁজুন -
    ১) কে বা কারা দিলীপ ঘোষকে এনেছিলো?
    ২) কারা কারা তখন চুপ করে বসে ছিল?
    ৩) কে বা কারা তসলিমাকে তাড়িয়েছিলো?
    ৪) কারা কারা তখন চুপ করে বসে ছিল?
    ৫) কে বা কারা তসলিমাকে ডেকে ফিরিয়ে আনলো না বা আনার জন্য তাগাদাও দিলো না?
    ৬) কারা কারা তখন চুপ করে বসে ছিল?
    এর একটু পরে চলে যান....
    ৭) কে বা কারা তপন শিকদারকে সেই ভরা বাম জমানায়, মনে হয় ১৯৯৯ সালে, বাম দুর্গ দমদম থেকে জিতিয়েছিল?
    ৮) কারা কারা তখন চুপ করে বসে ছিল?
    ৯) কে বা কারা জ্যোতি বসুকে বিজেপি'র সাথে হাত মিলিয়ে ময়দানে জনসভা করতে উদ্বুদ্ধ করেছিল?
    ১০) কারা কারা তখন চুপ করে বসে ছিল?
    ১১) কে বা কারা চরন সিং মন্ত্রীসভার থেকে বেরিয়ে গিয়ে জনতা মন্ত্রীসভার পতনের কাণ্ডারী হয়েছিল?
    ১২) কারা কারা তখন চুপ করে বসে ছিল?
    ..... এইরকম করতে করতে পৌঁছে যান প্রাক-স্বাধীনতা পর্যায়ে -
    xxx) কে বা কারা ১৯২৫ সালে ভারতের আরএসএসের গোড়াপত্তন করিয়েছিল?
    এবং xxx+1) কারা কারা তখন চুপ করে বসে ছিল?
    এরকম করে করে ইচ্ছে করলে রোবু বা Tর নাকি রামবাবু'র নাদির শাহ'র প্রশ্নেও পৌঁছতে পারেন। বা তারও আগে নিয়েণ্ডারথালের অথবা অ্যামিবার যুগে।
    ...............................................
    আর এইসকল প্রশ্নসমুহের উত্তর উদ্ধার কাল অবধি গৃহে বা অন্য স্থানে নিতম্বধারণপূর্ব্বক অর্থাৎ উপবেশনপূর্ব্বক প্রতীক্ষায় থাকিবেন। আপনার পাদুকার তলদেশের ক্ষয় রক্ষা পাইবে, ব্যয় হ্রাস পাইবে, সঞ্চয় বৃদ্ধি হইবে।
    ---------------------------------------
    বিরক্তি উদ্দীপক সংযোজন - এই সকল প্রশ্নের অধিকাংশের উত্তর শ্রী অশোক মুখোপাধ্যায় লিখিত "ধর্ম, সাম্প্রদায়িকতা মৌলবাদ - কিছু কথা" নিবন্ধে পাইতেও পারিতেন অনুমান। কিন্তু সম্ভবতঃ শ্রীমান সৈকতের এইসকল নিবন্ধ প্রকাশ অনেকের ক্ষেত্রেই মূল্যহীন, কারণ সেই ব্যক্তিবর্গ এইরূপ নিবন্ধের আখ্যা অধ্যয়নমাত্র ইহাকে বর্জন করেন, যাহাকে চলিতের চলিত ভাষায় বলা যায়,
    "আ মোলো যা। আজকাল কেউ নেকাপরা করে নাকো!!"
    (ভাগ্যিস! নয়ত তেনাকেও শাক্যজিতের মত খিস্‌স্‌তি খেতে হত হয়তো।)
  • lcm | ০৬ জুলাই ২০১৭ ১৩:৪৪713454
  • এই জিনিস বাম আমলেও দ্যাখতাম। কিছু মানুষ ছিলেন যারা সর্বক্ষণ বামেদের নিন্দা করতেন, নিরন্তর সমালোচনা।

    "ভালমন্দ" শব্দটা এনাদের অভিধানে নাই, হয় সব ভালো, নয় সব মন্দ।

    এনারা আজও আছেন। অবশ্য চিরকালই ছিলেন।
  • সিকি | ০৬ জুলাই ২০১৭ ১৪:০৩713456
  • যাক। খুড়ো অবশেষে খাপ খুলেচে। কিন্তু এই অজ্জিত আর রোবুর কত ব্যান্ডউইডথ, সেটাই ভাবচি। কতও সময়!
  • ঘচাং ফুঃ | ০৬ জুলাই ২০১৭ ১৪:০৭713457
  • The great success achieved in building the digital
    universe can be attributed to the elegant and simple von
    Neumann architecture of which the central processing
    unit (CPU) and memory are two crucial components.
    The scaling up of CPU and memory, which both follow
    Moore’s law, has been the main driving force for
    computers for over half a century. Yet in March 2016, the
    semiconductor industry announced that it is abandoning
    its pursuit of Moore’s law because device scaling is
    expected to soon reach its physical limit (1). Therefore,
    improvements in computers in the post-Moore’s law
    era must be based on radically new technologies.
    Brain-inspired computing (BIC) is one of the most
    promising technologies (1). By deriving inspiration
    from the architecture and working mechanisms of
    the brain, BIC systems (BICS) can potentially achieve
    low power consumption, high robustness, and selfadaptation, and at the same time handle multimodal
    data in complex environments, which will be conducive
    to the development of systems that function and learn
    autonomously. We use the term “BICS” here instead of
    “neuromorphic computing” because it is more inclusive
    and, in our opinion, future computer architecture will
    be a hybrid of neuromorphic and nonneuromorphic
    components. Here we review the why, what, and how of
    developing BICS.

    ব্যান্ডউইডথ, হুঁঃ।
  • pi | ০৬ জুলাই ২০১৭ ১৪:১০713458
  • এই খবরটা সত্যি হলে, গ্রামে ভালোই সম্প্রীতি ছিল। এই ঘটনার আগে বা ঘটনার সময়ও।
    এগুলো সত্যি নাকি বহু লোকের মধ্যে দাঙ্গাবাজদের মত বিদ্বেষ শিকড় গজিয়েছে, সুযোগের অপেক্ষায় থাকে, সুযোগ পেলেই নখ দাঁত বের করবে,বুঝিনা। সোশ্যাল মিডিয়ার রমরমা হয়ে ভাল না খারাপ হয়েছে তাও বুঝিনা। বিদ্বেষের যে পরিমাণ চাষমাস চলে, সেগুলো সত্যি নাকি বেশিরভাগ ফেক প্রোফাইল দিয়ে ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে দেখানো হয়, তাও আর বুঝতে পারিনা।
    রাস্তায় নেমে, গ্রামেগন্জে ঘুরলে তো এই প্রতিবেদনের মত সুস্থ পরিস্থিতিই লাগে।

    এই সাইটের অনেক খবর সুবিধের ঠেকে নি আগে, কিন্তু এখন অন্য লাইন নিল কিনাও বুঝছিনা।

    https://www.kolkata24x7.com/maksud-called-fire-brigade-souvik-was-saved-by-amirul.html

    'বিজয় রায়, বসিরহাটঃ ফেসবুকের একটা পোস্ট৷ তারপরেই বদলে গিয়েছে গোটা এলাকার পরিস্থিতি৷ যে গ্রামে কখনও সামান্য থেকে সামান্যতম হিংসার ঘটনা ঘটেনি সেখানেই এখন এক গোষ্ঠী অপরকে বিশ্বাস করতে ভয় পাচ্ছে৷গ্রামের নাম মাগুরখোলা৷ এই গ্রামেই থাকে একাদশ শ্রেণির ছাত্র শৌভিক সরকার ৷মা মরা ওই ছেলের ফেসবুক পোস্ট নিয়েই এখন উত্তাল গোটা উত্তর ২৪ পরগণা৷ যদিও মোটের উপর গ্রাম এখন ঠাণ্ডা৷ তবে এখনও অগ্নিগর্ভ বাদুড়িয়া, দেগঙ্গা থেকে শুরু করে স্বরূপনগর৷ ঘটনার দিন পাড়ার মুসলমান ‘চাচারা’ই বুক দিয়ে আগলে রেখেছিলেন শৌভিককে৷

    হাড়হিম করা সেই মুহূর্তের কথা বলতে গিয়ে চোখ ফেটে জল গড়িয়ে পড়ল আমিরুল ইসলামের৷ আমিরুল মাগুরখোলা মিলন মসজিদ কমিটির সভাপতি৷ তিনি বলেন, ‘‘প্রথমে কি হয়েছে ঠিক জানতাম না৷ হঠাৎ ভাইপোর কাছে খবর পাই বাবলু সরকারের(শৌভিকের কাকা) বাড়িতে দু-তিনশো জন জড় হয়েছে৷ গিয়ে দেখি উন্মত্ত ওই যুবকদের ৷ওরা বাবলুর ভাইপোকে খুঁজছিল৷ তাদের মধ্যে কয়েকজন ইতিমধ্যে বাড়িতে আগুনও লাগিয়ে দেয়৷’’ নিজের পরিচয় দেওয়া সত্ত্বেও ওদের থামানো যায়নি বলেও জানান আমিরুল৷ এরপর গ্রামের বাকি লোকজনদের খবর দেওয়া হয়৷ গ্রামের ছেলে মকসুদ দমকলে খবর দেয়৷ সে নিজেও দমকলে কাজ করে৷ তাই সমস্যা হয়নি৷ পরে গোবরডাঙা থেকে দমকল এসে পরিস্থিতি সামাল দেয়৷ এদিকে গ্রামের হিন্দু-মুসলমানরা জোট বাঁধতেই পালিয়ে যায় বহিরাগতরা৷

    রফিকুল ইসলাম নামে এক বৃদ্ধ বলেন, এই গ্রামে এর আগে কখনও এরম হয়নি৷ এখানে দুর্গাপুজো হয়৷ রমজানও পালন হয়৷ মাঠে সবাই একসঙ্গে খেলে৷ কাজ করে৷ বাইরের কিছু লোক এসে যত ঝামেলা করে গিয়েছে৷ মাগুরখোলাতেই থাকেন বসিরহাটের একটি সরকারি স্কুলের শিক্ষক তপন হালদার৷ তাঁর কথায়, ছেলেটি মোটের উপর শান্ত বলেই জানা৷কী এমন করল যে এমন পরিস্থিতি হবে! একই সঙ্গে তিনি আরও বলেন, ‘‘ঘটনার দিন গ্রামের মুসলমানরাই বাঁচিয়েছিল শৌভিকদের পরিবারকে৷ওরা না থাকলে গোটা পরিবার সেদিনই শেষ হয়ে যেত৷’’

    গ্রামে মুদির দোকান চালান সনাতন সরকার৷ তিনি বলেন এই গ্রামে কখনও ঝামেলা হয়েছে বলে তাঁর জানা নেই৷ একবার নির্বাচনের সময় গণ্ডগোল হয়েছিল৷ তবে সেটা গ্রামের লোকেদের ভোট দিতে দেওয়া হয়নি৷ এছাড়া অন্যকোনও হিংসা কখনওই নয়৷ একই সঙ্গে তিনি আরও বলেন, তখনের মতো ঝামেলা মিটে গেল৷ কিন্তু পরে দেগঙ্গা থেকে খবর পাই ওখানে কিছু লোক গোলমাল পাকিয়েছে৷ পরে আরও খবর আসে স্বরূপনগর থেকেও৷ যে গ্রামের যুবক এই ঘটনা ঘটাল সেই গ্রাম ঠাণ্ডা৷ অথচ বাইরে আগুন জ্বলছে৷ এই ঘটনার পেছনে যে সমাজ বিরোধীরা রয়েছে বলে ক্ষোভ উগরে দিলেন ষাট পার করা সনাতনবাবু৷

    গ্রামে যে মসজিদ রয়েছে সেখান থেকে একটু হাঁটলেই শৌভিকের বাড়ি৷ শৌভিকের প্রতিবেশী সুপ্রকাশ হালদার ৷ তাঁর বাড়িতেই মাঝে মধ্যে কীর্তনের আসর বসে৷ তিনি বলেন, ‘‘মসজিদের আজান হয়৷ সন্ধ্যায় কীর্তন হয় আমার বাড়িতে৷ আমাদের গ্রামে ঝামেলা নেই৷ যা ছিল মিটে গিয়েছে৷বাইরে কেন এমন হচ্ছে বোঝা যাচ্ছে না৷’’

    সত্যি বোঝা যাচ্ছে না৷ যে গ্রামের ছেলেকে নিয়ে এত কাণ্ড৷ সেই গ্রামে সম্প্রীতি এখনও স্পষ্ট৷ অথচ মাগুরখোলা ছাড়িয়ে হিংসা ছড়িয়ে গেল দেগঙ্গা, বসিরহাট, স্বরুপনগর৷ এই চক্রান্তের পেছনে কে ? প্রশ্নটা ছুড়ে দিল শৌভিকের গ্রাম খোদ মাগুরখোলা৷'
  • সিকি | ০৬ জুলাই ২০১৭ ১৪:১৭713460
  • ঘটনার সূত্রপাত তারও আগে।বাদুরিয়াতে ঈদের সময়ে তোলা ইসলামিক পতাকাকে পাকিস্তানের পতাকা বলে প্রচার চালিয়েছিল হিন্দু সংহতি। টেনশন শুরু তখন থেকেই।

    তৃণমূলের যদি বিন্দুমাত্র সদিচ্ছা থাকে কম্যুনাল হারমনি ফেরানোর ব্যাপারে, সবার আগে এই হিসংকে ব্যান করুক নয় তো তপনা সমেত সবকটা খচ্চরকে ধড়পাকড় শুরু করুক।
  • PT | ০৬ জুলাই ২০১৭ ১৪:১৮713461
  • আমার কথাটা যখন কোট করেছেন তখন কিছু একটা লিখি.....।
    দায় নিতে শেখা ও ভুল স্বীকার করা বেশ একটা ভাল ব্যাপার। যারা দিলীপ ঘোষকে জিতিয়ে আনার সঙ্গে নাদির শাহর সময়ের তুলনা করছে তারা অতি অব্শ্যই আমড়াগাছী বেশী পছন্দ করে। তারা রাজনীতি নিয়ে কচকচি করতে কিংবা বারাসতে গিয়ে মিছিল করতে বেশী পছন্দ করে কিন্তু রাজনীতি আদৌ বোঝে না। এমনকি ইদ্রিশ আলীর বাঁদারামো-ও তাদের কাছে ঠাট্টা-মস্করার ব্যাপার। আমি বরং মনে করতে চাই যে ইদ্রিশ ও দিলীপ এদের চাইতে অনেক বেশী "সৎ"-তারা যে সব্বোনাশে বিশ্বাস করে সেটাকে সফল করার জন্যে অত্যন্ত "সততার" সঙ্গে চেষ্টা করে যাচ্ছে।

    আর বৃক্ষ সব সময়েই তার ফল দিয়ে চেনা যায়। জ্যোতি বসু "বিজেপি'র সাথে হাত মিলিয়ে ময়দানে জনসভা" করলেও ২০১১-র আগে পর্যন্ত বিজেপি পব-তে প্রায় অনুপস্থিত ছিল। জ্যোতিবাবুকে গাল দেওয়াই যেত যদি ঐ মিটিনের পরে বিজেপির বিপুল উত্থান হত পবতে। আর তপন শিকদারের ঘটনাটা কততা গপ্প আর কতটা সত্যি সে ব্যাপারে বিশেষ তথ্য কারো কাছেই নেই। কিন্তু অন্য একজন অটলজীকে মাসীমার মালপো খাইয়ে শুরু করে আজকে বিজেপিকে পবতে কি পরিমাণ শক্তিশালী হতে দিয়েছে সেতো সকলেই দেখতে পাচ্ছে।

    এসব ফারাক যারা বুঝতে চায় না বা পারে না তাদের সঙ্গে আলোচনা করার চাইতে দিলীপ বা ইদ্রিশের সঙ্গে গপ্পগুজব করে টাইম পাস করা ভাল!!

    কিন্তু তপন শিকদারের কেসটা কি?
    ১৯৯৮ আর ১৯৯৯-তে-দুবারই তিনি NDA-র হয়ে জিতেছিলেন। তিনোরা সেই NDA-র অংশ ছিল। কিন্তু ২০০৯-এ the All India Trinamool Congress (an earlier National Democratic Alliance ally) candidate (who won and became the MP) got 458,988 votes whereas the Communist Party of India (Marxist) candidate got 438,510 votes) and he polled only 55,679 votes.
    অর্থাৎ কিনা তিনোদের সমর্থনেই তপন সিকদার দমদম থেকে জিতেছিলেন!! তারা সমর্থন তুলে নিতে তাঁর ভোট মাত্র ৫৫,৬৭৯। অর্থাত কিনা বামেদের শেষ সময়েও বিজেপি মাথা তুলতে পার্বেনি।
  • B | ০৬ জুলাই ২০১৭ ১৪:৩৩713463
  • পাইয়ের লেখার লাইন ধরে দুটি লেখা আজ 'এই সময়' ও আনন্দবাজারে বেরিয়েছে, তারা অবশ্য 'ধাক্কা কিস্‌নে মারা থা' সুলভ প্রশ্ন করে নি।

    রহি শিখ নিধন কি বাত। তো উস্‌মে ভি থোড়া সা টিপ্পনি করনে কি গুস্তাখি মাফ কিজিয়ে গা।
    (হিন্দিতে লিঙ্গের ভুল সিকি শুধরে দেবে)

    ১৯৮৪ সালের ৩১শে অক্টোবর। আমার ও আমার স্ত্রীর দুজনেরই আগের আস্তানা ভবানীপুর ও রাসবিহারীতে। আর কে না জানে এই দুটি জায়গায়ই দুটি বড় বড় গুরুদ্বোয়ারা আছে। এবং যেহেতু এ দুটি জায়গাই কংগ্রেস অধ্যুষিত, তাই এসব অঞ্চলে কি কি ঘটেছিল, তা একটু পুরোনো লোকেদের জিজ্ঞাসাবাদ করলেই জানা যাবে। কল্লোলদাও আশা করি বলতে পারবেন।

    হ্যাঁ অবশ্যই সেদিন বামফ্রণ্ট সরকার কারফিউ ডেকে অনেক বড় বিপদের হাত থেকে বাঁচিয়েছিলেন অনেক পাঞ্জাবী পরিবারকে, কিন্তু ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কংগ্রেসী গুণ্ডাদের হাত থেকে সবাইকে বা সব অ্যাসেটকে বাঁচানো সম্ভব হয় নি। ঈশান সেরকমই কিছুর উল্লেখ করেছিল হয়তো। তাতে শিখ রায়ট্‌ নিয়ে গুজব ছড়ানোর বদনাম দেওয়ার অর্থ হয় কি?

    আমি ও আমার তখন হবু স্ত্রী সেদিন কোনো কাজে প্রিন্স্‌ আনোয়ার শা রোডে সকালে এসে দুপুরে আর বাসে ফিরতে পারি নি। গলিঘুঁজির বিপদ এড়াতে প্রধান রাস্তা মানে আনোয়ার শা, রসা রোড, শ্যামাপ্রসাদ ও আশুতোষ মুখার্জী রোড ধরে হেঁটে ফিরি। রাস্তায় সাদার্ণ অ্যাভিন্যুর মোড়ের ধাবা ভ্স্মীভূত দেখি। গুরুদ্বোয়ারার আশেপাশে উত্তেজিত কং জনতার ভীড়ও দেখি। হবু স্ত্রীকে তার বাড়ী পৌঁছে দিয়ে বেরিয়ে বহু কিছুই চোখে পড়ে, কিন্তু ভবানীপুর অঞ্চলে বাম ঘনত্ব এতই ক্ষীণ যে প্রতিবাদ করা হয় নি।

    সম্ভাব্য বিপদের কথা ভেবে স্থানীয় নয়, বাম অধ্যুষিত অঞ্চলের ইশকুলগুলিতে শিখ পরিবারগুলিকে আশ্রয় দেওয়া হয়, যার জন্য অবশ্যই বাম সরকারের সাধুবাদ প্রাপ্য। কিন্তু যে কংগ্রেসী গুণ্ডারা হোটেল গ্রীন প্যালেস বা এলগিন্‌ রোড, জগুবাজার সংলগ্ন সমস্ত শিখ দোকানপাট পুড়িয়েছিল বা জগুবাজারের গায়ে পদ্মপুকুর রোডে থাকা শিখ পরিবারের কিছু কিছু লোককে মেরেছিল, তাদের তো শাস্তি পরবর্তী কালে দেওয়া হয় নি। কারণটা মাননীয় লসাগু'দা অনেক আগে অন্য সুতোয় বলে গেছেন, আর ঈশান তার পরবর্তী ভোট-ফলাফলের উল্লেখে ইঙ্গিত করেছে। দেখিনি, তবে 'ঐ শুনেছি', আসানসোলে যেহেতু শিখ প্রচুর তাই সেখানকার পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারন করে। সেখানকার অপরাধীরাও শাস্তি পায় নি।

    আমি বাদে কে বা কারা তখন চুপ করে বসেছিল? হাত তুলুন।
  • pi | ০৬ জুলাই ২০১৭ ১৪:৩৩713462
  • এই যে, কীভাবে কী ছড়ানো হচ্ছে, তার হাতে গরম নমুনা।
    https://www.facebook.com/bhabatosh.chatterjee.bhabatosh?fref=nf

    এই ব্যক্তির প্রোফাইলে গিয়ে শেয়ার করা একটি ছবি দেখুন, লেখা আছে, 'অপর্ণা সেন আপনি এখন কোথায় আছেন?
    শান্তির পুত্র দের হাতে চলছে হিন্দু নারীর বস্ত্রহরণ।। স্হান বাদুড়িয়া।।'

    আসিশ ডস লিখেছে, 'ভোজপুরি সিনেমার সিন (লিঙ্ক কমেন্টে) নিয়ে গুজব ছড়াচ্ছে মাইরি! এদের দেয় কে?!! গোবলয়ের অবৈধ সন্তান গুলো ঢপ মারার মেটিরিয়ালের জন্যও গোবলয়েই যাচ্ছে আজকাল।'

    পারলে এটা ফেসবুকে গণ রিপোর্টিং করা হোক, বা পুলিশের পেজে জানানো হোক। এটুকুও সবাই মিলে করতে পারলে, আর ফেকবাস্টিং গুলোকরতে পারলে, কিছু কাজ হতে পারে।
  • kochang ku | ০৬ জুলাই ২০১৭ ১৪:৪৭713466
  • মুদি চাড্ডির দল আর কত নীচে নামবে!!
  • B | ০৬ জুলাই ২০১৭ ১৪:৫২713467
  • ২-১৮-র লেখাটা আমার উদ্দেশ্যেই যখন, তখন এটুকুই লিখি যে আমার পুরো লেখাটায় শ্রী অশোক মুখোপাধ্যায়ের নিবন্ধটির উল্লেখ ছিল। সেটি দয়া করে পড়ে দেখবার অনুরোধ করতে পারি মাত্র। উপদেশ দেওয়া মনে না করলেই বাধিত হব'। বেশ কয়েক দিন আগে আমার লেখায় ওনার লেখার উদ্ধৃতি দেখে তা আমারই বক্তব্য ভেবে তিনজন - মাননীয় অমিত, মাননীয়া দু এবং মাননীয় আ-আ-আপনি - মন্তব্য করেছিলেন, তখনো ভুল ভাঙাতে ওই নিবন্ধটির লিঙ্ক দিয়ে অনুরোধ করেছিলাম।কিন্তু হা হতোস্মি!

    আলাপচারিতার বিন্দুমাত্র ইচ্ছা না থাকা সত্ত্বেও লিখলাম, কারণ এর পর কি ঘটবে কেউ জানে না আ-আ-আপনি ছাড়া। ঠিক যেমন মমতা কি করবেন বা বলবেন তা একমাত্র মা ম-ম-মমতাই জানেন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। আদরবাসামূলক প্রতিক্রিয়া দিন